ভোলাহাট ভূমি অফিসকে দূর্ণীতিমুক্ত ঘোষনা ॥ অনিয়ম পেলেই কঠোর ব্যবস্থা-বললেন ইউএনও ॥ জনমনে স্বস্তি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ভূমি অফিসকে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান। বুধবার (২০ আগষ্ট) ইউএনও তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে এই জিরো টলারেন্স এর ঘোষনা করেন। কোন অনিময় পেলে তাৎক্ষনিক কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারীও দিয়েছেন তিনি। তিনি তাঁর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে তিনি লিখেন, অধিকাংশ সেবাগ্রহীতা নামজারি আবেদন কোনো মাধ্যম দিয়ে করে থাকেন, তার সাথে চুক্তি করেন এবং তাকে মোটা অংকের টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয়না, বলে বিভিন্ন জায়গায় অপপ্রচার করেন। অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ডকুমেন্টস না থাকায় কিছু নামজারি বাতিল করার পর অভিব্যক্তি দেন, টাকা দিয়েও কাজ হয়না। তিনি সেবাগ্রহীতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আপনি নিজে সকল ডকুমেন্টস দিয়ে যথাযথ ভাবে আবেদন করুন এবং সরকারি চার্জ ব্যতীত অতিরিক্ত ১ টাকা উপজেলা বা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কেউ দাবী করলে, আমাকে জানান। শতভাগ প্রতিকার পাবেন। তিনি বলেন, নামজারিতে ১ হাজার ১৭০ টাকার অতিরিক্ত ১ টাকাও দেয়া যাবেনা। কাগজ পত্রে ত্রুটি থাকলে কেউ যদি আপনাকে প্রস্তাব দেয়, যে পার করে দিবে, এ চিন্তাটাও ভুল বলেও লিখেন তিনি। স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতবদ্ধ তার উপজেলা প্রশাসন। ভূমি অফিসের মতো দপ্তরে নির্দিষ্ট ফি ছাড়া ১ টাকাও অতিরিক্ত লাগবেনা, এইরকম জিরো টলারেন্স ঘোষণা ভোলাহাটে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন সেবাগ্রহীতারা। সরকারি ফি ১১৭০ টাকার জায়গায় কয়েকগুণ ফি গুনতে হচ্ছিল উপজেলাবাসীকে। কেউ নির্দিষ্ট সরকারি ফি ছাড়া যদি কেউ টাকা দাবি করে কিংবা কাগজপত্র সঠিক থাকার পরেও হয়রানি করে তাহলে ইউএনও’র কাছে অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেন তিনি। অন্যদিকে, ত্রুটিপূর্ণ কাগজে টাকার বিনিময়ে কেউ নামজারি (খারিজ) করার কথা বলে সেটাও ধোঁকাবাজি বলে ঘোষনা দেন তিনি। সব মিলিয়ে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত একটি উপজেলায় সকল সেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতির কথা জানান ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান।
