Blog

  • ভোলাহাটে ভিক্ষুক পুনর্বাসনকল্পে ২০ জনকে গরু-ছাগল প্রদান

    ভোলাহাটে ভিক্ষুক পুনর্বাসনকল্পে ২০ জনকে গরু-ছাগল প্রদান

    ভোলাহাটে ভিক্ষুক পুনর্বাসনকল্পে ২০ জনকে গরু-ছাগল প্রদান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ভিক্ষুক পুনর্বাসনকল্পে এবং বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে ২০ জনকে গরু-ছাগল প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা চত্বরে ৯ জন ভিক্ষুককে ৪ টি করে মোট ৩৬ টি ছাগল এবং ১১ জনকে ১ টি করে ১১টি গরু প্রদান করা হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গরু-ছাগল প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান। গরু-ছাগল প্রদান অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ নাসিম উদ্দিন, দলদলি ইউপি চেয়ারম্যান মুহাঃ মোজাম্মেল হক, বিএমডিএ’র সহকারী প্রকৌশলী মোঃ লোকমান হাকিম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রবিউল ইসলাম কবিরাজ সহ সমাজসেবা অফিস স্টাফ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, এই গরু-ছাগল নিয়ে কেউ বিক্রি করতে পারবেননা। বরং গরু-ছাগল নিয়ে নিজেকে পেলে কর্মদক্ষ ও কর্মক্ষম হতে হবে এবং ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করতে হবে।

  • বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

    বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

    শিক্ষক ১৮-ওরিয়েন্টেশন ক্লাস উদ্বোধনে বাদ ১২

    বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজে নতুন শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ১৮ জন শিক্ষকের মধ্যে ১২ জনকে বাদ দিয়ে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ মোঃ এজাবুল হক বুলি এককভাবে আয়োজন করেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশের কলেজগুলোতে ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথম ক্লাস উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত থাকলেও এই কলেজে কিভাবে বা কখন উদ্বোধন হবে, সে বিষয়ে কোনো শিক্ষককেই অবহিত করেননি কর্তৃপক্ষ। ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারী কেউই অনুষ্ঠান আয়োজন সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে কলেজ প্রাঙ্গণে গিয়ে শিক্ষকরা বিস্মিত হন বিশাল মঞ্চ ও গ্যালারি সাজানো দেখে। তবে মঞ্চে কোনো অতিথি উপস্থিত ছিলেন না। শিক্ষার্থীদের বসানো হলে অধ্যক্ষ মিলনায়তন থেকে সকলকে অনুষ্ঠানে যোগদানের আহ্বান জানান এবং দুপুরে ভোজের আমন্ত্রণ দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ১২ জন শিক্ষক অনুষ্ঠান বর্জন করে শিক্ষক মিলনায়তনে অবস্থান নেন। পৌরনীতি বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক মোঃ জোহরুল ইসলাম বলেন, “আমার সকালেই ক্লাস ছিল, কিন্তু এসে দেখি বিশাল প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে—যা আমি জানতামই না।” ইসলাম শিক্ষার সহকারী অধ্যাপক মোঃ দুরুল হোদা অভিযোগ করেন, “জুলাই ২০২৪ আন্দোলনের পর পলাতক অধ্যক্ষ এক বছর পর ফিরে এসে আবারও স্বেচ্ছাচারী আচরণ শুরু করেছেন।” বাংলা বিষয়ের শিক্ষক মোঃ জোনাব আলী বলেন, “অধ্যক্ষ একদল ছাত্রলীগপন্থি শিক্ষার্থীকে পেছনে রেখে কলেজে রামরাজত্ব কায়েমের চেষ্টা করছেন। পিছনের দরজা দিয়ে ঢুকে নানা নাটক করে নিজের অবস্থান টিকিয়ে রাখছেন।” উল্লেখ্য, আওয়ামী আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার, ষড়যন্ত্র এবং বৈষম্যমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত চলছে। আন্দোলনকারীরা এখনো তার অফিসকক্ষ তালাবদ্ধ রেখে চাবি জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দিয়েছেন। আইনগতভাবে তার কক্ষ এখনো সিলগালা অবস্থায় রয়েছে। এদিকে, অনুষ্ঠানে শিক্ষক উপস্থিতি কম থাকায় শিক্ষার্থীরাও হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “আমরা জানতাম না যে, এই কলেজে এত কম শিক্ষক আছে।”এ ঘটনায় কলেজজুড়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী মহলে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। এব্যাপারে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ এজাবুল হক বুলির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

  • নাচোলে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক নূরুল’কে গ্রেফতার

    নাচোলে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক নূরুল’কে গ্রেফতার

    নাচোলে দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক নূরুল’কে গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক ও ঘৃণ্যতম ঘটনা। গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৮টার দিকে (২০.০০ ঘটিকায়) ১০ ও ১১ বছর বয়সী দুই নিষ্পাপ শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় এক নরপিশাচের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নাচোল থানায় মামলা নং-১৩৩/১৬-০৯-২৫ রুজু হয়। অভিযুক্ত ধর্ষক হচ্ছে, শেঃ নূরুল হক (৫২), পিতা-দাস মোহাম্মদ, গ্রাম-ভেরেন্ডী, থানা-নাচোল, জেলা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাটি এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় তুলেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এ ধরনের পাশবিক ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। শিশুদের অভিভাবকরা বলেছেন, “একজন মানুষ কিভাবে এতটা নরপশু হতে পারে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।” এদিকে, নাচলো থানার ওসি মোঃ মুনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নূরুল হককে আটক করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। স্থানীয় জনসাধারণ দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি (ফাঁসি) কার্যকরের দাবি তুলেছেন।

  • বাগাতিপাড়ায় গৃহবধূ হত্যা ঘটনার স্বামী পরশকে গ্রফতার করেছে র‌্যাব

    বাগাতিপাড়ায় গৃহবধূ হত্যা ঘটনার স্বামী পরশকে গ্রফতার করেছে র‌্যাব

    বাগাতিপাড়ায় গৃহবধূ হত্যা ঘটনার স্বামী পরশকে গ্রফতার করেছে র‌্যাব

    নাটোরের বাগাতিপাড়ায় গৃহবধূ মোছা. আন্নি খাতুন (২১) কে জোর করে বিষ খাওয়ায়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার স্বামী পরশ মণ্ডলকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৫। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ধোকড়াকুল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার বেগুনিয়া গ্রামে স্বামীকে পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে নির্যাতন করে জোর করে বিষ খাইয়ে হত্যা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বাগাতিপাড়া থানায় মৃতের ভাই বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এরপর থেকেই মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের ধরতে মাঠে নামে র‌্যাব। র‌্যাব জানায়, প্রায় দুই বছর আগে আন্নি খাতুনের সঙ্গে পরশ মণ্ডলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই পরশ পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন এবং স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকেন। মামলার এজাহারে বাদী বোরহানুল ইসলাম উল্লেখ করেন, প্রায় দুই বছর আগে উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের বেগুনিয়া গ্রামের পল্টু মন্ডলের ছেলে পরশ মন্ডলের (২৩) সাথে তার বোন আন্নি খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে তাকে নির্যাতন করত।এজাহারে বলা হয়, ৯ সেপ্টেম্বর ভোরে পরিকল্পিতভাবে আন্নিকে শ্বশুরবাড়ির শয়নকক্ষে আটকে রেখে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়।পরে স্বামীর নির্দেশে আন্নির ননদ পলি খাতুনসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা তাকে জোরপূর্বক কীটনাশক পান করায়। পরিবারের সদস্যরা অসুস্থ অবস্থায় তাকে প্রথমে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৩টা ১০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক আন্নিকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ভাই দাবি করেছেন, মৃত্যুর আগে আন্নি খাতুন ঘটনার বিবরণ নিজ মুখে জানান এবং সেটি তিনি মোবাইলে রেকর্ড করেছেন। তবে আন্নির মৃত্যুর পর থেকে পলাতক থাকায় পরশের বাড়ির কারো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

  • ছয় বছর পর পরিবারের কাছে ফিরলেন ভারতীয় নাগরিক রামদেব মাহাতো

    ছয় বছর পর পরিবারের কাছে ফিরলেন ভারতীয় নাগরিক রামদেব মাহাতো

    ছয় বছর পর পরিবারের কাছে ফিরলেন ভারতীয় নাগরিক রামদেব মাহাতো

    দীর্ঘ ছয় বছর পর অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে আটক ভারতীয় নাগরিক রামদেব মাহাতোকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে সোমবার সকাল ১১টায় এই মানবিক প্রত্যাবাসন কাজ সম্পন্ন হয়। মানবাধিকার কর্মী মো. শামসুল হুদার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় রামদেব তার স্ত্রী ও ছেলের কাছে ফিরতে পেরেছেন। জানা গেছে, রামদেব মাহাতোকে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ২০১৮ সালের ২৯ নভেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে আটক করা হয়েছিল।

