Blog

  • ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনতে বাংলাদেশের আহ্বান

    ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনতে বাংলাদেশের আহ্বান

    ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনতে বাংলাদেশের আহ্বান

    ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তুরস্কের ইস্তানবুলে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৫১তম সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তার বক্তব্যে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের বেআইনি ও আগ্রাসী সামরিক হামলার তীব্র নিন্দা জানান। এ আগ্রাসনকে আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ ও ইরানের সার্বভৌমত্বের মারাত্মক লঙ্ঘন। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ইসরায়েলের এ ধরনের বেপরোয়া কর্মকাণ্ড এ অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করার এবং বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করার হুমকি সৃষ্টি করেছে। তিনি অবিলম্বে এ ধরনের উসকানি বন্ধের আহ্বান জানান এবং কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধার মাধ্যমে শান্তি নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার সময় ইসরায়েলকে জবাবদিহির আওতায় আনতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রোহিঙ্গা সমস্যাও তুলে ধরেন। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনের জন্য মিয়ানমারের ওপর কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি আইসিজেতে চলমান আইনি কার্যক্রমে অর্থায়নে সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি। মুসলিম বিশ্বের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও ইসলামভীতি মোকাবিলায় আরও বিস্তৃত ও কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য ওআইসিকে আহ্বান জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। সম্মেলনের সাইডলাইনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাতো সেরি উটামা হাজি মোহাম্মদ বিন হাজি হাসান, ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুয়াদ হোসেন, উজবেকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদভ বাখতিয়র ওদিলোভিচ এবং পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সাথে পৃথক পৃথক বৈঠক করেন। শনিবার শুরু হয়েছে ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দুদিনব্যাপী সম্মেলন।

  • জনগণের পছন্দের নির্বাচিত সরকারের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তরের চেষ্টা- সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে অন্তর্বর্তী সরকার- উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

    জনগণের পছন্দের নির্বাচিত সরকারের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তরের চেষ্টা- সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে অন্তর্বর্তী সরকার- উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

    জনগণের পছন্দের নির্বাচিত সরকারের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তরের চেষ্টা

    সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে অন্তর্বর্তী সরকার- উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

    সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করছে অন্তর্বর্তী সরকার। একটা সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন দিয়ে জনগণের পছন্দের নির্বাচিত সরকারের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তরের পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে সরকার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। শনিবার সকালে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত ‘বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা ও গবেষণা পরিকল্পনা প্রণয়ন’ শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এবং সংস্কারের জন্য যেসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনের যে নির্ধারিত তারিখ ঘোষিত হয়েছে, তার মধ্যে যদি সম্ভব হয় অবশ্যই নির্বাচন হবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে আমিষের প্রধান উৎস মাছ, এই খাতে নিরাপদ ও টেকসই উৎপাদনের জন্য গবেষণার গুরুত্ব অপরিসীম। এই সম্পদ রক্ষায় গবেষণা প্রযুক্তি সহজবোধ্য ও মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারযোগ্য হওয়া দরকার। নিরাপদ মাছ উৎপাদনে ফিডের নিরাপত্তা ও হাওর অঞ্চলে ব্যবহৃত কীটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে ফরিদা আখতার বলেন, কীটনাশক নিয়ন্ত্রণে জাতীয় থেকে স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলজ প্রাণীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। তিনি বলেন, মাছের সংকট মোকাবেলায় বিলুপ্তপ্রায় ও বিপন্ন মাছ শনাক্ত করে সংরক্ষণের লক্ষে মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এ খাতে বিজ্ঞানীদের গবেষণায় সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিশ্চিত করবে বলেও জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা। বিএফআরআইয়ের মহাপরিচালক অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন বাকৃবির মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন রফিকুল ইসলাম সরদার এবং মৎস্য অধিদপ্তর ময়মনসিংহের বিভাগীয় পরিচালক নৃপেন্দ্র নাধ বিশ্বাস। কর্মশালায় বিএফআরআইয়ের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হারুন উর রশিদ স্বাদুপানির মাছ নিয়ে চলমান ও ভবিষ্যৎ গবেষণার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। কর্মশালায় বিভিন্ন জেলার বিজ্ঞানী, মৎস্য কর্মকর্তাসহ খামারিরা অংশ নেন।

  • অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ॥ শিক্ষার্থীদের হোস্টেল ছাড়ার নির্দেশ

    অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ॥ শিক্ষার্থীদের হোস্টেল ছাড়ার নির্দেশ

    অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ॥ শিক্ষার্থীদের হোস্টেল ছাড়ার নির্দেশ

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের রোববার দুপুর ১২টার মধ্যে হলত্যাগ করতে বলা হয়েছে। শনিবার কলেজের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যক্ষ কামরুল আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কলেজের অ্যাকাডেমিক ভবন ও হোস্টেলের অবকাঠামোগত ‘দুরাবস্থা’ নিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া জানিয়ে আসছেন। তাতে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে তা নিরসনে শনিবার অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল একমত পোষণ করেছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে তারা নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে কিছু কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ফল প্রাপ্তির সময়সীমা নিয়ে শিক্ষার্থীদের অনড় অবস্থান রয়েছে। গণপূর্ত বিভাগ ইতোমধ্যে ডা. ফজলে রাব্বি ছাত্রাবাসের মূল ভবনের চতুর্থ তলাকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। বিকল্প আবাসন নিশ্চিত করা হলেও শিক্ষার্থীদের ‘অসহযোগিতার’ কারণে তা খালি করা যায়নি। এ পরিস্থিতি অবস্থানরতদের জীবনের জন্য ‘অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ’ বর্ণনা করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর মধ্যে নতুন ব্যাচ কে-৮২ ‘স্বপ্রণোদিত’ হয়ে অথবা ‘প্ররোচিত’ হয়ে তাদের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওরিয়েন্টেশন প্রগ্রাম বয়কট করেছে, যা ঢাকা মেডিকেল কলেজের জন্য একটি ‘কালো অধ্যায়’। ফলে কলেজের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। চলমান অচলাবস্থা নিরসনের জন্য রোববার থেকে কলেজের এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম ‘অনির্দিষ্টকালের’ জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের রোববার দুপুর ১২টার মধ্যে হোস্টেল ত্যাগের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পেশাগত এমবিবিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী এবং বিদেশি শিক্ষার্থীরা এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ।

  • বাংলাদেশের ইতিহাস নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করতে হবে-সারজিস

    বাংলাদেশের ইতিহাস নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপন করতে হবে-সারজিস

    বাংলাদেশের ইতিহাস নিরপেক্ষভাবে উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের আগে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসসহ সবকিছু ছিল ‘এক ব্যক্তি এবং এক দলকেন্দ্রিক’। তিনি অভিযোগ করেন, তখন শেখ মুজিবুর রহমানকে ইতিহাসের অবিসংবাদিত চরিত্র হিসেবে দেখানো হতো এবং তাঁর সমালোচনা করলে ‘জামায়াত, শিবির, রাজাকার’ বা ‘সরকারবিরোধী, দেশবিরোধী’ তকমা পেতে হতো। শনিবার (২১ জুন) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম আরও বলেন, একইভাবে আওয়ামী লীগ বা সরকারের সমালোচনা করা গেলেও শেখ হাসিনাকে নিয়ে কিছু বলা যেত না। তাঁকে ‘ফেরেশতা’ হিসেবে উপস্থাপন করা হতো এবং তাঁর সমালোচনা করলে ‘গুম, খুন কিংবা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডেরও সম্মুখীন’ হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, ‘তখন মনে হতো এমন কোনো সময় আসবে কিংবা এমন কিছু মানুষ কি থাকবে, যারা দায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস অন্তত ১৯৪৭ থেকে শুরু করে ২০০৮ পর্যন্ত আমাদের সামনে তুলে ধরবে? সেই সুযোগ তখন ছিল না। এখন আছে।’ সারজিস আলমের মতে, বর্তমান প্রজন্ম চায় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা, ‘তিনি যেকোনো দল, মত, ধর্ম, বর্ণ কিংবা ক্ষেত্রের হোক না কেন, তাদের যোগ্য জায়গায় স্থান দিতে হবে।’ তাঁদের ভালো কাজগুলোকে প্রশংসা করতে হবে এবং সীমাবদ্ধতাগুলোকেও তুলে ধরতে হবে। যারা ইতিহাস নিয়ে কাজ করেন, গবেষণা করেন, বা পড়াশোনা করেন, তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ১৯৪৭ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিটি বাঁকের ইতিহাস চুলচেরা বিশ্লেষণ করে নিরপেক্ষভাবে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা উচিত। এতে জনগণ কোনটা গ্রহণ করবে আর কোনটা করবে না, সেই বিচার তারাই করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, ‘হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, শেখ মুজিবুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমেদ, জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে যাদের যতটুকু অবদান সেগুলো তুলে ধরতে হবে। পাশাপাশি তাদের সীমাবদ্ধতাগুলোকেও সামনে নিয়ে আসতে হবে।’ এই সীমাবদ্ধতাগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়ার উপরও তিনি জোর দেন। সারজিস আলমের মতে, ‘কাউকে ফেরেশতা বানানোর প্রয়োজন নেই, আবার কাউকে উপেক্ষা করারও প্রয়োজন নেই। ইতিহাসকে ইতিহাসের মতো করেই চলতে দিতে হবে।

