Blog

  • গোমস্তাপুরে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল ও সমাবেশ

    গোমস্তাপুরে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল ও সমাবেশ

    গোমস্তাপুরে জামায়াতে ইসলামীর গণমিছিল ও সমাবেশ

    ৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গোমস্তাপুর উপজেলা ও রহনপুর পৌর শাখার উদ্যোগে এক বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেলে রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজ মাঠ থেকে এক বিশাল গণমিছিল বের হয়। মিছিলটি রোহনপুর পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলি প্রদক্ষিণ করে রহনপুর রেলস্টেশন বাজার এক নম্বর রেলগেটে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানের সভাপতি করেন গোমস্তাপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ইমামুল হুদা। বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ দুই আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী ডক্টর মিজানুর রহমান, জামায়াত মনোনীত রহনপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী ও জেলা জামায়াতে কর্মপরিষদ সদস্য সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম বকুলসহ অন্যরা।

  • গোদাগাড়ীতে গণঅভ্যুত্থান দিবসে জামায়াতের সমাবেস ও বিক্ষোভ মিছিল

    গোদাগাড়ীতে গণঅভ্যুত্থান দিবসে জামায়াতের সমাবেস ও বিক্ষোভ মিছিল

    গোদাগাড়ীতে গণঅভ্যুত্থান দিবসে জামায়াতের সমাবেস ও বিক্ষোভ মিছিল

    ৫ আগষ্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গোদাগাড়ী ডাইংপাড়ায় মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক, বক্তব্য প্রদান করেন, বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের রাজশাহী জেলা সভাপতি ড. ওবাইদুল্লাহ, রাজশাহী জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারী অধ্যাপক কামরুজ্জামান, উপজেলা আমীর মাস্টার নুমায়ন আলী, গোদাগাড়ী পৌর আমীর আনোয়ারুল ইসলাম, গোদাগাড়ী পৌর সেক্রেটারী শওকত আলী প্রমুখ। বক্তারা বলেন, চাঁদাবাজি ১০০% বন্ধ করতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প নেই। প্রতিটি অফিসে ঘুষ বন্ধ করতে হবে। আগামীতে ইসলামী বিধান মতে দেশ চলবে। ইসলামের আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই। এর জন্য দরকার ইসলামী দলকে নির্বাচিত করা।

  • জুলাই বিপ্লব উপলক্ষে বিএমডিএ’র উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    জুলাই বিপ্লব উপলক্ষে বিএমডিএ’র উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    জুলাই বিপ্লব উপলক্ষে বিএমডিএ’র উদ্যোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

    জুলাই বিপ্লব উপলক্ষ্যে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও বৃক্ষরোপন অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (৪ আগষ্ট) বিকেলে বিএমডিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ রিজিয়ন কার্যলয়ে জুলাই বিপ্লব উপলক্ষে আলোচলা সভা ও শহিদ এবং আহত যোদ্ধাদের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিএমডিএ ভবনের সামনে বৃক্ষরোপণ করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ), চাঁপাইনবাবগঞ্জ রিজিয়নের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আল মামুনুর রশীদ। আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত সহকারী প্রকৌশলী ও অপারেটরগন, কৃষকবৃন্দ সহ কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ। এ সময় বক্তব্য রাখেন, নাচোল উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রেজাউল কারিম, গোমস্তাপুর উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আলম আব্দুল মান্নান, সহকারী প্রকৌশলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ (সদর) মুসাইদ মাসরুব ও উপ সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী জনৈক অপারেটর ও কৃষকবৃন্দ।

  • গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ৪’শ ৩৪ বস্তা সার ও ১৬০ কেজি ধান বীজ জব্দ

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ৪’শ ৩৪ বস্তা সার ও ১৬০ কেজি ধান বীজ জব্দ

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ৪’শ ৩৪ বস্তা সার ও ১৬০ কেজি ধান বীজ জব্দ

