Blog

  • বিশ্ব ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

    বিশ্ব ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

    বিশ্ব ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

    বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। এই উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ‘সবার জন্য মানসম্মত পরিসংখ্যান’-এই প্রতিপাদ্যে সোমবার (২০ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়।

    র‌্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। র‌্যালীর উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা হয়। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয় আয়োজিত র‌্যালি ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক রাজীব কুমার কর্মকার। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নাকিব হাসান তরফদার।

    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, শিবগঞ্জ মহিলা কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আখলাক-উজ-জামান। পরিসংখ্যান ব্যুরোর কার্যক্রম ও পরিসংখ্যান বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক রাজিব কুমার কর্মকার। এসময় জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকমীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • অনলাইন মিডিয়ায় বানোয়াট বক্তব্য প্রকাশ- সম্মানহানির প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

    অনলাইন মিডিয়ায় বানোয়াট বক্তব্য প্রকাশ- সম্মানহানির প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

    অনলাইন মিডিয়ায় বানোয়াট বক্তব্য প্রকাশ

    সম্মানহানির প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে কথিত দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফরমে বানোয়াট বক্তব্য প্রকাশ করা ও ব্ল্যাক মেইল করে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী’র প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার। রবিবার (১৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৯টার সময় মডেল প্রেসক্লাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর হল রুমে মোঃ আলম (৪৯) নামে এক ব্যাক্তি এই সংবাদ সম্মেলন করেন, এসময় উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগীর স্ত্রীসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। এক লিখিত বক্তব্যে মো. আলম বলেন, গত ৮ অক্টোবর ২০২৫ইং তারিখ বিকেল ৫টার দিকে আমি আমার বাড়িতে অবস্থান কালে দুইজন অজ্ঞাতনামা মহিলা আমার বাসায় আসে এবং আমার সাথে কথা বলতে চায়, আমি উক্ত অজ্ঞাতনামা মহিলাদের সাথে কথা বলার সময় কথিত দুই ভুয়া সাংবাদিক মোঃ জাহিদ (২৮), পিতা-মৃত লালচাঁন হাফেজ, সাং-রামকৃষ্টপুর, মাঝপাড়া এবং মোঃ সনি (৩০), নানা-মোঃ খাইরুল ইসলাম, নানার বাড়ির ঠিকানা সাং-শংকরবাটি সালেহ মেম্বার এর বাড়ির সামনে মসজিদের পার্শ্বে, উভয় থানা ও জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ-আমার বাড়ির সামনে এসে অহেতুক আমাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমার নিকট ৫০,০০০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে, তা নাহলে আমার ও আমার স্ত্রীর ছবি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকসহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ইলেকট্রিক মিডিয়াতে দিয়ে আমাদের সম্মানহানী ঘটাবে মর্মে হুমকি প্রদান করে। আমি টাকা দিতে অপরগতা প্রকাশ করলে উক্ত ভূয়া ২ সাংবাদিক রাগান্বিত হয়ে আমাকে বিভিন্ন প্রকার অকথ্য ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমি তাদের গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও প্রান নাশের হুমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে তারা আমাদেরকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আমাদের বক্তব্য মোবাইলে ধারন করে সেই বক্তব্য এডিট করে পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফরমে প্রকাশ করে। এতে সদর থানার একজন এস.আই এর নামের পাশাপাশি অফিসার ইনচার্জের নাম জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইনে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ায় আমরা আপনাদের মাধ্যমে জানাতে চাই উক্ত বক্তব্য সম্পন্ন মিথ্যা ও ভুয়া। এর সাথে উক্ত এস.আই, ওসি বা কোন পুলিশ সদস্য জড়িত নয়। আমার বক্তব্য এডিট করে ভুয়া সাংবাদিক জাহিদ ও সনি অনলাইন প্লাটফর্মে পাবলিশ করায় আমরা এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি কথিত দুই ভূয়া সাংবাদিক জাহিদ ও সনিকে গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। তিনি আরও বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, সাংবাদিক নামধারী এই জাহিদ ও সনি কোন বৈধ টেলিভিশন, প্রিন্ট পত্রিকা বা অনলাইন মিডিয়ায় কাজ করেন না। এরা ব্ল্যাক মেইল, চাঁদাবাজি, চুরি ডাকাতির সাথে জড়িত। কিছুদিন আগেই আমাদের পাশের জেলা নওগাঁর পরশা উপজেলায় চুরি করা ৫০ ক্যারেট আম সহ ধরা পড়েন জাহিদ ও বাদরুল এবং পালিয়ে যেতে সক্ষম হন সনি। সেই মামলায় জেল থেকে জামিনে বেড়িয়ে এসে সাংবাদিক তকমা ব্যবহার করে তারা একের পর এক অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকদের সম্মানও নস্ট হচ্ছে। এমন কথিত ও নামধারী সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে মানুষকে হয়রানী ও জিম্মি করছে, এবং নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। তাই গণমাধ্যমকর্মীদের সম্মান বাঁচাতে এবং সাধারণ মানুষকে হয়রানীর হাতে থেক বাঁচাতে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীও করেন এই ভূক্তভোগী পরিবার।

  • সংসদ নির্বাচন ॥ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সাথে ইসি’র সংলাপ

    সংসদ নির্বাচন ॥ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সাথে ইসি’র সংলাপ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, অংশগ্রহণমূলক এবং সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের নিয়ে সংলাপ করেছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (২০ অক্টেবর) সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ মতবিনিময় সভা হয়। ভোট প্রস্তুতির মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের নিয়ে এএমএম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন ইসির প্রথম বৈঠক এটি। ভোটকেন্দ্র ও নির্বাচনি এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মতবিনিময় ও প্রাক প্রস্তুতির বিষয়ে এখানে আলোচনা হয়। সংলাপে চার নির্বাচন কমিশার, ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনিসহ আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান ও প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম, সেনাবাহিনী প্রধানের প্রতিনিধি লেফট্যানেন্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, বিমানবাহিনীর প্রধানের প্রতিনিধি এয়ার ভাইস মার্শাল রুশাদ দিন আসাদ, নৌবাহিনী প্রধানের প্রতিনিধি রিয়ার অ্যাডমিরাল মীর এরশাদ আলী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসান।
    আরও ছিলেন, এনএসআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবু মোহাম্মদ সরোয়ার ফরিদ, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, আনসার ভিডিপি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়াল অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল কাইয়ুম মোল্লা, ঢাকার র‌্যাব হেডকোয়ার্টারের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, এসবির অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (প্রশাসন ও অর্থ) জি এম আজিজুর রহমান এবং সিআইডির অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. ছিবগাত উল্ল্যাহ।
    আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক এ সভায় একগুচ্ছ আলোচ্যসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও নির্বাচনি এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ডে সমন্বয় সাধন ও সুসংহতকরণ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা।
    অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার রোধ ও নিয়ন্ত্রণ। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল ও মিথ্যা তথ্যের প্রচারণা রোধে কৌশল নির্ধারণ। নির্বাচনে বিদেশি সাংবাদিক ও প্রাক পর্যবেক্ষকদের নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদান। পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থাপনা। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের পরিকল্পনা। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ন্ত্রণ। অঞ্চল, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন অফিসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পার্বত্য/দুর্গম এলাকায় নির্বাচনি দ্রব্যাদি পরিবহন এবং ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের জন্য হেলিকপ্টার সহায়তা প্রদান। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতামত/পরামর্শের আলোকে শান্তিশৃঙ্খলা বিষয়ক কার্যক্রম গ্রহণ। ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার নিষিদ্ধ করা। রোজার আগে ফেব্রুয়ারি প্রথমার্ধে নির্বাচন আয়োজন করবে সাংবিধানিক এ সংস্থাটি। এ লক্ষ্যে আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে তফসিল ঘোষণা করা হবে। গত ২৮ সেপ্টেম্বর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে ‘সংলাপ পর্ব’ শুরু করে ইসি। এরপর ৬ অক্টোবর গণমাধ্যম প্রতিনিধি এবং ৭ অক্টোবর নারী নেত্রী ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সংলাপ করেছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয়ভাবে অংশীজনের সঙ্গে সংলাপ করছে। তাতে বিরাজমান আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, ভোটের পরিবেশ ও ইসির শক্ত ভূমিকা নেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। এ ধারাবাহিক সংলাপের মধ্যে এবার আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সাথে সংলাপ শুরু।

  • ভোলাহাটে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    ভোলাহাটে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    ভোলাহাটে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে। ২০ অক্টোবর সোমবার ১০:০০ টার সময় রবি প্রণোদনা/২০২৫-২৬ কর্মসূচির শূভ উদ্বোধন করেছেন সদ্য যোগদানকৃত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ শামীম হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ সুলতান আলী। উদ্ভিদ সংরক্ষণ উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোঃ আখতারুল ইসলামের সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ সাইদুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার মোঃ নাসিম উদ্দিন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ সবুজ আলী, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ রবিউল ইসলাম কবিরাজ, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা, একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ হারুনর রশিদ সহ বিভিন্ন এলাকার সুবিধাভোগী কৃষকবৃন্দ। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে রবি মৌসুমে গম, সরিষা, চিনাবাদাম, শীতকালীন পেঁয়াজ, মসুর, খেসারি ও অড়হড় ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার সহায়তা প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ভোলাহাট উপজেলায় ৪৪৯০ (চারহাজার চারশত নববই) জন/বিঘা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। রবি মৌসুমে গম, সরিষা, চিনাবাদাম, শীতকালীন পেঁয়াজ, মসুর, খেসারি ও অড়হড় চাষে সহযোগিতার জন্য অনুমোদিত অগ্রাধিকার তালিকাভূক্ত একজন কৃষক একটি মাত্র ফসল পাবেন। একজন কৃষক ১ বিঘা জমির জন্য ২০ (বিশ) কেজি করে গম বীজ অথবা ০১ (এক) কেজি করে সরিষা বীজ অথবা ১০ (দশ) কেজি করে চিনাবাদাম বীজ অথবা ০১ (এক) কেজি করে শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ সাথে ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার অথবা ০৫ (পাঁচ) কেজি করে মুগ বীজ অথবা ০৫ (পাঁচ) কেজি করে মসুর বীজ অথবা ০৮ (আট) কেজি করে খেসারি বীজ অথবা ০২ (দুই) কেজি করে অড়হড় বীজ সাথে ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও মাসিক কল্যান সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও মাসিক কল্যান সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও মাসিক কল্যান সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে মাস্টার প্যারেড ও মাসিক কল্যান সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১০ অক্টোবর) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইন্স মাঠে মাষ্টার প্যারেডে সালাম গ্রহণ শেষে মাসিক কল্যান সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম-সেবা।

    জেলা পুলিশ লাইন্সে ড্রিল শেডে মাসিক কল্যান সভায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন এবং অফিসার ও ফোর্সদের সার্বিক কল্যাণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট ইনচার্জবৃন্দকে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

    কল্যাণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ একরামুল হক, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ ইয়াসির আরাফাত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোমস্তাপুর সার্কেল) মোঃ হাসান তারেক, এএসপি (প্রবিঃ) সহ জেলার অফিসার ইনচার্জগণ, ইন্সপেক্টরবৃন্দ এবং অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা।

  • থালা-বাটি নিয়ে শিক্ষা ভবনে শিক্ষকরা

    থালা-বাটি নিয়ে শিক্ষা ভবনে শিক্ষকরা

    শিক্ষা ভবনের সামনে এক অদ্ভুত দৃশ্য। কেউ ভেবেছিলেন হয়তো কোনো রান্না প্রতিযোগিতা হচ্ছে, কেউ আবার ভেবেছেন “বৈশাখ এসেছে বুঝি?” কিন্তু না, এটা কোনো উৎসব না, এটা এক শিক্ষা-আন্দোলনের নতুন ধারা! দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যান শিক্ষা ভবনে, হাতে বই নয়, প্রশ্নপত্র নয় বরং থালা-বাটি, হাঁড়ি-পাতিল! কারণ, পেটের দাবিই এখন সবচেয়ে বড় শিক্ষা। দীর্ঘদিন ধরে দাবি-দাওয়া জানাতে জানাতে শিক্ষকরা বুঝেছেন, মুখে কথা বলে ফল নেই, তাই এবার হাতে নিলেন খাবারের পাত্র। বার্তা একটাই: “যখন পেটে ভাত নেই, তখন শিক্ষা কেমন চলে?”
    দেখা গেল এক শিক্ষক হাতে একটা বাটি নিয়ে গর্বভরে বলছেন, “এই বাটিটা আমার ছাত্র উপহার দিয়েছিল, বলেছিল, স্যার, চাকরি করে কিছু খান অন্তত!” পাশে থাকা এক শিক্ষক হাঁড়ি হাতে গম্ভীর মুখে বললেন, “ভাই, এবার হয়তো হাড়িতেই ভবিষ্যৎ লিখতে হবে, কারণ বইয়ে লিখলে কেউ দেখে না!”
    শিক্ষা ভবনের প্রহরীরা প্রথমে একটু ভয় পেয়ে গেলেন। ভাবলেন, বুঝি ‘শিক্ষক ভোজসভা’ বসছে! পরে বোঝা গেল, ওটা আসলে ক্ষুধার প্রতীকী প্রতিবাদ।
    একজন সাংবাদিক জিজ্ঞেস করলেন, “স্যার, থালা-বাটি নিয়ে আসার উদ্দেশ্য কী?” শিক্ষক মৃদু হেসে বললেন, “উদ্দেশ্য খুবই উচ্চমার্গীয়, আমরা শিক্ষা দিই, কিন্তু আমাদের সংসার এখন ‘উপবাস শিক্ষা’র আওতায়। তাই ভাবলাম, থালা-বাটি নিয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ অন্তত বুঝবেন, এই পাত্রগুলো বহুদিন খালি পড়ে আছে!” একজন শিক্ষিকা আবার কাঁধে একটা পাতিল ঝুলিয়ে বললেন, “আমরা পেট খালি রাখলেও মন ভরতি রাখি, তবে এবার মনও খালি হয়ে যাচ্ছে!”
    বেলা বাড়ার সাথে সাথে দৃশ্যটা যেন এক রম্য নাটকে পরিণত হলো। কেউ হাঁড়ি বাজিয়ে তাল দিচ্ছেন, কেউ থালা দিয়ে স্লোগান তুলছেন, “আমরা শিক্ষক— থালা-বাটির সৈনিক!” শেষ পর্যন্ত এক প্রহরী হেসে বললেন, “স্যাররা যদি চান, ভবনের ভিতরে গ্যাসের চুলাও আছে।” একজন শিক্ষক তখন হেসে উত্তর দিলেন, “না ভাই, এখন চুলা নয়, চাই চাকরি ও বেতন, তাহলেই ভাত রান্না হবে!” হাঁড়ি-পাতিলের এই প্রতিবাদ, শিক্ষা ভবনে ইতিহাস হয়ে থাকবে। কারণ প্রথমবারের মতো শিক্ষকরা বুঝিয়ে দিলেন, শিক্ষা শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, যখন পেট খালি থাকে, তখন সেটাও এক বিশাল পাঠশালা!

  • আলোকন ইসলামিক প্রি-ক্যাডেট স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ

    আলোকন ইসলামিক প্রি-ক্যাডেট স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ

    আলোকন ইসলামিক প্রি-ক্যাডেট স্কুল, একডালা, বাগাতিপাড়া, নাটোর-এ এক হৃদয়ছোঁয়া ও সুশৃঙ্খল অভিভাবক সমাবেশ হয়েছে। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সম্মানিত পরিচালক মনিরুজ্জামান মিন্টু। যিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে অবিচল থেকে কাজ করে চলেছেন। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ-মুক্তার হোসেন ও জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর। তাঁরা স্কুলের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের মানসিক, আচারিক ও চারিত্রিক গঠনে অভিভাবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চাঁদ মোহাম্মদ, যিনি বলেন, একটি শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও সমাবেশে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবকবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় শিক্ষার গুণগত মান, নৈতিকতা, শিশুর সার্বিক বিকাশে পারিবারিক ভূমিকা, এবং আধুনিক ও ইসলামিক শিক্ষার সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বিদ্যালয়ের বর্তমান অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অভিভাবকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়, যা সকলের মাঝে আশার আলো জাগায়। বিদ্যালয়ের পরিচালক মনিরুজ্জামান মিন্টু বলেন, “আমাদের স্কুলে আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, বাংলা ও ইংরেজি মিডিয়াম, এই তিন ধারার সমন্বয়ে শিক্ষা প্রদান করা হয়, যাতে করে আমাদের ছাত্রছাত্রীরা আধুনিক জ্ঞান ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে গড়ে ওঠে। তিনি বাগাতিপাড়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও ইউএনও মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “এ প্রতিষ্ঠানটি যাতে আরও উন্নয়নের সুযোগ পায়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।” সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আলোকন ইসলামিক প্রি-ক্যাডেট স্কুল আগামীদিনে বাগাতিপাড়ার একটি আদর্শ ও মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে-ইনশাআল্লাহ।

  • শ্যামাপূজা ও শুভ দীপাবলি উৎসব

    শ্যামাপূজা ও শুভ দীপাবলি উৎসব

    অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভ শক্তির বিজয়ের প্রত্যয়ে সোমবার (২০ অক্টোবর) পালিত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্যামাপূজা (কালীপূজা) ও দীপাবলি উৎসব। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। দুর্গা ও কালীপূজার মধ্যে বিশেষ পার্থক্য হলো, দুর্গা অন্নদাত্রী উর্বরা শক্তির দেবী। অপরদিকে, কালী ঘূর্ণি প্রলয়ের দেবী। বলা হয়ে থাকে, কালী দুর্গার ললাট থেকে উৎপন্না, অর্থাৎ ললাটের সংকোচনেই ক্রোধভাবে প্রকাশিত হয় বলে কালী সদা ক্রোধান্বিত। বাস্তবিক কালি দুর্গারই রূপান্তর বিশেষ। শাস্ত্রমতে দেবী কালীর ১১টি রূপের আলাদা আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। কালীপূজার এই আরাধনাকে শ্যমাপূজো বা মহানিশি পূজাও বলা হয়। পূজা উপলক্ষে মন্দিরগুলো সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কালীপূজাতে গৃহে বা মন্ডপে মৃন্ময়ী প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী কালী শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। তাই বিভিন্ন অঞ্চলে শ্মশানে মহাধুমধামসহ শ্মশানকালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সারাদেশের অনেক এলাকায় মন্ডপে বেশ ঘটা করে শ্যামাপূজা হয়।

  • রাকাব এর গ্রাহক সেবা পক্ষ’র উদ্বোধন

    রাকাব এর গ্রাহক সেবা পক্ষ’র উদ্বোধন

    তারুণ্যের উৎসব কর্মসূচির অংশ হিসেবে তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ে গ্রাহক সেবা পক্ষের উদ্বোধন হয়েছে।
    রোববার ১৯ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত গ্রাহক সেবা পক্ষের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদা বেগম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রশাসন মহাবিভাগের মহা-ব্যবস্থাপক মোঃ আতিকুল ইলসাম, প্রধান কার্যালয়ের সকল নির্বাহীগণ ও স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক গ্রাহক সেবা প্রদান বিষয়ে শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

  • জাতীয় জুলাই সনদে গণফোরাম’র স্বাক্ষর

    জাতীয় জুলাই সনদে গণফোরাম’র স্বাক্ষর

    জাতীয় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে গণফোরাম। এ নিয়ে মোট ২৫টি দল সনদে স্বাক্ষর করলো। রোববার (১৯ অক্টোবর) সংসদ ভবনের এলডি হলে এই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়। ঐকমত্যে কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রীয়াজ বলেন, গণফোরাম বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামো প্রক্রিয়ার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নতুন রাষ্ট্র সংস্কারের সাথেও দলটি জড়িত থাকবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলই জুলাই সনদের সবচেয়ে বড় অংশীদার। এই দলিল ঐকমত্য কমিশনের একক দলিল নয়, এটি সবার রাজনৈতিক অঙ্গীকার। এ সময় এখনও জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করা দলগুলোকে সই করার আহ্বান জানান তিনি। সনদে স্বাক্ষর শেষে দলটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন, বাহাত্তরের চার মূলনীতি থাকলে জুলাই সনদ পূর্ণতা পেতো। তবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংশোধনের আশ্বাস পেয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে গণফোরাম। নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে অঙ্গীকার বর্তমান সরকার পেয়েছে, সেটা বাস্তবায়নের দায়িত্ব সবার। উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ জাসদ জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেনি।