Blog

  • জয়পুরহাটে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারপিট ॥ চাঁদা দাবীর হাস্যকর অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের

    জয়পুরহাটে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারপিট ॥ চাঁদা দাবীর হাস্যকর অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের

    জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ছড়া লেখা খারাপ হওয়াই তাছিন তালহা (০৭) নামের দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিশুকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছে উপজেলার অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগের দায় এড়াতে ওই শিশু শিক্ষার্থীকে উল্টো চাঁদাবাজ অ্যাখ্যা দিয়ে অভিভাবককে গালমন্দ করেছেন প্রধান শিক্ষকন। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ঘটনায় রোববার দুপুরে ওই শিক্ষার্থীর মা এবং ওই বিদ্যালয়ের ২৫ জন অভিভাবক স্বাক্ষর করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। রোববার বিকেলে ওই বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তারা শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলছেন। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং অভিভাবকরা অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে অন্যত্র বদলীর দাবি জানান। পরে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন কর্মকর্তারা। অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার ১২ আগষ্ট উপজেলার অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র তাছিন তালহা প্রতিদিনের মতো স্কুলে যায়। ওই দিন প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম ক্লাসে গিয়ে ক্লাস টেষ্ট অনুশীলনের অংশ হিসাবে সবাইকে ‘আমাদের ছোট নদী’ ছড়া লিখতে দেন। ছড়া লেখায় তালহা বেশ কয়েকটি বর্ণ ছোট বড় করে লিখে শিক্ষককে জমা দেন। কিছু লেখা ছোট বড় এবং ক্লাসে বিশৃঙ্খলা করায় তাকে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে বেধরক মারধর করেন। এসময় ছাত্রটির পিঠ এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর জখম হয়। পরে সমাবেশ চলাকালীন লাইন বাঁকা হওয়াই আবারও তালহাসহ আরও বেশ কিছু শিক্ষার্থীর হাতে কঞ্চি দিয়ে মারেন ওই প্রধান শিক্ষক। বিষয়টি সে বাড়িতে এসে মাকে জানালে তার মা মারধরের কারণ জানতে স্কুলের ওই শিক্ষকের কাছে যান। এসময় গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে তাকে ও তার ছেলেকে চাঁদাবাজ আখ্যা দিয়ে গালিগালাজ করেন ওই শিক্ষক। এরপর থেকে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা। ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে তিনি শিশু ছাত্রকে চাঁদাবাজ বানানোর চেষ্টা করছেন বলে জানান স্থানীয়রা। শিশুটির মা তাসলিমা আকতার শাপলা বলেন, আমার ছেলে ওই দিন দুপুরে বাড়িতে এসে কান্না করতে করতে আমাকে মারধরের বিষয়টি জানায়। পরে আমি ওই শিক্ষকের কাছে মারধরের কারণ জানতে গেলে তিনি আমাকে বলেন, আপনার ছেলে আমার কাছে এক মাস আগে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা চেয়েছে। তার উপর লেখা খারাপ করেছে বলে, আমাকে ও আমার ছেলেকে চাঁদাবাজ আখ্যা দিয়ে গালিগালাজ করেছে। দ্বিতীয় শ্রেণির একজন ছাত্র কিভাবে চাঁদা চাইতে পারে? ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রভাবিত করতে আমার ছেলের বিরুদ্ধে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ওই শিক্ষক। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। স্থানীয় বাসিন্দা মনজুর ইসলাম কবির বলেন, প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম সবসময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। সামান্য ভুলেও বাচ্চাদের পেটান, সমাবেশে লাইন বাঁকা হলেও ছাড় দেন না। এমনকি প্রশংসাপত্র দিতে নিয়মবহির্ভূতভাবে টাকা নেন। তার এই আচরণে স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে। দ্বিতীয় শ্রেণির শিশু চাঁদা চাইবে এটা অবিশ্বাস্য। সেবা আক্তার নামের এক অভিভাবক বলেন, ওই প্রধান শিক্ষক কোমলমতি শিশুদের সাথে প্রায় সময় খারাপ আচরণ করেন। সে ছোট খাটো ব্যাপারে শিশু শিক্ষার্থীদের গালমন্দ করে মারধর করেন। তাকে আমরা এই স্কুলে দেখতে চাইনা। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, মাস খানেক আগে ওই ছাত্র আমার কাছে এসে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দাবি করেছিল। সেদিন ক্লাসে হট্টোগোল করায় ক্লাস নিয়ন্ত্রণ করতে মেরেছি। এটা আমার ঠিক হয়নি। প্রশংসাপত্র কম্পিউটার থেকে তৈরী করতে খরচ হয়। তাই অল্প পরিমানে টাকা আদায় করি। তবে সবার কাছে নয়। দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র চাঁদা চেয়েছে বিষয়টি বিশ্বাস যোগ্য কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ সে ৫০ হাজার টাকা চেয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ইতোমধ্যে ঘটনাটি আমরা সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট বাচ্চাটির অভিভাবক একটি অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবো। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুরুল আলম বলেন, দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রটির মা একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেওয়া হবে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক জনতার সমাবেশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক জনতার সমাবেশ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক জনতার সমাবেশ

    ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক জনতার আয়োজনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ গেইটের সামনে সোমবার (১৮ আগষ্ট) সকালে সমাবেশে বক্তারা দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিদেশি স্বার্থে করা নানা চুক্তি, উদ্যোগ ও পরিকল্পনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মুহম্মদ নুরুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুহম্মদ পারভেজ কবির, মুহম্মদ আল মামুন, মুহম্মদ আশিক, মুহম্মদ আব্দুল মালেকসহ অন্যরা। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও কৌশলগত গুরুত্বকে কাজে লাগিয়ে একদিকে ভারত আর অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র দেশকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চাইছে। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ভারতের দালালি কিংবা আমেরিকার দালালি কোনটাই বাংলাদেশে চলবে না। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মূল্যবোধ রক্ষায় জনগণ ঐক্যবদ্ধ। সমাবেশ থেকে ১৬ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ছিল জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস বাংলাদেশে স্থাপনের অনুমতি বাতিল, আমেরিকার সঙ্গে স্বার্থবিরোধী গোপন বাণিজ্য চুক্তি রদ, চট্টগ্রাম বন্দরের কৌশলগত হাব বিদেশীদের হাতে তুলে না দেওয়া, সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর গুলিতে বাংলাদেশি হত্যার প্রতিকার, স্টারলিংক ইন্টারনেট বন্ধ এবং বিদেশি ক্ষতিকর খাদ্যপণ্য আমদানি বন্ধ করা। এছাড়া দেশের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ বিরোধী সমকামীতা বা এলজিবিটি বৈধকরণ, পতিতাদের রাষ্ট্রীয় ভাতা প্রদান এবং বিতর্কিত নারী বিষয়ক সংস্কার প্রতিবেদন বাতিলের দাবিও জানানো হয়। আয়োজকরা অভিযোগ করেন, বহির্বিশ্বের চাপিয়ে দেওয়া নানা সিদ্ধান্তে দেশের অর্থনীতি ও শিল্প-কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে বিভাজন সৃষ্টির ষড়যন্ত্রও চলছে। বক্তারা বলেন, জনগণকে সংগঠিত করে এসব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে। সমাবেশে শতাধিক ছাত্র-শ্রমিক ও জনতা।

  • ভোলাহাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

    ভোলাহাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

    ভোলাহাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত হয়েছে। ‘অভয়াশ্রম গড়ে তুলি-দেশি মাছে দেশ ভরি’ এই শ্লোগানে সারাদেশের ন্যায় ভোলাহাট উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর আয়োজিত ১৮ আগষ্ট বেলা ৩ টার সময় উপজেলা মডেল মসজিদ গ্রাউন্ডে এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভার মাধ্যমে শ্রেষ্ঠ মৎস্য চাষীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সুলতান আলী, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ নাসিম উদ্দিন, রাকাব ভোলাহাট শাখা ব্যবস্থাপকসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ এবং মৎস্যচাষীরা। এসময় সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে মাছ চাষের উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, মাছ চাষে অধিক লাভ এবং দেহের আমিষের ঘাটতি পূরণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অঃ দাঃ) সঞ্জয় কুমার সরকার। স্বাগত বক্তব্যে তিনি বলেন, নিরাপদ মাছ চাষ করলে আগামি প্রজন্ম অপুষ্টিতে ভুগবেনা। উপস্থিত সবাইকে নিরাপদ মাছ চাষের জন্য পরামর্শ দেন তিনি। ১৮ আগষ্ট থেকে ২৪ আগষ্ট পর্যন্ত মৎস্য সপ্তাহ চলবে বলে জানান কর্তৃপক্ষ। আলোচনা সভার পূর্বে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালি পরবর্তী উপজেলা আনন্দ পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

