Blog

  • তারুণ্যনির্ভর নতুন বাংলাদেশ গঠনে ‘এসো দেশ বদলাই ॥ পৃথিবী বদলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভা

    তারুণ্যনির্ভর নতুন বাংলাদেশ গঠনে ‘এসো দেশ বদলাই ॥ পৃথিবী বদলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভা

    তারুণ্যনির্ভর নতুন বাংলাদেশ গঠনে ‘এসো দেশ বদলাই ॥ পৃথিবী বদলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে তারুণ্যনির্ভর নতুন বাংলাদেশ গঠনে “এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ।
    সভায় প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “নতুন বাংলাদেশ গঠনে সবচেয়ে বড় শক্তি আমাদের তরুণ প্রজন্ম। তাদের সৃজনশীলতা, উদ্যম ও নেতৃত্বের মাধ্যমেই দেশ বদলাবে, পৃথিবী বদলাবে। এজন্য প্রয়োজন ইতিবাচক মানসিকতা, সুশাসন, প্রযুক্তি জ্ঞান এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ।”

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে পরিবর্তনের গতিধারা দ্রুততর। তাই তরুণদের ভাবনার পরিধি বাড়াতে হবে, ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং সমাজে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে এগিয়ে আসতে হবে।
    আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার।
    আলোচনা সভায় বক্তারা দেশের উন্নয়নে তরুণ সমাজের অগ্রণী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে, সুযোগ গ্রহণে তরুণদের প্রস্তুতি,মাদক, সাইবার অপরাধ ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে তরুণদের দূরে রাখা,আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষার বিস্তার,উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা,জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় তরুণদের উদ্যোগ
    এ বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

    জেলা তথ্য অফিসার মোঃ আব্দুল আহাদ অনুষ্ঠানে দেশের উন্নয়নধারা, সরকারি সেবা, যুগোপযোগী তথ্য ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “তরুণদের মাঝে তথ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হলে সমাজ যেমন বদলাবে, তেমনি দেশও এগিয়ে যাবে আরও দূর।”
    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রুমানা আফরোজ, জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ গোলাম মোস্তফা, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মোঃ আব্দুর রাহিম,  নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণীর প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া তাসনিম সারা, সাব্বির জাহান মাহিম, শাহাদাত হোসেন হায়াত। মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সরকারি অফিসের কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
    শেষে তরুণদের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও সৃজনশীল সমাজ গঠনে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

  • লোকসানে ভোলাহাটের মিষ্টি কুমড়া চাষিরা ॥ দিশাহারা কৃষক পরিবার

    লোকসানে ভোলাহাটের মিষ্টি কুমড়া চাষিরা ॥ দিশাহারা কৃষক পরিবার

    এ বছর সময়মতো সার ও মানসম্মত বীজ না পাওয়ায় ভোলাহাট অঞ্চলে মিষ্টি কুমড়ার উৎপাদন আশানুরূপ হয়নি। ফলন কম এবং বাজারদর প্রত্যাশার নিচে থাকায় চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন শত শত কৃষক। এতে করে কৃষক পরিবারগুলোতে দেখা দিয়েছে হতাশা ও অনিশ্চয়তা।
    স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বল্প খরচে ভালো লাভের আশায় গত কয়েক বছর ধরে ভোলাহাটে মিষ্টি কুমড়ার চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। তবে চলতি মৌসুমে সার-বীজ সংকট, নিম্নমানের বীজ এবং অতিবৃষ্টির কারণে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।
    কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত বছর এই অঞ্চলে প্রায় ১ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছিল। তবে বাজারদর কমে যাওয়া ও লোকসানের আশঙ্কায় এ বছর চাষ নেমে এসেছে মাত্র ১০ হেক্টরে। এর ওপর সার সংকট ও আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবে ফলন আগের বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও নিচে নেমে গেছে।
    কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত মৌসুমে যেখানে এক বিঘা জমিতে ৫০ থেকে ৬০ মণ কুমড়া উৎপাদন হতো, সেখানে এ বছর মিলছে মাত্র ২০ থেকে ২৫ মণ। এতে উৎপাদন খরচ তুলনায় আয় অতি নগণ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
    কৃষক তামিজ উদ্দিন বলেন, “সময়মতো সার পাইনি। বাইরে গিয়ে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা দাম দিয়েও অনেক সময় সার পাওয়া যায়নি।”
    চাষি আব্দুস সামাদ জানান, “১১ বিঘা জমিতে চাষ করতে আমার খরচ হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অথচ বিক্রি করে হয়তো ৫০ হাজার টাকাও তুলতে পারব না।”
    আরেক কৃষক নাসিরুদ্দিন বলেন, “বীজ খারাপ ছিল, সার সংকট ছিল আর সঙ্গে আবহাওয়ার সমস্যাও ছিল। সব মিলিয়ে আমরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছি।”
    কৃষকদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই সার পাওয়া গেলেও দ্বিগুণ দামে কিনতে হয়েছে, যা লোকসান আরও বাড়িয়েছে। তারা সার ও বীজ সরবরাহ ব্যবস্থায় কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
    এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সুলতান আলী বলেন, “বর্তমানে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত সার মজুত আছে। আগে গুজবের কারণে কৃষকেরা বেশি করে সার কেনায় কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছিল। অনেক কৃষক বাইরে থেকে নিম্নমানের বীজ নেওয়ায় উৎপাদন কম হয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শামীম হোসেন বলেন, “কৃষকদের অবশ্যই অনুমোদিত ব্র্যান্ডের বীজ ব্যবহার করতে হবে। সার মজুত ও বিতরণে কোনো অনিয়মের অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
    এলাকার চাষিরা বলছেন, দ্রুত সরকারি সহায়তা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত না হলে আগামী মৌসুমে তারা মিষ্টি কুমড়া চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হবেন। এতে একদিকে যেমন কৃষকের আয়ের পথ সংকুচিত হবে, অন্যদিকে বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮২০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ধান বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮২০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ধান বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮২০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ধান বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তায় সরকার আবারও প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে ৮২০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ধান বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠান ঘিরে কৃষকদের মাঝে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আজাহার আলী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে প্রণোদনার এসব উপকরণ তুলে দেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নয়ন মিয়া, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শাহাদৎ হোসেন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহিন আকতারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

