Blog

  • শেখ মুজিবের মৃত্যু দিবসে মিলাদ ॥ ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ আটক ৩

    শেখ মুজিবের মৃত্যু দিবসে মিলাদ ॥ ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ আটক ৩

    নোয়াখালীর কবিরহাটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করায় এক যুবলীগ নেতা এবং ইমান-মুয়াজ্জিনসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত আটটার দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের সাত বাড়িয়া জামে মসজিদ এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এর আগে, একই দিন বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাতবাড়িয়া এলাকার প্রয়াত ছাত্রলীগ নেতা স্বপন মোল্লার বাড়িতে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা স্বপন মোল্লা স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ব্যানারে একই ওয়ার্ডের সাতবাড়িয়া ছাত্রলীগ-যুবলীগ এই কর্মসূচির আয়োজন করে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন কবিরহাট থানার ওসি শাহীন মিয়া।

  • পত্নীতলায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

    পত্নীতলায় জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা

    নওগাঁর পত্নীতলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫১ ৩ম তিথি শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৬ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট ও বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ খৃস্টান ঐক্য কল্যাণ ফ্রন্ট এর আয়োজনে উপজেলার কেন্দ্রীয় বাসুদেব মন্দিরে জন্মাষ্টমীর মঙ্গল শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মন্দির এসে শেষ হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সামসুজ্জোহা খান জোহা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ রায়হান শাহীনসহ উপজেলা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পুজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি গোপাল চন্দ্র শীল এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুসারে, পাঁচ হাজার বছর আগে পাশবিক শক্তি যখন ন্যায়, নীতি, সত্য ও সুন্দরকে গ্রাস করতে উদ্যত হয় তখন সেই অশুভ শক্তিকে দমন করে কল্যাণ ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য অবতার হিসেবে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ঘটে। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্য যুগে যুগে ভগবান মানুষের মধ্যে অবতীর্ণ হন এবং সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা করেন। হিন্দু পঞ্জিকা মতে, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে যখন রোহিণী নক্ষত্রের প্রাধান্য হয় তখন জন্মাষ্টমী পালিত হয়।

  • সিলেটে পাথর লুটের মামলায় আরও ৫ জন গ্রেপ্তার

    সিলেটে পাথর লুটের মামলায় আরও ৫ জন গ্রেপ্তার

    সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র ‘সাদাপাথর’ এলাকার পাথর লুটের মামলায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, কোম্পানীগঞ্জের কালাইরাগ গ্রামের মোহাম্মদ কামাল মিয়া ওরফে পিচ্চি কামাল (৪৫), কালাইরাগ গ্রামের মো. আবু সাঈদ (২১), নাজিরেরগাঁও এলাকার মো. আবুল কালাম (৩২), কোম্পানীগঞ্জের লাছুখালের ইমান আলী (২৮) এবং একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (৩৫)। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের মাহমুদ আদনান জানান, শনিবার সকালে কোম্পানীগঞ্জে একটি পাথরবাহী ট্রাকসহ দুজন এবং কালাইরাগ থেকে তিনজনকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি আরও বলেন, খনিজ সম্পদ ব্যুরো-বিএমডির মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার বিকালে খনিজসম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো-বিএমডির মহাপরিচালক মো. আনোয়ারুল হাবীব পাথর কোয়ারি থেকে পাথর লুটের অভিযোগে ১৫০০ থেকে ২০০০ জনের বিরুদ্ধে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলার এজাহারে আসামি হিসেবে কারো নাম নেই, কিন্তু তালিকার সবাই ‘অজ্ঞাত’। তাদের বিরুদ্ধে ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারি থেকে ‘কোটি কোটি টাকার’ পাথর লুটের অভিযোগ করা হয়েছে।

  • “বিচার ও সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে পুরোনো সমস্যা ফিরবে”-সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস

    “বিচার ও সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে পুরোনো সমস্যা ফিরবে”-সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস

    অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সিঙ্গাপুরভিত্তিক সিএনএ টিভি চ্যানেলকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বিচার ও সংস্কার ছাড়া নির্বাচন হলে পুরোনো সমস্যা ফিরবে। তিনি বলেন, পাকিস্তান ও চীনের মতো ভারতের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চলে নেপাল ও ভুটানের মতো ভারতের সাতটি রাজ্যও থাকতে পারে। বুধবার সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন সাংবাদিক লোকি সু। সিএনএ: আপনি অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচিত হওয়ার এক বছর পার হয়েছে। ওই সময় আপনার সামনে চারটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছিল। সেগুলো পূরণ করতে পেরেছেন? ড. মুহাম্মদ ইউনূস: আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এটি কখনও সম্পূর্ণরূপে শেষ হওয়ার কথা নয়। কিন্তু এটাকে সমাপ্তির দিকে নিয়ে যাচ্ছি আমরা। নিজেরা স্থির করা লক্ষ্যগুলো অর্জনের কাছাকাছি পৌঁছাচ্ছি। একটি লক্ষ্য ছিল সংস্কার। অনেক কিছু সংস্কারের প্রয়োজন। কারণ, আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা ইত্যাদিসহ যেসব ব্যবস্থা পেয়েছি, তার সবই ছিল জালিয়াতির। সবকিছুর ছিল অপব্যবহার এবং শোষণ, যাতে একটি ফ্যাসিস্ট সরকার তৈরি হয়। ওই সরকার এই সুযোগ নিয়েছে। পুরো বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস করেছে। বাংলাদেশের সমাজকে নষ্ট করেছে। যখন আমরা সরকারি দায়িত্ব নিলাম, তখন আমরা দেখেছি, রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত দেশের মতো পরিস্থিতি। সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সিএনএ:-গণতান্ত্রিক সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। শেষে এই সরকারের চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে নিশ্চিত করবেন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। ড. ইউনূস: আমাদের অঙ্গীকার ছিল গণঅভ্যুত্থানের সময় জাতির প্রতি যে প্রতিশ্রুতি, তা নিশ্চিত করা। এগুলো তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে-সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন।
    সিএনএ: আপনি কী ধরনের নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছেন?
    ড. ইউনূস:-একবার ভাবুন তো, যদি আমরা নির্বাচন দিয়ে শুরু করি তাহলে আমাদের সংস্কারের প্রয়োজন নেই, বিচারের প্রয়োজন নেই। কারণ, আমাদের পক্ষ থেকে নির্বাচন হলে সবকিছু শেষ হয়ে যাবে। তাহলে সবকিছু নির্বাচিতদের হাতে চলে যাবে। কল্পনা করুন, অন্য দুটি কাজ না করে আপনার নির্বাচন হয়েছে। তার পর আপনি আবার সেই পুরোনো সমস্যায় ফিরে যাবেন। সিএনএ: আপনি এটাকে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা বলছেন। ড. ইউনূস: হ্যাঁ, অবশ্যই। সিএনএ: এটা কোন দিক দিয়ে ফ্যাসিবাদ? ড. ইউনূস: কারণ, এটি কোনো আইনের শাসন তৈরি করে না। সিএনএ: যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশ ছেড়ে গেলেন, তখন তাঁকে আপনি দানব বলেছেন। ড. ইউনূস: যদি আরও শক্তিশালী কোনো শব্দ থাকত, তাহলে আমি সেটাই ব্যবহার করতাম। কারণ, তিনি রাস্তায় খুব কাছ থেকে মানুষ হত্যা করেছেন। সিএনএ: আপনি চেয়েছিলেন ভারত যেন শেখ হাসিনার বার্তা প্রচার বন্ধ করে দেয়। ড. ইউনূস: বিচারই শেখ হাসিনার ভাগ্য নির্ধারণ করবে। তাঁকে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। সিএনএ: আপনি বলেছেন, বাংলাদেশের মানচিত্র না আঁকলে ভারতের মানচিত্র আঁকতে পারবেন না। আপনার ভাষায়, দেশ দুটি গভীরভাবে একত্রিত। ড. ইউনূস: অবশ্যই। আমি বহুবার বলেছি। সিএনএ: চীন ও পাকিস্তানের তুলনায় ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে পিছিয়ে গেছে অন্তর্র্বতী সরকার।
    ড. ইউনূস: অবশ্যই আমাদের ভালো সম্পর্ক আছে। পাকিস্তান, চীনও ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়। আমরা কখনও বলিনি, আমরা ভালো সম্পর্ক রাখতে চাই না। নেপাল এবং ভুটানকে অর্থনৈতিক অঞ্চলে আনতে পারি। ভারতের সেভেন সিস্টার্স– সাতটি রাজ্যও এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে থাকতে পারে। কারণ, আমরা বঙ্গোপসাগরের মাধ্যমে একই সুবিধা ভাগ করে নিতে পারি। সিএনএ: এখন পর্যন্ত আপনার আকাঙ্ক্ষার কি পরিবর্তন হয়েছে? ড. ইউনূস: যখন আমাকে দায়িত্ব নিতে এবং সরকার গঠন করতে বলা হয়, তখন আমি বাংলাদেশ থেকে দূরে ছিলাম। আমি জানতাম কী ঘটছে। ছাত্ররা আমাকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছিল। আমি তৎক্ষণাৎ না বলেছি। তৃতীয় দিনে তারা আমার কাছে অনুনয় করে বলে, এত রক্তপাত হয়েছে, এত ত্যাগ স্বীকার করা হয়েছে, আপনি দেশ থেকে দূরে আছেন। নিজের জীবন উপভোগ করছেন। আপনাকে আমাদের দরকার। আর আপনি বলছেন না। তাদের এই কথা আমাকে নাড়া দিয়েছে। আমি বলি, ঠিক আছে, আমি রাজি।

