যৌতুকের দাবীতে নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গৃহবধূ’র সংবাদ সম্মেলন

যৌতুকের দাবীতে নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গৃহবধূ’র সংবাদ সম্মেলন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডের গৃহবধূ মোসাঃ হালিমা বেগম স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবরের বিরুদ্ধে যৌতুকের জন্য মানসিক ও শারীরিক ভাবে নির্যাতনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। বুধবার বিকেল ৩টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গৃহবধূর মা সুলেখা খাতুন সুমি, খালাতো ভাই আজিজ ও ওবাইদুর রহমান। এক লিখিত বক্তব্যে হালিমা খাতুন বলেন, ২৮-০৬-২০২২ ইং তারিখে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের হরিপুর রোড ঘর এলাকার এস.আই মোঃ আবু হায়াৎ এর বড় ছেলে পুলিশ কন্টেবল মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিকী (রনি)’র সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিয়ের পর ৫ মাস আমাদের সুখেই দিন কাটছিলো। এরপর থেকে আমার শাশুড়ী, শ্বশুর, স্বামী ও দেবর সকলেই আমাকে যৌতুকের জন্য মানসিক ও শারীরিক ভাবে নির্যাতন করতে থাকে। তারা আমাকে নানা অযুহাতে নির্যাতন করে এবং বলে ‘তোমার বাবা কাতারে থাকে,আমার ছেলেকে মোটর সাইকেল, তোমাকে সাজিয়ে দেওয়ার কথা ফানিচার দেওয়ার কথা তারা তো এইসব কিছুই দিলো না’। আমার শশুর পুলিশের এস.আই বর্তমানে গাইবান্ধা জেলাতে কর্মরত ও আমার স্বামী পুলিশ কনস্টেবল বর্তমানে নওগাঁ জেলাতে কর্মরত, তারা যখনি ছুটিতে বাড়ীতে আসে উক্ত বিষয়ে আমার সাথে খারাপ ব্যবহার, গালিগালাজ ও মারধর করে। ইতি মধ্যে আমার সুখের কথা চিন্তা করে আমার পিতা তাদের ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা দিয়েছেন। গত ১৩/১১/২০২৩ তারিখ বিকালে আমি আমার বাবার বাড়ী আসতে চাইলে আমার শ্বাশুড়ী মোসাঃ নুর নাহার বেগম বলে তোর বাপ-মা মিথ্যা কথা বলে আমার ছেলের সাথে তোর বিয়ে দিয়েছে, আমার ছেলেকে কিছুই দেইনি, আমি প্রতিবাদ করলে আমার ৩ মাসের শিশুকে কেড়ে নিয়ে আমাকে বাড়ী হতে বেড় করে দেই। আমি একাই পায়ে হেটে আমার বাবার বাড়ী চলে আসলে সেই রাতে পুলিশ দিয়ে আমার অবুঝ শিশু বাচ্চাকে আমার কাছে দিয়ে যান। আমি ন্যায় বিচারের স্বার্থে আপনাদের শরনাপন্ন হয়েছি। এ বিষয়ে গৃহবধূ’র স্বামী পুলিশ কনেষ্টেবল আবু বাক্কার সিদ্দিকী (রনি) তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, আমার বউ সংবাদ সম্মেলনে যা বলেছেন তার সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট কথা। সে আমাকে নিয়ে আলাদা বাসায় থাকার জন্য এমনটা করছে বলে আমার মনে হচ্ছে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *