Blog

  • এমপি রবিউল আউয়াল লাভলুর এপিএস নিযুক্ত হলেন মুশফিকুর রহমান সানী

    এমপি রবিউল আউয়াল লাভলুর এপিএস নিযুক্ত হলেন মুশফিকুর রহমান সানী

    এমপি রবিউল আউয়াল লাভলুর এপিএস নিযুক্ত হলেন মুশফিকুর রহমান সানী

    টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য মো. রবিউল আউয়াল লাভলু-এর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন তরুণ ও মেধাবী মুখ মো. মুশফিকুর রহমান সানী। সংসদ সদস্যের দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড এবং নাগরপুর-দেলদুয়ারের উন্নয়নমূলক কাজে গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। মো. সানী দীর্ঘদিন ধরে সংসদ সদস্যের সাথে একনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছেন এবং সাধারণ মানুষের সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। তার এই নতুন পথচলায় নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সাধারণ নাগরিকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। শুভেচ্ছা বার্তায় স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ জানান, “মো. মুশফিকুর রহমান সানী একজন কর্মঠ ও সৎ মানুষ। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি মাননীয় সংসদ সদস্যের সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন এবং এলাকার উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন। নিজের প্রতিক্রিয়ায় নবনিযুক্ত এপিএস মো. মুশফিকুর রহমান সানী বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য আমাকে যে বিশ্বাস ও আস্থা রেখে এই দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি তার মর্যাদা রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখাই আমার মূল লক্ষ্য।

  • সিসিক প্রশাসকের নির্দেশ ॥ অফিসে ঠিক সময়ে না এলে ব্যবস্থা

    সিসিক প্রশাসকের নির্দেশ ॥ অফিসে ঠিক সময়ে না এলে ব্যবস্থা

    সিসিক প্রশাসকের নির্দেশ ॥ অফিসে ঠিক সময়ে না এলে ব্যবস্থা

    সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহণের দ্বিতীয় দিনেই নগর ভবন পরিদর্শনে গিয়ে রাজস্ব ও প্রকৌশল শাখাসহ বিভিন্ন বিভাগে ঘুরে দেখেন এবং অনুপস্থিতদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেন।নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় নগরভবনে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় অফিস শুরুর নির্ধারিত সময়ে গিয়ে তিনি ‘বেশিরভাগ’ কর্মকর্তা ও কর্মীদের কর্মস্থলে পাননি। সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারসহ অন্যরা এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন। সরেজমিনে দেখা যায়, নবনিযুক্ত এই প্রশাসক প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে তাদের কার্যালয়ে পাননি। রাজস্ব শাখার ৬৯ জন কর্মচারীর মধ্যে মাত্র চার থেকে পাঁচ জন ‘ঠিক সময়ে’ অফিসে উপস্থিত হয়েছেন বলে তথ্য পান তিনি। অফিসে অনুপস্থিতির বিষয়ে দায়িত্বরত অন্যদের কাছে কৈফিয়ত চান তিনি এবং সময়মতো অফিসের কার্যক্রম শুরু করতে নির্দেশ দেন।বুধবার দুপুরে সিলেট সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। নগর ভবনের বিভিন্ন শাখা ঘুরে দেখার পর নবনিযুক্ত প্রশাসক কাইয়ুম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, “সরকারের নির্দেশ রয়েছে সকাল নয়টা থেকে অফিস করার জন্য। সবাইকে সরকারি নির্দেশনা মেনে অফিসে কাজ করতে হবে। ঠিক সময়ে উপস্থিত না হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারিদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন ॥আ’লীগ ৬-বিএনপি ৫-জামায়াত ২ পদে বিজয়ী

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন ॥আ’লীগ ৬-বিএনপি ৫-জামায়াত ২ পদে বিজয়ী

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচন ॥আ’লীগ ৬-বিএনপি ৫-জামায়াত ২ পদে বিজয়ী

