Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যাদুর্গত এলাকায় এমপি হারুনের ত্রাণ বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যাদুর্গত এলাকায় এমপি হারুনের ত্রাণ বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যাদুর্গত এলাকায় এমপি হারুনের ত্রাণ বিতরণ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় এমপি হারুনের উদ্যোগে সাড়ে ছয়শতাধীক বানভাসি পরিবারের পাশে বিএনপি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত এলাকায় বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিএনপি।

    রবিবার (৩১ আগস্ট) সকালে সদর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোঃ হারুনুর রশীদ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন।

    ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষক দলের আহবায়ক মোঃ তসিকুল ইসলাম তসি, বিএনপির উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা।

    ত্রাণ হিসেবে আলাতুলি ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে ছয়শত পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়- ৩ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি আটা, ১ কেজি চিড়া, ৫০০ গ্রাম গুড়, ১ কেজি মুড়ি (দুই প্যাকেট), ১ প্যাকেট টোস্ট বিস্কুট। ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি হারুনুর রশীদ দুর্গত মানুষের সাথে কথা বলেন। তিনি বলেন, “বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে আমরা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্দশা দেখেছি। দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। এ সহায়তা সামান্য হলেও তাদের কষ্ট লাঘবে ভূমিকা রাখবে।” স্থানীয় নেতারা জানান, সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোরও এগিয়ে আসা প্রয়োজন। তবেই দ্রুততম সময়ে বানভাসি মানুষ সহায়তা পাবে এবং তাদের দুর্দশা কিছুটা লাঘব হবে।

  • নাটোরের নলডাঙ্গায় কেউ কথা রাখেনি! পানি বন্দি শতাধিক পরিবার

    নাটোরের নলডাঙ্গায় কেউ কথা রাখেনি! পানি বন্দি শতাধিক পরিবার

    নাটোরের নলডাঙ্গায় কেউ কথা রাখেনি! পানি বন্দি শতাধিক পরিবার

    রাস্তার দুর্ভোগে ভেঙে যাচ্ছে বিয়ের সম্বন্ধ। এছাড়া পানি বন্দি হয়ে আছে, শতাধিক পরিবারের প্রায় তিন শতাধিক মানুষ। নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার পিপরুল ইউনিয়নের রায়সিংহপুর গ্রামের মানুষের জন্য বর্ষা মানেই পানির দুঃস্বপ্ন। সেই চলাচলের স্থানই তলিয়ে যায়,বর্ষার পানিতে। মাত্র ৩শ মিটার রাস্তার কারণে শিক্ষাসেবা, চিকিৎসা ও কৃষি বিপর্যস্ত হওয়ার পাশাপাশি ভেঙে যাচ্ছে বিয়ের সম্বন্ধ।

    পাত্র বা পাত্রীপক্ষ পানি ভেঙ্গে গ্রামে আসতে রাজি না হওয়ায় ভালো সম্বন্ধও নষ্ট হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে অভিযোগ করেও সমাধান না পেয়ে হতাশ গ্রামবাসী। তাই গ্রামবাসী বরিবার(৩১ আগস্ট) দুপুরে এবার সেই ডুবন্ত পানি নেমেই রাস্তার দাবিতে করেছেন,মানববন্ধন। স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিএনপি নেতা মজিবর রহমান মধু, মালেক ব্যাপারী, সুকচান মন্ডল, রহিম মন্ডল, মজিবর ব্যাপারী, আলিম ব্যাপারী, আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ভোট এলে আসে আশ্বাস, অনেকে কথা দিয়েছে রাস্তা করে দিবে, কিন্তু কেউ কথা রাখেনি। নলডাঙ্গা-শেরকোল সড়কের রায়সিংহপুর পূর্বপাড়া অবস্থা এতটাই করুণ, বর্ষা মৌসুমে-পানিতে একাকার হয়ে যায়। যানবাহন তো দূরের কথা,নৌকা ছাড়া চলাচল সম্ভব হয়না। তারা আরও বলেন,ছেলের ভালো চাকরি থাকলেও কিংবা মেয়েরা গুণে গুণান্বিত হলেও বিয়ে হচ্ছে না,কারণ পাত্র বা পাত্রীপক্ষ রাজি হচ্ছে না,এই গ্রামে আসতে। এ কারণে বিয়ের আগেই ভেঙে যাচ্ছে সম্বন্ধ। শুধু বিয়ে নয়,রাস্তার কারণে শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    কোনো রোগী অসুস্থ হলে অ্যাম্বুলেন্স তো দূরের কথা, রিকশা-ভ্যানও পৌঁছায় না গ্রামে। রোগীকে খাটিয়ায় করে বহন করতে হয়। বৃষ্টির দিনে দুর্ভোগ আরও চরমে ওঠে। মৃত্যু ঝুঁকি নিয়েই মানুষকে চলাচল করতে হয়। শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া-আসা হয়ে উঠেছে দুঃস্বপ্নের মতো। সকালে স্কুলে রওনা হলেই পানিতে পড়ে গিয়ে ভিজে যায় বই-খাতা ও ইউনিফর্ম। এতে অনেকেই সময় মতো ক্লাসে পৌঁছাতে পারে না,পড়ালেখা ব্যাহত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা। কৃষকরাও দাবি রাস্তা না থাকার কারণে সময় মতো ফসল বাজারজাত করতে না পারায় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে পানি মাড়িয়ে চলাচল করা আমাদের জন্য চরম কষ্টের। পানি সরে গেলেও রাস্তা কাদা হয়ে যায়। ছেলে-মেয়েদের স্কুল-কলেজে যেতে কষ্ট হয়,অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে হলে কোলে বা খাটিয়ায় করে নিতে হয়। রাস্তার বিষয়ে অনেকবার চেয়ারম্যান, মেম্বারদের কাছে অভিযোগ দিয়েছি কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। কথা দিয়ে কিন্তু কেউ কথা রাখেনি। আজও আমাদের এলাকার বাস্তব কোনো উন্নয়ন হয়নি। এই রাস্তাটি হলে মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হবে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ হাসিবুল হাসান,বলেন আগামীতে বরাদ্দ আসলে আমরা রাস্তাটি করে দিবো। আশা করছি,খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।

  • ফরম ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে গোমস্তাপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

    ফরম ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে গোমস্তাপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

    ফরম ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে গোমস্তাপুরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজ গেটের সামনে দাড়িয়ে ঘণ্টাব্যাপি এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শেষে অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম ডলারের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করে শিক্ষার্থীরা।

    বিক্ষোভ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা ‘অযৌক্তিক ফি বৃদ্ধি মানি না, মানবো না’ ‘ফি বৃদ্ধি প্রত্যাহার করো, করতে হবে’ ‘অ্যাকশান অ্যাকশান, ডাইরেক্ট অ্যাকশান’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে। বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখে কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আল- কারিমা, মিম, মেহেদি হাসান, সানজিদা খাতুনসহ অন্যরা। রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদি হাসান বলেন, এই ফি বৃদ্ধি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আমরা অবিলম্বে ফি প্রত্যাহার চাই। আরেক শিক্ষার্থী সানজিদা খাতুন বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী নিম্ন-মধ্যবিত্ত এবং অসচ্ছল পরিবারের। হঠাৎ করেই ফি বৃদ্ধির ফলে অনেক শিক্ষার্থীসহ পরিবার ভোগান্তির মধ্যে পড়েছে। শিক্ষার মান উন্নয়ন না করে ফি বাড়ানো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আমরা অনতিবিলম্বে এই ফি প্রত্যাহার চাই। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের ফি বৃদ্ধির বিষয়ে রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম ডলার বলেন, অত্র কলেজের শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেছি। তাদের দাবিগুলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করা হবে।

  • আবারও বাড়ছে পদ্মায় পানি-৪ দিনে ৪৫ সে.মি. বৃদ্ধি

    আবারও বাড়ছে পদ্মায় পানি-৪ দিনে ৪৫ সে.মি. বৃদ্ধি

    আবারও বাড়ছে পদ্মায় পানি-৪ দিনে ৪৫ সে.মি. বৃদ্ধি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আবারও অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করেছে পদ্মা নদীর পানি। গত চার দিন ধরে ধারাবাহিকভাবে পানি বাড়ছে, যার ফলে স্থানীয় নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় পদ্মার পাঙ্খা পয়েন্টে ১৯ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টায় পদ্মার পাঙ্খা পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ২০ দশমিক ২৫ মিটার। রোববার সকাল ৯টায় তা বেড়ে ২০ দশমিক ৪৪ মিটার হয়েছে। তবে, বর্তমানে নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার ১ দশমিক ৬১ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা আপাতত বড় ধরনের ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, গত চার দিনে পদ্মার পানি মোট ৪৫ সেন্টিমিটার বেড়েছে। উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণেই নদীর পানি বাড়ছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান শোভন জানান, আগামী পাঁচ দিন গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে আগামী পাঁচ দিনও পদ্মা নদীর পানির সমতল বাড়তে পারে। তবে, তা বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা নেই বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত মধ্য আগস্টে পদ্মা নদীর পানি বেড়ে সতর্কসীমা অতিক্রম করেছিল। ওই সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয় এবং প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে দুর্ভোগের শিকার হন। বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটা সেই সময়ের মতোই হলেও, বিপৎসীমা অতিক্রম না করার পূর্বাভাসে স্থানীয়দের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

