Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষক দিবসে ৫ দফা’র বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষক দিবসে ৫ দফা’র বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষক দিবসে ৫ দফা’র বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন

    স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা ও এন্ট্রিপদ ৯ম গ্রেড বাস্তবায়নসহ ৫ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে রবিবার (০৫ অক্টোবর) বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলন হয়। সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ‘বাসমাসিস’র রাজশাহী অঞ্চলের কোষাধ্যক্ষ ও হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নাসির উদ্দীন। বাসমাসিস রাজশাহী অঞ্চলের সভাপতি এজেডএম শামিউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিয় সভায় বক্তব্য রাখেন, আহ্বায়ক লিনস হাঁসদা, সভাপতি শফিউল আযম, নজরুল ইসলামসহ অন্যরা। স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা, সরকারি মাধমিক সহকারি শিক্ষকের এন্ট্রিপদ ৯ম গ্রেডে উন্নীত করে ৪ স্তরীয় পদ সোপন, অনতিবিলম্বে আঞ্চলিক উপ-পরিচালকের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা সংরক্ষণ এবং মাধ্যমিকের সকল কার্যালয়ের স্বাতন্ত্র ও মর্যাদা রক্ষা, বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখার সকল শূন্যপদে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন, বকেয়া সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেলের মঞ্জুরিকৃত আদেশ প্রদানের দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।
    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দেশের মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা নিরসনকল্পে স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা এবং একটি আধুনিক সময়োপযোগী পদসোপান সৃষ্টিসহ মাধ্যমিকের নানাবিধ সমস্যার সমাধান কল্পে ৫ দফা দাবি জানাচ্ছি। আমাদের বিষয়গুলো মিডিয়াকর্মীদের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার অভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত জনতার সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য নিরসনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিক্ষা মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার। সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। সম্মেলনে বলা হয়, সরকারি মাধ্যমিকের প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষকের জন্য পদোন্নতিযোগ্য পদ মাত্র ৪%। যৌক্তিক কোনো পদসোপান না থাকায় দীর্ঘ ৩২/৩৩ বছর চাকুরী করেও অধিকাংশ শিক্ষককে পদোন্নতি ছাড়াই অবসরে যেতে হয়। পদোন্নতি অনিয়মিত বিধায় বেশকিছু পদ খালি পড়ে থাকে। যা পদোন্নতি বঞ্চিতদের হতাশ করার পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে অন্তরায় হিসেবে কাজ করে। সরকারি মাধ্যমিকে শিক্ষক-কর্মকর্তাগণ প্রাপ্য বকেয়া টাইমস্কেল, পদমর্যাদা, পদোন্নতি, পদায়ন সহ চাকুরির বিভিন্নক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অংশ হিসেবে সরকারি মাধ্যমিকে বিদ্যমান বৈষম্য নিরসন জরুরী। মাধ্যমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে ৫ (পাঁচ) দফা দাবী বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা সহ সংশ্লিষ্ট সকলের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি। দাবীগুলো হচ্ছে-স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা। সরকারি মাধ্যমিকের সহকারী শিক্ষকের এন্ট্রিপদ ৯ম গ্রেডে উন্নীত করে ৪ (চার) স্তরীয় পদসোপান। অনতিবিলম্বে আঞ্চলিক উপ-পরিচালকের প্রশাসনিক এবং আর্থিক ক্ষমতা সংরক্ষণসহ মাধ্যমিকের সকল কার্যালয়ের স্বাতন্ত্র্য ও মর্যাদা রক্ষা। বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখার সকল শূন্যপদে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন এবং বকেয়া সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল এর মঞ্জুরী আদেশ প্রদান।
    সম্মেলনে আরও তুলে ধরা হয়, শিক্ষাক্ষেত্রে মাধ্যমিক স্তর সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ স্তর। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় ৯টি বিভাগীয় কার্যালয়, ৬৪টি জেলা শিক্ষা অফিস, ৫১৬টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, ৬৮৬টি সরকারি কলেজ, ৭০৬টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০৪টি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ৫টি উচ্চ মাধ্যমিক টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট রয়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) ২০২৪ এর তথ্য অনুযায়ী মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২১ হাজার ২৩২টি এর মধ্যে স্কুলের সাথে কলেজ রয়েছে ১৫১৪টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা যথাক্রমে ২,৯৩,২৮৯ এবং ৯০,৬৩,৪২২। সারাদেশের মাধ্যমিক স্তরের অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী, জনবল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখভাল করার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে মাত্র ১ জন উপপরিচালক ও ২ জন সহকারী পরিচালক আছেন। বিশাল সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চালাতে গিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর হিমসিম খাচ্ছে। “স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর” প্রতিষ্ঠা করা হলে কার্যক্রমে গতিশীলতা আসবে যা বৈষম্যহীন উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সম্মেলনে আরও বলা হয়, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে শিক্ষার মানোন্নয়নের স্বার্থে ইতোপূর্বে স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গঠনের জন্যে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল যা আলোর মুখ দেখেনি। স্বাধীন বাংলাদেশের সকল জাতীয় শিক্ষানীতিতে শিক্ষা প্রশাসনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে দুইটি পৃথক অধিদপ্তর যথাক্রমে ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ এবং ‘উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা অধিদপ্তর’ গঠনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের জানুয়ারি ২০২৫ এর প্রতিবেদনে বাংলাদেশের শিক্ষা সার্ভিসের সংস্কারের জন্য বিশেষ সুপারিশ করা হয়েছে। “মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর হতে মাধ্যমিক বিভাগকে পৃথক করে আলাদা ‘মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মাধ্যমিক শিক্ষা অঙ্গীভূত থাকার কারণে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা গুরুত্ব পাচ্ছে না এবং ক্রমেই মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার মান হ্রাস পাচেছ। তাই এটি আলাদা হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর’ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সফলতার পরিচয় দিতে পারছে না। নানাবিধ কাজের সামাল দিতে গিয়ে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন ব্যাহত হচ্ছে। তাই মাউশির কাজের গতি আনতে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, মানসম্মত আধুনিক, যুগোপযোগী ও বাস্তবমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষে ‘স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করা এখন সময়ের দাবী।

  • শিগগিরই অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে ঐকমত্য কমিশন-আলী রীয়াজ

    শিগগিরই অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে ঐকমত্য কমিশন-আলী রীয়াজ

    শিগগিরই অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে ঐকমত্য কমিশন-আলী রীয়াজ

    অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে শিগগিরই চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক বৈঠকে এ কথা জানান কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। রবিবার (৫ অক্টোবর) সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে জুলাই সনদের বিষয়বস্তু ও এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব ও এ বিষয়ে ঐকমত্য কমিশনের অবস্থান সম্পর্কে সভাকে অবহিত করা হয়। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঐকমত্য কমিশনের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘ঐকমত্য কমিশন সব রাজনৈতিক দল থেকে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা পেয়েছে। এছাড়া, গণমাধ্যমগুলো ঐকমত্য কমিশনকে অকল্পনীয় সমর্থন দিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা কমিশনের সব সদস্যকে ধন্যবাদ ও শুভ কামনা জানান। কমিশনের কাজের চূড়ান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাকে জানানোর নির্দেশ দেন।’ বৈঠকে আরও ছিলেন, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার। এছাড়াও অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আসিফ নজরুল ও আদিলুর রহমান খান।

  • দুর্নীতি মামলায় বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় খালাস

    দুর্নীতি মামলায় বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় খালাস

    দুর্নীতি মামলায় বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় খালাস

    অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ষোল বছর আগের গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক কামরুল হাসান খান এ রায় দেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের আইনজীবী আলহাজ বোরহান উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সকালে রায় শুনতে আদালতে হাজির ছিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এর আগে দুদক ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ১৯ অগাস্ট আদালত রায়ের জন্য ২৮ অগাস্ট তারিখ দিয়েছিলেন। এরপরেও রায় ঘোষণার তারিখ পেছানো হয় কয়েক দফা। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ৫ জানুয়ারি রমনা থানায় মামলাটি করেন দুদকের তখনকার উপপরিচালক এস এম মফিদুল ইসলাম। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গয়েশ্বর তার সম্পদের বিবরণীতে দুটি বাড়ি দেখিয়েছেন, যার মধ্যে ঢাকার রায়ের বাজারের ছয়তলা বাড়ির নির্মাণ ব্যয় ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং কেরাণীগঞ্জে পৈত্রিক জমিতে বানানো বাড়ির নির্মাণ ব্যয় ১৫ লাখ ৪ হাজার টাকা দেখান। ব্যয়ের এই পরিমাণ গণপূর্ত বিভাগের হিসাবের চাইতে ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৫০৫ টাকা কম, যাকে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করে দদুক। এছাড়া গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বাসায় ব্যবহার্য ৫৮ হাজার ৬০০ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী পাওয়া যায়, যা তার ঘোষণা ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত। তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ৫ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন এস এম মফিদুল ইসলাম। ২০১০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি গয়েশ্বরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ২৯ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আসামির আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিজ্ঞ আদালত গয়েশ্বরকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

  • আওয়ামীলীগের বিচারের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শিগগিরই শুরু হবে

    আওয়ামীলীগের বিচারের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শিগগিরই শুরু হবে

    আওয়ামীলীগের বিচারের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শিগগিরই শুরু হবে

    দল হিসেবে আওয়ামীলীগের বিচারের আনুষ্ঠানিক তদন্ত শিগগিরই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দল হিসেবে আওয়ামীলীগের ব্যাপারে আগেই অভিযোগ দিয়েছে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) নামে একটি রাজনৈতিক দল। আমরা সেটার ভিত্তিতে তদন্ত করছি। সুতরাং বলা যেতে পারে যে, এই মুহূর্তে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপরাধী সংগঠন হিসেবে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য প্রাথমিক তদন্তের কাজটা আমরা শুরু করতে যাচ্ছি। পুরোদমে শুরু হলে আমরা বলতে পারবো দলটির বিচারের মুখোমুখি হওয়ার ব্যাপারটা কতদূর রয়েছে। তবে অভিযোগটি আমরা এখন গুরুত্ব দিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ করছি। খুব সহসাই আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, চলতি মাসেই হয়তো আমরা উল্লেখযোগ্য কিছু অগ্রগতি দেখতে পাবো। অনেকগুলো মামলার ট্রায়াল চলছে। বেশ কয়েকটি মামলার ট্রায়াল শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া মামলা সম্পর্কিত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটবে। অনেক বড় বড় মামলার চার্জশিট দাখিল হবে। ফরমাল চার্জও দাখিল হবে বলে আমরা আশা করছি। এদিকে, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ (আনুষ্ঠানিক অভিযোগ) দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। পরে শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ আমলে নেয়ার ওপর আদেশের জন্য সোমবার (৬ অক্টোবর) দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

  • ‘রাকসু’ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা আবারও শুরু

    ‘রাকসু’ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা আবারও শুরু

    ‘রাকসু’ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা আবারও শুরু

    টানা ছুটির পর আবারও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-রাকসু নির্বাচনের প্রচারণা শুরু হয়েছে রবিবার (৫ অক্টোবর) থেকে। প্রার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল, টুকিটাকি চত্বর, পরিবহন মার্কেট, অ্যাকাডেমিক ভবন সংলগ্ন সড়কগুলোতে প্রচারপত্র বিতরণ করতে দেখা গেলেও ছুটির পর হওয়ায় সংখ্যায় অনেকটাই কম। এদিকে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের প্রচারণার সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে ৫-১৪ অক্টোবর পর্যন্ত আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালাতে পারবে প্রার্থীরা। রবিবার এ কথা জানান প্রধান রিটারনিং কর্মকর্তা সেতাউর রহমান। তিনি বলেন, ১৬ অক্টোবর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হচ্ছে। কমিশন জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় সংসদ, হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের প্রচারণা ৫-১৪ অক্টোবর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। সে কারণে যথাযথভাবে আচরণবিধি অনুসরণে সকলকে প্রচারণা করতে হবে। উল্লেখ্য, এর আগে, প্রতিষ্ঠানিক সুবিধার দাবিতে শিক্ষক ও কর্মকর্তারা ক্যাম্পাস শাটডাউন ঘোষণা করেন। এতে ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ছাড়তে থাকেন। এতে ছাত্রদলসহ অনেকে ভোট পেছানোর দাবি তোলেন। ফলে ২২ সেপ্টেম্বর জরুরি সভায় ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ভোট গ্রহণ পেছানোর সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

  • রাজশাহীতে ৩০তম আন্তর্জাতিক টেনিস চ্যাম্পিয়ন শিপের উদ্বোধন

    রাজশাহীতে ৩০তম আন্তর্জাতিক টেনিস চ্যাম্পিয়ন শিপের উদ্বোধন

    রাজশাহীতে ৩০তম আন্তর্জাতিক টেনিস চ্যাম্পিয়ন শিপের উদ্বোধন

    রাজশাহী টেনিস কমপ্লেক্সে শুরু হয়েছে ৩০তম রাজশাহী ইন্টারন্যাশনাল (অনূর্ধ্ব-১৮) জুনিয়র টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ। শনিবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে বেলুন ও ফেষ্টুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) খোন্দকার আজিম আহমেদ এনডিসি। আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশনের অনুমোদনে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আর্থিক অনুদানে, বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সহায়তায় ও রাজশাহী টেনিস কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনায় ৪ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ৩০তম রাজশাহী ইন্টারন্যাশনাল (অনূর্ধ্ব-১৮) জুনিয়র টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টে স্বাগতিক বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১১টি দেশের সর্বমোট ৫২ জন খেলোয়াড় এবং ১০ জন ম্যানেজার অংশগ্রহণ করবে। অংশগ্রহণকারী দেশের মধ্যে, বাংলাদেশ হতে ১৪ বালক ও ৭ বালিকা, ভারত হতে ৬ বালক ও ৪ বালিকা, দক্ষিণ কোরিয়া হতে ৪ বালক, আমেরিকা হতে ১ বালক, থাইল্যান্ড হতে ৫ বালক, জাপান হতে ১ বালক ও ১ বালিকা, চীন হতে ৪ বালিকা, মালদ্বীপ হতে ২ বালিকা, চাইনিজ তাইপে হতে ১ বালক, সিঙ্গাপুর হতে ১ বালক এবং হংকং হতে ১ জন করে বালক অংশগ্রহণ করছে। উল্লেখ্য, ৪ অক্টোবর থেকে ৫ অক্টোবর পরজন্ত টুর্নামেন্টের কোয়ালিফাইং খেলা অনুষ্ঠিত হবে ও ৬ অক্টোবর থেকে বিরতিহীনভাবে মেইন ড্র’র খেলা অনুষ্ঠিত হবে। রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) খোন্দকার আজিম আহমেদ এনডিসি বলেন, এটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী আন্তর্জাতিক মানের সব আয়োজন করেছি। পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত রাজশাহী অত্যন্ত স্বাস্থকর নগরী আর পদ্মা নদীর পাড়েই আমাদের টেনিস কোর্ট। এছাড়াও তিনি বলেন, সবকিছু মিলিয়ে আন্তজার্তিকভাবে বহু বছর ধরে এই ভেণ্যুটি ব্যবহৃত হচ্ছে। এ বছরেও দেশী বিদেশী অনেক খেলোয়াড় এখানে এসেছেন। আমরা তাদের অত্যন্ত আনন্দের সাথে স্বাগত জানাচ্ছি। টুর্নামেন্ট পরিচালক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরএমপির পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সামাদ, পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক ও রাজস্ব) মোঃ মহিনুল হাসান, প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক আক্কাশ আলী, প্রাক্তন যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ হাসিনুর রহমান টিংকু, জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনসহ উর্দ্ধতন কমৃকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রার্থী নির্বাচনে সজাগ কেন্দ্র ॥ সবুজ সংকেতের আশায় যোগ্য প্রার্থীরা

