Blog

  • গোমস্তাপুরে ডিএনসির মাদকবিরোধী অভিযানে দু’জন কে সাজা

    গোমস্তাপুরে ডিএনসির মাদকবিরোধী অভিযানে দু’জন কে সাজা

    গোমস্তাপুরে ডিএনসির মাদকবিরোধী অভিযানে দু’জন কে সাজা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে দুই ব্যক্তিকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যোগে রবিবার বিকাল ৪টায় গোমস্তাপুর থানার টমপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে আটকরা হচ্ছে, মো. জাহির আলী (৩০), পিতা: মনিরুল ইসলাম, গ্রাম: বসনইল এবং বাইরুল (৪০), পিতা: এরফান আলী, গ্রাম: টমপাড়া; উভয়ের থানা গোমস্তাপুর, জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ। অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে মোট ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে জাহির আলীর কাছ থেকে ২০ গ্রাম এবং বাইরুলের কাছ থেকে ৩০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। পরে আটক দুই আসামির বিরুদ্ধে উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ প্রসিকিউশন দাখিল করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে সালমা রুমা। আদালত উভয় আসামিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

  • কালিয়ায় বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

    কালিয়ায় বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

    কালিয়ায় বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ আসনসহ সারাদেশে নিরঙ্কুশ বিজয়ের আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অংশ হিসেবে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দলের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নড়াইলের কালিয়া উপজেলা মাউলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হানিফ ফকিরের নিজ বাড়ি কলাগাছিতে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নড়াগাতী থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী সেলিম আহম্মেদ, নড়াগাতী থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক মোল্যা, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হানিফ ফকির,ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রিজাউল কাজী, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী কামরুজ্জামান,নড়াগাতী থানা কৃষক দলের যুগ্ম সচিব মাহিদুল ইসলাম, নড়াগাতী থানা কৃষক দলের সদস্য সচিব মিন্টু কুমার ঘোষ, নড়াগাতী থানা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব আবুল কাশেম (রহিত), নড়াগাতী থানা ছাত্র দলের সদস্য সচিব মাফিজুর রহমান ( মামুন), ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল গফফার শেখ, নড়াগাতী থানা বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক প্রভাষক বিপুল কুমার দাস, ইউনিয়ন সাবেক ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাহিদুর রহমান ফকির সহ ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক আইনে দায়ের মামলায় আরিফ হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যাক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সাথে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাস কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ হায়দার আলী খোন্দকার আসামীর উপ¯ি’তিতে রায় প্রদান করেন। আরিফ জেলার শিবগঞ্জের দোভাগি গ্রামের মানারুল ইসলামের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল ওদুদ বলেন, ২০২৩ সালের ১১ মার্চ র‌্যাব,চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের অভিযানে বিাড়ি থেকে ১ কেজি ৩৭০ গ্রাম হেরোইন সহ আটক হন আরিফ। এ ব্যাপারে ওইদিন শিবগঞ্জ থানায় র‌্যাবের উপ-পরিদর্শক লূৎফর রহমান। ২০২৩ সালের ৩০ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শিবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক এসলাম আলী অভিযোগপত্র জমা করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে নিহত-২ ॥ ‘মূল হোতা’ দুলাল গ্রেপ্তার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে নিহত-২ ॥ ‘মূল হোতা’ দুলাল গ্রেপ্তার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে নিহত-২ ॥ ‘মূল হোতা’ দুলাল গ্রেপ্তার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গায় বোমা বিস্ফোরণে দুই যুবক নিহতের ঘটনার ‘মূল হোতা’ শরীফ উদ্দীন দুলালকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত দুলাল সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ফাটাপাড়া এলাকার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি রাজশাহীর রাজপাড়া থানার নতুন বিলশিমলা এলাকায় বসবাস করতেন। সোমবার দুপুর ২টায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এনএম ওয়াসিম ফিরোজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুলাল আগে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও সম্প্রতি তিনি জামায়াতে যোগদান করেন। পুলিশ জানায়, সোমবার রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার এজাহারে তার নাম না থাকলেও পুলিশের নিবিড় তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে আসে। পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার নির্দেশেই ওই বাড়িতে বোমা বানানো হচ্ছিল। সোমবার দুপুরে তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ফাটাপাড়ার একটি বাড়িতে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে জিহাদ ও আল আমিন নামে দুজন নিহত হয়, আহত হয় ৩জন। এ ঘটনায় আহত ৩ জনসহ এ পর্যন্ত মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

