Blog

  • সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী দই মেলা

    সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী দই মেলা

    চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিদ্যাদেবী সরস্বতী পূজা উপলক্ষে শুক্রবার দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী দই মেলা। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই তাড়াশের জমিদারবাড়ির সামনে রসিক রায় মন্দিরসংলগ্ন পৌর বাজার ঈদগা মাঠে এই মেলাতে দোকানিরা দইয়ের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। আর দই কিনতে ভীর জমাচ্ছেন হিন্দু মুসলমান সহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ। ঐতিহ্যবাহী এই দই মেলায় তাড়াশ, শেরপুর, রায়গঞ্জ, পাবনা এলাকার সহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দইয়ের দোকান নিয়ে আসেন নামী দামী ঘোসেরা। মেলায় দইয়ের পাশাপাশি খই, চিড়া, মুড়ি, মুড়কি, বাতাসা, কদমা, মিষ্টিসহ বিভিন্ন মিষ্টান্নও বেচাকেনা হয়। দইমেলায় আসা এ অঞ্চলের দইয়ের স্বাদের কারণে নামেরও ভিন্নতা আছে। যেমন ক্ষীরসা দই, শাহী দই, শেরপুরের দই, বগুড়ার দই, টক দই, শ্রীপুরী দইসহ কত বাহারি নাম। নাম ও দামেও রয়েছে হেরফের। বিশেষ করে বগুড়ার শেরপুর, রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা, গুরুদাসপুরের শ্রীপুর, উল্লাপাড়ার ধরইল, চাটমোহরের হান্ডিয়াল ও তাড়াশের দই প্রচুর পরিমাণে বিক্রি হয়। মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন এলাকার থেকে আসা ঘোষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দুধের দাম, জ্বালানি ও শ্রমিকের খরচ, দইয়ের পাত্রের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দইয়ের দামও বেড়েছে। তবে বার্ষিক এ মেলায় আসতে পেরে তাঁরা খুশি। বংশপরাক্রমে চলছে তাদের এ ব্যবসা। ‎সিরাজগঞ্জ জেলা পুঁজা উৎযাপন পরিষদের যুগ্ন সম্পাদক ও তাড়াশ উপজেলা সনাতন সংস্থার সভাপতি তপন কুমার গোস্বামী বলেন, আমরা পুর্ব পুরুষ হতে ঐতিহাসিক এই দই মেলায় উৎসব পালন করি। আত্মীয় স্বজনেরা মেলা উপলক্ষে আমন্ত্রণে আসে। সকল ধর্মের মানুষ একত্রে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

  • ময়মনসিংহে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও শীতবস্ত্র বিতরণ

    ময়মনসিংহে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও শীতবস্ত্র বিতরণ

    সেনা প্রধানের নির্দেশনায় ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার হাজী কাশেম আলী মহিলা কলেজে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা ও ময়মনসিংহ শারিরিক শিক্ষা কলেজে শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারী) সকালে ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ও ঘটাইল এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহা: হোসাইন আল মোরশেদ এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং শীতার্ত নারী-পুরুষদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। এসময় ৭৭ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার জেনারেল মালিক সামস উদ্দিন মুহাম্মদ মঈনসহ ঘাটাইল ও ময়মনসিংহের সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ২৫০ জন গরীব ও অসহায় ব্যক্তিদের বিনামূল্যে ওষুধ, চশমা, চিকিৎসা প্রদান ও ৫’শ গরীব ও অসহায় ব্যক্তিদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। গরীব ও অসহায় ব্যক্তিরা বিনামূল্যে ওষুধ, চশমা, চিকিৎসা এবং শীতবস্ত্র পেয়ে সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
    ছবি টানতে হবে।

  • শাহজাদপুরে তেলবাহী ট্যাংকলরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোকানে ॥ আহত ৫

    শাহজাদপুরে তেলবাহী ট্যাংকলরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোকানে ॥ আহত ৫

