Blog

  • গোদাগাড়ীতে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালিত

    গোদাগাড়ীতে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালিত

    গোদাগাড়ীতে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালিত

    প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ি, সামাজিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করি’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস পালিত হয়েছে।
    আজ বুধবার (০৩ ডিসেম্বর ২০২৫) দিবসটি উপলক্ষে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রশাসন এবং প্রতিবন্ধী অধিকার সংরক্ষণ সংস্থার যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    সকাল দশটায় উপজেলা চত্বর থেকে একটি সুসজ্জিত র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়।
    র‌্যালি শেষে উপজেলা অডিটরিয়াম হলরুমে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
    ‘প্রতিবন্ধী অধিকার সংরক্ষণ সংস্থা’র সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ নাজমুস সাদাত রত্ন।
    এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুল ইসলাম।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুস সাদাত রত্ন বলেন,
    “প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়, তারা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদেরকে উন্নত প্রশিক্ষণ ও যথাযথ সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।”
    বক্তারা সমাজে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমান সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

  • শিষ্টাচার ও ভদ্রতার বড় দৃষ্টান্ত বেগম খালেদা জিয়া-সিংড়ায় দোয়া অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ আনু

    শিষ্টাচার ও ভদ্রতার বড় দৃষ্টান্ত বেগম খালেদা জিয়া-সিংড়ায় দোয়া অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ আনু

    শিষ্টাচার ও ভদ্রতার বড় দৃষ্টান্ত বেগম খালেদা জিয়া-সিংড়ায় দোয়া অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ আনু

     

    নাটোর-৩, সিংড়া আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রার্থী, জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু বলেছেন, একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির কতটা ধর্য্য ও সহনশীল হতে হয় তা আমাদের শিখিয়েছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। দেশবাসীর কাছে শিষ্টাচার ও ভদ্রতার একটা বড় দৃষ্টান্ত আমাদের গণতন্ত্রের মা বেগম জিয়া।
    বুধবার (৩ডিসেম্বর) সন্ধায় নাটোরের সিংড়ার ৪নং কলম ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বলিয়া বাড়ি বটতলা এলাকায় বিএনপির চেয়ারপারসন ও তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    অধ্যক্ষ আনু বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করেও তিনি দেশ ছাড়েন নাই। তার এক ছেলে মারা গেছেন আরেক ছেলে দেশের বাহিরে আছেন তবু তিনি দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য এ দেশ ছাড়েননি। অন্যায়ের কাছে কখনো মাথানত করেননি। তার ধর্য্য দেশ প্রেম আর ভদ্রতা এক দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। আজ তার সুস্থতা কামনায় দলমত নির্বিশেষে সবাই দোয়া করছেন। দেশবাসী তাঁর জন্য কাঁদছেন।
    অধ্যক্ষ আনু আরো বলেন, দেশের এই ক্লান্তি লগ্নে দেশের হাল ধরতে খালেদা জিয়ার সুস্থতা বড় প্রয়োজন। এই মুহুর্তে যদি তাঁর কিছু হয়ে যায় তাহলে জাতির একটা বড় শুণ্যতা সৃষ্টি হবে। দেশ ও জাতির কল্যাণে আমরা তাঁর জন্য প্রাণ খুলে দোয়া করবো সে যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসে।

    দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৪ নং কলম ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল সালাম খানের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হায়দার রশিদ রিপনের সঞ্চালনায় দোয়া পরিচালনা করেন কলম ইউনিয়ন ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা মোস্তাকিম বিল্লা।
    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিংড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচীব ও ২নং ডাহিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক শারফুল ইসলাম বুলবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য ও তাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য ও কলম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল ফটিক, পৌর বিএনপির সদস্য সবেক কমিশনার মহিদুল ইসলাম,পৌর বিএনপির সদস্য আতিকুর রহমান লিটন, যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হুমায়ন কবির, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক শাহাদত হোসেন মিন্টু, কলম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী এজাজুর রহমান, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক হাসমত আলী প্রমূখ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা ব্যাটালিয়ান ৫৯ বিজিবি’র ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা ব্যাটালিয়ান ৫৯ বিজিবি’র ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহানন্দা ব্যাটালিয়ান ৫৯ বিজিবি’র ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ মহানন্দা ব্যাটালিয়ান (৫৯ বিজিবি)’র ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। বুধবার(৩ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার গোবরাতলায় ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে এই আয়োজন করা হয়।প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনা সভা, ব্যাটালিয়ন সমাবেশ, ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজিবি রাজশাহী সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল কামাল হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ শাহাদাৎ হোসেন মাসুদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি)’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ মহানন্দা ব্যাটালিয়ান (৫৯ বিজিবি)’র অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল গোলাম কিবরিয়া,