  • পত্নীতলায় বিএনপির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    পত্নীতলায় বিএনপির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    পত্নীতলায় বিএনপির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    নওগাঁর পত্নীতলায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পত্নীতলা উপজেলা ও নজিপুর পৌর বিএনপির আয়োজনে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোকছেদুল হক সিরি’র সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক এমপি সামসুজ্জোহা খান জোহা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নওগাঁ জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভানেত্রী সামিনা পারভিন পলি। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধরণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফারুক, মো.রমজান আলী, মহিলা দলের সভানেত্রী মরিয়ম বেগম শেফা, নজিপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মামুন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এ.জেড মিজান ও আবদুল্লাহ আল মাসুম, থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক শাহির হোসেন (শিপু) প্রমূখ।

  • তুচ্ছ ঘটনায় ‘শাস্তির নামে নির্যাতন’- নাচোলে এশিয়ান স্কুলে দশম শ্রেণির ছাত্রকে বেধড়ক পিটিয়েছে ছয় শিক্ষক-ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় অভিভাবক

    তুচ্ছ ঘটনায় ‘শাস্তির নামে নির্যাতন’- নাচোলে এশিয়ান স্কুলে দশম শ্রেণির ছাত্রকে বেধড়ক পিটিয়েছে ছয় শিক্ষক-ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় অভিভাবক

    তুচ্ছ ঘটনায় ‘শাস্তির নামে নির্যাতন’

    নাচোলে এশিয়ান স্কুলে দশম শ্রেণির ছাত্রকে বেধড়ক পিটিয়েছে ছয় শিক্ষক-ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় অভিভাবক

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এ তুচ্ছ ঘটনায় অফিস কক্ষে শাস্তির নামে এক দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে অমানবিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের ছয়জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থী জেলা হাসপাতালে কয়েকদিন ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেয়। বর্তমানে চিকিৎসকের পরামর্শে বাড়িতে চিকিৎসাধিন রয়েছে ওই শিক্ষার্থী। তবে তার মাথায় এবং ঘাড়ে সমস্যা চলমান। থেকে থেকেই সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছে এবং অচেতন হয়ে ভুল-ভাল কথা-বার্তাও বলছে। এতে সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন অভিভাবক ও স্বজনরা। সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়তে ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এ আবাসিক শাখায় ছেলেকে ভর্তি করে এমন অমানষিক নির্যাতন এবং সন্তানের শারিরিক এমন অবস্থায় ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থী আবির এর বাবা আবু তাজিম মো. সাদরুল হক (বাবু) ও তাঁর পরিবার এবং স্বজনরাও। নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর নাম আবু আব্দুল্লাহ আল জাহিদ আবির (১৬) ওই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির ছাত্র। আবির কে ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এ ২০২৫ সালে নবম শ্রেণীতে ভর্তি করা হয়।

    নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী আবির, অভিভাবক ও স্বজনদের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জানুয়ারি/২৬ গভীর রাতে ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর একাদশ শ্রেণির ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহদাদ-হুমকি দিয়ে (রাত ২টার সময়) ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা আবিরকে হোস্টেলে নবম শ্রেণীর এক ছাত্র অর্পণ কে ডেকে নিয়ে আসতে বলে। আবির এতে অস্বীকৃতি জানালে ওই শিক্ষার্থী (মেহদাদ) হাতে পাইপ নিয়ে ভয় দেখিয়ে আবিরকে বলে, “ডেকে নিয়ে আয়, না গেলে হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে”। ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে আবির বিষয়টি ওই শিক্ষার্থীকে জানায় এবং ডেকে নিয়ে আসতে বাধ্য হয়। পরে ওই শিক্ষার্থী অর্পণ বিষয়টি এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানালে, এঘটনায় দোষী মেহদাদ কে কিছু না বলে-উল্টো ভুক্তভোগী আবিরকেই ডেকে নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ০১ ফেব্রুয়ারি/২৬ রোববার দুপুরে কলেজের অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে ছয়জন শিক্ষক বেতের লাঠি ও চড়-থাপ্পড় দিয়ে আবিরকে নির্মমভাবে মারধর করেন। একপর্যায়ে আবির মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। তারপরও কোন্ অজ্ঞাত কারনে আবিরের উপর বেধড়ক মারধর করে ওই ছয় শিক্ষক। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর লালচে ফোলা ও আঘাতের চিহ্ন সৃষ্টি হয়। মাথার বিভিন্ন স্থান ফুলে যায়।

