Blog

  • গোদাগাড়ীতে হাতুড়ি দিয়ে আঘাতে হত্যা ॥ ৭ আসামি গ্রেফতার

    গোদাগাড়ীতে হাতুড়ি দিয়ে আঘাতে হত্যা ॥ ৭ আসামি গ্রেফতার

    গোদাগাড়ীতে হাতুড়ি দিয়ে আঘাতে হত্যা ॥ ৭ আসামি গ্রেফতার

    রাজশাহী গোদাগাড়ীতে লোহার হাতুড়ী দিয়ে মাথা থেতলিয়ে ডেকোরেটর ব্যবসায়ীকে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামী আশরাফুলসহ মোট ৭ জন এজাহার নামীয় আসামীকে দিনাজপুর থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫। মামলার ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানান র‌্যাব-৫ এর সদস্যরা। বুধবার (৯ জুলাই) গভীর রাতে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার দাউদপুর ইউনিয়নের হায়াতপুর পূর্বপাড়া গ্রাম এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পূর্ব শত্রুতার জেরে লোহার হাতুড়ী দিয়ে মাথায় পিটিয়ে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার এজাহার নামীয় প্রধান আসামী ১। মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৬০), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, সাং-দেলশাদপুর (শিয়ালমারা), ২। মোঃ মফিজুল ইসলাম (৫০), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, ৩। মোঃ সাদ্দাম হোসেন (৩৭), পিতা-মৃত আব্দুস সামাদ, উভয় সাং-নারায়নপুর, ৪। মোঃ আকবর আলী (২৮), পিতা-মোঃ আশরাফুল ইসলাম, ৫। মোঃ বাবর আলী (১৯), পিতা-মোঃ আশরাফুল ইসলাম, উভয় সাং-দেলশাদপুর (শিয়ালমারা), ৬। মোঃ হানিফ (২৯), পিতা-মোঃ মফিজুল ইসলাম, ৭। মোঃ রমজান আলী (২০), পিতা-মোঃ মফিজুল ইসলাম, উভয় সাং-নারায়নপুর, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহীদের কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, নিহত ভিকটিম মনিরুল ইসলাম (৪৭) একজন ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। গত ৬ জুলাই বিকেল আনুমানিক ৪ টার সময় মনিরুল জমি সংক্রান্ত কাজ শেষ করে বাড়ী ফেরার পথে আনুমানিক রাত ৯ টার সময় ঘটনাস্থল গোদাগাড়ী থানার আইহাই গ্রামের সাগরাম মোড়ে পৌছালে এজাহারনামীয় ৭ জন আসামী ও অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন আসামী পূর্ব-পরিকল্পিত ভাবে পূর্ব শত্রুতার জেরে হাতে হাতুড়ী, বাঁশের লাঠি, লোহার রড সহ নিহত ভিকটিমকে পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। নিহত মনিরুল গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আসামীরা বাঁশের লাঠি, হাতুড়ী, লোহার রডসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মাথায়, হাতে ও পিঠে, বুকের উপরে সহ ভিকটিমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারী ভাবে মারপিট করে ফোলা ও রক্তাক্ত জখম করে। নিহত ভিকটিম মনিরুলকে গ্রামের অন্যান্য লোকজন বাঁচাতে গেলে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন ভিকটিম মনিরুল এর অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায়। পরে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • পত্নীতলায় হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় মৌসুমী ফল উৎসব

    পত্নীতলায় হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় মৌসুমী ফল উৎসব

    পত্নীতলায় হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় মৌসুমী ফল উৎসব

    নওগাঁর পত্নীতলায় জামগ্রাম হজরত মোল্লাআতা নুরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় মৌসুমী ফল উৎসব হয়েছে। ৭ জুলাই মাদ্রাসায় আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর উদ্যোগে মৌসুমী ফল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এ বিষয়ে অত্র মহাতামিম বলেন, মাদ্রাসার এতিম বাচ্চারা ভালো মন্দ মৌসুমী ফল খেতে পারে না। ব্যতিক্রমধর্মী এ আয়োজনে বিভিন্ন জাতের ফল পেয়ে বাচ্চারা দারুন খুশি। আমি ধন্যবাদ জানাই আবাব ফাউন্ডেশন বাংলাদেশকে তাদের এই ব্যতিক্রমধমী এরকম উদ্যোগ গ্রহণের জন্য। এসময় উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ ক্বারী জহুরুল ইসলাম, অত্র মাদ্রাসার কোষাধক্ষ্য গোলাম মোস্তফা ও আবাম ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ এর নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি আল আমিন (আবির)সহ অন্যরা।

  • নাটোরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইমো হ্যাকার ও কিশোর গ্যাংয়ের ১২ জন গ্রেপ্তার

    নাটোরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইমো হ্যাকার ও কিশোর গ্যাংয়ের ১২ জন গ্রেপ্তার

    নাটোরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইমো হ্যাকার ও কিশোর গ্যাংয়ের ১২ জন গ্রেপ্তার

    নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়িয়া ইউনিয়নে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি সফল অভিযানে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ১২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করেছে। এরা ইমো অ্যাপ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সাইবার অপরাধ ও ব্ল্যাকমেইলের সঙ্গে জড়িত থাকার পাশাপাশি নিয়মিত মাদক সেবনেও লিপ্ত ছিল। বুধবার এ অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য হিসেবে ইমো অ্যাপের মাধ্যমে দেশি ও প্রবাসীদের সঙ্গে উভয় কন্ঠে কথা বলে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করত। পরবর্তীতে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাক মেইলের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিত। তারা নিজেদের কিশোর গ্যাং পরিচয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার এবং মাদকসেবনের মাধ্যমে যুবসমাজকে বিপথগামী করার চেষ্টা করছিল। অভিযানের সময় বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সেনাবাহিনী ১৬টি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, বাটন ফোন ১২টি, সিমকার্ড ৩০টি, দেশী অস্ত্র ১টি, ৫ পিস ইয়াবা ও গাঁজা জব্দ করে। শেষে আটককৃতদের লালপুর থানায় হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে পরিবেশবান্ধব মহাঔষুধি গাছ ‘ভেন্না’

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে পরিবেশবান্ধব মহাঔষুধি গাছ ‘ভেন্না’

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে পরিবেশবান্ধব মহাঔষুধি গাছ ‘ভেন্না’

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে পরিবেশবান্ধব, মহাঔষুধি ‘ভেন্না’ গাছ। সংরক্ষণের অভাব, গুণ না জেনে কেটে ফেলা, অসচেতনতাসহ বিভিন্ন কারণে হারিয়ে যাচ্ছে ভেন্না গাছটি। কাঁটা অংশ জোড়া লাগা, মুখের রুচি বাড়ানো, চুলপড়া রোধ, বাত ব্যথা, ক্ষত সারাসহ মাড়ির যে কোন সমস্যায় ভেন্না গাছ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এর বীজ থেকে উৎপাদিত তেলেও রয়েছে জাদুকরী ঔষধি ক্ষমতা। বহু গুণে গুণান্বিত এই ভেন্না রাস্তার আশেপাশে, বন-জঙ্গলে, বাড়ির আনাচে-কানাচে দেখতে পাওয়া যেত। ক্ষেত-খামারের বেড়া তৈরিতে এই গাছ বেশি লাগানো হয়। এর ডাল দাঁতের মাজন হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এছাড়া ভেন্নার আঠা থেকে এক ধরনের বুদবুদ তৈরী হয় যা নিয়ে বাচ্চারা আগে খেলা করত। ভেন্না গাছ ১০-১৫ ফুট পর্যন্ত উঁচু হয়ে থাকে। গাছের কাণ্ডের ভেতরটা সাধারণত ফাঁপা। বর্ষাকালে ভেন্নার চারা গজায়। প্রতিবছর হেমন্ত ও শীতকালে ভেন্নার ফুল ও ফল হয়। সবুজ ফলের গায়ে নরম কাটাও থাকে।’ তবে এটি ভেন্না বা ভেরেন্ডা গাছ নামে অধিক পরচিত। উইকিপিডিয়ার থেকে জানা যায়, ‘ভেন্না বা রেড়ি গুল্ম প্রকৃতির বহুবর্ষজীবী এক ধরনের কাষ্ঠল উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Ricinus communis. এর পাতা দেখতে অনেকটা পেঁপে বা পান পাতার মতো। ভেন্না সাদা, লাল ও কালো এই তিন প্রজাতির হয়ে থাকে। পারিবারিক ওষুধের চাহিদা অনেকাংশে মিটিয়ে থাকে এই ভেন্না। সংরক্ষণের অভাবে পরিবেশ থেকে ওষুধি বৃক্ষ ভেন্না দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মহাওষুধি ভেন্না গাছ সংরক্ষণ করা খুবই জরুরি। বিনা খরচে পতিত জমিতে ভেন্না চাষ করাও সম্ভব। জানা যায়, ভেন্নার বীজ থেকে এক ধরনের তেল তৈরি হয়। যার নাম কাস্টার্ড ওয়েল নামেও অনেকের নিকট পরিচিত। আড়াই কেজি ভেন্নার ফল থেকে এক কেজি তেল পাওয়া যায়। একজন আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জানান, মেয়েরা এই তেল মাথায় মাখে। মাথার তালু ঠাণ্ডা থাকে। শরীরের বিভিন্ন কালো দাগ, মেছতা ও পোড়া দাগ দূর এবং রক্ত আমাশয় রোগিকে এর আঠা খাওয়ালে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠে। বুকের ব্যথা ও বাত ব্যথায় এই তেল মালিশ করলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। একে গরিবের তেলও বলা হত। স্থানীয় মানুষ ও কবিরাজরা জানান, মহাগুণে গুণান্বিত এই ভেরন্ডা গাছ সংরক্ষণ করা খুব জরুরি। আগে সর্বত্র পাওয়া গেলেও এখন তেমন চোখে পড়ে না। পতিত জমিতে এই গাছ লাগিয়েও সংরক্ষণ করা যায়।