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ পদে বিজয়ী হয়েছেন।নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ৬ জন, বিএনপির ৫ জন এবং জামায়াত এর ২ জন আইনজীবী নির্বাচিত হয়েছেন।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সমিতি ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মো. শামসুদ্দীন ফলাফল ঘোষণা করেন। মোট ২২৭ জন ভোটারের মধ্যে ২০৯ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।এবারের নির্বাচনে তিনটি প্যানেলে মোট ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (আবদুল ওদুদ-মাহমুদুল ইসলাম কনক) থেকে ১৩ জন, আওয়ামীলীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ প্যানেল (নজরুল-হাসিব) থেকে ১২ জন এবং জামায়াত সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী ঐক্য প্যানেল (মতিউর-তসিবুর) থেকে ১১ জন প্রার্থী অংশ নেন।নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতি পদে আবদুল ওদুদ নির্বাচিত হয়েছেন। সহ-সভাপতি হয়েছেন মিজানুর রহমান। সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন আসমাউল হুসনা তমা। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী ও মাইনুল ইসলাম অন্তর। আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে আবু হাসিব নির্বাচিত হয়েছেন। সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে তরিকুল ইসলাম আজিজি, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ফরহাদ হোসেন এবং অর্থ সম্পাদক পদে গোলাম মোরশেদ বিজয়ী হন। কার্যনির্বাহী সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন নিলুফার রহমান নীলু ও জাহাঙ্গীর আলম।অন্যদিকে, জামায়াত সমর্থিত প্যানেল থেকে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে শফিক এনায়েতুল্লাহ এবং গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে আবুল কালাম আজাদ নির্বাচিত হয়েছেন।

  • ভোলাহাটের আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে সহায়তায় এমপি মিজানুর

    ভোলাহাটের আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে সহায়তায় এমপি মিজানুর

    ভোলাহাটের আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারকে সহায়তায় এমপি মিজানুর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান ভোলাহাট উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের উল্লাডাঙ্গা গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে জিয়াউর রহমানের বাড়িতে মোবাইল চার্জার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের তরিকুল ইসলাম ও চান্দু বেগমের বাড়িতেও। এতে তিনটি পরিবারের বসতঘর, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাৎক্ষণিকভাবে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ে।খবর পেয়ে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন। তিনি তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন এবং দ্রুত পুনর্বাসনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।এ সময় তিনি বলেন, “দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যাতে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে, সে জন্য যা যা প্রয়োজন, তা করা হবে।”স্থানীয়রা জানান, আকস্মিক এ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।উল্লেখ্য, শীত ও শুষ্ক মৌসুমে অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট বা চার্জার বিস্ফোরণের মতো ঘটনায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

  • গোদাগাড়ীতে জিরা চাষে কৃষকের হাঁসি ॥ সফলতার আশা

    গোদাগাড়ীতে জিরা চাষে কৃষকের হাঁসি ॥ সফলতার আশা

    গোদাগাড়ীতে জিরা চাষে কৃষকের হাঁসি ॥ সফলতার আশা

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জিরা চাষে সফল কৃষক। গোদাগাড়ী উপজেলার সরমংলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে জিরা চাষ করতে দেখা গেছে। ফলনও হয়েছে বেশ।বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রগুলোতে বাংলাদেশে চাষ উপযোগী জিরার জাত উদ্ভাবনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা।বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে প্রাথমিকভাবে জিরা চাষ আরম্ভ করেছে। সে সাথে গোদাগাড়ীতেও পরীক্ষামুলকভাবে জিরা চাষ হচ্ছে। গোদাগাড়ী পৌরসভার সরমংলা ব্লকের মোঃ আলী চাঁদের ছেলে মামুন আলী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে বিনামূল্যে জিরা বীজ পেয়ে ১০ শতাংশ জমিতে জিরা চাষ করেছেন।উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ওবাইদুল্লাহ জিরার প্লটটি আমাদের ঘুরে দেখান, সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বারি জিরা-১ জাতের চারাগুলো বেশ সুন্দর ও হৃষ্টপুষ্ট হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে জিরা চাষের সফলতা আশা করছেন কৃষি অফিস।এ ব্যাপারে গোদাগাড়ী কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদ বলেন-“গোদাগাড়ীর মাটি ও আবহাওয়ায় জিরা চাষের যে সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে, তা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর উদ্যোগে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু হলেও ইতোমধ্যে কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র উদ্ভাবিত বারি জিরা-১ জাত মাঠপর্যায়ে ভালো বৃদ্ধি প্রদর্শন করছে।আমরা নিয়মিত তদারকি ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছি। সফলতা অব্যাহত থাকলে জিরা চাষ এ অঞ্চলে নতুন অর্থকরী ফসল হিসেবে কৃষকের আয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।”

