Blog

  • দিনাজপুর সীমান্তে বেড়া দিয়েছে বিএসএফ ॥ কড়া প্রতিবাদ বিজিবি’র

    দিনাজপুর সীমান্তে বেড়া দিয়েছে বিএসএফ ॥ কড়া প্রতিবাদ বিজিবি’র

    দিনাজপুর সীমান্তে বেড়া দিয়েছে বিএসএফ ॥ কড়া প্রতিবাদ বিজিবি’র

    দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্তে রাতের আঁধারে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় বাঁশের বেড়া নির্মাণ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্ত থেকে বেড়া সরানোর আহবান জানিয়েছে বিজিবি।
    জানা গেছে, সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে দিনাজপুরের বিরামপুর কাটলা ইউনিয়নের খিয়ারমাহমুদপুর সীমান্তের ২৯১ মেইন পিলার ২৯নং সাব পিলার এলাকা থেকে ১০ গজ দূরে বিএসএফ বাঁশ দিয়ে বেড়া নির্মাণ করে। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে দিনাজপুর সেক্টরের অধীনস্থ জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। এনিয়ে সোমবার ( ২২ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টায় সীমান্তে দুই বাহিনীর মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে বৈঠকের সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি। বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছিুক এক সদস্য জানিয়েছেন, সীমান্তের খেয়ারমাহমুদপুর গ্রামে রাতের অন্ধকারে বিএসএফ সদস্যরা আমাদের জমিতে বেড়া দিয়েছে বলে শুনেছি। সারারাত ধরে সীমান্তে তারা বেড়া দিলো, কিন্তু তাদেরকে কোন বাঁধা দেয়নি বিজিবি। আজকে এই গ্রামে বেড়া দিয়েছে, কালকে আরেক গ্রামে দিবে। সেই বেড়া যেন দ্রুত সেখান থেকে উঠিয়ে নেওয়া হয়, সেই ব্যবস্থা করার জন্য বিজিবিকে আহবান জানাচ্ছি।
    দিনাজপুর সেক্টরের অধিনস্থ জয়পুরহাট ২০বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুর দৌলা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সীমান্তের ভারতীয় অংশের কৃষকরা তাদের জমির ধান রক্ষায় রাতের আঁধারে বাঁশের বেড়া নির্মাণ করেছে। এটি উঠিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করতে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে বিএসএফের ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। বিকাল ৫টায় এনিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক। বৈঠকের মাধ্যমেই সীমান্ত থেকে যতদ্রুত সম্ভব সেই বাঁশের বেড়া অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • দিনাজপুর সীমান্তে বেড়া দিয়েছে বিএসএফ ॥ কড়া প্রতিবাদ বিজিবি’র

    দিনাজপুর সীমান্তে বেড়া দিয়েছে বিএসএফ ॥ কড়া প্রতিবাদ বিজিবি’র

    দিনাজপুর সীমান্তে বেড়া দিয়েছে বিএসএফ ॥ কড়া প্রতিবাদ বিজিবি’র

    দিনাজপুরের বিরামপুর সীমান্তে রাতের আঁধারে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় বাঁশের বেড়া নির্মাণ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্ত থেকে বেড়া সরানোর আহবান জানিয়েছে বিজিবি।
    জানা গেছে, সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে দিনাজপুরের বিরামপুর কাটলা ইউনিয়নের খিয়ারমাহমুদপুর সীমান্তের ২৯১ মেইন পিলার ২৯নং সাব পিলার এলাকা থেকে ১০ গজ দূরে বিএসএফ বাঁশ দিয়ে বেড়া নির্মাণ করে। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে দিনাজপুর সেক্টরের অধীনস্থ জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। এনিয়ে সোমবার ( ২২ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টায় সীমান্তে দুই বাহিনীর মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে বৈঠকের সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি। বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছিুক এক সদস্য জানিয়েছেন, সীমান্তের খেয়ারমাহমুদপুর গ্রামে রাতের অন্ধকারে বিএসএফ সদস্যরা আমাদের জমিতে বেড়া দিয়েছে বলে শুনেছি। সারারাত ধরে সীমান্তে তারা বেড়া দিলো, কিন্তু তাদেরকে কোন বাঁধা দেয়নি বিজিবি। আজকে এই গ্রামে বেড়া দিয়েছে, কালকে আরেক গ্রামে দিবে। সেই বেড়া যেন দ্রুত সেখান থেকে উঠিয়ে নেওয়া হয়, সেই ব্যবস্থা করার জন্য বিজিবিকে আহবান জানাচ্ছি।
    দিনাজপুর সেক্টরের অধিনস্থ জয়পুরহাট ২০বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুর দৌলা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সীমান্তের ভারতীয় অংশের কৃষকরা তাদের জমির ধান রক্ষায় রাতের আঁধারে বাঁশের বেড়া নির্মাণ করেছে। এটি উঠিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করতে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে বিএসএফের ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। বিকাল ৫টায় এনিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক। বৈঠকের মাধ্যমেই সীমান্ত থেকে যতদ্রুত সম্ভব সেই বাঁশের বেড়া অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নিউইয়র্কে এনসিপির আখতারের ওপর হামলা ॥ অসভ্য জানোয়ারদের আর ছাড় নয়-সারজিস আলম

    নিউইয়র্কে এনসিপির আখতারের ওপর হামলা ॥ অসভ্য জানোয়ারদের আর ছাড় নয়-সারজিস আলম

    নিউইয়র্কে এনসিপির আখতারের ওপর হামলা ॥ অসভ্য জানোয়ারদের আর ছাড় নয়-সারজিস আলম

    যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর আওয়ামীলীগ ও তাদের সহযোগীদের হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এনসিপি নেতা সারজিস আলম। মঙ্গলবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি আওয়ামী লীগকে ‘অসভ্য জানোয়ার’ আখ্যা দিয়ে কঠোর সমালোচনা করেন এবং তাদের আর ছাড় না দেওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। সারজিস আলম তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, এই পা চাটা দালাল এবং জনতার ভয়ে জান নিয়ে পালিয়ে যাওয়া তাদের মা হাসিনা- হাজারের অধিক খুনের নির্দেশদাতা। বিগত ১৭ বছরে এই দেশে গুম, খুন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, লুটপাট, ধর্ষণ থেকে শুরু করে এমন কোনো ঘৃণিত কাজ ও অন্যায় নেই, যা তারা করেনি।” তিনি আরও বলেন, “এই অসভ্য জানোয়ারদের বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নেই। দালালি করতে করতে, আর পা চাটতে চাটতে এরা এদের বিবেকবোধ হারিয়ে ফেলেছে। এরা এদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য অভিশাপ।
    তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে লিখেছেন, এই নরপশুদের আর ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। যারা অর্থসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার বিনিময়ে এই শয়তানদের আশ্রয় দিয়েছেন এবং দিচ্ছেন তারা সাবধান হয়ে যান। সুযোগ পেলে এই কালসাপগুলো আপনাদেরকেই ছোবল মারবে।
    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে অংশ নিতে বাংলাদেশের অন্তর্র্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন। তার সফরের শুরুতেই নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশি রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রতিনিধি দলে যোগ দেন জামায়াত নেতা ড. নাকিবুর রহমান।

    নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর থেকে বিএনপি, আওয়ামীলীগ ও জামায়াতপন্থী প্রবাসী সংগঠনগুলো মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসে। রোববার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এক স্বাগত মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে। একই স্থানে ড. ইউনূসের আগমনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ।
    সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হলেও পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি স্লোগান, বাগবিতণ্ডা এবং শেষ পর্যন্ত হাতাহাতির ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে মির্জা ফখরুলকে গালিগালাজকারী এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে নিউইয়র্ক পুলিশ আটক করেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনা প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। নিউইয়র্কে এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংঘাতের প্রবাসে ছড়িয়ে পড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। জাতিসংঘ অধিবেশন চলাকালীন এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার বিষয়।

  • ব্রেইন ক্যান্সারে আক্রান্ত দেড় বছরের আছিয়া ॥ বাবা-মায়ের আকুতি-‘মেয়েটাকে বাঁচান’

    ব্রেইন ক্যান্সারে আক্রান্ত দেড় বছরের আছিয়া ॥ বাবা-মায়ের আকুতি-‘মেয়েটাকে বাঁচান’

    ব্রেইন ক্যান্সারে আক্রান্ত দেড় বছরের আছিয়া ॥ বাবা-মায়ের আকুতি-‘মেয়েটাকে বাঁচান’

    ময়মনসিংহের ভালুকার দেড় বছরের শিশু আছিয়া আক্তার খেলায় মগ্ন হলেও ভিতরে ভিতরে লড়ছে মরণব্যাধি ব্রেইন ক্যান্সারের সঙ্গে। নিষ্পাপ চোখের দৃষ্টির আড়ালে লুকিয়ে আছে অশেষ যন্ত্রণা, আর পরিবারটি দাঁড়িয়ে আছে চরম অসহায়ত্ব নিয়ে।

    প্রায় এক বছর আগে হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হয় আছিয়া। স্থানীয় চিকিৎসকেরা টাইফয়েড শনাক্ত করলে তাকে ভর্তি করা হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই প্রথম ধরা পড়ে তার চোখে টিউমার। পরে ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা করানো হয়। চিকিৎসকেরা জানান, চোখের টিউমার ছড়িয়ে পড়েছে ব্রেইনে-এখন তা ক্যান্সার আকারে দেখা দিয়েছে। শিশুটির বাবা জালাল উদ্দিন একজন দিনমজুর। ধারদেনা করে এতদিন মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে এলেও এখন আর পেরে উঠছেন না। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আছিয়াকে বাঁচাতে জরুরি দুটি অপারেশন করতে হবে, যার খরচ প্রায় তিন লক্ষ টাকা। কিন্তু টাকার অভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

    কান্নাজড়িত কণ্ঠে আছিয়ার বাবা বলেন, “চোখের টিউমার আগে বুঝতে পারিনি। ময়মনসিংহ মেডিকেলে গেলে ডাক্তাররা চক্ষু বিজ্ঞানে যেতে বলেন। সেখানে সিটি স্ক্যানের পর জানা যায় ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছে। বাচ্চা অস্বাভাবিক আচরণ করতো, যা পেতো কামড়াতো। পরে একটি ক্লিনিক থেকে কেমোথেরাপি শুরু করতে বলে। একটি কেমো দিতে ২৫ হাজার টাকা লাগে। এত টাকা আমি কোথায় পাবো? মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে দুইবার কেমো দিয়েছি ধার-দেনা করে। এখন আর সম্ভব হচ্ছে না। “আমি সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য চাই। আমার মেয়েটাকে সুস্থ দেখতে চাই।” আছিয়ার মা সাবিনা আক্তারও সবার কাছে মেয়ের চিকিৎসার জন্য সহায়তা কামনা করে বলেন, “আমার মেয়েটা দেড় বছরের শিশু। ওকে আমি হারাতে চাই না। সমাজের দয়ালু মানুষরা যদি একটু সাহায্য করেন, তবে হয়তো আমার মেয়েটাকে বাঁচানো যাবে।”

    ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের পাড়াগাঁও বড়চালা গ্রামের এই পরিবারের তিন সন্তানের মধ্যে আছিয়া কনিষ্ঠ। বড় ভাই এখনো সংসারের হাল ধরার মতো অবস্থায় নেই, বড় বোনও অসুস্থ। ফলে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। স্থানীয় মানুষজন ও স্বেচ্ছাসেবীরা, যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করলেও প্রয়োজনীয় অর্থ এখনো সংগ্রহ হয়নি। তারা দেশের বিত্তবানদের পাশে দাঁড়ানোর আকুল আহ্বান জানিয়েছেন। মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে মাত্র দেড় বছরের শিশু আছিয়া। একটু সহায়তায় ফিরিয়ে দিতে পারে তার হাসি, রক্ষা করতে পারে একটি নিষ্পাপ জীবন।

  • তারুণ্যের উৎসব আয়োজনের নিমিত্ত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএমডিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    তারুণ্যের উৎসব আয়োজনের নিমিত্ত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএমডিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    তারুণ্যের উৎসব আয়োজনের নিমিত্ত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএমডিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে তারুণ্যের উৎসব আয়োজনের নিমিত্ত্বে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) আয়োজনে সেচের পানির অপর্যাপ্ততা এলাকায় শস্য বিন্যাস এর মাধ্যমে ও ডব্লিউডি পদ্ধতিতে সেচ প্রদান করে পানি সাশ্রয়ে উদ্বুদ্ধ করণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বিএমডিএ প্রশিক্ষণ কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সেচের পানির অপর্যাপ্ততা এলাকায় শস্য বিন্যাস এর মাধ্যমে ও ডব্লিউ ডি পদ্ধতিতে সেচ প্রদান করে পানি সাশ্রয়করণ উদ্বুদ্ধকরণ, কর্তৃপক্ষের চলমান প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে সাম্যক ধারনা ও ভূ-উপরিস্থ পানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিএমডিএ’র ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. তরিকুল আলম অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী পরিচালক, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. জিন্নুরাইন খান তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ শাখা বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) রাজশাহী, গোমস্তাপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সী, বিএমডিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আল মামুনুর রশীদ, বিএমডিএ, নাচোল জোনের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রেজাউল করিম, গোমস্তাপুর জোনের সহকারী প্রকৌশলী মো. আলম আব্দুল মান্নান, পরিদর্শক মোঃ ইউসুফ আলী, মনিটরিং অফিসার মোঃ আশরাফুল ইসলামসহ অনেকে। তরিকুল আলম বলেন “কৃষি উদোক্তাই আগামীর সফল মানুষ” এই শ্লোগানে তরুন প্রজন্যে লিডারশীপ ও উদ্ভাবনী মেধা দিয়ে কৃষিকে এগিয়ে যেতে হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে নারী সমাবেশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে নারী সমাবেশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে নারী সমাবেশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে তারুণ্যনির্ভর, উন্নত, সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন এবং জবাবদিহিতামূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নারী সমাবেশ হয়েছে। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের চরবাগডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারী সমাবেশ হয়।
    নারী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসার রূপ কুমার বর্মন এর সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মাহমুদুজ্জামান, চরবাগডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিরুপ বিকাশ শীল।
    প্রধান অতিথি বলেন, মায়ের ওপর নির্ভর করে সন্তানের ভবিষ্যৎ। পুরুষরা কাজের উদ্দেশ্যে সকালে বাসা থেকে বের হয়, কিন্তু মায়েরা সবসময় সন্তানের পাশে থাকে। কখনো সন্তানের ডাক্তার, শিক্ষক, সেবক, স্কুলে আনা-নেয়া এবং বাজার করাসহ সকল কাজ করেন একজন মা। একজন সন্তানের সকল শিক্ষা এবং বেড়ে উঠায় মায়ের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি বলেন, শিশুদের আদর ভালোবাসার পাশাপাশি তাদের নিজের কাজ তাদের দিয়ে করাবেন। নিজের কাজ নিজে করার পাশাপাশি পরিবারের কাজে সহযোগিতা করলে তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে। অনুষ্ঠানে বক্তারা বাল্যবিবাহ, মাদকের অপব্যবহার, যৌতুক, নারী নির্যাতন ও কন্যা শিশুর প্রতি বৈষম্য রোধ, বৃক্ষরোপন, পলিথিন বর্জন, শিশুদের মোবাইলের অপব্যবহার প্রতিরোধ, সামাজিক মূল্যবোধ গঠন, সুষম খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেন। সমাবেশে শিক্ষক, নারী-পুরুষ এবং শিশুসহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

    নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

    নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা মিনি কনফারেন্স রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    এসময় নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুরুল হোদা, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আবু তাহের খোকন, ওসি (তদন্ত) শৈকত আলী, সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম, নেজামপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আমিনুল হক, পৌর জামায়াতে আমীর মনিরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির (সাবেক) নেতা আমিনুল ইসলাম, পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা আব্দুর রহিম প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা পূজা মন্দিরের সভাপতি শ্রী সুধেন চন্দ্র বর্মন, ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার চক্রবর্তী, ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ, আনসার বাহিনী কর্মকর্তাসহ ১৬টি পূজা মন্দিরের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
    দূর্গা উৎসব চলাকালীন, মসজিদে আযান ও নামাজের সময় ঢাকঢোল না বাজানো, মন্দিরে নেশা পান করে প্রবেশ না করা, আশেপাশে যানজটের সৃষ্টি না হওয়া, সিসি ক্যামেরা চালু রাখা, পুলিশ, আনসার, ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থার গতি ঠিক রাখা এবং সঠিক সময়ে দূর্গা বিসর্জন দেওয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর দিক নির্দেশনা দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন।

  • পত্নীতলায় জাতীয়তাবাদি পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

    পত্নীতলায় জাতীয়তাবাদি পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

    পত্নীতলায় জাতীয়তাবাদি পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশনের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশন নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২২শে সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে নজিপুর সরদারপাড়া মোড়ে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শাখার সভাপতি এস এম নাজিম উদ্দীন বাবু এবং সঞ্চালনা করেন আবু সাইদ চপল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সামসুজ্জোহা খান। প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোসা: সামিনা পারভীন পলি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ও মান্দা উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুল মান্নান, জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মো: আব্দুস ছাত্তার এবং নওগাঁ সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মো: আরিফ হোসেন বিপ্লব। এসময় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্নস্থানের পল্লী চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নিউইয়র্কে আখতারের ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় এনসিপির বিক্ষোভের ডাক

    নিউইয়র্কে আখতারের ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় এনসিপির বিক্ষোভের ডাক

    নিউইয়র্কে আখতারের ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় এনসিপির বিক্ষোভের ডাক

    নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেনের ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দলটি। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের দ্বারা এই হামলার শিকার হন তিনি। এ ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে এনসিপি বাংলাদেশ সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে এবং তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছে। একই সঙ্গে আওয়ামীলীগের বিচারের দাবিতে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে দলটি।
    স্থানীয় সময় সোমবার নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর আখতার হোসেনের ওপর ডিম নিক্ষেপ করা হয়। এ সময় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। আখতার হোসেনের সঙ্গে ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক তাসনিম জারা। ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অবস্থান করছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। এই ঘটনা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

    এনসিপি এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই হামলা বাংলাদেশের অন্তর্র্বতী সরকারের গাফিলতি এবং আওয়ামীলীগের উসকানির ফল। এনসিপি তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে: ১) হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিত করা। ২) রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ৩) আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ। এনসিপি জানিয়েছে, “নিউইয়র্কে আওয়ামীলীগ কর্তৃক এনসিপি সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ রাজনীতিবিদদের ওপর হামলার প্রতিবাদে অন্তর্র্বতী সরকারের গাফিলতির জবাব এবং দল হিসেবে আওয়ামীলীগের বিচারের দাবিতে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল করা হবে। এনসিপি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও উত্তরের উদ্যোগে শাহবাগ জাদুঘরের সামনে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। দলটির নেতাকর্মীদের এই সময়ে জড়ো হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সারাদেশের জেলা ও উপজেলায়ও একযোগে বিক্ষোভ মিছিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
    অন্যদিকে, আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে এখনো এই ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। নিউইয়র্কে আখতার হোসেনের ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এনসিপির বিক্ষোভের ডাক এবং তাদের দাবিগুলো সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

  • নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্তকে অপমান ও অবমাননার প্রতিবাদ

    নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্তকে অপমান ও অবমাননার প্রতিবাদ

    নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্তকে অপমান ও অবমাননার প্রতিবাদ

    স্কুলে কাজ করা এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীর উপর ঘটে চলা অনিয়ম ও অন্যায় বন্ধ করে তার পাওনা পরিশোধের আবেদন নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক খালিদ হোসেনের কাছে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত। বিনিময়ে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা খালিদ হোসেন পরিচ্ছনতাকর্মী সম্প্রদায়কে কেন্দ্র করে তুচ্ছ ও অবজ্ঞাসূচক মন্তব্য করেন, সীমা দত্তের সাথে অশোভন আচরণ করেন ও তাঁকে অপমান করে অফিস কক্ষ থেকে বের করে দেন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সহ-সভাপতি আসমা আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক নিলুফার ইয়াসমিন শিল্পী। নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের সভাপতি সীমা দত্ত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও নিপীড়িত পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অধিকার নিয়ে লড়াই করছেন। ঢাকার মিরনজিল্লা কলোনি রক্ষার আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা সকলেই জানেন। সেই সময়ের সিটি মেয়র ফজলে নূর তাপসের বিরুদ্ধে তিনি সাহসের সাথে দাঁড়িয়েছিলেন। এই মানুষদের সাথে তাঁর সম্পর্ক খুবই ঘওনিষ্ঠ এবং তাদের অধিকারের ব্যাপারে তিনি সবসময়েই সোচ্চার। এরই অংশ হিসেবে নরসিংদী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (পরিছন্নতা কর্মী) রাজু দাসের উপর চলতে থাকা অবিচার ও অন্যায়ের প্রতিকার চাইতে আজ তিনি শিক্ষা ভবনে উপস্থিত হন। কিন্তু ন্যায়বিচারের পথ খুঁজতে গিয়েই তিনি নিজেই অপমানের শিকার হন। অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. খালিদ হোসেন দায়িত্বশীল পদে থেকেও তাকে চরমভাবে অবমাননা করেন, গর্হিত মন্তব্য করেন এবং অশোভন আচরণ করেন। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে উনার ভিন্ন বক্তব্য থাকতে পারে, কিন্তু এভাবে অপমান করে তিনি একজন নারীনেত্রী ও অধিকারকর্মীকে তো নয়ই, কোন নাগরিককেও অফিস থেকে বের করে দিতে পারেন না। সীমা দত্ত এর প্রতিবাদ করলে খালিদ হোসেন তাকে ক্ষমতা প্রদর্শন করে বলেন যে, তাঁর যা মনে হয় করতে পারেন। আমরা এই হীন মানসিকতার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে উক্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে অভিযোগ দাখিল করব। এঘটনা কেবল সীমা দত্তের প্রতি অবমাননা নয়, এটি নারী অধিকার আন্দোলনের প্রতি এবং অবহেলিত শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য দাবির প্রতি এক সুস্পষ্ট অবজ্ঞা।’
    নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।