Blog

  • তিনটি নির্বাচনের অনিয়ম তদন্তে কমিটি গঠন ॥ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন

    তিনটি নির্বাচনের অনিয়ম তদন্তে কমিটি গঠন ॥ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন

    স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত তিনটি সংসদ নির্বাচনে ‘দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এসব তদন্তে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামীম হাসনাইন। অন্য সদস্যরা হলেন-সাবেক অতিরিক্ত সচিব শামীম আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক (সুপণ), জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী ব্যারিস্টার তাজরিয়ান আকরাম হোসাইন এবং নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. মো. আব্দুল আলীম। কমিটির সদস্যগণ অনিয়ম তদন্ত করে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দেবেন বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে আওয়ামীলীগ সরকারের সময়েও। তুমুল গণআন্দোলনে শেখ হাসিনার পতনের দশ মাস পর ‘জনগণের ভোট ছাড়া’ ওই নির্বাচনগুলো আয়োজনের অভিযোগে মামলা করেছে বিএনপি। গত রোববার করা মামলাটিতে দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা নির্বাচন কমিশনের সব পদধারী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার কয়েক ঘণ্টা পরেই সাবেক সিইসি কে এম নূরুল হুদাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এছাড়া বুধবার সাবেক সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে তিন দিন হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। নির্বাচন নিয়ে বিএনপির মামলা, গ্রেপ্তার আর রিমান্ডের মধ্যেই অনিয়ম তদন্তে কমিটি গঠন করল সরকার। তিনটি সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, “নির্বাচনগুলো নিয়ে দেশে-বিদেশে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। নির্বাচনে নানা কৌশলে জনগণের ভোট প্রদানের অধিকার ভূলুণ্ঠিত করে সাজানো প্রক্রিয়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগকে নির্বাচিত করার জোরালো অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের সংবিধানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তা লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগও এসব নির্বাচন পরিচালনকারীদের বিরুদ্ধে। এতে দেশে আইনের শাসন, গণতন্ত্র এবং মৌলিক মানবাধিকার বিপন্ন হয়েছে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে নির্বাচনগুলোতে ‘দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ তদন্ত করতে সরকারের সিদ্ধান্তের কথা বলা হয়েছে। কমিটির কার্যপরিধি-২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষক, দেশি ও বিদেশি তদারকি প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সংগঠনের প্রতিবেদন এবং গণমাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ বিশ্লেষণ করা। নির্বাচনের বিভিন্ন দুর্নীতি, অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এবং সার্বিকভাবে এগুলোর নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ ও বিশ্লেষণ করা, নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ সীমাবদ্ধ করতে ও জনগণের ভোটাধিকার প্রদান বাধাগ্রস্ত করতে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা বিশ্লেষণ করা। এছাড়া নির্বাচনগুলোতে তৎকালীন নির্বাচন কমিশন, সচিবালয় ও প্রশাসনের ভূমিকা বিশ্লেষণ করা, নির্বাচন কার্যক্রমে আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা বিশ্লেষণ করা, তৎকালীন নির্বাচন কমিশনসমূহের বিরুদ্ধে উত্থাপিত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগসমূহ যাচাই ও অনুসন্ধান করা, বিশ্লেষণের ভিত্তিতে নির্বাচনগুলোতে অনিয়মের দায়দায়িত্ব নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতের সকল নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিবিধান, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনিক আয়োজনের কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা, পরিবর্তন ও রূপরেখার নিয়ে সুপারিশ করবে এই কমিটি।

  • বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন নাটোর জেলা প্রশাসক

    বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন নাটোর জেলা প্রশাসক

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৫ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৫ এর উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার এ অনুষ্ঠানে ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৪’ এর জন্য ৭ টি শ্রেণিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ব্যক্তিগত/প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সৃজিত ছাদ বাগান শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন নাটোর জেলা প্রশাসক। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার হাত থেকে জেলা প্রশাসক নাটোরের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন। উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নাটোর-এর প্রশাসনিক ভবনের ছাদ ও চত্বরের সৌন্দর্যবৃদ্ধি ও পরিবেশ বান্ধব উদ্যোগের প্রয়াস হিসেবে বিজ্ঞান ভিত্তিক মডেল অনুসরণ করে ‘পুষ্পমঞ্জরি’ ছাদ বাগানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ৯ প্রজাতির বনজ, ৪৫ প্রজাতির ফলদ, ২১ প্রজাতির ভেষজ, ২৬ প্রজাতির শোভাবর্ধনকারী, ৭ প্রজাতির দেশিয় বিলুপ্ত প্রায়, ৭ প্রজাতির বিরল এবং ১১ প্রজাতির সবজি ও অন্যান্য বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে এই ছাদবাগানে।

  • রাজশাহীতে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় ১১ কেন্দ্রে ১২৩ অনুপস্থিত ॥ বহিস্কার-৪

    রাজশাহীতে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় ১১ কেন্দ্রে ১২৩ অনুপস্থিত ॥ বহিস্কার-৪

    রাজশাহীর বাগমারায় বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১১ টি কেন্দ্রে অনুপস্থিত ছিলেন ১২৩ জন শিক্ষার্থী। এদিকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় একই দিনে একটি কেন্দ্রের ৪ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত চার শিক্ষার্থী ভবানীগঞ্জ ইসলামিয়া ফাজিল স্নাতক মাদ্রাসা কেন্দ্রে কোরআন বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। নকল মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়ে বার্তা দেন উপজেলা প্রশাসন। সেই বার্তায় কর্ণপাত না করেই শিক্ষার্থীরা বই নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করে। এদিকে, পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ পরে কেন্দ্র পরিদর্শনে যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল ইসলাম। এ সময় তিনি বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে বহিষ্কৃত ওই ৪ শিক্ষার্থীর শরীরে তল্লাশি করলে বই পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাদেরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। চলতি বছর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১১টি কেন্দ্রের মধ্যে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষা হচ্ছে ৫টি কেন্দ্রে। কেন্দ্রেগুলো হল ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ভবানীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ, মচমইল ডিগ্রি কলেজ, হাট গাঙ্গোপাড়া ডিগ্রি কলেজ এবং তাহেরপুর ডিগ্রি কলেজ। কারিগরি বোর্ডের অধীনে ভবানীগঞ্জ কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা কলেজ, হাট-গাঙ্গোপাড়া কারিগরি কলেজ এবং কাতিলা সবুজ সংঘ আদর্শ হাইস্কুল ও কলেজ এবং তাহেরপুর ডিগ্রি কলেজের বিএম শাখা। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ভবানীগঞ্জ ইসলামীয়া ফাজিল স্নাতক মাদ্রাসা এবং তাহেরপুর ফাজিল মাদ্রাসা। এদিকে, তিনটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বাগমারায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ১২৩ জন শিক্ষার্থী। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় ৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নকল মুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণে সকল পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

  • পাবনায় মালিক-শ্রমিকদের ক্ষোভ ॥ অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

    পাবনায় মালিক-শ্রমিকদের ক্ষোভ ॥ অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট

    সড়কে চাঁদাবাজি, শ্রমিকদের মারধরের প্রতিবাদে পাবনা থেকে ঢাকা রুটে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন ধর্মঘট করেছে পাবনা জেলা মটর মালিক গ্রুপ ও শ্রমিকরা। দীর্ঘদিন ধরে পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার অন্তর্গত শাহাজাদপুর উপজেলার মটর মালিক ও শ্রমিকরা যৌথভাবে পাবনা থেকে ঢাকাগামী সব পরিবহনের শ্রমিকদের সাথে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছেন। গত (২৫ জুন) বিনা অপরাধে পাবনার একজন শ্রমিককে মারধর করে শাহজাদপুরের বাস শ্রমিকরা। এরই প্রতিবাদে এ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে পাবনা জেলা মটর মালিক ও শ্রমিকরা। শুক্রবার (২৭ জুন) দুপুরে পাবনা জেলা মটর মালিক গ্রুপের অফিস সচিব আমিনুল ইসলাম বাবলু এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, পাবনা মোটর মালিক গ্রুপ, বাস মিনিবাস মালিক সমিতিসহ তিনটি সংগঠনের ডাকে পাবনা-ঢাকা রুটে দূর পাল্লার বাস চলাচল বন্ধ থাকবে। চলমান সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শাহজাদপুর মহাসড়ক দিয়ে পাবনার সব বাস ঢাকায় যাতায়াত করে। কিন্তু মাঝে-মধ্যেই সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাস মালিক-শ্রমিকরা পাবনার বাস চালক ও শ্রমিকদের মারধর করেন।
    তিনি বলেন, পাবনার বাসগুলোকে তাদের আগে যেতে দেয় না। শাহজাদপুরের নবীন বরণ পরিবহনের একটি বাস তাদের ইচ্ছেমত চলাচল করে। কোন নিয়মশৃঙ্খলার তোয়াক্কা করে না। গত (২৫ জুন) দুপুরের দিকে নবীন বরণ বাসটি সমিতির নিয়ম না মেনে স্লো করে। এ সময় পাবনার একটি বাস ওখানে ছিল। পাবনার বাসটি ছাড়ার সময় ছিল। কিন্তু নিয়ম না মেনে আগেই নবীর বরণ পরিবহনটি ছেড়ে দেয়। এসময় পাবনার একজন শ্রমিককে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, অন্যায়ভাবে ও জোর করে ভালো কিছু হয় না। আমরা এ সমস্যার সমাধানের জন্য এ পরিবহন ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের এ কর্মসূচি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাস মালিক শ্রমিকদের বিরুদ্ধে। আমরা স্থায়ী সমাধান দাবি করছি। এর আগেও অনেকবার ঝামেলা হয়েছিল। আমরা কয়েকদফা ধর্মঘট দিয়েছিলাম। তখন একটা সমাধান হয়েছিল। এখন আবার নতুন করে ঝামেলা সৃষ্টি করেছে। পাবনা মোটর মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খাদেমুল ইসলাম বাদশা সাংবাদিকদের জানান, বারবার কথা দেওয়ার পরও শাহজাদপুরের বাস শ্রমিকরা পাবনার গাড়িতে হামলা চালাচ্ছে। গত ২৫ জুন আমাদের একজন শ্রমিককে মারধর করা হয়। ঘটনায় আমাদের একাধিক শ্রমিক আহত হয়েছেন। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও স্থায়ী সমাধান না পাওয়া পর্যন্ত বাস চালানো সম্ভব নয়।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে আ’লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য ডলার গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আ’লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য ডলার গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ আতাউল হক কমল ও একই ইউপির কয়েকজন ওয়ার্ড সদস্যের মধ্যে কথা কাটাকাটি জের ধরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। বুধবার (২৫ জুন) বেলা ১২ টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে ও চেয়ারম্যানের কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এই ঘটনায় আ’লীগ নেতা ইউপি সদস্য আঃ মান্নান ডলার কে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটককৃত ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান ডলার একই ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে ডিসি অফিসে লিখিত অভিযোগ জমা দেন আ’লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আঃ মান্নান ডলার সহ কয়েকজন ইউপি সদস্য। এ নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে তাদের বিরোধ শুরু হয়। এরই জের ধরে ২৫ জুন বুধবার সকালে ৫নং ওয়ার্ডের রাস্তার কাজ পরিদর্শনে যান ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ আতাউল হক কমল। সেখানে তিন নাম্বার ইট দিয়ে রাস্তা করছে এমন অভিযোগে সেই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইউসুফ আলী বিশ্বাসের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। পরে প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান ডলারের নেতৃত্বে ইউসুফ আলী বিশ্বাস, সাদিকুল আলম, মতিউর রহমান ও জহুরুল হকসহ ছয়জন ইউপি সদস্য ইউনিয়ন পরিষদে আসেন এবং প্রথমদিকে ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে চেয়ারম্যানের সাথে কথা হট্টগোল করেন এবং দ্বিতীয় দফায় চেয়ারম্যানের কক্ষে কথা কাটাকাটি ও তুলকালাম কান্ড ঘটান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয় সূত্রে আরোও জানা যায়, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার পরে পুরাতন কাউন্সিল মোড়ের সামনে প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান ডলার, ইউসুফ আলী বিশ্বাস, সাদিকুল আলম, মতিউর রহমান ও জহুরুল হকের উপর চেয়ারম্যানের অনুসারীরা ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায় পরে আঃ মান্নান ডলারের নেতৃত্বে আবারোও ইউনিয়ন পরিষদে হামলা চালানো হয়। সেখানে আবারোও পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
    বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ আতাউল হক কমল বলেন, আমার উপর যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে তার সবই ভিত্তিহীন। ইউনিয়ন পরিষদ সবার, তাই সকল ইউপি সদস্য এখানে আসতে পারেন। আমি সবাইকে নিয়েই কাজ করতে চাই। কিন্ত আজকে কয়েকজন ইউপি সদস্য এসে আমার সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং ইউপি সচিব ও সিনিয়র ইউপি সদস্যকে মারধর করেন। এছাড়া ইউপি সচিবের ঘরেও ভাংচুর চালাই তারা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান বলেন, বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওয়ার্ড সদস্য মোঃ আব্দুল মান্নান ডলারকে আটক করা হয়েছে।

  • নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ট্রাক উল্টে পুকুরে ॥ নিহত-২ ॥ আহত-১২

    নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ট্রাক উল্টে পুকুরে ॥ নিহত-২ ॥ আহত-১২

    বরিশালের উজিরপুরে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে যাত্রীবাহী ট্রাক উল্টে পুকুরে পড়ে দুই নারী নিহত হয়েছে। এছাড়াও শিশুসহ আহত আরো ১২ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ সময় ঢাকা বরিশাল মহাসড়কের দুই পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বামরাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো-মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার খরিয়া গ্রামের সবুজের স্ত্রী তুফানী (৩৫) ও শরিয়তপুরের পালং থানার চরদংশা এলাকার তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী রাজিয়া (৩০)। আহতরা হলেন-আমিরুল (২), আনিশা (৫), নাসিমা (৮), শারমিন (৩০) ও রাহিমা (৪৫)। এরা সবাই মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার খরিয়া এলাকার বাসিন্দা। অন্যান্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গৌরনদী মহাসড়ক থানার ওসি আমিনুর রহমান জানান, একটি ট্রাকে মুন্সীগঞ্জ থেকে বেদে সম্প্রদায়ের শিশু ও নারীসহ ২০/২২ জনকে নিয়ে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল এলাকায় পৌঁছলে বিপরীতগামী অপর একটি যানবাহনকে সাইড দিতে যায়। এ সময় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ট্রাকটি খাদে পড়ে উল্টে গিয়ে পাশের পুকুরে পড়ে। এতে ট্রাকে থাকা সকলেই কম বেশি আহত হয়। এরমধ্যে গুরুতর ৭ জনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। তাদের দুই জনকে মৃত ঘোষনা করা হয়েছে। ওসি বলেন, বর্তমানে ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার কাজে সেনাবাহিনী, উজিরপুর থানা ও গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস সহায়তা করেছে।