    বাবা জানলে আবারও বাবার শাষনের ভয়ে আবির অসুস্থ হয়ে পড়লে রাজশাহীতে তার বন্ধুর কাছে চলে যায়। সেখানে প্রাথমিক কিছু ঔষধ খেয়ে কোন উপকার হয়নি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে তার পরিবারকে বিষয়টি জানায় আবির এর সেই বন্ধু। বাবা আবু তাজিম মো. সাদরুল হক এঘটনা শুনে বিচলিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত আবিরকে বাড়িতে নিয়ে এসে চিকিৎসার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আঘাতের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার নির্দেশ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শে আবিরের মাথার ‘সিটি স্ক্যান’সহ বিভিন্ন পরীক্ষাও করা হয়। পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক আবিরের বেশ কিছু সমস্যার কথা জানান আবিরের অভিভাবককে। শিক্ষকদের নির্যাতনে সন্তানের এমন অবস্থায় চিন্তিত আবিরের আবু তাজিম মো. সাদরুল হক। আবির হাসপাতালের ৮ নম্বর কেবিনে কয়েকদিন চিকিৎসাধীন ছিলো।
    পরবর্তীতে স্কুল কর্তৃপক্ষ আবিরের পিতাকে তার ছেলে প্রতিষ্ঠানে নেই এমন খবর দিলে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে নাচোল প্রতিষ্ঠানে গিয়ে জানতে চান, তার ছেলের অপরাধ কী?। আবিরকে কেন এমন অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। আমার ছেলে অপরাধ করে থাকলে-আমি তার অভিভাবক, আমাকে জানাতে পারতেন, কিন্তু আমাকে কোন কিছু না জানিয়ে আবিরকে নির্যাতন চালানো হয়েছে কেন?। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট জবাব না দিয়ে বলেন, “আপনার ছেলেকেই জিজ্ঞেস করুন, আমাদের কিছু বলে লাভ হবে না।” নিরুপায় হয়ে বাবা আবু তাজিম মো. সাদরুল হক তার ছেলেকে নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আঘাতের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার নির্দেশ দেন। আবির হাসপাতালের ৮ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন থাকে।

