Blog

  • র‌্যাবের অভিযানে পলাতক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামী গ্রেফতার

    র‌্যাবের অভিযানে পলাতক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামী গ্রেফতার

    র‌্যাবের অভিযানে পলাতক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামী গ্রেফতার

    র‌্যাবের অভিযানে পলাতক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক আসামী গ্রেফতার হয়েছে। র‌্যাব-৫ সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-৩, মানিকগঞ্জ এর যৌথ অভিযানে চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত মাদক মামলায় ছদ্মবেশে পলাতক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী মোঃ মিজানুর রহমান @ মিজান (৪৫) কে গ্রেফতার করা হয়। আটককৃত আসামী হচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর আড়াইমারী গ্রামের মোঃ মাহিজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান @ মিজান (৪৫)। র‌্যাব জানায়, র‌্যাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও র‌্যাব-৪ মানিকগঞ্জ এর যৌথ অভিযানে মাদক মামলায় যাবজ্বীবন সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী মোঃ মিজানুর রহমান @ মিজান (৪৫), কে ৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন মনাকষা বাজার হতে গ্রেফতার করে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, আসামীর বিরুদ্ধে ২০১৬ সালে রাজশাহী জেলার বাঘা থানায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৩(খ) ধারায় নিয়মিত মামলা হয়। মামলা রুজুর পর হতে আসামী ছদ্মবেশ ধারণ করে নিজেকে আত্মগোপন করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পলাতক থাকে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত মামলায় প্রাপ্ত সাক্ষ্য প্রমানে আসামীকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড তৎসহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে সাজা পরোয়ানা জারী করেন। আসামীকে গ্রেফতারের জন্য অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাব তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব-৫ সিপিসি-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও র‌্যাব-৪, সিপিসি-৩, মানিকগঞ্জ এর যৌথ অভিযানে আসামীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • শিবগঞ্জে নূর জামে মসজিদের শুভ উদ্বোধন

    শিবগঞ্জে নূর জামে মসজিদের শুভ উদ্বোধন

    শিবগঞ্জে নূর জামে মসজিদের শুভ উদ্বোধন

    বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়নের মহাস্থান পূর্বপাড়ায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ নূর জামে মসজিদ”-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. আজাহার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য গাবতলীর কৃতি সন্তান মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, মো. আরিফুর রহমান (মজনু), আহ্বায়ক, গাবতলী উপজেলা যুবদল, মো. আব্দুল লতিফ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, গাবতলী পৌর যুবদল, মো. মোহতাছিন বিল্লা (মুন), সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, গাবতলী উপজেলা ছাত্রদল, মো. আগানিহাল বিন জলিল তপন, সাবেক চেয়ারম্যান, কাগইল ইউনিয়ন পরিষদ, গাবতলী, মো. হাফিজুর রহমান (হিরু), সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, শিবগঞ্জ উপজেলা যুবদল, মো. হারুনুর রশিদ, সাবেক সহ-সভাপতি, বগুড়া জেলা ছাত্রদল। আরও উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হালিম মন্ডল, রফিকুল ইসলাম, আতাউর রহমান, আজমল হোসেন বাবু, ইসমাইল হোসেন, রবিউল আলম লিটু, আশরাফুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান হাবি, সফল হোসেন, আব্দুল খলিল, আছালত জ্জামান, সাদ্দাম হোসেন, মোকছেদুর রহমান, তরিকুল ইসলাম পিন্টু প্রমুখ। এছাড়াও স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল হামিদ, বাবলু মিয়া, বেলাল উদ্দিন, জালাল উদ্দিন, মাওলানা মামুনুর রশিদ, রবিউল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, শাফিকুর রহমান জনি, হোসেন আলী, কাজল আহম্মেদ, বেলাল হোসেন, রেজাউল করিম, সুমন মিয়া, বিপ্লব মিয়া, আনোয়ার হোসেন রানা, আল আমিন, এনামুল হোসেন, গোলাম মোস্তফা নয়ন প্রমুখ। শেষে দোয়া মাহফিলে মসজিদ, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।

  • নড়াইলের কালিয়ায় প্রতিপক্ষের আঘাতে নিহত ১ ॥ থানায় মামলা-প্রতিপক্ষ বলছে সড়ক দূর্ঘটনা

    নড়াইলের কালিয়ায় প্রতিপক্ষের আঘাতে নিহত ১ ॥ থানায় মামলা-প্রতিপক্ষ বলছে সড়ক দূর্ঘটনা

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলা মাউলী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চান্দেরচর পশ্চিম পড়ার বাসিন্দা মো: দেলবার মোল্লা (দেলোয়ার) ৭৫ প্রতিপক্ষের আঘাতে নিহত হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ আগষ্ট (সোমবার) রাত ৮টার দিকে চান্দেরচর বাজার থেকে হাফ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত রাস্তার পাশে দেলবারের বড় ছেলে মোস্তফার ১ম ছেলে ইসমাইল মোল্যার বৌ খাদিজা’কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষে দেলবার মোল্লা গুরুত্বর আহত হয়। চান্দেরচর বাজারে প্রথমিক চিকিৎসা পর তার অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় খুলনা আড়াইশো বেডে ভর্তি করা হয়। ১লা সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১টায় খুলনা আড়াইশ বেড়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তারা আরো বলেন, এঘটনায় অভিযুক্ত নাজমুল (৩৮) কারিমুল (৪৫) আলী শেখ ( ৪০) আবু হুরায়রা (২০) মনিরা (১৭) সুরাইয়া (১৬) মঞ্জিলা বেগম ( ৩৫) ফেরদৌসি বেগম (৪০)।
    সরজিম গিয়ে জানা যায়, নাম বলতে অনিচ্ছুক অনেক ব্যক্তিরা বলেন, ২ পক্ষই আত্মীয় স্বজন। দীর্ঘদিন ধরে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে লেগেই থাকে। ২৫ আগষ্ট সোমবার সন্ধায় আবারো কলহের সৃষ্টি হয়। এই সময়ে বৃদ্ধা দেলবার মোল্লা রাস্তায় এসে দাঁড়ালে ইজিবাইকের সাথে এক্সিডেন্ট করে। এ দুর্ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে খুলনা আড়াইশো বেডে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তিনি গত ১তারিখ দিবাগত রাতে মৃত্যুবরন করেন।
    এ বিষয়ে বিবাদী কারিমুল ইসলাম বলেন, আমি নড়াইল সদর উপজেলা বুড়িখালী সরোয়ার নাহার কওমিয়া মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক। ২৫ তারিখ সোমবার রাত ৮ ৩০ মিনিটে বাড়ি থেকে ফোন করে বলে বাড়িতে সমস্যা হয়েছে। আমি মাদ্রাসা ক্যাশিয়ার কে বললে তিনি সভাপতি কে বলে ছুটি দেন এবং রাতে গাড়ি না পাওয়ায় ক্যাশিয়ারের নিজস্ব মোটরসাইকেল থাকায় তিনাকে নিয়ে চান্দেরচর আসি। বাড়ি এসে জানতে পারি আমার মেয়েকে জামায়ের চাচা চাচিরা মারছে কেন? জামায় চান্দেরচর বাজার থেকে বাড়িতে এসে জানতে চাইলে তাকে বেধড়ক মারপিট করলে এই সময় দেলবার মোল্লা তার বাড়ি থেকে আসার সময় অজ্ঞাত ইজিবাইক এক্সিডেন্ট করে চলে যায়। মানুষের চিৎকার শুনে আমার দুই ভাই ও ছোট ভাইয়ের ছেলে ছুটে আসে কি হয়েছে? এসে জানতে পারে ইজিবাইকে এক্সিডেন্ট করেছে। দেলবার মোল্লা খুলনা আড়াইশো বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। এই মৃত্যুর দায় এখন আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। সঠিকভাবে বিষয়টি তদন্ত করলে বের হয়ে আসবে আসল রহস্য কি? এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা মো: আসাদুজ্জামান বলেন, এ ঘটনা ২৫ আগষ্ট ঘটলেও তিনি ১ তারিখ দিবাগত রাত ১টায় চিকিৎসারত অবস্থায় খুলনা আড়াইশো বেডে মৃত্যুবরন করেন। এ বিষয়ে এলাকার পরিস্থিতি এখনও সাভাবিক রয়েছে এবং অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা আসামীদের ধরার চেষ্টা চলছে।

  • নিত্যপণ্যের দামে আগুন ॥ সবজি-মাছ-মুরগিতেও নেই স্বস্তি

    নিত্যপণ্যের দামে আগুন ॥ সবজি-মাছ-মুরগিতেও নেই স্বস্তি

    নিত্যপণ্যের দামে আগুন ॥ সবজি-মাছ-মুরগিতেও নেই স্বস্তি

    বাজারে নিত্যপণ্যের দামের উত্তাপে অতিষ্ঠ ক্রেতারা। সবজি, মাছ, মুরগি, কোথাও নেই স্বস্তি। আলু ও কাঁচা পেঁপে ছাড়া বেশিরভাগ সবজির দামই কেজি প্রতি ১০০ টাকার ওপরে। বৃষ্টি ও বন্যার অজুহাতে দাম বাড়লেও বৃষ্টি না থাকলেও কমছে না দাম। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে গোল বেগুনের দাম কেজি প্রতি ১৬০-১৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা। ঝিঙা ৮০-১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, আর একটি লাউ ৮০ টাকা। ভারতীয় টমেটো কেজিপ্রতি ১৫০ টাকা, উস্তা ১০০ টাকা এবং সিম ১৮০ টাকা। কাঁচামরিচের দামও অসহনীয়, কেজিপ্রতি ১৮০-২০০ টাকা। পেঁয়াজের দামও কমেনি, মিশ্রজাতের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজিতে। এদিকে, মাছের বাজারেও ক্রেতারা হতাশ। চাষের মাছের দাম কিছুটা কম হলেও নদীর মাছের দাম নাগালের বাইরে। চাষের চিংড়ি কেজিপ্রতি ১,০০০ টাকার বেশি, দেশি বোয়াল ১,০০০ টাকা, টেংড়া ৬০০-৯০০ টাকা এবং কাজলী মাছ ১,০০০ টাকা। চাষের কই ও পাবদা ৩০০-৪০০ টাকা। ভরা মৌসুমেও ইলিশের দাম চড়া, এক কেজি ওজনের ইলিশ ২,৫০০ টাকা এবং পাঙাস ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, ইলিশের সরবরাহ কম থাকায় অন্যান্য মাছের দামেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এছাড়া, মুরগির বাজারেও একই অবস্থা। ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৭৫ টাকা, কক মুরগি ৩১০ টাকা, মোরগ ৩৩০ টাকা, লেয়ার ৩৫০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা। ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১৪০-১৫০ টাকা। কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, ভোক্তারা নানাভাবে ঠকছেন। নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলো দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। বেপারী ও ফরিয়াদের কারসাজিতে কিছু পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাগুলোকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ক্রেতারা বলছেন, বেগুন, সিম, টমেটো থেকে মাছ-মুরগি, সবকিছুই এখন স্বল্প আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে। বৃষ্টি না থাকলেও দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও দূর্বিসহ হয়ে পড়েছে। সব সিন্ডিকেট ভেঙ্গে সাধারণ মানুষের নাগালের ভেতর নিয়ে আসতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, এমনটায় আশা ভূক্তভোগী ক্রেতা-সাধারণের।

