Blog

  • আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়া-দূর্গাতলী ‎সড়কে গাছ রেখেই চলছে রাস্তা পাকাকরণ কাজ

    আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়া-দূর্গাতলী ‎সড়কে গাছ রেখেই চলছে রাস্তা পাকাকরণ কাজ

    আত্রাইয়ের বান্দাইখাড়া-দূর্গাতলী ‎সড়কে গাছ রেখেই চলছে রাস্তা পাকাকরণ কাজ

    নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়ার সিদ্ধেশ্বরী মোড় থেকে দূর্গাতলী মোড় পর্যন্ত সড়কের বান্দাইখাড়া ডিগ্রী কলেজ সংলগ্ন স্থানে একাধীক গাছ রেখেই চলছে পাকাকরণ কাজ। ফলে সড়ক সংকোচিত হওয়ায় চলাচলে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাকাবাসী। জানা গেছে, স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আওতায় এক কোটি ৭০লক্ষ টাকা ব্যয় ধরে বান্দাইখাড়া থেকে ফতেপুর সড়কের দূর্গাতলী পর্যন্ত পৌনে দুই কিলোমিটার সড়ক পাকা করণ কাজের টেন্ডার দেয়া হয়। ইতিমধ্যে সড়ক খননের মাধ্যমে বেড করে বালু, খোয়া বিছালেও এখন পর্যন্ত গাছ না কেটেই কাজ চলমান রেখেছেন ঠিকাদার। স্থানীয়রা বলছেন, এই সড়ক দিয়ে এলাকার ফতেপুর, সুন্যাসবাড়ী, ক্ষুত্র বান্দাইখাড়া, চকসিমলা, কালুপাড়া, চরকতোলাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার বাসিন্দা চলাচল করেন এবং জেলা ও উপজেলা সদর থেকে বিভিন্ন মালামাল পরিবহন করেন। কিন্তু এই জনবহুল সড়কে একাধিকস্থানে গাছ রেখেই কাজ করায় সড়কটি সংকোচিত হয়ে পড়েছে। ফলে ওই স্থানে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা ঘটার আশংকা করছেন তারা। ‎ভ্যান চালক ছিমুল বিশ্বাস বলেন, এমনিতেই সড়কের প্রসস্ত কম, তার মধ্যে বান্দাইখাড়া ডিগ্রী কলেজের লাগানো মেহগুনির একাধীক গাছ রেখেই সড়ক পাকা করণ কাজ করছেন ঠিকাদার। ফলে সড়ক চিকন হওয়ায় চরম ঝুঁকি নিয়ে এখানে গাড়ী পারাপার করতে হচ্ছে। ‎বান্দাইখাড়া গ্রামের মাহাতাব আলী বলেন, গাছ কেটে সড়কের কাজ করার জন্য আমরা এলাকার লোকজন বহুবার ঠিকাদারকে বলেছি। কিন্তু তার পরেও গাছ না কেটেই কাজ চলমান রেখেছেন। এতে চলাচলে চরম ভোগান্তি হবে। ‎সুন্যাসবাড়ী গ্রামের ইব্রাহিম আলী বলেন, যেখানে গাছ রয়েছে, ঠিক তার বিপরীত দিকেই বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে। ফলে ওই স্থানে একটু বাঁকা করে বা বিপরীত দিক ঘেঁসে যে যানবাহন পার করা হবে, তার কোন সুযোগ নেই। ফলে এখানে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটা ঘটতেই থাকবে। তাই দ্রুত সড়কের গাছ কেটে পাকা করন শেষ করার দাবি জানান তিনি। ‎এব্যাপারে ঠিকাদার মনোয়ার হোসেন মুনু বলেন, সড়ক পাকাকরণ কাজ শুরু করলেও গাছ না কাটায় কাজ সমাপ্তের নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেছে। ফলে নতুন করে সময় বর্ধিত করা হয়েছে। তার পরেও এখন পর্যন্ত গাছ কাটার কোন ব্যবস্থা হয়নি। তবে গাছ কাটার জন্য ইতি মধ্যে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আবেদন করেছেন এমনটি শুনেছি। ‎আত্রাই উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী নিতিশ কুমার বলেন, গাছগুলো কাটার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন দেয়া হয়েছে। এটা মিটিংয়ে পাশ হলেই টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি দিয়ে গাছ কেটে সড়ক ফাঁকা করা হবে। ‎এব্যাপারে গাছ নিলাম বিক্রয় কমিটির সভাপতি আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান বলেন, আবেদন পাওয়ার পর বন বিভাগকে চিঠি দিয়েছি। সেখান থেকে উত্তরপত্র পাওয়ার পর দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • জন্মসনদ ছাড়াই প্রতিটি শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দিতে হবে-স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

