৩ মাসের মধ্যে ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে এনডিবি’র প্রতিকি কাফন মিছিল
প্রমাণিত ধর্ষকের ৩ মাসের মধ্যে ফাঁসি ও ধর্ষণ-নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ট্রাইবুনাল গঠনের দাবিতে প্রতিকি কাফন মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। ১১ জুলাই নতুনধারা বাংলাদেশ (এনডিবি)’র চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদীর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব কাজী মুন্নি আলম, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজেদ রানা, রুবেল আকন্দ, আফতাব মন্ডল, আলেয়া বেগম আলো, হাফিজুর রহমান, জাতীয় শিক্ষাধারার সদস্য কাজী নওরীন, কাউসার হোসেন প্রমুখ। এসময় নেতৃবৃন্দ ধর্ষণ মামলাগুলোর রায় ও কার্যকর করার বিষয়ে আইন-বিচার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সমালোচনা করে বলেন, ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর নুসরাত হত্যাতাণ্ডের রায় হলেও কার্যকর হয়নি গত ৬ বছরেও। এতে করে ধর্ষক-খুনিরদের দৌরাত্ম বাড়ছে। সর্বশেষ আছিয়ার ধর্ষক-খুনিদেরও বিচার ঝুলে যাওয়ার সুযোগে ধর্ষকরা রামরাজত্ব তৈরি করছে। মোমিন মেহেদী আরো বলেন, নিমর্ম হলেও সত্য, গত বছরের ছয় মাসে বাংলাদেশে যে পরিমাণ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, সেই সংখ্যা ২০২৪ সালের পুরো বছরের চেয়ে অনেক বেশি। এছাড়া গত ছয় মাসে হাজারেরও অধিক ধর্ষণের চেষ্টা হয়েছে। ৩৬ জুলাই’র চেতনা বিক্রিকারী রাজনৈতিক প্লাটফর্মগুলোতে তারা ধর্ষণ-নিপীড়নের চর্চা শুরু করেছে। যে কারণে মসজিদে যখন ময়নার মত শিশু লাশ পাওয়া যায়, যখন আমার মা-আমার বোন যখন ধর্ষিত হয়, সারাদেশে তখন তারা অতিত ফ্যাসিস্টদের পথধরে চেতনা ব্যবসায় নামে-জলকেলি করে। নতুনধারার নেতৃবৃন্দ এসময় বলেন, নারীর প্রতি সহিংতার চার ভাগের একভাগও মিডিয়ায় আসে না। কেবল আলোচিত এবং গ্যাং রেপের মতো ঘটনাগুলো সামনে আসে। তারপরে অপরাধীরা যদি শক্তিশালী হয়, তাহলে কিন্তু সেই খবরটাও লোকাল মিডিয়া দিতে পারছে না। আরো ভয়ংকর বিষয় হলো-কেবলমাত্র বিচার না হওয়ায় ধর্ষকরা গত ১১ মাসে ৮৭০ টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা নতুনধারার রাজনীতিকরা জনমানুষের রাজনীতি করি, গত ১৩ বছরে ৪৮ বার ‘৩ মাসের মধ্যে প্রমাণিত ধর্ষকের ফাঁসি’র রায় কার্যকরের দাবিতে রাজপথে দাঁড়িয়েছি। আগের ফ্যাসিস্টরাও ধর্ষকের পক্ষে থেকে নিরব ভূমিকা পালন করেছে, নব্য ফ্যাসিস্টরাও ধর্ষকদেরকে আশ্রয়-প্রশয় দিচ্ছে, অর্থায়নও করছে।

Leave a Reply