  • ১৪ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু ১০ মার্চ

    ১৪ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু ১০ মার্চ

    ১৪ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু ১০ মার্চ

    আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ কথা জানান। প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি উপজেলায় একটি ইউনিয়নের একটি করে ওয়ার্ডের হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত নারীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ডের আওতায় প্রতি পরিবারকে মাসে দুই হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।মঙ্গলবার সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশের আলোকে আজ (গতকাল মঙ্গলবার) প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে পাইলটিংয়ের একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ ইনশাআল্লাহ প্রধানমন্ত্রী সেটি উদ্বোধন করবেন।আমরা এই মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন বিভাগ হিসাব করে ১৪টি উপজেলাকে চুজ করেছি। এই ১৪ উপজেলার মধ্য থেকে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডকে ‘ইউনিভার্সাল’ বা সর্বজনীন ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। ধারাবাহিকভাবে এ কাজ চলবে। আগামী প্রজন্ম এ থেকে স্বাবলম্বী হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।বাছাইপ্রক্রিয়া সম্পর্কে ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বাছাই করা হচ্ছে না। ইনফরমেশন কালেক্ট করা হচ্ছে প্রত্যেক ডোর-টু-ডোর স্টেপস অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে। কোনো অবস্থায়ই ঘরে বসে বাছাই হবে না। এতে কোনো গোয়েন্দা, দলীয় কোনো ধরনের ইনভলভমেন্ট নেই। এখানে প্রোগ্রামটা রাজনৈতিক, কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে সরকার।’

  • সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা

    সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা

    সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতে বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছিল। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে শহীদ সেনাদের কবরে শ্রদ্ধা জানিয়ে মির্জা ফখরুল এই মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, ২০০৯ সালের এই দিনে প্রায় ৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হত্যা করা হয়েছিল, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে লজ্জাজনক ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে পুরো দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভাঙার চেষ্টা করা হয়েছিল, পাশাপাশি সেনাবাহিনীর মনোবল ধ্বংসের উদ্দেশ্য ছিল।তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের গণতান্ত্রিক স্বার্থ রক্ষার জন্য জনগণ প্রতিরোধে এগিয়ে এসেছিল। বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা তাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি এই হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদর দফতর পিলখানায় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ১৩৯ জন সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৮৩ জনকে খালাস দেয়া হয়েছে। তবে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা এখনও বিচারাধীন। মামলায় প্রায় ১,২০০ সাক্ষীর মধ্যে ৩০২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