  • তারেক রহমান-বাবরসহ সব আসামি খালাসের রায় আপিল বিভাগেও বহাল

    তারেক রহমান-বাবরসহ সব আসামি খালাসের রায় আপিল বিভাগেও বহাল

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা

    তারেক রহমান-বাবরসহ সব আসামি খালাসের রায় আপিল বিভাগেও বহাল

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-বাবরসহ সব আসামির খালাসের রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে, যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর-সহ সব আসামি খালাস পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামীলীগের একটি সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে ২৪ জন নিহত এবং শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। এ ঘটনার পর হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত এ মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই রায়ে তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের এই রায় বাতিল করে সব আসামিকে খালাস দেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে আজ (বৃহস্পতিবার) আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখলেন।
    উল্লেখ্য, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে ২০০৪ সালের ২১ অগাস্ট শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা হয়, এতে ২৪ জন নিহত হয়। সে সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আর আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তখন বিরোধী দলীয় নেতা। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় ফিরলে ২০১২ সালে এ মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্রে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২১ অগাস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ওই হামলা চালানো হয়। হামলায় অংশ নেয় হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশের (হুজি) জঙ্গিরা। তারা সহযোগিতা নেয় বিদেশি জঙ্গিদের। আর এই ষড়যন্ত্রের পেছনে ছিল তখনকার চারদলীয় জোট সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ‘ইন্ধন’। হামলায় ব্যবহৃত আর্জেস গ্রেনেড আনা হয় পাকিস্তান থেকে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সময় জজ আদালত এ মামলায় বাবরসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড, তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১১ পুলিশ ও সেনা কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছিল। ২০১৮ সালে ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন বলেছিলেন, ‘রাষ্ট্রযন্ত্রের সহায়তায়’ ওই হামলা ছিল আওয়ামীলীগকে ‘নেতৃত্বশূন্য করার ঘৃণ্য অপচেষ্টা’।

    দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে কারাগারে যারা ছিলেন, তারা সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল করেছিলেন। পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আবেদন ‘ডেথ রেফারেন্স’ আকারে হাই কোর্টের বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছিল। এ বিষয়ে হাই কোর্টের রায় আসে ২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর, ততদিনে চব্বিশের অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে দিয়েছে। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাই কোর্ট বেঞ্চ আসামিদের করা আপিল মঞ্জুর করার পাশাপাশি মৃত্যদণ্ড কার্যকরের আবেদন খারিজ করে দেয়। যারা আপিল করেছেন, তাদের পাশাপাশি যারা করেননি, সবাইকে এ মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয় হাই কোর্টের রায়ে।
    আসামিদের খালাস দিয়ে হাই কোর্টের রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, যেভাবে এ মামলায় পুনঃতদন্তের আদেশ দেওয়া হয়েছিল, তা ছিল ‘আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত’। যে সম্পূরক অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে এ মামলার বিচার শুরু হয়েছিল, সেই অভিযোগপত্রই ছিল ‘অবৈধ’। হাইকোর্ট বলে, “সামগ্রিক বিবেচনায় আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, এ মামলায় যেভাবে আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেওয়া হয়েছে, তা অবৈধ এবং আইনের বিচারে তা টেকে না।” আসামিদের সবাই খালাস পাওয়ায় ১ ডিসেম্বর রায়ের দিন অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। তাদের প্রশ্ন ছিল, গ্রেনেড হামলায় নিহত ২৪ জনের পরিবার কি তাহলে সুবিচার পাবে না? সেই প্রশ্নের উত্তর আসে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ১৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত ৭৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে। সেখানে বলা হয়, ২১ অগাস্টের গ্রেনেড হামলা ছিল দেশের ইতিহাসে ‘একটি জঘন্য ও মর্মান্তিক’ ঘটনা, যেখানে অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন,

    তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা আইভী রহমানও ছিলেন। নিহতদের আত্মার প্রতি সুবিচার নিশ্চিত করতে এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক ও স্বাধীন তদন্ত হওয়া প্রয়োজন, যা এ পর্যন্ত এই মামলায় সম্পূর্ণভাবে অনুপস্থিত। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা মনে করি, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এই মামলাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো উচিত, যাতে সঠিক এবং দক্ষ তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে পুনরায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া যায়। আদালতের রায়ের এই পর্যবেক্ষণের আলোকে যথাযথ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এই আদেশের অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়। রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, জয়নুল আবেদীন, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, কায়সার কামাল, মোহাম্মদ শিশির মনিরসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী।

  • জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট আয়োজনে প্রস্তুতি সভা

    জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট আয়োজনে প্রস্তুতি সভা

    জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট আয়োজনে প্রস্তুতি সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট আয়োজনে প্রস্তুতি সভা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সামাদ। জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এই সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী মোঃ আফাজ উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ নাকিব হাসান তরফদার, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম তোফা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ খাইরুল ইসলামসহ অন্যরা। সভায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট আয়োজনে প্রয়োজনীয় করনীয় নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় আগামী ১২ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) চাঁপাইনবাবগঞ্জ নতুন স্টেডিয়ামে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট এর উদ্বোধন হবে। জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্ট এর উদ্বোধন করবেন দুদক এর কমিশনার চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃতি সন্তান অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মিয়া মোহাম্মদ আলী আকবর আজীজী বলেও সভায় জানানো হয়।

  • জয়পুরহাটে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে এক প্রাথমিক শিক্ষকের আত্মহত্যা

    জয়পুরহাটে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে এক প্রাথমিক শিক্ষকের আত্মহত্যা

    জয়পুরহাটে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে এক প্রাথমিক শিক্ষকের আত্মহত্যা

    জয়পুরহাটে ঋণের বোঝা সইতে না পেরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ফারুক হোসেন (৪৯) নামে এক সহকারী শিক্ষক। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার পুরানাপৈল রেলগেটে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিলে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে জয়পুরহাট সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সান্তাহার রেলওয়ে থানাকে জানায়। নিহত সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেন কালাই উপজেলার হারুঞ্জা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তিনি উপজেলার হারুঞ্জা পূর্বপাড়া এলাকার মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ফারুক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিস রোগে ভুগছিলেন। এক হাত সম্পূর্ণ অবশ থাকায় স্বাভাবিক চলাফেরা করতেও তার কষ্ট হতো। অসুস্থতার কারণে নিয়মিত চিকিৎসা ও ব্যয়বহুল ঔষধের খরচ চালাতে গিয়ে তিনি বিভিন্ন এনজিও, সমবায় সমিতি ও স্থানীয় মহাজনদের কাছ থেকে একাধিকবার ঋণ গ্রহণ করেন। অভাব-অনটনের কারণে তার মাসিক বেতনের বেশিরভাগ অংশই কিস্তি ও উচ্চ সুদের ঋণ পরিশোধে ব্যয় হয়ে যেত। ফলে সংসার চালাতে গিয়ে তাকে চরম আর্থিক সংকটে পড়তে হয়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের কোনো পথ না দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। বুধবার বিকেলে বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়িতে ফিরে পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি বাইরে বের হয়ে যান। পরে জয়পুরহাট শহর হয়ে পাঁচবিবি যাওয়ার পথে পুরানাপৈল রেলগেটে গিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। নিহতের স্ত্রী শারমিন আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার স্বামী ঋণের বোঝা আর মানসিক চাপ সইতে না পেরে এই পথ বেছে নিয়েছে। এখন আমি সন্তানদের নিয়ে কিভাবে চলব। ওরা বাবাকে হারাল, আমি হারালাম স্বামীকে। জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তামবিরুল ইসলাম জানান, রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাপ দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার এবং সান্তাহার রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে। সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি হাবিবুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে।

  • ভোলাহাটে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    ভোলাহাটে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    ভোলাহাটে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির গৌরব-ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে জেলার ভোলাহাটে। এ উপলক্ষে ভোলাহাট উপজেলা বিএনপি ও অংগ সংগঠনের আয়োজনে বুধবার বিকেলে বিশাল র‌্যালী, আলোচনা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও চেয়ারম্যান মাহাতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন সাবেক এমপি আলহাজ্ব মোঃ আমিনুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাচোল পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মোসাদ্দেকুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুরুল হুদা, কসবা ইউপি চেয়ারম্যান জাকারিয়া আল মেহরাব, গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা সহিদুল ইসলামসহ অন্যরা। উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কায়সার আহমেদের সঞ্চালনায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা আলাউদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান আফাজ উদ্দিন পানু মিঞা, যুবদলের সাবেক সভাপতি বেলাল উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুনসুর আলী, আব্দুস সামাদসহ উপজেলা বিএনপি ও তার অংগসংগঠনের নেতাকর্মীগণ। এর আগে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী ভোলাহাট রামেশ্বর পাইলট মডেল ইন্সটিটিউশন মাঠ হতে বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সন্ন্যাসীতলার চৌমাথায় পথসভায় মিলিত হয়।

  • গোবিন্দগঞ্জে বেসরকারি ক্লিনিকে অভিযান ॥ প্রতিষ্ঠান সিলগালা-তদন্ত কমিটি গঠন

    গোবিন্দগঞ্জে বেসরকারি ক্লিনিকে অভিযান ॥ প্রতিষ্ঠান সিলগালা-তদন্ত কমিটি গঠন

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সিটি জেনারেল হসপিটাল এন্ড কনসালটেন্ড সেন্টারে জেলা স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে লাইসেন্স সহ বিভিন্ন সেবাদানের অন্যান্য অনুমতি পত্র না থাকায় সিলগালা করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার দুপুরে গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ রফিকুজ্জামান গোবিন্দগঞ্জ শহরের হাসপাতাল মোড়ের অবস্থিত এই বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্টানে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা: মোঃ মাসুদার রহমান সহ জেলা ও উপজেলার অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। পরে সিভিল সার্জন অপর এক অভিযোগে শহরের দক্ষিণ বাস ষ্ট্যান্ডের হাজী ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করেন। সেখানে বিভিন্ন অসংগতি থাকায় তাদেরকে এক সপ্তাহের মধ্যে যাবতীয় কাগজ পত্র প্রস্তুত রাখার সময় দিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। পরে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ রফিকুজ্জামান বলেন, সিটি জেনারেল হাসপাতাল এন্ড কনসালটেশন সেন্টারে কোন লাইসেন্স নেই, চিকিৎসক নেই। এখানে অপারেশন হয় কিন্তু, কোন চিকিৎসক এখানে অপারেশন করেন না, এছাড়াও অভিযানের সময় তারা কোন বৈধ কাগজপত্রও দেখাতে পারেনি। এমনকি রোগীর কোন রেজিষ্টারও নেই। এছাড়া নানা ধরণের অভিযোগ রয়েছে সিটি জেনারেল হাসপাতাল এন্ড কনসালটেন্ড সেন্টারের বিরুদ্ধে। অন্য দিকে দক্ষিণ বাসষ্ট্যান্ডের গোবিন্দগঞ্জ কমিউনিটি হাসপাতালে (হাজি ক্লিনিকে) অনেক অসঙ্গতি থাকায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৭ দিনের মধ্যে এর প্রতিবেদন দাখিল করলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজ ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজ ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    “অভিশাপ নয়, মুক্তি চাই” প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবী

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজ ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার চাঁন্দলাই জোড়বাগান বস্তি এলাকায় মাদকবিরোধী জনসচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে স্থানীয় যুবসমাজ এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা আলহাজ্ব সায়েদুজ্জামান, স্থানীয় যুবক মেহেদি হাসান, সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার বাহার আলী, সাবেক ওয়ারেন্ট অফিসার জিয়াউর রহমানসহ অন্যরা। এছাড়া এলাকাবাসীর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা শওকত আলী, ইউসুফ আলী লাভলু এবং স্থানীয় বাসিন্দা সাগর। বক্তারা বলেন, “মাদকের করালগ্রাসে ক্ষত-বিক্ষত হচ্ছে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

    এখনই রুখে না দাঁড়ালে অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে আগামী দিনের কর্ণধাররা।” তারা আরও জানান, দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী শিশু, কিশোর ও তরুণ, যারা ধীরে ধীরে মাদকের ভয়াল ছোবলে আক্রান্ত হচ্ছে। চাঁন্দলাই জোড়বাগান এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার, মাদকাসক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের দাবিও জানান বক্তারা। মানববন্ধনে বক্তারা মাদক বিক্রি ও সেবনকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে,

    এলাকাবাসী সর্বোচ্চ প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন। বক্তারা আরও বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়, পরিবার ও সমাজকেও সচেতন হতে হবে। কারণ মাদকের বিস্তার রোধে পারিবারিক ও সামাজিক প্রতিরোধই সবচেয়ে বড় শক্তি। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করতে হবে এবং প্রশাসনসহ সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই কেবল মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করা সম্ভব। মাদক বিক্রি ও সেবন বন্ধে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয় মানববন্ধন থেকে।