Blog

  • পাবনায় ভাড়া বাসা থেকে রূপপুর প্রকল্পের দোভাষীর মরদেহ উদ্ধার

    পাবনায় ভাড়া বাসা থেকে রূপপুর প্রকল্পের দোভাষীর মরদেহ উদ্ধার

    পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত এক দোভাষীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের লাদেনের মোড় এলাকার একটি ভাড়া বাসার মেঝে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আনোয়ার আহমেদ (৫২) চট্টগ্রাম সিটির পাঁচলাইশ পূর্ব নাছিরাবাদ এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ করা রাশিয়ান নিকিমথ কোম্পানিতে দীর্ঘ আট বছর ধরে দোভাষী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
    স্থানীয়দের বরাতে ঈশ্বরদী থানার ওসি আসম আব্দুন নুর জানান,
    আনোয়ার আহমেদ স্থানীয় হাবিবুর রহমান হাবুর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। সম্প্রতি স্ত্রী রিপা খাতুনসহ দশ দিনের ছুটিতে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন আনোয়ার। স্ত্রীকে চট্টগ্রামে রেখে শনিবার বিকালে ৩টার দিকে একাই ঈশ্বরদীতে ফেরেন তিনি। কিন্তু রাত পর্যন্ত যোগাযোগ না হওয়ায় তার স্ত্রী প্রতিবেশী গৃহবধূকে ফোন করেন। পরে সেই নারী আনোয়ারকে ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশে ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহটি ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায় এবং পরে রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে স্থানান্তরিত করা হয়। ওসি বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।

  • রাজধানীর বাশিকপ মিলনায়তনে কাব্যকথা সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত

    রাজধানীর বাশিকপ মিলনায়তনে কাব্যকথা সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত

    নবীন-প্রবীণ কবি-সাহিত্যিকদের মেলবন্ধন তৈরির প্রত্যয়ে এগিয়ে চলা জাতীয় সাহিত্য সংগঠন কাব্যকথা সাহিত্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির ১৩ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে রাজধানীর বাশিকপ মিলনায়তনে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১২ তম কাব্যকথা সাহিত্য উৎসব ২০২৫। দুই পর্বে অনুষ্ঠিত উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি আশির দশকের অন্যতম প্রধান কবি শাহীন রেজা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢালিউডের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও লেখক ছটকু আহমেদ । সমাপনী পর্বে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আশির দশকে অন্যতম কবি আরিফ মঈনুদ্দীন। উদ্বোধনী পর্বেরসভাপতি ছিলেন কবি মনসুর আজিজ । সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা নিবাহী সভাপতি পুঁথিসম্রাট জালাল খান ইউসুফী ও সাধারণ সম্পাদক কথাশিল্পী খন্দকার আতিকের উপস্থাপনায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক ইনকিলাবের সহকারী সম্পাদক কবি জামালউদ্দিন বারী। দুইপর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির উপ-পরিচালক কবি ড. সাহেদ মন্তাজ, দার্শনিক আবু মহি মুসা, লেখক ও গবেষক কবি নাসির হেলাল, কবি ও গবেষক অধ্যাপক মো. আমির হোসেন, ছড়াপত্র সম্পাদক শিশুসাহিত্যিক চন্দনকৃষ্ণ পাল, বাংলা একাডেমি গবেষণা কর্মকর্তা কথাসাহিত্যিক আইয়ুব মুহাম্মদ খান, বিশিষ্ট ছড়াকার ও শিশুসাহিত্যিক কবি সফিউল্লাহ আনসারী। বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে বলেন, কাব্যকথা সাহিত্য পরিষদ একটি স্বার্থক সাহিত্য সংগঠন, যে সংগঠনটি সুচনালগ্ন থেকেই বাংলা সাহিত্যের পুঁথি নিয়ে কাজ করে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। এখন পুরো দেশ জুড়েই পুঁথিসাহিত্যের জয়জয়কার। আমরা আশাবাদি অল্পদিনের মধ্যেই পুঁথিসাহিত্যের মাধ্যমে বাংলাদেশে সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটবে।এ সংগঠন যোগ্য সাহিত্যর্মিদের মূল্যায়ন করে বলেই আমরা দেখতে পাই নবীন- প্রবীণ কবি সাহিত্যিকদের মেলবন্ধন। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের পাশাপাশি শুধু কবিসাহিত্যিকদের মেলবন্ধন নয় সবর্ত্র, সকল সেক্টরে মেলবন্ধন তৈরি করতে হবে। রাজনৈতিক অঙ্গনেও সহাবস্থান তৈরি করতে হবে, ধর্মিয় অঙ্গনেও সম্প্রীতির সুবাতাস বইয়ে দিতে হবে। তবেই সম্প্রীতির সোনার বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।’ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাসিক কাব্যকথার সম্পাদক মন্ডলির সভাপতি বিশিষ্ট কথাশিল্পী কবি সুফিয়া বেগম। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কবি শিবির আহমেদ লিটন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কবি শফিকুল ইসলাম আরজু, সংগঠনের আইন বিষয়ক সম্পাদক বিশিষ্ট আইনজীবী কবি শামীমা আক্তার শিউলী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য কবি কাজী আনিসুল হক।
    কথা-কবিতা ও ছড়া পাঠ করেন, কবি মুনীরুল ইসলাম, কবি মনিরুজ্জামান পলাশ ছড়াসাহিত্যিক মালেক মাহমুদ, কবি আবুল বাশার শেখ, কবি মুস্তফা ইসলাহী, কবি সুমন রায়হান, কবি কাদের বাবু, কবি কবির ভূইয়া, কবি তাজিদুল ইসলাম, কবি অজিদ কুমার দাশ, কবি শাহ্ সুলতান মিথুন, কবি জিহাদ চৌধুরী, কবি আফজাল হাসান, কবি মাহমুদা পাখি, রাশিদা ইসলাম, গীতিকার দিপাশ আনোয়ার, কবি ইকবাল হোসেন রোমেছ, কবি মিথুন খান, কবি শুক্কুর মাহমুদ জুয়েল, কবি জহিরুল ইসলাম মিন্টু, কবি শাহানা মান্নান, কবি আতিকুজ্জামান খান, কবি কাজী ইমাম, কবি খোন্দকার জিল্লুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য কাব্যকথা সাহিত্য সম্মাননা ও লোক কবি ইউসুফ খান স্মৃতি সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানের সংগীত পরিবেশন করেন কন্ঠশিল্পী ঢালী মোহাম্মদ দেলোওয়ার, কন্ঠশিল্পী সালমান ফারসী ও কন্ঠশিল্পী সেলিম রেজা প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে পুঁথিপাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানা হয় ।

  • গোমস্তাপুরে সাবেক সাংসদ আমিনুল ইসলামের পক্ষে ৩১দফা লিফলেট বিতরণ

    গোমস্তাপুরে সাবেক সাংসদ আমিনুল ইসলামের পক্ষে ৩১দফা লিফলেট বিতরণ

    গোমস্তাপুরে সাবেক সাংসদ আমিনুল ইসলামের পক্ষে ৩১দফা লিফলেট বিতরণ

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কমিটির বিএনপি শিল্প বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ আমিনুল ইসলাম এর পক্ষে শনিবার বিকেলে উপজেলার রহনপুর কলেজ মোড় থেকে বের হয়ে রহনপুর পৌর এলাকার বিভিন্নমোড়ে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমামানের পক্ষে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ করেন এবং রহনপুর রেলস্টেশনে পথ সভার মাধ্যমে শেষ হয় ।
    এ সময় বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা সাবেক কাউন্সিলর আশরাফুল হক, মোহাম্মদ আলী,সাবেক কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম খান, আনম ফকরুল ইসলাম মানিক, যুব নেতা সাইফুল ইসলাম ডাবলু, মির্জা হাসনাউল হোসেন ডাবলুসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীবৃন্দ।

  • নাটোরে বিএনপির ডা. রাজন’র ৩১ দফা বাস্তবায়নে গণসংযোগ

    নাটোরে বিএনপির ডা. রাজন’র ৩১ দফা বাস্তবায়নে গণসংযোগ

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কার ও ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী, বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং প্রয়াত মন্ত্রী ফজলুর রহমানের পুত্র ডা. ইয়াসির আরশাদ রাজন গণসংযোগ ও আলোচনা সভা করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাগাতিপাড়া উপজেলার ফাগুয়াড়দিয়াড় ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গণসংযোগ এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ডা. রাজন বলেন, “বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্র সংস্কারের আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিএনপির ৩১ দফা দেশের মানুষকে একটি কল্যাণরাষ্ট্র উপহার দেবে। গণসংযোগ ও সভায় উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মাজেদুর রহমান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হারুনুর রশিদ দুলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনছার আলী মন্ডল, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল রানাসহ বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • নাচোলে তেভাগা নেত্রী ইলা মিত্রের জন্মশত বার্ষিকী পালিত

    নাচোলে তেভাগা নেত্রী ইলা মিত্রের জন্মশত বার্ষিকী পালিত

    নাচোলে তেভাগা নেত্রী ইলা মিত্রের জন্মশত বার্ষিকী পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে রানীমাতা খ্যাত রাণী ইলা-মিত্রের জন্মশত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। শনিবার (১৮ই অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ইলা-মিত্র স্মৃতি সংগ্রহশালা পাঙ্গনে জন্মশতবার্ষিকীর কেক কর্তন ও মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে দিবসটির শুভ সূচনা শেষে, ৪দিনব্যাপী ইলা মিত্র মেলার শুভ উদ্বোধন করা হয়।

    ইলা-মিত্র স্মৃতি সংসদ এর সভাপতি বিধান শিং এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন ‘নাচোলের রাণী’ চলচ্চিত্রের পরিচালক সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইলা-মিত্র গবেষক ও লেখক আলাউদ্দিন আহমেদ (বটু), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ কাফি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সভাপতি ইসরাইল হক সেন্টু।
    আলোচনা শেষে আদিবাসী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন গোষ্ঠীর নৃত্য, ঐতিহ্যবাহী গোম্ভীরা ও নাটিকা পরিবেশিত হয়। শেষে ইলা মিত্র স্মৃতি সংগ্রহশালা পাঙ্গনে ইলা মিত্রের স্মৃতি ফলকে পুস্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আদিবাসী সম্প্রদায়।

  • অধ্যক্ষের আত্মগোপনে থাকা-সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের গাফলতি- বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে কমার্স বিভাগের ফলাফলে ভরাডুবি ॥ পাশ করেনি কেউ

    অধ্যক্ষের আত্মগোপনে থাকা-সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের গাফলতি- বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে কমার্স বিভাগের ফলাফলে ভরাডুবি ॥ পাশ করেনি কেউ

    অধ্যক্ষের আত্মগোপনে থাকা-সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের গাফলতি

    বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে কমার্স বিভাগের ফলাফলে ভরাডুবি ॥ পাশ করেনি কেউ

    ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর নিজেকে বাঁচাতে আত্মগোপনে চলে যান বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (আওয়ামীলীগ নেতা) এজাবুল হক বুলি। আর এসুযোগ কাজে লাগিয়ে ক্লাস গাফলতিসহ কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি কোন প্রকার তদারকি বা জবাবদিহিতায় ছিলেন না বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজের কমার্স বিভাগের শিক্ষকগণ। ফলে এবছর বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে কমার্স বিভাগের ফল বিপর্যয় ঘটে। এই বিভাগ থেকে ১১ জনে মধ্যে কেউ পাশ করেনি। বিজ্ঞান বিভাগে ১৬ জনের মধ্যে পাশ করেছে মোট ৭ জন। এছাড়াও কলেজের এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের মোট পাশের হার ৪৩%। জানা গেছে, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেয় কমার্স শাখার ১১জন। এর মধ্যে একজন শিক্ষার্থীও পাশ করেনি। এনিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এই কলেজের বিজ্ঞান শাখা থেকে ১৬ জন পরীক্ষা দিলেও পাশ করেছে মোট ৭ জন। আর মানবিক শাখা থেকে ২১৩ জনের মধ্যে পাস করেছে ৯৫ জন। কলেজের পাশের হার ৪৩ ভাগ।
    বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজের কমার্স বিভাগে শিক্ষক রয়েছেন ৩ জন। কমার্স বিভাগের শিক্ষকগণ হচ্ছেন-শামীম আহমেদ, মজিবুর রহমান ও মাজকুরা খাতুন। এবিষয়ে কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ক্ষুদ্ধস্বরে বলেন, আমাদের কলেজের অধ্যক্ষ স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর আওয়ামীলীগ নেতা হওয়ায় দীর্ঘ ১১ মাস আত্মগোপনে ছিলেন। আর এই সুযোগে অধ্যক্ষের আস্থাভাজন কমার্স বিভাগের এই ৩জন শিক্ষক ক্লাস তো ঠিকমত করেই নি, কলেজের আসতেন মন মতো। কিন্তু, অধ্যক্ষ সাহেব তো নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন এবং আস্থাভাজন ওই শিক্ষকদের কোন গাফলতি বা অনিয়মিত কলেজে আসা, এসব অধ্যক্ষের চোখেই পড়তো না। জবাবদীহিতার তো প্রশ্নই উঠে না। এতে ওই শিক্ষকগন ইচ্ছেমত চলেছেন। শিক্ষার্থীদের বিষয়ে তাদের কোন গুরুত্বই ছিলো না। ফলে কলেজের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার চরম ক্ষতি হয়েছে। এর ফলশ্রুতিতেই কমার্স বিভাগের ফলাফলে এমন বিপর্যয়। শিক্ষকগণ অভিযোগ করে আরও বলেন, কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের ফলাফলও সন্তোষজনক নয়। এছাড়া, এখনো কলেজের অধ্যক্ষ সাহেব ঠিকমতো কলেজে আসেন না। মাঝে মধ্যে আসলেও, সেটা ক্ষনিকের জন্য। তাই কলেজের প্রশাসনিক কার্যক্রম ওভাবেই চলছে। সব মিলিয়ে এবছর কলেজের কমার্স ও বিজ্ঞান বিভাগের ফলাফল বিপর্যয়ের কারন অধ্যক্ষ এবং অধ্যক্ষের আস্থাভাজন শিক্ষকগন।
    ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ফল বিপর্যয়ের কারণ (কেউ পাস না করা) হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা গেছে, এ বিভাগের শিক্ষকরা ঠিকমত যেমন ক্লাস নেননা, তেমনি ক্লাস করার যোগ্যতাও রাখেন না। অন্যদিকে, বিজ্ঞান বিভাগের রসায়নের প্রভাষক ২০২৩ সালে অবসরে গেলেও শিক্ষক পদ শূন্য জানিয়ে চাহিদা না দেয়ায় এ কলেজে রসায়নের প্রভাষক এখন পর্যন্ত পদায়ন করা হয়নি। এ বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষক জানান, চাহিদা দিলেই ক্যাডার পদের শিক্ষক এসে যদি নন ক্যাডার অধ্যক্ষের চেয়ার দখল করে বসেন, সেই আতঙ্কে অধ্যক্ষ রসায়ন শিক্ষকের চাহিদা পর্যন্ত দেননি। আর গণিতের শিক্ষক অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হক নিজেই হওয়ায় এবং তিনি চাকরী জীবনে কখনো-ই একটি ক্লাস না নেয়ায় এ কলেজে কমার্স ছাড়াও বিজ্ঞান বিভাগের ফলাফলও প্রতিবারই খারাপ হয়। এছাড়া, পদার্থ বিদ্যার প্রভাষক ক্লাসের ক্ষেত্রে অমনোযোগী এবং ক্লাসে কিছু বোঝাতে পারেননা বলে বিজ্ঞান বিভাগে ফেল করা কয়েকজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে কলেজে সার্বিক ফলাফল খারাপের পিছনে অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হকের অযোগ্যতা, কলেজে তার নিয়মিত অনুপস্থিতি, শিক্ষার্থীদের নিজ ও রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার, বিশেষ করে ফেল করা অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার কয়েক মাস আগে থেকে তাকে বাঁচানোর জন্য ডিসি অফিস ও বিভিন্ন তদ্বির কাজে ব্যবহার করা অন্যতম কারণ বলে জানা গেছে। কারণ তিনি গত জুলাই আন্দোলন থেকে বছরাধিক ধরে কলেজে অনুপস্থিত থেকে কলেজকে অস্থিরতার মধ্যে রেখেছেন। এদিকে, একটি বিশেষ সূত্র জানিয়েছে, কমার্স এবং বিজ্ঞান শাখার এ ক’জন শিক্ষক অধ্যক্ষ এজাবুল হক বুলির সমর্থক হওয়ায় তারা পলাতক বুলিকে বাঁচানোর চেষ্টায় সব সময় ব্যস্ত থাকেন। ফলে কলেজে শিক্ষার মান খারাপের দিকে চলে গেলেও কোন গুরুত্ব, মাথাব্যাথা বা অনুশোচনা, কোনটায় নেই ওই শিক্ষকদের।
    এ কলেজের অধিকাংশ শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের দাবি, অধ্যক্ষ এজাবুল হক বুলি’কে বরখাস্ত করে নতুন অধ্যক্ষ পদায়ন না হলে কলেজটির মান ধ্বংসের দিকেই যেতে থাকবে।
    উল্লেখ্য, কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হক কয়েকটি ফৌজদারী মামলার আসামী এবং তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ইতোমধ্যে কয়েকটি তদন্ত হয়েছে, যেখানে তার বহু প্রকার অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশিতে ব্যবস্থা গ্রহণের অপেক্ষায় আছে। শিক্ষানুরাগীদের দাবী, দেশের একজন অতি সম্মানিত ব্যক্তি, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর এর নামে হওয়া কলেজে-স্বৈরাচারের দোষর এবং এমন বিতর্কিত ও নানা অনিয়মের সাথে জড়িত অধ্যক্ষ এজাবুল হক বুলিকে কলেজ থেকে অপসারন করে একজন যোগ্যতা সম্পন্ন অধ্যক্ষ পদায়নের। উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) এইচ.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়।

