Blog

  • গাইবান্ধায় ৫ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাপার দুই শীর্ষ নেতার বিএনপিতে যোগদান

    গাইবান্ধায় ৫ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাপার দুই শীর্ষ নেতার বিএনপিতে যোগদান

    গাইবান্ধায় ৫ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাপার দুই শীর্ষ নেতার বিএনপিতে যোগদান

    গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা জাপার আহ্বায়ক ও গাইবান্ধা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা এবং সদস্য সচিব মোফিজুল হক নয়ন ৫ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগদান করেছেন। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে সাঘাটা উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের ডাকবাংলো মোড় এলাকায় আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে তারা বিএনপিতে যোগ দেন। এসময় সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জাতীয় পার্টি, যুব সংহতি ও ছাত্র সংহতির সভাপতি-সম্পাদকসহ পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী তাদের সঙ্গে বিএনপিতে যোগ দেন। যোগদানের বিষয়টি রাত সাড়ে ১০টার নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল। সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও ৬ নম্বর ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম আহমেদ তুলিপের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-(সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব ফারুক আলম সরকার। তিনি নবাগতদের ফুলের তোড়া দিয়ে দলে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল কবির রাঙ্গা। এছাড়া কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য ও শিল্পপতি কামরুজ্জামান সোহাগসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাহমুদুন্নবী টিটুল মোবাইল ফোনে বলেন, সাঘাটা উপজেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আতাউর রহমান আতা এবং সদস্য সচিব মোফিজুল হক নয়ন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। শুধু এই দুই নেতাই নয়, তাদের সাথে সাঘাটা উপজেলার অধিকাংশ ইউনিয়নের জাতীয় পার্টি, যুব সংহতি ও ছাত্র সংহতির সভাপতি-সম্পাদকসহ পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী যোগদান করেছেন। নির্বাচনের আগে এই যোগদান আমাদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এদিকে, বিএনপিতে যোগদানের পরপরই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে আতাউর রহমান আতা ও মোফিজুল হক নয়নকে জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে গাইবান্ধা জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সরওয়ার মোহাম্মদ শাহিনের ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সরওয়ার হোসেন শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ কাজী মশিউর রহমান তাদের দলের সকল পদ-পদবি থেকে বহিষ্কার করেছেন। একই সঙ্গে জাতীয় যুব সংহতি গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি এ.কে.এম নুরুন নবী সরকার মিথুল ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদুল হক দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাঘাটা উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি তোমাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক একরামুল হোসেনকেও বহিষ্কারের ঘোষণা দেন। এ বিষয়ে জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সরওয়ার মোহাম্মদ শাহিন বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দুদকের মামলার আসামি আতাউর রহমান আতা ও মোফিজুল হক নয়নকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে কোনো নেতাকর্মী নেই।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট

    রাত পোহালেই সারাদেশের ন্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর, নাচোল ও ভোলাহাট) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে ঘিরে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি উপজেলার প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এ আসনে মোট ১৮৪টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,৬১,০০০ জন (জানুয়ারি ২০২৬ হালনাগাদ)। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার: ২,২৮,৮২৫ জন, নারী ভোটার: ২,৩২,১৭৪ জন, হিজড়া ভোটার: ১ জন। বিপুল সংখ্যক ভোটারের অংশগ্রহণে নির্বাচনকে ঘিরে পুরো আসনে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
    গোমস্তাপুরে সর্বোচ্চ কেন্দ্র, ঝুঁকিপূর্ণ ৩৭টি কেন্দ্র। গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ৪৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জাকির মুন্সী জানিয়েছেন, গোমস্তাপুর উপজেলায় মোট ৯০টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি কেন্দ্রকে অতিগুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ৬টি করে সিসি ক্যামেরা এবং অন্যান্য কেন্দ্রে ৪টি করে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবে। নাচোলে ৫৭ কেন্দ্র, গুরুত্বপূর্ণ ৩৭। নাচোল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার জানান, নাচোল উপজেলায় ৫৭টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ৬টি করে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মোবাইল টিম ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ভোলাহাটে ৩৭ কেন্দ্র, ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি কেন্দ্র। ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহীন মাহমুদ জানান, ভোলাহাট উপজেলায় মোট ৩৭টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নজরদারির অংশ হিসেবে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুরো আসনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও র‌্যাব মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল কোর্ট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে, যাতে কোনো অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা দ্রুত শনাক্ত ও প্রতিরোধ করা যায়। প্রশাসন ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ–২ আসনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হবে। ভোটারদের নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। সার্বিকভাবে বলা যায়, কঠোর নিরাপত্তা, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং প্রশাসনের তৎপরতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচন ঘিরে তৈরি হয়েছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের ব্যস্ততা। এখন অপেক্ষা ভোটের দিনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও ফলাফল এর।

  • পাবনায় ৭০২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৬৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

    পাবনায় ৭০২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৬৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

    পাবনায় ৭০২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৬৯টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

    ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে পাবনার পাঁচটি আসনে ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৭০২টি। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ২৬৯টি, আর সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩৩টি। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ৭৮টি আর কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ১৯১টি। পাবনা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের বিশেষ শাখা সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ভোট কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রশাসন। জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য মতে, পাবনা জেলায় ভোটগ্রহণে নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে প্রায় ১৩ হাজার সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী। এর মধ্যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৩১ জন, সেনাবাহিনী ১২০০ জন, পুলিশ ২৩০০ জন, র‌্যাব ১২০ জন, আনসার ৯ হাজার ১২৬ জন মোতায়ন থাকবে। পাবনার পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ বলেন, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে ১৩ জন আনসার সদস্য থাকবে। তার মধ্যে তিনজন থাকবে অস্ত্রধারী। ভোট কেন্দ্রের গুরুত্ব অনুযায়ী ২ থেকে ৫ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর বাইরে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব টহল থাকবে, স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। আর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গণ নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়াও সাদা পোশাকের পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা কাজ করবে। সবমিলিয়ে আমরা একটু সুন্দর ও নিরপেক্ষ শান্তিপূর্ন নির্বাচন পাবনাবাসীকে উপহার দিতে চাই। পাবনার পাঁচটি আসনে মোট ভোটার ২২ লাখ ৭৪ হাজার ৩১৯ জন। পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৬ জন। নারী ভোটারের সংখ্যা ১১ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৭ জন। এর মধ্যে পাবনা-০১ আসনে, লড়ছেন ৪ জন প্রার্থী। মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৭২৩ জন। ভোট কেন্দ্র ৯৪টি। পাবনা-০২ আসনে, রয়েছেন ৫ জন প্রার্থী। মোট ভোটার ৪ লাখ ৯২ হাজার ৪৭৬ জন। ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। পাবনা-০৩ আসনে, লড়ছেন ৮ জন প্রার্থী। মোট ভোটার ৪ লাখ ৮২ হাজার ৮০২ জন। ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। পাবনা-০৪ আসনে, ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৭ হাজার ১৪৫ জন। ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। পাবনা-০৫ আসনে, ৪ জন প্রার্থী লড়ছেন। মোট ভোটার ৫ লাখ ২৪ হাজার ১৭৩ জন। ভোট কেন্দ্র ১৬৩টি।

  • মাহেন্দ্র ও ট্রাক সংঘর্ষে ২ যুবক নিহত

    মাহেন্দ্র ও ট্রাক সংঘর্ষে ২ যুবক নিহত

    মাহেন্দ্র ও ট্রাক সংঘর্ষে ২ যুবক নিহত

    বাগেরহাটে মাহেন্দ্র ও পণ্যবাহি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত তিনজন। মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বাগেরহাট সদর উপজেলার চুলকাঠি চালতেতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার গোয়ালেরমেঠ গ্রামের জামির খানের ছেলে কাদের খান (২৭), একই উপজেলার দোয়ারিজারা গ্রামের রতন মোল্লার ছেলে লাবলু মোল্লা (৩০)। কাটাখালী হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাফর আহমেদ জানান, খুলনা-মোংলা মহাসড়কের চুলকাঠি চালতেতলা এলাকায় মোংলা থেকে ছেড়ে আসা পণ্যবাহি ট্রাকের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী মাহেন্দ্রের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহেন্দ্রে থাকা দুই যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এ সময় আহত হন আরও তিনজন। পুলিশ খবর পেয়ে দুইজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এছাড়া আহতদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে যায়।

  • নেত্রকোণায় ধানের শীষ ও ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের সংঘর্ষ ॥ আহত ৭

    নেত্রকোণায় ধানের শীষ ও ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের সংঘর্ষ ॥ আহত ৭

    নেত্রকোণায় ধানের শীষ ও ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের সংঘর্ষ ॥ আহত ৭

    নেত্রকোণা-৩ আসনে (কেন্দুয়া-আটপাড়া) ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকদের সংঘর্ষে অন্তত ৭জন আহত হয়েছেন। কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের গারাউন্দ গ্রামে মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে দুজনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গুরুত্বর আগতরা হলেন- গড়াডোবা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম ও ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য মোনতাজ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রামে এবং তারা বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম হিলালীর সমর্থক। স্থানীয়রা জানান, গারাউন্দ ও দেওপাড়া পাশাপাশি গ্রাম। নির্বাচন নিয়ে আলাপ-আলোচনার মধ্যে মঙ্গলবার রাতে যুবদল নেতা আব্দুল হালিম ও ঘোড়া প্রতীকের অনুসারী গারাউন্দ গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর মিয়ার মধ্যে তর্ক বাঁধে। এর জেরে এক পর্যায়ে ধানের শীষ ও ঘোড়া প্রতীকের অনুসারীরা সংঘর্ষে জড়ান। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা স্থানীয় হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। কেন্দুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মেহেদী মাকসুদ জানান, ঘটনাস্থলে রাতেই পুলিশ পাঠানো হয়। তাছাড়া সেনাসদস্যরাও ঘটনাস্থলে যান। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

  • রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার পোস্টাল ভোট

    রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার পোস্টাল ভোট

    রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার পোস্টাল ভোট

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে দেশে ও দেশের বাইরে থেকে আসা ৮ লাখ ৮৩ হাজার পোস্টাল ভোট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছেছে। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রবাসীদের জন্য ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে ভোট দিয়ে দেশে পাঠানো হয়েছে ৪ লাখ ৮১ হাজার ১৮৫ জন। আর রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে পৌঁছেছে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৩৬ জন। এদিকে দেশের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮৯৮ জনের কাছে ব্যালট পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ভোট দিতে ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন ৪ লাখ ৩৮ হাজার ৯৫১ জনের। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হাতে আসা পোস্টাল ব্যালট পেপার গণনা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে প্রবাসী ভোটের তথ্য (বুধবার সকাল সোয়া ৯টা পর্যন্ত)। ব্যালট সংশ্লিষ্ট গন্তব্যের দেশে পৌঁছেছে: ৭,৬৬,৮৬২, ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন: ৫,২৮,৫৭৯, ভোট দিয়েছেন: ৫,১৫,৬১৯ জন, ভোটার সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে জমা দিয়েছেন ৫,০৭,৩২৭ জন। ব্যালট বাংলাদেশে পৌঁছেছে: ৪,৮১,১৮৫, রিটার্নিং কর্মকর্তা ব্যালট গ্রহণ করেছেনঃ ৪,৪৪,৪৩৬টি পোস্টাল ভোট। ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে দেশের ভেতরের ভোটারদের ভোটদান কার্যক্রমের তথ্য (বুধবার সকাল সোয়া ৯টা পর্যন্ত), বিডি পোস্টের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পাঠানো ব্যালট: ৭,৬০,৮৯৮, ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন: ৬,১০,৬৫০, ভোট দিয়েছেন: ৫,৮০,৬৬৫, ভোটার পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে জমা দিয়েছে: ৫,৬১,১৩৯, রিটার্নিং কর্মকর্তা ব্যালট গ্রহণ করেছেন: ৪,৩৮,৯৫১। ১২ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতি আসনে ৪০০ পোস্টাল ব্যালটের জন্য একটি করে বাক্স রাখা হচ্ছে। এবার ৩০০ আসনে প্রবাসে ও দেশে ১৫ লাখেরও বেশি নাগরিক পোস্টাল ভোটিংয়ে নিবন্ধন করেছেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকালে সাড়ে ৪টার মধ্যে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাদের ব্যালট পেপার পৌঁছাবে, তাদের ব্যালট গণনা করা হবে।

  • গাইবান্ধার পাঁচটি আসনে কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সামগ্রী বিতরণ

    গাইবান্ধার পাঁচটি আসনে কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সামগ্রী বিতরণ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কঠোর নিরাপত্তা

    গাইবান্ধার পাঁচটি আসনে কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সামগ্রী বিতরণ

    কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স সহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী পাঠানো হয়েছে। বুধবার দুপুরে রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়। জেলার মোট ৫টি সংসদীয় আসনে বিএনপি জামায়াত, জাতীয় পাটি সহ বিভিন্ন দলের মোট ৪০ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু শান্তিপূর্ন করতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবিসহ বিভিন্ন আইনশৃৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত রয়েছেন। এবার গাইবান্ধার সাত উপজেলা ও চারটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত পাঁচটি আসনে মোট ভোটার ২১ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ জন। ভোটার হাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ৮২ হাজার ৪০১ জন, নারী ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩৬ জন। জেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ৬৭৫টি এবং ভোটকক্ষ ৪ হাজার ১০১টি।
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কঠোর নিরাপত্তা
    গাইবান্ধার পাঁচটি আসনে কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সামগ্রী বিতরণ
    গাইবান্ধা প্রতিনিধি ॥ কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স সহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী পাঠানো হয়েছে। বুধবার দুপুরে রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়। জেলার মোট ৫টি সংসদীয় আসনে বিএনপি জামায়াত, জাতীয় পাটি সহ বিভিন্ন দলের মোট ৪০ প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু শান্তিপূর্ন করতে সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবিসহ বিভিন্ন আইনশৃৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত রয়েছেন। এবার গাইবান্ধার সাত উপজেলা ও চারটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত পাঁচটি আসনে মোট ভোটার ২১ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ জন। ভোটার হাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ৮২ হাজার ৪০১ জন, নারী ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩৬ জন। জেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ৬৭৫টি এবং ভোটকক্ষ ৪ হাজার ১০১টি।

  • বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ তারেক রহমানের

    বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ তারেক রহমানের

    বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ তারেক রহমানের

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কবরের পাশে দাঁড়িয়ে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন তারেক রহমান। এর আগে, এদিনে ঢাকার আটটি স্থানে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেন তিনি। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই প্রচারণায় বিএনপি চেয়ারম্যান বক্তব্য দিয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে-বিভাগীয় শহর থেকে প্রত্যন্ত জনপদে। ১৯ দিনে তিনি মোট ৪৩টি জনসভা ও পথসভায় অংশ নিয়েছেন। প্রতিটি সভায় ধানের শীষে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি তুলে ধরেছেন বিএনপির রাষ্ট্রচিন্তা, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ও সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ১৫টি আসনে একের পর এক জনসভা করেছেন-মিরপুর, পল্লবী, তেজগাঁও, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী, লালবাগ। বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ মাঠে শেষ দিকের জনসভা। প্রচারের ব্যস্ততা থামে সেখানেই। প্রচারণা শেষে তারেক রহমান যান মা ও বাবার কবর জিয়ারতে। তাঁর নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়েছিল হজরত শাহজালালের মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে, তা শেষ হলো মা-বাবার কবর জিয়ারত করে।

  • নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ॥ প্রার্থী ২০৩৪

    নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ॥ প্রার্থী ২০৩৪

    নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ॥ প্রার্থী ২০৩৪

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দেবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন ভোটার। প্রার্থী সংখ্যা ২০৩৪ জন। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইসি’র তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন। এছাড়া, তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২২০ জন। ৩০০ আসনের মধ্যে সবচেয়ে কম ভোটার ঝালকাঠি-১ আসনে (২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন) এবং সর্বোচ্চ ভোটার গাজীপুর-২ আসনে (৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন)। নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) এবং নির্বাচনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব মো: সাইফুল ইসলাম বাসসকে জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন ২৭৫ জন। ইসি সূত্রে আরও জানা যায়, দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি; ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন ২৯১ জন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ জন প্রার্থী দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা)। এছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির ১৯৮ জন (লাঙ্গল) এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র ৩২ জন (শাপলা কলি) প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি’র বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি’র বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ

    নির্বাচন সামনে রেখে সীমান্তে কঠোর অভিযান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি’র বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এরই অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করেছে। একই রাতে অপর একটি অভিযানে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চরবাগডাঙ্গা বিওপি এলাকা থেকে ৪টি গরু জব্দ করা হয়। যার আনুমনিক সিজার মূল্য ১০ লক্ষ টাকা।

    মঙ্গলবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবি সদর দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। ৫৩ বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ১০ ফেব্রুয়ারি/২৬ ভোররাত ৫টা থেকে থেকে সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রায় ২০০ রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের গুলি, ৪টি ম্যাগাজিন,

    ৩০ রাউন্ড ৯ এমএম গুলি, বিস্ফোরক দ্রব্যসহ সন্দেহজনক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এছাড়া, একই সময়ে সারাদেশে পরিচালিত অভিযানে বিজিবি উদ্ধার করেছে, ৪টি বিদেশি পিস্তল, ৪টি ম্যাগাজিন, ৫৪৫ রাউন্ড বিভিন্ন ক্যালিবারের গুলি, ৪টি হ্যান্ড গ্রেনেড, ২০ কেজি গান পাউডার এবং অন্যান্য অস্ত্রসামগ্রী। এসব অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৩ বিজিবি) আওতায় আলাদাভাবে ১৩ কেজি বিস্ফোরক, ৩টি বিদেশি পিস্তল, ৩টি ম্যাগাজিন ও ২৯ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।

    বিজিবি সূত্র জানায়, নির্বাচনকে ঘিরে দেশের অভ্যন্তরে নাশকতা ও সহিংসতা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র পাচার ঠেকাতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিজিবি কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানায়, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যে কোনো ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে দমন করা হবে।