Blog

  • গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেনির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ॥ বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

    গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেনির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ॥ বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

    গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেনির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ॥ বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেনির এক শিক্ষার্থী (১৫) কে ধর্ষণ এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী জিহাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিচার ও ফাঁসির দাবিতে দামগাছা গ্রামবাসির আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুরে ডাকুমারা বাজারে এ মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন আনিছার বাবা আনিছুর রহমান মা রুপতারা বেগম, মামা সিমারুল ইসলাম, এলাকাবাসীর পক্ষে ফরহাদ হোসেন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের পচারিয়া গ্রামের জুয়েলের পুত্র জিহাদ (১৮) পচারিয়া স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আনিছা খাতুনকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে অন্তঃসত্বা করে। এরপর আনিছা বার বার বিয়ের কথা বললে জিহাদ এড়িয়ে যায় এবং তার বাবা জুয়েল ও মা ডলি বেগমের পরামর্শে নানা ভাবে অন্তসত্বা আনিছাকে গালিগালি সহ তাকে আত্নহত্যা করতে বলে। বাধ্য হয়ে আনিছা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করে। এলাকাবাসী এ ঘটনায় জিহাদ ও তার বাব-মাকে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে ফাঁসির দাবী জানান। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মানববন্ধনে এলাকা শিক্ষার্থী, নারী-পুরুষ, আনিছার স্বজননা অংশ গ্রহণ করে। উল্লেখ্য, উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের দামগাছা গ্রামের আনিছুরের কন্যা ও পচারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আনিছা খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ গত ৪ জুলাই তার শয়নঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

  • নজিপুর পৌর বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলে সম্পাদক প্রার্থী শাহীন

    নজিপুর পৌর বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলে সম্পাদক প্রার্থী শাহীন

    নজিপুর পৌর বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলে সম্পাদক প্রার্থী শাহীন

    নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌর বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলে সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী হয়েছেন মোঃ বায়েজীদ রায়হান শাহীন। আগামী ২০ জুলাই/২৫ নজিপুর পাবলিক মাঠে পৌর বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। কাউন্সিলকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটারসহ যাবতীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেয়ে গেছে মোঃ বায়েজীদ রায়হান শাহিনের নাম। প্রত্যেকেই তার ফেসবুক আইডি থেকে বায়েজীদ রায়হান শাহীন পক্ষে নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন। নজিপুরের বিভিন্ন চায়ের স্টলে ঘুরে দেখা যায়, সর্বত্র এখন পৌর বিএনপি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ বায়েজিদ রায়হান শাহিনের নাম আলোচনায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন বিএনপির কর্মী বলেন, মোঃ বায়েজীদ রায়হান শাহীন বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে সবচাইতে বেশি নির্যাতন, নিপীড়ন, মামলা হামলার শিকার হয়েছেন। বিপদে আপদে সব সময় আমাদের পাশে থেকেছেন, তাই আমরা তাকেই পৌর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করব। সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ বায়েজীদ রায়হান শাহীন বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল, এই নির্বাচন তার প্রমাণ। নেতা কর্মীরা প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে তাদের নেতা নির্বাচনের সুযোগ পাচ্ছেন। আমি জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। তিনি বলেন, সব সময় বিএনপি ও অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশে ছিলাম, আগামীতেও দলের সকল নেতা-কর্মীরা পাশে থেকে দলকে এগিয়ে নিতে আজীবন কাজ করে যাবো ইনশাল্লাহ।

  • গোবিন্দগঞ্জে প্রস্তাবতি ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবীতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ

    গোবিন্দগঞ্জে প্রস্তাবতি ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবীতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ

    গোবিন্দগঞ্জে প্রস্তাবতি ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবীতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে প্রস্তাবিত ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবীতে প্রায় ২ঘন্টা ঢাকা-রংপুর অবরোধ করে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে গোবিন্দগঞ্জের সাঁওতাল আদিবাসি ও সর্বস্তরের বাঙ্গালি জনতা। বৃহস্পতিবার দুপুরে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই কর্মসূচী পালন করে। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে। এসময় ইপিজেড বাস্তবায়নের পক্ষে বক্তব্য রাখেন এম এ মতিন মোল্লা, জাহাঙ্গীর আলম, ডা: শুভ, আকরাম হোসেন রাজু, মাকসুদ। এদিকে, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদ ঘটনাস্থলে এসে আশ^াস দিলে বিক্ষোভকারীরা প্রায় ২ঘন্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এসময় উপজলো নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।

  • নাচোলে সাংবাদিক ও সুধীজনদের সাথে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময়

    নাচোলে সাংবাদিক ও সুধীজনদের সাথে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময়

    নাচোলে সাংবাদিক ও সুধীজনদের সাথে নবাগত ইউএনও’র মতবিনিময়

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন নাচোল উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় করছেন। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা করেন। মতবিনিময়কালে নাচোলের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়া। উপস্থিত সকলে ইলামিত্রের বরেন্দ্র ভূমিকে এগিয়ে নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়াও কৃষিনির্ভর খাদ্য উদ্বৃত্ত্ব নাচোলে কৃষি পণ্য উৎপন্ন, বিপনন ও ন্যয্যমূল্য পাওয়ার জন্য ইউএনও’র সহযোগিতা কামনা করেন। সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার অত্র উপজেলাকে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • গোবিন্দগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ট্যাফেন্টাডল ও অস্ত্রসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    গোবিন্দগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ট্যাফেন্টাডল ও অস্ত্রসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    গোবিন্দগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ট্যাফেন্টাডল ও অস্ত্রসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের মালমঞ্চা গ্রামে যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযানে ১৮০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ট্যাফেন্টাডল, ৬টি দেশীয় অস্ত্র, ২টি মোবাইল ফোন এবং একটি পাঁচশ টাকার জাল নোটসহ একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। দিবাগত রাতে গাইবান্ধা সেনা ক্যাম্পের মেজর ইনজামামুল আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানটি চলে পুরো রাতজুড়ে। অভিযানে আটক হন আব্দুল মজিদের ছেলে বাহাদুর সরকার, যিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। অভিযানকালে উদ্ধারকৃত মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়। সেনাবাহিনীর এই সফল অভিযান এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন। গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি বুলবুল ইসলাম জানান, আটককৃত বাহাদুর সরকারের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • পাবনায় বিএনপির সদস্য সচিবসহ ১০ নেতা বহিষ্কার

    পাবনায় বিএনপির সদস্য সচিবসহ ১০ নেতা বহিষ্কার

    পাবনায় বিএনপির সদস্য সচিবসহ ১০ নেতা বহিষ্কার

    পাবনার সুজানগরে মোবাইলে কথা বলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে ১৫ জন আহতের ঘটনায় গুরুতর আহত উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ সহ ১০ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) রাতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সাক্ষরিত এক প্রেসনোটের মাধ্যমে বহিষ্কার করা হয়। শুক্রবার (১১ জুলাই) দুপুরে সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক তৌফিক হাসান আলহাজ্ব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বহিস্কৃতরা হলেন-সুজানগর উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব রউফ শেখ (৫২), ছাত্রদল নেতা শেখ কাউছার (২৮), যুবদল নেতা মনজেদ শেখ (৪৫), সুজানগর পৌর বিএনপি’র ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মজিবর খা (৬০), সুজানগর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য কামাল শেখ (৪৬), পৌর যুবদল সদস্য মানিক খা (৩৮), সুজানগর এনএ কলেজ শাখার সভাপতি শাকিল খা (২৫), সুজানগর পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের সিনিয়র সহ-সভাপতি রুহুল খা (৪০), বিএনপি কর্মী লেবু খা (৬০) যুবদল কর্মী হালিম শেখ (৪০)। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পাবনা জেলাধীন সুজানগরে রক্তাক্ত সংঘাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এ সকল নেতাকর্মীকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। এছাড়া সুজানগরের রক্তাক্ত সংঘাতের ঘটনায় মোলায়েম খা ও সুরুজসহ আরও যারা জড়িত ছিল তারা বিএনপি কিংবা এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেউ নয়। তাদের সাথে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোন সম্পর্ক নেই। এসব দুস্কৃতকারি সন্ত্রাসীদের সাথে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেউ যোগাযোগ বা সম্পর্ক রাখলে দল তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক তৌফিক হাসান আলহাজ্ব বলেন, বহিষ্কারের বিষয়টি কেন্দ্র করেছে। সুজানগর থানা পুলিশের ওসি মজিবর রহমান বলেন, এখনো মামলা হয়নি। কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি। গ্রেপ্তারও নেই। অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। উল্লেখ্য, ফোনে কথা বলাকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার (৮ জুলাই) সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মজিবর খাঁয়ের অনুসারী আশিকের ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রউফ শেখের ভাতিজা ছাত্রদল নেতা কাউছার ও তার অনুসারীরা। এরপর এ ঘটনা মীমাংসা হলেও বুধবার দুপুরে আশিককে সিনেমা হলের সামনে আবার ডাকে কাউছাররা। এ সময় কাউছারদের সঙ্গে দেখা করতে আশিক তার চাচাতো ভাই ছাত্রদল নেতা সবুজকে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে কাইছার ও আশিকের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এ সময় সবুজ বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর ও ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে আশিক ও সবুজ তাদের অভিভাবক ও বিএনপি নেতাদের জানায়। এরপর মজিবর খা, লেবু খা, মানিক, সুরুজ সহ দলবদ্ধভাবে এসে কাউছারদের ওপর হামলা চালান। এ সময় আব্দুর রউফ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে থামাতে গেলে তাকেও কুপিয়ে ও মারধর করে আহত করা হয়। এ সময় গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে। আহত উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিবকে মুমূর্ষ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