  • যুবদল নেতা হত্যা মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে সুব্রত বাইন

    যুবদল নেতা হত্যা মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে সুব্রত বাইন

    যুবদল নেতা হত্যা মামলায় ৭ দিনের রিমান্ডে সুব্রত বাইন

    যুবদল নেতা আরিফ হত্যাকান্ডে রাজধানীর হাতিরঝিল থানার মামলায় সুব্রত বাইন ওরফে ফতেহ আলীর ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল ওয়াহাব এ আদেশ দেন। বুধবার (৯ জুলাই) দুপুরে সুব্রত বাইনকে আদালতে হাজির করে দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম।
    এরপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। আর আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড নামঞ্জুর ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক মো. আবদুল ওয়াহাব তার ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ২৩ জুন তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মঞ্জুর করে সুব্রত বাইনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখান আদালত। ওইদিন সুব্রত বাইনকে কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি আদালতে উপস্থিত দেখিয়ে গ্রেপ্তারের বিষয়ে শুনানি করা হয়। মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল রাতে রাজধানীর হাতিরঝিলের নয়াটোলা মোড়ল গলির ‘দি ঝিল ক্যাফে’র সামনে যুবদল নেতা মো. আরিফ সিকদারকে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ এপ্রিল মৃত্যু হয় তার। নিহত আরিফ সিকদার ঢাকা মহানগর উত্তরের ৩৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক। এ ঘটনায় নিহত আরিফের বোন রিমা আক্তার বাদী হয়ে সুব্রত বাইনের সহযোগী মাহফুজুর রহমান বিপুসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ তদন্ত করছে। মামলার অপর আসামিরা হচ্ছে, মো. ইয়াছিন (১৯), মো. আসিফ হোসেন (২১), মো. অনিক (১৯), মো. মিরাজ (১৯), মো. আশিক (১৯), মো. ইফতি (২৪), জাফর ইমাম তরফদার মন্টু (৪০), রতন শেখ (৪৫) ও আলিফ (১৯)। গত ২৭ মে সুব্রত বাইন ও তার সহযোগী মোল্লা মাসুদসহ চারজনকে কুষ্টিয়ার একটি বাড়ি থেকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী। পরদিন হাতিরঝিল থানার অস্ত্র আইনের মামলায় সুব্রত বাইনকে আট দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়।

  • প্রধান উপদেষ্টার সাথে ভুটানের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    প্রধান উপদেষ্টার সাথে ভুটানের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    প্রধান উপদেষ্টার সাথে ভুটানের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ভুটানের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ড্যাশো কার্মা হামু দর্জি। বুধবার (৯ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ হয়। এসময় ড. ইউনূস ভুটানকে বাংলাদেশের প্রদত্ত বিদ্যমান সব অবকাঠামোগত সুবিধা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। ভুটান ও বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহাসিক সম্পর্ক এবং বিদ্যমান চমৎকার সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত দর্জি বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক ভুটানকে বিশেষ করে চিকিৎসা, শিক্ষা এবং বাংলাদেশে একটি ভুটানি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশে ভুটানের সম্পৃক্ততা আরও গভীর করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে রাষ্ট্রদূত দর্জি প্রধান উপদেষ্টার প্রতি ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন। মানবিক সম্পর্ক জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, উভয় দেশের তরুণ প্রজন্মের একে অপরের দেশ সফরের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করা এবং পারস্পরিক বন্ধন দৃঢ় করা উচিত। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সার্কের চেতনা বজায় রাখতে এবং এগিয়ে নিতে চায়। এসময় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে স্বাগত জানান ও তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সেই সঙ্গে তার মেয়াদকালে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • চীন সফরে যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল

    চীন সফরে যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল

    চীন সফরে যাচ্ছে জামায়াতের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল

    চীন সরকারের আমন্ত্রণে উচ্চপর্যায়ের সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি প্রতিনিধিদল। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আগামী ১১ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত চীন সফর করবে। বুধবার (৯ জুলাই) জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ঢাকাস্থ চায়না দূতাবাসে জামায়াত নেতাদের সম্মানে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চীনা কর্তৃপক্ষ। সেখানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সংবর্ধনায় জামায়াতের আমির ছাড়াও অংশ নেন, নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুম, মাওলানা আবদুল হালিম, মাওলানা মুহাম্মাদ শাহজাহান ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন ও মোবারক হোসাইন, শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি ডা. আনোয়ারুল আজিম, আমিরে জামায়াতের পিএস নজরুল ইসলাম, ওমর হাসিব শফিউল্লাহ ও নওশাদ আলী ফরহাদ প্রমুখ। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই সফরকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বলে আখ্যা দিয়ে বলেন, সফরে চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে আলোচনা হবে, যা ‘জামায়াত এবং বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ’। এটা দল হিসেবে জামায়াত ইসলামীর দ্বিতীয় চীন সফর বলে জানান গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, চীনের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিকে কেন্দ্র করে চীন সরকার জামায়াতের এই প্রতিনিধি দলকে আমন্ত্রণ জনিয়েছে। এর আগে গত বছরের সেটেম্বরে জামায়াতে ইসলামী, ছাত্রশিবিরের ১০ জন নেতাসহ আরও ৪টি ইসলামী দলের একটি প্রতিনিধিদল চীন সফরে করেন। ১৪ সদস্যের এই দলের নেতৃত্ব দেবেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। এদিকে, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে গত মাসে বিএনপির একটি বৃহৎ প্রতিনিধি দল দেশটি সফর করে। চলতি বছরের শুরুতে বিএনপির আরও দুটি প্রতিনিধি দল চীন সফর করে।

  • দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিনের চাকরি ফেরত দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

    দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিনের চাকরি ফেরত দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

    দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিনের চাকরি ফেরত দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

    দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা মো. শরীফ উদ্দিনকে ৩০ দিনের মধ্যে তাঁর চাকরি ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত তাঁকে কাজে যোগদানের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি তাঁর সকল পাওনা বেতন ও সুযোগ-সুবিধা ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার (৯ জুলাই) বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শরীফ উদ্দিনের করা রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এই রায় দেন। শরীফ উদ্দিনের আইনজীবী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান দোলন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, চট্টগ্রামের একটি প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে অর্থ আত্মসাৎ ও রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় বিষয়ে ২০২২ সালে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর থেকেই শরীফকে দুদক নানাভাবে হয়রানি করে। একাধিকবার তাঁকে শোকজ করা হয় এবং পরবর্তীতে চাকরিচ্যুত করা হয়। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন। রায়ের প্রতিক্রিয়ায় শরীফ উদ্দিন বলেন, সাড়ে তিন বছরের আইনি লড়াইয়ের পর চাকরি ফিরে পেয়ে তাঁর সব কষ্ট দূর হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, শরীফ উদ্দিন ২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি দুদক থেকে বরখাস্ত হয়েছিলেন। তিনি ২০১৪ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয়ে কর্মরত অবস্থায় তিনি বিভিন্ন অভিযোগের তদন্ত চালিয়ে আলোচিত হয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁকে পটুয়াখালীতে বদলি করা হয় এবং পরে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। চাকরি ফিরে পেতে তিনি গত বছরের ৭ আগস্ট দুদকের সচিবের কাছে আবেদন করেছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়ার হানা ॥ ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৫২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়ার হানা ॥ ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৫২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়ার হানা ॥ ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৫২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গরমের তীব্রতা আর বিশুদ্ধ পানির সংকটে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫২ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে ৪৫ জন রোগী ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরলেও বর্তমানে ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪০ জন। গতকাল (মঙ্গলবার) এর সংখ্যা ছিল ৩৩ জন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলমান তাপপ্রবাহ, দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে নতুন রোগী। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় কর্তৃপক্ষ ডায়রিয়া ওয়ার্ডে প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন এবং চিকিৎসক-নার্সের প্রস্তুতি বাড়িয়েছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) বলেন, “রোগীদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ। তাদের দ্রুত সেবা দিতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তবে সচেতন না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।” চিকিৎসকদের জরুরি পরামর্শ–ফুটানো বা বিশুদ্ধ পানি পান করুন, খোলা ও বাসি খাবার থেকে বিরত থাকুন, বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন, ডায়রিয়ার উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে হাসপাতালে আসুন। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, “সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও মোবাইল টিম গঠন করা হয়েছে।” স্থানীয়দের দাবি, শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে সুপেয় পানির ব্যবস্থা ও চিকিৎসা শিবির চালু করা দরকার। সার্বিকভাবে জেলার মানুষ সতর্ক ও সচেতন না হলে এ রোগ আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