  • নিয়ামতপুরে হৃদপিণ্ডের ৫.৫ মিলিমিটার ছিদ্র ॥ বাঁচার আকুতি ফাতেমার

    নিয়ামতপুরে হৃদপিণ্ডের ৫.৫ মিলিমিটার ছিদ্র ॥ বাঁচার আকুতি ফাতেমার

    নিয়ামতপুরে হৃদপিণ্ডের ৫.৫ মিলিমিটার ছিদ্র ॥ বাঁচার আকুতি ফাতেমার

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে চার্জার চালিত অটো ভ্যান চালক মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর তিন বছরের শিশুকন্যা ফাতেমা খাতুন হৃদপিণ্ডের ৫.৫ মিলিমিটার ছিদ্র নিয়ে এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ফাতেমা অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। ফাতেমা খাতুন নিয়ামতপুর উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাত্র এক বছর বয়সে ফাতিমার হৃদরোগ ধরা পড়ে। তখনই চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। কিন্তু আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছলতা না হওয়ায় চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রোগটি গুরুতর আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও সংক্রমণসহ নানা জটিলতা নিয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছে ফাতেমা। চার্জার চালিত অটো ভ্যান চালিয়ে কোনমতে সংসার চালানো বাবার পক্ষে মেয়ের ব্যয়বহুল চিকিৎসা বহন করা সম্ভব নয়। অসহায় বাবা, মা মেয়েকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে হাত বাড়িয়েছেন। মোস্তাকুল আহমেদ রাজু বলেন, আমার তিন বছরের মেয়েটাকে বাঁচাতে চাই। ঢাকায় নিয়ে গিয়ে হার্টের ছিদ্র বন্ধ করতে হবে। বর্তমানে নিয়ামতপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ফাতেমা। মেয়ের চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। আপনারা সবাই একটু সাহায্য করলে হয়তো আমার মেয়ে নতুন জীবন ফিরে পাবে। সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে হাত বাড়িয়ে দিলাম, আপনারা এগিয়ে এলে আমার মেয়েকে বাঁচানো সম্ভব। ফাতেমার বাবা মোস্তাকুল আহমেদ যোগাযোগ: বিকাশ/নগদ ০১৭৩৮০৫৩৭৫৪। ডাচ বাংলা ব্যাংক, একাউন্ট নং-২০৭১৫৮০১২৪৫৭৮। নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ফয়সাল নাহিদ বলেন, দ্রুত উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সময়মতো চিকিৎসা পেলে ফাতিমার সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। হৃদপিণ্ডের ছিদ্র (যেমন অঝউ, ঠঝউ) একটি জন্মগত ত্রুটি যা সফল অপারেশনের মাধ্যমে পুরোপুরি ভালো করা সম্ভব।

  • নাগরপুর বটতলা-উপজেলা গেইট ॥সিএনজি ও অটোরিক্সার দখলে সড়ক

    নাগরপুর বটতলা-উপজেলা গেইট ॥সিএনজি ও অটোরিক্সার দখলে সড়ক

    ভোগান্তিতে যাত্রীরা-ভাড়ার সিন্ডিকেটে অতিষ্ট

    নাগরপুর বটতলা-উপজেলা গেইট ॥সিএনজি ও অটোরিক্সার দখলে সড়ক

    নাগরপুর বটতলা থেকে উপজেলা গেইট পর্যন্ত পুরো সড়কজুড়ে সিএনজি ও অটোরিকশার দখলে থাকায় সাধারণ মানুষের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভাড়ার সিন্ডিকেট। সন্ধ্যার পর ৭০ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা নেওয়া, যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে।এই সিন্ডিকেট থেকে মুক্তি পেতে এলাকাবাসী দ্রুত মিনি বাস চালুর জোরালো দাবি জানিয়েছেন। যাতে সাধারণ মানুষ ন্যয্য ভাড়ায় নিরাপদে যাতায়াত করতে পারেন।একই সঙ্গে মনে রাখতে হবে, যান্ত্রিক যানবাহন (সিএনজি/অটোরিকশা) পার্কিং বা চলাচলের ক্ষেত্রে বৈধ কাগজপত্র না থাকলে প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এ বিষয়কে কেন্দ্র করে মব তৈরি বা অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। শৃঙ্খলাপূর্ণ সড়ক, ন্যায্য ভাড়া এবং জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান, এটাই এখন নাগরপুরবাসীর দাবি।

  • নাগরপুরে মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    নাগরপুরে মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    নাগরপুরে মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

    পবিত্র রমজান উপলক্ষে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে অসচ্ছল রোগী ও দুঃস্থ পরিবারগুলোর মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয় সামাজিক ও চিকিৎসাসেবা মূলক প্রতিষ্ঠান ‘মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র’-এর উদ্যোগে এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।গত শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত নাগরপুর বাজারের মেইন রোডস্থ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কার্যালয়ে এই বিতরণ কার্যক্রম চলে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অসহায় মানুষের হাতে ইফতার সামগ্রী তুলে দেন প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. এম. এ. মান্নান।ইফতার বিতরণকালে ডা. এম. এ. মান্নান বলেন, রমজান হচ্ছে সংযম ও সহমর্মিতার মাস। সমাজের বিত্তবানদের উচিত এই পবিত্র মাসে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সেই সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমরা প্রতিবছরের ন্যায় এবারও আমাদের রোগী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে সামান্য ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি।বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উপহার নিতে আসা সাধারণ মানুষ মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।উল্লেখ্য, মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে নাগরপুর এলাকায় স্বল্প খরচে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছে।