Blog

  • নাচোলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিষ্কার করলেন এমপি মিজানুর রহমান

    নাচোলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিষ্কার করলেন এমপি মিজানুর রহমান

    নাচোলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিষ্কার করলেন এমপি মিজানুর রহমান

    নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজ হাতে পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন করলেন ৪৪-চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান। সোমবার পৌর জামায়াতের আয়োজনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরের ফুলবাগান ও হাসপাতাল চত্বরে এ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করেন তিনি।এসময় উপজেলা জামায়াতের আমীর ইয়াকুব আলী, সেক্রেটারী মাওলানা মোবারক হোসেন, পৌর আমীর মনিরুল ইসলাম, নায়েবে আমীর ডাক্তার রফিকুল ইসলাম, পৌর সহ-সেক্রেটারী ইসমাইল হোসেন, নেজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল হক, ইউনিয়ন আমীর ওবাইদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত জামায়াতের নেতা-কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
    এসময় সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে পরিচ্ছন্ন সামগ্রী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করেন। এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের সাথে উপজেলা প্রশাসনের সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোলাম রব্বানি সরদারের সভাপতিত্বে মিনি কনফারেন্স কক্ষে মতবিনিময়কালে সহকারি কমিশনার(ভূমি) সুলতানা রাজিয়া, নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ আছলাম আলীসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য সকল কর্মকর্তাদেরকে প্রজাতন্ত্রের আন্তরিক সেবক ও মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান। এসময় তিনি রাস্তায় যানবাহন থেকে চাঁদাবাজদের চিহ্নিত করে তাদেরকে ওই পেশা থেকে ফিরিয়ে উত্তম পেশা গ্রহণে চেষ্টা করা ও এ এলাকায় রাসায়নিক সার সিন্ডিকেটের বিষয়ে সচেতন থাকতে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

  • নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষ ॥ বাবা-ছেলেসহ নিহত ৫

    নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষ ॥ বাবা-ছেলেসহ নিহত ৫

    নড়াইলে আধিপত্য বিস্তারে দু’পক্ষের সংঘর্ষ ॥ বাবা-ছেলেসহ নিহত ৫

    নড়াইল সদর উপজেলার সিংগোশোলপুর ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ মোট ৫ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার বড়কুলা গ্রামে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপ এবং খলিল গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের ও স্থানীয় খলিল শেখের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। নিহতরা হলেন— বড়কুলা গ্রামের খলিল গ্রুপের নেতা খলিল শেখ ও তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন শেখ এবং একই গ্রুপের ফেরদৌস হোসেন। এছাড়া প্রতিপক্ষ খায়ের গ্রুপের ওসিকুর মিয়াও এই সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খলিল গ্রুপের তিনজনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় খায়ের গ্রুপের ওসিকুরকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নড়াইলের পুলিশ সুপার মোঃ আল মামুন সিকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত অপরাধীদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। পুলিশ সুপার আরও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, অপরাধী যেই হোক না কেন, আইন অনুযায়ী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বর্তমানে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।

  • কালিয়ায় ভুয়া পশু চিকিৎসকের দৌরাত্ম্যে বাড়ছে ক্ষতির আশঙ্কা

    কালিয়ায় ভুয়া পশু চিকিৎসকের দৌরাত্ম্যে বাড়ছে ক্ষতির আশঙ্কা

    কালিয়ায় ভুয়া পশু চিকিৎসকের দৌরাত্ম্যে বাড়ছে ক্ষতির আশঙ্কা

    কালিয়ার বাবরা হাচলা ইউনিয়নে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ভুয়া পশু চিকিৎসকের সংখ্যা। গ্রাম-গঞ্জে সরকারি সেবা অপ্রতুলতার সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণির প্রতারক ব্যক্তি নিজেদের পশু চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে সাধারণ খামারি ও বিভিন্ন শ্রেণির পশু পালনকারীদের প্রতিনিয়ত প্রতারণা করছেন।
    তারা কেউ ‘এআই’’ প্রশিক্ষন, আবার কেউ যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ নিয়ে ‘ডাক্তার’ সেজে পশু চিকিৎসা দিচ্ছেন। এতে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন খামারি, ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণীর পশু পালনকারী, পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি এমনকি পরোক্ষভাবে মানুষও। সরজমিন জানা যায়, বাবরা হাচলা উইনিয়নে প্রায় ১০ জন নামধারী পশু চিকিৎসক রয়েছে। গৌরব ঘোষ, টিটব ঘোষ, তরুন ঘোষ, হরে কৃষ্ণ বিশ্বাস, বিধান ঘোষ, মহিময় ঘোষ, মাধব বিশ্বাস, কৃষ্ণ ঘোষ, অভীজিৎ ঘোষ, শুভাম ঘোষ। এদের অধিকাংশই নামসর্বস্ব কোনো প্রতিষ্ঠান কিংবা সংস্থা থেকে তিন/ছয় মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে ডাক্তার বনে গেছেন। ভুয়া চিকিৎসকদের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় আসল ও নকল চিনতে বিভ্রান্ত হচ্ছেন প্রান্তিক খামারি ও ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণির পশু পালনকারী। গবাদিপশুর সামান্য কিংবা জটিল সমস্যায় এদের শরণাপন্ন হলে তারা না বুঝেই অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন পুশ করে থাকেন। রোগ নির্ণয় না করেই চিকিৎসা দেওয়ার কারণে কখনও কখনও ছোটখাটো রোগ জটিল আকার ধারণ করে। এরপর তারা উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন বা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা দেন এমকি সেই চিকিৎসায় পশুর মৃত্যুর ঘটনা ও ঘটে। গৌরব ঘোষের ১টি ও টিটব ঘোষের ১টি করে মোট ২টি পশুর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়। তারা নামমাত্র অর্থের মাধ্যমে রফাদফা করে। কৃত্রিম বীর্যের জন্য এরা অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিয়োগ উঠে আসে। একাধিক খামারি ও বিভিন্ন শ্রেণির পশুপালনকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লাইসেন্স ছাড়া প্রতিটি বাজারে দু-একজন পশু চিকিৎসকের ওষুধের দোকান আছে। তারা ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পশু চিকিৎসা করেন। রোগ নির্ণয় না করেই চিকিৎসা দেওয়ায় সামান্য কিছু রোগ সারলেও অধিকাংশই জটিল হয়ে যায়। মাঝে মাঝে ভুল চিকিৎসায় পশুর মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। তখন তারা নানাভাবে শান্তনা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেন।
    প্রশাসনিকভাবে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এসব ভুয়া চিকিৎসকের দৌরাত্ম্য বেড়ে চলেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তাদের দাবি—খামারি ও বিভিন্ন শ্রেণি পশুপালনকারীদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষায় যত দ্রুত সম্ভব এসব ভুয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। হাট-বাজারের এসব ভুয়া চিকিৎসকদের ওষুধের দোকানেও অভিযান চালানোর দাবি জানানো হয়েছে। এ সকল ভুয়া পশু চিকিৎসক বলেন, গরু-ছাগলের চিকিৎসা দেই তবে জটিল কিছু দেখলে সিনিয়রদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে পরামর্শ নিই।” এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাডাঃ মোঃ আব্দুল মোমিন বলেন, যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ নিয়ে ডাক্তারি করতে পারবে না। এটা সম্পূর্ণ অপরাধ। এরক কেউ যদি করে থাকে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো। ‘’এআই’ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কৃত্রিম প্রজনন কর্মীরা প্রাথমিক চিকিৎসা করতে পরবে কিন্তু কেউ যদি প্রাথমিক চিকিৎসা বাদে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা অথবা এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে নিদিষ্ট অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ও আইনগত ব্যবস্থা নিবো। তারা আমাদের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা দেয় এ কথা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলোচনা সভা ও স্কাউটস ওন অনুষ্ঠিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলোচনা সভা ও স্কাউটস ওন অনুষ্ঠিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলোচনা সভা ও স্কাউটস ওন অনুষ্ঠিত

    বিপি দিবস উদযাপন উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলোচনা সভা ও স্কাউটস ওন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা স্কাউট ভবনের স্কাউটার গোলাম রশিদ মিলনায়তনে এ আয়োজন করে সদর উপজেলা স্কাউট। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা স্কাউট এর কমিশনার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইকরামুল হক নাহিদ। সদর উপজেলা স্কাউট এর সম্পাদক মোহাম্মদ মাইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো অতিথি ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা স্কাউটস এর সহকারী কমিশনার আশরাফুল আম্বিয়া সাগর, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মারুফুল হক, জেলা স্কাউটস লিডার খসরু পারভেজ, জেলা কাব লিডার রাকিব উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা স্কাউটস এর যুগ্ন সম্পাদক আবু সায়েম মোহাম্মদ গোলাম কবির, উপজেলা স্কাউট লিডার, গোলাম সারওয়ার, উপজেলা কাব লিডার গোলাম সাকলাইন। অনুষ্ঠানে আরো অংশ নেন, সহকারী লিডার ট্রেনার এ কে এম মাহফুজুর রহমান, মো বজলার রহমান রুবল, আবদুল হাই ফারুকি, আমিনুল ইসলামসহ অনান্যরা।

  • সকাল ৯টার মধ্যে কর্মকর্তারা অফিসে না আসলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

    সকাল ৯টার মধ্যে কর্মকর্তারা অফিসে না আসলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

    আইন ও বিচার বিভাগের আদেশ

    সকাল ৯টার মধ্যে কর্মকর্তারা অফিসে না আসলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

    অফিসে উপস্থিতি নিয়ে আইন ও বিচার বিভাগ থেকে নতুন অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। সোমবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের বিচার শাখা-৫ এর সিনিয়র সহকারী সচিব (প্রশাসন) কামরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
    অফিস আদেশে বলা হয়েছে, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯-এর বিধানসমূহের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক জানানো যাচ্ছে যে, উক্ত বিধিমালার অধীন নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিনা অনুমতিতে কর্মে অনুপস্থিতি, বিনা অনুমতিতে অফিস ত্যাগ, বিলম্বে অফিসে উপস্থিতি। এমতাবস্থায়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাপ্তরিক শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে নিম্নরূপ নির্দেশনা প্রদান করা হলো। সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে কর্মদিবসে সকাল ৯টার মধ্যে নিজ নিজ দপ্তরে উপস্থিত থাকতে হবে; অফিস সময় শেষ হওয়ার পূর্বে অর্থাৎ (পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে বিকেল ৩.৩০ মিনিট এবং রমজান পরবর্তী সময় বিকাল ৫টা) পূর্বে কেউ নিজ দপ্তর ত্যাগ করবে না; অফিস চলাকালীন দাপ্তরিক বা জরুরি প্রয়োজনে কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে নিজ অনুবিভাগের প্রধান (যুগ্মসচিব/সলিসিটর)-এর অনুমতি গ্রহণকরত; সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯ এর তফসিল অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দপ্তরে রক্ষিত ‘অফিস ত্যাগের রেজিস্ট্রার’ এ এন্ট্রি এবং ডিজিটাল হাজিরা প্রদানকরত: অফিস ত্যাগ করতে হবে। অনুচ্ছেদ ০২-এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত, অফিস ত্যাগ, বিলম্বে অফিসে উপস্থিত হলে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা, ২০১৯ ও সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় এনসিপির কমিটি গঠন

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় এনসিপির কমিটি গঠন

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনায় এনসিপির কমিটি গঠন

    আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে মো. সারজিস আলমকে এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে আব্দুল হান্নান মাসউদকে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ ও অ্যাড. মঞ্জিলা ঝুমা। এছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, সকল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলার নেতৃবৃন্দ সার্বিক সহযোগিতা করবেন।

  • গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ যুবদল গ্রেপ্তারের ঘটনায় দল থেকে বহিস্কার

    গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ যুবদল গ্রেপ্তারের ঘটনায় দল থেকে বহিস্কার

