Blog

  • গোমস্তাপুরে জামায়াত নেতা সাইদুর রহমান মাস্টারের দাফন সম্পন্ন

    গোমস্তাপুরে জামায়াত নেতা সাইদুর রহমান মাস্টারের দাফন সম্পন্ন

    গোমস্তাপুরে জামায়াত নেতা সাইদুর রহমান মাস্টারের দাফন সম্পন্ন

    জামায়াতে ইসলামীর সাবেক বাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়ন আমীর, জেলা জামায়াতের সুরার সদস্য এবং শ্যামপুর আলিম মাদ্রাসার সাবেক সহকারী শিক্ষক আলহাজ্ব সাইদুর রহমান মাস্টার (৭০) এ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (১৯ আগস্ট) বিকেল ৫.১৫ মিনিটের সময় স্থানীয় গোরস্থানে তার নামাজে জানাজার পর দাফন করা হয়। মরহুম সাইদুর রহমান মাস্টারের নামাজে জানাজা পড়ান তার তার মেজ ছেলে সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার শফিউল আলম। জানাজা পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী ডঃ মিজানুর রহমান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু বক্কর, জামায়াতের গোমস্তাপুর উপজেলা আমির ইমামুল হুদা, জামায়াতের গোমস্তাপুর উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা আঃ রহমান, বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন আমির জোহুরুল হক,মরহুমের বড় ভাই আলহাজ্ব সেতাব উদ্দিন, মরহুমের বড় ছেলে মুজাহিদুল ইসলাম জাহিদ, শ্যামপুর আলীর মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফাজ্জল হক, সহকারী অধ্যাপক মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাইনুল ইসলাম প্রমুখ। সঞ্চালনায় ছিলেন মরহুমের সেজো ভাই অধ্যক্ষ মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন। উল্লেখ্য, জামায়াত নেতা মরহুম সাইদুর রহমান মাস্টার গত ১৮ আগস্ট দিবাগত রাত ১২.৩০ মিনিটের সময় ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না …রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

  • তারুণ্যেও উৎসব উদযাপন উপলক্ষে সাঁতার ও এ্যাথলেটিক প্রশিক্ষনার্থীদের সনদপত্র বিতরণ

    তারুণ্যেও উৎসব উদযাপন উপলক্ষে সাঁতার ও এ্যাথলেটিক প্রশিক্ষনার্থীদের সনদপত্র বিতরণ

    রাজশাহী জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্দ্যোগে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়াম সভাকক্ষে তারুণ্যেও উৎসব উপলক্ষে সাঁতার ও এ্যাথলেটিকস প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়েছে। জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সনদপত্র বিতরণ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মির্জা ইমাম উদ্দিন। এর আগে তিনি বলেন খেলাধুলার বিকল্প নাই। খেলাধুলা করলে মন ও শরীল ভালো থাকে। আর মন ও শরীল ভালো থাকলে সকল বিষয়ে প্রশিক্ষন নেয়া যায়। প্রশিক্ষন নিলে একজন ভালো খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলা যায়। মঙ্গলবার বিকেলে এ সময় জেলা ফুটবল এসোসিশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তৌফিকুর রহমান রতন, কোষাধ্যক্ষ মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সদস্য মোঃ সাইফুল ইসলাম কালু, সাঁতার প্রশিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ রিপনসহ অন্য প্রশিক্ষক ও কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

  • সিংড়ায় রইস উদ্দিনের বাড়িতে গেলেন অপু বিশ্বাস

    সিংড়ায় রইস উদ্দিনের বাড়িতে গেলেন অপু বিশ্বাস

    রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি হাটে গরু বিক্রি করে জাল টাকা পেয়ে প্রতারিত হয়েছিলেন বৃদ্ধ রইস উদ্দিন। তার কান্নায় কেঁদেছিল পুরো দেশ। সেই ঘটনা নজরে এসেছিল চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের। নিজ খরচে তিনি রইস উদ্দিনকে সৌদি আরব পাঠান পবিত্র ওমরাহ পালন করতে। সেই রইস উদ্দিন ওমরাহ করে ফিরে এসেছেন। আর তার আমন্ত্রণে অপু বিশ্বাস আজ গিয়েছেন তার গ্রামের বাড়িতে। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) অপুর ফেসবুক আইডি থেকে একটি লাইভ করা হয় যেখানে অপু বিশ্বাসকে রইস উদ্দিনের বাড়িতে প্রবেশ করতে দেখা যায়। এ সময় তার সঙ্গে বেশ কয়েকজন ছিলেন। রইস উদ্দিনকেও দেখা যায় অপু বিশ্বাসকে অভ্যর্থনা জানিয়ে বাড়িতে নিয়ে যেতে। আশেপাশের মানুষজনও অপু বিশ্বাসকে দেখতে ভিড় জমায়। লাইভের ক্যাপশনে অপু লিখেছেন, ‘রইস উদ্দিন চাচার সাথে সাক্ষাৎ।’ অপুর লাইভে মন্তব্য করতে দেখা গেছে অনেক ভক্ত অনুরাগীকে। কেউ লিখেছেন, ‘ভালোবাসার একটা মানুষ।’ কারো মন্তব্য, ‘অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা রইলো। ভালো থাকুন।’ অপুকে ধন্যবাদ জানিয়ে কেউ লিখেছেন, ‘আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ দিদি।’ কোরবানি ঈদে রইস উদ্দিন আলোচনায় উঠে আসেন। নাটোরের সিংড়া উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামের এই বৃদ্ধ উত্তরার দিয়াবাড়ি কোরবানির হাটে নিজের পোষা গরু বিক্রি করতে এসেছিলেন। কিন্তু এক প্রতারক ক্রেতার কাছ থেকে ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা পেলেও, এর মধ্যে ১ লাখ ২১ হাজার টাকাই ছিল জাল নোট। প্রতারণার এই মর্মন্তুদ ঘটনার পর হতাশায় কেঁদেছিলেন তিনি। যা ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক মাধ্যমে। এ ঘটনায় তার পাশে প্রথম দাঁড়িয়েছিল আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন নামের একটি হিউম্যানিটারিয়ান অর্গানাইজেশন। তারা অপুর অর্থায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, প্রতারিত হওয়ার পরপরই রইস উদ্দিনকে প্রথম ধাপে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয় নগদ ৫০ হাজার টাকা। এরপর আরও বিভিন্ন মাধ্যমে বেশ কিছু সহায়তা পান রইস উদ্দিন। এই মানবিক উদ্যোগে সাড়া দিয়ে তাদের সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগাযোগ করেন অপু বিশ্বাস। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং অভিনেত্রী অপুর আর্থিক সহযোগিতায় গত ২৫ জুলাই ওমরাহ পালনের উদ্দেশে রওয়ানা হন রইস উদ্দিন।

  • রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনের সাথে আমজনগণ পার্টির সাক্ষাৎ

    রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনের সাথে আমজনগণ পার্টির সাক্ষাৎ

    রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনের সাথে বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টির সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দলটির কেন্দ্র, জেলা, মহানগর পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা। মঙ্গলবার রাজশাহী জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দলটির নিবন্ধন প্রক্রিয়ার বিষয়ে আলাপ করেন তারা। এছাড়াও দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত নির্বাচন থাকবে কি-না সেই বিষয়েও আলোচনা করেন তারা। নির্বাচন কমিশনারের সাথে আলাপকালে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টির জেলার আহ্বায়ক মো. আকরাম আলী ও রাজশাহী জেলার সদস্য সচিব মো. আলাউদ্দিন মন্ডলসহ জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ। শেষে রাজশাহী জেলা শাখার আহ্বায়ক মো. আকরাম আলী বলেন, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা আমাদের সঙ্গে খুব সুন্দরভাবে কথা বলেছেন এবং নিবন্ধন প্রক্রিয়ার বিষয়ে ভালো গাইডলাইন দিয়েছেন। আর আমরা আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে আম জনতার জন্য কাজ করার লক্ষ্যে কাজ করছি। আগামী নির্বাচনে ভালো অবস্থানে থাকবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ আমজনগণ পার্টির রাজশাহী জেলার সদস্য সচিব মো. আলাউদ্দিন মন্ডল। তিনি বলেন, আমাদের পার্টির আহ্বায়ক দেশে বেকার ও দূর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন। তার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধ পরিকর। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন, মোস্তাফিজুর রহমান, পবা উপজেলার আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম নাইস, সদস্য সচিব মোছা. হেলালী খাতুন নাইস, মোহনপুর উপজেলার আহ্বায়ক ইউসুফ আলী, সদস্য সচিব ফজলু শেখ, রুবেল হোসেন, মো. আব্দুল্লাহ, মো. সহোল রানা ও মো. ইসাহাক আলী পিন্টুসহ অন্যরা।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ইতিহাসের সাক্ষী ৫০০শতোর্দ্ধ বয়সী তেঁতুল গাছ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ইতিহাসের সাক্ষী ৫০০শতোর্দ্ধ বয়সী তেঁতুল গাছ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ইতিহাসের সাক্ষী ৫০০শতোর্দ্ধ বয়সী তেঁতুল গাছ

    বরেন্দ্র ভূমির ঐতিহাসিক জনপদ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের মধ্যে ইতিহাস ও ঐতিহ্যে নেজামপুর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই ইউনিয়নের মাটিতেই বিপ্লবী কিংবদন্তি নেত্রী ইলা মিত্রের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়েছিল ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলন। এখানকার একটি গ্রাম সারাদেশে পরিচিতি পেয়েছে ‘আল্পনা গ্রাম’ হিসেবে। আর এই ইউনিয়নের শুড়লা গ্রামে নাচোলের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হিসেবে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রায় সোয়া ৫২৫ বছরের বেশি বয়সী তেঁতুল গাছ! রাজকীয় এই তেঁতুল গাছটির আকার যেমন বিশাল, তেমনই উচ্চতাও আকাশচুম্বী। গাছটিতে এখনও শুধু তেঁতুলই ধরেনা, বক পাখিরাও এই গাছেই বাসা বাঁধে, ডিম পাড়ে। ঐতিহ্যবাহী এই গাছটি দেখতে মানুষের আনাগোনাও বাড়ছে গ্রামটিতে। নাচোল বাসস্ট্যান্ড মোড় থেকে শুড়লা গ্রামটির দূরত্ব ৫-৬ কিলোমিটার। তথ্যে জানা যায়, ২০০৩ সালের আগে কেউই তেঁতুল গাছটির বয়স জানতেন না। তৎকালীন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক নুরুল হক তেঁতুল গাছটি দেখে এই বিষয়ে উদ্যোগী হন। তিনি উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা করান। বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন, গাছটির বয়স ৫০০ বছরেরও বেশি। তারপর থেকেই প্রশাসন গাছটিকে প্রাচীনবৃক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করে এবং দেখভালের দায়িত্ব নেয়। গাছটির যাতে কোনো ক্ষতি সাধন না হয়, সেজন্য জনসচেতনতামূলক একটি সাইনবোর্ডও লাগিয়ে দেয়া হয়, যদিও বর্তমানে সাইনবোর্ডটির অবস্থাও ভালো না।
    তেঁতুল গাছটির বয়স শনাক্তের পরই একে ঘিরে সবার আগ্রহ তৈরি হয় এবং গাছটি দেখার জন্য শুড়লা গ্রামে বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থীসহ মানুষের আনাগোনা বেড়ে যায়। তবে, প্রথম দিকে গ্রামে যাওয়ার রাস্তাটি কাঁচা থাকায় বর্ষা মৌসুমে পর্যটক ছিল হাতেগোনা। কিছুটা হেয়ারিং রাস্তাসহ এখন পাকা রাস্তা হয়েছে। পর্যটকদের কথা ভেবে প্রশাসন বসার জন্য ছাউনি তৈরি করেন, যাতে দূর থেকে আসা লোকজন খানিকটা বিশ্রাম নিতে পারেন। এছাড়া গাছের গোড়াও বাঁধিয়ে দেয়া হয়।

    ঐতিহ্যের পাশাপাশি গাছটিকে এলাকাবাসী সম্পদও মনে করেন। তাই গাছটিকে রক্ষার জন্য কেউ কোনো ক্ষতি করে না। গাছটিকে ঘিরে স্থানীয় হিন্দু পরিবারগুলো এখনো পূজা করে। এ বিষয়ে নিতাই বর্মন বলেন, আগে গাছটি আরও উঁচু ছিল। ২০০০ সালের পর গাছের সবচেয়ে উঁচু ডালটি ভেঙে পড়ে। দাদারাও গাছটি এরকমই দেখেছেন বলে গল্প শুনেছেন। শুড়লা গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি শিক্ষক সুবাস চন্দ্র বর্মন বলেন, আমার মনে পড়া থেকে শুনে আসছি যে, এই তেঁতুল গাছটি ৫শত বছর আগের। পর্যটকদের অসুবিধার দিকটি তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি শৌচাগার আছে, যা অকেজো। এখানে একটি মানসম্মত শৌচাগার, বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা, মন্দির এবং গাছটি ঘিরে প্রাচীর নির্মাণ, গাড়ি পার্কিং ও বসার স্থানের ব্যবস্থা করা জরুরি। একই গ্রামের শ্রীমতি জসোদা বালা বলেন, গাছটির গোড়া ফেটে গেছে। সেটি বাঁধাসহ অনেক কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, গাছটিকে আমরা মানুষের নজরেই দেখি। তেঁতুল গাছ প্রসঙ্গে স্থানীয় লেখক ও গবেষক আলাউদ্দিন আহমেদ বটু বলেন, তেঁতুল গাছটি সংরক্ষণে আরও পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এছাড়া পর্যটকদের কথা বিবেচনা করে সেখানে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো দরকার।
    এই বিষয়ে নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন বলেন, তেঁতুল গাছটি প্রশাসনের পক্ষ থেকেই দেখভাল করা হয়। তবে গাছটিকে ঘিরে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

  • স্বৈরাচার আ’লীগ আমলের প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়-রিজভী

    স্বৈরাচার আ’লীগ আমলের প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়-রিজভী

    নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রশাসন থেকে ‘আওয়ামী ক্যাডারদের’ অপসারণের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একইসাথে তিনি আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতির বিরোধিতা করে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এই পদ্ধতির জন্য প্রস্তুত নয়। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে। কিন্তু স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ আমলের প্রশাসন দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। তাই প্রশাসন থেকে আওয়ামী ক্যাডারদের অপসারণ করতে হবে। মাঠ পর্যায়ে নিরপেক্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে হবে। সোমবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নীলফামারী জেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। পিআর পদ্ধতি নিয়ে রিজভী বলেন, জনগণ এ ধরনের নির্বাচনী পদ্ধতির জন্য প্রস্তুত নয়। বাংলাদেশের জন্য পিআর পদ্ধতি উপযোগী নয়। যারা পিআর দাবি করে তাদের উদ্দেশ্য নিয়েই সন্দেহ থেকে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, সব মতের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে। ছাত্র প্রতিনিধিরা থাকলেই শিক্ষাঙ্গনে গণতান্ত্রিক চর্চা টিকে থাকে। নীলফামারীতে আওয়ামীলীগ আমলের নিষ্ঠুরতা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, গত ১৬ বছরে নীলফামারীতে আন্দোলন করতে গিয়ে অসংখ্য নেতাকর্মী হত্যা, গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। একজন মন্ত্রীর নির্দেশে গোটা জেলাকে রক্তাক্ত প্রান্তরে পরিণত করা হয়েছে। এসময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং নীলফামারী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম-সহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা, উপজেলা বিএনপি ও অংগ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা।

  • স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে টাউন ক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা, কেক কাটা, দোয়া মাহফিল ও র‌্যালির আয়োজন করা হয়।


    জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জামিউল হক সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় দলের নেতাকর্মীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

    পরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে কোর্ট চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
    আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন- সদস্য সচিব বাবর আলী রুমন, আখিলুর রহমান,

    জানিবুল ইসলাম (জসি), বদিউজ্জামান, এম হোসেন, আব্দুস সামাদ, ইমন, হামিদুর রহমান (মুকুল), তন্ময়, আরিফসহ জেলা ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা। কর্মসূচিতে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

  • গোমস্তাপুরে এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার-রহস্য উদঘাটন তদন্তে পুলিশ

    গোমস্তাপুরে এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার-রহস্য উদঘাটন তদন্তে পুলিশ

    গোমস্তাপুরে এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার-রহস্য উদঘাটন তদন্তে পুলিশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৮ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের জুগিবাড়ী বুড়িতলা এলাকায় সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ সাদিরুল ইসলামের আমবাগান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের অন্ধকারে আমবাগানের ভেতরে মহিলার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে গোমস্তাপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে। এসময় লাশের পাশ থেকে একটি স্যান্ডেল ও চাবির ছড়া জব্দ করা হয়।
    পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করছে, অজ্ঞাতনামা ওই নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। পরে লাশটি আমবাগানে ফেলে রাখা হয়।
    নিহতের দুই হাত কোমরে লাগানো ছিল, বাম পা ভাঁজ করা ও ডান পা লম্বা অবস্থায় ছিল।
    স্থানীয়দের ভাষ্য, এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ড আগে কখনো এ এলাকায় ঘটেনি। ফলে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেকেই ধারণা করছেন, এটি পূর্বশত্রুতাজনিত হত্যাকাণ্ড বা পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটতে পারে।
    গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওদুদ আলম বলেন, “স্থানীয়দের দেয়া সংবাদের ভিত্তিতে জেসমিন নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জেলা হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। নিহতের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। নিহত ব্যাক্তি বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নের শিশাতলা গ্রামের মোঃ মজিবুর রহমানের মেয়ে ও মোঃ আনারুর ইসলামের স্ত্রী মোসাঃ জেসমিন বেগম। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।” এ ঘটনায় মামলা রুজু হবে বলেও নিশ্চিত করেন ওসি ওয়াদুদ আলম। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ বলছে, পরিচয় শনাক্ত ও হত্যার রহস্য উদঘাটনে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

  • গাইবান্ধায় জামায়াতের শ্রমিক নেতা হত্যার রহস্য উদঘাটন ॥ ঘাতক গ্রেফতার

    গাইবান্ধায় জামায়াতের শ্রমিক নেতা হত্যার রহস্য উদঘাটন ॥ ঘাতক গ্রেফতার

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠন শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার নাকাই ইউনিয়নের (শীতল গ্রাম) ৯নং ওয়ার্ড সভাপতি নজরুল ইসলাম হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই একমাত্র হত্যাকারী রিফাত মন্ডল সৌরভ (১৬) কে আলামতসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকান্ড ঘটনা হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের। জানা গেছে, গত ১৭ই আগস্ট (রবিবার) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ৮নং নাকাই ইউনিয়নের শীতল গ্রামের একটি রাস্তার পার্শ্বে নজরুল ইসলামের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি পেশায় একজন মুদি দোকানদার ছিলেন এবং দোকানে বিকাশ, নগদ ও ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা করতেন। সে ওই গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছোট ছেলে। হত্যাকান্ডের পর গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার নিশাত এ্যাঞ্জেলার নেতৃত্বে ও গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল ইসলাম, ওসি তদন্ত-পবিত্র, এস.আই সেলিমসহ একটি পুলিশের চৌকশ দল তদন্তে নামে। নিহত নজরুলের মোবাইল ফোনের বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকারীর অবস্থান শনাক্ত করে ১৮ই আগস্ট ভোর ৫টায় গাইবান্ধা সদর এলাকার ‘নিউ মেরিট কেয়ার কোচিং সেন্টার’ এর একটি আবাসিক ভবন থেকে রিফাত মন্ডল সৌরভকে গ্রেফতার করে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিফাত একাই এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, নিহত নজরুলের দোকানের সে নিয়মিত গ্রাহক ছিল এবং তার কাছে ১,১০০ টাকা ফ্লেক্সিলোড বাবদ বাকী ছিল। প্রায় দেড় মাস আগে রিফাত আরও দুজনের সাথে মিলে নজরুলের দোকানে চুরি করে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ার পর তাকে মারধর করা হয় এবং ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এই ঘটনার পর থেকেই সে নজরুলের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ খুঁজছিল। এসব ঘটনার জেরে গত ১৬ই আগস্ট রাতে রিফাত বাকী টাকা পরিশোধের কথা বলে নজরুলকে ফোন করে ডেকে নেয়। নজরুল দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে রিফাতের সাথে দেখা হয়। কথা বলার এক পর্যায়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে রিফাত ক্লোরোফর্ম মেশানো রুমাল দিয়ে নজরুলের নাক-মুখ চেপে ধরে। নজরুল অজ্ঞান হয়ে পড়লে, তাকে টেনে রাস্তার পার্শ্বে বাগানে ফেলে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। হত্যাকান্ডে পর সে নজরুলের বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোডের দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে নেয়। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও একটি মোবাইল ফোন পাশের পুকুরে ফেলে দেয় এবং অন্য মোবাইলটি একটি মার্কেটের টিনের চালের উপর রেখে সে তার কোচিং সেন্টারে ফিরে যায়। এ ঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় ১৮ আগস্ট একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, মামলা নং-২৯। গ্রেফতারকৃত রিফাত মন্ডল সৌরভকে আদালতে সোপর্দ করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডে জন্য আবেদন করা হয়। গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি বুলবুল ইসলাম এক প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

  • এনবিআর সংস্কারে বাধা ॥ সাময়িক বরখাস্ত আরও ৪ কর কমিশনার

    এনবিআর সংস্কারে বাধা ॥ সাময়িক বরখাস্ত আরও ৪ কর কমিশনার

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সংস্কার কার্যক্রমের বিরোধিতা করে আন্দোলন চলাকালে দাপ্তরিক কাজে বাধা দেয়ায় কর বিভাগের আরও চার কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন, সাধন কুমার কুন্ডু (অতিরিক্ত কমিশনার, সিলেট কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট), আবুল আ’লা মোহাম্মদ আমীমুল ইহসান খান (অতিরিক্ত কমিশনার, মোংলা কাস্টমস হাউজ), মো. সানোয়ারুল কবির (যুগ্ম কমিশনার, চট্টগ্রাম কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমি), মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম (উপকমিশনার, খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট)। সোমবার (১৮ আগস্ট) প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকার গত ১২ মে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করে। এর প্রতিবাদে এনবিআর কর্মচারীদের আন্দোলনের সময় এই চার কর্মকর্তা দাপ্তরিক কাজে বাধা দেন এবং কর্মীদের কাজ ছেড়ে রাজস্ব ভবনে আসতে বাধ্য করার মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এই কারণে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা-৩৯ (১) অনুযায়ী তাদের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তারা এনবিআর-এর বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বরখাস্তকালীন সময়ে তারা বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা পাবেন।