  • আগামী জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে- সালাহউদ্দিন আহমেদ

    আগামী জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে- সালাহউদ্দিন আহমেদ

    আগামী জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় সালাহউদ্দিন বলেন, ‘যারা নির্বাচন বয়কটের চেষ্টা করবে, তারা রাজনীতি থেকে মাইনাস হয়ে যাবে।’ সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘দাবি পূরণ না হলে, সংস্কার পূর্ণাঙ্গ না হলে, বিচার পূর্ণাঙ্গ না হলে নির্বাচন হবে না বলে যারা মন্তব্য করছেন, এগুলো কেবলই মাঠের বক্তব্য। প্রধান উপদেষ্টা স্পষ্ট করে তার ভাষণে বলেছেন যেসব সংস্কার প্রস্তাবে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলো পরবর্তী নির্বাচিত জাতীয় সংসদে বাস্তবায়নের সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গত ৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দেওয়ার কথা জানান। এরপর নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে নির্বাচন কমিশন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে ইসি। বিএনপি নির্বাচনের সময় ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে। আর জামায়াত বলছে, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে তাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু সংখ্যানুপাতিক বা পিআর পদ্ধতিতে ভোট না হলে তারা নির্বাচনে আসবে না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন দাবি করেছে। আর জাতীয় পার্টি বলছে, আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। অন্যদিকে, এনসিপি বলছে, গণঅভ্যুত্থান আর জুলাই সনদের সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হলেই কেবল তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। গত ১২ আগস্ট রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, ‘ঘোষণা দিচ্ছি, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে না। কারণ, নতুন সংস্কার বা নতুন সংবিধান কিছুই আমরা পাইনি। আমার যেই ভাই মারা গেছে, তাকে ফেরত দিয়ে নির্বাচন দিতে হবে।

  • নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশয় কাটবে না: গয়েশ্বর চন্দ্র

    নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশয় কাটবে না: গয়েশ্বর চন্দ্র

    নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাতির সংশয় কাটবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র হচ্ছে এবং এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। শুক্রবার( ১৫ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এর আগে নানাজনের নানা কথায় খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করা হয়ে ওঠেনি। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করে খালেদা জিয়া জাতির অভিভাবকে পরিণত হয়েছেন। এখনও তিনি গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। কারও ‘পাতানো ফাঁদে পা না দিতে’ আহ্বান জানান এবং দলের নেতাকর্মীদের প্রতি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

  • রাজশাহীর পবায় একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

    রাজশাহীর পবায় একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

    রাজশাহীর পবায় একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

    রাজশাহীর পবা উপজেলার বামুনশিকড় এলাকায় একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে ওই এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ পাওয়া গেছে। মতিহার থানা পুলিশের সহকারী উপ পরিদর্শক (এএসআই) কালাম পরভেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিহতরা হলেন- মিনারুল ইসলাম (৩০), তার স্ত্রী সাধিনা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৩), মেয়ে মিথিলা (১৮ মাস)। স্থানীয়রা জানায়, মনিরুল ইসলাম কৃষি কাজ করেন। জানা মতে তার ঋণ রয়েছে।

    পরিবারে চারজন সদস্যই মারা গেছে। এরমধ্যে উত্তরের ঘরে মা ও মেয়ে, আর দক্ষিণের ঘরে ছেলে ও বাবা মিনারুল ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল। মাহিম খড়খড়ি উচ্চ বিদয়ালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল। রাজশাহীর বাসায় স্বামী-স্ত্রী ও দুই সন্তানের লাশ, পাশে ছিল চিরকুট। চিরকুটে ঋণের কারণে আত্মহত্যা করার লেখা আছে, বলছে পুলিশ। রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) গাজিউর রহমান বলেন, মিনারুলের লাশ যে ঘরে পাওয়া গেছে, সেখান থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। তাতে ঋণের কারণে আত্মহত্যা করার কথা লেখা আছে। তবে সেটা কার লেখা তা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • রাজশাহীর পবায় একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

