Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভলিবল খেলার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত এস.আই আলীমের মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভলিবল খেলার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত এস.আই আলীমের মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভলিবল খেলার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত এস.আই আলীমের মৃত্যু

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইনস মাঠে সহকর্মীদের সঙ্গে ভলিবল খেলতে নেমেছিলেন পুলিশ উপ-পরিদর্শক (এস.আই-সশস্ত্র) মোঃ আব্দুল আলীম (৫২)। হাসি-আনন্দের সেই মুহূর্তই হঠাৎ পরিণত হয় শোকের ঘটনায়। খেলার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কর্তব্যরত এই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। জেলা পুলিশ ও পুলিশ লাইনস সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নয়াগোলা এলাকায় অবস্থিত পুলিশ লাইনস মাঠে ভলিবল খেলার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এসআই আলীম। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে ২৫০ শষ্যা বিশিষ্ঠ জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসা শুরুর পরপরই সন্ধ্যা ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত এস.আই মোঃ আব্দুল আলীম পাবনার সুজানগর উপজেলার বারইপাড়া পোড়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত বন্দের আলী খানের ছেলে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইনসেই কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় ৩১ বছরের কর্মজীবনে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানিয়েছেন সহকর্মীরা। তাঁর সহকর্মী নায়েক আব্দুল মোমিন বলেন, “আলীম ভাই ছিলেন খুবই অমায়িক ও দায়িত্বশীল। খেলাধুলার মধ্যেই আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন, এটা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।” মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। বড় মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে এবং ছোট মেয়ে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজে অধ্যয়নরত। পরিবারটি বর্তমানে সুজানগরের আরেপপুর হাজীর হাট এলাকায় বসবাস করছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ জানান, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এস.আই আলীমের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়। সহকর্মীদের চোখে অশ্রু, পুলিশ লাইনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দায়িত্বের বাইরে সহকর্মীদের সঙ্গে কিছুটা আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্তেই থেমে গেল একজন দায়িত্ববান পুলিশ সদস্যের জীবনের গল্প-যা নাড়িয়ে দিয়েছে পুরো পুলিশ পরিবারকে।

  • গাইবান্ধায় দুই বোনের মৃহদেহ পাতা দিয়ে ঢেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা

    গাইবান্ধায় দুই বোনের মৃহদেহ পাতা দিয়ে ঢেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা

    গাইবান্ধায় দুই বোনের মৃহদেহ পাতা দিয়ে ঢেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা

    গাইবান্ধা সদর উপজেলার রঘুনাথপর গ্রামে গাছের নিচে চাপা পড়ে সহোদর দুইবোন নিহত হয়েছে। মৃত্যু ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে লাশ পাতা দিয়ে ঢেকে পালিয়ে যায় ঘটনায় জড়িতরা। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন দিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে। গাইবান্ধার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের রঘুনাথপুর আব্বাসের মোড় এলাকার মধু মিয়া ও জহুরুল মিয়ার বাড়িতে সকাল থেকে গাছ কাটার কাজ চলছিলো। বিকেলে খেলার ছলে পাশের বাড়ির গ্রামের ফরিদ মিয়ার দুই মেয়ে ফিহামনি (১১) ও তার দুই বছর বয়সী বোন জান্নাতি গাছ কাটা দেখতে যায়। এসময় হঠাৎ করে কাটতে থাকা গাছটি দুই মেয়ের উপড়ে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই মেয়ের মৃত্যু হয়। মৃত্যু ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে গাছ কাটার লোকজন ও গাছের মালিক বাড়িওয়ালা মধু মিয়া ও জহুরুল মিয়া তাড়াহুড়ো করে মৃতদেহের উপড়ে পাতা দিয়ে ঢেকে রেখে বাড়িঘর থেকে পালিয়ে যায়। রাত সাড়ে ৮ টার দিকে নিখোঁজ মেয়ের সন্ধান করতে গেলে দেখতে পায় দুজনের মরদেহ গাছের নিচে চাপা পড়ে আছে। তাদের চিৎকার শুনে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে এসে উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে গাইবান্ধা থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গিয়ে দুই বোনের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে দুই বোনের মৃতদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে শতভাগ বই দিয়ে শুরু প্রাথমিকের শিক্ষাবর্ষ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শতভাগ বই দিয়ে শুরু প্রাথমিকের শিক্ষাবর্ষ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শতভাগ বই দিয়ে শুরু প্রাথমিকের শিক্ষাবর্ষ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যালয়গুলোতে বছরের প্রথম দিনেই বই বিতরণ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার অনানুষ্ঠানিকভাবে বই বিতরণ করা হয়েছে বিদ্যালয়গুলোতে। সকাল থেকেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর ও শহরের বাইরের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেয়া হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এ বছর চাহিদার প্রায় সব বই-ই পাওয়া গেছে বছর শুরুর আগেই। এবার প্রাক-প্রাথমিকে বইয়ে চাহিদা ছিল ৫২ হাজার ৮৭৬টি। এছাড়া প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৩৬৩ টি ও চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর ৪ লাখ ২৮ হাজার ১২১ টি বইয়ের চাহিদা ছিলো। এরই মধ্যে চাহিদার সব বই বিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ইংলিশ ভার্সন ও ক্ষদ্র নৃ-গোষ্ঠির শিক্ষার্থীদের বই-ও পাওয়া গেছে। এদিকে, জেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতেও বই বিতরণ শুরু হয়েছে।

  • ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া আর নেই

    ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া আর নেই

    ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া আর নেই

    বাংলা সাহিত্যের প্রবাদ প্রতিম ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া পরলোকগমন করেছেন। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামে নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। পারিবারিক সূত্রে জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সংবাদে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সুকুমার বড়ুয়া তাঁর দীর্ঘ জীবনে অসংখ্য জনপ্রিয় ছড়া ও কবিতা উপহার দিয়েছেন। সহজ-সরল ও রসাত্মক উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি ছড়াসাহিত্যকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘পাগলা ঘোড়া’, ‘ভিজে বেড়াল’, ‘চন্দনা রঞ্জনার ছড়া’, ‘কিছু না কিছু’ প্রভৃতি। সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেন। ২০১৭ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন। ১৯৬২ সালে সুকুমার বড়ুয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টোর কিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৯৯ সালে অবসর গ্রহণ করেন। সুকুমার বড়ুয়ার জন্ম ১৯৩৮ সালের ৫ জানুয়ারি।

  • ই-সিগারেট-ভ্যাপ নিষিদ্ধ করে অধ্যাদেশ জারি

    ই-সিগারেট-ভ্যাপ নিষিদ্ধ করে অধ্যাদেশ জারি

    ই-সিগারেট-ভ্যাপ নিষিদ্ধ করে অধ্যাদেশ জারি

    তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ভয়াবহ স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে জনগণকে সুরক্ষা দিতে ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ সব ধরনের বিকাশমান তামাকপণ্য নিষিদ্ধ করে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫’কে আরও শক্তিশালী করে নতুন সংশোধিত অধ্যাদেশ কার্যকর করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হয়েছে। এ আইনের মূল উদ্দেশ্যে হলো তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, বিড়ি উৎপাদন সংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশ বাতিল করে একীভূত আইন প্রণয়ন, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ ইমাজিং তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা। বিজ্ঞাপন ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও সংযোজন, ‘তামাকজাত দ্রব্য’ সংজ্ঞা সম্প্রসারণ: তামাকজাত দ্রব্যের সংজ্ঞায় ই-সিগারেট, ইলেক্ট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম (ইএনডিএস), হিটেড টোব্যাকো প্রডাক্ট (এইচ টিপি), নিকোটিন পাউচসহ সব উদীয়মান পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার এমন যেকোনো পণ্যকে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। এছাড়াও, ‘নিকোটিন’ ও ‘নিকোটিন দ্রব্যর’ পৃথক সংজ্ঞা সংযোজনসহ ‘পাবলিক প্লেসের’ সংজ্ঞা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করা হয়েছে। পাবলিক প্লেসে নিষেধাজ্ঞা: সব পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, (ওটিটি) প্ল্যাটফর্মসহ সব মাধ্যমে তামাকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ, বিক্রয়স্থলে প্যাকেট প্রদর্শন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ, সিএসআর কার্যক্রমে তামাক কোম্পানির নাম বা লোগো ব্যবহার এবং কোনো অনুষ্ঠান বা কর্মসূচির নামে তামাক কোম্পানির আর্থিক সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের আশপাশে বিক্রয় নিষিদ্ধ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের একশো মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ই-সিগারেট ও উদীয়মান তামাকপণ্য (ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্টস) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। বিধান লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। কুম্ভি পাতা ও টেন্ডু পাতার বিড়ি নিষিদ্ধ: উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পৃথক বিডি ম্যানুফ্যাকচার (প্রভিশন) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৫ বাতিল করা হয়েছে। আসক্তিমূলক দ্রব্য মিশ্রণ নিষিদ্ধ: তামাক বা তামাকজাত দ্রব্যের সঙ্গে কোনো ক্ষতিকর আসক্তিমূলক দ্রব্য মেশানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিধান রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ও স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং: প্যাকেটের ৭৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে রঙিন ছবি ও সতর্কবাণী বাধ্যতামূলক স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং ছাড়া তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শাস্তি ও প্রয়োগ জোরদার-জরিমানা ও কারাদণ্ডের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি, কোম্পানির ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল ও মালামাল জব্দের বিধান রাখা হয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা পরিচালনার বিধান অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

  • কুমিল্লার ৩১ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন বৈধ ॥ ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল

    কুমিল্লার ৩১ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন বৈধ ॥ ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল

    কুমিল্লার ৩১ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জন বৈধ ॥ ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল

    প্রার্থীদের উপস্থিতিতে কুমিল্লা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়ন জমাদানকারীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে দিন ব্যাপী কুমিল্লা-১ থেকে কুমিল্লা-৬ আসন পর্যন্ত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হয়। কুমিল্লার ১১টি আসনের মধ্যে বাকি পাঁচটি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে শনিবার। সর্বশেষ কুমিল্লার তিনটি আসনের ৩১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে মধ্যে ২০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ১১ জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষনা করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান জানান, কুমিল্লা-১ আসন থেকে কুমিল্লা-৬ আসনে মনোনয়নপত্র জমাদানকারী ৬২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল গণ্য হবে তারা পুনরায় আপিল করতে পারবেন। সর্বশেষ কুমিল্লার তিনটি আসনের ৩১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে মধ্যে ২০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ১১ জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষনা করা হয়েছে। সকালে শুরুতেই কুমিল্লা-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দানকারী ১২ জনের জনের মধ্যে ৫ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হিসেবে গণ্য হয়। এর বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং তার ছেলে ড. খন্দকার মারুফ হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামি মনোনীত প্রার্থী মনিরুজ্জামানসহ ৭ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। বেশিরভাগ প্রার্থীরই এক শতাংশ ভোটার তালিকার স্বাক্ষর নিয়ে অসামঞ্জস্য থাকায় তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডঃ খন্দকার মারুফ হোসেন বলেন, কুমিল্লা-১ আসনে বিএনপি নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। বিএনপি আমাকে এবং আমার বাবাকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। প্রত্যাহারের শেষ দিনের আগেই দল যে কোন একজনকে বেছে নিবেন। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মনিরুজ্জামান বলেন, এখনো ভোটের পরিবেশ ভালো আছে বিধায় আমার কারো প্রতি কোন অভিযোগ নেই। আমরা আশা করছি অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের মানুষ আমাদেরকেই বেছে নেবে। কুমিল্লা-০২ (হোমনা-তিতাস) আসনের দশটি মনোনয়নপত্রের মধ্যে বাতিল হয়েছে চারটি এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, বিএনপি স্বতন্ত্র প্রার্থী বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস আব্দুল মতিন সহ অন্য ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। কুমিল্লা-০৩ মুরাদনগর আসনে ৯ জনের মধ্যে ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইউসুফ সোহেল এবং গণ অধিকার পরিষদের মনিরুজ্জামান। এই আসনটিতে বিএনপির মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও স্বতন্ত্র সাতজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হলে ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

  • গাইবান্ধায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ॥ আহত ৮

    গাইবান্ধায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ॥ আহত ৮

    গাইবান্ধায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত ॥ আহত ৮

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী ও গোবিন্দগঞ্জে পৃথক দুইটি সড়ক দুঘটনায় ৪ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকাল ৬ টার দিকে পলাশবাড়ী-গাইবান্ধা সড়কের ঠুটিয়াপুকুর নামক স্থানে পলাশবাড়ী থেকে গাইবান্ধাগামী কাজি পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে পিছন থেকে একটি সিমেন্ট বোঝায় একটি ট্রাককে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই বাসের হেলপার ও জামিল নামের এক যাত্রী নিহত হয়। এসময় বাসের আরো ৮যাত্রী আহত হয়। এদিকে, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ফাঁসিতলায় ফ্লাইওভারে উঠার সময় দ্রুতগতির একটি ট্রাক পিছন থেকে একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের ২আরোহী নিহত হয়। নিহতরা গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার দূর্গাপুর এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে জনি (৩৯) ও গোবিন্দগঞ্জের নাকাই ইউনিয়নের মালিনিপাড়া গ্রামের শাহজালালের ছেলে সিদ্দিকুর রহমান (৪০)। গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাফফ হোসেন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন ঘটনার পর পরই আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • গোবিন্দগঞ্জে নিষিদ্ধ আ’লীগের দুই নেতাসহ ৭ জন গ্রেপ্তার