  • শিবগঞ্জে ‘স্বপ্নচূড়া ওয়েল ফেয়ার সোসাইটি’র উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

    শিবগঞ্জে ‘স্বপ্নচূড়া ওয়েল ফেয়ার সোসাইটি’র উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

    শিবগঞ্জে ‘স্বপ্নচূড়া ওয়েল ফেয়ার সোসাইটি’র উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বপ্নচূড়া ওয়েল ফেয়ার সোসাইটি’র উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে উপজেলা শাহবাজপুর ইউনিয়নের চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য, রাজশাহী মহানগরীর আমীর ও শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ড. কেরামত আলী। ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালায়েশিয়ার সাবেক ভিপি ও স্বপ্নচূড়া ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির পরিচালক আব্দুল বাশিরের সার্বিক সহযোগিতায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য জুলফিকার আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, শিবগঞ্জ উপজেলা শাখা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মোঃ সাদিকুল ইসলাম,

    নায়েব আমীর আব্দুল মান্নান, সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ বাবুল ইসলাম, শাহবাজপুর ইউনিয়ন শাখা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ তোজাম্মেল হক, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও জেলা চক্ষু হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম, নায়েবে আমীর আবদুল হামিদ, কানসাট ইসলামী হাসপাতালের ব্যব¯’াপক মোঃ মিনহাজুল ইসলাম, স্বপ্নচূড়া ওয়েল ফেয়ার সোসাইটি’র মিডিয়া দপ্তর প্রধান মোঃ বেনজিরর হোসেনসহ অন্যরা। ডাঃ জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে ৬ জন চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। দিনব্যাপি বিনামূল্যে বিভিন্ন বয়সী ৫ শতাধিক নারী-পুরুষের প্রাথমিক চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। এছাড়া, তিনটি গ্রুপের রোগীদের বাছাইয়ের মাধ্যমে তাদের চোখের বিভিন্ন অপারেশন করার জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা রোভারের আয়োজনে ২৯ তম জাম্বুরি উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা রোভারের আয়োজনে ২৯ তম জাম্বুরি উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা রোভারের আয়োজনে ২৯ তম জাম্বুরি উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা রোভারের উদ্যোগে ৬৪ তম জাম্বুরি অন দ্য এয়ার ও ২৯ত তম জাম্বুরি অন দ্য ইন্টারনেট উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ স্কাউটস এর উদ্যোগে ১৭-১৯ অক্টোবর পর্যন্ত জাম্বুরি নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজে শুরু হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা রোভার এর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে জাম্বুরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এর উদ্বোধন করেন জেলা কমিশনার প্রফেসর ড. সৈয়দ মোঃ মোজাহারুল ইসলাম।

    অনুষ্ঠানে জেলা রোভারের সাবেক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম এএলটি, নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের আরএসএল ফরহাদ আহমেদ, ডিআরএসএল শামীম উদ্দীন, সহকারী কমিশনার মিনহাজুল ইসলাম, আরএসএল সাবিনা ইয়াসমিনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। জাম্বুরি কর্মসূচির কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রোভার সাব্বির আহমেদ। এ কার্যক্রমে জেলার বিভিন্ন কলেজ ও মুক্তদলের রোভার ও গার্ল-ইন-রোভারবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

  • নওগাঁয় জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগে এপিপি নজমুল’র বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন

    নওগাঁয় জমি দখল ও হয়রানির অভিযোগে এপিপি নজমুল’র বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন

    নওগাঁ জেলা এ্যাডভোকেট বার এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও এপিপি (অ্যাসিস্ট্যান্ট পাবলিক প্রসিকিউটর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য এ্যাডভোকেট মোঃ নজমুল ইসলাম কবিরাজ-এর বিরুদ্ধে আত্মীয় স্বজনকে হয়রানি, বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা এবং একাধিক মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার বেলা ১২ টায় নওগাঁ প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন তার ভাতিজি আফিয়াতুন নাওশিন (৩২)। তিনি নওগাঁ শহরের উকিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও নওগাঁ আইন কলেজের এল.এল.বি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। লিখিত বক্তব্যে আফিয়াতুন নাওশিন জানান, অভিযুক্ত নজমুল ইসলাম কবিরাজ তার পিতা ইত্তেহাদুল ইসলাম কবিরাজের সহোদর ভাই (চাচা)। তিনি অভিযোগ করেন, তাদের পরিবারের একমাত্র সম্পত্তি, নওগাঁ সদর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ীয়া মৌজার আরএস খতিয়ান নং ২৮২, দাগ নং ৫১৬, ৫১৭, ৫১৮ তে অবস্থিত তিনতলা বসতবাড়ি ও ফাঁকা জমি—জবরদখলের উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত নজমুল ইসলাম কবিরাজ দীর্ঘদিন ধরে হয়রানিমূলক কার্যক্রম ও মিথ্যা মামলা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমাদের কোনো ভাই নেই, আমরা তিন বোন। আমার বাবা-মা বৃদ্ধ, আমি চাকরির কারণে কিছুদিন ঢাকায় ছিলাম। সেই সুযোগে নজমুল ইসলাম কবিরাজ আমাদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করেন এবং একের পর এক মামলা করে হয়রানি শুরু করেন। অভিযোগে বলা হয়, ২০০৪ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত অভিযুক্ত নজমুল ইসলাম কবিরাজ ৮টি ফৌজদারি ও মিস মামলা দায়ের করেছেন, যার ৭টি মামলা মিথ্যা প্রমাণিত বা নথিজাত হয়েছে এবং ১টি ফৌজদারি মামলা চলমান যা চার্জ শুনানির পর্যায়ে আছে। আফিয়াতুন নাওশিন দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি সরকারি আইন কর্মকর্তা (এপিপি) হিসেবে তার পদমর্যাদা ও প্রভাব ব্যবহার করে পরিবারটিকে আইনগত প্রতিকার থেকে বঞ্চিত করছেন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে করা হয়রানিমূলক মামলাগুলোর কারণে ঢাকায় চাকরি হারাতে হয়েছে। এখন স্থানীয়ভাবে আইনগত সহায়তাও পাচ্ছি না, কারণ অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে একাধিক আইনজীবীকে মামলা পরিচালনা থেকে বিরত রাখছেন। তিনি আরও জানান, তাঁদের সহযোগিতাকারী শিক্ষানবীশ আইনজীবী মোঃ আখতারুজ্জামান (শুভ)-কে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে জোরপূর্বক নিয়ে গিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং মামলায় সহায়তা না করতে চাপ দেওয়া হয়। ২০২১ সালে অভিযুক্ত নজমুল ইসলাম কবিরাজ ও তার সহযোগীরা একাধিকবার ভাড়াটে লোক নিয়ে বাড়িতে হামলা চালায়, পরিবারের সদস্যদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এসব ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ, অডিও রেকর্ড ও স্থিরচিত্র ভুক্তভোগী পরিবার সংরক্ষণ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত পক্ষ তাদের বাড়ির সামনে তিনটি গোপন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে, যার মাধ্যমে পরিবারের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার চরম লঙ্ঘন। আফিয়াতুন নাওশিন জানান, ইতিমধ্যেই তিনি নওগাঁ জেলা এ্যাডভোকেট বার এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এবং নওগাঁ সদর মডেল থানায় একাধিক দরখাস্ত ও জিডি দাখিল করেছেন। তিনি বলেন, আমরা বার কাউন্সিল ও জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনে অভিযোগ করলেও এখনও অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সংবাদ সম্মেলন শেষে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযুক্ত আইনজীবীর বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।

  • গাইবান্ধায় পলাশবাড়ীতে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু

    গাইবান্ধায় পলাশবাড়ীতে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু

    মা ক্লিনিকে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ

    গাইবান্ধায় পলাশবাড়ীতে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে মা ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোম এ পারভীন আক্তার পারুল বেগম (২৫) নামে এক প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। এ ঘটনায় শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে রোগীর স্বজনেরা ওই ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোম এ ভাংচুর করে ও অগ্নি সংযোগের চেষ্টা চালায়। এঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের পৃথক টিম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে। রোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রসূতি পারুল বেগমকে সিজার করার জন্য মা ক্লিনিকে নেয় পরিবার, পরে রাত প্রায় ১১ টার দিকে তার সিজার শুরু করে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। পরে রাত ৪ টার দিকে ওই প্রসূতি রোগী মৃত্যুর ঘটে। পরে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ এম্বুলেন্স ডেকে মৃতদেহ রংপুর রিফার্ডের চেষ্টা করলে রোগীর স্বজনেরা বিষয়টি বুঝতে পারে। এঘটনায় উত্তেজিত রোগীর স্বজনেরা মা ক্লিনিক এন্ড নার্সিং হোম এ ভাংচুর করে ও অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে।

    এসময় ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের পৃথক টিম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেছে।
    নিহত পারুল বেগম (২৫) গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌর শহরের জামালপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার কন্যা ও উপজেলা মহদীপুর ইউনিয়নের বিশ্রামগাছী গ্রামের শামিম মিয়ার স্ত্রী। রোগীর স্বজনেরা জানান, এর আগে প্রসূতি পারুল সিজারের মাধ্যমে দুইটি সন্তান জন্ম দেয়, তিন নাম্বার সিজারে সময় ভুল চিকিৎসার কারণে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জড়িত চিকিৎসক ও নার্স ফাতেমা বেগম এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং মা ক্লিনিকটি বন্ধে সংশ্লিষ্টদের কর্তৃপক্ষে নিকট আহবান জানান। এঘটনায় এলাকাবাসী ও সচেতন জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।