Blog

  • বাংলাদেশে রপ্তানি ‘বন্ধ’ দিল্লির বাজারে পচছে পেঁয়াজ

    বাংলাদেশে রপ্তানি ‘বন্ধ’ দিল্লির বাজারে পচছে পেঁয়াজ

     

    বাংলাদেশে রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাথায় হাত ভারতের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের। দিল্লির গাজিপুর পাইকারি বাজারে পচছে বস্তা বস্তা পেঁয়াজ। কিছু পেঁয়াজের দাম নেমেছে মাত্র দুই রুপিতে, তবুও মিলছে না খদ্দের।

    শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইটিভি জানিয়েছে, এবারের শীত মৌসুমে পেঁয়াজের পাইকারি দাম রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে। রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা এবং অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না কৃষকেরা।
    ভারতীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাংলাদেশসহ প্রধান রপ্তানি গন্তব্যে পেঁয়াজ পাঠানো বন্ধ থাকায় পুরো বাজারে বিপর্যয় নেমে এসেছে।
    গাজিপুর পাইকারি বাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী পারমানন্দ সাইনি জানান, নাসিক, আলওয়ার, মধ্যপ্রদেশ, বেঙ্গালুরু—সব জায়গা থেকে প্রচুর পেঁয়াজ এসেছে। ফলনও ভালো হয়েছে। কিন্তু রপ্তানি বন্ধ থাকায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ দুই থেকে সর্বোচ্চ ১৩ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।
    সাইনির কথায়, কৃষকদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। তাদের কমিশন চার্জ দিতে হচ্ছে, আবার উৎপাদন খরচও মেটাতে হচ্ছে। এক বস্তা ৫০ কেজি ছোট পেঁয়াজের দাম ১০০ রুপি, সঙ্গে অতিরিক্ত খরচ ১২০ রুপি। এই দামে পেঁয়াজ বিক্রি করে কৃষকের সাধারণ খরচও ওঠে না।
    আরেক ব্যবসায়ী সচ্ছা সিং অভিযোগ করেন, সরকারি সংস্থাগুলো এমন সময় আগের মজুত করা পেঁয়াজ বাজারে ছাড়ছে, যখন উৎপাদন সবচেয়ে বেশি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সীমান্ত এক বছর ধরে বন্ধ। ফলে বাজারে জমে আছে পণ্য, কৃষক যেমন ক্ষতিগ্রস্ত—আমরাও সমস্যায় পড়ছি। কৃষকের কাছ থেকে পণ্য কিনতেই হয়, কিন্তু সেই পেঁয়াজ দ্রুত সরবরাহ করা যাচ্ছে না।
    পণ্য রপ্তানি ও বৈদেশিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ লোকেশ গুপ্ত বলছেন, সরকারের উচিত বেসরকারি ও সরকারি সংস্থার জন্য নির্দিষ্ট মজুতসীমা নির্ধারণ করা, যাতে অযথা মজুতদারি বন্ধ হয়। তাঁর মতে, ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বাজারকে বহুমুখী করতে হবে। এক দেশের সঙ্গে রপ্তানি বন্ধ হলে যেন অন্য দেশে সরবরাহ করা যায়।
    তিনি আরও প্রস্তাব দেন, ভারতীয় কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকারি সংস্থা এনএএফইডি’র বিদেশে শাখা খোলা উচিত। বাংলাদেশ ছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলো এবং আফগানিস্তান-শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় পেঁয়াজের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে।
    রপ্তানি বাজার হারানোর কারণ হিসেবে লোকেশ গুপ্ত বলেন, বাংলাদেশ আগে ভারতের মোট পেঁয়াজ রপ্তানির এক-তৃতীয়াংশ কিনতো। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশ নিজস্ব উৎপাদন রক্ষা ও কৃষকদের স্বার্থে ভারত থেকে আমদানি বন্ধ রেখেছে। একইভাবে সৌদি আরব জানিয়েছে, তারা ইয়েমেন ও ইরান থেকে প্রতিযোগিতামূলক দামে পেঁয়াজ কিনছে এবং নিজেদের উৎপাদনও যথেষ্ট।
    ভারত ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা, শুল্ক এবং সম্পূর্ণ বন্ধের মতো বিধিনিষেধ জারি করেছে। এর আগে ২০১৯ ও ২০২০ সালে ছয় মাসের জন্য পুরোপুরি রপ্তানি বন্ধ ছিল।
    ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতে কৃষক যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি বাজার হারাচ্ছে ভারত। অবৈধভাবে পেঁয়াজ বীজ রপ্তানির ফলে কিছু ঐতিহ্যবাহী ক্রেতা দেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে ভারতের বাজার দখল করছে। কৃষকদের অনেকে আশঙ্কা করছেন, দাম না বাড়লে আগামী মৌসুমে তাঁরা পেঁয়াজের চাষই কমিয়ে দেবেন।

