Blog

  • ভোলাহাট ভূমি অফিসকে দূর্ণীতিমুক্ত ঘোষনা ॥ অনিয়ম পেলেই কঠোর ব্যবস্থা-বললেন ইউএনও ॥ জনমনে স্বস্তি

    ভোলাহাট ভূমি অফিসকে দূর্ণীতিমুক্ত ঘোষনা ॥ অনিয়ম পেলেই কঠোর ব্যবস্থা-বললেন ইউএনও ॥ জনমনে স্বস্তি

    ভোলাহাট ভূমি অফিসকে দূর্ণীতিমুক্ত ঘোষনা ॥ অনিয়ম পেলেই কঠোর ব্যবস্থা-বললেন ইউএনও ॥ জনমনে স্বস্তি

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ভূমি অফিসকে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান। বুধবার (২০ আগষ্ট) ইউএনও তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে এই জিরো টলারেন্স এর ঘোষনা করেন। কোন অনিময় পেলে তাৎক্ষনিক কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারীও দিয়েছেন তিনি। তিনি তাঁর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে তিনি লিখেন, অধিকাংশ সেবাগ্রহীতা নামজারি আবেদন কোনো মাধ্যম দিয়ে করে থাকেন, তার সাথে চুক্তি করেন এবং তাকে মোটা অংকের টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয়না, বলে বিভিন্ন জায়গায় অপপ্রচার করেন। অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ডকুমেন্টস না থাকায় কিছু নামজারি বাতিল করার পর অভিব্যক্তি দেন, টাকা দিয়েও কাজ হয়না। তিনি সেবাগ্রহীতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আপনি নিজে সকল ডকুমেন্টস দিয়ে যথাযথ ভাবে আবেদন করুন এবং সরকারি চার্জ ব্যতীত অতিরিক্ত ১ টাকা উপজেলা বা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কেউ দাবী করলে, আমাকে জানান। শতভাগ প্রতিকার পাবেন। তিনি বলেন, নামজারিতে ১ হাজার ১৭০ টাকার অতিরিক্ত ১ টাকাও দেয়া যাবেনা। কাগজ পত্রে ত্রুটি থাকলে কেউ যদি আপনাকে প্রস্তাব দেয়, যে পার করে দিবে, এ চিন্তাটাও ভুল বলেও লিখেন তিনি। স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতবদ্ধ তার উপজেলা প্রশাসন। ভূমি অফিসের মতো দপ্তরে নির্দিষ্ট ফি ছাড়া ১ টাকাও অতিরিক্ত লাগবেনা, এইরকম জিরো টলারেন্স ঘোষণা ভোলাহাটে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন সেবাগ্রহীতারা। সরকারি ফি ১১৭০ টাকার জায়গায় কয়েকগুণ ফি গুনতে হচ্ছিল উপজেলাবাসীকে। কেউ নির্দিষ্ট সরকারি ফি ছাড়া যদি কেউ টাকা দাবি করে কিংবা কাগজপত্র সঠিক থাকার পরেও হয়রানি করে তাহলে ইউএনও’র কাছে অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেন তিনি। অন্যদিকে, ত্রুটিপূর্ণ কাগজে টাকার বিনিময়ে কেউ নামজারি (খারিজ) করার কথা বলে সেটাও ধোঁকাবাজি বলে ঘোষনা দেন তিনি। সব মিলিয়ে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত একটি উপজেলায় সকল সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতির কথা জানান ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান।