  • চার দফা দাবিতে ভালুকায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অবস্থান কর্মসূচি

    চার দফা দাবিতে ভালুকায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অবস্থান কর্মসূচি

    ময়মনসিংহের ভালুকায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ এসোসিয়েশন’র এর ব্যানারে- নিরাপদ কর্ম পরিবেশ, উন্নত গ্রাহক সেবা, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের শোষণ, বৈষম্য, নির্যাতন নিপীড়ন থেকে মুক্তি এবং গ্রামীণ জনপদে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সেবার লক্ষ্যে পল্লী বিদ্যুৎ সিস্টেমের সংস্কারে তৃতীয় বারের মতো গঠিত কমিটির প্রতিবেদন দাখিল ও বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রণয়নের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রোববার (৩১আগস্ট) সকালে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সামনে এই অবস্থান কর্মসূচিতে সদর দপ্তরসহ বিভিন্ন অফিস থেকে আগত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ গ্রহন করে তাদের চার দফা দাবি তুলে ধরেন। এসময় বক্তারা পল্লী বিদ্যুৎ সিস্টেমের সংস্কার এবং আরইবি’র শোষণ, নিপীড়ন থেকে মুক্তির লক্ষ্যে – আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের গঠিত দুইটি কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন (আরইবি-পিবিএস একীভূতকরণ অথবা অন্যান্য বিতরণ সংস্থার ন্যায় কোম্পানি গঠনের সুপারিশ প্রণয়ন এবং সকল চুক্তিভিত্তিক/অনিয়মিত (মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার, লাইন শ্রমিক ও পৌষ্য বিলিং সহকারী) কর্মীদের নিয়মিতকরণ, মামলা প্রত্যাহারপূর্বক চাকরিচ্যুতদের স্বপদে পুনর্বহাল, সকল সংযুক্ত ও সাময়িক বরখাস্তকৃত এবং অন্যায়ভাবে বদলিকৃতদের পদায়ন) দাখিল এবং বাস্তবায়নের রূপরেখা প্রকাশ করা, ১৭ আগস্ট, ২০২৫ থেকে অদ্যাবধি হয়রানীমূলকভাবে বরখাস্তকৃত ও সংযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বরখাস্ত আদেশ বাতিলপূর্বক পূর্বের কর্মস্থলে পদায়ন করা, জরুরি সেবায় নিয়োজিত লাইনক্রুদের কর্মঘন্টা নির্ধারণ এবং শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচিকালীন যোগদান করতে না পারা, পাঁচ জন লাইনক্রুকে পূর্বের কর্মস্থলে যোগদানের ব্যবস্থা করা, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি তুলে ধরেন।

  • গোবিন্দগঞ্জে শহীদ জিয়া ১৯ দফা বাস্তবায়ন পরিষদের কমিটি গঠন

    গোবিন্দগঞ্জে শহীদ জিয়া ১৯ দফা বাস্তবায়ন পরিষদের কমিটি গঠন

    শহীদ জিয়া ১৯ দফা বাস্তবায়ন পরিষদের গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কমিটির অনুমোদন করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মন্ডল এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আনোয়াার হোসেন তালুকদার।
    নব গঠিত এ কমিটিতে সর্বমোট ৫১ জন সদস্য রয়েছে। কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন গাইবান্ধা জেলা শহীদ জিয়ার ১৯ দফা বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম বুলু ও সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা আলামিন চৌধুরী।

  • গাইবান্ধায় জেলা বিএনপির কমিটি গঠন নিয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, সাংবাদিক-পুলিশসহ আহত ৫

    গাইবান্ধায় জেলা বিএনপির কমিটি গঠন নিয়ে দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, সাংবাদিক-পুলিশসহ আহত ৫

    গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মইনুল হাসান সাদিকের অপসারণ দাবিকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাংবাদিক, পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের পাঁচ জন আহত হয়েছে। এ সময় সাদুল্লাপুর উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ও কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে সাদুল্লাপুর সদরে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর শহরজুড়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বিক্ষোভকারীরা জানান, সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নে কাউন্সিল না করে আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত ছিল এমন লোকজনকে দিয়ে অবৈধভাবে পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টা চলছে। এর প্রতিবাদে তারা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. সাদিকের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ ও সমাবেশে অংশ নেন। সমাবেশ চলাকালে ডা. সাদিক ও ছামছুল-সালামপন্থী নেতাকর্মীরা শাহিন আল পারভেজের নেতৃত্বে লাঠিসোঁটা নিয়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে চারিদিকে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয় এবং ভাঙচুর করা হয় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ও উপজেলা বিএনপির কার্যালয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সংঘর্ষের ঘটানায় সাংবাদিক ও পুলিশসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের মধ্যে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ছামছুল হাসান ও সদস্য সচিব আব্দুস সালাম মিয়া কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার বলেন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর তৎপরতায় বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

