Blog

  • গোমস্তাপুরে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইন-ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    গোমস্তাপুরে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইন-ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    গোমস্তাপুরে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইন-ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক ২টি অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ তিনজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ মাদক ও নগদ অর্থ। সোমবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে আটটা ও ৯টা ২০ মিনিটে পরপর দুটি অভিযান চালানো হয় গোমস্তাপুর ও চৌডালা ইউনিয়ন এলাকার জাহিদ নগর ও নন্দলালপুর এলাকায়। আটক ব্যক্তিরা হচ্ছে, জাহিদ নগর গ্রামের মোঃ এনামুল হকের দুই ছেলে মোঃ সামিউল হক (৪০) ও মো: মাহিদুর (৩৮)। অন্যদিকে, নন্দলালপুর গ্রামের মোঃ জাহিরুল ইসলামের স্ত্রী মোসা: পানতারা বেগম (৩৫)। তাদের মধ্যে সামিউল ও মাহিদুর দুই ভাই, যারা এলাকায় আগে থেকেই মাদক কারবারে জড়িত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে, আসামী সামিউলের কাছে ইয়াবা ট্যাবলেট: ৪০০ পিস, মাহিদুরের কাছে হেরোইন০১ গ্রাম, পানতারার কাছে ৩৫ গ্রাম হেরোইন ও নগদ অর্থঃ ৭,৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান। বিশেষ করে পানতারা বেগমের বাড়িতে হেরোইনের চালান মজুদের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিদর্শক মোঃ ইলিয়াস হোসেন এবং উপ-পরিদর্শক মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান। আটককৃতদের বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদী অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা। এই অভিযানকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এলেও অনেকে বলছেন, গোমস্তাপুর সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় এখানে মাদক পাচারের একাধিক রুট সক্রিয় রয়েছে। মাঝে মধ্যেই এমন বড় চালান ধরা পড়ছে, কিন্তু মূল গডফাদাররা থেকে যাচ্ছে ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বলেন,“মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। এই অভিযান তারই অংশ। জেলা জুড়ে মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।

  • গোদাগাড়ীতে ব্যবসায়ীদের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময়

    গোদাগাড়ীতে ব্যবসায়ীদের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময়

    গোদাগাড়ীতে ব্যবসায়ীদের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময়

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বণিক সমবায় সমিতি লি. এর সদস্যদের সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সাড়ে ১০টার সময় উপজেলা সভাকক্ষে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বণিক সমিতির সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান মিলন, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, সহ.সভাপতি শামীম আহমেদ, নূরানী কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক আব্দুল খালেক, আব্দুল বারী, আব্দুল্লাহ, হেলাল প্রমুখ। সভায় আসাদুজ্জামান মিলন বলেন, ডাইংপাড়ায় প্রকৃত ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন থেকে ঘর ভাড়া নিয়ে সুন্দরভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। একজন ব্যবসায়ী যখন ঘর ভাড়া নেন তখন ১০ হাজার টাকা ভাড়া ও ২ লক্ষ টাকা জামানত দিয়ে ব্যবসা আরম্ভ করেন। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কতিপয় মালিক পক্ষ ব্যবসায়ীকে ডেকে বলেন যে ৩০ হাজার টাকা ভাড়া ও ১৪ লক্ষ টাকা জামানত দিতে হবে। না হলে ঘর ছেড়ে দাও। এমন আচরণ প্রায় ব্যবসায়ীর জন্যই করা হচ্ছে। ডাইংপাড়া বাজারে মার্কেট মালিকপক্ষ ইচ্ছেমত ব্যবসায়ীদের ভাড়ার চাপ দিয়ে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে তিন ডবল ভাড়া চাওয়া হয়। দিতে না পারলে ৩য় পক্ষের সাথে আগে থেকেই কথাবার্তা বলা থাকে এবং তাকে দিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীর কোন কিছুই করার থাকে না। মালপত্র নিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে বাসায় চলে যাওয়ার অনেক নজির আছে। এমন অবস্থা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য মার্কেট মালিক ও ব্যবসায়ীদের ডেকে আলোচনার মাধ্যমে একটি চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট তুলে ধরা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, আপনাদের সমস্যাগুলো লিখিতভাবে আমাকে দেন, আমি সব কিছু জেনে উভয় পক্ষকে ডেকে আলোচনা করে একটি টেকসই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

  • শিক্ষক মনিরুলকে বিদ্যালয়ে ফেরাতে ইউএনওকে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

    শিক্ষক মনিরুলকে বিদ্যালয়ে ফেরাতে ইউএনওকে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

    শিক্ষক মনিরুলকে বিদ্যালয়ে ফেরাতে ইউএনওকে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

    গোদাগাড়ীতে শিক্ষক মনিরুল ইসলামকে বিদ্যালয়ে ফেরাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট স্মারকলিপি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুরে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট প্রদানকৃত দরখাস্তে উল্লেখ করেন, সহকারি শিক্ষক মনিরুল ইসলাম (জীববিজ্ঞান) তার বিরুদ্ধে ৬ মে-২০২৫ খ্রি. ১৩জন শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে স্যারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বিষয়টি আমরা পরে অবগত হই। যে সকল শিক্ষার্থী স্যারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তা পুরোপুরি মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদেশ্য প্রণোদিত। স্যার কখনো এ ধরনের শিক্ষক নয়। যে সব শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছে, তারা শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী নয়। শিক্ষার্থীরা দরখাস্তে আরো উল্লেখ করে, অভিযোগকারী শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অশালীনভাবে নাচানাচি করে। ক্লাসের সময় ক্লাস না করে মাঠে ঘুরাফেরা করে, তারা কোনভাবেই বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা মেনে চলে না। মনিরুল ইসলাম ধার্মীক ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ শিক্ষক। তার পাঠদান মনোমুগ্ধকর ও সন্তোষজনক। তিনি ভালো পড়ান, বার বার বুঝিয়ে দেন। ক্লাসে উপস্থিত না থাকলে অভিভাবকদের অবগত করেন। এমন একজন ভালো শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। মনিরুল ইসলামকে দ্রুত বিদ্যালয়ে ফেরানোর ব্যবস্থা করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট বিশেষভাবে অনুরোধ জানান শিক্ষার্থীরা। ইউএনও শিক্ষার্থীদের পরিচয় জানতে চান। উল্লেখ্য, গত ৬ মে মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১৩জন শিক্ষার্থী ছাত্রীদের সাথে অশালীন আচরণ করে মর্মে অভিযোগ দেয়। এসময় কয়েকজন অভিভাবক ও ওই প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ফয়সাল আহমেদ শিক্ষক মনিরুলকে সাময়িক বহিস্কার করেন। মনিরুল ইসলাম বিদ্যালয়ে না আসায় ছাত্রীদের পড়া-শুনার চরম ক্ষতি হচ্ছে। তাই প্রিয় শিক্ষককে বিদ্যালয়ে দ্রুত আনার জন্য বিদ্যালয়ের ভালো ভালো শিক্ষার্থীগুলো উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট আহ্বান জানান। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান বিষয়টি তিনি দেখবেন।

  • ধর্ষক সোর্স বাবু’কে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে শিবগঞ্জে মানববন্ধন

    ধর্ষক সোর্স বাবু’কে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে শিবগঞ্জে মানববন্ধন

