Blog

  • পত্নীতলায় ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে শিক্ষার্থীদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

    পত্নীতলায় ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে শিক্ষার্থীদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

    পত্নীতলায় ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে শিক্ষার্থীদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

    নওগাঁর পত্নীতলায় ও ধামইরহাট এলাকার কিছু স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের টার্গেট করে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে একটি প্রতারক চক্র। বিভিন্ন ছেলে এবং মেয়েদের সাথে প্রতারণা করে চলেছে এই চক্রটি। প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। তারপর মোবাইলে কথা বলতে বলতে তাদেরকে ইমোশনাল করে ফেলে, এক পর্যায়ে মোবাইলে ভিডিও কলে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে মোটা অংকের টাকা দাবি করে এই চক্রটি। টাকা না দিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় চক্রটি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ভুক্তভোগী বলেন, এক সপ্তাহ আগে আমার মোবাইলে এক মেয়ের ফেসবুক আইডি থেকে আমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালে, আমি রিকোয়েস্ট এক্সেপ্ট করি। তারপর সে পরিচয় দেয় আমি ভারতের কলিকাতা থেকে বলছি, সেখানে আমার বাড়ী। সে বলে আমি আপনার সাথে প্রেম করতে চাই, আমিও বিদেশি মেয়ে বলে সহজেই তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে যাই। প্রতিদিন রাতে কথা হয়, কথা বলার এক পর্যায়ে সে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ আমাকে দেখাতে থাকে এবং সে আমাকেও দেখতে চায়, পরে আমি আমার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ তাকে শেয়ার করি। সে আমার অজান্তে আমার ভিডিও রেকর্ড করে আমাকে ভিডিওটি এডিটিং করে ফেরত পাঠায়। ভিডিও দেখে আমি লজ্জায় হতবাক, সে বলে আমি হ্যাকার, এটাই আমার পেশা, আমাকে একটি বিকাশ মোবাইল নাম্বার দিয়ে বলে ১ ঘন্টার মধ্যে ২০,০০০/- টাকা না দিলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সকল ভিডিও ছড়িয়ে ভাইরাল করে দিবে। তখন আমি তাকে অনেক অনুরোধ করি এগুলো ডিলিট করার জন্য, কিন্তু সে কিছুতেই রাজি হয়নি, তখন আমি ভিডিও ডিলিট করার জন্য বলি আমার কাছে ৫,০০০/ টাকা আছে বলে তার কথামত পাঠিয়ে দিয়। তারপরও সেই ক্ষান্ত হয়নি আবার উল্টো আরো টাকার দাবি করছে। এগুলো ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে আমার আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এরকম প্রতারণা ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের সাথেই করছে এই প্রতারক চক্রটি।
    এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ এনায়েতুর রহমান বলেন, এসব বিষয়ে থানায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি, তবে অভিযোগ পেলে অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখে এই চক্রর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সৈনিকেরা জীবন দেবে-তবু দেশের মাটি হাতছাড়া হতে দেবে না-ডিজি বিজিবি সিদ্দিকী

