Blog

  • সুস্পষ্ট লঘুচাপ ॥ টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

    সুস্পষ্ট লঘুচাপ ॥ টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

    সুস্পষ্ট লঘুচাপ ॥ টানা ৫ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

    বেশ কয়েকদিন থেকে বৃষ্টি না থাকায় বেড়েছে তাপমাত্রা। সর্বোচ্চ তাপমাত্রার বিরাজ করছে ৩৬ ডিগ্রির ঘরে। এই অবস্থার মধ্যেই বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ বিরাজ করছে। এর ফলে আগামী ৫ দিন দেশের কয়েকটি অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের অদূরে ভারতের তামিল নাড়ু উপকূলে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পরদিন শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ৯টা পর্যন্ত বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া শনিবার (২৫ অক্টোবর) একই সময় পর্যন্ত ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এরমধ্যে শুক্রবার দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও শনিবার দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি কমতে পারে। এছাড়া এদিন রাতের তাপমাত্রাও কিছুটা কমতে পারে। এদিকে, রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল ৯টা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে এই সময়েও সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। অন্যদিকে, সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে এই সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় ফেনীতে দেশের সর্বোচ্চ ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে বুধবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ২ মিলিমিটার ছাড়া দেশের কোথাও বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • ধানের গন্ধে জীবন-কুটিদের ঘামে গড়া স্বপ্ন!

    ধানের গন্ধে জীবন-কুটিদের ঘামে গড়া স্বপ্ন!

    ধানের গন্ধে জীবন-কুটিদের ঘামে গড়া স্বপ্ন!

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদে সকাল হতেই শোনা যায় ধান মাড়াইয়ের শব্দ। ভোরের কুয়াশা ভেদ করে উঠতি সূর্যের আলোয় ঝলমল করে ওঠে এক একটি উঠান। সেখানেই ব্যস্ত হাতে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন কুটিরা। ধান থেকে চাল বানিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন তারা। এটি শুধু একটি ব্যবসা নয়, তাদের জীবনের সঙ্গে মিশে থাকা এক সংস্কৃতি, এক সংগ্রামের ইতিহাস। কুটিদের এই ধান-চালের ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরেই গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত। মৌসুম এলেই ধান ক্রয় করে মজুদ রাখা হয়। তারপর স্থানীয় চাতালে ধান ভেজানো, শুকানো, মাড়াই ও চাল বাছাই—সবকিছুতেই থাকে কুটিদের কঠোর পরিশ্রম। অনেক সময় রাতে বাতির আলোয় চাল বাছাইয়ের কাজ করতে দেখা যায় তাদের। চোখ জ্বালা, ঘাম ঝরা পরিশ্রম, তবু হাসিমুখে দিন কাটে। কারণ, এই পরিশ্রমেই লুকিয়ে আছে তাদের জীবনের আশা। তবে লাভজনক এই ব্যবসার পথ মোটেও সহজ নয়। একদিকে বাজারে ধানের অস্থির দাম, অন্যদিকে চাতাল ও পরিবহন ব্যয়ের বৃদ্ধি—সবকিছু মিলিয়ে কুটিদের টিকে থাকা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। অনেকেই ব্যাংক ঋণ বা ধার করে ব্যবসা শুরু করলেও ক্ষতির আশঙ্কায় অনেক সময় পিছিয়ে যান। চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর, শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট এলাকায় এখনো অনেক পরিবার এই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। নারী-পুরুষ মিলে কাজের ভাগাভাগি করেন। কেউ ধান শুকান, কেউ চাল বাছেন, কেউ বা বাজারে বিক্রি করেন। এতে গ্রামীণ নারীরাও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। কুটিদের এই ব্যবসা শুধু জীবিকা নয়—এটি এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে চলমান সংগ্রামের প্রতীক। ধানের গন্ধে ভরে থাকে তাদের উঠান, চালের ঝলকে জেগে থাকে স্বপ্ন। কুটিদের ঘামে যে চাল আমরা খাই, সেই ঘামের প্রতিটি বিন্দুতে আছে এক অনন্য গর্বের গল্প—বাংলার মাটির গল্প।

  • সিরাজগঞ্জে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ॥ যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক ৭

    সিরাজগঞ্জে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ॥ যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক ৭

    সিরাজগঞ্জে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ॥ যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক ৭

    সিরাজগঞ্জ শহরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে হোসেনপুর ও মালশাপাড়া মহল্লায় সংঘর্ষের ঘটনায় বিশেষ অভিযানে ৭ জনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১ টার দিকে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেন। এর আগে রাত ৯ টা থেকে দুই মহল্লার মাঝে সংঘর্ষ শুরু হয়। বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি মোখলেছুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে ওই দুই মহল্লায় জনসাধারণের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি দেখা দেয়। পরে যৌথ বাহিনী এলাকায় শান্তি রক্ষা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পুনরুদ্ধারে ৭ জনকে আটক করে থানায় প্রেরণ করেছে। এসময় দেশীয় কিছু অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা উদ্ধার করেছে তারা। মামলা শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • নবগঙ্গা নদীতে ‘মা ইলিশ’ রক্ষায় অভিযান ॥ বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল জব্দ

    নবগঙ্গা নদীতে ‘মা ইলিশ’ রক্ষায় অভিযান ॥ বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল জব্দ

    নবগঙ্গা নদীতে ‘মা ইলিশ’ রক্ষায় অভিযান ॥ বিপুল পরিমান কারেন্ট জাল জব্দ

    ‘মা ইলিশ’ রক্ষায় চলমান ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নড়াইলের কালিয়া উপজেলা নবগঙ্গা নদীতে অনেক জেলে কারেন্ট জাল দিয়ে ‘মা ইলিশ’ শিকার করছেন। প্রেক্ষিতে কালিয়ার নবগঙ্গা নদীতে বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে কালিয়া উপজেলা মৎস্য অফিসার। এ অভিযানে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মা ইলিশ ধরার সময় জেলেদের ১ হাজার মিটার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন, কালিয়া উপজেলা মৎস্য অফিসার আবু রায়হান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাস, নড়াগাতী ফাঁড়ির নৌ-পুলিশ সদস্যরা। কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাস বলেন ‘সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মা ইলিশ ধরার খবরে আমরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করি। এ সময় আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে জেলেরা জাল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে ১ হাজার মিটার মাছ ধরার জাল জব্দ করা হয়। নিষেধাজ্ঞা সময়ের মধ্যে এ অভিযান চলমান থাকবে। এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা মৎস্য অফিসার বলেন, ৪ অক্টোবর মা ইলিশ সংরক্ষণ ২০২৫ শুরু হয়েছে। আমরা প্রতিদিন অভিযান চালাচ্ছি এবং টহল টিম নৌ পুলিশ সর্বক্ষণ তাদের দায়িত্ব পালনে নিযুক্ত রয়েছে। জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় আমাদের মৎস্য অফিস এ অভিযান চলমান রাখবে। তিনি আরো বলেন কালিয়া উপজেলায় ১২১৫ জন জেলেদের এবার ভিজিএফ চাউল ২৫ কেজি করে দেওয়া হয়েছে। যাতে তারা মা ইলিশ শিকার না করে।

  • র‌্যাবের অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ আটক ২

    র‌্যাবের অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ আটক ২

    র‌্যাবের অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ আটক ২

    মাদক বিরোধী অভিযানে অভিনব কায়দায় গাঁজা বহনকালে গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। আটককৃতরা হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার পার কালীনগর গ্রামের মৃত আলফাজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ নাসির উদ্দিন (৫৬) এবং লক্ষী নারায়নপুর গাজীপাড়ার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মোঃ বাদশা মিয়া (৫০)। র‌্যাবের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প এর একটি আভিযানিক দল ২১ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার সুন্দরপুর ইউপির কালীনগর গ্রামের একটি পাকা রাস্তার উপর কতিপয় লোকজন মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের অবস্থান করতেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনাস্থল থেকে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ নাসির উদ্দিন ও মোঃ বাদশা মিয়া কে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে একটি পলিথিন ব্যাগে ৯৫০ গ্রাম অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ০১টি নম্বরবিহীন মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • খুলনায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

    খুলনায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

    খুলনায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত

    খুলনার পাইকগাছায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে র‌্যালি ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিসচা সভাপতি এইচ এম শফিউল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন এর সঞ্চালনায় ” মানসম্মত হেলমেট ও নিরাপদ গতি, কমবে জীবন ও সম্পদের ক্ষতি ” প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সমরেশ রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির, সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাস, প্রধান শিক্ষক আব্দুল ওহাব, থানার এস.আই আতিক রহমান, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এসএম ইমদাদুল হক, প্রধান শিক্ষক শামসুর রহমান, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি জিএম শুকুরুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল হোসেন, পৌরসভা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রুহুল কুদ্দুস, যুবনেতা আবু হুরায়রা বাদশা, প্রভাষক আবু সাঈদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের সিএ আব্দুল বারী। উপস্থিত ছিলেন, নিসচা সিনিয়র সহ সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল আজিজ, এসএম আলাউদ্দিন সোহাগ, সাংবাদিক এন ইসলাম সাগর, আলাউদ্দিন রাজা, স্নেহেন্দু বিকাশ, প্রকাশ ঘোষ বিধান, আসাদুল ইসলাম, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, ফসিয়ার রহমান, জালাল আহমেদ, আবুল হাশেম, বদিউজ্জামান, শাহজামান বাদশা, মানসুর রহমান জাহিদ, কাজী সোহাগ, মাজহারুল ইসলাম মিথুন, মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, চিকিৎসক সিরাজুল ইসলাম, ফরিজুল ইসলাম গাজী, রকি বিশ্বাস, আবু হানিফ মিলন, হারুন কাহারুলসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও নিরাপদ সড়ক চাই নিসচা নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে বক্তারা সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের দাবি জানান। অনুষ্ঠান শেষে লন্ডনে চিকিৎসাধীন নিসচা চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এর সুস্থতা কামনায় দোয়া করা হয়।

  • পত্নীতলায় মহাসড়কে পাশের খাল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

    পত্নীতলায় মহাসড়কে পাশের খাল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

    পত্নীতলায় মহাসড়কে পাশের খাল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

    নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নজিপুর ধামইরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কে কালাপুর ডাবল ব্রিজ এলাকার একটি খাল থেকে অর্ধগলিত অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ অক্টোবর) সকালে স্থানীয়রা খালে ভাসমান মরদেহটি দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মরদেহটি বেশ কয়েকদিন আগের হওয়ায় শরীরের বেশিরভাগ অংশে পচন ধরে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েকদিন আগে ওই ব্যক্তি মারা গিয়েছিলেন। এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। তবে এখনও পর্যন্ত মৃত ব্যক্তির নাম-পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।

  • ফরিদপুরে মাদ্রাসা ছাত্রের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

    ফরিদপুরে মাদ্রাসা ছাত্রের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

    ফরিদপুরে মাদ্রাসা ছাত্রের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার

    ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নিখোঁজের ২ দিন পর এক মাদ্রাসা ছাত্রের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের চর চান্দড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। বুধবার সকালে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. শাহজালাল আলম। মো. আমির হামজা ওরফে হানজালা (১৩) আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নের শুকুরহাটা গ্রামের সায়েমউদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে। সে গোপালপুর ইউনিয়নের চান্দড়া তা’লিমুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানার জামাতখানা বিভাগের দ্বিতীয় জামাতের ছাত্র ছিল।
    পারিবারিক ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার বিকালে আমির হামজা মাদ্রাসা থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। পরে সোমবার সন্ধ্যায় আমির হামজার বাবা আলফাডাঙ্গা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শিশুটির খোঁজে দুই দিন ধরে পরিবার ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এলাকায় মাইকিংও করেছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ওসি মো. শাহজালাল আলম বলেন, চর চান্দড়া গ্রামের মতিয়ার শেখের স্ত্রী মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে হাঁস আনতে গিয়ে পানিতে একটি বস্তা ভাসতে দেখেন। বস্তাটি থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশের এসআই শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তাটি খুললে এক কিশোরের মরদেহ বেরিয়ে আসে। অর্ধগলিত মরদেহটির মুখে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। বস্তার মধ্যে লাশ ডুবিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কিছু ইটও পাওয়া যায়। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছেলের লাশ শনাক্ত করেন আমির হামজার বাবা সায়েমউদ্দিন বিশ্বাস। দিশেহারা সায়েমউদ্দিন বলেন, আমার মাছুম বাচ্চাকে এমন নৃশংসভাবে কারা হত্যা করলো! আমি আমার ছেলে হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।” ওসি মো. শাহজালাল আলম বলেন, সুরহাল রিপোর্ট শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশ কাজ করছে

  • মাসকলাই ফুলে ভরবে মাঠ-আশায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষকরা

    মাসকলাই ফুলে ভরবে মাঠ-আশায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষকরা

    মাসকলাই ফুলে ভরবে মাঠ-আশায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষকরা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরসহ বিভিন্ন উপজেলায় এখন মাঠজুড়ে দেখা যাচ্ছে সবুজে মোড়া মাসকলাই গাছের ছড়াছড়ি। আর কিছুদিন পরই এসব গাছে আসবে ফুল-ফল, ফলে ব্যস্ত সময় পার করবেন কৃষকরা। এ যেন শীতের আগমনী বার্তাসহ কৃষকের মুখে ফুটে ওঠা আশার হাসি। জেলার গোমস্তাপুর, নাচোল, ভোলাহাট, শিবগঞ্জ এবং সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে এ মৌসুমে মাসকলাই চাষ হয়েছে। কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এবার গোমস্তাপুর উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে মাসকলাই চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। তুলনামূলকভাবে অন্যান্য ফসলের চেয়ে মাসকলাইয়ের উৎপাদন খরচ কম, ঝুঁকিও সীমিত। তাই কৃষকরা দিন দিন এ ফসলের প্রতি ঝুঁকছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানান, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে জমি প্রস্তুত করে মাসকলাইয়ের বীজ বপন করা হয়। এরপর আগষ্ট-সেপ্টেম্বরে গাছ বড় হতে শুরু করে এবং অক্টোবরের শেষ ভাগে ফুল ও ফল আসে। নভেম্বরের শেষে শুরু হয় উত্তোলনের মৌসুম।

    ফলন ভালো হলে প্রতি বিঘায় ৪ থেকে ৫ মণ পর্যন্ত মাসকলাই পাওয়া যায়। বাজারে প্রতি কেজি মাসকলাইয়ের দাম ৮০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করে। গোমস্তাপুরের কৃষক মো. নূরুল ইসলাম বলেন, “মাসকলাই আমাদের জন্য লাভজনক ফসল। খুব বেশি সার, কীটনাশক বা শ্রম লাগে না। তাছাড়া ফসল কাটার পর মাটিতে এর গোড়া পচে জৈব সার হিসেবে কাজ করে, পরবর্তী ফসলের উৎপাদনও বাড়ায়।” চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, মাসকলাই একটি স্বল্পমেয়াদি ও মাটিবান্ধব ডাল ফসল। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে এবং এটি মাটিতে নাইট্রোজেন স্থায়ী করতে সাহায্য করে। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে কম পানি ও কম খরচে উৎপাদনযোগ্য ফসল হিসেবে মাসকলাই ভবিষ্যতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। অন্যদিকে, মাসকলাইয়ের ফুলে মৌমাছি ও প্রজাপতির ভনভনানি দেখা যায়, যা গ্রামীণ প্রকৃতিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। মাঠজুড়ে যখন হলুদাভ ফুলে ঢেকে যায়, তখন মনে হয় যেন সোনালি কার্পেট বিছিয়ে দিয়েছে প্রকৃতি নিজেই। সবমিলিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষকেরা এখন মাসকলাই ফুল ফোটার প্রতীক্ষায় দিন গুনছেন। ফুল আসলে তারা জানেন, লাভের দিনও বেশি দূরে নয়।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম’র কারাদন্ড ॥ মিথ্যা দাবি রফিকুল’র

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম’র কারাদন্ড ॥ মিথ্যা দাবি রফিকুল’র

    ৪০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম’র কারাদন্ড ॥ মিথ্যা দাবি রফিকুল’র

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি চেক প্রত্যাখ্যান (ডিজঅনার) মামলায় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম ওরফে চাইনিজ রফিককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও চেকে উল্লেখিত ৪০ লাখ টাকার অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে, মিথ্যা মামলায় তাকে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবী দন্ডপ্রাপ্ত আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম এর। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (১ম আদালত) আবুল বাসার মোঃ নাহিদুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত রফিকুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার আবুল কালাম আজাদের ছেলে। মামলার বাদী ব্যবসায়ী হাম্মাদ আলী জানান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম ওরফে চাইনিজ রফিককে তিনি ধার হিসেবে ৪০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। দুই মাসের মধ্যে সেই টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি আজ অবধি পরিশোধ করেননি এবং মামলা করার পর বিভিন্ন সময়ে আসামি হুমকিও দিয়েছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন পর হলেও এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট। বাদীপক্ষের আইনজীবী রবিউল ইসলাম জানান, ২০১৩ সালের ২৭ মার্চ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ব্যবসায়ী মো. হাম্মাদ আলী মামলাটি দায়ের করেন। আরজিতে তিনি উল্লেখ করেন, রফিকুল ইসলাম ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ৪০ লাখ টাকা ধার নেন এবং পরবর্তীতে পরিশোধ না করায় তাগাদা দিলে প্রাইম ব্যাংকের চারটি চেক (প্রতি চেক ১০ লাখ টাকা করে) প্রদান করেন। কিন্তু ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকগুলো প্রত্যাখ্যাত হয়। অন্যদিকে, রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি এ রায়ে অসন্তুষ্ট এবং উচ্চ আদালতে আপিল করবো।