  • নাটোরে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ১

    নাটোরে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ১

    নাটোরে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ১

    নাটোর সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া ইউনিয়নের নেপালদিঘী এলাকা থেকে নবীর আলী (৫৮) নামে এক পেশাদার চোরের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রাম প্রধান রাজু আহমেদ জানান, দীর্ঘদিন থেকেই নবীর চুরির সঙ্গে জড়িত। তবে গত দুই-তিন বছর পর্যন্ত তাকে এলাকায় দেখা যায়নি। তার দুই ছেলে এলাকাতেই পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করেন। নেপালদিঘী সংলগ্ন নওপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন জানান, নবীরের চুরিতে এলাকাবাসী অতিষ্ট ছিল। মানুষের হাঁস-মুরগি থেকে শুরু করে বিছানার চাদর পর্যন্ত চুরি করতেন তিনি। তবে দীর্ঘদিন থেকেই এলাকায় দেখা যায়নি তাকে। ধারণা করা হচ্ছে তাকে হয়তো পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গতরাতে এলাকার কোথাও চুরি বা কোনো চোরকে মারপিট অথবা শোরগোল শোনেননি তারা। নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের শরীরে জখমের চিহ্ন রয়েছে। হত্যাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের বন্যাদূর্গত এলাকায় এমপি হারুন ॥ বানভাসি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

    তারেক রহমানের নির্দেশনা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের বন্যাদূর্গত এলাকায় এমপি হারুন ॥ বানভাসি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারানপুর ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোঃ হারুনুর রশীদ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন। ত্রাণ বিতরণকালে ও এলাকা পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ তসিকুল ইসলাম তসি,

    সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম, রানীহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ মোঃ রহমত আলীসহ সদর উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় নারানপুর ইউনিয়নের প্রায় ৪০০ বানভাসি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে প্রতিটি প্যাকেটে ৬ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি আটা, ১ কেজি চিড়া, ৫০০ গ্রাম গুড়, ১ কেজি মুড়ি (দুই প্যাকেট) ও ১ প্যাকেট টোস্ট বিস্কুট বিতরণ করা হয়। বিএনপি নেতা হারুনুর রশীদ বলেন, “বন্যা দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে আমরা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্দশা দেখেছি।

    দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। এ সহায়তা সামান্য হলেও তাদের কষ্ট লাঘবে ভূমিকা রাখবে।” স্থানীয় নেতারা দাবি করেন, সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোরও একযোগে কাজ করা প্রয়োজন, যাতে বন্যার্ত মানুষ দ্রুত সহায়তা পায়।

  • পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা ॥ প্রত্যাশা শত কোটির উপর

    পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা ॥ প্রত্যাশা শত কোটির উপর

    পাগলা মসজিদের দানবাক্সে রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা ॥ প্রত্যাশা শত কোটির উপর

    কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে পাওয়া গেছে রেকর্ড পরিমাণ ৩২ বস্তা টাকা। চার মাস ১৮ দিন পর শনিবার সকালে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। চলছে টাকা গণনার কাজ। সকাল ৭টা থেকে হারুয়া এলাকায় অবস্থিত পাগলা মসজিদের ১৩টি দানসিন্ধুক খোলা শুরু হয়। দানবাক্সগুলো খুলে পাওয়া যায় ৩২ বস্তা টাকা। গণনার কাজে অংশ নেন প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ, যার মধ্যে ছিলেন মসজিদ কমপ্লেক্সের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় মাদরাসার শিক্ষার্থী এবং রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

    এর আগে চলতি বছরের ১২ এপ্রিল ৪ মাস ১২ দিন পর দানবাক্স খোলা হয়েছিল। তখন ১০টি সিন্ধুক থেকে রেকর্ড ৯ কোটি ১৭ লাখ টাকার বেশি পাওয়া যায়, সেইসাথে বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিল। এবার নতুন করে আরও তিনটি দানবাক্স বসানো হয়েছে। পাগলা মসজিদের ১৩টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বর্তমানে ৯০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা এফডিআর হিসেবে রাখা আছে, যার লভ্যাংশ গরিব, অসহায় ও অসুস্থদের জন্য ব্যয় করা হচ্ছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এবার গণনা শেষে মোট টাকার পরিমান ছাড়িয়ে যাবে শত কোটির ঘর। দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সেনাবাহিনী, আনসার, জামাতের জেলা আমীরসহ পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির লোকজন।