    আদালত তাকে সাজা দিলেও সঠিক ঠিকানা না থাকায় তার প্রত্যাবাসন সম্ভব হচ্ছিল না। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে তিনি কারাভোগের পর ঠিকানা বিহীন অবস্থায় বন্দি ছিলেন। মানবাধিকার কর্মী মো. শামসুল হুদা, যিনি মানবিক উদ্যোগে অনেক আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিককে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে কাজ করছেন, তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার জাকির হোসেনের কাছ থেকে রামদেবের বিষয়টি জানতে পারেন। তিনি ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে রামদেবের গ্রামের ঠিকানা খুঁজে বের করেন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। ১১ মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমের পর রামদেবের পরিবারকে খুঁজে পাওয়া যায় এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ভারতীয় দূতাবাস থেকে ছাড়পত্র আনা হয়।

    সোমবার রামদেব মাহাতোকে তার স্ত্রী গঙ্গা দেবী, ছেলে সুনীল মাহাতো এবং গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান লাল বাচ্চা যাদবের উপস্থিতিতে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে হস্তান্তর করা হয়। মো. শামসুল হুদা জানান, তিনি এ পর্যন্ত ৮০টি মামলার মধ্যে ৫২টিতে সাফল্য পেয়েছেন। এছাড়াও, তিনি ভারতের বিভিন্ন কারাগারে আটক অনেক বাংলাদেশি নারী বন্দিকেও দেশে ফিরিয়ে এনেছেন। বর্তমানে আরও বেশ কিছু আটকে পড়া ভারতীয় ও বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রত্যাবাসন নিয়ে কাজ করছেন।

  • ৫৯ বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ৩ চোরাকারবারীসহ আটক-৪

    ৫৯ বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ৩ চোরাকারবারীসহ আটক-৪

    ৫৯ বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ৩ চোরাকারবারীসহ আটক-৪

    চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ মহানন্দা ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদস্যদের পৃথক ২টি অভিযানে জেকে পোলাডাংগা সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ এর দায়ে ৩ জন বাংলাদেশী চোরাকারবারী এবং সোনামসজিদ সীমান্তে গাঁজা এবং ব্যাটারি চালিত ভ্যানসহ আরও এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। আটককৃতরা হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালার মোঃ এমতাজুল এর ছেলে মোঃ শামিম হোসেন (২৭) একই এলাকার সঞ্জয় কর্মকারের ছেলে শ্রী পলাশ কর্মকার (২৩), শিবগঞ্জ উপজেলার শিবনারায়নপুরের মোঃ ছাত্তারের ছেলে মো: মিজানুর রহমান (২৩) এবং শিবগঞ্জ উপজেলার ভবানীপুর উমরপুর গ্রামের মোঃ সেতাবুর রহমানের ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান (২৫)। বিজিবির এক প্রেসনোটে জানানো হয়, ১৬ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার লোর রাত ৪ টার দিকে মহানন্দা ব্যাটালিয়নের (৫৯ বিজিবি) অধীনস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট থানাধীন জেকে পোলাডাংগা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২০১/৫৯-এস হতে আনুমানিক ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ৩ বাংলাদেশী চোরাকারবারী অবৈধভাবে জনৈক ভোলাহাটের জিন্নানগর গ্রামের মোঃ সামাদ এর ছেলে মোঃ আমিনুল ইসলাম এর নৌকা নিয়ে নদীপথে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে।

    পরবর্তীতে বিজিবি’র ০১টি চৌকস টহলদল তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে বাংলাদেশে ফেরত আসার সময় তাদেরকে আটক করতে সক্ষম হয়। চোরাকারবারীদের নিকট হতে ৩টি বাটন মোবাইল ফোন (বাংলাদেশী সিমসহ) এবং ভারতীয় ৭০ রূপি উদ্ধার করা হয়। চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে মামলা দায়েরের পর মোবাইল ফোন ও ভারতীয় রূপিসহ ভোলাহাট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়াও ১৬ সেপ্টেম্বর সকাল সোয়া ৬টার দিকে ৫৯ বিজিবি অধীনস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানার সোনামসজিদ বিওপি’র বিশেষ টহলদল সীমান্ত পিলার ১৮৪/২-এস হতে আনুমানিক ০৬ কিঃ মিঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ কানসাট গ্রামস্থ ০১টি ব্রীজের উপর অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে টহলদল চোরাকারবারী মোঃ মিজানুর রহমান কে ০১টি ব্যাটারি চালিত ভ্যান এবং ৩.৭ কেজি ভারতীয় গাঁজাসহ আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃত আসামীসহ গাঁজা ও ভ্যানের বিষয়ে মামলা করে শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মহানন্দা ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম অভিযানের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • গাইবান্ধায় নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন

    গাইবান্ধায় নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন

    গাইবান্ধায় নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী সমাধানের দাবিতে মানববন্ধন

    গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নে নদী ভাঙ্গনরোধে স্থায়ী সমাধানসহ ভাঙ্গন কবলিত মানুষের দুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে গানববন্থন করেছে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্তরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন, এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান, এলাকাবাসির পক্ষে সামিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, এম এ রিপন রবি, জুয়েল রানাসহ অন্যরা। বক্তারা অবিলম্বে এই ইউনিয়নের নদী ভাঙ্গণ রোধ করে জনসাধারণের ভোগান্তী দুর করার জোর দাবি জানান। শেষে একটি স্মারক্ষলিপি জেলা প্রশাসকের কাছে প্রদান করেন।

  • গোদাগাড়ী মহিলা কলেজে নবীণবরণ অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ী মহিলা কলেজে নবীণবরণ অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ী মহিলা কলেজে নবীণবরণ অনুষ্ঠিত

    গোদাগাড়ী মহিলা কলেজে নবীণবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কলেজ মিলনায়তনে ২৫/২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত একাদশ শ্রেণির ক্লাস উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গোদাগাড়ী মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো: আব্দুর রশীদ। উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী মহিলা কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: তোসলিম উদ্দীন, গোদাগাড়ী মহিলা কলেজের উপাধক্ষ্য মো: আব্দুল মালেক প্রমুখ। বক্তব্য রাখেন, কামরুজ্জামান সহকারী অধ্যাপক বাংলা, জামিলুর রশীদ সহকারী অধ্যাপক, ইংরেজি, মো: আব্দুল জাব্বার, সহকারী অধ্যাপক ইসলাম শিক্ষা, মো: সফিকুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মার্কেটিং, মো: জিয়া উদ্দিন সহকারী অধ্যাপক পরিসংখ্যান, মো: গোলাম মোস্তফা, সহকারী অধ্যাপক সমাজ বি: শিক্ষক প্রতিনিধি ফজিলাতুন্নেছা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত সকল শিক্ষার্থীকে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।

  • নওগাঁয় ৭ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার-৩

    নওগাঁয় ৭ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার-৩

    নওগাঁয় ৭ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার-৩

    নওগাঁয় ডিবি পুলিশের অভিযানে সাত কেজি গাজা, নগদ টাকা ও চারটি মোবাইলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ডিবি অফিসে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ডিবি পুলিশের একটি দল শহরের তাজের মোড় এলাকায় অভিযান চালায়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, বগুড়ার সান্তাহার পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি রুবেল হোসেন (৪০), সোনিয়া ওরফে সনি (২৫) এবং নোয়াখালীর বাসিন্দা মোমিনুল ইসলাম সোহাগ (৪৩), যিনি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বসবাস করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, একটি বাসে করে অন্য জেলা থেকে গাঁজা আনা হচ্ছে। খবর পেয়ে ডিবি পুলিশের একটি দল তাজের মোড়ে অবস্থান নেয়। এ সময় মোমিনুল ইসলাম সোহাগ একটি ট্রাভেল ব্যাগ রুবেল হোসেন ও সোনিয়ার কাছে হস্তান্তর করার সময় তাদের তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়। ব্যাগ তল্লাশি করে প্রায় সাত কেজি গাঁজা, নগদ ৯ হাজার ৩০০ টাকা এবং চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ফারজানা হোসেন আরও বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। মাদক চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

  • মাদক মামলার আসামী শুভ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

    মাদক মামলার আসামী শুভ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

    মাদক মামলার আসামী শুভ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

    র‌্যাব-৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-৩, মানিকগঞ্জ এর যৌথ অভিযানে চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত মাদক মামলায় ছদ্মবেশে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোঃ শুভ (৩৫) গ্রেফতার হয়েছে। গ্রেফতারকৃত শুভ (৩৫), জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে। র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৫ সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-৩, মানিকগঞ্জ এর যৌথ অভিযানে মাদক মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মোঃ শুভ (৩৫), কে ১৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন ধুবরা বাজার এলাকা হতে গ্রেফতার করে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, আসামি শুভ ২০২২ সালে মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ হাতেনাথে ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় নিয়মিত মামলা হয়। পরবর্তীতে আসামি বিজ্ঞ আদালত হতে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর ছদ্মবেশ ধারণ করে নিজেকে আত্মগোপন করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পলাতক থাকে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত মামলায় প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমানে আসামীকে দোষী সাব্যস্ত করে ০১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদান করে সাজা পরোয়ানা জারী করেন। উক্ত আসামীকে গ্রেফতারের জন্য অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাব তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। প্রেক্ষিতে র‌্যাব-৫ সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-৩, মানিকগঞ্জ এর যৌথ অভিযানে আসামীকে ঘটনাস্থল হতে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলার শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।