Blog

  • গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ ॥ আহত ৩

    গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ ॥ আহত ৩

    গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ ॥ আহত ৩

    গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় কার্গোর ভ্যানের সাথে ব্যাটারীচালিত ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে আরও ৩ জন।মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার শাহানা ফিলিং স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক চালক আলামিন (৩৫) ও যাত্রী গৌতম চন্দ্র (৬৫)। গৌতমের বাড়ি গাইবান্ধা পূর্বপাড়ার নারায়ন চন্দ্রের ছেলে।স্থানীয়রা জানায়, একটি ইজিবাইক যাত্রী নিয়ে উপজেলা শহর থেকে যাত্রী নিয়ে গাইবান্ধার দিকে যাচ্ছিল। বিপরীত দিক থেকে এক কার্গো ভ্যান গাড়ি আসতেছিল। এসময় অভারটেক করতে গিয়ে কার্গোর ভ্যানের সাথে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। আহত হন অন্তত ৩ জন। তারা সবাই ইজিবাইকের যাত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাদুল্লাপুর থানার ওসি আবদুল আলিম। এঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • ৪৭-এ পা রাখলেন কবি আনোয়ার আল ফারুক

    ৪৭-এ পা রাখলেন কবি আনোয়ার আল ফারুক

    ৪৭-এ পা রাখলেন কবি আনোয়ার আল ফারুক

    কবি আনোয়ার আল ফারুক ২মার্চ ১৯৭৯ খ্রীস্টাব্দে ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার নদোনা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম আবদুল বারী ও মাতা আছিয়া খাতুনের চার সন্তানের মধ্যে তিনি তৃতীয়। নব্বইর দশকের শুরু থেকে মাধ্যমিকে পড়াবস্থায় কবির লেখালেখির হাতেখড়ি। উচ্চতর ডিগ্রী সম্পন্ন করে তিনি শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। ছড়া ও কিশোর কবিতার মাধ্যমে লেখালেখির জগতে প্রবেশ হলেও বর্তমানে লিখে চলছেন সাহিত্যের সকল শাখায়। বড়দের জন্য যেমন লিখছেন কাব্য, ছড়া, গীতিকাব্য, উপন্যাস ও গল্প ঠিক তেমনি শিশু কিশোরদের জন্যও লিখছেন কিশোর উপন্যাস,গল্প,থ্রিলার, শিশু কিশোর কবিতা ও ছড়া। সমসাময়িক চলমান প্রসঙ্গ নিয়ে লিখছেন প্রবন্ধ ও কলাম। দেশের জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, সাপ্তাহিক পত্রিকা, জাতীয় ম্যাগাজিন ও আঞ্চলিক পত্রিকার পাশাপাশি আমেরিকা, লন্ডন, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রকাশিত বাংলাভাষার পত্রিকায় সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় লিখে যাচ্ছেন এই কবি। তার লিখনির মাঝে নৈতিকতার চাপ রয়েছে দারুণভাবে, রয়েছে সামাজিক শ্রেণি বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জ্বলে ওঠার খোরাক।স্রষ্ট্রা ও সৃষ্টি প্রেমের দারুণ এক মুগ্ধদ্ধতা ছড়িয়ে দিচ্ছেন তার লেখনিতে। লেখালেখির স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সংস্থার পক্ষ থেকে পেয়েছেন বিশের অধিক সম্মাননা স্মারক।কবি সম্পাদনা করছেন “বর্ণমালা ম্যাগাজিন” নামে একটি ওয়েবজিন। ব্যক্তিগত জীবনে কবি তিন ছেলে সন্তানের জনক। ৪৭ তম জন্মদিনে কবিকে জানাই ফুলেল শুভেচ্ছা।জন্মদিনে কবির সার্বিক সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

  • ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা নির্ধারণ

    ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা নির্ধারণ

    ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা নির্ধারণ

    বাংলাদেশে ১৪৪৭ হিজরি সালের রমজান উপলক্ষে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও (২০২৫) এই হার একই ছিল। বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় এই হার নির্ধারণ করা হয়।
    সভার সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক।
    সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস বা পনিরের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে দিতে পারবেন।
    গম ও আটা: ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’)-বাজার মূল্য ১১০ টাকা, যব: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’)-বাজার মূল্য ৫৯৫ টাকা
    কিসমিস: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম-বাজার মূল্য ২,৬৪০ টাকা
    খেজুর: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম-বাজার মূল্য ২,৪৭৫ টাকা
    পনির: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম-বাজার মূল্য ২,৮০৫ টাকা
    মুফতি আবদুল মালেক জানিয়েছেন, স্থানীয় খুচরা বাজারের মূল্যের তারতম্য অনুযায়ী ফিতরা প্রদানের সময় স্থানীয় মূল্য পরিশোধ করলেও এটি গ্রহণযোগ্য হবে। কোনো ব্যক্তি যদি নেছাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপার সমপরিমাণ) সম্পত্তির মালিক হন, তবে ঈদের দিন সকালে নিজের, নাবালক সন্তান ও নির্ভরশীলদের জন্য সাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। ফিতরা ঈদের নামাজের আগে প্রদান করতে হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এই বছর ঈদুল ফিতর আগামী ২০ বা ২১ মার্চ উদযাপিত হবে।

  • লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি ৬ ॥ আওয়ামীলীগ-৮

    লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি ৬ ॥ আওয়ামীলীগ-৮

    লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি ৬ ॥ আওয়ামীলীগ-৮

    লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ছয়টি পদে জয় পেয়েছে বিএনপি।অপরদিকে, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ আটটি পদে বিজয়ী হয়েছে। তবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে তাদের কোনো প্রার্থী ছিল না।জামায়াতে ইসলামিপন্থি আইনজীবীরা নির্বাচনে অংশ নিলেও তাদের কেউ বিজয়ী হয়নি।মঙ্গলবার দিনভর ভোট শেষে রাতে গণনা শেষ হয়। ভোররাত ৩টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম হুমায়ুন কবির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।বিজয়ীরা হলেন-সভাপতি মনিরুল ইসলাম হাওলাদার (বিএনপি), সহ-সভাপতি আবদুল মজিদ চৌধুরী (বিএনপি), আবুল খায়ের (আওয়ামীলীগ), মো. রফিক উল্যা (বিএনপি), সহ-সম্পাদক ফখরুল ইসলাম জুয়েল (বিএনপি), চাঁদমনি মোহন (আওয়ামীলীগ), পাঠাগার সম্পাদক মোশারফ হোসাইন (বিএনপি), সাংস্কৃতিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন (আওয়ামীলীগ), অডিট সম্পাদক রাকিবুল হাসান অপু (আওয়ামীলীগ), সদস্য আজহার উদ্দিন রকি (আওয়ামীলীগ), নুরুল হুদা মুরাদ (স্বতন্ত্র), ইউসুফ (আওয়ামীলীগ), মো. ইউসুফ মানিক (আওয়ামীলীগ), আবদুল্লাহ আল নোমান (আওয়ামীলীগ), জাফর আহমেদ বিএনপি)।এদিকে, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির সদস্যসচিব নুরুল হুদা পাটওয়ারী ২৬ জানুয়ারি এক নোটিশে জানিয়েছিলেন, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না। যদিও পরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বিভিন্ন পদে আওয়ামীলীগ সমর্থিত আইনজীবীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।এ ব্যাপারে আওয়ামীলীগ সমর্থিত লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক এক সভাপতি বলেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় মূলত তারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। নির্বাচন না করার জন্য বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদের সিদ্ধান্ত ছিল। তারপরও অন্যপদগুলো নির্বাচন করে আওয়ামীলীগের আটজন নির্বাচিত হয়েছেন।প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, ভোট গণনা শেষে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

  • পুনর্ভবা-মহানন্দার মোহনা ॥ মকরমপুর ঘাটে সম্ভাবনা ও সংকটের চিত্র

    পুনর্ভবা-মহানন্দার মোহনা ॥ মকরমপুর ঘাটে সম্ভাবনা ও সংকটের চিত্র

    পুনর্ভবা-মহানন্দার মোহনা ॥ মকরমপুর ঘাটে সম্ভাবনা ও সংকটের চিত্র

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর অঞ্চলে অবস্থিত মকরমপুর ঘাট, যেখানে মিলেছে পুনর্ভবা নদী ও মহানন্দা নদী। এটি কেবল একটি ভৌগোলিক সংযোগস্থল নয়, এটি উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের পরিবেশ, অর্থনীতি ও যোগাযোগের এক গুরুত্বপূর্ণ ধমনী। এই মোহনায় প্রতিদিন পারাপার করেন কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সম্ভাবনার পাশাপাশি এখানে স্পষ্ট হয়ে উঠছে অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও পরিবেশগত ঝুঁকি।যোগাযোগের নাজুক সেতুবন্ধন-মকরমপুর ঘাটে পারাপারের প্রধান ভরসা একটি বাঁশের সাঁকো। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বর্ষায় স্রোত বেড়ে গেলে এই সাঁকো ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, আর শুষ্ক মৌসুমে নদীর চর জেগে উঠলে চলাচল হয় আরও অনিশ্চিত। জরুরি চিকিৎসা, কৃষিপণ্য পরিবহন কিংবা শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত, সবই নির্ভর করে একটি অস্থায়ী কাঠামোর ওপর।জনস্বার্থের প্রশ্ন-এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোগস্থলে স্থায়ী সেতু বা আধুনিক ঘাট কেন এখনো বাস্তবায়িত হলো না?
    দু’নদীর মিলনস্থল হওয়ায় এখানে মাছের প্রাচুর্য তুলনামূলক বেশি। স্থানীয় জেলেরা জানান, বর্ষা মৌসুমে দেশি প্রজাতির মাছের উৎপাদন বাড়ে। পাশাপাশি নদীতীরবর্তী চরাঞ্চলে সবজি ও মৌসুমি ফসলের আবাদ হয়। নৌকা, ছোটখাটো বাজার, পারাপারভিত্তিক আয়, সব মিলিয়ে ঘাটকেন্দ্রিক একটি ক্ষুদ্র অর্থনীতি গড়ে উঠেছে।তবে নৌযান চলাচলের কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকেই যায়।
    পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি-ঘাটসংলগ্ন এলাকায় বর্জ্য ফেলা ও অপরিকল্পিত বসতি পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। নদীতীরে প্লাস্টিক ও কঠিন বর্জ্যের স্তুপ পানিদূষণ বাড়ায়, যা মাছ ও জীববৈচিত্রের জন্য চরম ক্ষতিকর। একই সঙ্গে দূষিত পানি ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি করে। অন্যদিকে, নদীভাঙনও একটি বড় উদ্বেগ। মহানন্দার স্রোত পরিবর্তিত হলে তীর ক্ষয় হয়, বসতভিটা ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়ে।সীমান্ত ও কৌশলগত গুরুত-পুনর্ভবা ও মহানন্দা উভয়ই আন্তঃসীমান্ত নদী। উজানে পানি প্রবাহ, পলি জমা ও বর্ষাকালের অতিরিক্ত স্রোত, সবকিছুই স্থানীয় পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করে। তাই নদী ব্যবস্থাপনায় আঞ্চলিক সমন্বয়, ড্রেজিং পরিকল্পনা ও তথ্যভিত্তিক নজরদারি জরুরি।
    জনস্বার্থে সমন্বিত উদ্যোগ-১. স্থায়ী সেতু বা আরসিসি ব্রিজ নির্মাণ—স্থানীয় অর্থনীতি ও নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করতে।২. আধুনিক ঘাট ও নৌযান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা—লাইফ জ্যাকেট, নির্ধারিত পারাপার সময়সূচি ও তদারকি।৩. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতা কর্মসূচি, নদীদূষণ রোধে ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ।৪. নদীশাসন ও তীর সংরক্ষণ প্রকল্প, ভাঙনরোধে জিওব্যাগ/ব্লক স্থাপন ও প্রয়োজনে ড্রেজিং।
    ৫. ইকো-ট্যুরিজমের সম্ভাবনা যাচাই, নদীমোহনাকে পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক করে তোলা গেলে স্থানীয় আয় বাড়তে পারে।মকরমপুর ঘাটে পুনর্ভবা-মহানন্দার মিলন এক প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, কিন্তু সেই সৌন্দর্যের আড়ালে আছে মানুষের প্রতিদিনের সংগ্রাম। জনস্বার্থের বিচারে এটি কেবল একটি ঘাট নয়, এটি উন্নয়ন-অবহেলা ও সম্ভাবনার সন্ধিক্ষণ। পরিকল্পিত অবকাঠামো, পরিবেশ সুরক্ষা ও প্রশাসনিক উদ্যোগ একসাথে কার্যকর হলে মকরমপুর ঘাট উত্তরাঞ্চলের টেকসই উন্নয়নের এক মডেল হয়ে উঠতে পারে।

  • চাঁপাইবনাবগঞ্জে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এমপি বুলবুল

    চাঁপাইবনাবগঞ্জে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এমপি বুলবুল

    চাঁপাইবনাবগঞ্জে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এমপি বুলবুল

    নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী গ্রীন-ক্লিন সিটি হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জকে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে জামায়াত থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুলের উদ্যোগে ব্যাপক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে।সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) শহরের বড় ইন্দারা মোড় থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়ে নিমতলা মোড়ে গিয়ে সমাপ্ত হয়। এসময় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।এসময় নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু নাগরিক দায়িত্বই নয়, এটি ঈমানেরও অংশ। শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।পাশাপাশি তিনি সকল নাগরিককে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার এবং নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান।এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আমীর মাওলানা আবু জার গিফারী, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু বকর, পৌর আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানিসহ দলীয় ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

  • গোমস্তাপুরে নাগরিকসেবায় হয়রানি বন্ধে এমপির নির্দেশ

    গোমস্তাপুরে নাগরিকসেবায় হয়রানি বন্ধে এমপির নির্দেশ

    প্রশাসন-জনপ্রতিনিধি সমন্বয় জোরদার

    গোমস্তাপুরে নাগরিকসেবায় হয়রানি বন্ধে এমপির নির্দেশ

    গোমস্তাপুর উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন ড. মুঃ মিজানুর রহমান। সোমবার উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সি।
    সভায় বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা রুমা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল হামিদ। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাকলাইন হোসেন,উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইছাহাক আলী,উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রাইসুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ড. মিজানুর রহমান বলেন, সরকারি দপ্তরে সাধারণ নাগরিকরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। সেবা হবে দ্রুত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক, এটাই আমাদের অঙ্গীকার। তিনি প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।সভায় তিনি গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর জেনারেটর সচল রাখতে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে একশ লিটার জ্বালানি তেল অনুদান দেন। স্থানীয়দের মতে, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময়ে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা অব্যাহত রাখতে এ উদ্যোগ তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।মতবিনিময় সভায় উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, নাগরিকসেবার মানোন্নয়ন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা সমন্বিত উদ্যোগে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • গোদাগাড়ীতে সূর্যমুখী চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষী

    গোদাগাড়ীতে সূর্যমুখী চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষী

    গোদাগাড়ীতে সূর্যমুখী চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষী

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সূর্যমুখী চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা। জানা গেছে, গোদাগাড়ী উপজেলায় ‘বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প’ এর আওতায় গোদাগাড়ী পৌরসভাসহ চর আষাড়িয়াদহ এলাকায় বিপুল পরিমাণে সূর্যমূখী চাষ হচ্ছে। কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চরাঞ্চলের প্রায় ২৫ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধরণ করা হয়েছে। গোদাগাড়ী পৌর এলাকার মাদারপুর গ্রামের নীচে পদ্মার জেগে উঠা চরে কৃষক ইসমাইল হোসেনের ৩৩ শতকের একটি প্রদর্শনী প্লটে গিয়ে দেখা যায়, এক একটি ফুল যেন হাসিমুখে সূর্যের কিরণ ছড়াচ্ছে। চারদিকে হলুদ ফুল আর সবুজ গাছের অপরূপ দৃশ্য। এ সৌন্দর্য দেখতে আশপাশের এলাকা থেকেও ভিড় জমাচ্ছেন অনেকেই। সুন্দরভাবে সারিসারি দাঁড়িয়ে আছে সূর্যমুখী গাছগুলো, কি অপরুপ নয়নাভিরাম দৃশ্য, ফুলের সৌদর্যে যে কারও মন ছুয়ে যাবে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়ে তিনি সূর্যমুখী চাষ করেন।কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের স্বাবলম্বী করতেই সূর্যমুখী ফুল চাষে উৎসাহিত করা হয়েছে। যদি সফল হওয়া যায় আগামীতে সূর্যমুখী চাষ অনেক বৃদ্ধি হবে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ওবাইদুল্লাহ বলেন সূর্যমূখী একটি লাভজনক ফসল। সূর্যমুখী উঠতে প্রায় ৯০ দিন সময় লাগে। এখানে আরডিএস-২৭৫ জাতের সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে।সূর্যমুখী একটি অত্যন্ত লাভজনক ও পুষ্টিকর তৈলবীজ ফসল, সূর্যমুখী তেল হৃদরোগীদের জন্য খুব উপকারী এবং এতে ক্ষতিকারক ইরোসিক অ্যাসিড নেই।
    এ ব্যাপারে গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মরিয়ম আহমেদ বলেন,“গোদাগাড়ী উপজেলার চরাঞ্চলে সূর্যমুখী চাষের যে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে, তা আমাদের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। ‘কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’-এর তত্ত্বাবধানে ‘বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প’-এর আওতায় আমরা কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের বীজ ও প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ করেছি।আরডিএস-২৭৫ জাতের সূর্যমুখী স্বল্প সময়ে (প্রায় ৯০ দিনে) ফলন দেয় এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে ভালো উৎপাদন সম্ভব। এটি একটি উচ্চ ফলনশীল ও লাভজনক তৈলবীজ ফসল।আমরা চাই, গোদাগাড়ীর চরাঞ্চলের পতিত ও নবজাগ্রত জমিগুলোকে কাজে লাগিয়ে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করা হোক। প্রদর্শনী প্লটগুলো দেখে ইতোমধ্যে অনেক কৃষক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আশা করছি, আগামী মৌসুমে সূর্যমুখী চাষের পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে আরও স্বাবলম্বী হবেন।