  • সহায়তার টাকা না পেয়ে জুলাই ফাউন্ডেশনের অফিসে ভাঙচুর

    সহায়তার টাকা না পেয়ে জুলাই ফাউন্ডেশনের অফিসে ভাঙচুর

    সহায়তার টাকা না পেয়ে জুলাই ফাউন্ডেশনের অফিসে ভাঙচুর

    অর্থ সহায়তা না পেয়ে রাজধানীর শাহবাগে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের অফিসে ভাঙচুর করেছেন জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের কয়েকজন। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যার পর ২০ থেকে ২৫ জন জুলাই যোদ্ধা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত এই দপ্তরে প্রথমে তালা লাগান। পরে ফাউন্ডেশনের কর্মচারীদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সেখানে ভাঙচুর করেন তারা। জানা গেছে, দ্বিতীয় ধাপের সহায়তা পাওয়ার আশায় দুপুরের পর থেকে আহতরা ফাউন্ডেশনের সামনে জড়ো হন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর সন্ধ্যায় ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কামাল আকবর জানিয়ে দেন, আজ সহায়তা দেওয়া সম্ভব নয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রায় ২০-২৫ জন আহত ব্যক্তি প্রথমে অফিসে তালা লাগান, পরে এক কর্মচারীর ‘অশোভন আচরণে’ উত্তেজিত হয়ে ভাঙচুর করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনেকগুলো চেয়ার এলোমেলো পড়ে আছে। পানির ফিল্টার ও তিনটি দরজার গ্লাস ভেঙে ফেলা হয়েছে। মেঝেতে কাচের টুকরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। জুলাই যোদ্ধা মামুন হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই ফাউন্ডেশনের এক কর্মী তাদের ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়ার কথা বললে সবাই ক্ষুব্ধ হয়ে ফাউন্ডেশনের অফিসে ভাঙচুর চালান। আগে তো জুলাই ফাউন্ডেশন ছিল না। আমাদের আহতদের জন্য এই জুলাই ফাউন্ডেশন। আমরা আহতরা চিকিৎসার অর্থের জন্য এখানে আবেদন করি। কিন্তু এখানে আসার পর আমাদের বারবার টাকা দেয়া হবে বলে ঘোরানো হয়। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, আমার মাথার ভেতরে গুলি, ১১ মাস যাবত চিকিৎসাধীন। আমাদের জীবনের নিশ্চয়তা কী? আজকে সাধারণ একটা বিষয় নিয়ে পুলিশ আমাদেরকে মেরেছে, জুলাই ফাউন্ডেশনে ফোন দেয়া হয়েছে, তখন এখান থেকে কেউ যায়নি। তো কিসের জুলাই ফাউন্ডেশন? এ বিষয়ে ফাউন্ডেশনের সিইও কামাল আকবর গণমাধ্যমকে বলেন, ওনাদের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা যে জায়গা, সেটি পূরণ করা কষ্টকর। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহতদের প্রথম ধাপে টাকা দেয়া হয়েছে। যারা এখনো গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন, তাদের মধ্যে ৮০৬ জনকে দ্বিতীয় ধাপের টাকা দেয়া হয়েছে। বাকিদেরকেও ধাপে ধাপে দেয়া হবে। আমরা চেষ্টা করছি দ্রুত সমাধান করার। এঘটনার পর কামাল আকবরের সাথে আলোচনায় বসেন আহতরা। আলোচনায় আগামী রবিবার টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কামাল আকবর।