    গোবিন্দগঞ্জে নিষিদ্ধ আ’লীগের দুই নেতাসহ ৭ জন গ্রেপ্তার

    গোবিন্দগঞ্জে নিষিদ্ধ আ’লীগের দুই নেতাসহ ৭ জন গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের দুই নেতা ও পাঁচ জুয়ারিসহ সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাতে উপজেলার তালুককানুপুর ও শালমারা ইউনিয়নে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার তালুককানুপুর ও শালমারা এলাকায় পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে তালুককানুপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বর রেজাউল করিম (৪৭) ও শালমারা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি সারোয়ার হোসেন ব্যাপারীকে (৫৬) গ্রেপ্তার করে। অপরদিকে, একই রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার তালুককানুপুর বাজার থেকে জুয়ার বিভিন্ন সরঞ্জামাদিসহ জুয়া খেলা অবস্থায় ৫ জুয়ারিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো-রবিউল ইসলাম (৩৯), আব্দুল জোব্বার (৬২), মধু মিয়া (৪২), লিচু মিয়া (৩৭) ও শরিফুল ইসলাম (৪৪)। গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগের ২ নেতা ও ৫ জুয়ারিসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদেরকে আদালতের মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • গোবিন্দগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বিতরণ

    গোবিন্দগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বিতরণ

    গোবিন্দগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বিতরণ

    বছরের শুরুতেই গাইবান্ধার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাধ্যমিক স্তরের বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসা সমুহে শিক্ষার্থীদৈর মাঝে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। সকালে নিজ নিজ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের হাতে এই বই তুলে দেন। গোবিন্দগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বছরের প্রথম দিনে শিক্ষাতীদের হাতে নতুন বই তুলেদেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা। এসময় বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোকাররম হোসেনসহ অন্যান্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। এবার জেলার ১ হাজার ৬শ ৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হয়েছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লক্ষণ কুমার বলেন, জেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই তুলে দেয়া হয়েছে। কোন বই সংকট নেই।

  • মেঘনা-গোমতী সেতুর নিচে উদ্ধারকৃত ‘টাইম বোমা’ নিষ্ক্রিয়

    মেঘনা-গোমতী সেতুর নিচে উদ্ধারকৃত ‘টাইম বোমা’ নিষ্ক্রিয়

    মেঘনা-গোমতী সেতুর নিচে উদ্ধারকৃত ‘টাইম বোমা’ নিষ্ক্রিয়

    কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী সেতুর নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া একটি টাইম ফিউজ এক্সপ্লোসিভ (টাইম বোমা সদৃশ বস্তু) সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) বোম ডিসপোজাল টিম এটি নিষ্ক্রিয় করে। পুলিশ ও যৌথবাহিনী সূত্রে জানা যায়, গত ৮ ডিসেম্বর সেনাবাহিনীর একটি টহল দল নিয়মিত তল্লাশির সময় মেঘনা-গোমতী সেতুর নিচের ঝোপের মধ্যে একটি সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পায়। পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে পুলিশ সেটি জব্দ করে। জব্দকৃত বিস্ফোরকটি লাল স্কচটেপে মোড়ানো ছিল, যা দেখতে অনেকটা টেনিস বলের মতো। এর ওজন ছিল আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম। এটি একটি টাইম ফিউজ এক্সপ্লোসিভ ছিল বলে নিশ্চিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বৃহস্পতিবার সকালে এন্টি টেররিজম ইউনিটের বোম ডিসপোজাল টিমের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। দুপুর ১টার দিকে সেতুর নিচে নিরাপদ স্থানে শক্তিশালী এই বিস্ফোরকটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। এ সময় নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের এলাকায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বিস্ফোরণের সময় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “সেনাবাহিনীর উদ্ধার করা বিস্ফোরকটি আজ বিশেষজ্ঞ দলের মাধ্যমে সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। সেতুর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।