Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে হেরোইনসহ গ্রেফতার ২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে হেরোইনসহ গ্রেফতার ২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে হেরোইনসহ গ্রেফতার ২

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য পেয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। পৃথক দুটি অভিযানে প্রায় অর্ধকোটি টাকা মূল্যের ৫০৪ গ্রাম হেরোইনসহ দুইজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫, রাজশাহী, সিপিসি-১।
    গ্রেফতারকৃতরা হলেন— তসিকুল ইসলাম (৫৫), পিতা-মৃত গোলাম মোস্তফা, টিকারামপুর ১৩নং ওয়ার্ড, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা এবং মোঃ জসিম উদ্দিন (৪৫), পিতা-মৃত কাওছার আলী মাস্টার, দিয়ার ধাইনগর গ্রাম, গোবরাতলা ইউনিয়ন।
    র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, ৮ জানুয়ারি দুপুরে র‌্যাব-৫, সিপিসি-১ এর একটি আভিযানিক টহল দল চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানা এলাকায় নিয়মিত টহল ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, তসিকুল ইসলাম ব্যাটারিচালিত একটি ইজি বাইকে করে অবৈধ হেরোইন নিয়ে হুজরাপুর মোড় থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের দিকে আসছে।
    এ তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা ইসলামপুর ইউনিয়নের চর ইসলামপুর গ্রামস্থ দ্বিতীয় মহানন্দা ব্রিজের উত্তর পাশে পাকা সড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে তসিকুল ইসলামকে আটক করে। পরে ইজি বাইকের সামনের বাম পাশের টুল বক্স তল্লাশি করে ২৯৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তসিকুল ইসলাম জানায়, উদ্ধারকৃত হেরোইন সে গোবরাতলা ইউনিয়নের দিয়ার ধাইনগর গ্রামের মাদক কারবারি মোঃ জসিম উদ্দিনের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব দ্বিতীয় দফা অভিযানে দিয়ার ধাইনগর গ্রামে গিয়ে জসিম উদ্দিনকে আটক করে।
    এ সময় তার বসতবাড়ির ডাইনিং রুমসংলগ্ন এটাচ বাথরুমের ফলস সিলিংয়ের ওপর থেকে তার দেখানো মতে ২০৯ গ্রাম বাদামী রঙের হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
    র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয় দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তঘেঁষা এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা।
    ধৃত আসামিদ্বয় ও উদ্ধারকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
    র‌্যাব-৫ জানায়, মাদক, সন্ত্রাস ও সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের কঠোর অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

  • শিবগঞ্জে ডিএনসি’র অভিযানে ১০ ফুট উচ্চতার গাঁজা গাছ ও গাঁজা উদ্ধার

    শিবগঞ্জে ডিএনসি’র অভিযানে ১০ ফুট উচ্চতার গাঁজা গাছ ও গাঁজা উদ্ধার

    শিবগঞ্জে ডিএনসি’র অভিযানে ১০ ফুট উচ্চতার গাঁজা গাছ ও গাঁজা উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে একটি ১০ ফুট উচ্চতার গাঁজা গাছসহ ১ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক মাদক কারবারিকে আসামি করে শিবগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে শিবগঞ্জ থানাধীন শাহাবাজপুর ইউনিয়নের ধোবড়া গ্রাম এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে একটি বাড়ির আঙিনা থেকে কাঁচা ডালপাতাসহ প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়, যার ওজন প্রায় ৫ কেজি।
    এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি বাজার ব্যাগের ভেতরে থাকা দুটি হালকা নীল রঙের পলিথিনে মোড়ানো গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে এক প্যাকেটে ১ কেজি এবং অপর প্যাকেটে ৪০০ গ্রাম গাঁজা ছিল। উদ্ধারকৃত গাঁজার মোট ওজন ১ কেজি ৪০০ গ্রাম।
    এ ঘটনায় ধোবড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আজম আলী ওরফে আজিম (৫৫), পিতা—মৃত ফারাজ আলী, মাতাঃ মৃত জুবাইদা বেগমকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তবে অভিযানকালে তিনি পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
    মাদকবিরোধী অভিযানে এমন সাফল্য এলাকায় মাদক নির্মূলে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

  • ভালুকায় বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প ও ঔষুধ বিতরণ

    ভালুকায় বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প ও ঔষুধ বিতরণ

     

    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় মরহুম আলহাজ্ব আব্দুল হেলিম মন্ডল হলু’র ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দুই হাজার অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ঔষুধ ও খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
    শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সুফিয়া হেলিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং হবিরবাড়ি জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ডেওয়াতলী এলাকায় দিনব্যাপী এই মানবিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
    মেডিকেল ক্যাম্পে চক্ষু, মেডিসিনসহ মোট ১৪টি বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বিনামূল্যে সেবা প্রদান করেন। নারী, শিশু ও বয়স্কসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সুফিয়ান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম, হবিরবাড়ী ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি আলহাজ্ব আবু সাঈদ জুয়েল, যুবদল সহসভাপতি তাজ উদ্দিন, মোঃ সেলিম, মোঃ আব্দুল মতিন, মোঃ রাজু আহমেদ, কবি সফিউল্লাহ আনসারী, সাবেক ছাত্র নেতা আঃ কাইয়ুম প্রমূখ। এছাড়াও স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

  • জয়পুরহাটে রাতে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা ॥ অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন

    জয়পুরহাটে রাতে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা ॥ অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন

     

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ইয়ানুর রহমান (৩০) নামে এক যুবককে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শালাইপুর বাজার ঢাকার পাড়া মোড়ে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বাড়ি ও খড়ের গাদায় আগুন দিয়েছে বিক্ষুদ্ধ স্থানীয়রা।
    পুলিশ স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পাঁচবিবি উপজেলার ছালাখুর গ্রামের ইয়ানুর রহমানের সঙ্গে একই এলাকার মোস্তফার সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শালাইপুর বাজার ঢাকার পাড়া মোড়ে এলাকায় ছুরিকাঘাত করে তাকে জখম করা হয়। এ সময় স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়।
    এদিকে, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত মোস্তফার বাড়ি ও খড়ের গাদায় আগুন দেয়।
    পাঁচবিবি থানার ডিউটি অফিসার এএসআই নুরুন নবী জানান, পারিবারিক কলহে এ হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। কি কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্ত ছাড়া বলা যাচ্ছে না। মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
    এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে তীব্র শীতের দাপট ॥ বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে তীব্র শীতের দাপট ॥ বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে তীব্র শীতের দাপট ॥ বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় টানা কয়েক দিন ধরে তীব্র শীতের দাপটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সূর্যের অনুপস্থিতি, ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ ও ছিন্নমূলরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। টানা পাঁচ দিন ধরে শীতের প্রকোপ অনুভূত হচ্ছে জেলায়। এর মধ্যে তিন দিন সূর্যের দেখা মেলেনি। বাকি দুই দিন আংশিক সময় সূর্যের দেখা পাওয়া গেলেও রোদের তাপ ছিল খুবই কম।

    দিনের অনেকটা সময় কোথাও ঘন আবার কোথাও মাঝারি কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ। গতকাল বৃহস্পতি (০৮ জানুয়ারি) বার ঘন কুয়াশা থাকলেও আজ সকালে কিছুটা স্বস্তি নিয়ে সূর্যের দেখা মিলেছে। তবে ঠান্ডা বাতাস শীতের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।


    তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ ও ছিন্নমূলরা। শীত মোকাবিলায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
    এদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, টানা কুয়াশা থাকলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে বোরো ধানের বীজতলা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। পাশাপাশি চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেছেন, শীতের তীব্রতায় শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে দুই ভারতীয় নাগরিককে ফেরত দিল বিজিবি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে দুই ভারতীয় নাগরিককে ফেরত দিল বিজিবি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে দুই ভারতীয় নাগরিককে ফেরত দিল বিজিবি

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চাড়ালডাঙ্গা সীমান্ত থেকে ধরে আনা দুই ভারতীয় নাগরিককে ফেরত দিয়েছে বিজিবি। বিজিবি বিএসএফের পতাকা বৈঠকের পর তাদের ফেরত দেয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজিবির ১৬ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর তানিম হাসান খান।
    ফেরত দেয়া দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন- মালদা জেলার হবিপুর থানার টিলাশন গ্রামের দেবেন মোহলদারের ছেলে বাচ্চন মোহলদার ও সন্তোষ মহোলদারের ছেলে রাজু মোহলদার। তারা দুজনেই মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন।
    বিজিবি অধিনায়ক বলেন, বুধাবার দুপুরে চাড়ালডাংগা সীমান্তের ২১৯ নম্বর আন্তর্জাতিক পিলার সংলগ্ন সিরামের দাড়া বিলে নিজ নিজ দেশের সীমানায় মাছ ধরছিলেন বাংলাদেশ ও ভারতের জেলেরা। এ সময় বাচ্চন ও রাজু সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের জলসীমায় চলে এসেছে অনুমানে তাদের ধরে আনে বাংলাদেশি জেলেরা। পরে কেতাববাজার এলাকা থেকে ওই দুই ভারতীয় নাগরিককে জেলেদের কাছ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে বিজিবি।
    বিজিবি অধিনায়ক আরও বলেন, ঘটনার পর বুধাবার বিকাল ৪ টার দিকে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে ৫টার দিকে বাচ্চন ও রাজুকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে বিজিবি সদস্যরা।

  • তিলুয়া: শীতের গ্রামবাংলায় হারিয়ে যেতে বসা এক শিশুতোষ খাবার

    তিলুয়া: শীতের গ্রামবাংলায় হারিয়ে যেতে বসা এক শিশুতোষ খাবার

    তিলুয়া: শীতের গ্রামবাংলায় হারিয়ে যেতে বসা এক শিশুতোষ খাবার

    শীত এলেই একসময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের গ্রামাঞ্চলে দেখা মিলত একটি পরিচিত দৃশ্য। ভোরের কুয়াশা ভেদ করে বসত হাট, আর সেই হাটের এক কোণে শিশুদের ভিড় জমে উঠত একটি ছোট দোকান ঘিরে। কারণ সেখানে পাওয়া যেত শীতের বিশেষ লোকজ খাবার-তিলুয়া।
    তিলুয়া মূলত তিল ও গুড় দিয়ে তৈরি একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার, যা শীতমৌসুমেই প্রস্তুত করা হতো। নতুন তিল ভেজে খেজুরের গুড় বা আখের গুড় মিশিয়ে হাতে হাতে এই খাবার তৈরি করতেন গ্রামের মানুষ। কোনো যন্ত্র বা ছাঁচ নয়, নিখাদ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি তিলুয়ার প্রতিটি টুকরো হতো আলাদা আলাদা রূপের।
    একসময় চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ আশপাশের অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি হাট ও মেলাতেই তিলুয়ার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। শিশুদের কাছে এটি ছিল শীতের সবচেয়ে আনন্দের খাবার। স্কুল থেকে ফেরার পথে কিংবা মেলায় ঘুরতে গিয়ে এক টুকরো তিলুয়া হাতে পেলে শীতের কনকনে বাতাসও যেন আর কষ্টের মনে হতো না।
    স্থানীয় প্রবীণরা জানান, তিলুয়া শুধু খাবার হিসেবে নয়, শিশুদের সামাজিক আনন্দেরও অংশ ছিল। বন্ধুরা মিলে ভাগ করে খেত তিলুয়া, গল্প করত, হাসত। সেই সময়কার গ্রামবাংলার সরল জীবনধারার সঙ্গে তিলুয়ার সম্পর্ক ছিল নিবিড়।
    কালের বিবর্তনে আজ তিলুয়া প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। আধুনিক খাবারের সহজলভ্যতা, বাজার ব্যবস্থার পরিবর্তন এবং লোকজ সংস্কৃতির প্রতি উদাসীনতার কারণে এই খাবারটি এখন আর নিয়মিত হাটে দেখা যায় না। নতুন প্রজন্মের অনেক শিশু-কিশোর তিলুয়ার নামই শোনেনি।
    তবুও কিছু প্রবীণ কারিগর আজও শীত এলেই সীমিত পরিসরে তিলুয়া তৈরি করেন। কিন্তু ক্রেতার অভাব ও বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তার কারণে তারা এই পেশা ধরে রাখতে পারছেন না।
    তিলুয়া হারিয়ে যাওয়া মানে শুধু একটি খাবারের বিলুপ্তি নয়, হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার একটি সংস্কৃতি ও শৈশবের স্মৃতি। শিশু-কিশোরদের মধ্যে লোকজ ঐতিহ্যের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা গেলে তিলুয়ার মতো খাবার আবার নতুন করে পরিচিত হতে পারে।
    শীতের সকালে তিল আর গুড়ের মিশ্রণে তৈরি তিলুয়া আমাদের মনে করিয়ে দেয়-গ্রামবাংলার ঐতিহ্য এখনো আমাদের অপেক্ষায় আছে, যদি আমরা তাকে ধরে রাখি।

  • গাইবান্ধায় ৫টি অবৈধ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ॥ ২৩ লক্ষ টাকা জরিমানা

    গাইবান্ধায় ৫টি অবৈধ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ॥ ২৩ লক্ষ টাকা জরিমানা

    গাইবান্ধায় ৫টি অবৈধ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ॥ ২৩ লক্ষ টাকা জরিমানা

    গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে জেলা পরিবেশ কার্যালয়ের উদ্যোগে কোর্ট পরিচালনা করে মেসার্স এম. এ ব্রিকস, মেসার্স এ জেড বি ব্রিকস, এস আই বি ব্রিকস, মেসার্স সরকার ব্রিকস ও মেসার্স আনোয়ারা ব্রিকস নামক ০৫ (পাঁচ) টি ইটভাটার মোট ২৩ লক্ষ (তেইশ লক্ষ টাকা) জরিমানা ধার্য্যপূর্বক আদায় করা হরে এবং ইতভাটা বন্ধে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
    ৭ জানুয়ারি বুধবার মোবাইল কোর্টে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, সদর দপ্তরের মনিটরিং এন্ড এনফোর্সমেন্ট উইং এর বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। অভিযানে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, গাইবান্ধা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক জনাব মো: শের আলম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: রুনায়েত আমিন রেজা, পরিবেশ অধিদপ্তর, গাইবান্ধা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার, রংপুর বিভাগীয় ও গাইবান্ধা জেলা কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উক্ত অভিযানে পুলিশ বাহিনী, র‌্যাব বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস সহযোগিতা প্রদান করেন। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • তাঁতি দলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা মোঃ সোলেমান শেখ

    তাঁতি দলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা মোঃ সোলেমান শেখ

    তাঁতি দলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা মোঃ সোলেমান শেখ

    মোঃ সোলেমান শেখ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ওয়ারী থানার তাঁতি দলের সদস্য যিনি বিগত আওয়ামী লীগ আমলে অগণিত হামলা মামলা নির্যাতনের শিকার হয়ে জীবনের সর্বোচ্চ সবকিছু হারিয়ে আবারো বিএনপির পতাকা তলে এসে সামনের সারিতে রাজনীতি করছেন।

    তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত কান্না ভেঙে পড়েছেন বলেছেন জাতি হারিয়েছে এক অমূল্য রত্ন আমরা হারিয়েছি আমাদের অভিভাবক আমাদের মা গণতন্ত্রের মনষকন্যা আপসহীন দেশ ও নেত্রী আমার প্রিয় নেত্রীর মৃত্যুকে মেনে নিতে পারছি না তবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ নিয়ে আবারো বিএনপির হাল ধরেছেন দেশ নায়ক তারেক রহমান তার নেতৃত্বে দেশ যেমন এগিয়ে যাবে আমরা যারা নিপীড়িত নির্যাতিত কর্মী রয়েছি আমরা একজন অভিভাবক পেয়েছি এবং আগামী দিনে দেশ গঠনে তারেক রহমান সাহেবের পাশে থেকে সর্বোচ্চ দিয়ে রাজনীতির মাঠে থাকবো সকল দুঃখ বেদনা ভুলে গিয়ে সেই আশা প্রত্যাশায় বিএনপির একজন কর্মী হয়ে সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকতে চাই দল আমাকে কি দিল না দিল সেটা বড় কথা নয় আমি আমি দলকে কি দিলাম দলের পাশে থাকলাম কিনা সেটা বড় কথা শহীদ জিয়ার আদর্শকে বুকে ধারণ করে আগামী রাজনীতিতে পথ চলব ইনশাআল্লাহ।

  • দেশের চাবি আপনার হাতে-গাইবান্ধায় ভোটের গাড়ির আগমন উপলক্ষে ক্যাম্পেইন

    দেশের চাবি আপনার হাতে-গাইবান্ধায় ভোটের গাড়ির আগমন উপলক্ষে ক্যাম্পেইন

    দেশের চাবি আপনার হাতে-গাইবান্ধায় ভোটের গাড়ির আগমন উপলক্ষে ক্যাম্পেইন

     

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে বুধবার গাইবান্ধায় ভোটের গাড়ি আগমন উপলক্ষে ক্যাম্পেইন, আলোচনা ও সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ।
    দেশের চাবি আপনার হাতে-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গাইবান্ধার বাস টার্মিনালে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । ভোটের গাড়ির আগমন উপলক্ষে সকালে বেলুন উড়িয়ে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক রিটানিং ও অফিসার মাসুদুর রহমান মোল্লা আলোচনা,ক্যাম্পেইন,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্ধোধন করেন।
    উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আমাদের গাইবান্ধার ভোটারদের মধ্যে যেনো সচেতনতা সৃষ্টি হয়। সেই লক্ষেই এই কর্মসুচির আয়োজন করা হয়েছে। এই ভোটের গাড়ির সচেতনমুলক প্রচারনা গণ মাধ্যম কর্মীদের মাধ্যমে গাইবান্ধার আনাচে কানাচে ভোটারদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সেজন্য আজকের এই আয়োজন । সকল ভোটার যেনো ওই দিন ভোট কেন্দ্রে আসতে পারে এবং তাদের ভোট ইচ্ছেমতো প্রয়োগ করতে পারে সে জন্য মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে আজকের এই ভোটের গাড়ির আগমন । আপনারা স্বত:ফুর্ত ভাবে ভোটে অংশ নিন । পরে ভোটের গাড়ি থেকে পরিবেশন করা হয় দেশাত্ববোধক গান ও ভোট সচেতনতা মুলক সংগীতানুষ্ঠান ।