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে একটি তেলবাহী ট্যাংকলরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের মুদি দোকানে ঢুকে পড়ার ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। এতে দোকানে অবস্থানরত একজনের পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং আরও অন্তত ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের সরিষাকোল বাজার এলাকায় বগুড়া-নগরবাড়ি মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শাহজাদপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় সেলিম মোল্লার মুদি দোকানে বসে কয়েকজন চা পান করছিলেন। এসময় বাঘাবাড়ি থেকে ছেড়ে আসা একটি দ্রুতগামী তেলবাহী ট্যাংকলরির চাকা ফেটে গেলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। মুহূর্তের মধ্যে ট্যাংকলরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সরাসরি দোকানের ভেতরে ঢুকে পড়ে। এতে দোকানে থাকা ৫ জন গুরুতর আহত হন, যার মধ্যে একজনের পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আহতরা হলেন, বাবু সরকার, শাহান, শওকত, সেলিম ও নূর মোহাম্মদ। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। শাহজাদপুর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা পারভেজ হোসেন জানান, খবর পেয়ে একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার এস.আই আরব আলী সংবাদকর্মীদের জানান, দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আহতদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ট্যাংকলরিটির চাকা ফেটে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

  • ‘উন্নয়নের নামে দেশের অর্থ লুটপাট করা হয়েছে’-সিলেটে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান

    দেখেছি আমি-ডামি আর নিশি রাতের নির্বাচন-দেশবিরোধীদের কর্মকান্ডও

    ‘উন্নয়নের নামে দেশের অর্থ লুটপাট করা হয়েছে’-সিলেটে নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় গিয়ে সিলেটে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “আমরা দেখেছি বিগত ১৫-১৬ বছরে উন্নয়নের নাম করে কীভাবে দেশের মানুষের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে। আজকে এই যে ঢাকা থেকে সিলেট বা সিলেট থেকে ঢাকার যে মহাসড়ক, ২০০৫ সালে আমি এসেছিলাম সুনামগঞ্জে, বন্যা হয়েছিল। আমার আসতে লেগেছিল সাড়ে ৪ ঘণ্টার মতো। কিন্তু আজ আজ আমরা দেখি ১০ ঘণ্টার মতন সময় লাগে। সিলেটের এই পূণ্যভূমির মানুষ বহু মানুষ আছেন, যারা লন্ডনে যাতায়াত করেন, লন্ডন যেতেও এত সময় লাগে না প্লেনে করে যেতেও-এই হচ্ছে আজকে উন্নয়নের ফিরিস্তি। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট নগরীর সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, “গত ১৫-১৬ বছরে আমরা দেখেছি, কীভাবে একের পর এক নির্বাচনে ব্যালট বক্স ছিনতাই হয়েছে; কীভাবে আমি-ডামির নির্বাচন হয়েছে; কীভাবে নিশি রাতের নির্বাচন হয়েছে। এবং এই নির্বাচনগুলোর মাধ্যমে তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার তথা রাজনৈতিক অধিকারকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আজ আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি, সেই মানুষগুলোর জীবনের বিনিময়ে, যারা আমাদের সকলের জন্য রাজপথে নেমে এসেছিল।

    “আমরা একত্রিত হয়েছি সেই মানুষগুলোর জীবনের বিনিময়ে- যারা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছে, অত্যাচারিত হয়েছে। বাংলাদেশের সেই মানুষগুলোর জীবনের বিনিময়ে আজ আমরা আবার এই রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পাওয়ার অধিকার আদায়ের পথে নেমেছি।” এ জনসভার মধ্য দিয়ে নির্বাচনি প্রচারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা করলেন তারেক রহমান। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমান এবং সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও প্রতিবার নির্বাচনের আগে মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি সিলেটে প্রথম নির্বাচনি জনসভা করতেন। বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “প্রিয় ভাই-বোনেরা, সেজন্যই আমরা বলতে চাই- টেক ব্যাক বাংলাদেশ। টেক ব্যাক বাংলাদেশের লক্ষ্যই হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের অধিকার আদায় করা। সেজন্যই আমরা ২১ দফার কর্মসূচি দিয়েছি। এই ২১ দফার কর্মসূচির মাধ্যমে ইনশাল্লাহ আগামী দিনে বিএনপি সরকার গঠিত হলে আমরা এই ২১ দফার মাধ্যমে এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করতে চাই। “আমরা ফ্যামিলি কার্ড করতে চাই। প্রতিটি পরিবারকে আমরা ফ্যামিলি কার্ড দিতে চাই- তাদেরকে সাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য। তিনি বলেন, “এখানে আপনাদের যাদের সংসার আছে, যেন-স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে সংসার সুন্দর হয়। যাতে আমাদের মায়েরা আপনাদের পাশে বোনেরা আপনাদের পাশে থেকে সংসারকে সচ্ছলভাবে গড়ে তুলতে পারে। আমরা গ্রামে গ্রামে, শহরে শহরে সকল দুস্থ পরিবার যারা আছে; মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত সকল পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আপনার পরিবার, আপনার মা বা আপনার স্ত্রী আপনার বোনের মাধ্যমে আপনার পরিবার সহযোগিতা পাবে। কিন্তু এই ফ্যামিলি কার্ডকে যদি বাস্তবায়ন করতে হয়, তাহলে কী করতে হবে? ধানের শীষকে জয় যুক্ত করতে হবে, আপনারা পারবেন? ইনশাআল্লাহ।” তিনি আরও বলেন, আমরা দেশকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করেছি, এখন মানুষের অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু ভোট, শুধু কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করলে হবে না; মানুষকে সাবলম্বী করে নিজের পায়ে গড়ে তোলার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রত্যেকটি মানুষ বাংলাদেশের মানুষ যাতে ঠিকভাবে ভালোভাবে খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকতে পারে। প্রত্যেকটি মানুষ যাতে নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে হবে। সেটিই হচ্ছে টেক ব্যাক বাংলাদেশ। তারেক রহমান বলেন, প্রিয় ভাই-বোনেরা, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ, যে যুদ্ধে লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি। সেই মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাদের ভূমিকার কারণে এই দেশের লক্ষ লক্ষ ভাইয়েরা শহীদ হয়েছে। এই দেশের লক্ষ লক্ষ মা বোনেরা- তাদের সম্মানহানি হয়েছে, কাজেই তাদেরকে তো বাংলাদেশের মানুষ ইতোমধ্যেই দেখেই নিয়েছে। এই কুফরির বিরুদ্ধে, এই হটকারিতার বিরুদ্ধে, এই মিথ্যার বিরুদ্ধে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এসময় জনসভাস্থল জনসমুদ্রে পরিনত হয়।

  • শিবগঞ্জে পৃথক অভিযানে ফেনসিডিল সহ আটক-২

    শিবগঞ্জে পৃথক অভিযানে ফেনসিডিল সহ আটক-২

    শিবগঞ্জে পৃথক অভিযানে ফেনসিডিল সহ আটক-২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে মাদক বিরোধী পৃথক ২টি অভিযানে ফেনসিডিলসহ ২জন কে আটক করেছে র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। বুধবার উপজেলার দাইপুকুর ইউপি ৬নং ওয়ার্ড দারিগাছা গ্রামস্থ এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আঃ লতিফ (৬০) নামে ১৭৭ বোতল ফেনসিডিলসহ একজন আটক করা হয়। আটককৃত আঃ লতিফ দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের দারিগাছা গ্রামে মৃত আমজাদ আলীর ছেলে। এছাড়া, একই এলাকার একই গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১২০ বোতল ফেনসিডিলসহ আবু সায়েদ আলী (৪৬) নামে আরেকজন কে আটক করা হয়। আটককৃত আবু সায়েদ আলী দাইপুখুরিয়া ইউনিয়নের দারিগাছা গ্রামের মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে। বৃহষ্পতিবার সকালে র‌্যাব-৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। আটককৃত আসামীরা ও উদ্ধারকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

  • পিঠার স্বাদে গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছোঁয়া- চাঁপাইনবাগঞ্জে পিস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পিঠা উৎসব

    পিঠার স্বাদে গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছোঁয়া- চাঁপাইনবাগঞ্জে পিস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পিঠা উৎসব

    পিঠার স্বাদে গ্রামীণ ঐতিহ্যের ছোঁয়া

    চাঁপাইনবাগঞ্জে পিস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পিঠা উৎসব

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘পিস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এ পিঠা উৎসব হয়েছে। দিনব্যাপী চলা স্কুলে গ্রামীন খেলাধুলার পাশাপাশি নানা আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার শহরের সোনার মোড়স্থ বিদ্যালয় চত্বরে আয়োজন করা হয় পিঠা উৎসবের। পিঠা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ এনামুল হকসহ শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবকগণ এবং পিঠা উৎসবে অংশ নেওয়া উদ্যোক্তারা।

    এতে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ। উৎসবে ৪০টি স্টলে নানা ধরনের বাহারী পিঠা-পুলি বানিয়ে পসরা নিয়ে বসেন বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা। ছোট ছোট শিশুরা এসব স্টলে বিভিন্ন খাবার নিজ বাসা থেকে বানিয়ে নিয়ে এসে সারি সারি করে সাজিয়ে রাখে। স্টলগুলোও সাজানো হয় নানা রঙের বেলুন, চিকিমিটি পাতা, নানা রংয়ের কাগজ কেটে ফুল বানিয়ে দড়ি দিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে। ছোট ছোট শিশুদের নানা কাজে সহায়তা করেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগন। এছাড়া প্রতিটি শিশুর অভিভাবক ছেলে মেয়েদের নানাভাবে সাজিয়ে ‘যেমন খুশি-তেমন সাজো’ নিয়ে এসেছেন পিঠা উৎসবে। এতে শিক্ষার্থীরাও যেমন উচ্ছ্বসিত, তেমনই আনন্দিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও। পিঠা উৎসবে পিঠা বিক্রি করে আয় ও করেছেন শিক্ষার্থীরা। নিজের হাতের বানানো পিঠা দিয়ে স্টল এবং সেখান থেকে বিক্রি করে টাকা আয় করা নিয়ে খুব খুব খুশি ছোট সোনামনিরা।

    পিঠা উৎসবে আসা অনেক শিশুরা বলেন, পিঠা উৎসবে এসে তারা অনেক গ্রামীন খাবার চিনলো নতুন করে। বর্তমানে তো শিক্ষার্থীরা আধুনিক সব খাবারে অভ্যস্ত এবং আশক্ত। কিন্তু পিঠা উৎসবে এসে অনেক খাবার খেতে এবং স্বাদও পেয়েছে তারা। অভিভাবকরাও বলেন, তাদের সন্তানরা আগের মতো গ্রামীন খাবারে অভ্যস্ত নয়। আধুনিক খাবারের সাথে পরিচিত হওয়ায় নতুন প্রজন্মের সন্তানরা গ্রামীণ নানা খাবারের বিষয়ে আগ্রহ কমে যাচ্ছে। তাই গ্রামীন পিঠা-পুলি নিয়ে এমন উৎসব খুব প্রয়োজন। আমাদের সন্তানরা প্রাচীন গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলোর সাথে পরিচিত ও স্বাদ পাবে। দিন দিন গ্রামীন খাবারের প্রচলন হারিয়ে যাওয়ায় বর্তমান সময়ে গ্রামীন পিঠা-পুলি নিয়ে এরকম উৎসব শিশুদের অনেক উপকারে আসবে বলেও মত দেন অভিভাবকরা।

    ‘পিস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও হারিয়ে যাওয়া গ্রাম বাংলার বিভিন্ন খাবারের সাথে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে প্রতি বছর গ্রামীণ খেলা-ধুলা ও পিঠা উৎসবের আয়োজন করে থাকি আমরা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি গ্রামীন ঐতিহ্যগুলো স্মরণ করিয়ে দেয়া ও বাইরের শিক্ষা দেয়া এবং কিছুটা আনন্দ বিনোদনের লক্ষ্যেই মূলত এই উৎসব। আগামীতে আরও বড় পরিসরে এই উৎসব আয়োজনের আশাও ব্যক্ত করেন ‘পিস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ স্কুলের পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম। ‘পিস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের’ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ এনামুল হক তুফান বলেন, দিন দিন হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ সংস্কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরার লক্ষেই প্রতি বছর গ্রামীন খেলাধূলা, পিঠা উৎসব, শিক্ষার্থীদের নানাভাবে সাজানো, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে আনন্দ বিনোদনের জন্য এই উৎসবের আয়োজন।

    এই উৎসবের কারণে প্রায় ৫০ রকমের বিভিন্ন প্রকার গ্রামীন খাবারের সাথে পরিচিত হচ্ছে শিশুরা। এই ধরণের আয়োজন আমাদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অব্যাহত থাকবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পিস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ এনামুল হক তুফান, সহঃ প্রধান শিক্ষিকা মোসাঃ খাইরুন নেসা, সহঃ শিক্ষক মোঃ আরিফ আলী, ফারজানা তামান্না নওরোজ, মোসাঃ শুকতারা খাতুন, মোসাঃ সাবিনা ইয়াসমিন, মোঃ রবিউল ইসলাম, ইব্রাহীম খলিল নয়ন, মোসাঃ রহিমা বেগম, উম্মে রায়হান, মোসাঃ ফুলেরা খাতুন, মাহাতারামা ইয়াসমিন মুক্তি, কানিজ ফাতিমা সাথি, সহঃ শিক্ষক পুতুল, তুলি, হিসাব রক্ষক, গুলে জান্নাত লুমা, আয়া হাসনারা, রাখিসহ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা।

  • আসন্ন নির্বাচনে ভোট গণনায় দেরি হতে পারে: প্রেস সচিব

    আসন্ন নির্বাচনে ভোট গণনায় দেরি হতে পারে: প্রেস সচিব

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গণনায় দেরি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ঢাকার ফরেন সার্ভস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ভোট গণনায় দেরির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এবার সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি রেফারেন্ডাম বা গণভোট এবং পোস্টাল ব্যালট রয়েছে। এ বিষয়ে যেন গুজব না ছড়ায় সেজন্য আপনারা আগেভাগেই সাধারণ মানুষকে জানিয়ে রাখবেন। এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কেন্দ্রে কোনো ইন্সিডেন্ট হলে ওটাকে ঘিরে অপতথ্য ছড়ানো হতে পারে। এগুলোকে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, এটা নিয়ে আজ কথা হয়েছে। প্রেস সচিব বলেন, এই বছর অনেক কিছু নতুন নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমরা চাচ্ছি যে, খুব ভালোভাবে ভোটগণনা হোক, সেক্ষেত্রে কিছু বিলম্ব হতে পারে ভোট গণনায়। তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ৩০০ আসনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) মধ্যরাত থেকেই ব্যালট পেপার ছাপা শুরু হবে। তিনি নির্বাচন কমিশনের সচিবের বরাত দিয়ে জানান, পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা দূর হয়েছে। তাই ৩০০ আসনেই নির্বাচন হবে।

  • নওগাঁর রাণীনগরের পাখি পল্লী ও মৎস্য অভয়াশ্রমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন

    নওগাঁর রাণীনগরের পাখি পল্লী ও মৎস্য অভয়াশ্রমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন

    নওগাঁর রাণীনগরের পাখি পল্লী ও মৎস্য অভয়াশ্রমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন

    নওগাঁর রাণীনগরের একমাত্র পর্যটন এলাকা পাখি পল্লীতে স্থাপন করা হয়েছে সৌর বিদ্যুৎ দিয়ে চালিত উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ক্লোজড-সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি ক্যামেরা)। পাখি পল্লীতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, চোর ও দুর্বৃত্ত্বদের হাত থেকে রক্তদহ বিলের রতনডারা খালের হাতিরপুল এলাকার মৎস্য অভয়াশ্রমের মাছ রক্ষা, পাখি পল্লীর বিভিন্ন উপকরণ রক্ষা করা ও একটি নির্ভরযোগ্য সুন্দর পরিবেশ বিনির্মাণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাকিবুল হাসান। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার পরিকল্পনায় ব্যতিক্রমী এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাখি পল্লীর নিরাপত্তা জোরদার করাসহ মৎস্য অভয়াশ্রমে দেশীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে স্থাপন করা হয়েছে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন এই সিসিটিভি ক্যামেরা। এই আধুনিক ব্যবস্থার ফলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরা অফিসে বা বাসায় বসে ২৪ ঘণ্টা এলাকাটি পর্যবেক্ষণ করছেন মোবাইলের মাধ্যমে। এতে করে এলাকাটি পর্যটকদের কাছে আরো আকর্ষনীয় হয়ে উঠেছে। পর্যটন এলাকার মান উন্নয়নে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করায় উপজেলা প্রশাসনকে সাধুবাদ জানিয়েছে সর্বমহলের মানুষ।

    উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ কুমার দেবনাথ জানান, যেখানে মাছ থাকবে সেখানে পাখিও থাকবে তাই রক্তদহ বিলের আউটলেট রতনডারা খালকে মৎস্য অভয়াশ্রম করা হয়েছে। যেখানে কেউ মাছ ধরতে পারবে না, মাছ নির্ভয়ে আশ্রয় নিবে। সারা বছর পানি থাকে এমন উন্মুক্ত জলাশয়ে সাধারণত মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপন করা হয়। শুষ্ক মৌসুমে যখন বিল-ঝিল, নদী-নালা ও খাল-বিল সব শুকিয়ে যায় তখন প্রাকৃতিক জলাশয়ে অবস্থিত মৎস্য অভয়াশ্রম হয় বিবিধ দেশীয় প্রজাতির মা-বাবা মাছের আশ্রয়স্থল। বর্ষাকালে মৎস্য অভয়াশ্রমের মা-বাবা মাছ প্রজনন করে, ডিম ছাড়ে, বাচ্চা হয়। অতঃপর বর্ষার প্লাবিত খাল, বিল, নদী নালায় ছড়িয়ে পরে দেশীয় মাছের পোনা। মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপনের প্রধান সমস্যা শুষ্ক মৌসুমে পানি স্বল্পতা ও মাছ চুরি হওয়া। উপজেলার হাতিরপুল এলাকার রতনডারাখালে মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপনের পূর্বে খালটিতে শুষ্ক মৌসুমে খুব কম পানি থাকত। অতঃপর উপজেলা প্রশাসনের অর্থায়নে খালটির কিছু অংশ খনন করে গভীর করা হয়। এছাড়া অভয়াশ্রমে পানি ধরে রাখতে অভিনব পন্থা অবলম্বন করে খালের ভাটির দিকে/দক্ষিণ দিকে এমন উচ্চতার একটি ক্রস ড্যাম দেওয়া হয় যাতে অভয়াশ্রমে একটি নূন্যতম উচ্চতায় সবসময় পানি থাকে এবং অতিরিক্ত পানি ক্রস ড্যাম অভার ফ্লো হয়ে বের হতে পারে। তাই অভয়াশ্রমের মাছ চুরি রোধে সৌর বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত এই সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

    পাখি পল্লীর দোকানদার শফিকুল ইসলাম জানান, পূর্বে পাখি পল্লীতে বিভিন্ন ধরণের খারাপ শ্রেণির মানুষদের আনাগোনা ছিলো। এছাড়া দিনে এবং রাতে এই এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম হতো। খালের মাছসহ অন্যান্য উপকরন চুরি হতো। বখাটেরা এসে নানা ধরণের খারাপ কাজ করতো। এতে করে পাখি পল্লীতে আসা পর্যটকসহ অন্যান্য মানুষরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতো। কিন্তু বর্তমানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করায় পাখি পল্লীতে অন্যরকম পরিবর্তন এসেছে। কেউ খারাপ কোন কিছু ঘটানোর সাহস পাচ্ছে না। পাখি পল্লীতে আসা পর্যটক আসাদুল ইসলাম জানান, পাখি পল্লীতে আসা পর্যটকদের ব্যাগসহ বিভিন্ন উপকরণ চুরি ও বখাটেদের দৌরাত্মের ভয় ছিলো। কিন্তু সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনে পাখি পল্লীতে কিছুটা হলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। এছাড়া পর্যটন এই এলাকার সৌন্দর্য রক্ষার্থে এই ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই আগামীতে পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত করাসহ পাখি পল্লীর আরো আধুনিকায়নে শক্তিশালী ভূমিকা গ্রহণে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এই পর্যটক। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাকিবুল হাসান জানান, দীর্ঘদিন ধরে পাখি পল্লীর হাতিরপুল এলাকার অভয়াশ্রম থেকে দিনের বেলা ও রাতের আঁধারে বিভিন্ন ধরনের নিষিদ্ধ কারেন্ট ও রিং জাল, বানাসহ বড়শি দিয়ে মাছ চুরির অভিযোগ ছিল। বিশাল এই এলাকায় সার্বক্ষণিক পাহারা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসক স্যারের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শক্রমে স্মার্ট প্রযুক্তির অভিনব কৌশল হিসেবে পাখি পল্লীতে সোলার চালিত এই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ঘরে বসে সার্বক্ষণিক মৎস্য অভয়াশ্রম ও পাখি পল্লীর পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করা যাচ্ছে। ভিডিও রেকর্ড থাকছে।

    ক্যামেরা দ্বারা কথা বলা ও শোনা যাচ্ছে। তিনি আরো জানান এটি সোলার চালিত সিসি ক্যামেরা হওয়ায় বিদ্যুৎ এর কোনো লাইন নেই বিধায় দুষ্কৃতিকারী দ্বারা লাইন বিচ্ছিন্ন করে সিসি ক্যামেরা অফ করে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ২৬ ফুট উচু স্টিল পাইপের উপরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে বিধায় ক্যামেরা চুরি হওয়ার সম্ভাবনাও কম। এতে করে এই অঞ্চলে অপরাধমূলক কর্মকান্ডও অনেকাংশই কমে যাবে। উপজেলার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও এই ধরণের ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এছাড়া মৎস্য অভয়াশ্রমসহ পুরো পাখি পল্লীকে আরো আধুনিকায়ন করতে ইতিমধ্যেই খালের উপর পর্যটকদের জন্য আকর্ষনীয় ঝুলন্ত ব্রীজ স্থাপন, ছাতার আদলে বসার স্থান নির্মাণ, একটি মুক্তমঞ্চ নির্মাণ, গণশৌচাগার নির্মাণ করাসহ নানাবিধ কর্মকান্ড চলমান রাখা হয়েছে।

  • সিংড়ায় কলেজ শিক্ষককে নৃশংসভাবে হত্যা ॥ অগ্নিসংযোগে বৃদ্ধা নিহত

    সিংড়ায় কলেজ শিক্ষককে নৃশংসভাবে হত্যা ॥ অগ্নিসংযোগে বৃদ্ধা নিহত

    নাটোরের সিংড়ায় রেজাউল করিম (৫৩) নামে এক কলেজ শিক্ষককে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি সিংড়া উপজেলা জিয়া পরিষদের সদস্য ও বিলহালতি ত্রিমোহনী কলেজের সহকারী অধ্যাপক। এ ঘটনায় খুনি সন্দেহে অভিযুক্তের বাড়িতে বিক্ষুযব্ধ জনতার অগ্নিসংযোগে এক বৃদ্ধানারীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার সময় উপজেলার কলম ইউনিয়নের কুমারপাড়ায় এ হত্যা ও নিহতের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিংড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ.স.ম আব্দুন নূর। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ১০টায় কলেজ শিক্ষক রেজাউল করিম বাড়ি থেকে তার মাছ চাষের পুকুরের যান। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টায় দুর্বৃত্তের হাতে সেখানেই খুন হন তিনি। এ ঘটনায় রাতেই খুনি সন্দেহে বিক্ষুব্ধ জনতা ওই গ্রামের ওহাব আলীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এতে ওই বাড়ির সবাই বের হলেও ছাবিহা (৭৫) নামের এক বৃদ্ধা নারী নিহত হন। সিংড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ.স.ম আব্দুন নূর জানান, লাশ দু’টিকে মর্গে পাঠানো হয়েছে। সব বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করছি। দোষীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। এদিকে, বিএনপি নেতা ও কলেজ শিক্ষক রেজাউল করিম হত্যার প্রতিবাদ ও দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি। এছাড়া এ হত্যার ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিলহালতি ত্রিমোহনী কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

  • জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী সানজিদা সুলতানা

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী সানজিদা সুলতানা

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভোলাহাট সরকারি মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মোসাঃ সানজিদা সুলতানা। সানজিদা সুলতানা ভোলাহাট উপজেলার ধরমপুর গ্রামের বাসিন্দা আল হেলালের কন্যা। তিনি ভোলাহাট সরকারি মহিলা কলেজের মানবিক শাখার দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং তার রোল নম্বর ১১৩। শিক্ষা জীবনে ধারাবাহিক সাফল্য, মেধা, অধ্যবসায় ও শৃঙ্খলাবোধের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এই অর্জন প্রসঙ্গে কলেজ পরিবার জানায়, সানজিদার এই সাফল্য শুধু তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি ভোলাহাট সরকারি মহিলা কলেজ ও সমগ্র ভোলাহাট উপজেলার জন্য গর্বের বিষয়। তার এই কৃতিত্ব আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন। ভোলাহাট সরকারি মহিলা কলেজ পরিবার, ভোলাহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি এবং জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী সানজিদা সুলতানাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, এই সাফল্য ভবিষ্যতে তার আরও বড় অর্জনের পথ সুগম করবে। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সানজিদার শিক্ষা ও ব্যক্তিগত উন্নয়নে ভোলাহাট সরকারি মহিলা কলেজ পরিবার সবসময় তার পাশে থাকবে এবং তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।