  • একমাত্র রাজনৈতিক দল জামায়াত ॥ যেখানে কোনো মাদকাসক্ত নেই

    একমাত্র রাজনৈতিক দল জামায়াত ॥ যেখানে কোনো মাদকাসক্ত নেই

    বাংলাদেশের একমাত্র রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলাম। যেখানে কোনো মাদকাসক্ত নেই। এই দল ক্ষমতায় গেলে সমাজ থেকে ঘুষ, দুর্নীতি, মাদক নির্মূল হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উজিরপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উজিরপুর উপজেলা যুব বিভাগের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সভাপতি জনাব মাইনুদ্দিন তালুকদারের সভাপতিত্বে উজিরপুর টেম্পু স্ট্যান্ড থেকে উপজেলা চত্বর পর্যন্ত সচেতনতামূলক র‌্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জামায়াতে ইসলামী জেলা যুব বিভাগের সভাপতি নুরুল হক সোহরাব এ কথা বলেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুল খালেক। উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সেক্রেটারি আসাদুজজামান সবুজ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উজিরপুর উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মোঃ খোকন সরদার, উজিরপুর পৌরসভার আমির মোঃ আল আমিন সরদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা মাদকবিরোধী সমাজ গঠনের জন্য কোরআনের শাসন সমাজে ও রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সম্ভব বলে জানান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একমাত্র রাজনৈতিক দল যাহার লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীদের মধ্যে একটি লোকও মাদকাসক্ত নেই। এই দল ক্ষমতায় আসলে দেশ থেকে মাদক নির্মূল হবে এবং ঘুষ দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাল্লাহ।

  • নৌ-বহরে যুক্ত হলো দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত তিনটি ডাইভিং বোট

    নৌ-বহরে যুক্ত হলো দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত তিনটি ডাইভিং বোট

    বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত তিনটি অত্যাধুনিক ডাইভিং বোট—পানকৌড়ি, গাংচিল এবং মাছরাঙ্গা আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার খুলনা নেভাল বার্থে আয়োজিত কমিশনিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তিনি বোটগুলোর অধিনায়কদের হাতে কমিশনিং ফরমান তুলে দেন এবং নামফলক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, নৌ সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১০ জুন খুলনা শিপইয়ার্ডে ‘কিল লেয়িং’ কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে বোটগুলোর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। টেস্ট ট্রায়াল শেষে চলতি বছরের ৬ মে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয় এই অত্যাধুনিক বোটগুলো। এ গুলোর দৈর্ঘ্য ৩৮.৯০ মিটার, প্রস্থ ৯ মিটার। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫ নটিক্যাল মাইল গতিবেগ চলাচল করবে। এই বোটগুলো নৌবাহিনীর ডুবুরিদের কার্যক্ষমতা ও সাড়াদানের গতি বহুগুণে বাড়াবে। কমিশনকৃত ডাইভিং বোটসমূহ শান্তিকালীন সময়ে সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রদান, ডাইভিং অপারেশন ও উদ্ধার অভিযান স্যালভেজ কার্যক্রম, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ত্রাণ সহায়তা, সমুদ্র এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। এই ডাইভিং ইউনিট ও বোটগুলো বাংলাদেশের নৌ ইতিহাস ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

  • খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক যুবক নিহত ॥ গুলিবিদ্ধ ২

    খুলনায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক যুবক নিহত ॥ গুলিবিদ্ধ ২

    খুলনার রূপসায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে সাব্বির নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরও দু’জন। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাতে রূপসা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের পপুলার এলাকার সোহাগের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, গুলিবিদ্ধ সাদ্দাম হোসেন নামের এক যুবককে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে, রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। তবে, মিরাজ নামে গুলিবিদ্ধ আরেক যুবক হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছেন। পুলিশ দাবি করেছে, নিহত সাব্বির এবং গুলিবিদ্ধরা খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর সহযোগী। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। যে বাড়িতে ঘটনা ঘটেছে, সেই সোহাগও একজন শীর্ষ মাদক বিক্রেতা। স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সোহাগের বাড়ির ভেতর গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। পরে সেখানে একজনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেয়া হয়। রূপসা থানার ওসি মাহফুজুর রহমান জানান, নিহত ও আহত তিনজনই গ্রেনেড বাবু গ্রুপের সদস্য। সাব্বির ও সাদ্দামসহ বেশ কয়েকজন যুবক ওই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। রাতে ৫-৭ জন দুর্বৃত্ত সশস্ত্র অবস্থায় তাদের ওপর হামলা চালায়। সাব্বিরের মাথার পেছন থেকে একটি গুলি ঢুকে চোখ দিয়ে বেরিয়ে যায় এবং সাদ্দামের মাথার পেছনে গুলি বিদ্ধ হয়। ঘটনাস্থল থেকে ৬টি গুলির খোসা, ৪ রাউন্ড তাজা গুলি, কিছু ইয়াবা এবং গ্রেনেডের মতো দেখতে একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। সাব্বিরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খুলনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. আনিসুজ্জামান জানান, গত মাসে রূপসায় নিহত কালা রনি হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন ছিলেন সাব্বির। তিনি বলেন, হামলাকারী ও হামলার শিকার উভয় গ্রুপই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

  • বর্ণাঢ্য ও জমকালো আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন

    বর্ণাঢ্য ও জমকালো আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন

    বর্ণাঢ্য ও জমকালো আয়োজনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন

    বর্ণাঢ্য ও জমকালো আয়োজনে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। “চক্র ভাঙো-সংঘবদ্ধ অপরাধ রুখো” শ্লোগানে বৃহস্পতিবার (২৬ জুন)। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে ছিলো বর্ণাঢ্য র‌্যালী, আলোচনা সভা ও চাঁপাই এর ঐতিহ্যববাহী গম্ভিরা। এই উপলক্ষে সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে মুক্তমঞ্চে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

    মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সামাদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ রেজাউল করিম বিপিএম-সেবা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ৫৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল গোলাম কিবরিয়া বিজিবিএম, চাঁপাইনবাবগঞ্জস্থ ৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল ফাহাদ মাহমুদ রিংকু, সিভিল সার্জন এর প্রতিনিধি ডাঃ সাইকি ওয়াদুদ, নবাবগঞ্জ সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আব্দুল আউয়াল, নবাবগঞ্জ সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার, পিপি এ্যাড. আব্দুল ওয়াদুদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আনিসুর রহমান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের বিভাগীয় রাসায়নিক পরীক্ষাগারের রাসায়নিক পরীক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম সরকার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান।

    বক্তারা বলেন, মাদক আমাদের দেহের, সমাজের তথা দেশের শত্রু। মাদক যুব সমাজসহ সমাজের একটা বিরাট অংশ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে। যখন আমাদের যুব সমাজের তরুনদের জীবন গড়ার কথা, ঠিক এমন বয়সেই এই মাদক আমাদের তরুনদের গ্রাস করছে। এর ফলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সত্যিকার মানুষ হয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বদলে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বক্তারা আরও বলেন, দেশের ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সের ৮০ থেকে ৯০ ভাগ যুবক নানভাবে মাদক সেবনের সাথে জড়িত। প্রতিদিনই দেশের মাদকের ছোবলে ৪ থেকে ৬ জন মারা যাচ্ছে। বিশ্বে প্রায় ৬লক্ষ লোক প্রতি বছর মাদকের কারণে মারা যাচ্ছে। আর অতিরিক্ত মাদক সেবনের কারণে মারা যাচ্ছে প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ।

    তাই এই মাদকের ভয়াবহ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসতে হলে সরকারের পাশপাশি সমাজিকভাবে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। দেশ, সমাজ, শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে হবে। বক্তারা দেহের ও জীবনের মারাত্মক ক্ষতিকর মাদক থেকে দূরে থেকে জীবন গড়ার আহবান জানান শিক্ষার্থীসহ অন্যান্যদের। শেষে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গম্ভিরা পরিবেশিত হয়। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান,

    বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।