Blog

  • রাজশাহী-১ আসনে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বিজয়ী

    রাজশাহী-১ আসনে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বিজয়ী

    রাজশাহী-১ আসনে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বিজয়ী

    উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে রাজশাহী-১ গোদাগাড়ীতে মোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দীতা করেছেন। ভোটের ফলাফলে (দাঁড়িপাল্লা) প্রতীক অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ভোট পেয়েছেন গোদাগাড়ীতে ১,০৭,৪৬০, তানোরে ৬২৩২৪ ভোটসহ মোট ১,৬৯,৭৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী (ধানের শীষ) প্রতীক ভোট পেয়েছেন গোদাগাড়ীতে ১০৩৩৩৬, তানোরে ৬৫৬৭৪ ভোটসহ মোট পেয়েছেন ১,৬৯,০১০ ভোট। ৪১২৪ ভোট বেশি পেয়ে অধ্যাপক মুজিবুর রহমানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন ১০ দলীয় জোটের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীন (ধানের শীষ), গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মির মো. শাহজাহান (ট্রাক প্রতীক), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)র ড. মো. আব্দুর রহমান (ঈগল), মো. আল-সায়াত (স্বতন্ত্র) (মোবাইল ফোন) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন। রাজশাহ-১ গোদাগাড়ী-তানোর আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,৬৪,৭০৪, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২,৩০,৮৮৪, নারী ভোটার ২,৩০,৮১৭ এবং হিজরা ৩ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১৫৯টি।

  • নওগাঁ-১ আসনে কেন্দ্রে কেন্দ্রে নারী ভোটারের ঢল

    নওগাঁ-১ আসনে কেন্দ্রে কেন্দ্রে নারী ভোটারের ঢল

    নওগাঁ-১ আসনে কেন্দ্রে কেন্দ্রে নারী ভোটারের ঢল

    নওগাঁ -১ (নিয়ামতপুর, পোরশা, সাপাহার) আসনে ১৬৫ টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে একযোগে ভোট গ্রহন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০মিনিট থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এতে পুরুষ ভোটারদের পাশাপাশি অনেক নারী ভোটারদের লম্বা লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়। জানা যায়, নিয়ামতপুর উপজেলায় ২ লাখ ১৮ হাজার ০৭৪ জন ভোটার রয়েছে। নিয়ামতপুরে ৭৫ টি ভোট কেন্দ্রের ৪৫২ টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ হয়। নিয়ামতপুর উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় নারী ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি। সকাল থেকেই নারী-পুরুষ সবাই লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে ভোট দিচ্ছেন। নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোর্শেদা খাতুন বলেন, সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। কোথাও কোনো সমস্যা হয়নি। উপজেলার বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত প্রায় ৩০- ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে নি। উল্লেখ্য, নওগাঁ -১ আসন (নিয়ামতপুর, পোরশা, সাপাহার) ভোটকেন্দ্রের সংখ্যার -১৬৫ টি। মোট ভোটার সংখ্যা ৪৭৪০৬৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২৩৫৩৭৭ জন ও মহিলা ভোটার সংখ্যা ২৩৮৬৮৪জন এবং হিজড়া ভোটার সংখ্যা ৩ জন।

  • গাইবান্ধায় ভোট দিতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

    গাইবান্ধায় ভোট দিতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

    গাইবান্ধায় ভোট দিতে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু

    গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে গিয়ে ৬৪ বছর বয়সী বাশেদ আলী মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ওসমানেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে এই ঘটনা ঘটে। নিহত বাশেদ আলী মধ্য ওসমানেরপাড়া কুদ্দুর আলীর ছেলে এবং পেশায় কৃষক ছিলেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সকালে ভোট দিতে কেন্দ্রে যান বাশেদ আলী। ভোট দেওয়ার পর কেন্দ্রে থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে যাওয়ার পর তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মাটিতে লুটে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন। ওসমানেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জহুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল কবির জানিয়েছেন, স্বাভাবিক কারণেই বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

  • টাংগাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে বিজয়ী হলেন যাঁরা

    টাংগাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে বিজয়ী হলেন যাঁরা

    টাংগাইলের ৮টি সংসদীয় আসনে বিজয়ী হলেন যাঁরা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এ টাংগাইলের ৮ টি আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির ৭জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। নির্বাতি হয়েছেন টাঙ্গাইল-১ স্বপন ফকির (বিএনপি), টাঙ্গাইল-২ আব্দুস সালাম পিন্টু (বিএনপি), টাঙ্গাইল-৩ লুৎফর রহমান খান আজাদ (স্বতন্ত্র- হোন্ডা), টাঙ্গাইল- ৪ লুৎফর রহমান মতিন (বিএনপি), টাঙ্গাইল-৫ সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু (বিএনপি), টাঙ্গাইল-৬ রবিউল আউয়াল লাভলু (বিএনপি), টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদসিদ্দিকী (বিএনপি), টাঙ্গাইল-৮ অ্যাডভোকেট আজম খান (বিএনপি)। টাঙ্গাইলের সকল আসনে স্বতষ্ফুর্ত, উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট প্রদান করেন ভোটাররা।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ ॥ চলছে গণনা-গণনা শেষে ফলাফল

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ ॥ চলছে গণনা-গণনা শেষে ফলাফল

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ ॥ চলছে গণনা-গণনা শেষে ফলাফল

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। শুরু হয়েছে ভোট গণনার কাজ। গণনা শুরু হয়েছে পোস্টাল ভোটও। জেলার কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ৩টি আসনে অংশগ্রহণকারী বিএনপি-জামায়াতসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীগণ।

    জেলার ৫১৫টি কেন্দ্রে ভোট গণনা কার্যক্রম শুরু হয়েছে কেন্দ্রগুলোতে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত পোস্টাল ভোটের কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৫টার পরই পোস্টাল ভোট গণনার কাজ শুরু হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ পোস্টাল ভোট গণনা করছেন। জাতীয় সংসদ ভোট এবং গণভোট এর ফলাফল জানতে ভোটারদের অপেক্ষা করতে হবে ভোট গণণা শেষে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এখন চলছে ভোট গণনা।

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আগেই নেওয়া হয়েছিল ব্যাপক প্রস্তুতি। জেলার তিনটি আসনের মোট ৫১৫টি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ সকল নির্বাচনী সামগ্রী আগের দিন বুধবার বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ১১৫টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। জেলার সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে মাঠে দায়িত্ব পালন করেন ১৫ প্লাটুন বিজিবি, ১৭টি সেনাবাহিনী দল, ২২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যগণ। এছাড়া ১ হাজার ৭২ জন পুলিশ সদস্য ও আনসার বাহিনীর প্রায় ৭ হাজার সদস্য ভোটকেন্দ্র ও আশপাশে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

    এবার জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৪ লাখ ২৯ হাজার ৬৬০ জন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৮২০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার-২ লক্ষ ৫০ হাজার ২১৫জন, মহিলা ভোটার-২ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬০৫জন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে ১৫ টি ইউনিয়ন ও ০১ টি পৌরসভায় মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৯টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা-৯৩৬টি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর, নাচোল, ভোলাহাট)) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৭২জন। পুরুষ ভোটার-২ লক্ষ ২৫ হাজার ৪৪২জন, মহিলা ভোটার-২ লক্ষ ৩০ হাজার ৯২৯জন এবং হিজড়া ভোটার ০১জন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে ১৬টি ইউনিয়ন ও ০২টি পৌরসভায় মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৮৪টি এবং ভোট কক্ষের সংখ্যা ৮৭৭টি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে মোট ভোটার ৪ লক্ষ ৬০ হাজার ৮০৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার-২ লক্ষ ৩০ হাজার ১১৫জন এবং মহিলা ভোটার-২ লক্ষ ৩০ হাজার ৬৯০জন। চাঁপাইনবাগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে ০১ টি পৌারসভা ও ১৪ ইউনিয়নে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৭২টি ও ভোট কক্ষের সংখ্যা-৯২৮টি। তিনটি আসনেই বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের মোট ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ জানান, “চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোট গণনা শেষে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।”
    উৎসবমূখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় জেলায় নির্বাচনে অংগ্রহণকারী প্রার্থীগণ, ভোটারগণ ও ভোট গ্রহণ কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকলকে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ। উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীসহ ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১ (শিবগঞ্জ) আসনে-ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোঃ শাহজাহান মিঞা, দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ড. কেরামত আলী, লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে মোঃ আফজাল হোসেন, মোমবাতি প্রতীক নিয়ে নবাব মোঃ শামসুল হোদা, ছড়ি প্রতীক নিয়ে মোঃ আব্দুল হালিম, হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মোঃ মনিরুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর, নাচোল, ভোলাহাট) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আলহাজ্ব মোঃ আমিনুল ইসলাম, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মুঃ মিজানুর রহমান, লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে মুঃ খুরশিদ আলম,

    হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মোঃ ইব্রাহিম খলিল, কাস্তে প্রতীক নিয়ে মোঃ সাদেকুল ইসলাম। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোঃ হারুনুর রশীদ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোঃ নুরুল ইসলাম বুলবুল, ট্রাক প্রতীক নিয়ে মোঃ শফিকুল ইসলাম, হাতপাখা প্রতীক নিয়ে মোঃ মনিরুল ইসলাম, তারা প্রতীক নিয়ে মোঃ ফজলুর ইসলাম খাঁন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে কে জয়ের মালা পরবে, এটা জানতে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত ভোটার ও সমর্থকদের অপেক্ষা করতে হবে। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর নির্ভয়ে-নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট প্রদান শেষ হয়েছে, ফলাফল ঘোষণা কার্যক্রমও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা জেলার সাধারণ ভোটারগণ এবং বিশিষ্টজনদের।

  • স্বপরিবারে ঢাকার গুলশান কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তারেক রহমান

    স্বপরিবারে ঢাকার গুলশান কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তারেক রহমান

    স্বপরিবারে ঢাকার গুলশান কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তারেক রহমান

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভোট দিয়েছেন গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে। এ সময় তার সাথে ছিলেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে তিনি সপরিবারে গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ সেন্টারের দ্বিতীয় তলার একটি কেন্দ্রের বুথে ভোট দেন। ভোটকেন্দ্রটি তার বাসার পাশেই অবস্থিত। ঢাকা-১৭ আসনে তার সমর্থনে শেষ মুহূর্তে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বী ভোট থেকে সরে দাঁড়ান। তাদের মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, ডাব প্রতীকের শামীম আহমেদ, আনারস প্রতীকের মো. রাশেদুল হক এবং আপেল প্রতীকের মঞ্জুর হুমায়ুন। এছাড়া নিবন্ধিত বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য টেলিভিশন প্রতীকের আবুল কালাম আজাদও তারেক রহমানকে সমর্থন দিয়েছেন। গুলশানের এই ভোট কেন্দ্রে তারেক প্রথমবার ভোট দিলেন। এর আগে ২০০১ সালে তিনি ঢাকা সেনানিবাসের আদমজী স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ভোটার ছিলেন। তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী, একই সঙ্গে তিনি বগুড়া-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তারেক রহমানের সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমান। জাইমা এবারই প্রথম ভোটার হয়েছেন। ভোট কেন্দ্রে বিএনপি চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন তার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট আবদুস সালাম ও অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার। এসময় স্থানীয় বিএনপি কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সংসদ নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকাণ্ডে আমরা সন্তুষ্ট-জামায়াত আমির

    সংসদ নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকাণ্ডে আমরা সন্তুষ্ট-জামায়াত আমির

    সংসদ নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকাণ্ডে আমরা সন্তুষ্ট-জামায়াত আমির

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকাণ্ডে আমরা সন্তুষ্ট। ভোটগ্রহণ শেষেও ফল প্রকাশ পর্যন্ত তাদের এই ভূমিকার প্রত্যাশা করছি। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজ নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। জামায়াত আমির বলেন, যে চেতনার প্রতি সম্মান রেখে দেশে জুলাই নেমে এসেছিল। সেই চেতনার বিজয় হবে আজকের নির্বাচনে। ফ্যাসিবাদবিরোধী সব আত্মদানের সম্মিলিত ফসল আজকের নির্বাচন। তবে তিনি বলেন, মিরপুরের একটি কেন্দ্রে বিরোধী প্রার্থীর সমর্থকারা আমার সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটিয়েছে। এছাড়া দেশব্যাপী বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্র দখল করে নেয়া হয়েছে। এক জায়গায় আমাদের প্রার্থীর ওপরও চড়াও হয়েছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভোট সুষ্ঠু হয়েছে বলে আমরা মানতে পারবো না। সংবাদ সম্মেলনে ডা. শফিকুর রহমান দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোট গ্রহণে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। বিশেষ করে লাকসাম, ভোলার লালমোহন এবং ঢাকার কিছু কেন্দ্রে ভোটারদের বাধা দেওয়া এবং প্রিজাইডিং অফিসারের উপস্থিতিতে অনিয়মের খবর পাওয়া গেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি কেন্দ্রেও যদি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তবে তা গ্রহণযোগ্য নয়। কিছু জায়গায় প্রিজাইডিং অফিসার নিজেই ব্যালটে সিল মারছেন বলে অভিযোগ পেয়েছি, যা আমরা খতিয়ে দেখছি। নোয়াখালীর হাতিয়াসহ বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ ও পোলিং এজেন্ট নিয়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু জায়গায় আমাদের কর্মীরা আক্রান্ত ও রক্তাক্ত হয়েছেন। তবে বড় ধরনের কোনো ভায়োলেন্স এখন পর্যন্ত হয়নি। একই বুথে একাধিক পোলিং এজেন্টের উপস্থিতিকে তিনি ‘স্থানান্তর বা শিফটিং’ সংক্রান্ত সাধারণ বিষয় হিসেবে অভিহিত করেন এবং এগুলোকে ‘সিস্টেমেটিক’ কোনো সমস্যা নয় বরং ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বলে মন্তব্য করেন। সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট চলছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ভোর থেকেই কেন্দ্রে আসতে থাকেন ভোটাররা। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে ২৯৯ সংসদীয় আসনে ভোট দেবেন ভোটাররা। দেশের মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ থাকবে। এবারের নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। এই নির্বাচনে মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী সংখ্যা ১ হাজার ৭৫৫ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। নারী প্রার্থী ৮৩ জন (দলীয় ৬৩ জন এবং স্বতন্ত্র ২০ জন)। এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দেশের ২৯৯টি আসনের ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং হিজড়া ১ হাজার ২৩২ জন।

  • রাজশাহীতে বিএনপি কর্মীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা

    রাজশাহীতে বিএনপি কর্মীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা

    রাজশাহীতে বিএনপি কর্মীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা

    রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায় প্রকাশ্যে দিন-দুপুরে এক বিএনপির কর্মীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাস্তায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় গুরুতর আহত বিএনপি কর্মী বিরাজ আলীকে (৪৭) প্রথমে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি চারঘাটের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা। ভিকটিম নিজে এই হামলার জন্য জামায়াত-শিবিরকে দায়ী করেছেন। তবে উপজেলা জামায়াতের আমির তা অস্বীকার করেছেন। জানা গেছে, রামচন্দ্রপুর গ্রামেই বিরাজ আলীর একটি দোকান রয়েছে। এর পাশে তিনি রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদের একটি নির্বাচনী কার্যালয় চালাতেন। বিরাজ আলী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য বলে তিনি রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। দুর্বৃত্তদের হামলায় তার হাতে ও পায়ে গুরুতর জখম হয়েছে। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে আনার পর তার হাতে ও পায়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। তিনি এখন হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, বিরাজ আলীর দুই পায়ে হাঁটুর নিচে এবং দুই হাতে ধারালো অস্ত্রের জখম ছিল। আমাদের চিকিৎসক অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে একটি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। রামেক হাসপাতালে থাকা বিরাজ আলী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ঘটনার ব্যাপারে আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। ঘাস কাইটি যাচ্ছিলাম সাইকেল লিয়া। এক লোক জামায়াত-শিবির করে, লোক দেখি বুঝা গেল। হেলমেট মাথার মধ্যি ঢুকাল, আমি মুনে করছি একা খালি হাতে দাঁড়া আছে। আমি যাচ্ছি। যাতি লাগলেই হঠাৎ করি সাইকেলের ওপর বাড়ি মারল। আমি পড়ি গেলাম। এরপর কুপায় যাচ্ছে, আমি ঠেকায় যাচ্ছি। ঠেকাতে ঠেকাতে হাত কাইটি গেছে। তারপর পা কুপাইতে শুরু করিছে। লোকজন আসার পরে মোটরসাইকেল টান দিয়ি চলি গেছে।’ কারা এই হামলা করতে পারে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা জামাতের-শিবিরের লোক ছাড়া কেউ করেনি। আমার ছোটখাটো দোকান আছে, ব্যবসাপাতি করি। আমার দোকানে আবু সাঈদ চাঁদের ব্যানার লাগাইছি। দু’দশজন ছেলি লিয়া একটা ভোটের অফিস চালাই।’ অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আইয়ুব আলী বলেন, ‘ঘটনা শুনেছি। উনি ভালো মানুষ। নির্ঝঞ্ঝাট মানুষ হিসেবে পরিচিত। মুখ বেঁধে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাইছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনোভাবেই জড়িত নয়। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই। আমরা প্রশাসনকে বলেছি দোষী ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে। আপনাদেরও বলছি। দোষী ব্যক্তিকে খুঁজে আইনের আওতায় আনা হোক।’ চারঘাট থানার ওসি হেলাল উদ্দিন ফারুকী বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কোনো উত্তেজনা নেই। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।

  • জীবনের প্রথম ভোট দিলেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি প্রার্থী নুর

    জীবনের প্রথম ভোট দিলেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি প্রার্থী নুর

    জীবনের প্রথম ভোট দিলেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি প্রার্থী নুর

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জীবনের প্রথম ভোট দিয়েছেন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টার দিকে তিনি গলাচিপা মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট দেওয়ার পর কেন্দ্রের পরিবেশ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। নুর বলেন, ‘৩৩ বছর বয়সে জাতীয় নির্বাচনে জীবনে এই প্রথম ভোট দিলাম এবং আমি নিজেই প্রার্থী। দীর্ঘদিন পর দেশের মানুষ অংশগ্রহণমূলক ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, এটাই বড় অর্জন। আশা করছি, দিন শেষে জনগণের রায়ই প্রতিফলিত হবে।’ পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৫ লাখ ৯ হাজার ৫৮৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ লাখ ৬১ হাজার ৯৮৬ জন, নারী ভোটার ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৮ জন। পটুয়াখালী জেলায় স্থায়ী ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৫১৩টি। স্থায়ী ভোটকক্ষ ২ হাজার ৮৯০টি এবং অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র ২৪৬টি। মোট ভোটকক্ষের সংখ্যা ৩ হাজার ১৩৬টি। জেলার ৮টি উপজেলা, ৫টি পৌরসভা ও ৭৭টি ইউনিয়নে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ॥ আহত ৩

    গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ॥ আহত ৩

    গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ॥ আহত ৩

    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রেশমা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালীন ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই আনসার সদস্যসহ এক শিশু আহত হয়েছেন। এছাড়া কেন্দ্রের মূল ফটকও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় দায়িত্বপ্রাপ্তরা জানায়, সকাল ৯টার দিকে দুর্বৃত্তরা ভোটকেন্দ্র লক্ষ্য করে বাইরে খালের ওপার থেকে ককটেল নিক্ষেপ করে। বিস্ফোরণের ফলে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরত আনসার সদস্য সুকন্ঠ মজুমদার ও সেকশন কমান্ডার জামাল হোসেন আহত হন। এছাড়া একজন ভোটারের সঙ্গে আসা ১৩ বছরের শিশু আমেনা খানমও আহত হয়। ভোট কেন্দ্রে থাকা এস.আই জাহিদুল ইসলাম জানান, “ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছিল, হঠাৎ এই ঘটনা ঘটায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। আমরা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।