  • সিরাজগঞ্জে বাড়ছে যমুনার পানি ॥ দিশেহারা নদীপাড়ের বাসিন্দারা

    সিরাজগঞ্জে বাড়ছে যমুনার পানি ॥ দিশেহারা নদীপাড়ের বাসিন্দারা

    সিরাজগঞ্জে বাড়ছে যমুনার পানি ॥ দিশেহারা নদীপাড়ের বাসিন্দারা

    ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বেড়েই চলছে। এতে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ পড়েছে চরম বিপাকে। দ্রুত নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে চরাঞ্চলে দুর্ভোগে পড়েছে কৃষক, শ্রমিক ও হাট-বাজারে চলাচলকারী নিম্ন-আয়ের মানুষ। শুক্রবার পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা হার্ড পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার ও কাজিপুর মেঘাই ঘাট পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ১৭২ ও কাজিপুর পয়েন্টে ১৯৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে, যমুনায় পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার অভ্যন্তরীণ নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সদর, কাজিপুর, চৌহালী, শাহজাদপুর ও বেলকুচি উপজেলার নিম্নাঞ্চলের সবজি ক্ষেতে পানি উঠে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। এর প্রভাবে শহর ও গ্রামাঞ্চলের প্রতিটি হাটবাজারে কাঁচা সবজির দাম প্রতিদিন বাড়ছে। নদী ভাঙনের শঙ্কাও দেখা দিয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নদী পাড়ের সাধারণ মানুষেরা।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার পাঁচটি উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের প্রায় ২৫টি গ্রামে যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনের তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদীপাড়ের কয়েক হাজার মানুষ। নদী ভাঙনের উপজেলাগুলো হলো- সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর। ইতিমধ্যে এসব এলাকার বেশকিছু আবাদি জমি ও বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়া ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে নদী তীরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি। দিনভর বৃষ্টির কারণে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। নিম্ন আয়ের মানুষ নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, গত এক সপ্তাহে সদর উপজেলার ভাটপিয়ারি ও বাহুকা, কাজীপুর উপজেলার চরাঞ্চলের নিশ্চিন্তপুর, চরগিরিশ, খাসরাজবাড়ি ইউনিয়ন, চৌহালী উপজেলার খাসকাউলিয়া ইউনিয়নের জনতার স্কুল এলাকা, উমারপুর ইউনিয়ন, স্থল ইউনিয়নের তেঘরি, কুড়াগাছা, লাঙ্গলমুড়া, ছোট চৌহালী ও ঘোড়জান ইউনিয়নের ফুলহারা ও চালুহারা গ্রামে, শাহজাদপুর উপজেলার গালা ইউনিয়নের গোপালপুর, সোনাতনী ইউনিয়নের ধীতপুর, শ্রীপুর, কুরসি, মাকড়া, ভাটদিঘুলিয়া ও কৈজুরী ইউনিয়নের চর ঠুটিয়া গ্রাম এবং বেলকুচি উপজেলার বড়ধূল ও সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন এলাকার আখ, পাট, বাদাম, পটল, সবজি ক্ষেত ও কাউনসহ বহু ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের তাণ্ডবে কাজিপুর উপজেলার চরগিরিশ ইউনিয়নের ভেটুয়া গ্রামে অন্তত ১০০টি বসতবাড়ি ও শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের অন্তত ৫০টি বাড়ি যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়া কাজিপুর উপজেলার নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের ফুলজোড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরগিরিশ নিম্ন মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় ও ভেটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভাঙনের মুখে পড়েছে। চৌহালী উপজেলার স্থল ইউনিয়নের তেঘরি এলাকার মানুষ ভাঙন রোধে গত ৬ জুলাই নদী তীরে মানববন্ধন করেছেন।
    সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান প্রতিবেদককে জানান, নদীতে পানি বাড়ার কারণে প্রবল স্রোত বইছে। এ কারণে নদী তীরের বেশ কিছু স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সদর উপজেলার ভাটপিয়ারী ও বাহুকা এলাকায় জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া নদী তীরে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নদীতে পানি বাড়লেও এই মুহূর্তে ব্যাপকভাবে বন্যার আশঙ্কা নেই। আশা করছি, পানি বাড়ার হার ধীরে ধীরে কমবে, কারণ উজানের দিকে পানি নেমে যাচ্ছে।

  • ফিরে দেখা ১১ জুলাই/২০০৬ ॥ এখনো নির্মিত হয়নি কোন স্মৃতিফলক

    ফিরে দেখা ১১ জুলাই/২০০৬ ॥ এখনো নির্মিত হয়নি কোন স্মৃতিফলক

    ফিরে দেখা ১১ জুলাই/২০০৬ ॥ এখনো নির্মিত হয়নি কোন স্মৃতিফলক

    জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় ২০০৬ সালের ১১ জুলাই ট্রেনের ধাক্কায় বাসের ৩৫ জন যাত্রী নিহত হন। এতে আহত হয়েছিলেন আরও ৩০ জন। সেদিন ছিলো সকাল থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, ওই দিন সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আক্কেলপুর উপজেলার আমুট্ট রেলক্রসিংয়ে এ ঘটনা ঘটে। অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হচ্ছিল যাত্রীবাহী বাসটি। রেললাইনের ওপরই হঠাৎ বাসের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এর মধ্যেই খুলনা গামী রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেন এগিয়ে আসে। চোখের নিমিষে লন্ডভন্ড হয়ে যায় খেয়া পরিবহনের বাসটি। দূর্ঘটনাস্থলে মারা যায় ২৫ জন। আক্কেলপুর কলেজ মাঠে একসঙ্গে ১১ জনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আক্কেলপুর পৌরসভা সাত দিনের শোক ঘোষণা করে। কিন্তু, দীর্ঘদিন পার হলেও এখনো এই স্থানে কোনো স্মৃতিফলক নির্মিত হয়নি। এমন স্মরনীয় ঘটনার সৃতি ধরে রাখতে স্মৃতিফলক নির্মান প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহল।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার্ভিসিং সেন্টারে ব্যক্তিগত ছবি নিয়ে ব্ল্যাকমেইল ॥ আটক-১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার্ভিসিং সেন্টারে ব্যক্তিগত ছবি নিয়ে ব্ল্যাকমেইল ॥ আটক-১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে সার্ভিসিং সেন্টারে ব্যক্তিগত ছবি নিয়ে ব্ল্যাকমেইল ॥ আটক-১