    সৈনিকেরা জীবন দেবে-তবু দেশের মাটি হাতছাড়া হতে দেবে না-ডিজি বিজিবি সিদ্দিকী

    সৈনিকেরা জীবন দেবে-তবু দেশের মাটি হাতছাড়া হতে দেবে না-ডিজি বিজিবি সিদ্দিকী

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, দেশ মাতৃকার অখণ্ডতা রক্ষায় নবীন সৈনিকেরা প্রয়োজনে তাদের জীবন দেবে, তবু দেশের এক ইঞ্চি মাটি হাতছাড়া হতে দেবে না। বৃহস্পতিবার বিজিবির ১০৩তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি)। তিনি বলেন, নবীন সৈনিকেরা কখনো দেশবাসীকে হতাশ ও নিরাশ করবে না। তাদের দেওয়া নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তাই দেশের মানুষের নির্বিঘ্ন ঘুম নিশ্চিত করবে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বায়তুল ইজ্জতে বিজিবির ঐতিহ্যবাহী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড কলেজের (বিজিটিসিএন্ডসি) বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন সৈনিকদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ শেষে তিনি বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিজিটিসিএন্ডসির কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গাজী নাহিদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
    সকাল সাড়ে ৯টায় বিজিবি মহাপরিচালককে সশস্ত্র সালাম প্রদানের মধ্য দিয়ে ১০৩তম রিক্রুট ব্যাচের নবীন সৈনিকদের শপথ গ্রহণ ও প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। অভিবাদন গ্রহণ শেষে বিজিবি ডিজি নবীন সৈনিকদের উদ্দেশ্যে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যের শুরুতে বিজিবি মহাপরিচালক ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী তৎকালীন ইপিআরের ৮১৭ জন অকুতোভয় বীর শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। একইসাথে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ সকল ছাত্র-জনতাকেও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করেন। বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’ খ্যাত এই বাহিনী বাংলাদেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সুদীর্ঘ সীমান্ত সুরক্ষাসহ সীমান্ত ভূমি ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধান, মাদক ও অস্ত্রসহ অন্যান্য অবৈধ পণ্যের চোরাচালান প্রতিরোধ, নারী ও শিশু পাচার রোধসহ যেকোনো ধরনের আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। শুধু তাই নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রেও বিজিবি অত্যন্ত বিশ্বস্ততা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হচ্ছে। বিজিবি মহাপরিচালক ‘মনোবল, ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও দক্ষতা’ বিজিবির এই চারটি মূলমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত হয়ে নবীন সৈনিকদের অর্পিত যেকোনো দায়িত্ব সুশৃঙ্খল ও সুচারুরূপে পালনের নির্দেশ দেন।
    তিনি বলেন, শৃঙ্খলা হচ্ছে সৈনিক জীবনের অলংকার। আদেশ ও কর্তব্য পালনে যে কখনো পিছপা হয় না, সেই প্রকৃত সৈনিক। সততা, বুদ্ধিমত্তা, নির্ভরযোগ্যতা, আনুগত্য, তেজ ও উদ্দীপনা একটি বাহিনীর শৃঙ্খলা ও পেশাগত দক্ষতার মাপকাঠি। নবীন সৈনিক হিসেবে এই সকল পেশাগত ও চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন করতে হবে। তাহলেই কেবল পূর্বসূরীদের যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে দেশের সেবায় নিজেদের নিয়োগ করতে পারবে। বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মহিয়সী নারীদের অংশগ্রহণ, অবদান ও আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়। নারীরা বিভিন্ন অঙ্গনে যথাযথ যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। নবীন নারী সৈনিকরা দেশ মাতৃকার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দৃপ্ত শপথ নিয়ে সৈনিক জীবনে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। নবীন নারী সৈনিকরা বিজিবির সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় আরও গতিশীল ভূমিকা রাখাসহ বাহিনীর সুনাম-সুখ্যাতি বৃদ্ধিতে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে নিরলসভাবে কাজ করবে। শেষে বিজিবি মহাপরিচালক ১০৩তম রিক্রুট ব্যাচের সেরা চৌকস রিক্রুট হিসেবে ১ম স্থান অধিকারী বক্ষ নম্বর-৫৭৪ সাইফ মিয়া এবং অন্যান্য বিষয়ে সেরা সৈনিকদের হাতে তাদের সফলতার জন্য ক্রেস্ট তুলে দেন।
    উল্লেখ্য, ১০৩তম রিক্রুট ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণ গত ২৬ জানুয়ারি শুরু হয়। দীর্ঘ ২৪ সপ্তাহের কঠোর ও কষ্টসাধ্য প্রশিক্ষণ সফলতার সাথে সম্পন্ন করে ৬৫৮ জন পুরুষ ও ৩৬ জন নারী সর্বমোট ৬৯৪ জন রিক্রুট সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে সৈনিক জীবনে পদার্পন করলো। প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাকে মারধর মাদকাসক্ত ছেলের ॥ মারপিটে যুবকের মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাকে মারধর মাদকাসক্ত ছেলের ॥ মারপিটে যুবকের মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাকে মারধর মাদকাসক্ত ছেলের ॥ মারপিটে যুবকের মৃত্যু