  • নিয়ামতপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

    নিয়ামতপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

    ‘অভয়াশ্রম গড়ে তুলি-দেশি মাছে দেশ ভরি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে সারা দেশের ন্যায় নওগাঁর নিয়ামতপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৮ আগষ্ট) বেলা ১১টায় উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা চত্বর থেকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শরিফুল আলমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুর্শিদা খাতুন। উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা রাসেল রানার সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন নিয়ামতপুর থানার ওসি হাবিবুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, শিক্ষা অফিসার তরিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম, নিয়ামতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনি আহমেদসহ অন্যরা। শেষে পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা সহ সফল উদ্যোক্তা ও মাছ চাষীদের হাতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

  • নাচোলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

    নাচোলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

    নাচোলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘অভয়াশ্রম গড়ে তুলি, দেশি মাছে দেশ ভরি’। এ উপলক্ষে সোমবার (১৮আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা পরিষদ চত্বর পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ করা হলে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার কামাল হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার ভূমি সুলতানা রাজিয়া, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দুলাল উদ্দিন খাঁন, প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাঃ কাওসার আলী। এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী ও উপজেলার মৎস্য চাষিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে কার্প জাতীয় মাছ চাষে হেলিম, কার্প নার্সারি মাছ চাষে আনারুল হক ও ছোট (গুলশা) মাছ চাষে ৩জন সফল মৎস্য চাষিকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

  • পত্নীতলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    পত্নীতলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    পত্নীতলায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    নওগাঁর পত্নীতলায় সড়ক দুর্ঘটনায় রকি কুমার (২৮) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নজিপুর বাসস্ট্যান্ডের পূর্ণিমা কসমেটিক এর স্বত্বাধিকারী রকি কুমার মন্ডল (২৮) (১৭ আগষ্ট) প্রতিদিনের ন্যায় দোকান বন্ধ করে রাত ৯.০০ টার সময় বাড়ি ফেরার পথে নজিপুর মহাদেবপুর রোডের কাটাবাড়ি নামক স্থানে রাস্তার পাশে স্তুপ করে রাখা বালুতে মটর সাইকেল স্লিপ করে পাকা রাস্তায় ছিটকে পড়ে গিয়ে তার মাথায় প্রচন্ড আঘাত পায় এবং গুরুতর আহত হয়। তৎক্ষণাৎ স্থানীয় পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে পত্নীতালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহীর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। অ্যাম্বুলেন্সে রাজশাহী যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। সে পত্নীতলা উপজেলার উজিরপুর গ্রামের শ্রী রঞ্জিত কুমার মন্ডলের একমাত্র ছেলে। পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ এনায়েতুর রহমান বলেন, সকল প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • রাজশাহীতে ২ গ্রামে চারজনের দাফন সম্পন্ন ॥ রহস্যে পুলিশী তদন্ত

    রাজশাহীতে ২ গ্রামে চারজনের দাফন সম্পন্ন ॥ রহস্যে পুলিশী তদন্ত

    রাজশাহীতে ২ গ্রামে চারজনের দাফন সম্পন্ন ॥ রহস্যে পুলিশী তদন্ত

    ঋণের দায়ে পরিবারসহ আত্মহত্যার ঘটনায় রাজশাহীতে ২ গ্রামে চারজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রহস্যের জালে পুলিশী তদন্ত। জীবিত অবস্থায় কেউ দায়িত্ব না নিলেও মৃত্যুর পর লাশ ভাগ করে দাফনের দায়িত্ব নিয়েছে দুই পরিবার। শনিবার (১৬ আগস্ট) মহানগরীর টিকাপাড়ায় মা-মেয়ের এবং বামন শিকড়ে পিতা-ছেলের দাফন সম্পন্ন হয়। তবে এই মর্মান্তিক ঘটনা চাপ দিয়ে পরিকল্পিত হত্যা, না নিছক আত্মহত্যা, এ নিয়ে রহস্যের ছায়া ঘনীভূত হচ্ছে। নিহতরা হলেন, মিনারুল ইসলাম (৩৮), তাঁর স্ত্রী মনিরা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৪) এবং মেয়ে মিথিলা (৩)। সিংড়া পুকুরপাড়ের উত্তর পাশের বাসিন্দা মিনারুল কৃষিকাজ করে সংসার চালাতেন। প্রতিবেশীদের মতে, তিনি চাপা স্বভাবের মানুষ ছিলেন, অভাবে থাকলেও কখনো কারও কাছে হাত পাততেন না। কিন্তু ঋণের জালে আটকে পড়ে তাঁর জীবন অসহ্য হয়ে ওঠে। রাজশাহীর পবা উপজেলার বামনশিকড় গ্রামে অভাব-অনটন আর ঋণের চাপে জর্জরিত এক কৃষক তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করছে পুলিশ। গত শুক্রবার সকালে বাড়ির দুটি কক্ষ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে পাওয়া দুটি চিরকুটে মৃত্যুর কারণ বর্ণনা করেছেন নিহত মিনারুল ইসলাম। ঘটনাস্থলে এক কক্ষের বিছানায় মনিরা ও মিথিলার মরদেহ পাওয়া যায়। ঘটনায় শুক্রবার রাতে মতিহার থানায় দুটি মামলা দায়ের হয়। মিনারুলের বাবা রুস্তম আলী অপমৃত্যুর মামলা করেন, অন্যদিকে শাশুড়ি শিউলি বেগম মিনারুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মতিহার থানার ওসি আব্দুল মালেক সাংবাদিকদের বলেন, চিরকুটে মিনারুল তিনজনকে হত্যার পর আত্মহত্যার কথা লিখে গেছেন। ফরেনসিক পরীক্ষায় যদি এটা নিশ্চিত হয়, তাহলে হত্যা মামলা চলবে না; চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে। অন্যথায় তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করা হবে।

  • জামালপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

    জামালপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

    জামালপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন

    জামালপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৮ আগষ্ট) সকালে এ উপলক্ষ্যে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, র‌্যালী, আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর। সকালে হর্টিকালচার সেন্টারের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণের মধ্য দিয়ে কর্মসুচি শুরু করেন জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম। এ সময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আ. ন. ম আশরাফুল কবীর, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাত শহীদ পিংকিসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর শহরের ফৌজদারী মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আ. ন. ম আশরাফুল কবীরের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক জাকিয়া সুলতানা, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: সানোয়ার হোসেন, সিনিয়র তথ্য অফিসার মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনসহ অন্যানরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, দেশের মৎস্য খাত রক্ষা করতে বেশি বেশি মৎস্য উৎপাদনের পাশাপাশি পোনামাছ রক্ষা করতে হবে। প্রকৃতিকভাবে সৃষ্ট জলাশয়গুলো আমাদের রক্ষা করতে হবে যাতে দেশী মাছের সংকট সৃষ্টি না হয়। বাংলাদেশের উৎপাদিত মাছ বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। এই আয়কে ধরে রাখতে ও আয় বৃদ্ধি করতে মাছের পুষ্টির মান বাড়াতে মাছের খাদ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। মাছ চাষীদের মাছের নিরাপদ খাদ্যের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। সভা শেষে জেলার মৎস্য খাতে অবদান রাখায় ৪ জন মৎস্য চাষীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু ॥ এলাকায় শোকের ছায়া

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু ॥ এলাকায় শোকের ছায়া

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে ৩ শিশুর মৃত্যু ॥ এলাকায় শোকের ছায়া

    পৃথক স্থানে পদ্মা ও মহানন্দার বন্যার পানিতে ডুবে জেলায় ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার চরমোহনপুর গ্রামের ২ চাচাতো ভাই একসাথে গোসল করতে গিয়ে মহানন্দা নদীতে ডুবে যায়। অন্যদিকে, শিবগঞ্জ উপজেলার তেররশিয়া এলাকায় নদীতে ডুবে ৪৪ মাসের এক শিশু ডুবে মারা যায়। ডুবে মারা যাওয়া শিশুরা হচ্ছে, চরমোহনপুর চকপাড়ার খোকনের ছেলে আরিয়ান (৪) ও তার চাচাতো ভাই কাউসার আলী লিটনের ছেলে মোজাহিদুর রহমান (৭) এবং জেলার শিবগঞ্জের চরপাঁকা দশরশিয়া গ্রামে শরিফুল ইসলামের ছেলে সাঈদ (১৩ মাস)।

    জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পদ্মা ও মহানন্দার বন্যার পানিতে আপন দুই চাচাতো ভাইসহ তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকালে শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের চরপাঁকা দশরশিয়া গ্রামে এবং বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের চরমোহনপুর চকপাড়া এঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্র জানায়, রবিবার দুপুরে পরিবারের অজান্তে বাড়ির পাশে মহানন্দা নদীর বন্যার জমে থাকা পানিতে মাছ ধরতে যায় আরিয়ান ও মোজাহিদুর। এসময় সেখানে গর্তের মধ্যে পড়ে গিয়ে সেখানেই তাদের মৃত্যু হয়। পরে বিষয়টি জানতে পেরে পরিবার ও স্থানীয় লোকজন ভাসমান অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশষ্ট জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

    এদিকে, সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মনিরা খাতুন বলেন-শিশু ২টি ডুবে আগেই মারা যায়, পরিবারের লোকজন শিশু ২টিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরীক্ষা করে ২ শিশুকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। এব্যাপারে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান বলেন, বন্যার পানিতে মাছ ধরতে গিয়ে দুই শিশু ডুবে মারা গেছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় শিশুদের মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ইউডি মামলা হয়েছে। এছাড়াও সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বন্যার পানিতে ডুবে ১৩ মাস বয়সী সাঈদ নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাঁকা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মালেক জানান, সকালে সাঈদ পরিবারের অগোচরে বাড়ির পাশে বন্যার পানিতে পড়ে যায়। পরে বাড়ির লোকজন ওই স্থান থেকে সাঈদকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। শিবগঞ্জ থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া বলেন, বন্যার পানিতে ডুবে সাঈদ নামে ১৩ মাসের এক শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। তবে এ বিষয়ে থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃতি সন্তান রুবেল হক পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব নির্বাচিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃতি সন্তান রুবেল হক পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব নির্বাচিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃতি সন্তান রুবেল হক পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব নির্বাচিত

    ৩৬তম বিসিএস (পুলিশ) সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন-২০২৫ এর সাত সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এ কমিটিতে সদস্য সচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাগপুর ইউনিয়নের ১৩ রশিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ারী জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) রুবেল হক।
    রুবেল হক তার সততা, পেশাদারিত্ব ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নিষ্ঠার জন্য সুপরিচিত। শিবগঞ্জের এক প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে এসে তিনি দেশের পুলিশ সার্ভিসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। এই কমিটির আহ্বায়ক: মো. জাকির হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএমপি), সদস্য সচিব: রুবেল হক, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার, ওয়ারী জোন, ডিএমপি। অন্য সদস্যরা হলেন, আফসানা বেগম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার, ডিএমপি। মিজানুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম রেঞ্জ। তানভীর আহমেদ, সহকারী পুলিশ কমিশনার, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। শারমিন আক্তার, সহকারী পুলিশ সুপার, রংপুর রেঞ্জ। কামরুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ কমিশনার, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) রাতে রাজধানীর রমনার পুলিশ অফিসার্স মেসে ৩৬তম বিসিএস ব্যাচের পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এ সময় উপস্থিত সদস্যরা নব-নির্বাচিতদের ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা জানান, নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি ভবিষ্যতে পূর্ণাঙ্গ কার্যকরী কমিটি গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবে। পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তাদের কল্যাণ, পেশাগত উন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং পেশাদারিত্বের মানোন্নয়নে এ কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ৩৬তম বিসিএস ব্যাচের পুলিশ কর্মকর্তারা ইতোমধ্যেই দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। নতুন কমিটির মাধ্যমে সংগঠন আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা প্রকাশ করেন নব-নির্বাচিতরা।