    রাজশাহীর পবায় একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

    রাজশাহীর পবায় একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

    রাজশাহীর পবা উপজেলার বামুনশিকড় এলাকায় একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে ওই এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ পাওয়া গেছে। মতিহার থানা পুলিশের সহকারী উপ পরিদর্শক (এএসআই) কালাম পরভেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। নিহতরা হলেন- মিনারুল ইসলাম (৩০), তার স্ত্রী সাধিনা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৩), মেয়ে মিথিলা (১৮ মাস)। স্থানীয়রা জানায়, মনিরুল ইসলাম কৃষি কাজ করেন। জানা মতে তার ঋণ রয়েছে।

    পরিবারে চারজন সদস্যই মারা গেছে। এরমধ্যে উত্তরের ঘরে মা ও মেয়ে, আর দক্ষিণের ঘরে ছেলে ও বাবা মিনারুল ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল। মাহিম খড়খড়ি উচ্চ বিদয়ালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল। রাজশাহীর বাসায় স্বামী-স্ত্রী ও দুই সন্তানের লাশ, পাশে ছিল চিরকুট। চিরকুটে ঋণের কারণে আত্মহত্যা করার লেখা আছে, বলছে পুলিশ। রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) গাজিউর রহমান বলেন, মিনারুলের লাশ যে ঘরে পাওয়া গেছে, সেখান থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। তাতে ঋণের কারণে আত্মহত্যা করার কথা লেখা আছে। তবে সেটা কার লেখা তা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • উত্তরাঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি ॥ দূর্ভোগে বানভাসীরা

    উত্তরাঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি ॥ দূর্ভোগে বানভাসীরা

    ভারত, নেপাল ও হিমালয়ের পাদদেশে বর্ষা, এসব এলাকায় চলছে অতিবৃষ্টি। দেশের ভেতরেও উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী ও রংপুর এবং উত্তর-পূর্বের সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। ফলে দেশে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অভিন্ন নদ-নদীর উজানে অতিবর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢল বাংলাদেশে বন্যার প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা ও দুধকুমারের পাশাপাশি ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও পদ্মার পানিও বাড়ছে। ফলে নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পদ্মা ও যমুনা তীরবর্তী জেলাগুলোরও কিছু এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক লাখ মানুষ, তলিয়ে গেছে বহু ফসলি জমি। এদিকে, সাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাতের মাত্রা আরও বাড়তে পারে, যা বন্যা পরিস্থিতিকে জটিল করতে পারে। পাউবো জানিয়েছে, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বৃহস্পতিবার দুপুরে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। বিকেলে কিছুটা কমে ১৫ সেন্টিমিটার দাঁড়ায়। এর আগে বুধবার সকালে পানি প্রথমে বিপৎসীমার সাত সেন্টিমিটার ওপরে ওঠে, পরে কমে আবার বেড়ে যায়। ফলে হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি। এ পরিস্থিতিতে নদীপাড়ের মানুষ বাড়িঘর, গবাদি পশু ও ফসল রক্ষায় ব্যস্ত। অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাচ্ছেন। আবার কেউ মাচা তুলে কিংবা নৌকায় ভাসমান দিন কাটাচ্ছেন। ডুবেছে সবজি, পাটক্ষেত ও রোপা আমনের বিস্তীর্ণ জমি। সব মিলিয়ে দূর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন বানভাসী পরিবারগুলো।

  • র‌্যাবের হাতে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক আসামী গ্রেফতার

    র‌্যাবের হাতে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক আসামী গ্রেফতার

    র‌্যাবের হাতে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক আসামী গ্রেফতার

    র‌্যাবের হাতে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক এক আসামী গ্রেফতার হয়েছে। আটক আসামী হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষ্ণগোবিন্দপুর পাঠানপাড়ার মৃত বাবলুর রহমানের ছেলে মোঃ টিয়া মিয়া (৩৫)। র‌্যাবের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল ১৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার মেলার মোড় এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী মোঃ টিয়া মিয়া (৩৫) কে আটক করে। র‌্যাব আরও জানায়, আটক আসামীর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ১৯৯০ এর ১৯(১) এর ৯(ক) ধারায় মামলা হয়। মামলা হওয়ার পর আসামী নিজেকে আত্মগোপন করে পলাতক থাকে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত আসামীকে দোষী সাব্যস্ত করে সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে সাজা পরোয়ানা জারী করেন। আসামীকে গ্রেফতারের জন্য অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাব তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। প্রেক্ষিতে র‌্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে আসামীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।