    বিষয়টি নিয়ে ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সার্বিক তত্বাবধানকারী পরিচালক মোঃ ইশাহাক এর সাথে কথা বলেন আবিরের বাবার ঘনিষ্ঠজন ও স্বজন রাকিবুল ইসলাম বাবু। আবিরের উপর অমানুষিক নির্যাতন ও পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও দায়ি শিক্ষকদের বিষয়ে দীর্ঘক্ষন কথা হলে তিনিও (পরিচালক ইশাহাক) বলেন, “একজন শিক্ষার্থীর উপর কোনভাবেই কোন শারিরিক বা মানষিক নির্যাতন করা যাবে না, কোন শিক্ষার্থী অন্যায় করে থাকলে ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবককে জানানো এবং প্রতিকার করার ব্যবস্থা করা উচিৎ। পরিচালক আবিরের স্বজনকে আরও বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানে এমন টা হওয়ার কথা নয়, যদি এমন কোন কিছু ঘটনা হয়ে থাকে, তাহলে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
    এমন কথা বললেও এখন পর্যন্ত দায়ীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া তো দূরের কথা, এমন ঘটনায় অসুস্থ ও আতঙ্কিত আবির এর কোন খোঁজ পর্যন্ত নেই নি ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ কর্তৃপক্ষ। নুণ্যতম কোন মানবতাও দেখায়নি, অভিভাবকের সাথেও কোন আলোচনা বা সান্তনাও দেয়নি।
    আবিরের বাবার ঘনিষ্ঠজন ও স্বজন রাকিবুল ইসলাম বাবু বলেন, একজন সন্তানকে তার অভিভাবক ভালো শিক্ষার্থী এবং মানুষের মতো মানুষ করার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে থাকে। আবিরের বাবাও তেমনই আবিরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে অভিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর আবাসিক বিভাগে ভর্তি করেন। সেখানে আবির যদি কোন অন্যায় বা অপরাধ করে থাকে, তাহলে তার বাবাকে জানাতে পারতো প্রতিষ্ঠান প্রধান বা কর্র্তৃপক্ষ। এভাবে তো একজন শিক্ষার্থীকে অমানষিক নির্যাতন করতে পারে না। তিনি আরও বলেন, একদিকে আবিরকে নির্যাতন করার কারণে আবির ভয়ে কোনভাবে তার বন্ধুর কাছে চলে যায়, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা পরিচালক উল্টো বলছেন, আবির পালিয়ে গেছে। তারপরও একজন শিক্ষার্থীর এমন ঘটনার কোন বিষয়ে অপরাধ বোধ বা করনীয় বলতে কিছুই করেন নি প্রতিষ্ঠানের প্রধান, দোষী শিক্ষকরা কিংবা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। তাহলে এমন প্রতিষ্ঠানে সন্তানরা কি শিখবে?। অভিভাবকদের কস্ট করার সফলতাই বা কি। তিনি বলেন, আবিরের শারিরীক অবস্থা এখনও স্বাভাবিক হয়নি। চিকিৎসকের কথা মোতাবেক আবিরকে দীর্ঘদিন চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হবে এবং রীতিমত সাবধানে থাকতে হবে। এব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মরিয়ম খাতুন এবং পরিচালক মোঃ ইশাহাক আলীর সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ করেন নি তাঁরা।
    ভুক্তভোগী পরিবারের অভিভাবক আবিরের বাবা আবু তাজিম মো. সাদরুল হক অভিযোগ করে প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মরিয়ম খাতুনকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ বা নুন্যতম সান্ত্বনামূলক কথাও বলেননি তিনি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শাস্তির নামে এ ধরনের অমানবিক নির্যাতনের সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন আবিরের বাবা। তিনি ক্ষোভের সাথে আরও বলেন, এ নির্যাতনই নয়,
    গত ২৪ জানুয়ারী/২৬ শরীরে জর-মাথাব্যাথা থাকায় আবির ঔষধ খাওয়ার জন্য ক্লাশরুম থেকে নিজ রুমে যায়। ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর শিক্ষক আব্দুল্লাহ আবির কে ক্লাসে না পেয়ে রুম থেকে ডেকে নিয়ে এসে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। লাঠির আঘাতে আবির এর বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল ফেটে যায় এবং চামড়াসহ মাংস উঠে যায়। এঘটনায় এক্সরে করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। একটু সুস্থ হলে আবিরকে আবারও কোনভাবে বুঝিয়ে ৩০ জানুয়ারী/২৬ ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এ পাঠানো হয়। তবে যাওয়ার আগে আবির তার মাকে বলে “মা আমাকে আর ওই প্রতিষ্ঠানে পাঠাইও না-ওরা আমাকে মেরে ফেলবে”। ছেলের এ কথা শুনেও গুরুত্ব না দিয়ে আবিরকে পাঠানো হয় প্রতিষ্ঠানে। তারপরই এ ঘটনা। আবারও আবিরকে তুচ্ছ ঘটনায় অমানষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। বর্তমানে আবির কে নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। আমার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তিনি আবারও এঘটনার বিচার দাবী করেন।
    এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নাচোলের এক শিক্ষক ও অভিভাবক জানান, ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এ এর আগেও শিক্ষার্থীদের উপর শারিরীক ও মানষিক নির্যাতনের বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের পরিচালক শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনাগুলো ভেতর ভেতর মিটিয়ে নিয়েছেন, এজন্য বাইরের কেউ বিষয়গুলো জানতে পারেনি বা জানতে দেয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের উপর এমন নির্যাতন কোনভাবেই কাম্য নয়। এমন ঘটনার তদন্ত করে অবশ্যই বিচার হওয়া প্রয়োজন।
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোলে এশিয়ান স্কুল এ্যান্ড কলেজের অফিস কক্ষে আবু আব্দুল্লাহ আল জাহিদ আবির কে অমানবিক নির্যাতনের বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুল মতিন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকার ছাত্র ছাত্রীদের পড়া লেখা শেখানোর জন্য প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিয়েছে। কাউকে নির্যাতন করার জন্য নয়। বিষয়টি শুনলাম তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান জেলা শিক্ষা অফিসার।
    উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার নাচোল পৌরসভা এলাকায় চেয়ারম্যানপাড়ায় ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ নামে একটি আবাসিক ও অনাবাসিক প্রতিষ্ঠান ২০০৮ সালে গড়ে উঠে। ‘এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ টি শিক্ষা বোর্ড থেকে পাঠদানের অনুমতি পেলেও এখনও এমপিও ভূক্ত হয়নি। নিজস্ব অর্থায়নেই পরিচালিত হয়ে আসছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাহে রমজানে পণ্যের মূল্য স্থীতিশীল রাখতে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাহে রমজানে পণ্যের মূল্য স্থীতিশীল রাখতে মতবিনিময় সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাহে রমজানে পণ্যের মূল্য স্থীতিশীল রাখতে মতবিনিময় সভা

