Blog

  • “চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আবারও প্রস্তুত হতে হবে-খুলনায় নাহিদ ইসলাম

    “চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আবারও প্রস্তুত হতে হবে-খুলনায় নাহিদ ইসলাম

    “চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আবারও প্রস্তুত হতে হবে-খুলনায় নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে, লগি-বৈঠার বিরুদ্ধে। কিন্তু বর্তমানে আবার দেশে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম বেড়েছে। রাজধানীতে ব্যবসায়ীদের হত্যা করা হচ্ছে চাঁদার দাবিতে। এই প্রত্যাশা নিয়ে জুলাই আন্দোলন হয়নি।” তিনি আরও বলেন,“আওয়ামীলীগ খুলনার শিল্প এলাকা ধ্বংস করেছে, রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করে সুন্দরবনের অস্তিত্ব বিপন্ন করেছে। এর বিরুদ্ধে জনগণকে আবারও সোচ্চার হতে হবে। আমাদের শিল্প গড়তে হবে, সুন্দরবন রক্ষা করতে হবে।” শুক্রবার (১১ জুলাই) রাতে খুলনার শিববাড়ি মোড়ে অনুষ্ঠিত এনসিপির জুলাই পদযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত পথসভায় তিনি এ সব কথা বলেন। যশোর থেকে সড়কপথে পদযাত্রা করে শিববাড়ি মোড়ে হোটেল টাইগার গার্ডেনে পৌঁছান এনসিপি নেতারা। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টায় তাঁরা ফুল ও জাতীয় পতাকা দিয়ে সংবর্ধিত হন। মাগরিবের নামাজের পর শুরু হওয়া এ সভা রাত পৌনে নয়টায় শেষ হয়। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, আখতার হোসেন, নাসির পাটোয়ারী, তাসনিম জারা, হাসানাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম ও নুসরাত তাবাসসুম। বক্তারা আরও বলেন, “জাতীয় নাগরিক পার্টি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনার ছয়টি আসনে প্রার্থী দেবে। জনগণের রায়ে এনসিপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়বে ইনশাআল্লাহ। বক্তারা বলেন, “মুজিববাদী সংবিধান রাতের ভোট বন্ধ করতে পারে না, বাকশাল রোধ করতে পারে না। তাই নতুন সংবিধান গড়ে তুলতে হবে। ৫ আগস্টের আগেই জুলাই ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করতে হবে।” চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে খুলনাবাসী অতীতেও লড়েছে, ভবিষ্যতেও লড়বে। শেষে নেতৃবৃন্দ খালিশপুর পিপলস গোল চত্বরে যান এবং সেখানে আরেকটি সমাবেশে যোগ দেন।

  • ভালুকায় শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পরিচিতি সভা ও বিদায় সংবর্ধনা

    ভালুকায় শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পরিচিতি সভা ও বিদায় সংবর্ধনা

    ভালুকায় শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পরিচিতি সভা ও বিদায় সংবর্ধনা

    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ভরাডোবা ইউনিয়ন শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা, অবসরপ্রাপ্ত তিনজন শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা এবং সাধারণ সভা হয়েছে। শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে ভালুকা সিটি গার্ডেন হোটেলে ওই সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মো. আবদুর রশিদ আকন্দ এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. মো. নূরুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মো. আজিজুল হক এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইকবাল মুনির। এছাড়াও সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রিসার্চার ড. জেবুন নেছা রীনা, সমাজ সেবিকা ফজিলাতুন্নেছা, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা অপরূপা মালাকার এবং ভালুকা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি গোলাম ফারুকসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবদুর রশিদ এবং কোষাধ্যক্ষ মো. ইব্রাহিম খলিল।

  • পলাশবাড়ীতে কানাডিয়ান প্রবাসী সাইদুর রহমানসহ ৫ ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

    পলাশবাড়ীতে কানাডিয়ান প্রবাসী সাইদুর রহমানসহ ৫ ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

    পলাশবাড়ীতে কানাডিয়ান প্রবাসী সাইদুর রহমানসহ ৫ ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার মনোহরপুর এলাকার ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজিদের হাত থেকে নিজের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন কনের কানাডিয়ান প্রবাসী সাইদুর রহমানসহ ৫ ভুক্তভোগী। শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় কাজীর বাজার নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কানাডিয়ান প্রবাসী সাইদুর রহমান। এসময় জে.আই.এম আলী রেজা টিটু, শাখোয়াত হোসেন খোকা ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা জাহিদ হোসেনসহ আরো ৪ ভুক্তভোগী উপস্থিত ছিলেন।
    সংবাদ সম্মেলনে কানাডিয়ান প্রবাসী সাইদুর অভিযোগ করে বলেন, এলাকার প্রভাশালী, আব্দুল হাই, আব্দুর রউফ, হবিবার রহমান ও নসিবর গংদের ভূমিদস্যু, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন তারা। প্রাণনাশের হুমকি থাকায় তিনি নিজের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার দাবি জানান। তাদের দ্বারা এলাকার অনেক মানুষই লাঞ্চিত ও নানা ভাবে হয়রানির শিকার হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহযোগিতা কামনা করেছেন। সেই সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ভূক্তভোগীরা।

  • ৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে এনডিবি’র প্রতিকি কাফন মিছিল

    ৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে এনডিবি’র প্রতিকি কাফন মিছিল

    ৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে এনডিবি’র প্রতিকি কাফন মিছিল

    প্রমাণিত ধর্ষকের ৩ মাসের মধ্যে ফাঁসি ও ধর্ষণ-নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ট্রাইবুনাল গঠনের দাবিতে প্রতিকি কাফন মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। ১১ জুলাই নতুনধারা বাংলাদেশ (এনডিবি)’র চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদীর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কাজী মুন্নি আলম, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজেদ রানা, রুবেল আকন্দ, আফতাব মন্ডল, আলেয়া বেগম আলো, হাফিজুর রহমান, জাতীয় শিক্ষাধারার সদস্য কাজী নওরীন, কাউসার হোসেন প্রমুখ। এসময় নেতৃবৃন্দ ধর্ষণ মামলাগুলোর রায় ও কার্যকর করার বিষয়ে আইন-বিচার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সমালোচনা করে বলেন, ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর নুসরাত হত্যাতাণ্ডের রায় হলেও কার্যকর হয়নি গত ৬ বছরেও। এতে করে ধর্ষক-খুনিরদের দৌরাত্ম বাড়ছে। সর্বশেষ আছিয়ার ধর্ষক-খুনিদেরও বিচার ঝুলে যাওয়ার সুযোগে ধর্ষকরা রামরাজত্ব তৈরি করছে। মোমিন মেহেদী আরো বলেন, নিমর্ম হলেও সত্য, গত বছরের ছয় মাসে বাংলাদেশে যে পরিমাণ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, সেই সংখ্যা ২০২৪ সালের পুরো বছরের চেয়ে অনেক বেশি। এছাড়া গত ছয় মাসে হাজারেরও অধিক ধর্ষণের চেষ্টা হয়েছে। ৩৬ জুলাই’র চেতনা বিক্রিকারী রাজনৈতিক প্লাটফর্মগুলোতে তারা ধর্ষণ-নিপীড়নের চর্চা শুরু করেছে। যে কারণে মসজিদে যখন ময়নার মত শিশু লাশ পাওয়া যায়, যখন আমার মা-আমার বোন যখন ধর্ষিত হয়, সারাদেশে তখন তারা অতিত ফ্যাসিস্টদের পথধরে চেতনা ব্যবসায় নামে-জলকেলি করে। নতুনধারার নেতৃবৃন্দ এসময় বলেন, নারীর প্রতি সহিংতার চার ভাগের একভাগও মিডিয়ায় আসে না। কেবল আলোচিত এবং গ্যাং রেপের মতো ঘটনাগুলো সামনে আসে। তারপরে অপরাধীরা যদি শক্তিশালী হয়, তাহলে কিন্তু সেই খবরটাও লোকাল মিডিয়া দিতে পারছে না। আরো ভয়ংকর বিষয় হলো-কেবলমাত্র বিচার না হওয়ায় ধর্ষকরা গত ১১ মাসে ৮৭০ টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা নতুনধারার রাজনীতিকরা জনমানুষের রাজনীতি করি, গত ১৩ বছরে ৪৮ বার ‘৩ মাসের মধ্যে প্রমাণিত ধর্ষকের ফাঁসি’র রায় কার্যকরের দাবিতে রাজপথে দাঁড়িয়েছি। আগের ফ্যাসিস্টরাও ধর্ষকের পক্ষে থেকে নিরব ভূমিকা পালন করেছে, নব্য ফ্যাসিস্টরাও ধর্ষকদেরকে আশ্রয়-প্রশয় দিচ্ছে, অর্থায়নও করছে।

  • তারেক রহমানের নির্দেশে পাবনায় বহিষ্কৃত ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

    তারেক রহমানের নির্দেশে পাবনায় বহিষ্কৃত ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

    তারেক রহমানের নির্দেশে পাবনায় বহিষ্কৃত ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে পাবনার সুজানগরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবসহ বহিষ্কৃত ১০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিএনপি। শুক্রবার রাতে সুজানগর থানায় রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলিম বাদী হয়ে মামলা করেন। এর আগে ঘটনার ২৪ ঘন্টা পর ওই ১০ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত এক প্রেস নোটের মাধ্যমে বহিষ্কার করা হয়। বহিস্কৃতরা হলেন-সুজানগর উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব রউফ শেখ (৫২), ছাত্রদল নেতা শেখ কাউছার (২৮), যুবদল নেতা মনজেদ শেখ (৪৫), সুজানগর পৌর বিএনপি’র ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজিবর খা (৬০), সুজানগর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য কামাল শেখ (৪৬), পৌর যুবদল সদস্য মানিক খা (৩৮), সুজানগর এনএ কলেজ শাখার সভাপতি শাকিল খা (২৫), সুজানগর পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি রুহুল খা (৪০), বিএনপি কর্মী লেবু খা (৬০) যুবদল কর্মী হালিম শেখ (৪০)। এদিকে, ১০ নেতার বহিষ্কার করার পর কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলিম এর নেতৃত্বে ৩ সদস্য’র একটি টিম শুক্রবার সুজানগরে তদন্তে আসেন। কেন্দ্রীয় নেতারা রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রশাসন ও গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তারেক রহমানের নির্দেশে শুক্রবার রাতে সুজানগর থানায় ওই বহিষ্কৃত নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এসময় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলিম এক ব্রিফিং এ বলেন, সুজানগরে বিএনপির নামধারি ওই নেতারা আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে রক্তাক্ত ঘটনা ঘটিয়েছেন-দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন। জনগনের মধ্যে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই বিএনপির মুল উদ্দেশ্য। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সন্ত্রাসকে জিরো টলারেন্স করেছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন ও কেন্দ্রীয় তথ্যা সেলের মাহবুবুর রহমান। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সুজানগর উপজেলা বিএনপির বিবদমান দুই গ্রুপের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ সহ ২০ জন আহত হন।

  • মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী হত্যায় রাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল

    মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী হত্যায় রাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল

    মিটফোর্ডে ব্যবসায়ী হত্যায় রাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল

    ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে এক ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বর থেকে শুরু হয় এই বিক্ষোভ। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার জোহা চত্বরে ফিরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন, “আমার সোনার বাংলায়, খুনিদের ঠাঁই নাই”, “চাঁদাবাজের ঠিকানা, এই বাংলা হবে না”, “জনে জনে মানুষ মরে, ইন্টেরিম কি করে?”, “লীগ গেছে যেই পথে, যুবদল যাবে সেই পথে” ইত্যাদি। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, “জুলাইয়ের পর থেকে আমরা বারবার দুটি সংস্কার চেয়ে এসেছি, মিডিয়া ও প্রশাসনিক সংস্কার। অথচ এই হত্যাকাণ্ডের মতো গুরুতর ঘটনা ঘটার ৪৮ ঘণ্টা পর আমাদের তা জানতে হয় কেন? আমরা এমন রাষ্ট্র চাই না যেখানে সত্য গোপন করে রাজনীতি হয়।” তারা আরও বলেন, “চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে যারা একজন ব্যবসায়ীকে পাথর দিয়ে হত্যা করেছে, তারা যদি ক্ষমতায় আসে, তবে তাদের পথ রুখে দেবে এই জুলাই প্রজন্মই। আর কোনো দল-বিএনপি, জামায়াত বা অন্য কেউ-বাংলাদেশে সন্ত্রাসের রাজনীতি কায়েম করতে পারবে না, যদি জুলাই প্রজন্ম বেঁচে থাকে।” শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের দায়ীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর ভয়াবহ থাবা-সাড়ে ৬ মাসে ভর্তি ৮৭৬ ॥ একদিনে আক্রান্ত ২৮

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর ভয়াবহ থাবা-সাড়ে ৬ মাসে ভর্তি ৮৭৬ ॥ একদিনে আক্রান্ত ২৮

    জুলাই-আগস্টে পরিস্থিতি গুরুত্বর হওয়ার আশঙ্কা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর ভয়াবহ থাবা-সাড়ে ৬ মাসে ভর্তি ৮৭৬ ॥ একদিনে আক্রান্ত ২৮

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। জেলার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) একদিনেই নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী। এর মধ্যে ১১ জন পুরুষ, ১৬ জন নারী এবং ১ জন শিশু। বর্তমানে হাসপাতালে মোট ভর্তি রয়েছে ৫৯ জন রোগী-পুরুষ ১৯, নারী ৩৪ এবং শিশু ৬ জন (ছেলে ৩, মেয়ে ৩)। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জন রোগী (পুরুষ ৭, নারী ৬, শিশু ৩) চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন এবং ৩ জনকে রেফার্ড করা হয়েছে উন্নত চিকিৎসার জন্য। এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি, যা কিছুটা হলেও স্বস্তিদায়ক বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৮৭৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। শুধু হাসপাতালে নয়, বহির্বিভাগেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। একই সময়ে বহির্বিভাগে সনাক্ত হয়েছে ৪০১ জন, যার মধ্যে সর্বশেষ একদিনে নতুন শনাক্ত ৬৩ জন। নারীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। উল্লেখযোগ্যভাবে দেখা যাচ্ছে, ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে নারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমান ভর্তি থাকা ৫৯ জন রোগীর মধ্যে ৩৪ জনই নারী, যা মোটের প্রায় ৫৮ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘরের কাজ করা, দিনে ঘরেই অবস্থান করা এবং সচেতনতার অভাব এর পেছনে অন্যতম কারণ হতে পারে। শিশুরাও আক্রান্ত, তবে এখনও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। চাঁপাইনবাবগঞ্জে এখন পর্যন্ত কোনো শিশু মৃত্যুর খবর পাওয়া না গেলেও, প্রতিদিন নতুন শিশু রোগীও ধরা পড়ছে। বৃহস্পতিবার ভর্তি ১ শিশুসহ বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ৬ জন শিশু। চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের ক্ষেত্রে দ্রুত সনাক্তকরণ ও চিকিৎসা না হলে জটিলতা তৈরি হতে পারে। ‘স্বাস্থ্য বিভাগের সতর্ক বার্তা’ঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয় ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্ষাকালে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সচেতনতাই এখন একমাত্র প্রতিরক্ষা। তারা নিম্নলিখিত সতর্কতা জারি করেছেঃ বাড়ির আশপাশে কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা ইত্যাদি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে, দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করতে হবে, জ্বর হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি’-ডেঙ্গু এখন আর শুধু নগরকেন্দ্রিক রোগ নয়, জেলা শহর এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু হাসপাতাল নির্ভর চিকিৎসা যথেষ্ট নয়— প্রয়োজন ঘরে ঘরে সচেতনতা ও স্থানীয় সরকার ও পৌরসভার উদ্যোগ। চাঁপাইনবাবগঞ্জে যেভাবে প্রতিদিন নতুন রোগী যোগ হচ্ছে, তাতে করে জুলাই-আগস্ট মাসে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় এখনই সময়-প্রতিটি নাগরিকের সচেতন ও সতর্ক হওয়া জরুরী।

  • দিনাজপুরে মাছের পোনা চাষ করে শরিফুল-রানু দম্পতির সাফল্য

    দিনাজপুরে মাছের পোনা চাষ করে শরিফুল-রানু দম্পতির সাফল্য

    দিনাজপুরে মাছের পোনা চাষ করে শরিফুল-রানু দম্পতির সাফল্য

    মাছের পোনা চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন দিনাজপুরের উদ্যোক্তা দম্পতি শরিফুল ইসলাম ও রানু আক্তার। ছোট পরিসরে শুরু করলেও বর্তমানে তারা দুইশত শতাংশ জমির চারটি পুকুরে মিরর কার্প, রুই, মৃগেল, কাতলা,সিলভার কার্প, গ্রাস কার্পসহ বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা উৎপাদন করছেন। তাদের এ উদ্যোগে ৫ জনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে।

    এছাড়া এ দম্পতির সফলতায় অনুপ্রাণিত হয়ে জেলার অনেকেই মাছ চাষে ঝুঁকছেন। দিনাজপুর দক্ষিণ কোতোয়ালীর গোদাগাড়ী রামচন্দ্রপুর এলাকায় এই মৎস্য পোনা উৎপাদন খামারে এই দম্পতির বাৎসরিক আয় এখন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকা। ২০১৮ সালে একটি পুকুর লিজ নিয়ে তিনি রুই, কাতলা, মৃগেল, সিলভারকার্প,সাদাপুটি, তেলাপিয়া পোনা উৎপাদন শুরু করেন। প্রথম বছরেই সাফল্যের মুখ দেখেন তারা। পরের বছর আরো তিনটি পুকুর লিজ নিয়ে মাছের পোনা উৎপাদন বাড়ান। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই উদ্যোক্তা দম্পতি মো. শরিফুল ও রানু আক্তারকে।

    চোখে-মুখে এখনো তাদের এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন। তার সফলতার গল্প জানতে চাইলে তারা জানান, ‘আল্লাহর রহমতে অনেক দূর আমরা এগিয়ে। এখন আমার সুখের সংসার। মাছের পোনা চাষ ও বিক্রি করে দুই ছেলে-মেয়েকে পড়া লেখা করাচ্ছি। তাদের মানুষের মতো মানুষ করার স্বপ্ন আমাদের। এজন্য এখনো হাল ধরে আছি। রানুর স্বামী শরিফুল আগে ধান-চালের ব্যবসা করতেন।

    স্ত্রীর সংগ্রামী জীবনের সাফল্য দেখে স্বামী শরিফুলও অন্যপেশা ছেড়ে স্ত্রীকে সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন। পুকুরগুলোর তত্ত্বাবধানে কাজ করছেন। উদ্যোক্তা দম্পতিকে এ বিষয়ে প্রথম থেকেই সহায়তা করে আসছে মহিলা বহুমূখী শিক্ষা কেন্দ্র (এমবিএসকে) ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন। মাছের পোনা উদ্যোক্তা তৈরিতে মহিলাদের দিয়ে সমিতির মাধ্যমে কাজ করছে প্রতিষ্ঠান দুটি। শ্যামলী মহিলা সমিতি নামে এমন একটি সংগঠনের সদস্য সাদেকা বানু। যার সদস্য সংখ্যা ১৯৪০ জন।

    মহিলা বহুমূখী শিক্ষা কেন্দ্র-এমবিএসকের মৎস্য কর্মকর্তা মো. রায়হান আলী ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘সাদেকা বানু তাদের একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। দীর্ঘ ৭-৮ বছর ধরে তাকে সহায়তা করছি আমরা। তিনি বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা উৎপাদন করলেও গত বছরেই প্রথম আমরা তাকে পরীক্ষামূলকভাবে এককেজি ‘তৃতীয় প্রজন্ম’ বা জি-৩ রুই এর রেনু দেই পোনা উৎপাদনের জন্য। তারপর তিনি আরও দুইকেজি আরো ‘তৃতীয় প্রজন্ম’ বা জি-৩ রুই এর রেনু ক্রয় করে পুকুরে পোনা উৎপাদনে নামেন। এতে তিনি ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন। তার পোনা এখন জেলা ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চওেল যাচ্ছে, মাছ চাষের জন্য। আমরা খুব গর্বিত। আমাদের উদ্যোক্তার সাফল্যে। ’ঢাকার রেস্তোরাঁ এই দম্পতি উদ্যোক্তার সাফল্য এখন অনেকের অনুপ্রেরণা। তাদের সাফল্য দেখে অনেকে এখন মৎস্য চাষে ঝুকছেন। পোনা নিতে দূর-দূরান্ত থেকে অনেকে ছুঁটে মাছের খামারিরা।

  • পানিতে তলিয়ে গেছে সারাদেশে ৭২ হাজার হেক্টর জমির ফসল

    পানিতে তলিয়ে গেছে সারাদেশে ৭২ হাজার হেক্টর জমির ফসল

    পানিতে তলিয়ে গেছে সারাদেশে ৭২ হাজার হেক্টর জমির ফসল

    সারাদেশে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ২১ জেলায় ৭২ হাজার ৭৬ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে বলে বৃহস্পতিবার রাতে কৃষি মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ এবং দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতজনিত কারণে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলের কোথাও কোথাও অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে মাঠে থাকা আউশ, আমন বীজতলা, বোনা আমন, পাট, শাকসবজি, ফলবাগান, পান, তরমুজ পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, খাগড়াছড়ি, পাবনা, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, নড়াইল, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালোকাঠি, পটুয়াখালি, বরগুনা, ভোলা এবং শরীয়তপুর জেলার ৭২ হাজার ৭৬ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে ৪৪ হাজার ৬৬২ হেক্টর জমির আউশ, ১৪ হাজার ৩৯৩ হেক্টর জমির আমন বীজতলা, ১৩৫ হেক্টর জমির পাট, ৯ হাজার ৬৭৩ হেক্টর জমির শাকসবজি, ১১৪ হেক্টর জমির কলা, ২৯৩ হেক্টর জমির পেঁপে, ৩৮৭ হেক্টর জমির পান, ২৯৭ হেক্টর জমির বোনা আমন আবাদ, ১০৪ হেক্টর জমির মরিচ, ২৯৩ হেক্টর জমির পেঁপে, ২৮১ হেক্টর জমির গ্রীষ্মকালীন তরমুজসহ বিভিন্ন ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এর মধ্যে শুধু কুমিল্লা জেলাতেই ১১ হাজার ৫৯০ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল (আউশ, আমন, শাকসবজি, মরিচ, আখ) তলিয়েছে পানিতে। নোয়াখালী জেলার ৭ হাজার ৮০৬ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল (আউশ, আমন, শাকসবজি, মরিচ, তরমুজ) পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ফেনী জেলার ১ হাজার ৬৫৫ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল (আউশ, আমন, শাকসবজি, মরিচ) পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসায় ফসল পানিতে ডুবে থাকার হার কমে আসছে। এছাড়া গোপালগঞ্জে ৮০, রাজশাহীর বাঘাবাড়িতে ৭৩ এবং আরিচায় ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত নথিবদ্ধ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এদিকে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় চার সমুদ্রবন্দরকে সতর্কতা সংকেত নামিয়ে নিতে বলেছে আবহাওয়া দপ্তর।

  • চীন সফরে আমিরের নেতৃত্বে জামায়াতের ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল

    চীন সফরে আমিরের নেতৃত্বে জামায়াতের ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল

    চীন সফরে আমিরের নেতৃত্বে জামায়াতের ৮ সদস্যের প্রতিনিধি দল

    চীন সরকার এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আমন্ত্রণে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল দেশটিতে সফরে গেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতারা প্রতিনিধি দলটিকে বিদায় জানান। এই প্রতিনিধি দল ১১ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত চীন সফর করবে। সফর প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ককে কীভাবে নতুন মাত্রায় নেওয়া যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করবেন তারা। তিনি আরও বলেন, “চীনের আশ্চর্যজনক অভ্যুত্থান বিশ্বের জন্য শিক্ষণীয় বিষয়। আমরা আশা করি চীনের কাছ থেকে এ সফরের মধ্য দিয়ে ভালো কিছু শিখব, জানব এবং তারাও আমাদের জানার সুযোগ পাবে। বিমানবন্দরে প্রতিনিধি দলটিকে বিদায় জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন ও সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ আরও অনেকে।