মিথ্যা মামলায় জামিন পেলেন জয়পুরহাটের দুই সাংবাদিক-(পর্ব ১)
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর হয়রানিমূলক মিথ্যা ১৭০/৪১৯/২২৫ ধারার মামলার আসামি জয়পুরহাট জেলার সাংবাদিক আঃ রাজ্জাক ও এস এম মিলন জয়পুরহাট বিজ্ঞ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন। মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালত শুনানী শেষে তাদের দু’জনের জামিন মঞ্জুর করেন। আক্কেল পুর থানার ওসি আবুবক্কর সিদ্দিকের উদ্দেশ্য লাইভ ও সংবাদ সংগ্রহ লাইভটি প্রকাশ করায় গত ৬ নভেম্ভর সন্ধা রাতে প্রায় তিনশো লোকের উপস্থিতে ‘দৈনিক দেশবাংলা ’প্রত্রিকার ক্ষেতলাল প্রতিনিধি আঃ রাজ্জাক ও দৈনিক প্রত্যাসা প্রতিদিন প্রত্রিকার জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি এস এম মিলনের বিরুদ্ধে পুলিশ পরিচয় দিয়ে আসামীকে পালাতে সহায়তাসহ বিভিন্ন কাল্পনিক অভিযোগে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৯)। মামলার বাদি শিরিন সুলতানা (৩২), ক্ষেতলাল থানার মামুদপুর ইনিয়নের দেওগ্রাম উদার পারের মামুনুর রশীদের স্ত্রী। ৩২ বছর বয়সী ২ সন্তানের জনোনী শিরিন সুলতানা আক্কেলপুর সোনামুখী ভাড়া বাসায় বসোবাস করেন, ৬ নভেম্বর সকাল ১১ টায় অভিযুক্ত শামীমকে ফোনে ডেকে নিলে শিরিনের স্বামী মামুুনুর রশীদ টের পেয়ে নিজ বাসায় গিয়ে দুজনকে হাতে নাতে আটক করেন। পরে বিষয়টি ধামা চাপা দিতে না পরায় শিরিন অভিযুক্ত শামীমসহ ওই নারীর নিজ বাবার বাসা গোপিনাথপুর ভিগিনি গ্রামে নিয়ে আসেন, বিষয়টি গনোমাধ্যম খবর পেয়ে ৬ নভেম্বর সন্ধা ৬টায় ঘটনার স্থলে গিয়ে সংবাদ সংগ্রহকালে প্রায় ৩’শ লোকের উৎশক জনতার ভিরে অভিযুক্ত স্বামীম পালিয়ে যায়। অভিযুক্ত শামীমের মা বলেন, ওই বুড়ি মহিলা আমার ২২ বছরের ছেলেকে ফুসলিয়ে টাকা পয়সা খাওয়ায়, এই ঘটনার পরে জানলাম তার সাথে সম্পর্ক ৩ মাস ধরে সম্পর্ক। ঘটনার দিন আমাকে একজন ফোন করে বলেন আপনার ছেলে সোনামুখী এক মহিলার বাড়িতে আটক, আপনি কিছু টাকা নিয়ে আসেন ছেলেকে ছেড়ে দিবো। আমার টাকা জোগার করতে দেরি হওয়াই ভিগনি গ্রামে আমার ছেলেকে নিয়ে আসেন, এর মধ্য আমার গ্রামের লোকজন ছেলের কাছে ছিলো সন্ধায় আমার ছেলে পালিয়ে এসেছে আমরা জানিনা। তিনি আরও বলেন আমার ছেলে যদি অপরাধি হয়, তার বিচার হোক, এখানে সাংবাদিকদের কেনো জড়ানো হলো। ওই মহিলা কত বার, কি করেছে, এই গ্রামে আমরা জানি। আল্লাহ যেনো ওই মহিলার বিচার করে। জানতে চাইলে নির্যাতিত ওই সাংবাদিকরা বলেন, গত ৬ নভেম্বর বেলা ৩ টায় ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক আক্কেলপুর থানার সরকারি ফোনে সাংবাদিক ও পত্রিকার নামসহ পরিচয় দিয়ে ৩ বার জানানো হয়। তিনি বলেন, বিষয়টি স্বামী স্ত্রী তারা মিটে নিয়েছে কিন্তু সন্ধা ৬ টার পরে খবর আসে ওই ছেলে মেয়েকে এলাকাবাসি আটক রেখেছে। ঘটনার স্থলে আমরা গিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করি সেখানে প্রায় ৩শো লোক জামায়েত সেটির লাইভ করা হয়েছে আমাদের গলায় পরিচয় প্রত্র ছিলো পুরু ঘটনার লাইভ সংগ্রহে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আর কোন অভিযোগ না পাওয়ার পরেও কোন তদন্ত ছাড়াই মামলাটি রেকর্ড করেন আক্কেলপুর থানার এসআই (নিঃ) আবু নেওয়াজ সরদার ও আক্কেলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আবুবক্কর সিদ্দিক। তদন্ত ছাড়াই দু’জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় মামলা রেকর্ড করায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। ওপরদিকে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা তদন্ত চালিয়ে জানতে পারে মামুনুরশীদের স্ত্রীর কিছু অনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য স্বামী স্ত্রী’র মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেখেই থাকতো।

Leave a Reply