    প্রার্থী নির্বাচনে সজাগ কেন্দ্র ॥ সবুজ সংকেতের আশায় যোগ্য প্রার্থীরা

    জাতীয় সংসদ নির্বাচন ॥ রাজশাহী-১ আসন

    প্রার্থী নির্বাচনে সজাগ কেন্দ্র ॥ সবুজ সংকেতের আশায় যোগ্য প্রার্থীরা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহী-১ গোদাগাড়ী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা কর্মী-সমর্কদের নিয়ে মাঠ-ঘাট চষে বেড়াচ্ছেন। উঠান বৈঠক, সভা-সমাবেশসহ জনসংযোগ করছেন তাঁরা। গোদাগাড়ী তানোরের এ আসনটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াত অধ্যুষিত হওয়ায় এ আসনে বিএনপি জামায়াতের লড়ায় হবে হাড্ডাহাড্ডি। বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে প্রার্থী বাছায়ে ভুল করলে এর মাশুল দিতে হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতারা। এলাকায় জামায়াতের জনপ্রিয়তাও তুঙ্গে। বিএনপি বড় দল হলেও জামায়াত একটি সুসংগঠিত দল। তবে জামায়াতের দীর্ঘদিন মাঠ পর্যায়ে অনুপস্থিত থাকায় বিএনপি এটিকে সুবিধা হিসাবে বিবেচনা করছে। মনোনয়ন নিয়ে দলীয় বিভাজন স্পষ্ট হলেও প্রার্থী চুড়ান্ত হলে সবাই একসাথে কাজ করবে বলে মনে করছেন দলের ত্যাগিরা। সংসদীয় আসন-৫২, রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান এবং বিএনপির রয়েছে একাধিক প্রার্থী। এদের মধ্যে মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন, বিএনপি চেয়ার পার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মেজর জেনারেল (অবঃ) শরিফ উদ্দিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এ্যাডভোকেট, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ( বিএনপি ) গোদাগাড়ী উপজেলা শাখার সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য, এ্যাডভোকেট মো. সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার কেএম জুয়েল, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্টের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ব্যারিষ্টার মাহফুজুর রহমান (মিলন)। বিএনপির আরো কয়েকজন প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও কার্যত তাদের দেখা যাচ্ছে না ভোটের মাঠে। বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গোদাগাড়ী উপজেলা শাখার সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য, এডভোকেট মো. সুলতানুল ইসলাম তারেক বলেছেন, বেকারত্ব দূরীকরণের লক্ষ্যে গোদাগাড়ী এবং তানোর উপজেলায় শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে। এই ২ উপজেলায় মানুষের কর্মের বড়ই অভাব। কর্মহীন বসে থাকার ফলে তরুন যুবকেরা মাদকের দিকে ঝুঁকছে। এতে যেমন পারিবারিক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে তেমনই সমাজে চুরি, ছিনতাই, অপকর্ম বাড়ছে। মানুষের কর্ম থাকলে এমন অপকর্মে জড়িত হবে না তারা। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই এলাকায় শিল্প কারখানা গড়ে তুলবো। নারী উদোক্তাদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা রাখা হবে। নারীরা স্বাবলম্বী না হলে দেশে উন্নয়ন সম্ভব নয়। এসময় কবি নজরুল ইসলাম রচিত একটি কবিতার লাইনের উদ্বৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্বে যা কিছু সৃষ্টি চির কল্যানকর,অর্ধেক তার করিয়াছে নারী,অর্ধেক তার নর”। তাই নারীদের উন্নয়নের ভূমিকায় এগিয়ে এসে দেশকে সমৃদ্ধ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমার এই নির্বাচনী এলাকা গোদাগাড়ী -তানোর। এই অঞ্চলে বিগত সরকারের আমলে উপজেলার শিক্ষার্থীদের জন্য কেউ ভাবেনি। আমি শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্যে ২ উপজেলায় দুটি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মান সহ কারিগরি শিক্ষায় অবদান রাখতে চাই। এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যেন উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও বিদেশে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারে। ইঞ্জিনিয়ার কে. এম জুয়েল বলেন, ভিআইপি এ আসনটিতে অনেক কিছুই করার দরকার ছিল, কিন্তু করেনি বিগত আমলে কেউই। কাকনহাট, ললিতনগর, রিশিকুলসহ বরেন্দ্রাঞ্চলের চিকিৎসা নিতে বেশ ভোগান্তি পোহাতে হয়, সে জন্য ওই অঞ্চলে একটি আধুনিক হাসপাতাল করা হবে। সেই সাথে কাকনহাটে একটি থানার প্রয়োজন। সেটিও আমার বিবেচনায় রয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অন্ন বস্ত্র সব কিছুতেই অভুতপূর্ব পরিবর্তন করব ইনশাআল্লাহ।