  • নিয়োগের ৮ বছরেও বেতন ভাতা চালু হয়নি শিক্ষকের ॥ সীমাহীন দারিদ্রতার মধ্যে কাটছে জীবন

    নিয়োগের ৮ বছরেও বেতন ভাতা চালু হয়নি শিক্ষকের ॥ সীমাহীন দারিদ্রতার মধ্যে কাটছে জীবন

    নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলাধীন সুদরানা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী গ্রন্থাগারিক/ ক্যাটালগার পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ার ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও বেতনভাতা না হওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন মোঃ রজব আলী নামের একজন শিক্ষক। শুধুমাত্র প্রধান শিক্ষকের খামখেয়ালীপনা এবং অবহেলার কারনে বেতনভুক্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বার বার ফেরত পাঠাচ্ছে শিক্ষা অধিদপ্তর। এ জন্য প্রধান শিক্ষক অমরেন্দ্রনাথ সাহা ভুক্তভোগী শিক্ষক মোঃ রজব আলীর নিকট থেকে ৫ লক্ষ টাকা গ্রহণ করলেও দায়িত্বের সাথে এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছেননা। বেতন না হওয়ায় দরিদ্র ভুমিহীন উক্ত রজব আলী সীমাহীন দুর্দশার মধ্যে থেয়ে না খেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে দিন যাপন করছেন।
    খোঁ নিয়ে জানা গেছে উক্ত রজব আলী সুদরানা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত ২২ নভেম্বর ২০২২ সালে সহকারী গ্রন্থাগারিক/ ক্যাটালগার পদে যোগদান করেন। এমপিওভুক্তির জন্য অন লাইনে কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে দেখা যায় ২০২০, ২০২১, ২০২২ এবং২০২৩ সালে ডাটা এন্ট্রি থাকলেও ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে ব্যানবেইস-এ ডাটা এন্ট্রি না থাকায় এমপিওভুক্তির আবেদনটি বাতিল করা হয়। প্রেক্ষিতে প্রদান শিক্ষক পুনরায় জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে আবেদন পাঠান। প্রধান শিক্ষক বার বার ইচ্ছাকৃতভাবে ভূল এবং অসামঞ্জস্য কাগজপত্র পাঠিয়ে দেন যা অধিদপ্তরে গ্রহণযোগ্য হয়না। প্রদান শিক্ষক উক্ত রজব আলীর শিক্ষাযোগ্যতার সার্টিফিকেটের সাথে মিল নেই এমন তথ্য সম্বলিত কাগজপত্র পাঠিয়ে দেন।
    জানা গেছে পুনরায় ৩০ নভেম্বর’২০২৫ তারিখের মধ্যে সঠিক এবং পূর্নাঙ্গ কাগজ পত্র অধিদপ্তরে পাঠানোর নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক বিষয়টিকে সামান্যতম গুরুত্ব না দিয়ে দিনের পর দিন স্কুলে অনুপস্থিত থাকছেন। ঐ স্কুৃলের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসমাইল হোসেন এবং সহকারী শিক্ষক মোঃ লিয়াকত আলী আকন্দ বলেছেন প্রধান শিক্ষক ইচ্ছামত ৭/৮ দিন পর পর হঠাৎ স্কুলে এসে হাজিরা রেজিষ্টারে স্বাক্ষর করে তাৎক্ষনিক স্কুল ত্যাগ করছেন। এমন কি ছাত্রছাত্রীদের বার্ষিক এবং টেষ্ট পরীক্ষা চলছে এমন অবস্থাতেও তিনি স্কুলে নিয়মিত অনুপস্থিত থাকছেন। গত ২৭ নভেম্বর এই প্রতিনিধি স্কুলে গিয়ে দেখতে পান যে প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত রয়েছেন। মোবাইল ফোনে তার সাথে যোগযোগ করা হলে তিনি ছুটিতে আছে বলে জানান।
    এদিকে উক্ত প্রধান শিক্ষকের নামে নানা আর্থিত অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগও প্রমানিত হয়েছে। ঐ স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির প্রাক্তন সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান মোল্লা এবং শিক্ষকবৃন্দ জানিয়েছেন বিগত করোনাকালীন সময়ে ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ আসে। এর মধ্যে ১৫ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের জন্য ৫ হাজার টাক করে মোট ৭৫ হাজার টাকা । এসব প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ৩ হাজার করে টাকা দিয়ে বাঁকী টাকা আত্মসাৎ করেছেন। আত্রাই উপজেলা সমাজসেবা অফিসার সোহেল রানা তদন্ত করে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় ইউএনও বরাবর সে রিপোর্ট প্রদান করেছেন । কিন্তু আজ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গৃহিত হয়নি। একজন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর পিতা এই আত্মসাতের বিষয়ে হাইকোর্টে রীট করেছেন যা শুনানীর অপেক্ষায় আছে। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে শিক্ষক কর্মচারীদের নিকট থেকে অনৈতিকভাবে ৮ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা, ছাত্রছাত্রীদের নিকট থেকে ফিস, সেশন ফি, বাবদ আদায়কৃত ৪ লক্ষ টাকাসহ মোট ১২ লক্ষ ৪৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসী এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে এসব অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়ে আসছেন।
    জানা গেছে শিক্ষক মোঃ রজব আলী’র বেতন না হওয়া এবং আর্থিক অনিয়মের কারনে এলাকাবাসীর ভয়ে তিনি বিদ্যালয়ে আসতে ভয় পাচ্ছেন। সেই কারনে তিনি নিয়মিত স্কুলে আসতে পারছেননা।

  • সিংড়ায় খালেদা জিয়ার সুস্থতায় প্রতিটি মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠানের আহবান অধ্যক্ষ আনুর

    সিংড়ায় খালেদা জিয়ার সুস্থতায় প্রতিটি মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠানের আহবান অধ্যক্ষ আনুর

    সিংড়ায় খালেদা জিয়ার সুস্থতায় প্রতিটি মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠানের আহবান অধ্যক্ষ আনুর

     

    বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় নাটোরের সিংড়া পৌর শহরের প্রতিটি মহল্লা ও উপজেলার প্রতিটি গ্রামের মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠানের আহবান জানিয়েছেন নাটো-৩, সিংড়া আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রার্থী, জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু।
    শনিবার (২৯ নভেম্বর) বেলা ১১ টায় পৌর ও উপজেলা বিএনপির আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপস্থিত নেতা কর্মীদের কাছে তিনি এই আহবান জানান।

    পৌর বিএনপির আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন সাখার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও ডাহিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শারফুল ইসলাম বুলবুল, উপজেলা বিএনপির সদস্য ও কলম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল ফটিক,উপজেলা বিএনপির সদস্য ও ইটালি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বজলার রহমান বাচ্চু,উপজেলা বিএনপির সদস্য ও তাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন,

    উপজেলা বিএনপির সদস্য রিয়াদ মোস্তফা,পৌর বিএনপির সদস্য ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মহিদুল ইসলাম,পৌর বিএনপির সদস্য আতিকুর রহমান লিটন, উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আলিম খাজা, পৌর বিএনপির সদস্য রেজাউল করিম বাবলু, শেরকোল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাঃসম্পাদক জয়নাল আবেদিন, কলম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাঃসম্পাদক হায়দার রশিদ রিপন প্রমূখ।
    দোয়া ও মিলাদ পরিচালনা করেন, উপজেলা ওলামা দলের আহবায়ক মাওলানা মোঃ আসাদুল ইসলাম আসাদ।

  • গোমস্তাপুর সীমান্তে ১০০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে বিজিবি

    গোমস্তাপুর সীমান্তে ১০০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে বিজিবি

    গোমস্তাপুর সীমান্তে ১০০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে বিজিবি

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ১০০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)।
    ২৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার অন্তর্গত সীমান্তবর্তী আনারপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বাংগাবাড়ি বিওপি-এর টহল কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল অংশ নেয়।
    বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হলে মালিকবিহীন অবস্থায় পরিত্যক্ত একটি স্থান থেকে ১০০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গোমস্তাপুর থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
    এ বিষয়ে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম, পিএসসি জানান, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে গরু পাচার, মাদক পাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধে বিজিবির সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    স্থানীয়দের মতে, সীমান্তে বিজিবির টহল ও নজরদারি বৃদ্ধির ফলে মাদক চোরাচালান অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসছে। তবে মাদককারবারিরা নানাভাবে নতুন কৌশল গ্রহণ করায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

  • গোমস্তাপুর সীমান্তে ১০০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে বিজিবি

    গোমস্তাপুর সীমান্তে ১০০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে বিজিবি

    গোমস্তাপুর সীমান্তে ১০০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে বিজিবি

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ১০০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)।
    ২৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক ৯টা ২০ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানার অন্তর্গত সীমান্তবর্তী আনারপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে বাংগাবাড়ি বিওপি-এর টহল কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল অংশ নেয়।
    বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হলে মালিকবিহীন অবস্থায় পরিত্যক্ত একটি স্থান থেকে ১০০ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গোমস্তাপুর থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
    এ বিষয়ে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম, পিএসসি জানান, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে গরু পাচার, মাদক পাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধে বিজিবির সর্বাত্মক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    স্থানীয়দের মতে, সীমান্তে বিজিবির টহল ও নজরদারি বৃদ্ধির ফলে মাদক চোরাচালান অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসছে। তবে মাদককারবারিরা নানাভাবে নতুন কৌশল গ্রহণ করায় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

  • নাচোলে ক্রীড়া কল্যাণ একাডেমির মতবিনিময় সভা ও জার্সি বিতরণ

    নাচোলে ক্রীড়া কল্যাণ একাডেমির মতবিনিময় সভা ও জার্সি বিতরণ

    নাচোলে ক্রীড়া কল্যাণ একাডেমির মতবিনিময় সভা ও জার্সি বিতরণ

    নাচোলে ক্রীড়া কল্যাণ একাডেমি’র মতবিনিময় সভা ও জার্সি বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ নভেম্বর শুক্রবার, বেলা ৪ টার দিকে নাচোল উপজেলা মাঠে এটি অনুষ্ঠিত হয়। নাচোল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক মন্টু স্যারের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন নাচোল সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমান, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান, এ.বি ব্যাংকের সাবেক এভিপি এটিএম নুরুল্লাহ,

    নাচোল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আনিকুল ইসলাম, হাটবাকইল উচ্চ বিদ্যালয় ও নাচোল খ.ম সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারি শিক্ষক আলাউদ্দিন আলী ও সুফল চন্দ্র বর্মনসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ক্রীড়া পরিচালক ও নাচোল খ.ম সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তোহিদুল ইসলাম তুষার ও সঞ্চালনা করেন আব্দুর রউফ। মতবিনিময় সভায় বক্তারা নাচোল ক্রীড়া কল্যাণ একাডেমীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। মতবিনিময় সভা শেষে মোট ৯২জন খেলোয়াড়দের হাতে ও কতিপয় ক্রীড়া পরিচালকদের হাতে জার্সি তুলে দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য যে, সুদুর ফিনল্যান্ড প্রবাসী বাবুল আকতার লিটনের উদ্যোগে এ ক্রিড়া কল্যাণ একাডেমি’র পথচলা শুরু হয়, বাংলাদেশে যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন তৌহিদুল ইসলাম তুষারসহ অন্যান্য প্রশিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ীরা।

  • ‘মায়ের শাসনের মারধরে’ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ১১ বছরের আশিক, মায়ের আহাজারি

    ‘মায়ের শাসনের মারধরে’ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ১১ বছরের আশিক, মায়ের আহাজারি

    ‘মায়ের শাসনের মারধরে’ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ১১ বছরের আশিক, মায়ের আহাজারি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে শাসনের জন্য মায়ের মারধরে আশিক আলী নামে ১১ বছরের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। মৃতের পরিবার, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মৃত আসিক আলী গঙ্গারামপুরের সুমন আলীর ছেলে।
    স্থানীয়রা জানান, সকালে শাসন করতে গিয়ে মারধর করেন তার মা আলেয়া বেগম। এর পরপরই মারা যায় আশিক। সন্তানের এমন মৃত্যুতে হতভম্ব ও কিছুক্ষণের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে যান আলেয়া বেগম। পরে তার কান্না আর আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

    আলেয়া বেগম সাংবাদিকদের জানান, অন্যের বাড়িতে কাজ করে সন্তানদের লালন-পালন করেন তিনি। দুই সন্তান তার, দুজনই তার কাছে অত্যন্ত প্রিয়। কিন্তু শাসনের মারধরে সন্তানের এমন মৃত্যু হবে তা ভাবতে পারেন নি। তিনি বলেন, ছেলে অসুস্থ্য ছিলো। শারীরিকভাবে দুর্বলও ছিলো।
    মোবারকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মাহামুদুল হক হায়দারী বলেন, ঘটনাটি একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অসাবধানতাবশত হয়েছে। আলেয়া বেগম শাসন করতে গিয়ে মারধর করেছিলেন। এতেই আশিক মারা যায়। তিনি বলেন,

    নিম্নবিত্ত পরিবারে সন্তানদের দুবেলা খাবার জোগাড় করতে গিয়ে আলেয়াকে মানুষের বাড়িতে কাজ করতে হয়। নিজের কষ্ট তুচ্ছ করেও তিনি সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতেন।
    শিবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) এসএম শাকিল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং মরদেহে উদ্ধার করে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি অসাবধানতাবশত ঘটে গেছে বলেই মনে হয়েছে।

  • হারিয়ে যাওয়া পানিফল-গ্রামীণ জলাশয়ের এক ভুলে যাওয়া স্বাদ

    হারিয়ে যাওয়া পানিফল-গ্রামীণ জলাশয়ের এক ভুলে যাওয়া স্বাদ

    বাংলার বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চলে একসময় বর্ষা ও শরৎ মৌসুম এলেই পুকুর-ডোবা, বিল-হাওর, খাল-ঝিলে ভেসে উঠত পানিফলের সবুজ পাতা আর কালো-সোনালি ফল। বাজারে গেলে বাঁশের ডালায় সাজানো পানিফল ছিল কৃষক-জেলে পরিবারগুলোর বাড়তি আয়ের অন্যতম সম্বল। ঘরের শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক পর্যন্ত সবাই অপেক্ষায় থাকত মৌসুমি এই ফলের জন্য। কিন্তু সময় পাল্টেছে, বদলে গেছে গ্রামীণ জলাশয়ের পরিবেশ। সেই পানিফল এখন বিরল, প্রায় বিলুপ্তির পথে। নানা কারণে হারিয়ে যাচ্ছে পানিফল-
    ১. জলাশয়ের সংখ্যা কমে গেছে- গ্রামীণ খাল-বিল এবং ছোট ছোট পুকুর-যেখানে পানিফল জন্মাত—তার অনেকই ভরাট হয়ে গেছে। কৃষি জমি বাড়াতে জলাশয় দখল ও ভরাট হওয়ায় পানিফলের স্বাভাবিক আবাস দ্রুত হারিয়ে গেছে।

    ২. দূষণ ও কীটনাশকের প্রভাব-
    আধুনিক কৃষিকাজে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বৃষ্টির পানির সাথে খাল-বিলে গিয়ে মিশছে। পানিফল অত্যন্ত সংবেদনশীল উদ্ভিদ; পানি দূষিত হলে এর বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ দূষণই পানিফল কমে যাওয়ার বড় কারণ।
    ৩. জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব-
    মৌসুমি বৃষ্টিপাতের অস্থিরতা, দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুম ও হঠাৎ অতিবৃষ্টি—এসব কারণে জলাশয়ের পানির স্বাভাবিক গভীরতা থাকে না। পানিফলের জন্ম-বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন স্থির পানি ও নির্দিষ্ট তাপমাত্রা, যা এখন আর বজায় থাকছে না।
    ৪. অতিরিক্ত আহরণ-
    একসময় পানিফল সংগ্রহ ছিল নিয়ন্ত্রিত। কিন্তু বাজারে চাহিদা বাড়ার পর অনিয়ন্ত্রিত আহরণ শুরু হয়। ফলে প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় বংশবিস্তার করার সুযোগ হারায় উদ্ভিদটি।
    গ্রামের মানুষের স্মৃতিতে পানিফল-
    বেশ কয়েকজন প্রবীণ কৃষকের মুখেই শোনা যায়-“আগে বাড়ির পুকুরেই পানিফল হত; বিক্রি করতাম, খেতাম, বাচ্চাদেরও দিতাম।” পানিফলের সেদ্ধ বা ভাজা স্বাদ অনেকেরই শৈশবের স্মৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে দেয়। এটি ছিল সুলভ, পুষ্টিকর এবং স্বাভাবিকভাবেই উৎপন্ন একটি মৌসুমি খাবার। এখন সেসব স্মৃতি যেন ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে যাচ্ছে।
    অর্থনৈতিক ও পুষ্টিগুণ-
    পানিফল শুধু মৌসুমি খাবারই নয়, এতে রয়েছে প্রচুর শর্করা, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও খনিজ পদার্থ। কম খরচে বেশি ফলন হওয়ায় যেসব পরিবারের কৃষিজমি নেই, তারা জলাশয় থেকে পানিফল সংগ্রহ করে বাড়তি আয় করতেন। ফলে এটি ছিল একধরনের গ্রামীণ অর্থনীতির সহায়ক ফসল। পানিফল কমে যাওয়ার ফলে সেই আয়ের উৎসও হারাচ্ছে দরিদ্র জনগোষ্ঠী।
    ফিরিয়ে আনা কি সম্ভব?
    গবেষকদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা ও পানি ব্যবস্থাপনা থাকলে পানিফল ফিরিয়ে আনা কঠিন নয়।
    জলাশয় দখল ও ভরাট বন্ধ করতে হবে
    খাল-বিল নিয়মিতভাবে খনন ও সংরক্ষণ করতে হবে
    রাসায়নিক দূষণ কমাতে হবে
    স্থানীয়ভাবে পানিফল চাষের উদ্যোগ নিতে হবে
    এছাড়া ইউনিয়ন বা উপজেলা পর্যায়ে জলাশয় সংরক্ষণ কার্যক্রম শুরু হলে পানিফল উৎপাদন আবারও বাড়তে পারে। স্থানীয় কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা গেলে খুব অল্প খরচেই পানিফল চাষ করা সম্ভব।
    সমাপনী কথা
    যে পানিফল একসময় গ্রামীণ জীবনের অংশ ছিল, তা আজ হঠাৎ করে হারিয়ে যেতে বসেছে। শুধু পানিফল নয়, হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের জলজ জীববৈচিত্র্য, গ্রামীণ খাদ্যসংস্কৃতি আর এক বিশাল জীবিকা-ব্যবস্থা। সময় থাকতে আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে-জলাশয় রক্ষা করতে হবে, প্রকৃতিকে বাঁচাতে হবে। তাহলেই হয়তো আবার কোনো ভোরে পুকুরপাড়ে হাঁটতে গিয়ে পানিফলের পাতায় শিশিরের ঝিকিমিকি দেখা মিলবে।

  • গোমস্তাপুরে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকের ওপর হামলা

    গোমস্তাপুরে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকের ওপর হামলা

    গোমস্তাপুরে সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকের ওপর হামলা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সময় টিভির জেলা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম সংবাদ সংগ্রহকালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমিনুল ইসলামের সমর্থকদের হামলার শিকার হয়েছেন। ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে কলেজ মোড়ে। জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনি প্রার্থী বাতিলের দাবিতে অনুষ্ঠিত মশাল মিছিলের সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। হঠাৎ তাদের সমর্থকরা তাকে লক্ষ্য করে আক্রমণ শুরু করে। একাধিকবার সাংবাদিক পরিচয় দিলেও হামলা থামেনি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন জুয়েল বলেন, “সাংবাদিকের ওপর হামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য বড় হুমকি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলেও প্রার্থী আমিনুল ইসলাম ফোন রিসিভ করেননি। গোমস্তাপুর থানার ওসি ফরিদ আহমেদ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে তিনটি অস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে তিনটি অস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার

    নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারত থেকে আসছে অস্ত্র

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে তিনটি অস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বিজিবি। বৃহস্পতিবার রাতে জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার চকপাড়া সীমান্ত থেকে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার করা হয়। বিজিবি বলছে- আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থীতিশীল করতে ভারত থেকে আনা হয়েছে এসব আগ্নেয়াস্ত্র।

    শুক্রবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া।
    তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বিজিবির একটি দল চকপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ২৫ গজ অভ্যন্তরে অভিযান চালায়।

    এ সময় তিনটি বিদেশি ওয়ান শ্যুটারগান ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।


    দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করতে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের জন্য ভারত থেকে এসব আগ্নেয়াস্ত্র আনা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
    গত এক মাস ধরে সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে বিজিবি অধিনায়ক বলেন, অস্ত্র ও গোলাবারুদের চোরাচালানরোধে সীমান্তে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করছে বিজিবি।