    উপ-অধিনায়ক আব্দুল্লাহ আল আসিফ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ, সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মারুফ আফজাল রাজন সহ জেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

  • মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিজ দেশে ফিরতে পারবে না অন্তঃসত্ত্বা সোনালিসহ ৬ ভারতীয়

    মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিজ দেশে ফিরতে পারবে না অন্তঃসত্ত্বা সোনালিসহ ৬ ভারতীয়

    মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিজ দেশে ফিরতে পারবে না অন্তঃসত্ত্বা সোনালিসহ ৬ ভারতীয়

    বিএসএফের মাধ্যমে পুশইনের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাবন্দি অন্তঃসত্ত্বা সোনালিসহ ৬ ভারতীয় জামিন পেলেও নিজ দেশে ফেরা হচ্ছে না। বুধবার আদালতে হাজিরা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তাদের আইনজীবী একরামুল হক পিন্টু। এর আগে গত সোমবার শুনানি শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (তৃতীয় আদালত) মো. আশরাফুল ইসলাম তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। ওই দিন রাতেই জেলা কারাগার থেকে তারা জামিনে বেরিয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে উঠলে দেড় ঘণ্টার মাথায় আবারো পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।
    পরে গতকাল আবারো আদালত থেকে আসামিদের জিম্মাদার চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নয়াগোলার বাসিন্দা ফারুক হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আজ সকালে হাজিরা শেষে তারা আত্মীয়ের বাসায় ফিরে যান। তবে তারা নিজ জন্মভূমি ভারতে ফিরে যাওয়ার আকুতি জানান।

    আইনজীবী একরামুল হক পিন্টু আরো বলেন সোনালী খাতুন যে কোনো সময় বাচ্চা প্রসব করতে পারেন। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনিসহ বাকি আরো তিনজনকে জামিন দেয়া হয়েছে। তবে মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তারা নিজ দেশে ফিরতে পারবে না। আপাতত পৌর এলাকার নয়াগোলার বাসিন্দা জিম্মাদার ফারুক হোসেনের বাসায় থাকতে হবে। আগামী ২৩ ডিসেম্বর হাজিরার পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।
    ভারতীয়রা হলেন- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূম জেলার পাকুরের দানিশ শেখ (২৮), তার স্ত্রী সোনালি বিবি (২৬), সুইটি বিবি (৩৩) ও তার দুই সন্তান, মো. কুরবান দেওয়ান (১৬)। এছাড়াও সুইটি বিবির আরেক সন্তান মো. ইমাম দেওয়ান (৬) ও সোনালী বিবির সন্তান সাব্বির শেখ (৮) কারাগারে বন্দি থাকলেও মামলার আসামি ছিলেন না।
    গত ২০ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের আলীনগর থেকে ওই ৬ ভারতীয়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের কুড়িগ্রামের একটি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশইন করে বিএসএফ। পরে তাদের বিরুদ্ধে সীমান্তে অনুপ্রবেশ আইনে মামলা দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে ওই ছয়জনের মধ্যে দুইজন কোলের শিশু হওয়ার মামলায় তাদের আসামী করা হয়নি।

  • সীমান্তে বিএসএফ’র প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার আন্তর্জাতিক নীতিমালা পরিপন্থী- ড. কেরামত

    সীমান্তে বিএসএফ’র প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার আন্তর্জাতিক নীতিমালা পরিপন্থী- ড. কেরামত

    সীমান্তে বিএসএফ’র প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার আন্তর্জাতিক নীতিমালা পরিপন্থী- ড. কেরামত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে দুই বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও বিএসএফ’র প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার আন্তর্জাতিক নীতিমালার পরিপন্থী বলে জানিয়ে আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য রাজশাহী মহানগরী জামায়াতের আমীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের জামায়াতের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. কেরামত আলী। তিনি বুববার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানান।
    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরো বলেন, গত ৩০ নভেম্বর দিবাগত রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে দু’জন বাংলাদেশি যুবককে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ হত্যা করে তাদের লাশ পদ্মা নদীতে ভাসিয়ে দেয়। এই ঘটনা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর নগ্ন আঘাত এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের জঘন্য উদাহরণ।
    এই হত্যাকাণ্ড কেবল দু’জন বাংলাদেশির প্রাণহানি নয়, বরং বাংলাদেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আক্রমণ। আমরা এই মানবতাবিরোধী অপরাধের তীব্র নিন্দা জানাই এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এর বিচার দাবি করছি।
    ড. কেরামত আলী আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী লঙ্ঘনসমূহ উদাহরণ দিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, জাতিসংঘ সনদ (আর্টিকেল ২(৪), কোনো রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা বা রাজনৈতিক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ করতে পারবে না। বিএসএফের এই কর্মকাণ্ড স্পষ্টতই বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। “আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তি (ওঈঈ আর্টিকেল ৬)” প্রত্যেক মানুষের জীবন রক্ষার অধিকার রয়েছে। সীমান্তে নিরীহ মানুষ হত্যা এই মৌলিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। রোম স্ট্যাটিউট (ওঈঈ, আর্টিকেল ৭),পরিকল্পিতভাবে বেসামরিক নাগরিক হত্যা মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। সীমান্ত আইন ও প্রটোকল: সীমান্তে আইন প্রয়োগে সংযম প্রদর্শন বাধ্যতামূলক। প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার আন্তর্জাতিক নীতিমালার পরিপন্থী।
    উল্লেখ্য, গত সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার পাকা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর বিজেপির অধীনস্থ ৭/৮এস নাম্বার পিলার এলাকা বিএসএফ’র সদস্যরা গুলি চালালে দুর্লভপুর ইউনিয়নের চর হাসানপুর গাইপাড়া গ্রামের আমিরুলের ছেলে আব্দুল মমিন(২৯) এবং অন্যজন হলো পাকা ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ইব্রাহিম রিংকু (৩৮) নিহত হয়।

  • শিবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ এক যুবক গ্রেফতার

    শিবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ এক যুবক গ্রেফতার

    শিবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ এক যুবক গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় র‌্যাব-৫, সিপিসি-১ এর বিশেষ অভিযানে ১.৯ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (২ ডিসেম্বর ২০২৫) রাত ৮টা ১৫ মিনিটে দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের বারিকবাজার-সোনা মসজিদগামী পাকা রাস্তায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মোঃ ইমন (২০)। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার নলডুবরি এলাকার আবু সায়ীদের ছেলে। ইমনের হাতে থাকা কাপড়ের বাজারের ব্যাগের ভেতর নীল পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় গাঁজা উদ্ধার করে র‌্যাবের আভিযানিক দল।

    প্রেস নোটের মাধ্যমে র‌্যাব জানায়, মাদক বিরোধী অভিযান জোরদারের অংশ হিসেবে র‌্যাব-৫ এর একটি টহল দল শিবগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত টহল পরিচালনা করছিল। এসময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, বারিকবাজার এলাকার রাস্তায় একজন ব্যক্তি অবৈধ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে র‌্যাব দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করে।
    অভিযানে ১.৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার এবং মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। পরে গ্রেফতারকৃত আসামি ও উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাবের প্রেস নোট সূত্রে জানা যায়। র‌্যাব আরো জানায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে তাদের অভিযান চলমান থাকবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ম গ্রেডের দাবিতে ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অর্ধদিবস কর্মবিরতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ম গ্রেডের দাবিতে ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অর্ধদিবস কর্মবিরতি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ম গ্রেডের দাবিতে ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অর্ধদিবস কর্মবিরতি

    দশম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেছেন ডিপ্লোমা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। বুধবার সকাল থেকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালসহ শিবগঞ্জ, নাচোল ও গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ কর্মবিরতি পালন করা হয়।
    কর্মবিরতির কারণে সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানে বন্ধ থাকে বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও রোগ নির্ণয়ের সেবা। ভোগান্তিতে পড়েন রোগীরা।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট সমন্বয় পরিষদের মূখ্য সংগঠক গোলাম ফারুক, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সভাপতি মো. রেজাউল করিম, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ফোরাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সভাপতি আল মামুনসহ অন্যরা।
    বক্তারা জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও দীর্ঘদিন ধরে তারা অবহেলিত।

    অন্যান্য ডিপ্লোমাধারী পেশাজীবীরা ইতোমধ্যে ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত হলেও তারা এখনও সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
    বক্তারা আরও জানান, ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামীকাল থেকে কমপ্লিট শাটডাউনে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

  • সিংড়ায় ৫ শালিক পাখি অবমুক্ত করলো পরিবেশ কর্মীরা

    সিংড়ায় ৫ শালিক পাখি অবমুক্ত করলো পরিবেশ কর্মীরা

    সিংড়ায় ৫ শালিক পাখি অবমুক্ত করলো পরিবেশ কর্মীরা

     

    নাটোরের সিংড়ায় চলনবিলের মাঠ থেকে পাখি শিকারীর কাছ থেকে পাখি শিকারীর জাল জব্দ সহ ৫ টি শালিক পাখি অবমুক্ত করেছে চলনবিল পরিবেশ উন্নয়ন ও প্রকৃতি সংরক্ষণ ফোরাম নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা।
    বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ভোর বেলায় উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের খরসতি গ্রামের মাঠে পরিবেশ কর্মীদের বিশেষ অভিযানে শিকারীর কাছ থেকে ৫ টি শালিক অবমুক্ত এবং প্রায় ২ হাজার মিটার পাখি শিকারীর জাল ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এসময় তারেক নামের কিশোর পাখি শিকারীকে আর কখনো পাখি মারবো না বলে মুচলেকার শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে জব্দ কৃত পাখি শিকারীর জাল ও অন্যান্য সরঞ্জাম পুরিয়ে ধবংস করেন পরিবেশ কর্মীরা।

    বুধবার ভোর থেকে প্রায় ৩ ঘন্টাব্যাপী এ অভিযান পরিচালনা করেন, চলনবিল পরিবেশ উন্নয়ন ও প্রকৃতি সংরক্ষণ ফোরামের সভাপতি এসএম রাজু আহমেদ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জুলহাস কায়েম ও পরিবেশ কর্মী মোতালেব হোসেন।
    পরিবেশ উন্নয়ন ও প্রকৃতি সংরক্ষণ ফোরামের সভাপতি এসএম রাজু আহমেদ বলেন, শীতের সময় চলনবিলে নানা প্রজাতির পাখির আগমন ঘটে। কিছু অসাধু পাখি শিকারী পাখি নিধন করছে প্রতিনিয়ত।
    আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছি।
    পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পাখি শিকার বন্দে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের পর দুই বাংলাদেশি নিখোঁজ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের পর দুই বাংলাদেশি নিখোঁজ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের পর দুই বাংলাদেশি নিখোঁজ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের তিন দিন ধরে দুই বাংলাদেশির কোনো খোঁজ নেই। রোববার রাতে তারা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানিয়েছেন। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ঘটনাটি স্থানীয়দের কাছ থেকে জেনেছে, তবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ নিখোঁজের বিষয়টি অস্বীকার করেছে।
    নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি হলেন শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের গাইপাড়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে ইব্রাহিম রিংকু (২৮) ও পাঁকা ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের আমিনুল ইসলামের ছেলে মোমিন মিয়া (২৯)।

    স্থানীয়রা জানান, পাঁকা ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর সীমান্ত দিয়ে রিংকু ও মোমিনসহ কয়েকজন ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে দেশে ফিরতে সক্ষম হলেও রিংকু ও মোমিন ভারতীয় ভূখণ্ডেই থেকে যান। এরপর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
    পাঁকা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য রফিক উদ্দিন বলেন, নিখোঁজ দুজন চোরাচালানে জড়িত থাকতে পারেন। তবে তাদের পরিবার এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
    ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে দুই বাংলাদেশি নিখোঁজের বিষয়টি জেনেছি। এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এমন কোনো ঘটনার কথা অস্বীকার করেছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আখ চাষ: অতীতের বৈভব, বর্তমান সংকট ও উত্তরণ পথ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আখ চাষ: অতীতের বৈভব, বর্তমান সংকট ও উত্তরণ পথ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আখ চাষ: অতীতের বৈভব, বর্তমান সংকট ও উত্তরণ পথ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ঐতিহাসিকভাবে আখ চাষ ও গুড়-চিনি প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রয়োজনে পরিচিত ছিল। আখ চাষ ও গুড় তৈরি ছিল গ্রামের কৃষক-শ্রমজীবীদের উপার্জনের একটি প্রধান উৎস। কিন্তু বিগত কয়েক দশকে এই চক্র ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে অনেক কৃষক আখ চাষ থেকে সরে গেলেও, কিছু অঞ্চল এখনও চেষ্টায় রয়েছে। একসময় এই জেলার শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর ও নাচোল এলাকায় আখের সুবাসে মুখর থাকত গ্রাম। গুড়ের হাঁড়িতে ফুটত আখের রস। শীত মৌসুম এলেই গ্রামেগঞ্জে গুড়ের গন্ধে মাতোয়ারা থাকত মানুষ। এখন সেই দৃশ্য অনেকটাই অতীত। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, কৃষকরা লাভজনক ফসল যেমন মরিচ, পেঁয়াজ ও বিভিন্ন সবজির দিকে ঝুঁকছেন। আখ চাষে সময় বেশি লাগে, শ্রমও বেশি — অথচ বাজারদর অনিশ্চিত।

    ফলে কৃষকরা ধীরে ধীরে আখ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। হ্রাসের প্রধান কারণ: ১. চিনিকল বন্ধ হয়ে যাওয়া ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাব। ২. উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও কম লাভজনকতা। ৩. ভেজাল গুড়ের দৌরাত্ম্য ও বাজারে আস্থা হারানো। ৪. আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের আখ ব্যবহারে অনীহা। ৫. জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে উৎপাদন ক্ষতি। কৃষকের অভিমত: স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে আখ থেকে রস কম পাওয়া যায় এবং গুড় ঠিকমতো জমাট বাঁধে না। এর পাশাপাশি, বাজারে ভেজাল গুড় বিক্রির কারণে আসল কৃষকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রশাসনিক তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি সঠিক প্রশিক্ষণ ও বীজ সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন তারা। সম্ভাবনা ও উত্তরণের পথ: চিনিকল পুনরায় চালু ও আধুনিকীকরণ প্রয়োজন। উন্নত জাতের আখ বীজ সরবরাহ ও প্রযুক্তি সহায়তা দিতে হবে। কৃষক প্রশিক্ষণ ও বাজার ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে হবে। ভেজাল গুড় নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। আখ চাষে সরকারি প্রণোদনা ও স্বল্প সুদের ঋণ প্রদান করলে কৃষকরা আবার আগ্রহী হতে পারেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আখ চাষ একসময় অর্থনীতি ও সংস্কৃতির অংশ ছিল। আজ তা বিলুপ্তপ্রায়। তবে সঠিক পরিকল্পনা, প্রযুক্তি সহায়তা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা থাকলে এই আখ চাষ আবারও ফিরতে পারে। তখন হয়তো আবারও শীতের সকালে ভেসে আসবে গুড়ের মিষ্টি গন্ধ- যা একসময় এই জেলার গর্ব ছিল।