Blog

  • লালমনিরহাট পারিবারিক কলহের জেরে ‘ছেলের হাতে’ মা খুন

    লালমনিরহাট পারিবারিক কলহের জেরে ‘ছেলের হাতে’ মা খুন

    লালমনিরহাট পারিবারিক কলহের জেরে ‘ছেলের হাতে’ মা খুন

    লালমনিরহাটের সদর উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে এক নারীকে তার ছেলে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামে শনিবার রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুশীলা কর্মকার (৫৫), ওই এলাকার ভেললো কর্মকারের স্ত্রী। এ ঘটনায় সুশীলার ছেলে নিমাই কর্মকার (২৮) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সম্প্রতি নিমাইয়ের স্ত্রী অভিমান করে বাবার বাড়িতে চলে যান। এ নিয়ে শনিবার রাতে পরিবারের লোকজনের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে নিমাই বড়বাড়ি বাজারে গিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুই-একজনকে আঘাত করেন। তখন মা সুশীলা ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলেকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। এ সময় নিমাই ছুরি দিয়ে মায়ের শরীরে একাধিক আঘাত করেন। গুরুতর অবস্থায় সুশীলাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিমাইকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। লালমনিরহাট সদর থানার ওসি নুরুন্নবী বলেন, ঘটনার পরপরই নিমাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সে মানসিক রোগে ভুগছিল। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  • অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার মিথেল, নির্দোষ দাবি করে সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান পরিবারের

    অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার মিথেল, নির্দোষ দাবি করে সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান পরিবারের

    অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার মিথেল, নির্দোষ দাবি করে সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান পরিবারের

    নাটোরের বাগাতিপাড়ায় কলেজ ছাত্রীসহ তিনজনকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া মাহাবুবুর রহমান মিথেল (৩০)-এর পরিবার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ঘটনাটি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে সাজানো হয়েছে এবং মিথেল এ বিষয়ে সম্পূর্ণ নির্দোষ। উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলার টুনিপাড়া ও রহিমানপুর এলাকা থেকে তিনজনকে মোটর সাইকেলে করে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ মামলা করে ১ অক্টোবর রাতে মিথেলকে বড়পুকুরিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। তবে মিথেলের পরিবার বলছে, ঘটনার দিন মিথেল স্থানীয়ভাবে স্বাভাবিক সময় কাটিয়েছেন এবং কোনো প্রকার অপহরণ বা জোরপূর্বক কাউকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। মিথেলের বড় ভাই বলেন, “আমার ভাই একজন শিক্ষিত ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। স্থানীয় পর্যায়ে তার কোনো বিরূপ আচরণের রেকর্ড নেই। যাদের নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তাদের সঙ্গে পূর্ব পরিচয় থাকলেও অপহরণের মতো কাজের সঙ্গে সে যুক্ত নয়।” স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দাও দাবি করেছেন, মিথেল দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় সুনামের সঙ্গে বসবাস করছেন এবং কখনো এমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনায় জড়িত ছিলেন না। মিথেলের পরিবারের অভিযোগ, ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই মামলায় তাকে ফাঁসানো হয়ে থাকতে পারে। তারা বলেন, “আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক এবং একজন নির্দোষ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন।” এবিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, “অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত চলছে। এখনো ভিকটিমদের উদ্ধার অভিযান চলছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।” অন্যদিকে, এলাকাজুড়ে এ ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ অভিযোগকারীদের পাশে থাকলেও, অনেকেই মিথেলের পক্ষে কথা বলছেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। মামলার তদন্ত চলমান থাকায় প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছেন বলে জানা গেছে।