  • পত্নীতলায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্ট

    পত্নীতলায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্ট

    পত্নীতলায় মিনি-বার ফুটবল টুর্নামেন্ট

    নওগাঁর পত্নীতলায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন চকদোচাই-বামনাবাজ পরিবারের উদ্যোগে নজিপুর ইউনিয়নের বাবনাবাজ মাদ্রাসা মাঠে একদিনের মিনি-বার ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়। খেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ কাজেম উদ্দিন দলিল লেখক (এস,আর অফিস পত্নীতলা নওগাঁ)। ৪ সেপ্টেম্বর উপজেলার বাবনাবাজ মাদ্রাসা মাঠে খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত খেলায় ৮টি দল অংশগ্রহণ করেন। প্রথম রাউন্ডে নক আউট পর্বে উদ্বোধনী ম্যাচে গগনপুর স্পোর্টিং ক্লাব নজিপুর নতুনহাট দলকে পরাজিত করে, দ্বিতীয় খেলায় রাজশাহী ইয়াং স্টার ক্লাব খান্দইকে পরাজিত করে, তৃতীয় খেলায় মধইল- চকমহেশ সুলতানপুর কে পরাজিত করে। চতুর্থ খেলায় সাপাহার ফুটবল টিম নজিপুর ছোট চাঁদপুর কে পরাজিত করে। মাঠে দর্শক কানায় কানায় পূর্ণ কোথাও তিল পরিমাণ জায়গা ছিলোনা। সেমি ফাইনালে ৪টি দল উত্তীর্ণ হয়। সেমিফাইনালে প্রথম ম্যাচ গগনপুর বনাম মধইল চকমহেশ শুরু হলে হাঁফ টাইমের পর প্রাকৃতিক ঝড়-বজ্র -বৃষ্টি শুর হলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে মাঠে খেলা শুরু করা সম্ভব না হলে। কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরবর্তীতে খেলা দেওয়ার ঘোষণা দিলে দূর দূরান্ত থেকে আগত ৪টি দল অপারগতা প্রকাশ করলে তৎক্ষণাৎ কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক খেলার প্রাইজ মানি ৪ টি দলের মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়া হয়। খেলায় উপস্থিত ছিলেন মোঃ কাজেম উদ্দিন, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোঃ মোজাফ্ফর সরদার, মোঃ আঃ মান্নান, মোঃ রেজাউল করিম আলহাজ্ব মোঃসুলতান আলী, মোঃ শাহজাহান আলী, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ নূরুল ইসলাম খোদাদাদ, মোঃ কছির উদ্দীন, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (শামীম), শ্রীঃ নিরঞ্জন চন্দ্র মন্ডল, শ্রীঃ সনজিত চন্দ্র দাস, ডাঃ মোঃশামস্দ্দুীন (শমসের), মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল গাফ্ফার, মোঃ মোজাফ্ফর, রহমান, মোঃ নছির উদ্দীন, মোঃ বাবুল হোসেন, মোঃ নজরুল ইসলাম (রাজধানী ইলেকট্রনিকস) মোঃ আজিজার রহমান (ইউপি সদস্য), মোঃ জিয়ার উদ্দিন মন্ডল, মোঃ সামসুল হক, শ্রীঃ অনিল চন্দ্র মন্ডল, শ্রীঃ রনজিত চন্দ্র মন্ডল (সাবেক ইউপি সদস্য), ডাঃ বিমল চন্দ্র মন্ডল, শ্রীঃ সুনিল চন্দ্র শ্রীঃ শিতেশ চন্দ্র, মোঃ আম’জাদ হোসেন, মোঃ রফিকুল ইসলাম (মিনি পাড়া), মোঃ রহমতুল্লাহ, মোঃ সাজেদুর রহমান (রোস্তম), মোঃ ফিরোজ আলী, মোঃ মাসুদ রানা (পলাশ), মোঃ আবুহাসান আলী, মোঃ আব্দুর সবুর (লেলিন) মোঃ আরিফুল ইসলাম (চকদোচাই) মোঃ সাইফুল (বাবনাবাজ) মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোঃ রকেট, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ মাসুম রেজা ফাহিম, মোঃ সৈকত ,মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, মোঃ মাসুদ রানা (সুমন), মোঃ আব্দুর রব (সুইট),মোঃ গোলাম রাব্বানী, মোঃ বেলাল হোসেন ( বিদ্যুৎ), মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোঃ কনক কিবরিয়া মোঃ শিহাব রহমান, মোঃ তারেক, মোঃ রাসেল ব্যাবসায়ী, মোঃ আবু ফাত্তাহ সাকিব, মোঃ আতারাব্বী, মোঃ ইমরান হোসেন, মোঃ মাহমুদ হাসান আপেল, মোঃ কাজল, মোঃ জুলফিকার আলী, মোঃ রুবেল, মোঃ সজল, মোঃ রাসেল (উত্তর পাড়া), মোঃ নাহিদ হাসান, মোঃ মেহেরাব হোসেন, মোঃ আরমান আলী, মোঃ নাজমুস সাকিব, মোঃ আবু রায়হান, মোঃ রাকিবুল, মোঃ সাব্বির মোঃ আলামিন, মোঃ এনামুল, মোঃ সুমন (ইসলামিক ক্লিনিকে) মোঃ সফিকুল ইসলাম (রানা), মোঃ মিজানুর রহমান (রাঙ্গা), মোঃ আবু কাওছার, মোঃ মাহাবুর রশিদ, মোঃ রায়হান হোসাইন রবি, মোঃ সোহেল রানা, মোঃ আবদুল্লাহ আল (নোমান), মোঃ সাইফুল্লাহ মনির মোঃ আশিক, মাদ্রাসা পাড়ার মোঃ আরিফুল, মোঃ ফরিদুল, মোঃ মোস্তাকিম, মোঃ সাকিব, মোঃ আরিফুল, মোঃ রাজু আহমেদ মোঃ মামুন, মোঃ আসলাম, মোঃ হযরত আলী (সনি), মোঃ সেলিম, মোঃ জিহাদ হোসেন, মোঃ শাহরিয়ার নাজিম মোঃ কবির, মোঃ মিনহাজুল ইসলাম, মোঃ মেহেরাব, সুব্রত কুমার, রেন্টু কুমার, নিতাই চন্দ্র, সৌরভ কুমার, বিপুল কুমার, কনক চন্দ্র মন্ডল, টগর কুমার, অনন্ত, বিপ্লব, প্রকাশ কুমার, অপু, সজল, বিজয় বর্মনসহ অন্যরা।

  • গোদাগাড়ীতে শিক্ষক দিবস পালিত

    গোদাগাড়ীতে শিক্ষক দিবস পালিত

    গোদাগাড়ীতে শিক্ষক দিবস পালিত

    গোদাগাড়ীতে শিক্ষক দিবসে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গোদাগাড়ী উপজেলা অডিটরিয়ামে শিক্ষক দিবসে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ। তিনি বলেন শিক্ষকদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠানে আসতে হবে। আদর্শ শিক্ষক হিসেবে নিজেকে তৈরি করতে হবে। আপনাদের যা যা সমস্যা আছে, সেগুলো আমি উর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো ইংশাআল্লাহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আমিরুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মুনমুন সুলতানা, সহকারি অধ্যাপক কামারুজ্জামান, উপাধ্যক্ষ আব্দুল মালেক প্রমুখ।

  • নড়াইলে জমি নিয়ে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের আহত-৮

    নড়াইলে জমি নিয়ে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের আহত-৮

    নড়াইলে জমি নিয়ে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের আহত-৮

    নড়াইলের নড়াগাতী থানার কামশিয়া গ্রামে জমি নিয়ে সংঘর্ষে নারী ও বৃদ্ধসহ অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামশিয়া গ্রামের আকরাম মুন্সির জমিতে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা চলছিল। এ বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শুক্রবার রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন পিকনিক ও গোপন বৈঠকের আয়োজন করে পরে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে ছিলেন পিটু মুন্সি, কালু মুন্সি, রাব্বি মুন্সি, ইসমাইল মুন্সি, মেহেদি মুন্সি প্রমুখ। অভিযোগ রয়েছে, পাশের গ্রাম থেকে রিজওয়ান মোল্লা ও জাকারিয়া মোল্লা (পিতা রুঙ্গু মোল্লা) আগেই পিটুদের বাড়িতে অবস্থান নেন এবং পরে আরও ২০-২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে সংঘর্ষে অংশ নেন। হামলায় গুরুতর আহত হন সোহেল মুন্সি (পিতা আকরাম মুন্সি), জুয়েল মুন্সি, লুলু মুন্সি (পিতা মৃত আছাদ মুন্সি), আব্দুল্লাহ মুন্সি (পিতা মৃত হাবিব মুন্সি) জাকারিয়া মোল্লা (পিতা, রুঙ্গু মোল্লা) সহ নারী ও বৃদ্ধ চার-পাঁচজন। সবাই বর্তমানে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমি নিয়ে বিরোধের কারণে বহুদিন ধরে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। ঘটনার রাতে বাইরে থেকে লোকজন আনা হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। খবর পেয়ে নড়াগাতী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখনো এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নড়াগাতী থানার ওসি জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।