    রবি ২০২৫-২৬ মৌসুমে রোরো ধান আবাদ সম্প্রসারণ ও উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারিভাবে প্রদত্ত এই প্রণোদনায় ৭০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে দেওয়া হয়েছে ৫ কেজি করে উফশী ধানের বীজ। পাশাপাশি উৎপাদন খরচ কমাতে প্রতিজনকে আরও দেওয়া হয়েছে ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার।
    উপজেলায় হাইব্রিড ধানের আবাদ বাড়ানোর লক্ষ্যেও নেওয়া হয়েছে আলাদা উদ্যোগ। প্রণোদনার আওতায় ১২০ কৃষককে ২ কেজি করে হাইব্রিড ধান বীজ বিতরণ করা হয়, যা আগামী মৌসুমে উচ্চ ফলন নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
    বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু বীজ ও সার দেওয়া নয়, বরং প্রযুক্তি ও আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো। ইউএনও মো. আজাহার আলী বলেন, কৃষকদের প্রণোদনা প্রদান সরকারের চলমান কার্যক্রমের অংশ। এতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, ব্যয় কমবে এবং কৃষকদের আর্থিক স্বচ্ছলতা নিশ্চিত হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নয়ন মিয়া জানান,

    রবি মৌসুমে ধানের উৎপাদন বাড়াতে এই প্রণোদনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে বীজ ও সার পাওয়ায় কৃষকরা আবাদে আরও উৎসাহিত হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বীজ ও সার হাতে পেয়ে কৃষকরা জানান, বর্তমান সময়ে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় সরকারি সহায়তা তাদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। তারা আরও বলেন, প্রণোদনার এসব উপকরণ সময়মতো পাওয়ায় রবি মৌসুমের আবাদ শুরু করতে কোনো বাধা হবে না।
    কৃষি বিভাগ জানায়, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নিয়মিতভাবে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রণোদনা প্রদান করছে। এরই ধারাবাহিকতায় শিবগঞ্জ উপজেলায় এ প্রণোদনা বিতরণ করা হলো, যা আগামী মৌসুমে এলাকার সামগ্রিক ধান উৎপাদনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • নওগাঁয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই স্কুল মাঠ দখল করে বাণিজ্য মেলা

    নওগাঁয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই স্কুল মাঠ দখল করে বাণিজ্য মেলা

    নওগাঁয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই স্কুল মাঠ দখল করে বাণিজ্য মেলা

     

    নওগাঁয় স্কুল মাঠ দখল করে প্রশাসনের কোন ধরনের অনমোদন ছাড়াই শীতবস্ত্র ও শিল্প পণ্য মেলা শুরু হয়েছে। ২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে শহরের আবাসিক এলাকা হাট-নওগাঁ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মেলা শুরু করা হয়। স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষায় এবং আবাসিক এলাকায় মেলা হওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। তবে এ মেলাকে নিয়ে ইতোমধ্যে বির্তক ও নানান গুঞ্জন শুরু হয়েছে। মেলা পরিচালনার সুবিধার জন্য জেলা পুলিশের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও পুলিশ প্রশাসন এ বিষয়ে অবগত না।
    জানা যায়- শহরের হাট-নওগাঁ আবাসিক এলাকা। এ এলাকায় হাট-নওগাঁ মাঠে হাট-নওগাঁ উচ্চ বিদ্যালয়, হাট-নওগাঁ প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং প্রবাহ সংসদ স্কুল রয়েছে। মঙ্গলবার মেলা শুরু হলেও দুই সপ্তাহ আগে থেকে অবকাঠামোগত কাজ করা হচ্ছে। স্কুলগুলোতে বার্ষিক পরীক্ষা চলছে। আর মেলার জন্য টিন দিয়ে অস্থায়ী ভাবে পুরো মাঠে বেস্টনি দেয়া হয়েছে। হাট-নওগাঁ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান দরজা বন্ধ করে দেয়ায় দ্বিতীয় দরজা দিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের চলাচল করতে হচ্ছে। মেলার কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা ও পরীক্ষায় সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া মাঠেও খেলাধুলা করতে পারছে না শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা। বুধবার বেলা ১২টার দিকে বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা মেলায় এসে ঘুরতে দেখা গেছে।
    রাজশাহী শিল্ক এন্ড বেনারসি জামদানি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি একমাস ব্যাপী মেলার আয়োজন করেছে। মেলার অনুমোতি পেতে গত ২৭ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানের স্বত্ত্বাধিকারী রহিদুল ইসলাম জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন। মেলায় পোশাক, বিভিন্ন ধরণের খাবার, খেলনা প্রায় ৫০টি স্টল অংশ নিয়েছে। এছাড়া বিনোদনের জন্য নাগরদৌলা, নৌকা ও ড্রাগন রয়েছে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মেলা চলছে। আর মেলায় প্রবেশের জন্য ২০ টাকার টিকিট চালু করা হয়েছে।
    হাট-নওগাঁ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম ও নবম শ্রেনীর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়- স্কুলের গেট বন্ধ থাকায় প্রবেশে সমস্যা হচ্ছে। পরীক্ষায় মনযোগ হচ্ছে না। মাঠে খেলাধুলাও করা যাচ্ছে না।
    স্থানীয় সাইদুর রহমান নামে একজন বলেন- বাচ্চাদের এখনো পরীক্ষা শেষ হয় এরমধ্যে স্কুল মাঠে মেলা লাগানো ঠিক হয়নি। এতে বাচ্চাদের মনযোগ নষ্ট হয়ে পরীক্ষা খারাপ হবে। মেলা পুরোদমে শুরু হলে মাইকে গান বাজনা হবে এবং এলাকাবাসীরও সমস্যা হবে। এসব মেলা হবে ফাঁকা জায়গায়।

    হাট-নওগাঁ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস.এম নাজমুল হাসান বলেন, মাঠটি স্কুলের। তবে মেলার জন্য কোন ভাড়া দেয়া হয়নি। এলাকার এলিট পারসনরা অনুরোধ করায় বিশেষ করে প্রবাহ সংসদ ক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদক সহ অন্যরা অনুরোধ করায় মাঠে মেলা করার জন্য লিখিত অনুমোতি দিয়েছি। তবে প্রতিষ্ঠানের সভাপতিকে লিখিত না দিয়ে মৌখিক বলা হয়েছে।
    তিনি বলেন- স্কুলের মোট ৩০০ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষা দিচ্ছে ২৭৫ জন। ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণীর পরীক্ষা বৃহস্পতিবার শেষ হবে। আর ৯ম ও ১০ দশম শ্রেনীর পরীক্ষা আগামী রোববার শেষ। মেলার কারনে খুব একটা প্রভাব পড়েনি। আগামী ১৫ ডিসেম্বর স্কুল ছুটি হবে।
    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন- আগামী ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। মেলা এখনো তেমন জমে উঠেনি। তাদের উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা চলাকালিন মাঠটি দিয়েছে এবং মেলা হচ্ছে। তবে তারাই ভাল বলতে পারবে। মেলার অবকাঠা করার সময় একটু সমস্যা হয়েছিল। এখন আমাদের তেমন একটা সমস্যা হচ্ছে না।
    রাজশাহী শিল্ক এন্ড বেনারসি জামদানি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির স্বত্ত্বাধিকারী রহিদুল ইসলাম বলেন- মেলা চালু করার জন্য এখনো অনুমোতি পাওয়া যায়নি। আগামী ১২ ডিসেম্বর পরীক্ষা শেষ হলে পুরোদমে চালু করা হবে।
    নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রশাসক এবং হাট-নওগাঁ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জান্নাত আরা তিথি বলেন- স্কুল মাঠে মেলা চালানোর জন্য প্রধান শিক্ষক দিতে পারেন না। আর প্রধান শিক্ষক এ বিষয়ে আমাকে কোন অবগতও করেননি। এছাড়াও নওগাঁ চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং জেলা প্রশসানরে পক্ষ থেকে মেলার কোন অনুমোতি দেয়া হয়নি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবো বলে জানান তিনি।
    নওগাঁ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন- মেলা বিষয়ে একটি আবেদন এসেছে। তবে অনুমদনের প্রক্রিয়া চলছে।
    নওগাঁ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ওই মেলার সঙে জেলা পুলিশের কোন সম্পৃক্ততা নেই। যদিও তাদের ব্যানারে জেলা পুলিশের নাম লিখা আছে। ব্যানারগুলো খুঁলে ফেলতে বলা হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে দ্বিতীয় দিনের মতো ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে দ্বিতীয় দিনের মতো ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতি

     

    দশম গ্রেডের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের হাসপাতাল ও ক্লিনিকে দ্বিতীয়দেনের মতো অর্ধবেলা কর্মবিরতি পালন করেছেন ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বেসরকারি ক্লিনিকে কর্মবিরতি পালিত হয়।
    কর্মবিরতির কারণে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে বন্ধ হয়ে যায় নির্ণয়ে সব ধরণের স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এতে দুর্ভোগে পড়েন রোগীরা।
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে সকাল থেকেই ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মসূচি পালন করছেন। এছাড়াও শিবগঞ্জ, নাচোল, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মবিরতি পালন করা হয়। এছাড়া কর্মবিরতি পালন করা হয় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।

    মেডিকেল টেকনোলোজিস্টরা জানান, বৃহস্পতিবার কমপ্লিট শাটডাউনের কর্মসূচি থাকলেও রোগীদের কথা বিবেচনা করে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করা হয়েছে।
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট সমন্বয় পরিষদের মূখ্য সংগঠক গোলাম ফারুক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সভাপতি মো. রেজাউল করিম, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ফোরাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সভাপতি আল মামুনসহ অন্যরা।

  • পত্নীতলায় র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ আটক ১

    পত্নীতলায় র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ আটক ১

    পত্নীতলায় র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ আটক ১

    নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভা এলাকা থেকে নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫। র‌্যাব-৫ জানায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর পৌরসভা এলাকা মাদক ব্যবসায়ী হারুনকে আটক করে।

    আসামি হারুন এর দেহ তল্লাশী করে ২০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০২টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ হারুন অর রশিদ (৪০), পিতা-মৃত আব্দুল গফুর সরদার, সাং-করলডাংগা, থানা-পত্নীতলা, জেলা-নওগাঁ। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পত্নীতলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পত্নীতলা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • নড়াইলের- ১ আসন থেকে লাঙ্গল প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী মিল্টন মোল্যার গণসংযোগ

    নড়াইলের- ১ আসন থেকে লাঙ্গল প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী মিল্টন মোল্যার গণসংযোগ

     

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মিল্টন মোল্যা নড়াইল-১ আসনের কালিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামে গণসংযোগ, পথসভা ও মতবিনিময় সভা করে ব্যাপক গণসমর্থন অর্জন করছেন।
    বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান এই তরুণ নেতা প্রতিনিয়ত গ্রামে গ্রামে ছুটে বেড়িয়ে জনগণের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন। তার প্রচারণায় ব্যানার-ফেস্টুন, পোস্টার ও লিফলেটের মাধ্যমে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। মিল্টন মোল্যা সাংবাদিকদের বলেন- “নড়াইল-১ আসনের মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাই আমার শক্তি। অতীতে দুইবার নির্বাচনে আপনাদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থেকে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজমুক্ত এবং ১ টি শান্ত ও উন্নত নড়াইল ১ আসন গড়তে চাই।” তিনি আরও বলেন-“ক্ষমতা লাভ নয়-মানুষের সেবা করাই আমার রাজনীতি।” স্থানীয় ভোটারদের মতে, মিল্টন মোল্যার ভদ্রতা, আন্তরিকতা এবং গণ-মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ তাকে তৃণমূলের কাছে একজন বিশ্বস্ত রাজনৈতিক নেতৃত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে।

  • নড়াইলের কালিয়ায় গৃহবধূ ধর্ষণ ॥ অভিযুক্ত গ্রেফতার

    নড়াইলের কালিয়ায় গৃহবধূ ধর্ষণ ॥ অভিযুক্ত গ্রেফতার

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় নাঈম শেখ (২২) নামের এক যুবককে খুলনা থেকে গেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে ভুক্তভোগী নিজেই বাদী হয়ে নড়াগাতী থানায় নাঈম শেখকে একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
    গ্রেফতারকৃত নাঈম শেখ উপজেলার কলাবাড়িয়া গ্রামের মো.মামুন শেখের ছেলে।
    মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) গভীর রাতে প্রাকৃতিক ডাকে ঘর থেকে বের হলে ওই সুযোগে নাঈম শেখ অগোচরে ঘরে ঢুকে খাটের নিচে লুকিয়ে থাকে। পরে রাত প্রায় ২টার দিকে সুযোগ বুঝে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাঈম শেখ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িত। তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগও রয়েছে। ঘটনার পর সে খুলনায় পালিয়ে যায়। পরে মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে বুধবার সকাল প্রায় ১০টার দিকে নড়াগাতী থানা পুলিশ ও খুলনা থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে খুলনার মজগুনী আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে নড়াগাতী থানায় হস্তান্তর করা হয়।
    উপজেলার নড়াগাতী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মামলার তদন্ত চলছে। ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে ।

  • গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ির রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ির রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ির রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মহিদুল ইসলাম সরদার আলসা (৩০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ির রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের রামচন্ত্রপুর গ্রামের নাজির হোসেন সরদারের ছেলে। আজ সকালে স্থানীয়রা সকালে রামচন্দ্রপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশের একটি মাঠের মধ্যে তার মরদেহ পরে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দিলে, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে।
    গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল ইসলাম বলেন মহিদুল ওরফে আলসা এলাকার একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ি। সম্ভবত মাদকের অর্থের লেন-দেন নিয়ে অথবা মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে পতিপক্ষ মাথায় লাঠির আঘাতে তার মৃত্যু হতে পারে। লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের পক্রিয়া চলমান রয়েছে।

  • গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ নাগরিকদের অধিকার ও প্রাপ্যতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ নাগরিকদের অধিকার ও প্রাপ্যতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

     

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিআরডিবি সভাকক্ষে ”নাগরিকদের অধিকার ও প্রাপ্যতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেন্ডার সমতা অর্জন এবং বৈষম্য নিরষনে নাগরিক সম্পৃক্ততা(ফেসিং) প্রকল্প জিএফএ কনসাল্টিং গ্রুপের কারিগরী সহযোগীতায়, কানাডিয়ান হাই কমিশন এবং সুইজারল্যান্ড দুতাবাস এর অর্থায়নে ডেমক্রেসিওয়াচ এর ফেসিং প্রকল্পের নাগরিক প্লাটফর্ম এর ১৫ জন সদস্যদের নিয়ে ১ ডিসেম্বর থেকে দুই দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
    প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নাগরিক প্লাটফর্ম এর আহ্বায়ক আলতাব হোসেন। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেনডেমক্রেসিওয়াচের ক্যাপাপিটি কোঅর্ডিনেটর আব্দুস সেলিম। নাগরিক প্লাটফর্ম সদস্যদের সাথে প্রশিক্ষনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন সিউএফ এর ডেপুটি ডিরেকটর ক্যাথেরিনা কোনিং। এছাড়া ডেমক্রেসিওয়াচ এর প্রোগাম ডিরেকটর ও প্রকল্প সমন্বয়কারী ফিরোজ নুরুন্নবী যুগল, ছিন্নমূল মহিলা সমিতির এক্সিকিউটিভ ডিরেকটর মোরশেদুর রহমান খান, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার এনামুল ইসলাম, ফেসিং প্রকল্প গাইবান্ধার জেলা কর্মসূচী সমন্বয়কারী ও সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাগরিক প্লাটফর্ম সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।
    সহযোগী সংস্থা হিসেবে গাইবান্ধা জেলায় ডেমক্রেসিওয়াচের সাথে যৌথভাবে ফেসিং প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রশিক্ষণ শেষে সদস্যগন নারীর প্রতি সহিংসতা দুর করা, বাল্য বিবাহ বন্ধ করা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় অঙ্গিকার ব্যাক্ত করেন।