  • ডিএনসির অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ আটক এক

    ডিএনসির অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ আটক এক

    ডিএনসির অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ আটক এক

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের অভিযানে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক হয়েছে। আটককৃত ব্যবসায়ী হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ইসলামপুর মহল্লার মৃত সবুর আলীর ছেলে মো: নূর আলম তেনু (৪১)। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর পাঠানো এক প্রেসনোটে জানানো হয়, রবিবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর মডেল থানাধীন ইসলামপুর গ্রামে মাদক বিরোধী অভিযান চালায় ডিএনসির একটি দল। অভিযানে ইসলামপুর মহল্লার মো: নূর আলম তেনু (৪১) কে ২০০ (দুইশত) গ্রাম গাঁজাসহ আটক করা হয়। উপ-পরিদর্শক, মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান আসামীর বিরুদ্ধে মামলার বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রামের পথ-ঘাটে হাঁসের সারি ॥ যেন গ্রামীণ জীবনের চিরচেনা রূপ!

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রামের পথ-ঘাটে হাঁসের সারি ॥ যেন গ্রামীণ জীবনের চিরচেনা রূপ!

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রামের পথ-ঘাটে হাঁসের সারি ॥ যেন গ্রামীণ জীবনের চিরচেনা রূপ!

    বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনে হাঁস শুধু অর্থনীতির অংশ নয় বরং সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য প্রতীক। ভোরের আলোয় কিংবা দুপুরের রোদে যখন একঝাঁক হাঁস সারিবদ্ধ হয়ে গ্রামের পথ-ঘাটে সারিবদ্ধভাবে চলে, তখন তা শুধু নয়নাভিরাম দৃশ্যই নয়, বরং গ্রামীণ জীবনের বাস্তবতারও প্রতিচ্ছবি। জানা গেছে, বাংলাদেশের জলাশয় ও ধানক্ষেত নির্ভর অঞ্চলে হাঁস পালন বহুদিনের অভ্যাস। ধানক্ষেতের পড়া ধান, কচুরিপানা, শামুক-ঝিনুক এমনকি কীটপতঙ্গও হাঁসের খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফলে ব্যয় কম, আয় বেশি, এই সমীকরণ হাঁস পালনে উৎসাহ জুগিয়েছে গ্রামবাংলার পরিবারগুলোকে।

    এদিকে, হাঁসের ডিম প্রোটিনসমৃদ্ধ ও বাজারে চাহিদাসম্পন্ন হাঁসের মাংস ভোজনরসিকদের কাছে জনপ্রিয় খাবার। গ্রামীণ পরিবারে অতিরিক্ত আয়ের উৎস হিসেবে স্থানীয় হাট থেকে শুরু করে শহরের সুপারশপ পর্যন্ত নিয়মিত সরবরাহ করা হয়। হাঁস শুধু খাদ্য বা আয়ের উৎস নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি ও প্রকৃতির সহচর। পরিবেশবান্ধব পাখি হিসেবে হাঁসের রয়েছে পরিবেশবান্ধব ভূমিকা। তারা ধানক্ষেতের ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে ফসল রক্ষা করে, কচুরিপানা নিয়ন্ত্রণ করে জলাশয় পরিষ্কার রাখে এবং শামুক খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই হাঁসকে বলা যায় প্রকৃতির নিঃশব্দ প্রহরী। এছাড়া, বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতিতে হাঁসের অবস্থানও অনন্য। শিশুর ছড়া, লোকগীতি ও গল্পে হাঁসের উপস্থিতি আমাদের শৈশব ও ঐতিহ্যের অংশ। গ্রামের পথে হাঁসের সারিবদ্ধ চলাচল যেন কোনো শিল্পীর আঁকা জীবন্ত ছবি, যা আমাদের স্মৃতিকে বারবার স্পর্শ করে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মোতাবেক দেশে মোট হাঁসের সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি। হাওর-বাওর, বিল, নদীঘেরা অঞ্চল হাঁস পালনের উত্তম স্থান। এসব হাঁস বছরে ডিম দেয় কয়েকশো কোটি। এদের জাতের মধ্যে রয়েছে দেশি, খাকি ক্যাম্পবেল, ইন্ডিয়ান রানার। গ্রামের পথ ঘাটে হাঁসের সারি শুধু একখন্ড দৃশ্য নয় বরং একটি গল্প। এ গল্প আমাদের মাটি, মানুষ ও সংস্কৃতির। আধুনিকতার ছোঁয়া যতই আসুক, চিরায়ত বাংলাদেশকে মনে করিয়ে দিতে হাঁসের ঝাঁক গ্রামের পথে চলতে থাকবেই।

  • সময়মতো প্রতারক উপদেষ্টাদের নাম প্রকাশ করবো-নাহিদ ইসলাম

    সময়মতো প্রতারক উপদেষ্টাদের নাম প্রকাশ করবো-নাহিদ ইসলাম

    সময়মতো প্রতারক উপদেষ্টাদের নাম প্রকাশ করবো-নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, সরকারে থাকা অবস্থায় উপদেষ্টা পরিষদের অনেক সদস্যকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করাটা ছিল তাদের সবচেয়ে বড় ভুল। সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে তারা প্রতারণাও করেছেন। পাশাপাশি ইঙ্গিত দিয়েছেন, উপযুক্ত সময় এলে প্রতারক উপদেষ্টাদের নামও প্রকাশ করবেন তিনি। দেশের একটি টেলিভিশনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম বলেন, “কয়েকজন উপদেষ্টার প্রতি আস্থা রেখে আমরা বড় ধরণের ধোঁকায় পড়েছি। তারা আমাদের আদর্শ ও আন্দোলনকে পুঁজি করে নিজেদের গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছেন। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর ড. ইউনূসের সরকারে ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেন নাহিদসহ কয়েকজন। যদিও পরে একজন পদত্যাগ করলে তরুণদের রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘এনসিপি’-র নেতৃত্বে এগিয়ে আসে তারা। বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদে এখনও দুইজন সদস্য রয়েছেন। তবে এনসিপির তরফ থেকে প্রশ্ন? ছাত্রদের উপদেষ্টার আসনে বসানো কি আদৌ সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল? জবাবে নাহিদ বলেন, “ছাত্ররা উপদেষ্টা না হলে এই সরকার তিন মাসও টিকতো না। কিন্তু কয়েকজন তথাকথিত ‘বিশেষজ্ঞ’ নিজেদের সুবিধার জন্য সরকারকে ব্যবহার করেছেন।” সাক্ষাৎকারে নাহিদ আরও দাবি করেন, উপদেষ্টাদের কেউ কেউ ইতিমধ্যেই ‘সেফ এক্সিট’ নেওয়ার চিন্তা শুরু করে দিয়েছেন। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে নিজের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করার চেষ্টা করছেন তারা। নাহিদের ভাষায়, ৫ আগস্ট ক্যান্টনমেন্টে ‘সেজদা’ দিয়েছে রাজনৈতিক নেতারা, ছাত্ররা নয়। তিনি আরও বলেন, “আমরা হয়তো রাজনীতিতে নতুন, কিন্তু এত সহজে আমাদের নতজানু করা যাবে না। উপদেষ্টা পরিচয়ে কেউ নিজের এজেন্ডা চালাবে, এটা হতে দেওয়া হবে না।

  • গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অসুস্থ গরু জবাই ॥ অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত ১১ জন

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অসুস্থ গরু জবাই ॥ অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত ১১ জন

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অসুস্থ গরু জবাই ॥ অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত ১১ জন

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অসুস্থ গরু জবাইয়ের পর অন্তত ১১ জন অ্যানথ্রাক্স রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে পাঁচজনকে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দিবাকর বসাক। এর আগে গেল শনিবার ওই গরু জবাই করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার উপজেলার বেলকার কিশামত সদর গ্রামে মাহাবুর রহমানের একটি গরু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে সেটি জবাই করে মাংস ভাগাভাগি করা হয়। এ কাজে অংশ নেওয়া ১১ জনের শরীরে কয়েকদিন পর ফোসকা, ঘা এবং পচনের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। আক্রান্তদের হাত, মুখ, চোখ ও নাকে ক্ষতচিহ্ন স্পষ্ট হতে থাকে। পরে আক্রান্তরা চিকিৎসকের মাধ্যমে অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হোন। আক্রান্তদের মধ্যে মোজা মিয়া, মোজাফফর মিয়া, শফিকুল ইসলাম ও মাহাবুর রহমানসহ পাঁচজন বর্তমানে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দিবাকর বসাক জানান, “অ্যানথ্রাক্সে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এটি মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না। অসুস্থ গবাদি পশু জবাই বা মাংস ব্যবহারের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়। নিয়মিত চিকিৎসা নিলে কয়েকদিনেই রোগীরা সুস্থ হয়ে ওঠেন।” এসময় তিনি সবাইকে অসুস্থ পশু জবাই থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন। বেলকা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজার রহমান বলেন, “গরুটি অসুস্থ থাকার পরও কয়েকজন গ্রামবাসী সেটি জবাই করেন। যারা সরাসরি কাটাকাটির কাজে যুক্ত ছিলেন তারাই অসুস্থ হয়েছেন।” এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে গবাদিপশু জবাই নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সচেতন নাগরিকদের দাবি, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জেলার শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মানুষকে সতর্ক করতে ব্যাপক প্রচারণা চালানো জরুরি।

  • সচিবালয়ে রোববার থেকে প্লাস্টিক ব্যবহার নিষিদ্ধ

    সচিবালয়ে রোববার থেকে প্লাস্টিক ব্যবহার নিষিদ্ধ

    সচিবালয়ে রোববার থেকে প্লাস্টিক ব্যবহার নিষিদ্ধ

    বাংলাদেশ সচিবালয়ে রোববার (৫ অক্টোবর) থেকে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক বা সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক (এসইউপি) পণ্য সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এসব পণ্য বন্ধে উদাহরণ সৃষ্টি করতে এ পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। সচিবালয়ের সব প্রবেশপথে চেকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভেতরে পলিথিন বা একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পাওয়া গেলে তা সঙ্গে সঙ্গে জব্দ করা হবে। যাদের কাছে এমন ব্যাগ পাওয়া যাবে, তাদের কাগজের ব্যাগ দেওয়া হবে। প্রবেশপথ ও সচিবালয়ের বিভিন্ন ভবনে সচেতনতা বাড়াতে বোর্ড ও পোস্টার লাগানো হয়েছে। উদ্যোগটি কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে একটি মনিটরিং টিমও গঠন করা হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে এসইউপি ব্যবহার বন্ধে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সচিবালয়ের ভেতরে আর কোনো সভা-সেমিনার, মিটিং বা অনুষ্ঠানেও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের বোতল, কাপ, প্লেট বা চামচ ব্যবহার করা যাবে না। পরিবর্তে পাটজাত, কাপড়ের বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্য ব্যবহার করতে হবে। সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রেও প্লাস্টিকের বিকল্প পরিবেশবান্ধব সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে একজন ফোকাল পারসন নিয়োগ ও একটি মনিটরিং কমিটি গঠনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য পাত্র ও ব্যাগ সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সভা বা দাপ্তরিক অনুষ্ঠানে পরিবেশ বান্ধব কাগজের প্যাকেট বা কাপ ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সচিবালয় দেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক এলাকা। এখান থেকে যদি একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক বন্ধ করা যায়, তাহলে তা সারা দেশে দৃষ্টান্ত তৈরি করবে।

  • নাটোরের বাগাতিপাড়া ওসির বিরুদ্ধে মামলা নিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ

    নাটোরের বাগাতিপাড়া ওসির বিরুদ্ধে মামলা নিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ

    নাটোরের বাগাতিপাড়া ওসির বিরুদ্ধে মামলা নিতে ঘুষ দাবির অভিযোগ

    নাটোরের বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার বিনিময়ে ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের রামপাড়া গ্রামের কৃষক রুস্তুম আলী মিলটন এ অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী রুস্তুম আলীর দাবি, গত ২৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে প্রতিপক্ষরা তার বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।