    জন্মসনদ ছাড়াই প্রতিটি শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দিতে হবে-স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

    জন্মসনদ ছাড়াই প্রতিটি শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দিতে হবে-স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

    দেশের কোনো শিশু যেন টাইফয়েডের টিকাদান কর্মসূচি থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। তিনি বলেছেন, জন্মসনদ থাকুক বা না থাকুক, প্রতিটি শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। টাইফয়েড টিকাদান নিয়ে প্রচারণার ঘাটতি এবং সামাজিক উদাসীনতা দূর করার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে ‘টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫’-এর জাতীয় অ্যাডভোকেসি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নূরজাহান বেগম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আমার ঘরে নাতি-নাতনি আছে, কাজের লোকেরও বাচ্চা আছে, কেউ বলেনি যে টাইফয়েডের টিকা নিচ্ছে। মানে আমরা সব ঘরে পৌঁছাতে পারিনি।” তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ডায়রিয়া, রাতকানা রোগসহ অনেক প্রতিরোধযোগ্য রোগ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলেও টাইফয়েডে এখনো শিশুরা মারা যাচ্ছে বা স্থায়ী অঙ্গহানির শিকার হচ্ছে। এটাকে তিনি “লজ্জার” বিষয় হিসেবে অভিহিত করেন, কারণ টাইফয়েড একটি সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য রোগ। দেরিতে হলেও টাইফয়েডের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ায় তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা যোগাযোগের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে বলেন, “টাইফয়েড এমন একটি রোগ, যা অল্প বয়সী শিশুদের জীবন বিপন্ন করে। অথচ পরিবারগুলো এর গুরুত্ব বোঝে না, এমনকি অনেকেই জানে না যে টাইফয়েডের টিকা এখন দেশে পাওয়া যাচ্ছে। এটা আমাদের যোগাযোগের ঘাটতি।” তিনি টিকা নিয়ে মানুষের ভয় বা বিভ্রান্তি দূর করতে স্কুল, মসজিদ, কমিউনিটি সেন্টার সহ সব স্তরে প্রচারণা বাড়ানোর আহ্বান জানান। জনসচেতনতা তৈরিতে সমাজের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানিয়ে নূরজাহান বেগম বলেন, “এটা শুধু সরকারের কাজ নয়। ইমাম, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, সমাজকর্মী— সবার অংশগ্রহণ দরকার। মিডিয়াও এই কাজের বড় সহযোদ্ধা। স্বাস্থ্য খাত একা সফল হতে পারে না, সামাজিক সহযোগিতাই আমাদের মূল শক্তি।
    তিনি শতভাগ শিশুর টিকাদান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমাদের লক্ষ্য হবে শতভাগ শিশুর টিকাদান নিশ্চিত করা। কেউ যেন বাদ না যায়। কারণ, একটি শিশু বাদ পড়া মানে একটি পরিবার ঝুঁকিতে থাকা। জন্মসনদ থাকুক বা না থাকুক, কোনো অজুহাতে শিশুকে বাদ দেওয়া যাবে না। প্রত্যেক ঘরের কাজের মানুষ, বস্তির শিশুরাও এই টিকার আওতায় আসতে হবে।” তিনি টিকাদান কার্যক্রমে প্রশাসনিক জটিলতা না বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজ ও বিনামূল্যে করার কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য সচিব মো. সাইদুর রহমান। এতে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব সহ অন্যরা। স্বাস্থ্যের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য খাতে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি সবচেয়ে সফল এবং টাইফয়েডও দ্রুত নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আসবে। এজন্য সক্ষম জনবল তৈরি এবং মেডিকেল কলেজ, নার্সিং কলেজ ও ইন্টার্ন ডাক্তারদের এই কার্যক্রমে যুক্ত করার পরামর্শ দেন তিনি।

  • শহীদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে শিবগঞ্জে শিবিরের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    শহীদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে শিবগঞ্জে শিবিরের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    শহীদ আবরার ফাহাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে শিবগঞ্জে শিবিরের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে বুয়েটের মেধাবী ছাত্র শহীদ আবরার ফাহাদের ৬ষ্ঠ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ছত্রাজিতপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়ায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প চলে দিনব্যাপী। ডেলটা মেডিকেল সেন্টারের সহযোগিতায় মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে স্থানীয় অসহায় ও দরিদ্র জনগণের মধ্যে বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন ডাঃ আহমাদ উলাহ মাসুদ, ডাঃ শারমিন আকতার কেয়া ও ডাঃ আব্দুর রহমান সানি। আয়োজক বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পশ্চিম শাখার সভাপতি মামুন হাসান বলেন, শহীদ আবরার ফাহাদ ছিলেন সত্য ও ন্যায়ের পক্ষের কণ্ঠস্বর। আবরার ফাহাদ উদ্দেশ্য ছিলো ভারতীয় আধিপত্যের অপসারণ ঘটানো। সে গুলোকে মাথায় রাখা এবং আবরার ফাহাদের ইচ্ছে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার লক্ষ্য হচ্ছে মুল লক্ষ্য। আজকের এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প শুধু শহীদ আবরার ফাহাদকে স্মরণ করা নয়, তার বিহেদী আত্মার মাগফেরাত কামনা ও সমাজের অসহায় মানুষের সেবা দৌড় গোড়ায় পৌঁছে দেয়া। এটাই বাংলাদেশ ছাত্রশিবিরের উদ্দেশ্য। উপস্থিত শিবির নেতারা বলেন, আবরার ফাহাদের আদর্শ ও ত্যাগকে স্মরণ করে সমাজে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে। ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে শিশু, নারী ও প্রবীণসহ শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ভোলাহাটে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

    ভোলাহাটে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

    ভোলাহাটে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ভার্ক মিলনায়তনে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার রবিউল ইসলাম কবিরাজ, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার নাসিম আহমেদ, ভার্কের ঋণ কর্মসূচীর সহকারী পরিচালক আরিফুজ্জামান, প্রবীণ ব্যক্তিত্ব তোফোজ্জল হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ভোলাহাট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম ও গোলাম কবির, সাধারণ সম্পাদক শাহ কবির, রুমান প্রমুখ। এ ছাড়া বিভিন্ন অঞ্চলের প্রবীণ নারী-পুরুষ এতে অংশগ্রহণ করেন। এর আগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর হাজেরা খাতুন। বেসরকারী সংস্থা ভিলেজ এডুকেশন রিসোর্স সেন্টার ভার্ক-এর আয়োজনে সভায় বক্তারা পরিবারে, সমাজে ও জাতীয় ভাবে প্রবীণ ব্যক্তিদের গুরুত্ব ও প্রভাব এবং জ্ঞান ও নির্দেশনার ক্ষেত্রে অতীব প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

  • ‎গোদাগাড়ীতে ইসলামী ব্যাংক রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন পালিত

    ‎গোদাগাড়ীতে ইসলামী ব্যাংক রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন পালিত

    ‎গোদাগাড়ীতে ইসলামী ব্যাংক রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন পালিত

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ইসলামী ব্যাংক রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন পালন করেছে স্থানীয় জনগণ। ৬ অক্টোবর মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগকৃত এস.আলম গ্রুপের অদক্ষ কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ছাঁটাই করার দাবিতে মানববন্ধন করা হয়। এতে বক্তারা বলেন, পতিত স্বৈরাচারের ঘনিষ্ট সহচর ব্যাংক মাফিয়া এস.আলম কর্তৃক অবৈধভাবে নিয়োগকৃত অসৎ, অদক্ষ ও ব্যাংক লুটের সহযোগি কর্মকর্তাদের অনতিবিলম্বে বরখাস্ত ও বিচারের দাবী করা হয়। ২০১৭-২৪ সাল পর্যন্ত অবৈধভাবে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ব্যাংকে লোক নিয়োগ দেয়। এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনায় কোনো বিজ্ঞপ্তি বা পরীক্ষা ছাড়াই ৮ হাজার ৩৪০ জনের অবৈধভাবে নিয়োগে বিপর্যয়ের মুখে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। তাদের মধ্যে ছিল অনেকেরই ভুয়া সার্টিফিকেট। এতে ব্যাংকটির সেবার মান ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। অনিয়ম করে এসব অদক্ষ ও অর্ধশিক্ষিত কর্মীর জন্য প্রতি বছর ১৫০০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ব্যাংকটির। ইসলামী ব্যাংক দল মত নির্বিশেষে সকলের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ব্যাংকটি যাতে কোন ক্রমেই ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সে দাবি জানান মানববন্ধনে আসা ব্যবসায়ী ও সুশিল সমাজের মানুষেরা।

  • আত্রাইয়ে ডিবি পরিচয়ে ৪ লক্ষ্য টাকা ছিনতাই

    আত্রাইয়ে ডিবি পরিচয়ে ৪ লক্ষ্য টাকা ছিনতাই

    আত্রাইয়ে ডিবি পরিচয়ে ৪ লক্ষ্য টাকা ছিনতাই

    নওগাঁর আত্রাইয়ে ডিবি পরিচয় দিয়ে গ্রামীণফোনের ২জন কর্মচারীকে মাইক্রোবাসে উঠিয়ে নিয়ে ৪ লক্ষাধিক টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার উপজেলার রসুলপুর এলাকায়। ‎গ্রামীণফোন আত্রাই উপজেলার ডিস্ট্রিবিউটার আব্দুল ওয়াদুদ খান জানান, তার দুই কর্মচারী মিনহাজ ও তারেক প্রতিদিনের ন্যায় গত রোববার মার্কেট থেকে টাকা উত্তোলন করে আত্রাই আসছিল। রসুলপুর নামক স্থানে পৌঁছলে একটি মাইক্রোবাস তাদের গতি রোধ করে ডিবি পরিচয় দিয়ে জোর পূর্বক গাড়িতে উঠিয়ে নেন। পরে তাদের কাছে রক্ষিত মার্কেটিংয়ের ৪ লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নেয়। এরপর তাদেরকে বিকেল প্রায় ৫টার দিকে বগুড়ার শেরপুরে নামিয়ে দিয়ে মাইক্রোবাসটি চলে যায়। এ ব্যাপারে ছিনতাইয়ের শিকার তারেক রাতেই আত্রাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ‎আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মোঃ মনসুর রহমান বলেন, ছিনতাইয়ের ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধিন রয়েছে। ছিনতাইকারীদের আটক ও ছিনতাইকৃত টাকা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

  • গাঁজা মামলার আসামি আবারও গাঁজাসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

    গাঁজা মামলার আসামি আবারও গাঁজাসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

    গাঁজা মামলার আসামি আবারও গাঁজাসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

    র‌্যাবের হাতে আটক হওয়া পূর্বের একটি গাঁজা মামলার আসামি আবারও গাঁজাসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। র‌্যাব ৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যদের হাতে গ্রেফতার হওয়া মাদক ব্যবসায়ী হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেলবাড়ী গ্রামের সফেদ আলীর ছেলে মোঃ এরফান আলী (৪১)। র‌্যাবের এক প্রেসনোটে জানানো হয়, র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প এর একটি আভিযানিক দল ৬ অক্টোবর দুপুর ২টার দিকেত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানার গুনির মোড় দেলবাড়ী এলাকা থেকে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ মোঃ এরফান আলী কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত মাদকসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণরে জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • ধামইরহাটে সড়কের পাশের ড্রেন থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    ধামইরহাটে সড়কের পাশের ড্রেন থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    ধামইরহাটে সড়কের পাশের ড্রেন থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

    নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার আড়ানগর ইউনিয়নের সড়কের পাশের ড্রেন থেকে নিতাই রবিদাস নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চকবদল গ্রামের রাস্তার পাশে ড্রেন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রবিদাস উপজেলার সেননগর গ্রামের শ্রী বিনয় রবিদাসের ছেলে বলে জানা যায়। ধামইরহাট থানার ওসি ইমাম জাফর জানান, নিহত নিতাই চন্দ্র রবিদাস ওয়ার্ল্ড ভিশন নামের একটি কোম্পানিতে ইউনিয়ন পর্যায়ে সুপারভাইজার পদে চাকরি করতেন। সোমবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর রাতে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের পক্ষ থেকে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করে কিন্তু তার ব্যক্তিগত ফোনটি বন্ধ ছিল। এরপর মঙ্গলবার সকালে উপজেলার আড়ানগর ইউনিয়নের চকবদল গ্রামের রাস্তার পাশের ড্রেনে তার মরদেহ দেখে থানায় খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর নিহতের চাচা শ্রী দিলীপ রবি দাস নিতাই রবিদাসের পরিচয় শনাক্ত করে। ওসি ইমাম জাফর আরও জানান, মরদেহটি উদ্ধারের সময় নিহতের কপালে ও মাথার কয়েক জায়গায় গুরুতর জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • ৫ লাখ শিশু-কিশোরকে দেয়া হবে টিসিভি টিকা- টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে কর্মশালা

    ৫ লাখ শিশু-কিশোরকে দেয়া হবে টিসিভি টিকা- টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে কর্মশালা

    ৫ লাখ শিশু-কিশোরকে দেয়া হবে টিসিভি টিকা

    টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে কর্মশালা

    টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা হয়েছে। “টাইফয়েডে জ্বর প্রতিরোধে-টিকা নেবো দল বেঁধে” এ প্রতিপাদ্য নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় শুরু হতে যাচ্ছে ব্যাপক টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে পুরো এক মাসব্যাপী এ কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ শিশু টাইফয়েড টিকা দেয়া হবে। এই উপলক্ষে সাংবাদিকদের নিয়ে কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক (যুগ্ম সচিব) মো. আব্দুস সামাদ। মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫’শ শিশু-কিশোরকে দেয়া হবে টিসিভি টিকা বলে জানানো হয় কর্মশালায়। সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে এই কর্মশালা হয়।

    গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় হওয়া কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক উজ্জল কুমার ঘোষ। ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক (কারিগরি ও প্রশিক্ষণ) অনসূয়া বড়ুয়া। স্বাগত বক্তব্যে কর্মশালায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসার রূপ কুমার বর্মন। টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন এবং টিসিভি টিকার উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা বিষয় তুলে ধরেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দ সুমন। এছাড়াও টিকা বিষয়ে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মো. গোলাম মোস্তফা। এসময় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রায় অর্ধশত গণমাধ্যকর্মী কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

    কর্মশালায় জানানো হয়, “শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে টাইফয়েড টিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার চাইছে, কোনো শিশুই যেন টিকার বাইরে না থাকে।” “টাইফয়েড প্রতিরোধে এই টিকাদান কর্মসূচি বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের একটি মাইলফলক উদ্যোগ।” কর্মশালায় আরও জানানো হয়, জেলার সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে এই টিকা দেওয়া হবে। শিশুদের টিকা প্রদানে স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, শিক্ষা বিভাগ ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা একযোগে কাজ করবে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা ডাঃ সৈয়দ সুমন বলেন, টাইফয়েড টিকা নিরাপদ ও কার্যকর, এটি শিশুর শরীরে দীর্ঘমেয়াদে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টাইফয়েড হলো পানিবাহিত একটি সংক্রামক ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ, যা শিশুদের মধ্যে জ্বর, ডায়রিয়া ও মারাত্মক শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি করে। সময়মতো টিকা না পেলে এ রোগ প্রাণঘাতী হতে পারে। সরকারের এই উদ্যোগ শিশু মৃত্যু হ্রাস, জনস্বাস্থ্যের মানোন্নয়ন এবং রোগপ্রতিরোধ সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

    কর্মশালায় বক্তারা বলেন, “প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শিশুদের সুস্থ রাখতে এই টিকা একটি জীবনরক্ষাকারী সুরক্ষা।” আরও বলা হয়, এরই মধ্যে লক্ষমাত্রার ৩৮ শতাংশ শিশু-কিশোরের নিবন্ধনও সম্পন্ন হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সকলে মিলেই আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালানো হচ্ছে, কর্মসূচী সফল হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা। কর্মশালায় বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন আয়োজক কর্তৃপক্ষ। প্রথম দুই সপ্তাহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকা দেয়া হবে। পরের দুই সপ্তাহ বিভিন্ন কমিউনিটিতে গিয়ে টিকা দেয়া যাবে।

    কর্মশালায় আরও বলা হয়, টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন বা টিসিভি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রি-কোয়ালিফায়েড। বাজারে টাইফয়েডের যেসব টিকা আছে তার তুলনায় আরও বেশি কার্যকর। এই টিকা শিশু-কিশোরদের পরবর্তী ৫ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দেবে। এছাড়াও নতুন এই টিকা সম্পূর্ণ হালাল। টিকার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমকর্মীদের গুরুত্ব অপরীসিম বলে জানানো হয় কর্মশালায়। জেলায় সঠিকভাবে এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সাংবাদিকদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

  • গোমস্তাপুরে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন

    গোমস্তাপুরে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন

    গোমস্তাপুরে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন

    আগামী ১২ অক্টোবর ২০২৫ থেকে সারাদেশে মাসব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষ্যে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হল রুমে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ আব্দুল হামিদ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইসাহাক আলী, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার, সাখাওয়াত হোসেন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ইপিআর মুনিরুল ইসলাম, বিভিন্ন দপ্তরের অফিসার, শিক্ষকগণ এবং ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এই উপজেলায় ৮৬ হাজার ৩ শত ২১ জনকে টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে। এই প্রেস ব্রিফিং এ বলা হয়, টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রায় ৫ কোটি শিশুকে (৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী) ১ ডোজ টাইফয়েড টিকা বিনামূল্যে প্রদান করা হবে। স্কুলে অধ্যয়নরত প্রাক-প্রাথমিক থেকে ৯ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা টিকা পাবে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।যারা বিদ্যালয়ের বাইরে, তারা কমিউনিটি পর্যায়ের নিয়মিত ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে টিকা নিতে পারবে।টাইফয়েড একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ, যা দূষিত পানি ও খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায়। বাংলাদেশে শিশুদের মধ্যে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি এবং অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ প্রতিরোধী (Multi Drug Resistant) টাইফয়েড বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত এই Typhoid Conjugate Vaccine (TCV) নিরাপদ, কার্যকর (প্রায় ৮৫%) এবং ইতোমধ্যেই নেপাল, পাকিস্তানসহ একাধিক দেশে সফলভাবে ব্যবহার হচ্ছে। www.vaxepi.gov.bd ১৭ সংখ্যার জন্মনিবন্ধন নম্বর দিয়ে সহজে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। ব্রিফিংয়ে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতিটি শিশুর জন্য টাইফয়েড টিকা গ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়।