    ধর্ষক সোর্স বাবু’কে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে শিবগঞ্জে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণের অভিযোগে উপর চাকপাড়া গ্রামের হেলাল উদ্দিন ওরফে মুক্তার আলীর ছেলে অভিযুক্ত সোর্স বাবু কে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঘনবসতিপূর্ণ শাহাবাজপুর ইউনিয়নের মড়লটোলা বাবু বাজার মোড়ে উত্তাল প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই ২০২৫) সকালে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ, এলাকার তরুণ-যুবক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সমাজকর্মী এবং নির্যাতিত নারীর স্বজনরা। বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগীর ভাই মোহাম্মদ রাসেল আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসেন, সমাজকর্মী আতিকুল ইসলাম, পলাশ। বক্তারা অভিযোগ করেন, শিবগঞ্জ উপজেলার উপর চাকপাড়ার বাসিন্দা সোর্স বাবু প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে এক গৃহবধূকে বিয়ের প্রলোভনে রাজশাহীর একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায় এবং সেখানেই ধর্ষণ করে। পরে নির্যাতিতা নারীকে হোটেলে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় বাবু। ভুক্তভোগী ওই নারী দুই সন্তানের জননী। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ ঘটনা শুধু একজন নারীর জীবনে তীব্র মানসিক ট্রমা তৈরি করেনি বরং এটি আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। তাঁরা দাবি জানান, অভিযুক্ত সোর্স বাবুকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠোর বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, বিভিন্ন বাহিনীর সোর্স হিসেবে পরিচিত একজন ব্যক্তি কীভাবে এমন জঘন্য অপরাধে জড়াতে পারে এবং এতদিন ধরেই পার পেয়ে যাচ্ছে? প্রতিবাদকারীরা স্লোগানে স্লোগানে জানান, “ধর্ষকের ঠাঁই নেই, এ দেশে কোনও কাঁই নেই”, “বিচার চাই, বিচার চাই”, “সোর্স বাবুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই”। তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের ঘটনার বিচার না হলে ভবিষ্যতে আরও নারীরা এমন ভুক্তভোগী হবেন। মানববন্ধন থেকে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, যেন আইনের ফাঁক দিয়ে ধর্ষক বাবুর মতো অপরাধীরা আর কখনো মুক্তভাবে ঘুরে বেড়াতে না পারে।

  • পোরশায় হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ এর ৬ষ্ঠতম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    পোরশায় হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ এর ৬ষ্ঠতম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    পোরশায় হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ এর ৬ষ্ঠতম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    পোরশায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মরহুম হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ এর ষষ্ঠতম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে পাঁচ টার দিকে জাতীয় পার্টির উদ্যোগে পোরশা উপজেলার নিতপুর মেডিকেল মোড় দলীয় কার্যালয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পার্টির সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসাইন মুহাম্মদ এরশাদ এর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে আলহাজ্ব মোঃ আকবর আলী কালু’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পোরশা উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সিনিয়র সহ-সভাপতি জয়নুদ্দিন মাষ্টার, সহ-সভাপতি শামসুল হক,সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান শাহ, নিতপুর ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল রাজ্জাক মন্ডল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী (টুলু) যুব সংহতি সভাপতি মাহবুবুল ইসলাম সুমন, সদস্য মতিউর রহমান প্রমূখ।

  • শিক্ষাঙ্গনকে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নমুক্ত করতে হবে-ধর্ম উপদেষ্টা

    শিক্ষাঙ্গনকে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নমুক্ত করতে হবে-ধর্ম উপদেষ্টা

    শিক্ষাঙ্গনকে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নমুক্ত করতে হবে-ধর্ম উপদেষ্টা

    শিক্ষাঙ্গনকে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন থেকে মুক্ত করতে হবে। তাহলে শিক্ষাব্যবস্থা, লেখাপড়ার সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশে শিক্ষাঙ্গনে দলীয় রাজনীতি নাই। কিন্তু আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রয়েছে। শিক্ষার পরিবেশ ও মান ঠিক রাখতে সেখানে দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। সোমবার (১৪ জুলাই) রাত সাড়ে নয়টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের রজত জয়ন্তী উৎসব, মোড়ক উন্মোচন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন স্মৃতিচারণ করে উপদেষ্টা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমার সবসময় যোগাযোগ আছে। এখনো সময় পেলে মন চায়, চিরচেনা শাহাজালাল হলে গিয়ে আড্ডা দিতে আর ঝুপড়িতে বসে চায়ের কাপে চুমুক দিতে। আমার সেই সতীর্থদের সঙ্গে সন্ধ্যাটা কাটাতে পেরে নিজেকে উজ্জীবিত লাগছে। উপদেষ্টা আরও বলেন, ডক্টরেট ডিগ্রির থিসিসে বিশ্বের অন্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অন্যের রেফারেন্স দেওয়া যায়। কিন্তু আমাদের দেশে হারটা অনেক বেশি, ফলে গবেষণাটা ঠিকমত হয় না। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চবি’র ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ শওকত আলী নূর। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামীম উদ্দিন খান ও প্রো ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন। সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. শাহ মোহাম্মদ শফিক উল্লাহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চবি’র ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা।

  • নাটোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ

    নাটোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ

    নাটোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ

    জিয়া পরিবারকে নিয়ে আপত্তিকর প্রচার প্রচারণা এবং বিএনপি’র বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে নাটোরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের আলাইপুর জেলা বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে শহরের কানাই খালিতে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সানোয়ার হোসেন তুষারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সাধারন সম্পাদক জসিম উদ্দিন সরকার, জেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য নাসিম উদ্দীন নাসিম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জহির উদ্দিন জহির, যুগ্ন আহবায়ক মাসুদ রানা, পৌর আহবায়ক সাব্বির আহম্মেদ চপল প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশকে পরিকল্পিত ভাবে একটি গোষ্ঠী অস্থিতিশীল করতে চেষ্টা করছে। দেশে মব সৃষ্টি করছে। এদেরকে প্রতিহত করতে হবে। শহীদ জিয়া ও তারেক রহমানকে নিয়ে যারা কটুক্তি করছে, তাদের বিচার করতে হবে।

  • বেলকুচি প্রেসক্লাবে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময়

    বেলকুচি প্রেসক্লাবে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময়

    বেলকুচি প্রেসক্লাবে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে ইউএনও’র মতবিনিময়

    সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিস আফরিন জাহানের সাথে বেলকুচি প্রেসক্লাবের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ নবাগত ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় বেলকুচি প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব গাজী সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, সহ-সভাপতি নারায়ন মালাকার, যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার গোলাম মোস্তফা রুবেল, দপ্তর সম্পাদক আবু মুছা, প্রচার সম্পাদক পারভেজ আলী, কোষাধ্যক্ষ সবুজ সরকার, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক উজ্জল অধিকারী, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বাবু, সদস্য টুটুল শেখ, আল-আমিন এসময় উপস্থিত ছিলেন।

  • ককটেল বিষ্ফোরণ-সংঘর্ষ-মামলা পাল্টা মামলায় উত্তপ্ত ইসলামপুর- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাংবাদিক ফারুক বনাম জিয়া মেম্বার আধিপত্যের বিস্ফোরণ! পুলিশ সুপারের ব্রিফিং

    ককটেল বিষ্ফোরণ-সংঘর্ষ-মামলা পাল্টা মামলায় উত্তপ্ত ইসলামপুর- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাংবাদিক ফারুক বনাম জিয়া মেম্বার আধিপত্যের বিস্ফোরণ! পুলিশ সুপারের ব্রিফিং

    ককটেল বিষ্ফোরণ-সংঘর্ষ-মামলা পাল্টা মামলায় উত্তপ্ত ইসলামপুর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাংবাদিক ফারুক বনাম জিয়া মেম্বার আধিপত্যের বিস্ফোরণ! পুলিশ সুপারের ব্রিফিং

    দীর্ঘদিন পর আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসের জনপদ চরাঞ্চলের ইসলামপুর। তবে, পূর্বের গ্রাম্য রাজনীতির নেতাদের বদলে উদয় হয়েছে নতুন নেতৃত্বের। শুরু হয়েছে তান্ডবের। চলছে একে অপরের উপর দোষ চাপিয়ে ফায়দা লুটে নেয়ার চেষ্টা। রাজনৈতিক ক্ষমতার বিষয় না হলেও কেউ সাংবাদিকতার দাম্ভিকতায় ক্ষমতাবান, কেউ স্থানীয়ভাবে। কিন্তু আবারও পূর্বের সেই সন্ত্রাসের জনপদের মতই আতংকগ্রস্থ ও নিষ্পেষিত এলাকার সাধারণ মানুষ। ভয়ে ভীত, কখন যানি কার উপর দায় চেপে যায়। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে অনেক সাধারণ পরিবার। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের তেররশিয়া পোড়াগ্রাম ও লক্ষীনারায়ণপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণ, রক্তাক্ত সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি মামলা আর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পুরো অঞ্চল।

    সাংবাদিক ফারুক আহমেদ বনাম ইউপি মেম্বার জিয়া-এই দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে জনজীবন এখন অতিষ্ঠি এবং আতঙ্কিত। এই আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার এবং পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে রাজনৈতিক গোজামিল সৃষ্টির মাধ্যমে ফায়দা হাসিলের চেষ্টার বিষয়ে সোমবার (১৪ জুলাই) বেলা সাড়ে এগারোটায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম সেবা। পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রায় ছয় থেকে নয় মাস আগে মহানন্দা ও পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালি উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ফারুক ও জিয়া মেম্বারের মধ্যে প্রথম বিরোধ শুরু হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে এসব অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ হলে উভয় পক্ষ নতুন করে সংঘাতে জড়ায়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে আহত হয় সাংবাদিক ফারুকপন্থী শিমুল, অপরদিকে হামলার শিকার হন জিয়া মেম্বারের ভাই কোরবান ও সমর্থক শহিদুল ইসলাম।

    ঘটনার পর থেকে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ, হামলা ও মামলা-পাল্টা মামলার ঘটনায় পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সদর মডেল থানার পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা তৎপর হয়। পুলিশ জানায়, গত ১০ জুলাই ও ১১ জুলাই দুই পক্ষ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলায় শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। সাংবাদিক ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৫টি মামলা বিচারাধীন/তদন্তাধীন রয়েছে। পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে আরো বলা হয়, ফারুক আহমেদ চৌধুরী তার জামিনে থাকা অবস্থায় পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে সংবাদ মাধ্যমে মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত তথ্য প্রকাশ করে প্রশাসনকে চাপে ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। তার গ্রুপে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের সম্পৃক্ততা থাকলেও এই ঘটনা পুরোপুরি স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সংঘটিত, এটি কোনো রাজনৈতিক সংঘাত নয়। পুলিশ সুপার দৃঢ়কন্ঠে বলেন, অপরাধী যে পক্ষেরই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল রাজনীতি নয়, আধিপত্যের দৌড় প্রতিহত করবে প্রশাসন! “এটি কোনো রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নয়। ফারুক ও জিয়া, উভয় পক্ষেই বিভিন্ন দলের অনুসারী রয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরপেক্ষভাবে সব মামলার তদন্ত করছে,” বলেন পুলিশ সুপার। সচেতন মহলের দাবী, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা প্রদান এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বন্ধের। এসময় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে, এসব অস্বীকার করে সাংবাদিক ফারুক গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন, এসপি মহাদয়ের পুরো বক্তব্যে আমাকে ভিকটিম বানানো হয়েছে। ঘটনাস্থল আমার দাদার বাড়ি এলাকা। যেখান থেকে আমরা ৩০ বছর আগেই চলে এসেছি। আমি শহরে বসবাস করি প্রায় ১৫ বছর ধরে। ইসলামপুরের কোন বিষয়ে আমি সুবিধাভোগী বা গ্রাম্য রাজনীতিতে আমার কোন সম্পৃক্তা নেই। তিনি গণমাধ্যমের সামনে আমাকে ভিলেজ পলিটিক্সের একটি পক্ষের নেতা বানিয়ে দিয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা আমার চাচা-চাচাতো ভাই। আমি তাদের নেতা নই। সাংবাদিক ফারুক আরও বলেন, এঘটনায় এলাকার পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে। এর দায় কে নিবে?।
    পুলিশের দেয়া তথ্য মোতাবেক এই আধিপত্যের বিষয়-প্রায় ৬-৯মাস পূর্বে সাংবাদিক ফারুক আহমেদ ও নাসির মেম্বার মহানন্দা নদী থেকে, আর ৬-৭ মাস আগে জিয়া মেম্বার পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু-মাটি উত্তোলন শুরু করেন। প্রশাসনের নজরে এলে সদর ইউএনও ঊীপধাধঃড়ৎ জব্দ করে স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজিমের জিম্মায় রাখেন। কিন্তু ১৫-২০ দিন পর ফারুকের লোকজন গোপনে পুনরায় উত্তোলন শুরু করে। পুলিশ আসার খবরে পালানোর সময় ট্রাক্টরের নিচে পড়ে ফারুক গ্রুপের শিমুল (৩৬) গুরুতর আহত হন। প্রথম মামলা নং: ৫৮, তারিখ: ২৫-০৩-২০২৫, ধারা: ৩২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬(২)/১১৪ পেনাল কোড, বাদী: শিমুল (ফারুক গ্রুপ) অভিযুক্তঃ জিয়া মেম্বারসহ ১১ জন এজাহারনামীয় ও ১৫-২০ জন অজ্ঞাত। ২য় ঘটনা ও কোর্ট মামলাঃ কিছুদিন পর কোরবান নামের এক যুবককে চায়ের দোকানে একা পেয়ে লোহার রড দিয়ে মারধর ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় ফারুক গ্রুপ। বাদী: কোরবান, আসামি: সাংবাদিক ফারুক আহমেদ ও তার সহযোগীরা (মামলা কোর্টে চলমান)। ৩য় মামলাঃ-তারিখ: ১৫-০৬-২০২৫ ঘটনা: রাত ১০টায় তেররশিয়া জুম্মা মসজিদের সামনে শহিদুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্রে কুপিয়ে জখম করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় ফারুকের লোকজন। বাদী: কামরুল ইসলাম (ভাই), মামলা নং: ২৭, তারিখ: ২০-০৬-২০২৫। ধারাঃ ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/১১৪ পেনাল কোড ও বিস্ফোরক আইন ৩/৪/৬ অভিযুক্তঃ ফারুক আহমেদসহ ১১ জন। বর্তমান অবস্থা: ৫ জন আদালত থেকে জামিনে মুক্ত। ৪র্থ মামলা (পাল্টা): বাদী: মো. অসিম আলী (ফারুক গ্রুপ), মামলা নং: ৩৯, তারিখ: ২৩-০৬-২০২৫, ধারাঃ ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০৭/৩৭৯/১১৪ পেনাল কোড ও বিস্ফোরক আইন ৩/৪/৬, অভিযুক্ত: জিয়া মেম্বার ও তার অনুসারীরা, অবস্থা: জিয়া মেম্বারের ছেলে নিশানসহ ৩ জন জামিনে। ৫ম মামলা:-তারিখঃ১০-০৭-২০২৫, ঘটনাঃ শহিদুল ও কামরুলকে মামলা তুলে নিতে চাপ, না মানায় হুমকি, ৫টি ককটেল বিস্ফোরণ। পরদিন ১১ জুলাই সকাল ৬:৩০ টায়: ৩৫-৪০ জন ফারুক গ্রুপের লোক ৬-৭টি বাড়িতে হামলা, পাল্টা ককটেল বিস্ফোরণ জিয়া গ্রুপের। বাদী: সামিরুল ইসলাম (জিয়া গ্রুপ), মামলা নং: ১৭, তারিখ: ১১-০৭-২০২৫, ধারা: ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৪২৭/৫০৬(২)/১১৪ ও বিস্ফোরক আইন ৩/৪/৬, অভিযুক্ত: ফারুক আহমেদসহ ২২ জন এজাহারনামীয় ও ২০-২৫ জন অজ্ঞাত। ৬ষ্ঠ মামলা (পাল্টা):-বাদী: মো. অসিম আলী (ফারুক গ্রুপ)
    মামলা নং:২০, তারিখ: ১২-০৭-২০২৫, ধারা: ১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৪২৭/৩৭৯/৫০৬(২)/১১৪ ও বিস্ফোরক আইন ৩/৪/৬, অভিযুক্ত: জিয়া মেম্বারসহ ২৭ জন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জুলাই ওমেন্স ডে’ ও ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ ভিত্তিপ্রস্তর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জুলাই ওমেন্স ডে’ ও ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ ভিত্তিপ্রস্তর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জুলাই ওমেন্স ডে’ ও ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ ভিত্তিপ্রস্তর

    ‘জুলাই ওমেন্স ডে’ পালন ও ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ’ ভিত্তিপ্রস্তর করা হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে এ উপলক্ষে সোমবার (১৪ জুলাই) জেলা প্রশাসন বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করে। র‌্যালীটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে গ্রিন ভিউ স্কুলের সামনে শেষ হয়। র‌্যালীতে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম বিপিএম সেবা, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মো. আফাজ উদ্দিন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নাকিব হাসান তরফদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ইকতেখারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা আক্তারসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এছাড়া, এই উপলক্ষে সোমবার বিকেলে জেলা শহরের ফুড অফিস মোড়ে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ’ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সামাদ। এসময় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।