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সরকারী আইন অনুযায়ী লাইসেন্স ছাড়া সার বিক্রয়, অবৈধভাবে মজুদ ও ক্রয় রশিদ না থাকার অভিযোগে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত সার ও কীটনাশকের দোকানে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন প্রকারের ৪’শ ৩৪ বস্তা সার ও ১’শ ৬০ কেজি ধানের বীজসহ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের সার ও বীজ পট্টি এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান। অভিযানে গাইবান্ধা সেনাক্যাম্পের মেজর মোঃ ইনজামামুল আলম, ক্যাপ্টেন ইকরামুল হক, ওয়ারেন্ট অফিসার রাকিবুল আলম ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হাদিসুর রহমানসহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা এ অভিযানে অংশ নেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত গোবিন্দগঞ্জ পৌর বাজারে মেসার্স মাসুদ এন্ড ব্রাদার্স, মেসার্স মদিনা ট্রেডার্স, গীতা সার ঘর, শ্রী অমরেন্দ্র নারায়ন চাকী, মেসার্স জেনিন ট্রেডার্স, মেসার্স রুপালী সার ঘর ও মেসার্স প্রধান কৃষি সম্ভারে অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। এসময় ওইসব দোকানে অভিযানে চালিয়ে ৪শ’ ৩৪ বস্তা ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সার এবং ১শ’ ৬০ কেজি বিভিন্ন প্রকার ধান বীজ জব্দ করা হয়। সেই সাথে অভিযুক্ত ব্যবসায়ীদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদি হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত সার ও ধান বীজ সমূহ সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রয় করে সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

  • নাচোলে বিনামূল্যে গমবীজ সংরক্ষণ সাইলো বিতরণ

    নাচোলে বিনামূল্যে গমবীজ সংরক্ষণ সাইলো বিতরণ

    নাচোলে বিনামূল্যে গমবীজ সংরক্ষণ সাইলো বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিসিআরএল প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে গমবীজ সংরক্ষণের সাইলো (ড্রাম) বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে কৃষকদের মাঝে এই সাইলো বিতরণ করেন রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক অতিরিক্ত পরিচালক ড.আজিজুর রহমান। এসময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিচালক ড. ইয়াছিন আলী, নাচোল উপজেলা কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আব্দুন নূর, আবু রায়হান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও আলী মর্তুজা, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাকিবসহ অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা, কর্মচারী ও উপকার ভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম জানান, বিসিআরএল প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলায় ৮টি সমিতির ৩২০ জনকে ৭দিনের একটি ট্রেনিং করা হয় এবং জমিতে গম বপনের জন্য তাদেরকে এক প্যাকেট করে গমবীজ দেওয়া হয়। গম উৎপাদন করে কৃষকরা যাতে করে পরবর্তীতে বপনের জন্য বীজ সংরক্ষণ করতে পারে সেই উপলক্ষে ৩২০জনকে ২টি করে মোট ৬৪০টি গমবীজ সংরক্ষণ সাইলো (ড্রাম) দেওয়া হয়।

  • বাগাতিপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর বিশাল গণ মিছিল

    বাগাতিপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর বিশাল গণ মিছিল

    বাগাতিপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর বিশাল গণ মিছিল

    নাটোরের বাগাতিপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর এক বিশাল গণ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বেলা ১২ টার দিকে “জুলাই জাগরণ, নব উদ্যোমে বিনির্মাণ” এই স্লোগানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাগাতিপাড়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলার মালঞ্চি বাজার রেল গেইটের পূর্ব পাশ থেকে একটি বিশাল গণ মিছিল বের করা হয়। গন মিছিলটি মালঞ্চি বাজারের প্রধান সড়ক হয়ে উপজেলা চত্বরে প্রদক্ষিণ করে আবার মালঞ্চি বাজারের পূর্ব পাশ্বে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাগাতিপাড়া থানা নায়েবে আমীর আনোয়ার হোসেন মুজাহিদের সঞ্চালনায় ও আমীর মাওলানা একেএম আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, থানা জামায়াতের সেক্রেটারি জাকির হোসেন, থানা জামায়াতের অনন্য কর্মপরিষদে সদস্য মমতাজ আলী সরকার, আব্দুর রব, আব্দুল আজিজ, মাওলানা শামসুদ্দিন, গোলাম মোস্তফা, মাওলানা জাহিদুল ইসলাম এবং শুরা সদস্য হাফেজ জহুরুল ইসলাম, বাগাতিপাড়া পৌর জামায়াতের আমির হাফেজ রবিউল ইসলাম সহ ছাত্র শিবিরের সভাপতি মিঠু সরকার ও সেক্রেটারি শাহীন আলম। সত্য, ন্যায় ও ইসলামের পথে থেকে নব উদ্যোমে বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান পথসভার বক্তারা।

  • ভালুকায় জুলাই গণ অভ্যুত্থান দিবসে বিএনপির আনন্দ মিছিল

    ভালুকায় জুলাই গণ অভ্যুত্থান দিবসে বিএনপির আনন্দ মিছিল

    ভালুকায় জুলাই গণ অভ্যুত্থান দিবসে বিএনপির আনন্দ মিছিল

    ময়মনসিংহের ভালুকায় ৫ আগস্ট জুলাই গণ অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আনন্দ মিছিল করেছে উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। মঙ্গলবার (০৫ অগস্ট) বিকেলে ভালুকা সরকারি কলেজ থেকে বের হওয়া মিছিলটি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়। এতে উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক সালাউদ্দিন আহাম্মেদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক মজিবর রহমান মজুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আলহাজ্ব মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম। এ সময় উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংযোগ সড়ক নির্মানে কলেজের ‘বাধা’ ॥ বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংযোগ সড়ক নির্মানে কলেজের ‘বাধা’ ॥ বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংযোগ সড়ক নির্মানে কলেজের ‘বাধা’ ॥ বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্বরোড মোড় থেকে বেলেপুকুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত সংযোগ সড়ক নির্মাণে শাহ নেয়ামতুল্লাহ কলেজ কর্তৃক ‘অযৌক্তিক’ বাধার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন এলাকাবাসী। সোমবার (৪ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন বেলেপুকুর, শিয়ালা ও আশেপাশের কয়েকটি এলাকার শতাধিক মানুষ। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র সাবেক উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোঃ শামসুল আলম গানু, সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান কুটু, ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম রবি, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর সরকারি কলেজের প্রভাষক মোঃ হুমায়ুন, কারকা কম্পিউটারের স্বত্ত্বাধিকারী প্রভাষক আব্দুর রউফ, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা শাখার সদস্য সচিব মোঃ রুমন আলী, পৌর শাখার ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা শাহিন আলীসহ অন্যরা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত সড়কটি কেবল একটি রাস্তাই নয়,

    এটি এলাকাবাসীর বহু বছরের চলাচলের একমাত্র করিডোর। শাহ নেয়ামতুল্লাহ কলেজ সরকার থেকে লিজ পাওয়া জমিতে প্রতিষ্ঠিত হলেও, সেই লিজের মেয়াদ ২০১০ সালেই শেষ হয়ে গেছে। এরপর থেকে আর লিজ নবায়ন হয়নি, এমন দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী। বক্তারা অভিযোগ করেন, এলাকাবাসীর চাপে কলেজ কর্তৃপক্ষ সীমানা দেয়ালে একটি গেট রাখলেও, সেটি সারাক্ষণ তালাবদ্ধ থাকে। এতে মহল্লাবাসী দীর্ঘদিন ধরে কার্যত একটি ‘ছিটমহলের’ মতো অবস্থায় বাস করছে। সরু গলিপথে রিকশাও চলাচল করতে পারে না। বিকল্প হিসেবে সরকার বেলেপুকুর থেকে বিশ্বরোড পর্যন্ত ৩০ ফুট প্রস্থের একটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়, যা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনও পেয়েছে। অধিকাংশ জমির মালিক ইতোমধ্যেই জমি রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন এবং অধিগ্রহণের অর্থ জনগণই বহনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে এমন সময়ে, যখন সড়ক নির্মাণ কার্যক্রম চূড়ান্ত পর্যায়ে, তখনই কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের সীমানার আশেপাশে রাস্তা নির্মাণে আপত্তি জানিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এমনকি কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ভুল বুঝিয়ে আন্দোলনে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা নিন্দনীয়। সাবেক জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ্ব মোঃ শামসুল আলম গানু বলেন,

    কলেজের নাম করে একটি গোটা মহল্লার জীবন দুর্বিষহ করে তোলা হচ্ছে। আমরা শিক্ষার বিরুদ্ধে নই, তবে জনস্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান মেনে নেওয়া হবে না।” স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়, কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনোদিনই মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এ সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসেনি বরং রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে জনসাধারণের চলাচলের রাস্তাকে দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ রেখেছে। এলাকাবাসীর মতে, সরকারি জমিতে লিজে থাকা কলেজ কোনোভাবেই নাগরিক অধিকার খর্ব করতে পারে না। তাই প্রশাসনের কাছে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্পন্নের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা। এলাকাবাসীর এমন জোরালো অবস্থানের পর বিষয়টি নতুন করে প্রশাসনিকভাবে গুরুত্ব পাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থানে অনড় থাকলে, এ নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দিয়েছেন বক্তারা।

  • দলীয়করণের ধারাবাহিকতা অব্যাহত সবখানেই-টিআইবি

    দলীয়করণের ধারাবাহিকতা অব্যাহত সবখানেই-টিআইবি

    দলীয়করণের ধারাবাহিকতা অব্যাহত সবখানেই-টিআইবি

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ‘স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার’ ক্ষমতাচ্যুত হলেও দলীয়করণের সেই ধারাবাহিকতা প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিচার ব্যবস্থাসহ সব জায়গায় অব্যাহত রয়েছে বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি এটার মনে করছে, কয়েকটি দলের চাপে যে প্রক্রিয়ায় আওয়ামীলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তা ভবিষ্যতে প্রতিপক্ষ দমনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরির ঝুঁকি সৃষ্টি করবে। আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর দেশের এক বছরের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ মূল্যায়ন তুলে ধরেছে টিআইবি। সোমবার ঢাকার ধানমন্ডিতে নিজেদের কার্যালয়ে ‘কর্তৃত্ববাদী সরকার পতন-পরবর্তী এক বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। গবেষণা প্রতিবেদনের একটি খসড়া পড়ে শোনান গবেষক শাহজাদা এম আকরাম ও মোহাম্মদ জুলকারনাইন। প্রতিবেদনে সরকারের নেওয়া সংস্কারের উদ্যোগ, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার, জাতীয় ঐক্যমুক্ত প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, আইনশৃঙ্খলা, আর্থিকখাত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ জ্বালানি, নির্বাচন, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও সেনাবাহিনী প্রসঙ্গ এসেছে। জুলাই অভ্যুত্থান দমানোর চেষ্টায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যে বিচার চলছে, সেই প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিয়োগ করা বিচারক ও কৌঁসুলিদের নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক ও সমালোচনা রয়েছে। তাদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলেও এবং কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও ঢালাও মামলা উপযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপরাধের ধরন অনুযায়ী মামলা না দেওয়ার ফলে মামলার ভিত্তি দুর্বল হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
    জনপ্রশাসনের সংস্কার নিয়ে টিআইবির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, “পতিত সরকারের সময় দলীয় বিবেচনায় বঞ্চিত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি কর্মকর্তা উপসচিব, যুগ্ম সচিব এবং অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।
    তাদের মধ্যে প্রায় ৫৫০ জনকে অনুমোদিত পদের বাইরে এবং ৭৬৪ জনকে ভুতাপেক্ষা পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে (এপ্রিল পর্যন্ত)। চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় মোট ৪০ জনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে (ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত)। যুগ্ম সচিব ও সমপর্যায়ের পদে থাকা প্রশাসনের মোট ৪৫ জনকে ওএসডি করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট ৫১৬ জনকে ওএসডি করা হয়েছে। বিতর্কিত তিনটি নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা ডিসি ও এসপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। জনপ্রশাসনের বর্তমান অবস্থার মূল্যায়নে টিআইবি বলছে, “এখন জনপ্রশাসনে একটি দলের অনুসারীদের পরিবর্তে অন্য দল বা দলগুলোর প্রাধান্য ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠান পেয়েছে। বঞ্চিত হওয়ার নামে অবৈধ সুযোগ-সুবিধা আদায় চলছে। জনপ্রশাসন সংস্কার বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, “পদোন্নতি পাওয়া বা পদ বঞ্চিত হওয়ার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণে ব্যর্থতার অভিযোগ ও স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে। প্রশাসনে এক ধরনের দলীয়করণের পরিবর্তে আরেক ধরনের দলীয়করণ শুরু হয়েছে মন্তব্য করে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিষয়টা এমন যে- এতদিন আমরা বাইরে ছিলাম, এখন আমাদের খাওয়ার সময়। এমন প্রবণতা রাজনীতি ও প্রশাসনের সর্বক্ষেত্রে প্রতিফলন ঘটছে।

  • ৫ আগস্ট নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই-স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ৫ আগস্ট নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই-স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ৫ আগস্ট নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই-স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ৫ আগস্ট নিয়ে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। বরাবরের মতোই সতর্ক আছে সরকার, এমন মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সোমবার সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা শেষে তিনি এ কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা কাঙ্খিত মাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি, তবে এই সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে।’ মব আগের চেয়ে অনেক কমেছে, এ বিষয়ে কোন ছাড় নেই বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ আছে। বিশেষ অভিযান পুরো দেশেই চলছে। এটা নির্বাচনের আগ পর্যন্ত চলতে থাকবে। সব ধরণের প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি।’ কিছু কিছু দলকে বেশি নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা সব দলকেই নিরাপত্তা দিয়ে আসছি। তবে যে দল বেশি দুর্বল, তাকে বেশি নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে।’ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘গেল বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকার চলে যাবার পর থেকে এক বছরে অবশ্যই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, যদিও কা্ংিখত অবস্থায় যাওয়া সম্ভব হয়নি। স্বাধীনতার পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কখনোই কাঙ্ক্ষিত অবস্থায় আসেনি। এই সরকার চেষ্টা করছে, আগামীতে যে সরকার আসবে, তারা হয়তো আরও ভাল করবে। পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্রের সব এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, নির্বাচনে কে অংশ নেবে বা নেবে না, তা নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত। নির্বাচনে যথাযথ দায়িত্ব পালন করবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।