    গোবিন্দগঞ্জে মাদকসহ যুবদল গ্রেপ্তারের ঘটনায় দল থেকে বহিস্কার

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে যুবদল নেতা আনোয়ারুল ইসলাম বাবুর (৪০) বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায় যুবদলের সকল পদ থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়েছে। জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গাইবান্ধার উপ-পরিদর্শক জুয়েল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের তরফ কামাল গ্রামের আজিবর রহমানের ছেলে ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ারুল ইসলাম বাবুর বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় বাবুর নিজ শয়ন ঘরে তল্লাশি চালিয়ে শোকেসের ড্রয়ারে লুকিয়ে রাখা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ২ হাজার ৮৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে, দলীয় ভামূর্তি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আনোয়ারুল ইসলাম বাবুকে সাপমারা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব কাজী এহসানুল কবির রিপন বহিস্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক মাদক উদ্ধারসহ বাবুকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত বাবুকে সোমবার আদালতের মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • প্রথম সশস্ত্র বাহিনী অফিসে প্রধানমন্ত্রী ॥ দুই সেনা কর্মকর্তাকে পরালেন র‌্যাঙ্ক ব্যাজ

    প্রথম সশস্ত্র বাহিনী অফিসে প্রধানমন্ত্রী ॥ দুই সেনা কর্মকর্তাকে পরালেন র‌্যাঙ্ক ব্যাজ

    সশস্ত্র বাহিনী প্রধানগণের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়

    প্রথম সশস্ত্র বাহিনী অফিসে প্রধানমন্ত্রী ॥ দুই সেনা কর্মকর্তাকে পরালেন র‌্যাঙ্ক ব্যাজ

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রথমবারের মতো অফিস করেছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে আসেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টায় ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে আসেন। এই সময়ে তাঁকে স্বাগত জানান তিন বাহিনীর প্রধানগণ।’ প্রধানমন্ত্রী তিনবাহিনীর প্রধানগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবার পর এটাই সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম অফিস। এরপর প্রধানমন্ত্রী তার চেম্বারে বসেন। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান এবং মেজর জেনারেল কায়সার রশিদ চৌধুরীকে ‘র‌্যাঙ্ক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান,

    বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, প্রতিরক্ষা সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলাম। এদিকে, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান। সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। এ বিষয়ে আইএসপিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান সোমবার থেকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। সোমবার সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবনিযুক্ত প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। উল্লেখ্য, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান ২১ জুন ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কোর অব ইনফেনট্রিতে কমিশন লাভ করেন। তিনি ২৪ ডিভিশনের জিওসি, প্রতিরক্ষা ক্রয় মহাপরিদপ্তরে সামরিক সচিব ও মহাপরিচালক পদেসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নেসকোর শ্রদ্ধাঞ্জলী

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নেসকোর শ্রদ্ধাঞ্জলী

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নেসকোর শ্রদ্ধাঞ্জলী

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) পিএলসি-র উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় ২১শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ১ মিনিটের পরবিক্রয় ও বিতরন বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আলিউল আজিম ও বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সেলিম রেজা নেতৃত্বে জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানান নেসকোর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সংঘটিত একটি ঐতিহাসিক গণআন্দোলন। সে সময় ২১শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করলে পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে শহিদ হন, এই আত্মত্যাগ বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি স্থাপন করে। পরবর্তীতে মাতৃভাষাকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালে প্যারিসে ইউনেস্কোর পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে প্রস্তাবটি পাস হয় এবং এরপর থেকে ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে।

  • বাবুডাইং আলোর পাঠশালার একুশ উদযাপন ॥ বাঁশ-কঞ্চির মিনারে ফুলের শ্রদ্ধা

    বাবুডাইং আলোর পাঠশালার একুশ উদযাপন ॥ বাঁশ-কঞ্চির মিনারে ফুলের শ্রদ্ধা

    বাবুডাইং আলোর পাঠশালার একুশ উদযাপন ॥ বাঁশ-কঞ্চির মিনারে ফুলের শ্রদ্ধা

    বরেন্দ্র অঞ্চলের লাল মাটি। চারদিকে রুক্ষ প্রকৃতি আর ধুলোবালি। কিন্তু সেই ধুলোমাখা পথেই আজ ফুটে উঠেছে এক অন্যরকম দেশপ্রেমের ছবি। যেখানে দামী মার্বেল পাথর বা ইট-সিমেন্টের কোনো স্থায়ী কাঠামো নেই, সেখানে বাঁশ আর কঞ্চির বাঁধনেই মিশে আছে একুশের চেতনা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত এলাকার বাবুডাইং আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থীরা নিজেদের হাতে গড়া অস্থায়ী শহিদ মিনারে বুনো ফুলের শ্রদ্ধাঞ্জলি দিয়ে স্মরণ করেছে ভাষা শহিদদের। বিদ্যালয়টিতে কোনো স্থায়ী শহিদ মিনার নেই। তাহলেও দমে যায়নি শিক্ষার্থীরা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গত এক সপ্তাহ ধরে চলে তাদের কর্মযজ্ঞ। বিদ্যালয়ের ছোট ছোট শিক্ষার্থীরা নিজেরাই জঙ্গল থেকে বাঁশ কেটে এনেছে, কঞ্চি চেঁছেছে এবং কাদা-মাটি দিয়ে তৈরি করেছে মিনারের বেদি।

    শুধু মিনার তৈরিই নয়, সেই মিনারের গায়ে নিপুণ হাতে আঁকা হয়েছে আল্পনা। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবের আমেজ। বেলা ১১টার দিকে বিদ্যালয় থেকে বের করা হয় একটি বর্ণাঢ্য প্রভাত ফেরি। বরেন্দ্র অঞ্চলের আঁকাবাঁকা পথ ঘুরে শোভাযাত্রাটি পুনরায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এরপর শুরু হয় পুষ্পস্তবক অর্পণ। প্রথমে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর একে একে শিক্ষার্থীরা তাদের সংগৃহীত বুনো ফুল দিয়ে সাজিয়ে দেয় বাঁশ-কঞ্চির সেই মিনার। শহরের নামী সব ফুলের দোকান থেকে কেনা দামী গোলাপ বা রজনীগন্ধা নয়, বরং পাশের বন-জঙ্গল থেকে কুড়িয়ে আনা বুনো ফুলের সুবাসেই আজ সুবাসিত ছিল বাবুডাইংয়ের এই অস্থায়ী মিনার। সুরমিরা হাসদা এক শিক্ষার্থী জানায়, আমাদের স্কুলে শহীদ মিনার নেই, তাই আমরা বন্ধুরা মিলে এটি বানিয়েছি। আমরা চাই আমাদের স্কুলে একটি বড় শহীদ মিনার হোক, কিন্তু এখন এটি বানিয়ে ফুল দিতে পেরেও আমাদের অনেক আনন্দ হচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলীউজ্জামান বলেন, ২০০৭ সাল থেকে আমরা নিয়মিতভাবে এখানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে আসছি। স্থায়ী মিনার না থাকলেও শিক্ষার্থীদের স্বতস্ফূর্ততা আমাদের মুগ্ধ করে। তারা নিজেরাই কঞ্চি কেটে মিনার তৈরি করে এবং আল্পনা আঁকে। এতে করে তাদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই ভাষার প্রতি মমত্ববোধ তৈরি হচ্ছে। বাবুডাইং আলোর পাঠশালার সভাপতি শফিকুল আলম ভোতা বলেন, শহরের চাকচিক্য এখানে নেই, কিন্তু ভালোবাসার কোনো কমতি নেই। এই শিক্ষার্থীরা শিখিয়ে দিচ্ছে, ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে কেবল একটি স্বচ্ছ হৃদয় আর একমুঠো বুনো ফুলই যথেষ্ট। বাবুডাইং আলোর পাঠশালার এই আয়োজন মনে করিয়ে দেয়, একুশের চেতনা কেবল শহরের দামী সৌধের ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়। বরেন্দ্রর লাল মাটিতে নিজেদের হাতে গড়া এই অস্থায়ী মিনারে যে মমতা আর গভীর শ্রদ্ধাবোধ মিশে ছিল।