Blog

  • নওগাঁয়মিথ্যে মামলার ফাঁদে দীর্ঘদিন রাণীনগরের শতাধিক সরকারি পুকুর

    নওগাঁয়মিথ্যে মামলার ফাঁদে দীর্ঘদিন রাণীনগরের শতাধিক সরকারি পুকুর

    সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব

    নওগাঁয়মিথ্যে মামলার ফাঁদে দীর্ঘদিন রাণীনগরের শতাধিক সরকারি পুকুর

    সরকারের রাজস্ব আদায়ের অন্যতম একটি খাত হচ্ছে সরকারি পুকুর ইজারা প্রদান। যে পুকুরগুলো প্রতিবছর ইজারার মাধ্যমে সরকারের রাজস্বের ঘরে জমা পড়ে কোটি কোটি টাকা। কিন্তু একটি চক্র জনস্বার্থের নাম ও স্থানীয় মসজিদ মাদ্রাসা, কিংবা মন্দিরের উন্নয়নের নামে মিথ্যে মামলা করে বছরের পর বছর এবং যুগের পর যুগ সেই পুকুরগুলো বিনা টাকায় অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছে। আর পুকুর থেকে প্রতি বছরের আয় হওয়া টাকা স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা বিভিন্ন চক্রের মাধ্যমে নিজেদের পকেটে ভরছেন। এমন মিথ্যে মামলার ফাঁদ থেকে পুকুরগুলো রক্ষা করে নিয়ম মাফিক ইজারার আওতায় আনতে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন মহল।
    জানা গেছে, নওগাঁর রাণীনগর উপজেলায় সরকারের রাজস্বভুক্ত মোট পুকুর রয়েছে ৫শত ৮৫টি। এর মধ্যে একটি চক্র উপজেলার যে পুকুরগুলো থেকে ভালো মানের আর্থিক লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, বেছে বেছে সেই পুকুরগুলো জনস্বার্থে ব্যবহার ও স্থানীয় মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরের উন্নয়নে ব্যবহারের কথা বলে আদালতে মিথ্যে মামলা করে আশির দশক থেকে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজেরা অবৈধভাবে ভোগদখল করে আসছে। এছাড়া, এক ব্যক্তি বাদি হয়ে মামলা করে পুকুর নিজের আয়ত্তে নিয়ে অন্যের কাছে ইজারা দিয়ে কেউ যুগের পর যুগ ভোগদখল করে আসছে, এমন অভিযোগও রয়েছে।
    সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পুকুর পরিদর্শন করে দেখা গেছে, যে পুকুরটি বর্তমান সময়ে ইজারা দিয়ে সরকার পেতো পাঁচ লাখ টাকা, মামলার কারণে সেই পুকুরটি অন্যরা বাদীর কাছ থেকে নামমাত্র মূল্যে ইজারা নিচ্ছে, আর সেই ইজারার অর্থ সরকারকে দিতে হচ্ছে না মর্মে জনসাধারণের নাম ভাঙ্গিয়ে লাভবান হচ্ছেন সমাজের প্রভাবশালীরা। অপরদিকে, সরকার যুগের পর যুগ ধরে মামলার কারণে পুকুরগুলো ইজারা দিতে না পারার কারণে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। জেলার অন্যান্য উপজেলাগুলোর প্রায় সহস্রাধিক খাস পুকুরের একই অবস্থা।
    বর্তমানে উপজেলার বড়-ছোট মিলিয়ে ১ শত ১৫টি পুকুর ব্যক্তি স্বার্থে অথবা জনস্বার্থে/এলাকাবাসীর পক্ষেঅহেতুক মিথ্যে মামলার ফাঁদে ফেলে কতিপয় ব্যক্তিরা ভোগদখল করে আসছে। যখনই চলমান মামলার রায় সরকারের পক্ষে যায়, তখন ওই ব্যক্তিরা আইনজীবীদের সঙ্গে আঁতাত করে লাখ লাখ টাকা খরচ করে পুনরায় মামলা করে পুকুরগুলো নিজেদের দখলে নেয়। আবার অনেকেই সংশ্লিষ্ট অফিসের কতিপয় ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে ইজারা তিন বছরের মধ্যে কখনোও এক বছরের টাকা জমা দেয়, আবার কখনো দুই বছরের টাকা জমা দেয়, আর বাকি লাখ লাখ টাকা লুটপাটের খাতায় জমা হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, মামলাভুক্ত পুকুর থেকে যে অর্থ আয় হয়, তার সামান্য অংশটুকুও স্থানীয় মসজিদ, মাদ্রাসা কিংবা মন্দিরের উন্নয়নে ব্যয় করা হয় না। এতোদিন যখন যে সরকার এসেছে, তখন সেই সরকারের প্রভাবশালী নেতারা পুকুরের মামলার বাদীদের ম্যানেজ করে অবৈধভাবে বছরের পর বছর ভোগ করে আসছেন। ইতোমধ্যে উপজেলার যে সকল পুকুর জনসাধারণের নামে মামলা করে নিজের আওতায় নিয়ে অন্যের কাছে ইজারা দিয়ে ভোগ করা হচ্ছে, সেই সকল পুকুরগুলোর তালিকা করে সেগুলো জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে উপজেলা প্রশাসন কার্যক্রম শুরু করেছে। এছাড়া, ওই সকল পুকুরের মামলার বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ হয়ে আইনী মোকাবেলার প্রস্তুতিও গ্রহণ করেছে উপজেলা রাজস্ব প্রশাসন।উপজেলার কালীগ্রাম ইউনিয়নের রামজীবনপুর মৌজার ২৮০ নম্বর দাগে ১.৭০ একর পুকুরটি জনস্বার্থে ব্যবহার ও স্থানীয় মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নের নামে ১৯৮৮সালে মামলা করা হয়। এরপর থেকে পুকুরটি আর ইজারার আওতায় আসেনি। পরবর্তিতে মামলার রায় সরকারের পক্ষে গেলে ২০০৮ সালে রামজীবনপুর গ্রামের দবির উদ্দিনের ছেলে মোজার আলী জনসাধারণের পক্ষে পুনরায় মামলা (মামলা নং ১৭৮/২০০৮ অ: প্র:) দায়ের করলে এখন পর্যন্ত পুকুরটি মোজাহার আলী ভোগদখল করে আসছেন।একই ইউনিয়নের আমগ্রাম মৌজার ০.৩৮, ০.৬২, ১.০৪, ১.২৫, ০.৯৬, ০.০৩, ১.১৩, ০.৭১ একরের ৮টি পুকুরের উপর জনসাধারণের পক্ষে আমগ্রামের নায়েব উল্লাহের ছেলে আব্দুল জব্বার বাদী হয়ে ২০০৭ সালে মামলা (মামলা নং ১৮১/২০০৭ অ: প্র:) দায়ের করেন। এরপর থেকে পুকুরগুলো জব্বারের ছেলে আব্দুল খালেক ভোগদখল করে আসছে। মামলার রায় বাদির অনুকূলে যাওয়ায় পরবর্তিতে সরকারের পক্ষ থেকে এই পুকুরগুলো আর ইজারার আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।উপজেলার হরিপুর মৌজার ৫.১৬ একরের পুকুরটিও ২০১৬ সালে জনসাধারণের পক্ষে হৃদয় চন্দ্র দিং মামলা করে। পরবর্তিতে মামলার রায় বাদির অনুকূলে যাওয়ায় বর্তমানে ঐ পুকুরটি হরিপুর গ্রামবাসীর নামে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ভোগ করে আসছে। একই ভাবে উপজেলার তেবাড়িয়া মৌজার ৬টি পুকুর ২০০২সাল থেকে জনসাধারণের পক্ষে তেবাড়িয়া গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম বকুল মামলা করেন। এরপর থেকে তেবাড়িয়া জামে মসজিদের পক্ষে জাহাঙ্গীর আলম বকুল পুকুরগুলো ভোগ করে আসছেন।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দির কমিটির সদস্যরা জানান, প্রতিষ্ঠানের নামে কিংবা জনসাধারণের ব্যবহারের নাম করে পুকুরগুলো মামলা করা হলেও পুকুর থেকে আয় হওয়া অর্থের নামমাত্র সামান্য কিছু অর্থ কোন কোন বছর পাওয়া যায়, আবার কোন কোন বছর পাওয়া যায় না। আর বাকি অর্থগুলো সমাজের নাম ভাঙ্গিয়ে প্রভাবশালীদের পকেটে চলে যায়। এছাড়া বর্তমান সময়ে কোন এলাকার বাসিন্দারা আর পুকুরের পানি দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করে না। আধুনিকতা আর যান্ত্রিকতার যুগে সবাই গভীর নলকূপ ব্যবহার করে। মিথ্যে অজুহাত দেখিয়ে কতিপয় পুকুর খেকোরা মিথ্যে মামলার মাধ্যমে সরকারের কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে লুটপাট করে আসছে।উপজেলার বেলঘরিয়া গ্রামের সমাজ প্রধান ওই গ্রামের মৃত-নবির উদ্দিনের ছেলে মো: আফতাব উদ্দিন জানান, ২০০৪ সালে বেলঘরিয়া গ্রামের মৃত-নবির উদ্দিনের ছেলে মোবারক হোসেন বাদী হয়ে জনস্বার্থে ও বেলঘরিয়া গ্রামের মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দিরের উন্নয়নের লক্ষ্যে বেলঘরিয়া মৌজার ৩৫৫ দাগের ১.৩৮ একর, ৪৮৪দাগে ০.৫৫ একর, ৬০৫ দাগে ২.০৪ একর, ৪৮৬দাগে ১.৭৩ একর ও ১২৩১দাগে ১.৫৪ একরের ৫টি পুকরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে তখন থেকে পুকুরগুলো ওই গ্রামের সমাজ মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দিরের উন্নয়নকল্পে ব্যবহার করে আসছে। পরবর্তি সময়ে বাদী মোবারক মারা গেলে আইনজীবীর সহযোগিতায় পুনরায় মামলা দায়ের করলে রায় তাদের পক্ষে আসে।তিনি আরো জানান, এই মামলা চালাতে গিয়ে সমাজের মানুষদের লাখ লাখ টাকা খরচ করতে হয়েছে। আগে পুকুরগুলোর ইজারা মূল্য খুবই কম ছিলো। তাই বিগত সময়ে পুকুরগুলো অন্যের কাছে ইজারা দিয়ে যে অর্থ আয় হতো, সেই অর্থ সমাজের পেছনে আর অবশিষ্ট অর্থগুলো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ব্যয় করা হতো। চলতি বছর বড় তিনটি পুকুর স্থানীয় ইউপি মেম্বার এবাদুল চার লাখ টাকা মূল্যে ইজারা নিয়েছেন। ইজারার কিছু অর্থ ইতোমধ্যেই পাওয়া গেছে। সেই অর্থ সমাজের বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হয়েছে। পরবর্তি অর্থ পেলে সেগুলো মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দিরের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে বলে জানান এই সমাজ প্রধান।উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: সাখাওয়াত হোসেন জানান, রাষ্ট্রীয় সম্পদ কারো একার ভোগের জন্য নয়। যারা মিথ্যে মামলা দিয়ে বছরের পর বছর সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে খাস পুকুরগুলো ভোগদখল করে আসছে, তাদেরকে আইনের আওতায় আনার কোন বিকল্প নেই। সেই সঙ্গে দ্রুত মিথ্যে মামলা নিষ্পত্তি করে রাষ্ট্রীয় সম্পদগুলো উদ্ধার করার বিশেষ অনুরোধ রইলো নতুন বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি। এছাড়া সরেজমিনে পরিদর্শন সাপেক্ষে যে সকল পুকুর জনসাধারণের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার উপযোগি, সেই পুকুরগুলো জনস্বার্থে উন্মুক্ত করে দিতে এবং অন্যগুলো ইজারার আওতায় আনার জোর দাবী জানান এই নেতা।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাকিবুল হাসান প্রতিবেদককে জানান, সরকারের আয়ের বড় একটি অংশ হচ্ছে খাস পুকুর ইজারা। কিন্তু বিভিন্ন চক্র জনসাধারণেরপক্ষে উপজেলার শতাধিক খাস পুকুরের বিরুদ্ধে মামলা করে ভোগ করে আসছে। এর মধ্যে যে সকল পুকুর বছরের পর বছর ধরে একজন বাদী হয়ে মামলা করে অন্যের কাছে সেই পুকুর লিজ দিয়ে এবং মসজিদ, মাদ্রাসা কিংবা মন্দিরের উন্নয়নের নাম করে পুকুর ভোগ করে আসছেন, সেই সকল ৩১টি পুকুরের তালিকা অনুসারে সরেজমিনে গিয়ে সেই সকল পুকুরগুলো উদ্ধার করে যেগুলোর মামলার রায় জনস্বার্থে সেগুলো জনগণের ব্যবহারে এবং যেগুলো মসজিদ, মাদ্রাসা কিংবা মন্দিরের উন্নয়নে মামলা রয়েছে সেগুলো সঠিক কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হবে। সেই সঙ্গে পুকুরগুলোর চলমান মামলা নিষ্পত্তি করে যেন দ্রুত ইজারার আওতায় আনা যায়, সেই বিষয়ে আইনী লড়াইয়ের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। একইসাথে পুকুরের ইজারার অর্থ যেন কোন সমিতি বাঁকি রাখতে না পারে, সেই বিষয়েও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতে উপজেলার আরো যতগুলো পুকুরের বিরুদ্ধে জনস্বার্থে ব্যক্তি বিশেষের পক্ষে মামলা করা হয়েছে, সেগুলোও দ্রুত আইনী লড়াইয়ের মাধ্যমে মুক্ত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা জানান এই কর্মকর্তা।

  • গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিত্যক্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন

    গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিত্যক্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন

    গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিত্যক্ত অ্যাম্বুলেন্সে আগুন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে অচল অবস্থায় থাকা অ্যাম্বুলেন্সটি হঠাৎ করে জ্বলতে দেখা যায়। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে আসলে তারা দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।খবর পেয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের গোমস্তাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থেকে একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে অ্যাম্বুলেন্সটির ভেতরের অধিকাংশ অংশ পুড়ে যায়। তবে, এঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।গোমস্তাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সাব-অফিসার মাহাতাব উদ্দিন মৃধা জানান, অ্যাম্বুলেন্সটি দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চত্বরে পড়ে ছিল। খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

  • নাটোরের বাগাতিপাড়া মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অবৈধ কর্মকান্ড

    নাটোরের বাগাতিপাড়া মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অবৈধ কর্মকান্ড

    নাটোরের বাগাতিপাড়া মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অবৈধ কর্মকান্ড

    নাটোরের বাগাতিপাড়ায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীর প্রাপ্য মজুরি জাল স্বাক্ষরের মাধ্যমে আত্মসাৎ এবং অফিসের ওয়াইফাই বিলের অর্থ উত্তোলনে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। সরকারি অফিসিয়াল ভাউচার যাচাই ও ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি সামনে আসে।জানা গেছে, দীর্ঘদিন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস আদেশে মাসিক ২ হাজার টাকা পারিশ্রমিকে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন খদেজা বেগম (৫৫)। তবে কাগজে মাসিক ২ হাজার টাকা উত্তোলন দেখানো হলেও বাস্তবে তাকে দেওয়া হতো মাত্র ৫০০ টাকা। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মতে, একজন অসহায় নারীর প্রাপ্য অর্থ আত্মসাৎ কেবল আর্থিক অনিয়ম নয়, এটি ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানবিকতার চরম লংঘন।তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জাল স্বাক্ষর ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ যাচাই করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে, একইভাবে অফিসের ওয়াইফাই বিলেও অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। মাসিক ৬০০ টাকায় চুক্তি থাকলেও বিল ও ভাউচারে উত্তোলন দেখানো হয়েছে ১ হাজার ৫০০ টাকা।এক প্রশ্নের জবাবে নথিতে থাকা স্বাক্ষর নিজের নয় বলে দাবি করেছেন খদেজা বেগম এবং তিনি বলেন, কখনোই মাসিক ২ হাজার টাকা পাননি। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, খদেজা বেগম বাগাতিপাড়া পৌরসভার নড়ইগাছা এলাকার বাসিন্দা। প্রায় ৩০ বছর ধরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিভিন্ন দপ্তর ও ডরমেটরি ভবনে পরিচ্ছন্নতা ও রান্নার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন দাপ্তরিক আদেশে কাজ করলেও তিনি কখনো লিখিত নিয়োগপত্র বা স্থায়ী চাকরির নিশ্চয়তা পাননি। মৌখিক চুক্তির সুযোগ নিয়ে তার প্রাপ্য অর্থ কাগজে বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ আলোচনা শুরু হওয়ার পর তাকে কোনো লিখিত কারণ ছাড়াই ৫০০ টাকা হাতে দিয়ে কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সঙ্গে অসদাচরণ এবং কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সদস্যদের নাস্তার টাকা আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।খদেজা বেগম বলেন, তিনি বহু বছর ধরে অফিসে কাজ করেছেন এবং প্রতি মাসে ৫০০ টাকা পেতেন। তার নামে বেশি টাকা উত্তোলন করা হতো বলে তিনি আন্দাজ করলেও কখনো প্রতিবাদ করেননি। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর হঠাৎ একদিন তাকে ৫০০ টাকা দিয়ে জানানো হয়, আর কাজ করতে হবে না। তিনি দাবি করেন, তাকে দেওয়া অর্থের বিপরীতে কখনো কোনো কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি।উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহববুর রহমান বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। সরকারি নথি ও স্বাক্ষরের সঙ্গে বাস্তব প্রাপ্তির অমিল স্পষ্টভাবে দুর্নীতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের দাবি জানান তিনি।অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শিরিন আক্তার বলেন, তিনি খদেজা বেগমকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে দিতেন এবং তিনি বাড়িতে অবস্থানরত একজন সাধারণ পরিচ্ছন্নকর্মীর মতোই কাজ করতেন। অতিরিক্ত বিল উত্তোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, বিল তৈরির সময় ভ্যাট ও আয়কর দিতে হয়, তাই বেশি অঙ্কের বিল দেখিয়ে ভাউচার করা হয়। তবে ভাউচারে জাল স্বাক্ষর ও অতিরিক্ত ওয়াইফাই বিলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো স্পষ্ট জবাব দেননি।

  • নওগাঁ আবৃত্তি পরিষদের সাধারণ সভা ॥ কায়েস উদ্দিন সভাপতি-সম্পাদক শফিকুল

    নওগাঁ আবৃত্তি পরিষদের সাধারণ সভা ॥ কায়েস উদ্দিন সভাপতি-সম্পাদক শফিকুল

    নওগাঁ আবৃত্তি পরিষদের সাধারণ সভা ॥ কায়েস উদ্দিন সভাপতি-সম্পাদক শফিকুল

    আবৃত্তি পরিষদ নওগাঁ ‘আপন’ এর সাধারণ সভা, কার্যকরী কমিটির নির্বাচন এবং ইফতার মহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ‘আপন’ কার্যালয়ে সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয় পরিষদের সহ-সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিনের সভাপতিত্বে। সভায় আয় ব্যায়ের হিসাবসহ বিভিন্ন রিপোর্ট উপস্থাপন করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা সিদ্দিকী মায়া। সংগঠনের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ শরিফুল ইসলাম খান, বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ শরিফুর রহমান, ফরিদুল করিম তরফদার, মোঃ লুৎফর রহমান, সহসভাপতি এ্যাড. জাহাঙ্গীর ইসলাম বুলবুলসহ অন্যন্য সদস্যবৃন্দ আলোচনা করেন। পরে সভার সভাপতি চলমান কার্যকরী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষনা করে অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম খান, অধ্যক্ষ শরিফুর রহমান এবং আব্দস সাত্তার মন্ডলকে ৩ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করেন।দ্বিতীয় পর্বে ২০২৬-২০২৭ বছরের জন্য কার্যকরী পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশন প্যানেল আহবান করে। একটি মাত্র প্যানেল দাখিল হওয়ায় নির্বাচন কমিশন সে প্যানেলকে বিজয়ী ঘোষনা করেন। বিজয়ীরা হলেন, সভাপতি পদে মোঃ কায়েস উদ্দিন, সহ-সভাপতি পদে জাহাঙ্গীর ইসলাম বুলবুল, মাগফুরুল হাসান বিদ্যুৎ ও মাহমুদা খাতুন মায়া, সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মৌরিন আক্তার শারমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অসীম কুমার মহন্ত, অর্থ সম্পাদক পদে সুবল চন্দ্র মন্ড, দপ্তর সম্পাদক পদে সাভিয়া নাজনীন নীলা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে নিমাই সরকার এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বাইজিদ হোসেন পলাশ, এহসানুল ইসলাম খান পপি, জহুরুল ইসলাম জুয়েল, নুরুন্নাহার সুষমা সাথী, মৌসুমী আরা সুমি, শাহিনা আক্তার ইরিন, ইসমত আরা স্বপ্না এবং রুহুল আমিন তোতা। এ ছাড়াও একটি উপদেষ্টা পরিষদের নাম ঘোষনা করা হয়।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের বারঘরিয়ায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন ॥ মাদকমুক্ত এলাকা ঘোষণা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের বারঘরিয়ায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন ॥ মাদকমুক্ত এলাকা ঘোষণা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের বারঘরিয়ায় মাদকবিরোধী মানববন্ধন ॥ মাদকমুক্ত এলাকা ঘোষণা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়া কাজীপাড়ায় মাদক ব্যবসা বন্ধের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে গ্রামবাসী। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে কাজীপাড়া জামে মসজিদের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে পুরো এলাকাকে ‘মাদকমুক্ত’ ঘোষণা করা হয়। মানববন্ধনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, “ছোট্ট এই গ্রামে ৪-৫টি মাদকচক্রের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ। বাইরে থেকে বখাটেরা এসে প্রকাশ্যে গাঁজা, ইয়াবা ও হেরোইন সেবন করছে, যা আমাদের সন্তানদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

    ” প্রশাসনের নির্লিপ্ততা নিয়ে অভিযোগ তুলে তারা আরও বলেন, “বারবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েও প্রতিকার মেলেনি। কালেভদ্রে অভিযান হলেও রহস্যজনকভাবে মাদক ব্যবসায়ীরা পার পেয়ে যায়।” এলাকাবাসী হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, আগামীতে মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। মানববন্ধনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজসেবক, মসজিদের ইমামসহ গ্রামের সর্বস্তরের নারী-পুরুষ অংশ নেন। তারা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • কালিয়া উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    কালিয়া উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    কালিয়া উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোছাঃ মমতাজ পারভীনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী ডিউটির জন্য অর্থ লেনদেনের অভিযোগ করেছে ইউনিয়ন দলনেত্রী সাধনা রানী দাস।তিনি আরো বলেন, ইউনিয়ন সহকারী প্লাটন কমান্ডার, পাভেল গাজী ইউনিয়ন সহকারী প্লাটন কমান্ডার বুলু (কম্পিউটার অপারেটর কালিয়া উপজেলা আভি কার্যালয়) এর যোগসাজসে আমার কাছ থেকে নির্বাচন ডিউটির জন্য ভিডিপি সার্টিফিকেট বিহীন লোকের ডিউটি প্রদানের আশ্বাসে কয়েক দফাই প্রাই ৩১,২০০ টাকা আত্মসাৎ করেন।নির্বাচন ডিউটিতে (৪০ জনের) নাম রেজিস্ট্রেশন এন্ট্রি আবেদন বাবদ ২,২০০/- টাকা, ভিডিপি ট্রেনিং সার্টিফিকেট বিহীন ১০ জনের ডিউটি দেওয়ার আশ্বাসে ৮,০০০/- টাকা, ভিডিপি ট্রেনিং সার্টিফিকেটবিহীন আরও ১০ জনের ডিউটি দেওয়ার আশ্বাসে ১৩.০০০/-টাকা, নির্বাচন ডিউটির জন্য আবেদন করেননি এমন ৬ জনের ডিউটি দেওয়ার আশ্বাসে ৫.০০০/-টাকা, সাধনা রানি দাশের স্বামী সংকর ও ছেলে সোহাগের (ভিডিপি ট্রেনিং সার্টিফিকেটবিহীন) নাম নির্বাচন ডিউটিতে অন্তর্ভুক্ত করার বাবদ ৩০০০/- টাকা উৎকোচ গ্রহণ করেন। কিন্তু আমার দেওয়া ৬০ জন লোকের নির্বাচন ডিউটির দেওয়ার কথা থাকলেও ৩৮ জোনের ডিউটি প্রদান করেন (ভিডিপি ট্রেনিং সার্টিফিকেট আছে) এবং ভিডিপি ট্রেনিং সার্টিফিকেট ছাড়া ১০ জন নির্বাচন ডিউটি করলেও ৪ জনের (জহিরুল, টুটুল ফকির, সুইটি, ইয়াছিন মুন্সী, অন্য জনের পরিবর্তে ডিউটি করেন) নির্বাচনী বিলের টাকা প্রদানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন। এমতাবস্তায় মোছাঃ মমতাজ পারভীনের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। নির্বাচন ডিউটি বাবদ টাকা প্রদানকারী ব্যক্তিরা আমার ঘর বাড়ি ভেঙ্গে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেন।এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মোছাঃ মমতাজ পারভীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জেলা অফিসে একটি অভিযোগ হয়েছিল, কিন্তু অভিযোগ মিথ্যা হওয়ায় তদন্তের রায় আমার পক্ষে এসেছে। অভিযোগকারী সঙ্গে কোনো কলহ আছে কি জানতে চাইলে বলেন, কেনো কলহ নেই।এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আমাদের কাছে একটি চিঠি দিয়েছে, সে বিষয়ে নড়াইল জেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা কে বলেছি তদন্তপূর্বক প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। এ বিষয়ে নড়াইল জেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা কে মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

  • টাঙ্গাইলের মেয়ের সাথে চীনা নাগরিকের প্রেম ॥ বিয়ে করতে বাংলাদেশে যুবক

    টাঙ্গাইলের মেয়ের সাথে চীনা নাগরিকের প্রেম ॥ বিয়ে করতে বাংলাদেশে যুবক

    টাঙ্গাইলের মেয়ের সাথে চীনা নাগরিকের প্রেম ॥ বিয়ে করতে বাংলাদেশে যুবক

    টাঙ্গাইলের মেয়ের সাথে প্রেমের টানে বিয়ে করতে বাংলাদেশে এসেছে এক চীনা যুবক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়, তারপর প্রেম, অতপর বিয়ের জন্য বাংলাদেশে আসে এই যুবক। জানা গেছে, টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের ৯ম শ্রেণীতে পড়ুয়া মায়া বেশ কিছুৃদিন থেকেই টিকটক করে। এরপর উইচ্যাটের মাধ্যমে চীনা নাগরিকের সাথে পরিচয় এবং পরে বিষয়টি প্রেম পর্যন্ত গড়ায়। এরপর চীনা নাগরিক মায়াকে বিয়া করতে একবারে বাংলাদেশের বাড়ীতেই চলে আসে। স্থানীয়রা জানায়, একজন অনলাইন ইমুফ্লুয়েন্সারের ভাগ্য কি দেখছেন? চীনা নাগরিক চলে আসছে বিয়ে করার জন্য। আসলে টিকটক না করলে এটা কখনো সম্ভব হইতো না। টাঙ্গাইলের বাকি মেয়েদের অনুপ্রেরণার আরেক নাম এই মায়া। স্থানীয়রা বলছেন, পড়াশোনার পাশাপাশি টিকটক ধরো, তাতেই বৈবাহিক জীবনে সুখী হইতে পারবা। এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

  • কালিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা

    কালিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা

    কালিয়ায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নবগঙ্গা নদীর বড়কালিয়া এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে ইজারাদারকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাস ইজারাদারের প্রতিনিধি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থানার কাজিরপাগলা এলাকার আজিজুল হককে (৫৪) এ জরিমানা করা হয়।নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শ্রাবণী বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান, সংশ্লিষ্ট ইজারাদার কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়নের বি-হাচলা মৌজায় ইজারা নিয়ে অবৈধভাবে বড়কালিয়া এলাকায় বালু কেটে পরিবহনের চেষ্টা করছিল। খবর পেয়ে বালুকাটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ সময় সংশ্লিষ্ট ইজারাদারকে ২ লাখ টাকা জরিমানাসহ অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয়। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

  • রাজশাহীতে দৈনিক উপচার পরিবারের দোয়া ও ইফতার মাহফিল

    রাজশাহীতে দৈনিক উপচার পরিবারের দোয়া ও ইফতার মাহফিল

    রাজশাহীতে দৈনিক উপচার পরিবারের দোয়া ও ইফতার মাহফিল

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দেশ, জাতি ও সাংবাদিক সমাজের কল্যাণ কামনায় রাজশাহীতে ‘দৈনিক উপচার’ পরিবারের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী মহানগরীর রানীবাজার এলাকায় পত্রিকাটির নিজস্ব কার্যালয়ে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক উপচার পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক মোঃ নুরে ইসলাম মিলন এবং সঞ্চালনা করেন পত্রিকাটির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সুরুজ আলী। আয়োজনে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক, সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।দোয়া ও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক গণধ্বনি প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক এবং রাজশাহী এডিটরস ফোরামের দপ্তর সম্পাদক ইয়াকুব শিকদার, এসএ টিভির রাজশাহী ব্যুরো প্রধান মোঃ জাহিদ হাসান, এটিএন বাংলার রাজশাহী প্রতিনিধি সুজাউদ্দিন ছোটন, মাই টিভির রাজশাহী প্রতিনিধি শাহরিয়ার অন্তু, রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ আরিফ, সিনিয়র সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ, সাংবাদিক মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ, মোঃ মাসুদ পারভেজ চৌধুরী, আলেক উদ্দিন দেওয়ান, সারওয়ার সবুজ, মাঝারুল ইসলাম চপল, সাহীন সাগরসহ দৈনিক উপচার পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অনুষ্ঠানে দেশ, জাতি ও সাংবাদিক সমাজের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন দৈনিক উপচার পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হাসানুজ্জামান হাসান। দোয়া শেষে অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়। রমজানের পবিত্র এই আয়োজন সাংবাদিকদের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।

  • নাগরপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

    নাগরপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

    নাগরপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

    নাগরপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত। ১৫ রমজান উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনডিএফ টাঙ্গাইল জেলা সভাপতি ডা. এ.কে.এম আব্দুল হামিদ। স্থানীয় বিএনপি, এনসিপি ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এক সম্প্রীতির মিলনমেলায় পরিণত হয় এই আয়োজন।