    পবিত্র মাহে রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের স্থীতিশীল ও মূল্য পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে মতবিনিময় সভা করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ। বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি এ্যাড. মোঃ ইসাহাক আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ খাইরুল ইসলাম, আলাউদ্দিন হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী মোঃ নাসের আলীসহ অন্যরা। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক উজ্জল কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হোসেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি মোঃ শরিফুল ইসলামসহ জেলা বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তা ও জেলা বিভিন্ন স্তরের ব্যবসায়ীরা। সভায় আসন্ন পবিত্র রমজানের পবিত্রতা রক্ষা এবং নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের স্থীতিশীল রাখার আহবান জানান বক্তারা।

  • মন্ত্রিপরিষদ সচিব হলেন ড. নাসিমুল গনি

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব হলেন ড. নাসিমুল গনি

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব হলেন ড. নাসিমুল গনি

    নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নাসিমুল গনি। সোমবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মামুন শিবলীর সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে নাসিমুল গনিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে রাতের আঁধারে শতাধিক আমগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে রাতের আঁধারে শতাধিক আমগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে রাতের আঁধারে শতাধিক আমগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের কয়লাদিয়াড় গ্রামে রাতের আঁধারে প্রায় ১২০টি আমগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার দিবাগত রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তার আমবাগানের গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। হাজার বিঘি গ্রামের এক ব্যক্তির সঙ্গে ছাগল সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল এবং সেই দ্বন্দ্বের সূত্র ধরে তার বাবা আকবর আলীকে আগেই হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তার ধারণা, ওই হুমকির বাস্তবায়ন হিসেবেই গভীর রাতে গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়দের জানায়, মানুষের মধ্যে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব থাকতেই পারে, তবে প্রতিশোধ নিতে গাছ কেটে ফেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জহির মাইছার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির জানান, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ল ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

    অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ল ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

    অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ল ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত

    জানুয়ারি ২০২৬ কর মেয়াদের অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ই-ভ্যাট সিস্টেমের মাধ্যমে ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একটি আদেশে বলা হয়েছে, পবিত্র শবেবরাত ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে টানা সরকারি ছুটি থাকায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ে এবং অনেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করতে পারেননি। এ কারণে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ১৫ ফেব্রুয়ারি ই-চালান সিস্টেমের ওটিপি সার্ভার সাময়িকভাবে অচল থাকায় অনেক করদাতা সময়মতো রিটার্ন জমা দিতে ব্যর্থ হন। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজস্ব কর্তৃপক্ষ মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ধারা ৬৪ (১এ) অনুযায়ী তাদের আইনগত ক্ষমতা প্রয়োগ করে রিটার্ন দাখিলের জন্য অতিরিক্ত সময় মঞ্জুর করেছে। এ সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো, নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা কারণজনিত বিলম্বের জন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভ্যাট নিবন্ধিত সত্তাগুলো যেন জরিমানার মুখে না পড়ে। কর্মকর্তারা জানান, ছুটি ও কারিগরি জটিলতার কারণে সৃষ্ট বিঘ্ন কাটিয়ে উঠতে বর্ধিত সময়সীমা করদাতাদের রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে। এনবিআর ভ্যাট নিবন্ধিত সকল প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা এড়াতে এবং কর বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করতে এই বর্ধিত সময়সীমার সদ্ব্যবহার করে ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জানুয়ারি ২০২৬-এর রিটার্ন দাখিলের আহ্বান জানিয়েছে।