    মাদকের বলি! মারধরে নিহত বাবু, পারিবারিক কলহের জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর হাটের বাঘাইরপাড়া এলাকায় পারিবারিক কলহ ও মাদকাসক্তি থেকে জন্ম নেওয়া উত্তেজনার জেরে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। নিহত যুবকের নাম বাবু (২৮)। তিনি সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বগিপাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাবু দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। এ নিয়ে তার পরিবারে প্রায়ই কলহ লেগে থাকতো। বুধবার (৯ জুলাই) সকালে তার সঙ্গে মায়ের কথাকাটাকাটি হয় এবং একপর্যায়ে মাকে মারধর করে মাদকাশক্ত বাবু।

    ঘটনার পর তার মা প্রতিবেশীদের কাছে বিচার দেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাবু বাড়ি ফিরলে স্থানীয় কয়েকজন তাকে শাসনের নামে মারধর করেন। এতে ঘটনাস্থলেই বাবু মৃত্যুবরণ করেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি একটি পারিবারিক ঘটনা হলেও যেহেতু মারধরের ফলে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, তাই বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং নিহত বাবুর বোন বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন বলে নিশ্চিত করেছেন সদর মডেল থানা ওসি মোঃ মতিউর রহমান। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত শিশু-কিশোররা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত শিশু-কিশোররা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের অনলাইন জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত শিশু-কিশোররা

    অনলাইনে জুয়া ও মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে পড়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫টি উপজেলা ও ৪টি পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে শিশু-কিশোর এবং বিভিন্ন বয়সী যুবকরাও। জেলার শিশু-কিশোররা পড়াশোনা বাদ দিয়ে দিনের সিংহভাগ সময়ই তারা ব্যয় করছে গেমিংয়ের পিছনে। এছাড়া অনলাইনের রেটিং সাইট গুলোতেও রয়েছে তাদের অবাধ চলাচল। অনেকেই জুয়ার-টাকা যোগাড় করতে অল্প বয়সেই পড়াশোনা বাদ দিয়ে জড়িয়ে পড়েছে চুরি, ছিনতাই সহ নানা অপকর্মে। রহনপুর পৌর শহরসহ জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শহর থেকে গ্রামের প্রায় সবখানেই কিশোররা দল বেঁধে মোবাইলে ঝুঁকি থাকার দৃশ্য। যে বয়সে মাঠে খেলাধুলা করার কথা, সেখানে তারা ডুবে রয়েছে মোবাইল গেমের নেশায়। শিশু-কিশোরদের প্রচন্ড আসক্তি বেড়েছে মোবাইল গেমিংয়ের প্রতি। বাবা-মায়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘণ্টার পর ঘন্টা সময় কাটাচ্ছে মেবাইল গেমের পিছনে। মোবাইলে গেম খেলতে গিয়ে কেউ কেউ খরচ করছে হাজার হাজার টাকাও। অনলাইন বাজি খেলার সংখ্যাটাও কম নয়। বিভিন্ন ধরনের রেটিং সাইট তৈরি হচ্ছে কিশোরদের টার্গেট করে। দ্রুত সময়ে কয়েকগুণ টাকার প্রলোভনে পা দিচ্ছে অনেকেই এই গেইমে। মোবাইল গেমিং ও জুয়ায় আসক্ত একাধিক তরুণ জানায়, গেমিংয়ের আপডেট ভার্সন ইন্সটলেশনের জন্য তারা মোটা অংকের অর্থ ব্যয় করে থাকে। টপ-আপ করার নামে ধাপে ধাপে অর্থ ব্যয় করে কিনতে হয়। গেমসের এক একটি ফিচার সুবিধা। এসব টাকা যোগাড় করতে অনেকে পড়াশোনা ছেড়ে কাজে নেমে পড়েছে। কেউ কেউ দামি মোবাইল কেনার আশায় পাড়ি জমিয়েছে রাজধানী ঢাকায়। উঠতি বয়সীদের এমন মোবাইল আসক্তিতে শংকায় অভিভাবকরাও। আগামী প্রজন্মকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে অসুস্থ হওয়া থেকে রক্ষায় সরকারী পদক্ষেপের দাবি অভিভাবকদের। তাদের বেশিরভাগ মোবাইল গেম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হলেও, ভিপিএন নামের একটি সফটওয়ারের মাধ্যমে তাতে যুক্ত থাকে এসব শিশু-কিশোর ও কিশোরিরাও। একজন অভিভাবক জানান, অনলাইন জুয়া বা মোবাইল গেমিংয়ে আসক্ত হয়ে শিশু-কিশোর তাদের মেধা শক্তি হারাচ্ছে। নতুন এ মোবাইল গেমিং আতংক থেকে ‘রক্ষা’ পেতে স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারী প্রয়োজন বলে মনে করেছেন ওই অভিভাবক। এদিকে, অনেকেই এ খেলায় আসক্ত হয়ে বসতবাড়ি, জমিসহ সব কিছু খুঁইয়েই ঋণের বোঝা নিয়ে গাঁ ঢাকা দিয়েছে অনেকেই।