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোবাইল সার্ভিসিং করতে দেয়া কাস্টমারের মোবাইলের ছবি হাতিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে সাব্বির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় চাঁপাইনববাগঞ্জ পৌর এলাকার আলীনগর-বিদিরপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সাব্বির হোসেন (৩২) ওই এলাকারই মিল্কি মহল্লার মোজাম্মেল হকের ছেলে। তার মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান আছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাব্বিরের দোকানে এক ব্যক্তি মোবাইল মেরামত করতে দেন। এই সুযোগে সাব্বির হোসেন ওই মোবাইলটির সব ছবি হাতিয়ে নেয়। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম-ফেসবুকে ওই ব্যক্তির নামে ফেইক আইডি খুলে ওই ছবিগুলো ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় ওই ভুক্তভোগী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় অভিযোগ করেন। এরই প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেনকে আটক করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার এস.আই রাজু আহমেদ বলেন, থানায় একটি অভিযোগ হলে সাব্বির হোসেনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার দোকানে থাকা একটি কম্পিউটারও জব্দ করা হয়েছে। অভিযোগের ঘটনাটি যাচাই-বাছাইয় করা হচ্ছে। এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মতিউর রহমান বলেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে চৌডালায় মেম্বার এবাদুলের নেতৃত্বে নিরপরাধ মানুষকে আটকে চাঁদাবাজি!

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে চৌডালায় মেম্বার এবাদুলের নেতৃত্বে নিরপরাধ মানুষকে আটকে চাঁদাবাজি!

    ‘ইউনিয়ন পরিষদে টর্চার সেল!’চেয়ারম্যানের নীরবতা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে চৌডালায় মেম্বার এবাদুলের নেতৃত্বে নিরপরাধ মানুষকে আটকে চাঁদাবাজি!

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ০৭ নং চৌডালা ইউনিয়ন পরিষদ যেন ‘নির্যাতন সেল’! রাতের আঁধারে নিরপরাধ মানুষদের ধরে নিয়ে আটকে রেখে টাকা আদায়ের ঘটনায় গ্রামজুড়ে চলছে তীব্র ক্ষোভ। চৌডালা ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ এবাদুল হকের নেতৃত্বে গ্রাম পুলিশের সহায়তায় এ চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে, আর পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম কিবরিয়া হাবিব থাকছেন পুরোপুরি ‘নীরব দর্শক’। ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম ওরফে মংলু (৪৮) জানান, ৭ জুলাই দিবাগত রাতে তিনি নিজ বাড়ির সামনে বসে ছিলেন। বিদ্যুৎ না থাকায় ছিলেন খালি শরীরে। হঠাৎ চৌডালার গ্রাম পুলিশ দুরুল ও আরও কয়েকজন তাকে এবং অন্য কয়েকজনকে জোরপূর্বক ধরে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। ইউনিয়ন পরিষদে নেওয়ার পর সেখানে আগে থেকেই বসে থাকা ইউপি সদস্য এবাদুল হক সোজাসাপ্টা বলে বসেন, “তুই ছাড়া পেতে চাইলে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, না হলে সাইদুল ভাই (এএসআই) কে ডেকে চালান করে দেব।

    ” জবাব চাইতেই হুমকি, গালিগালাজ আর দরজায় তালা, শুরু হয় গণগ্রেফতারের মতো এক নাটকীয় মধ্যরাত। ভুক্তভোগীর শ্যালক ফারিকুল জানান, খবর পেয়ে তিনি স্থানীয়দের ডেকে পরিষদে গেলে তাকেও আটকে রাখা হয়। এবাদুলের নির্দেশে ইউনিয়ন পরিষদের দরজায় তালা লাগিয়ে প্রায় ২০ জন মানুষকে বন্দী করা হয় রাতভর। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শেষে চাঁদা আদায়ের পথেই বের হয় ‘সমাধান’। ফারিকুল বলেন, “মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে আমাদের কাছ থেকে রাতেই ধার করে ২০ হাজার টাকা আদায় করা হয়।” স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল মালেক বলেন, “মেম্বার এবাদুল ও গ্রাম পুলিশদের হাতে এটা একটা সুপরিকল্পিত হয়রানি ও চাঁদাবাজি। আমি পরিষদে গিয়ে নিজেই দেখেছি টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।”
    এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য এবাদুল হক এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, জুয়া খেলার অপরাধে তাদেরকে আটক করে নিয়ে আসা হয় পরিষদে। পুলিশে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল এমতাবস্থায় আটক ব্যক্তিদের আত্মীয়-স্বজন এসে অনুরোধ করলে “গ্রাম পুলিশ কিছু খরচের টাকা চাইছিল, আমি ম্যানেজ করে দিয়েছি।” পরিষদের কক্ষ থেকে আটক হওয়া ব্যক্তিদের তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হয়। চৌডালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম কিবরিয়া হাবিব বলেন, “ঘটনার বিষয়ে কিছুই জানি না।” তবে গত ৯ জুলাই (বুধবার) ইউ.পি সদস্য এবাদুল আমাকে জানিয়েছেন।

    ইউনিয়ন পরিষদ জনগণের সেবার জায়গা, অথচ সেটাকে টর্চার সেল হিসাবে ব্যবহার করা এবং সেখানে নিরীহ মানুষকে ধরে নিয়ে এসে পরিষদের কক্ষে আটক রেখে পুলিশের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করা হয়? এ বিষয়ে জানতে চেয়ারম্যান বলেন, ইতি পূর্বে এমন ঘটনা ঘটনি, তবে আপনার মাধ্যমে জানলাম, বিষয়টা নিয়ে আমি আলোচনা করব। এই বক্তব্যে আরও ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা। তারা বলছেন, “চেয়ারম্যান কীভাবে দায়িত্ব এড়িয়ে যান? তার ইউনিয়ন পরিষদই তো হয়ে উঠেছে টর্চার সেল!” অথচ চেয়ারম্যান নিজে জানে না! সচেতন মহলের দাবি জনপ্রতিনিধির নামে পরিষদের দায়িত্বের অবহেলা করে নিরপরাধ মানুষকে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে ধরে এনে জুয়া খেলার অপবাদ দিয়ে চাঁদা আদায় করা এটাই কি জনপ্রতিনিধির নামে জনসেবা?। গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে যাদেরকে ধরে নিয়ে আসে, তারা যদি প্রকৃত আসলে জুয়া খেলার সাথে জড়িত থাকে, তাহলে থানা পুলিশের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে গভীর রাতে টাকার বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া টা কতটুকু যৌক্তিক?। বিষয়গুলো নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলেন স্থানীয়রা।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির মুন্সির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কোন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেননি, যদি করেন তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য এবাদুল হকের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও শালিসের নামে টাকা আদায়, এমনকি বিশেষ ক্ষমতা আইনে মাদক মামলায় আদালত কর্তৃক কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার তথ্য রয়েছে। এ ঘটনায় ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা বলছেন, “এটা যদি আজ মংলুর সঙ্গে হয়, কাল হতে পারে আমাদের কারও সঙ্গে। অবিলম্বে এই মেম্বার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।” জনগণের প্রশ্ন-জনপ্রতিনিধিরা যদি রাতের আঁধারে জুলুম চালায়, তবে মানুষ কোথায় যাবে? চেয়ারম্যান যদি চোখ বন্ধ করে থাকেন, তবে ইউনিয়ন পরিষদ কি তবে অপরাধীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল? এলাকাবাসীর দাবি-‘টর্চার সেলের’ এই চক্রকে ভেঙে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করা হোক।