ইরানের যে শহরে দাফন করা হবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দেশটির পবিত্র শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। দেশটির সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে। মাশহাদ ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং খামেনির জন্মস্থান। এখানেই ইমাম রেজা মাজার কমপ্লেক্সে তার বাবার সমাধি রয়েছে। তবে দাফনের সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ৩৬ বছর ইরান শাসন করার পর ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন খামেনি। উল্লেখ্য, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহতের ঘটনায় দেশটিতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাত দিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়। রোববার (০১ মার্চ) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফারস এজেন্সি-এর বরাতে আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে। শনিবার সকালে তার প্রাসাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন সেনারা। তারপর রাতের দিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু প্রথমে খামেনেয়ি নিহত হয়েছেন। সরকারিভাবে ইরান প্রথমে খামেনির নিহতের তথ্য স্বীকার করা হয়নি। অবশেষে রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করে তেহরান। তিনি ওই সময় অফিসে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়াও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় খামেনির মেয়ে, নাতি, পুত্রবধূ এবং জামাই নিহত হয়েছেন।

Leave a Reply