  • গোদাগাড়ীতে সূর্যমুখী চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষী

    গোদাগাড়ীতে সূর্যমুখী চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষী

    গোদাগাড়ীতে সূর্যমুখী চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষী

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সূর্যমুখী চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা। জানা গেছে, গোদাগাড়ী উপজেলায় ‘বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প’ এর আওতায় গোদাগাড়ী পৌরসভাসহ চর আষাড়িয়াদহ এলাকায় বিপুল পরিমাণে সূর্যমূখী চাষ হচ্ছে। কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চরাঞ্চলের প্রায় ২৫ বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধরণ করা হয়েছে। গোদাগাড়ী পৌর এলাকার মাদারপুর গ্রামের নীচে পদ্মার জেগে উঠা চরে কৃষক ইসমাইল হোসেনের ৩৩ শতকের একটি প্রদর্শনী প্লটে গিয়ে দেখা যায়, এক একটি ফুল যেন হাসিমুখে সূর্যের কিরণ ছড়াচ্ছে। চারদিকে হলুদ ফুল আর সবুজ গাছের অপরূপ দৃশ্য। এ সৌন্দর্য দেখতে আশপাশের এলাকা থেকেও ভিড় জমাচ্ছেন অনেকেই। সুন্দরভাবে সারিসারি দাঁড়িয়ে আছে সূর্যমুখী গাছগুলো, কি অপরুপ নয়নাভিরাম দৃশ্য, ফুলের সৌদর্যে যে কারও মন ছুয়ে যাবে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়ে তিনি সূর্যমুখী চাষ করেন।কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের স্বাবলম্বী করতেই সূর্যমুখী ফুল চাষে উৎসাহিত করা হয়েছে। যদি সফল হওয়া যায় আগামীতে সূর্যমুখী চাষ অনেক বৃদ্ধি হবে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. ওবাইদুল্লাহ বলেন সূর্যমূখী একটি লাভজনক ফসল। সূর্যমুখী উঠতে প্রায় ৯০ দিন সময় লাগে। এখানে আরডিএস-২৭৫ জাতের সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে।সূর্যমুখী একটি অত্যন্ত লাভজনক ও পুষ্টিকর তৈলবীজ ফসল, সূর্যমুখী তেল হৃদরোগীদের জন্য খুব উপকারী এবং এতে ক্ষতিকারক ইরোসিক অ্যাসিড নেই।
    এ ব্যাপারে গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মরিয়ম আহমেদ বলেন,“গোদাগাড়ী উপজেলার চরাঞ্চলে সূর্যমুখী চাষের যে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে, তা আমাদের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। ‘কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর’-এর তত্ত্বাবধানে ‘বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প’-এর আওতায় আমরা কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের বীজ ও প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ করেছি।আরডিএস-২৭৫ জাতের সূর্যমুখী স্বল্প সময়ে (প্রায় ৯০ দিনে) ফলন দেয় এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে ভালো উৎপাদন সম্ভব। এটি একটি উচ্চ ফলনশীল ও লাভজনক তৈলবীজ ফসল।আমরা চাই, গোদাগাড়ীর চরাঞ্চলের পতিত ও নবজাগ্রত জমিগুলোকে কাজে লাগিয়ে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করা হোক। প্রদর্শনী প্লটগুলো দেখে ইতোমধ্যে অনেক কৃষক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আশা করছি, আগামী মৌসুমে সূর্যমুখী চাষের পরিধি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে আরও স্বাবলম্বী হবেন।

  • সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চাই ভোলাহাটের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহানাজ

    সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চাই ভোলাহাটের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহানাজ

    সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চাই ভোলাহাটের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহানাজ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে নারী সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হতে চাই ভোলাহাট উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলাদলের নেত্রী শাহানাজ খাতুন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নারী সংরক্ষিত আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন ফরম তুলবেন বলে জানা গেছে।

     

    য়োদশ জাতীয় সংসদের নারী সংরক্ষিত আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম তুলবেন বলে তিনি ইচ্ছে পোষণ করেছেন। ভোলাহাট উপজেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহিলা দলের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক ছাত্রদল নেত্রী শাহানাজ খাতুন বলেন, আমি আগামিতে যে নারী সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে বিএনপি দলীয় আসনে সদস্য নিবে সেখানে আমি ফরম উত্তোলন করব। তিনি আরও বলেন, বিগত স্বৈরাচার পতন আন্দোলনে সম্মুখভাগে নেতৃত্ব দিয়ে স্বৈরাচারী সরকারের পতন নিশ্চিতে ভূমিকা রেখেছি এবং একাধিকবার জেলে গেছি, তাই দল আমাকে যথাযথ মূল্যায়ন করবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জুড়ে আমার যথেষ্ট পিরিচিতি আছে এবং আমি আমার জীবনে সর্বোচ্চ দিয়ে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছি বলে জানান তিনি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যে নির্বাচনী ইশতেহার, তা বাস্তবায়নে আমি বদ্ধপরিকর বলে এই প্রতিবেদককে জানান তিনি। দেশের অবহেলিত জনপদ ও বরেন্দ্রভূমি চাঁপাইনবাবগঞ্জের উন্নয়নে তিনি কাজ করে একটি আধুনিক জেলা গড়তে চান। তিনি নারী সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সহযোগিতা ও সমর্থন চান তিনি।