  • নিয়ামতপুরে পানি সম্পদ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা

    নিয়ামতপুরে পানি সম্পদ বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালা

    নওগাঁর নিয়ামতপুরে বাংলাদেশ পানি আইন-২০১৩ ও বাংলাদেশ পানি বিধিমালা-২০১৮ বিষয়ক অবহিতকরণ এবং উপজেলার সমীক্ষা প্রকল্পের ফলাফলের উপর শুনানী ও মতামত গ্রহন সংক্রান্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে উপজেলা সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে এ কর্মশালা হয়। নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুর্শিদা খাতুনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে প্রধান অতিথি বক্তব্য দেন পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার (ওয়ারপো) মহাপরিচালক মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার মূখ্য বৈজ্ঞানিক (প্রকৌশল) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার পরিচালক (পরিকল্পনা) নূর আলম ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সাইদুর রহমান খান, নিয়ামতপুর থানার ওসি হাবিবুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজাউল করিম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক, উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি অফিসার রফিকুল ইসলাম, নিয়ামতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনি আহমেদ, উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা রাসেল রানা সহ সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, শুধু আইন দিয়ে পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন জনগণের অংশগ্রহণ, সচেতনতা এবং বিভিন্ন সংস্থার কার্যকর সমন্বয়। নিয়ামতপুর উপজেলায় এই কর্মশালা একটি ইতিবাচক সূচনা, যা ভবিষ্যতে বৃহত্তর পরিকল্পনার ভিত্তি হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুর্শিদা খাতুন বলেন, পানি সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় সরকার এবং পানি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত সংস্থাগুলোর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অপরিহার্য। এই কর্মশালা নিয়ামতপুর উপজেলায় একটি কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনার রূপরেখা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ওয়ারপো’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন পানি আইন ও বিধিমালা এবং নিয়ামতপুর উপজেলার ওপর পরিচালিত সমীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নিয়ামতপুরে বিভিন্ন এলাকায় পানি সংকট ও দূষণের যে চিত্র পাওয়া গেছে, তা মোকাবিলায় স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।

  • পত্নীতলায় আলোচিত মোস্তাফিজুর হত্যা ॥ ১০ মাসেও গ্রেফতার হয়নি মুল আসামী

    পত্নীতলায় আলোচিত মোস্তাফিজুর হত্যা ॥ ১০ মাসেও গ্রেফতার হয়নি মুল আসামী

    নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় মেধাবী ছাত্র ও এস.এস.সি পরীক্ষার্থী মোস্তাফিজুর হত্যার ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও মুল আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পত্নীতলা থানা পুলিশ। জানা যায়, ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর হত্যা করা হয় নওগাঁর পত্নীতলার মধইল গ্রামের এস.এস.সি পরীক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমানকে। ওই ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী ছিল না। মোবাইল ফোনের কললিস্ট ধরে সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয় পুলিশ। মোস্তাফিজের ব্যবহৃত ফোনটি ফরেনসিক ল্যাবে পাঠালেও ১০ মাসেও প্রতিবেদন না পাওয়ায় তদন্ত সেখানেই আটকে আছে। মোস্তাফিজের মা মোসলিমা বেগম বলেন, ‘আমরা বারবার থানা ও দপ্তরে গিয়েছি। পুলিশ সন্দেহভাজন আসামিদের ডেকে কথা বলে ছেড়ে দিয়েছে। তদন্তে কোনো অগ্রগতি নেই। আমার ছেলে মারা গেছে-এটি যেন সবার কাছে ভুলে যাওয়া ঘটনা হয়ে গেছে।’ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পত্নীতলা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু তালেব বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে কয়েকজনের জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছি। প্রমাণ সংগ্রহে সময় লাগছে। মোবাইল ফোনের ফরেনসিক প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছি।’ তদন্তে ধীরগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সঠিক তথ্য উদ্ঘাটনে ১০ মাস নয়, প্রয়োজনে আরও বেশি সময় লাগতে পারে।’
    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ পড়তে বাড়ি থেকে বের হয় মোস্তাফিজ। এরপর আর ফেরেনি সে। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান মেলেনি। ১৩ নভেম্বর স্থানীয় এক কৃষকের ধানক্ষেতে তার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় পত্নীতলা থানায় হত্যা মামলা হয়। পুলিশ সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এর মধ্যে নাইম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে নাইম জামিন নিয়ে বের হয়ে আসে। অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনার ১০ মাস হয়ে গেলেও, আসামি শনাক্ত না হওয়ায় তদন্তের ধীরগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মোস্তাফিজের পরিবার ও সহপাঠীরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডটি পূর্বপরিকল্পিত। এ ঘটনায় একই এলাকার নাঈম, রানা, সাজ্জাদ ও সনির সম্পৃক্ততা রয়েছে। কয়েকদিন আগে একটি মোবাইল ফোন হারানোকে কেন্দ্র করে মোস্তাফিজের সঙ্গে তাদের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিয়েছে। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশ ব্যবস্থা নিতে দেরি করছে। অভিযুক্ত নাইমকে গ্রেপ্তারের পর তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর থেকে সে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আরও কয়েকজন চিহ্নিত দুষ্কৃতকারী প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে।
    মোস্তাফিজের কয়েকজন সহপাঠী জানায়, ‘এলাকায় কিছু চিহ্নিত ছেলের কারণে আমরা রাতে বের হতে ভয় পাই। তাদের একজন নাইম। তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও সে জামিনে বের হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটি আমাদের জন্য ভয়ের। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ ও ফোনের কললিস্ট ধরে নাইমসহ চিহ্নিত কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এতদিনে কিছু না কিছু বের হয়ে আসত।’ থানার ওসি এনায়েতুর রহমান বলেন, ‘তদন্ত শেষের দিকে। মোবাইল ফোনের ফরেনসিক প্রতিবেদন পেলে আরও কিছু আসামি শনাক্ত হবে। হত্যার কোনো সূত্র ছিল না। শূন্য থেকে শুরু করতে হয়েছে। বাদীও জানেন পুলিশ কতটা চেষ্টা করছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর এই মামলার আসামিদের ধরতে পুলিশের জোর তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে জমি জবরদখলের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে জমি জবরদখলের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর মৌজায় কেনা জমি জবরদখলের অভিযোগ তুলে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবে এ সাংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী শ্রী সন্তোষ কর্মকার। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তার কেনা প্রায় নয় শতক জমির মধ্যে ১ দশমিক ৬৫ শতক বিক্রি করলেও অবশিষ্ট অংশ প্রতিপক্ষ প্রায় এক বছর ধরে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। জমি ফেরত চাইতে গেলে তারা হামলার শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, গত ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টার দিকে ওই জমিতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে মারধর করে। এ সময় ছোট ভাই সুমন কর্মকার এগিয়ে আসলে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। তার মাথায় ২২টি সেলাই দিতে হয়। এ ঘটনার প্রমাণ স্বরূপ চিকিৎসার কাগজপত্র ও ছবি রয়েছে বলেও দাবি করেন সন্তোষ কর্মকার। তিনি আরও জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক সালিশ বৈঠক হয়। সালিশে সিদ্ধান্ত হলেও প্রতিপক্ষ তা মানেনি এবং এখনও জমি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। ফলে তিনি একদিকে সম্পত্তি বঞ্চিত, অন্যদিকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
    সন্তোষ কর্মকার অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ সুফল কর্মকারের ছেলে সাধন কর্মকারের নেতৃত্বে বাঘু কর্মকার, নিতাই কর্মকার ও কৃষ্ণ কর্মকার নিয়মিত হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরার আহ্বান জানান। জমির সুনির্দিষ্ট বিবরণ দিয়ে তিনি জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার রামকৃষ্ণপুর মৌজার খতিয়ান নং-২৩৩২, ১৮৮৫ ও ১২২৮, দাগ নং-৬০৮-এর জমির মালিক তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শ্রী সুমন কর্মকার, শ্রী জয়দেব কর্মকার এবং স্থানীয় আকরাম আলী। তিনি এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের মুখোশ উন্মোচন ও ন্যায্য অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • আক্কেলপুরে আ’লীগ নেতা স্বাধীন মাস্টার গ্রেপ্তার

    আক্কেলপুরে আ’লীগ নেতা স্বাধীন মাস্টার গ্রেপ্তার

    জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম স্বাধীন ওরফে স্বাধীন মাস্টারকে গ্রেপ্তার করেছে আক্কেলপুর থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) দুপুরে আক্কেলপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বিদ্যালয় থেকে স্বাধীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বছরের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তার নামে জয়পুরহাট সদর থানায় হত্যা ও হত্যা চেষ্টা মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারের পরে তাকে জয়পুরহাট সদর থানায় পাঠানো হয়েছে। আওয়ামীলীগ নেতা স্বাধীনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম।

  • নাটোরের লালপুরে পাটের বাম্পার ফলন ॥ কৃষক ও কৃষাণির মুখে হাসি

    নাটোরের লালপুরে পাটের বাম্পার ফলন ॥ কৃষক ও কৃষাণির মুখে হাসি

    চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় নাটোরের লালপুরে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে কৃষক ও কৃষাণির মুখে সুখের হাসি ফুটে উঠেছে। পাট কাটা ও পানিতে পাট জাগ দেওয়াসহ সোনালী আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও কৃষাণিরা। পর্যাপ্ত বৃষ্টি হওয়ায় পুকুর, খাল, বিল, নালা ও জলাশয় গুলোতে সহ পদ্মা নদীতে পানি পরিপূর্ণ থাকায় পাট জাগ দিতে কোন সমস্যা হয়নি বলে জানান কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নারী ও পুরুষ মিলে জলাশয় সহ পদ্মা নদীতে জাগ দেওয়া পাট গাছ থেকে সোনালী আঁশ ছাড়াচ্ছেন। আবার পাটের সোনালী আঁশ রোদ্রে শুকিয়ে হাট ও বাজারে বিক্রিয়ের জন্য প্রস্তুত করছেন কৃষকরা। হাট ও বাজারে পাটের আঁশ প্রতি মণের মূল্য ৩১’শ থেকে ৩৩’শ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। এবছর লালপুর উপজেলায় পাটের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ২শ ১৫ হেক্টর। উপজেলায় বিভিন্ন মাঠে পাটের চাষ হয়েছে, ৭ হাজার ৫’শ ৭০ হেক্টর। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আবাদ হয়েছে। পাটের চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবছর কৃষি বিভাগ হতে ১ হাজার ১’শ ৫০ জন কৃষকের মাঝে পাটের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। লালপুর সদরের কৃষক বাদশা নওশেদ নেওয়াজ লিটন প্রতিবেদককে বলেন, এবছরে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবং বাজারে পাটের আঁশের দাম বেশি থাকায় লাভবান হয়েছি। বিলমাড়ীয়া চরের পল্লী চিকিৎসক আবুল কাশেম বলেন, পাটের ভালো ফলন হয়েছে। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড় প্রতিবেদককে বলেন, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পাটের ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে পাটের দাম বেশি থাকায় কৃষকরা লাভবান হবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

  • ঝিনাইদহের বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে আহত ১৫

    ঝিনাইদহের বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে আহত ১৫

    ঝিনাইদহের মহেশপুরে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে মহেশপুর উপজেলার তুষার সিরামিকসের সামনে কালীগঞ্জ-জীবননগর সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, সকালে ঢাকা থেকে দর্শনার দিকে যাচ্ছিলো গোল্ডেন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস। পথিমধ্যে তুষার সিরামিকসের কারখানা থেকে একটি ড্রাম ট্রাক প্রধান সড়কে ওঠার সময় বাসটির সঙ্গে সেটির সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাকের চালক, হেলপার ও বাসের যাত্রীসহ মোট ১৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে মহেশপুর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়। আহতদের মধ্যে ট্রাকের চালক ও হেলপারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রাক দুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • পাঁচবিবিতে হজ বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরন সভা অনুষ্ঠিত

    পাঁচবিবিতে হজ বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরন সভা অনুষ্ঠিত

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে সরকারী যাকাত ফান্ডে যাকাত সংগ্রহ ও সরকারী ব্যবস্থাপনায় হজ বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে উদ্বুদ্ধকরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) পরিচালক মোঃ সাজেদুর রহমান। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা রিয়াজ। এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপাইভাইজার মোঃ রবিউল ইসলাম, ফিল্ড অফিসার মোঃ মোত্তাকিনুল ইসলাম, মাস্টার ট্রেইনার আব্দুল ফাতাহ, উপজেলা প্রকৌশলী মোবারক হোসেন। পরিশেষে অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মডেল মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মোঃ বোরহান উদ্দিন। মুসলিম ধর্মের মানুষের জন্য হজ্ব পালন করা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু অনেক সময় শোনা যায় দালালের খপ্পরে পড়ে টাকা-পয়সা খোয়া যায়। এসব ঝামেলা থেকে রক্ষা পেতে সরকারীভাবে হজ্ব পালনের ব্যবস্থা আছে। আপনারা যারা আল্লাহর পবিত্র ভূমি কাবা শরীফ হজ্বের জন্য যেতে ইচ্ছুক ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে যাবেন কোন প্রকার সমস্যা বা জটিলতা ছাড়াই সভার প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা রিয়াজ উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলেন।

  • রাজশাহীতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মারধরসহ নানা অভিযোগ

    রাজশাহীতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে মারধরসহ নানা অভিযোগ

    রাজশাহী মহানগরীর হেলেনাবাদ-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের মারধর, অভিভাবকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে অভিভাবকরা লিখিত অভিযোগ রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জমা দিয়েছেন।
    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক হারুনুর রশিদ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লাথি মারা, মাথায় কিল মারা, মেয়ে শিক্ষার্থীদের গায়ে হাত তোলা, পিঠে কিল মারা এবং তাদের পায়ের ওপর পা দিয়ে চাপা দেওয়ার মতো কাজ করেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অভিভাবকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা, সাময়িক পরীক্ষার খাতা জালিয়াতির মাধ্যমে ফলাফল পরিবর্তন করা এবং বিদ্যালয়ের গোপন তথ্য ফাঁস করার মতো অভিযোগও রয়েছে। স্কুলের শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে অভিভাবকরা এই শিক্ষকের অপসারণ দাবি করেছেন। এক শিক্ষার্থীর মা মিনা বেগম জানান, সামান্য কারণে তার ছেলেকে শিক্ষক হারুনুর রশিদ মাথায় মেরেছেন এবং পড়ে গেলে লাথিও মেরেছেন। তিনি বলেন, এই শিক্ষক কখনও কখনও মেয়ে শিক্ষার্থীদের মুখে ডাস্টার ছুঁড়ে মারেন এবং খারাপ উদ্দেশ্যে তাদের গায়ে হাত দেন। এসব বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন। শুধু মিনা বেগম নন, আরও বেশ কয়েকজন অভিভাবক একই ধরনের অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক হারুনুর রশিদ জানান, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার জন্যই শাসন করা হয়। তিনি বলেন, শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের মারবে এটা স্বাভাবিক। গত বৃহস্পতিবার তিনি এক শিক্ষার্থীকে শাসন করেছেন বলেও স্বীকার করেন। তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ জানান, তিনি অভিভাবকদের অভিযোগের বিষয়ে অবগত আছেন। গত বৃহস্পতিবার এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় তিনি শিক্ষক হারুনুর রশিদকে সতর্ক করেছেন। এর আগেও তিনি এমন বিষয়গুলো নিজে সমাধান করেছেন। কিন্তু বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও শিক্ষকের আচরণের কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, যেহেতু অভিভাবকরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। বোয়ালিয়া থানা শিক্ষা অফিসার মখলেসুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা এমন অভিযোগ আশা করি না। তিনি বলেন, সহকারী শিক্ষক হারুনুর রশিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো গুরুতর। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ভালুকায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালা

    ভালুকায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতামূলক কর্মশালা

    ময়মনসিংহের ভালুকায় জেলা পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক জনসচেতনতা মূলক কর্মশালা হয়েছে। বুধবার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ভালুকা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায়, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতায় খাদ্যের নিরাপদতা বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুফিদুল আলম’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আ,ন,ম, নাজিম উদ্দিন সদস্য (যুগ্মসচিব) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কতৃপক্ষ ও প্রকল্প পরিচালক। নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তাগণ নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রবন্ধ বিষয় উপস্থান করেন। কর্মশালায় প্রধান অতিথি দৈনন্দিন জীবনে মানসম্মত খাবারের প্রতি গুরুত্ব ও দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মির্জা শাহরাইন হোসাইন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, উপজেলা স্যানেটারী ইনস্পেকটর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম রমিজ, পৌরসভা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো.শাহাব উদ্দিন সহ আরও অনেকে।