    এ ঘটনায় তার প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরদিন সকালে তিনি থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দেন। তবে অভিযোগ দেওয়ার পরদিন, ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তিনি থানায় গেলে ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমান তার কাছে মামলা রুজু ও আসামি গ্রেফতারের শর্তে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন রুস্তুম আলী। তিনি আরও জানান, ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি নাটোরের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি ওসির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও অগ্নিকান্ডের ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি মো. মোসতাফিজুর রহমান বলেন, “ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” এদিকে, নাটোরের পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

  • ঝিনাইদহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    ঝিনাইদহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    ঝিনাইদহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল কর্তৃক নিয়ম বহির্ভূতভাবে ঝিনাইদহ জেলা কমান্ড অনুমোদনের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ। শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে ঝিনাইদহ আইনজীবী সমিতির ভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ঝিনাইদহ শহীদ জিয়াউর রহমান ‘ল’ কলেজের অধ্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা এস এম মশিয়ুর রহমান। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল আলীম, গোলাম মোস্তফা লোটন, মোঃ রেজাউল ইসলাম, মোঃ ইসরাইল হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান ও লিয়াকত আলীসহ অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা উপিস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, দেশের সরকার পরিবর্তন হলেও “দেশকে স্বাধীন করার জন্য জীবন বাজি রাখা মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা সংসদকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না।” অভিযোগ করা হয়, গত ৫ জুলাই কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভায় স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়, জেলা কমান্ড গঠন করতে হবে উচ্চতর ট্রেনিংপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে। যেখানে একাধিক কমিটি থাকবে, সেখানে সমঝোতা অথবা কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধাদের মতামতের ভিত্তিতে কমিটি গঠনের কথা বলা হয়। এছাড়া, বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কিংবা অবৈধ সুবিধাভোগীদের বাদ দেওয়ার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে ঝিনাইদহ জেলা কমান্ড গঠিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন মুক্তিযোদ্ধারা। অভিযোগে দাবি করা হয়, অনুমোদিত কমিটির ১ নং আহ্বায়ক, ২ নং যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব এই তিনজনের কেউই উচ্চতর ট্রেনিংপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নন। বরং তাঁরা বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং অবৈধ সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেছেন। এছাড়া জেলার পক্ষ থেকে চারটি কমিটি জমা দেওয়া হলেও প্রস্তাবিত তিন কমিটির কাউকে না জানিয়ে গোপনে একটি প্যানেল থেকে কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ঘোষিত কমিটির আহ্বায়কের ছেলে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের নিয়ন্ত্রিত মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব। উপরন্তু ঘোষিত কমিটির ১১ সদস্যের মধ্যে ছয়জনই পদত্যাগ করেছেন, ফলে গঠিত ওই কমিটির কোনো বৈধতাই নেই। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “বর্তমান জেলা কমান্ড অবৈধ। অবিলম্বে এ কমিটি বাতিল করে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে মুক্তিযোদ্ধাদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে। নইলে যে কোনো পরিস্থিতির দায় কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলকেই বহন করতে হবে।

  • ছুটি শেষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

    ছুটি শেষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

    ছুটি শেষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

    শারদীয় দুর্গোৎসবে টানা ৮ দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে এই বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। তবে এই সময়ে পাসপোর্টে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল। শনিবার (৪ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বাংলাহিলি কাষ্টমস সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান জানান, শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ভারত হিলির ব্যবসায়ী সংগঠন এক্সপোটার এন্ড ক্লিয়ারিং এজেন্টস এ্যাসোসিয়েনের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ৮ দিন হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিসহ সকল কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ছুটি শেষে শনিবার (৪ অক্টোবর) আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আবারও চালু হয়েছে। এদিকে, স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত স্বাভাবিক ছিল বলে জানিয়েছে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট।