Blog

  • জয়পুরহাটে ৩৫০ জন পল্লী বিদ্যুৎ কর্মী অনুপস্থিত ॥ গ্রাহকদের ভোগান্তি

    জয়পুরহাটে ৩৫০ জন পল্লী বিদ্যুৎ কর্মী অনুপস্থিত ॥ গ্রাহকদের ভোগান্তি

    জয়পুরহাটে ৩৫০ জন পল্লী বিদ্যুৎ কর্মী অনুপস্থিত ॥ গ্রাহকদের ভোগান্তি

    সারাদেশ ব্যাপী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৪ দফা দাবি আদায়ের আন্দোলন চলছে। এর অংশ হিসেবে জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) কর্মকর্তারাও গণছুটি নিয়েছেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সমিতির ৪১১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে প্রায় ৩৫০ জন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে সমিতির অধীনস্থ ১০টি সাব-স্টেশনের মধ্যে ৯টিতে কোনো লোকবল ছিল না, যা বিদ্যুৎ সেবায় চরম অচলাবস্থা সৃষ্টি করেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন জেলার প্রায় ২ লাখ ৮৮ হাজার গ্রাহক। জয়পুরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় রয়েছে তিনটি আঞ্চলিক কার্যালয়, একটি উপ-আঞ্চলিক কার্যালয় এবং ১০টি সাব-স্টেশন। এখানে মোট ৪১১ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্মরত। চার দফা দাবি আদায়ে আন্দোলনের অংশ হিসেবে বুধবার গণছুটি নেন ৩৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। বিদ্যুৎ বিভাগের কড়া নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তারা কাজে যোগ দেননি। অভিযোগ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্তরা মোবাইল ফোন জমা দিয়ে চলে গেছেন, ফলে গ্রাহকদের অভিযোগ গ্রহণ ও সমাধান কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
    জয়পুরহাট সদর দপ্তরে সকাল ১১টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ কর্মী অনুপস্থিত। গ্রাহকরা বিভিন্ন সেবা নিতে এসে ফিরে যাচ্ছেন। অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স (ও অ্যান্ড এম) বিভাগে মাত্র ৫-৬ জন কর্মকর্তা কর্মরত ছিলেন। বিভাগটির একজন প্রকৌশলী জানান, এখানে একজন এজিএমসহ মোট ২১ জন কর্মরত থাকার কথা, কিন্তু ৮ জন ছুটির দরখাস্ত দিয়ে এবং আরও ৫ জন ছুটি ছাড়াই কাজে অনুপস্থিত রয়েছেন। মঙ্গলবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা আবু কাহার অভিযোগ করে বলেন, আমার বাড়ির মিটারে বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বেশি এসেছে। তাই সদর দপ্তরে এসে অভিযোগ জানাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখানে এসে দেখি, কেউ নেই। একজন বললেন, আন্দোলনের কারণে কেউ আসেনি। গ্রাহকদের জিম্মি করে এভাবে আন্দোলন করা মোটেও যৌক্তিক নয়।
    পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আবু উমাম মো. মাহবুবুল হক জানান, আজ (বুধবার) ৩৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মস্থলে আসেননি। ৯টি সাব-স্টেশন সম্পূর্ণ লোকবলশূন্য। অভিযোগ কেন্দ্রের মোবাইল জমা দেওয়ায় সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যেই আবার লোডশেডিং শুরু হয়েছে। দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

  • শিবগঞ্জে কৃষকদের মাঝে মাসকলাই বীজ ও সার বিতরণ

    শিবগঞ্জে কৃষকদের মাঝে মাসকলাই বীজ ও সার বিতরণ

    শিবগঞ্জে কৃষকদের মাঝে মাসকলাই বীজ ও সার বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আজাহার আলী। এবারের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ২ হাজার ৪শ’ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ৫ কেজি মাসকলাই বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ৫ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘খরিপ-২ মৌসুম ২০২৪-২৫’-এ মাসকলাইয়ের আবাদ বৃদ্ধি ও উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নয়ন মিয়া, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহাদৎ হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল আজাদি প্রমুখ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নয়ন মিয়া জানান, মাসকলাই দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ডালজাতীয় ফসল। এটি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং স্বল্প সময়ে উৎপাদনযোগ্য হওয়ায় কৃষকদের কাছে বেশ লাভজনক। এ কারণে কৃষকদের মধ্যে মাসকলাই চাষে আগ্রহ বাড়ছে। তিনি বলেন, “সরকার কৃষি বান্ধব নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবেই ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার প্রদান করা হচ্ছে, যা উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” কৃষকরা জানান, সরকারের এ ধরনের সহায়তা তাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। তারা আশা করেন, এ প্রণোদনার ফলে খরিপ মৌসুমে মাসকলাইয়ের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারে সরবরাহও বাড়বে। সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের সহায়তা অব্যাহত থাকলে শিবগঞ্জসহ পুরো চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় মাসকলাইসহ ডালজাতীয় ফসলের আবাদ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে স্থানীয় কৃষি বিভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ মিঠু গ্রেপ্তার

    স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ মিঠু গ্রেপ্তার

    স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ মিঠু গ্রেপ্তার

    রাজধানীর গুলশান থেকে স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির অন্যতম হোতা মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চাহিদাপত্রের ভিত্তিতে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা-উত্তর) মোহাম্মদ রবিউল হোসেন ভূঁইয়া জানান, মিঠুর বিরুদ্ধে দুদকে মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুদকে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানে মিঠুর বিরুদ্ধে প্রায় ৭৬ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার মালিকানাধীন লেক্সিকোন মার্চেন্ডাইস ও টেকনোক্রেট নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি কৃষিজমি, প্লট, ফ্ল্যাট, বাড়ি নির্মাণে ১৮ কোটি ৪০ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং শেয়ার, বিনিয়োগ, গাড়ি, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য খাতে ৫৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এছাড়া, পারিবারিক ব্যয় হিসেবে ৭১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ধরা হয়েছে, যা তার মোট সম্পদ ও ব্যয়কে ১৪৭ কোটি ৩০ লাখ টাকায় নিয়ে গেছে। তবে, তার বৈধ আয় মাত্র ৭১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, যা থেকে ৭৫ কোটি ৮০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ মিলেছে। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানান, দুদক আইন ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মিঠুর বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০১৬ সালে প্রকাশিত পানামা পেপারসে তার নাম উঠে আসে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়নকাজ ও মালামাল সরবরাহের নামে প্রভাব খাটিয়ে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ ও পাচার করেছেন।

  • নাচোল ক্রীড়া কল্যাণ একাডেমি’র অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময়ে সভা

    নাচোল ক্রীড়া কল্যাণ একাডেমি’র অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময়ে সভা

    নাচোল ক্রীড়া কল্যাণ একাডেমি’র অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময়ে সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল ক্রীড়া কল্যাণ একাডেমির আয়োজনে অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাচোল সরকারি কলেজের সাবেক অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাচোল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ আকন্দ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাচোল সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দুলাল উদ্দিন খান, ঢাকা মার্কেন্টাইল ব্যাংকের উপদেষ্টা এ.টি.এম নুরুল্লাহ, নাচোল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনিকুল ইসলাম, সাবেক ফুটবলার ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শারিফুল ইসলাম, আরাফাত রহমান কোকো’র জেলা সহ-ক্রীড়া সম্পাদক ও সাবেক ফুটবলার বজলুর রশিদ, ক্রীড়া প্রশিক্ষক ও সাবেক ফুটবলার আব্দুল মান্নান, ক্রীড়া সহ-পরিচালক সুমন ভট্রাচার্য, রবিউল ইসলাম, রহমত আলী, হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন ক্রীড়া পরিচালক, সাবেক খেলোয়াড় ও নাচোল খ.ম সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম তুষার। অনুষ্ঠানে প্রধাণ অতিথি তার বক্তব্যে জানান, এ ধরনের আয়োজন নাচোলবাসীর জন্য নিঃসন্দেহে আশীর্বাদ। এটা অব্যাহত থাকুক। সভাপতি হাফিজুর রহমান বলেন, তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলায় এগিয়ে আসলে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা পাবে আগামী প্রজন্ম। অনুষ্টান সঞ্চালনা করেন নাচোল খ.ম সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহ: শিক্ষক আব্দুর রউফ ও শিক্ষক এবং সাংবাদিক শাকিল রেজা। উল্লেখ্য, এ সংগঠনের স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক ফিনল্যান্ড প্রবাসী সাবেক ফুটবলার বাবুল আক্তার লিটন।

  • গাইবান্ধার ফুলছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কালির বাজারে  নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

    গাইবান্ধার ফুলছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কালির বাজারে  নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

    গাইবান্ধার ফুলছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ কালির বাজারে  নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

    গাইবান্ধার ফুলছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ উপজেলা সদর হেডকোয়ার্টার (কালির বাজারে) নির্মাণের দাবিতে দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। ফুলছড়ি উপজেলার সাধারণ শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের জনগণ এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন, জামায়াত নেতা মাওলানা আবুল খায়ের, আব্দুল কাদের ভূঁইয়া আকাশ,‎ ছাত্র প্রতিনিধি জাহিদ হাসান জীবন, খোরশেদ আলম, শাকিল আহমেদ, পারভেজ হাসান রুবেলসহ অন্যরা। বক্তারা, ফুলছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ উপজেলা সদর হেডকোয়ার্টার কালির বাজারে নির্মাণের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান।

  • গোবিন্দগঞ্জে ৮শ’ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার

    গোবিন্দগঞ্জে ৮শ’ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার

    গোবিন্দগঞ্জে ৮শ’ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ৮শ’ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক কারবারী বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ উপজেলার কৌচাকৃষ্ণপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মাদক কারবারী বাব ও ছেলেকে গ্রেফতার করে। পরে তাদের ঘরে রাখা ৮শ’ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো-গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের কৌচাকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আহসান আলীর ছেলে ইদ্রিস আলী (৪৮) ও তার ছেলে ফুয়াদ হোসেন (২৪)। গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল ইসলাম ৮শ’ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক কারবারী বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে থানায় একটি মামলা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদেরকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ৩ পুলিশ সদস্য আহত

    মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ৩ পুলিশ সদস্য আহত

    মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ৩ পুলিশ সদস্য আহত

    কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাছে মীর আকতার কোম্পানি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মহেশখালী থানার ওসি মো. মঞ্জুরুল হক জানান, রাতে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় সশস্ত্র সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের অবস্থানের খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহলদল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা পালানোর চেষ্টা করে এবং পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি ছোড়ে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে কঠোর অবস্থান নিলে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুঁড়তে ছুঁড়তে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সেলিম উদ্দিন, কনস্টেবল মো. সোহেলসহ তিনজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। স্থানীয়দের সহায়তায় আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিকভাবে চকরিয়ার বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাদের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থানান্তর করা হয়। আঘাতের তীব্রতার কারণে চিকিৎসকরা তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। ওসি মঞ্জুরুল হক বলেন, ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করতে এবং গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। আমরা এই হামলার পেছনের কারণ এবং দোষীদের শনাক্ত করতে তৎপর রয়েছি। এ ঘটনা মহেশখালীতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয়রা জানান, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় সম্প্রতি সন্দেহজনক কার্যকলাপ বেড়েছে, যা এই হামলার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। পুলিশ ঘটনার তদন্তে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

  • ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সড়ক ও রেল পথ অবরোধ ॥ ঢাকার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সড়ক ও রেল পথ অবরোধ ॥ ঢাকার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    ফরিদপুরের ভাঙ্গায় সড়ক ও রেল পথ অবরোধ ॥ ঢাকার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বৃহস্পতিবার সকল ৬টা থেকে ১১টি পয়েন্টে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন অবরোধকারীরা। ভাঙ্গা উপজেলার পুকুরিয়া, মাধুপপুর, মুনসুরাবাদ, হামেরদী, সুয়াদি, ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড, হসপিটাল মোড়ে ও ভাঙ্গা রেললাইন সহ মহাসড়কের গাছ ফেলে টায়ার জালিয়ে অবরোধ করেছে কয়েক হাজার স্থানীয় জনতা। এতে মহাসড়কে চারদিকে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং এতে উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত যানযটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়ে হাজার হাজার যাত্রী। ফলে দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশ দ্বার ভাঙ্গা উপজেলার উপর দিয়ে ২১টি জেলার পণ্য ও যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য গত বৃহস্পতিবার ৩০০ সংসদীয় আসনের পুননির্ধারিত সীমানার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে ফরিদপুর-৪ আসনের অন্তর্ভুক্ত ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে কেটে নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-২ আসনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বক্তারা বলেন, ইসি যতক্ষন তাদের দাবি না মানবে, ততক্ষণ রাজপথ ও রেলপথ অবরোধ থাকবে। সকাল ৮টার সময় খুলনা থেকে ঢাকা গামী জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ট্রেন ভাঙ্গার সীমান্তর্বতী এলাকায় ১৫০০ যাত্রী নিয়ে আটকা পড়ে।

  • ভালুকায় ডাম্পিং স্টেশনের রাস্তার কাজ উদ্বোধন

    ভালুকায় ডাম্পিং স্টেশনের রাস্তার কাজ উদ্বোধন

    ভালুকায় ডাম্পিং স্টেশনের রাস্তার কাজ উদ্বোধন

    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের কৃষি খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ডাম্পিং স্টেশনের রাস্তার কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার হবিরবাড়ীতে উদ্বোধনের সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ শহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মামুন, হবিরবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো: জহির উদ্দিন, ময়মনসিংহ (দঃ) জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আলহাজ্ব আবু সাঈদ জুয়েল, ময়মনসিংহ দ: জেলা ওলামা দলের আহবায়ক আলহাজ্ব মাও. মফিজুর রহমান, হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি তাজউদ্দিন শেখ, বিএনপি নেতা জলিলুর রহমান, উপজেলা জাসাসের সহ-সভাপতি সফিউল্লাহ আনসারী, যুবদল নেতা তোফায়েল আহমেদ রানা, ৯নং ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শরিফ আহমেদ মন্ডল, রফিকুল ইসলাম. রাইসুল ইসলাম রকিব, হুমায়ুন কবির, উজ্জল মিয়া প্রমূখ।

  • পঞ্চগড়ে ভিডাব্লিউবি কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    পঞ্চগড়ে ভিডাব্লিউবি কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    পঞ্চগড়ে ভিডাব্লিউবি কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় ভালনারেবল উইম্যান বেনিফিট (ভিডাব্লিউবি) কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান তইবুর রহমানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চন্দনবাড়ি ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার শতাধিক মানুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চন্দনবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তইবুর রহমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপকারভোগীদের মধ্যে ভালনারেবল উইম্যান বেনিফিট ভিডাব্লিউবি কার্ড বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম, জালিয়াতি ও দুর্নীতি করেছেন। সচ্ছল ও অনেক সম্পদশালী ব্যক্তিরা কার্ড পেয়েছেন। প্রতিকার্ডে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন তিনি। যারা টাকা দিতে পারেন নি তাদের কার্ড দেয়া হয়নি। অবিলম্বে নতুন তালিকা করে অসচ্ছল ও অসহাদের কার্ড বিতরণের দাবি করেন বক্তারা। পরে প্যানেল চেয়ারম্যানের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন মানববন্ধনকারীরা। পরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সেনাবাহিনী সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।