  • বগুড়ায় আওয়ামী দোসরের বিরুদ্ধে ইটভাটা ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

    বগুড়ায় আওয়ামী দোসরের বিরুদ্ধে ইটভাটা ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

    ইট ভাটা ও সম্পত্তি আত্নসাতের অভিযোগ

    বগুড়ায় আওয়ামী দোসরের বিরুদ্ধে ইটভাটা ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

    লিজ নেয়া ইট ভাটা ও সম্পত্তি আত্নসাতের অপচেষ্টার প্রতিবাদে বগুড়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম থানার রসুলগঞ্জ গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের স্ত্রী আকিমা আক্তারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার পক্ষে রুনা লায়লা। বুধবার দুপুরে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, বগুড়া জেলার সোনাতলা থানার মধ্যদিঘলকান্দি গ্রামের দানেজ উদ্দিন মন্ডল ও তার অংশীদারদের নিকট থেকে পরিত্যক্ত এমএমবি নামের একটি ইটভাটা লিজ নিয়ে ২০১৪-২০১৫ মওসুম থেকে ২০১৯-২০ দুই মেয়াদে ৬ বছর পরিচালনাকালে ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বগুড়া জেলার সোনাতলা থানার নওদাবগা গ্রামের নজরুল ইসলামের পুত্র আজিমুল হকের সাথে ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ মওসুম পর্যন্ত যৌথব্যবসায় চুক্তিবদ্ধ হই। ইটভাটা পরিচালনায় আমার পক্ষে আমার বড় জামাতা ও বড় ছেলেকে দায়িত্ব দেই। এমন অবস্থায় উক্ত আজিমুল হক আমার পুর্বের কিছু পাওনাদারদের দ্বারা আমার জামাতা ও ছেলেকে বিভিন্নভাবে হয়রানী, শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। এক পর্যায়ে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সহায়তায় আমার জামাতা ও ছেলেকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ইটভাটা এলাকা থেকে তাড়িয়ে দিয়ে কাগজপত্র হাতিয়ে নেয়। আমি আয় ব্যয়ের হিসাব চাইলে গড়িমসি করে। ব্যবসায় ৫ বছরে আনুমানিক চুক্তি মোতাবেক ৩৫ শতাংশ লাভ হিসেবে পাওনা ৮৫ লক্ষ টাকাসহ মোট পাওনা দাঁড়ায় ১ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা। তার মধ্যে থানা পুলিশের সহায়তায় সে ১৯ লক্ষ টাকা পরিশোধ করেছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, উক্ত আজিমুল আওয়ামী দোসর। সে সোনাতলা-সারিয়াকান্দি আসনের তৎকালীন এমপি শাহাদারা মান্নান এবং তার ছোট ভাই সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিনহাদুজ্জামান লীটনের ক্যাডার। তার নামে চাদাবাজি, জমি দখল, বালু দস্যুতাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। সে এলাকার কুখ্যাত গরু চোর আব্দুর রাজ্জাকের সহায়তাকারী এবং মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। তার নামে সংবাদপত্রে অনেক সংবাদ প্রকাশ হলেও প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। বর্তমানে সে আমার পাওনা পরিশোধে পড়িমসি করছে। আমি জায়গা জমি বিক্রি করে নিঃস্ব। এ ব্যাপারে আমি প্রশাসনের নিকট পাওনা আদায়ে সহযোগিতা কামনা করছি। এসময় স্থানীয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফুলছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান ॥ অবৈধ ড্রেজার মেশিন জব্দ-গ্রেফতার-২

    ফুলছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান ॥ অবৈধ ড্রেজার মেশিন জব্দ-গ্রেফতার-২

    ফুলছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান ॥ অবৈধ ড্রেজার মেশিন জব্দ-গ্রেফতার-২

    গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ব্যাইংকা গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন রুবায়েতের নেতৃত্বে ব্যাইংকা গ্রামের নালায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহিত ২টি ড্রেজার মেশিন ১ টি টিউবওয়েল ও ২ টি মোবাইল জব্দ করা হয়।

    এসময় অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথ জড়িত ২ জন বালু ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার ৩ টি ড্রেজার মেশিন ও পাইপ হেমার দিয়ে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। বুধবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টার এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন-ফুলছড়ি উপজেলার নিলকুঠি গ্রামের নজরুলের ছেলে এনামুল হক (৩২), নিলকুঠি গ্রামের মৃত্যু মোজাম্মেলের ছেলে জাহাঙ্গীর (৩০)। পরে রাত ৮ টার দিকে সেনা ক্যাম্প কমান্ডারের উপস্থিতিতে দুজন বালু ব্যবসায়ী, জব্দ করা ড্রেজার মেশিন,

    টিউবওয়েল ও মোবাইল ফুলছড়ি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলেও সেনাবাহিনীর এমন অভিযানে খুশি এলাকাবাসী। বসতবাড়ি, ফসলি জমি রক্ষায় সেনাবাহিনীর এমন অভিযান যেনো অব্যাহত থাকে, সেটাই দাবি এলাকাবাসীর।

  • বগুড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১১টি অস্ত্রসহ আটক-৫

    বগুড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১১টি অস্ত্রসহ আটক-৫

    বগুড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১১টি অস্ত্রসহ আটক-৫

    বগুড়ার সেউজগাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর অভিযানে ১১টি দেশীয় অস্ত্র, মাদক ও সেবন সামগ্রীসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। বুধবার সদর সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন মো. সাজ্জাদ রায়হান আকাশের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালায়। আটককৃতরা হচ্ছে, বগুড়া শহরের চক সূত্রাপুর জহুরুল পাড়া এলাকার আব্দুল মোতালেবের ছেলে মো. ফেরদৌস (৪৫), সেউজগাড়ি পালপাড়া এলাকার মৃত সালাউদ্দিনের ছেলে আলম আকন্দ (৪৫), চক সূত্রাপুর এলাকার সিরাজ শেখের ছেলে মো. শাওন শেখ (২৭), সেউজগাড়ি পালপাড়া এলাকার আলম আকন্দের স্ত্রী মোছা. তাসলিমা বেগম (৩৭) ও আলম আকন্দের মেয়ে আইরিন আক্তার সোনালী। এদের মধ্যে আলম আকন্দ ও তাসলিমা বেগম বগুড়ার আলোচিত তুফান সরকারের শ্বশুর-শাশুড়ি। অভিযানকালে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১১টি দেশীয় অস্ত্র, একটি বার্মিজ চাকু, ১৫ বোতল ফেনসিডিল, ২০০ গ্রাম গাঁজা, গাঁজা সেবনের সরঞ্জাম এবং বিপুল পরিমাণ খালি ফেনসিডিলের বোতল উদ্ধার করা হয়। নগুড়া সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন মো. সাজ্জাদ রায়হান জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মাদকের সরঞ্জামসহ বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • রাজশাহীতে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

    রাজশাহীতে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

    রাজশাহীতে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট

    মোহনপুর উপজেলায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ২য় ভেণ্যুর খেলা শুরু হয়েছে। ২য় ভেণ্যুর খেলা গোল শুন্য ড্র হলে খেলা গড়াই ট্রাইব্রেকারে। ট্রাইব্রেকারে বাগমারা উপজেলা ফুটবল দল ৫-৪ গোলে পবা উপজেলা ফুটবল দলকে হারায়। শুক্রবার পুঠিয়া ভেণ্যুতে পুঠিয়া উপজেলা ফুটবল দল ও বাঘা উপজেলা ফুটবল দল অংশ নেবে। এসময় মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়শা সিদ্দিকা, পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত আমান আজিজ, বাগমারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহাবুবুল ইসলাম, জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, টুর্নামেন্ট আয়োজন ও বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক মোঃ তৌফিকুর রহমান রতন, মোহনপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রেজা, এডহক কমিটির সদস্য ডালিম হোসেন শান্ত, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ মাহমুদ আলম বাবু, সদস্য মোঃ সাইফুল ইসলাম কালু, মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ও সিনিয়র সহকারী কমিশনারগন উপস্থিত ছিলেন।

  • নীলফামারীতে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা নিধন কার্যক্রম

    নীলফামারীতে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা নিধন কার্যক্রম

    নীলফামারীতে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা নিধন কার্যক্রম

    নীলফামারীর ডোমারে পরিবেশের ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাস এবং আকাশমনি গাছের চারা নিধন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের ঘোনপাড়া গ্রামের একটি নার্সারিতে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা ধ্বংস করে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় এবং উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি দপ্তরের আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক ড.এস,এম আবু বকর সাইফুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক শায়লা সাঈদ তম্বী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ। বুধবার এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম জানান, ২০২৪/২০২৫ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা নিধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রম বুধবার দুপুরে উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের ঘোনপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের নার্সারিতে প্রায় দেড় লক্ষাধিক আকাশমনি গাছের চারা নিধন করা হয়। এবং পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল নার্সারিতে এ নিধন কার্যক্রম চলমান থাকবে। তিনি আরও বলেন, নানা গবেষণায় দেখা গেছে ওই দুই প্রজাতির গাছের পানি শোষণ ক্ষমতা বেশি হওয়ায় মাটিকে রুক্ষ করে তোলে। তাই পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র সংরক্ষণের স্বার্থে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গিকার পুরণে ওই দুই প্রজাতির গাছের চারা তৈরি রোপণ এবং বিক্রয় সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

  • নাচোলে এক আদিবাসীর লাশ উদ্ধার

    নাচোলে এক আদিবাসীর লাশ উদ্ধার

    নাচোলে এক আদিবাসীর লাশ উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিলের পানি নিষ্কাশনের ডোবা (খাঁড়ি) থেকে এক আদিবাসীর লাশ উদ্ধার করেছে নাচোল থানা পুলিশ। মৃত ব্যক্তি নাচোল উপজেলার সদর ইউনিয়নের পীরপুর শাহানাপাড়া গ্রামের বুদ্ধাই মুর্মুর ছেলে ঢেনা মুর্মু (৫০)। নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম জানান, গত সোমবার (৭ জুলাই) একই ইউনিয়নের ঝিকড়া গ্রামে ভিকটিম ঢেনা মুর্মু তার ভাগ্নি মরিয়ম মার্ডির মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে ভাগ্নির বাড়ি থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হন। ভিকটিমের ভাগ্নি মরিয়মের পরিবার জানে, সে নিজ বাড়িতে গেছেন, আর ঢেনা’র পরিবার নিশ্চিত ছিলো ভাগ্নি মরিয়মের মেয়ের বিয়ে খেতে গিয়ে সেখানেই অবস্থান করছেন। যে কারনে কোন পরিবারই খোঁজাখুঁজি করেনি। বুধবার (৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ খাড়িতে ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয় গ্রামবাসী নাচোল থানা পুলিশকে খবর দেয়। তৎক্ষণাৎ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে ভিকটিমের ভাগ্নি মরিয়ম লাশটি শনাক্ত করে। প্রাথমিকভাবে ভিকটিম ঢেনা মুর্মু অতিরিক্ত মদ্য (চুয়ানী) পান করে মদ্যপ অবস্থায় একই গ্রামের মইদুলের বাড়ি সংলগ্ন খাড়িতে পড়ে মৃত্যুবরণ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ১০জুলাই ময়না তদন্তের জন্য লাশ চাঁপাইনবাবগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে নাচোল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।