  • নওগাঁয় ট্রাংক ভাঙায় রাজশাহী বোর্ডের প্রশ্নপত্রের সেট বাতিল

    নওগাঁয় ট্রাংক ভাঙায় রাজশাহী বোর্ডের প্রশ্নপত্রের সেট বাতিল

    নওগাঁয় ট্রাংক ভাঙায় রাজশাহী বোর্ডের প্রশ্নপত্রের সেট বাতিল

    রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার ইতিহাস দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্রের একটি সেট বাতিল করা হয়েছে। নওগাঁর ধামইরহাট থানায় রক্ষিত প্রশ্নপত্রের ট্রাংক খোলা অবস্থায় পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ ন ম মোফাখখারুল ইসলাম। তিনি বলেন, নির্ধারিত দিনে, নির্ধারিত সময়ে ইতিহাস দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু প্রশ্নপত্রের যে সেট বাহিরে পাওয়া গেছে সেটি বাতিল করা হয়েছে। ওই সেটে পরীক্ষা নেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, প্রশ্নপত্র সংরক্ষণের জন্য থানার ভল্ট বা মালখানা নির্ধারিত থাকলেও সেগুলো থানার হাজতে রাখা হয়েছিল, যেখানে একজন আসামিও অবস্থান করছিলেন। এমন অব্যবস্থাপনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ বিষয়ে পুলিশকে ব্যাখ্যা দিতে হবে বলেও জানান তিনি। এদিকে, ঘটনার পরপরই দায়িত্বে থাকা এসআই ও এক কনস্টেবলকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাফিউল সারোয়ার। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে হাজতে থাকা এক আসামি ট্রাংকের সিলগালা ও তালা খুলে ফেলে ভেতরে থাকা প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে দেন এবং কয়েকটি ছিঁড়ে ফেলেন। আসামির এক হাতে হাতকড়া থাকলেও অন্য হাত খোলা ছিল। নখ দিয়ে তিনি ট্রাংকের সিলগালা উঠিয়ে ফেলেন এবং তালা খোলেন। এরপর প্রশ্নপত্র ছিঁড়ে ফেলেন। পুরো ঘটনা সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় সরকারি সম্পদ বিনষ্টের অভিযোগে আসামির বিরুদ্ধে নতুন করে একটি মামলা করা হয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাদিয়া আফরিন জানান, ওই প্যাকেটে মোট ৫০টি প্রশ্নপত্র ছিল। সবগুলোই উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি ছেঁড়া থাকলেও কোনো প্রশ্ন হারায়নি।
    রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ২৬ জুন। ইতিহাস দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষাটি হবে আগামী ১৯ জুলাই। রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিবেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ২৫২ জন।

  • দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় জিয়া পরিবার সব সময় পাশে দাঁড়িয়েছে-দুলু

    দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় জিয়া পরিবার সব সময় পাশে দাঁড়িয়েছে-দুলু

    দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় জিয়া পরিবার সব সময় পাশে দাঁড়িয়েছে-দুলু

    বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গনতন্ত্র রক্ষায় জিয়া পরিবার সব সময় দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। বেসরকারি শিক্ষকদের জন্যও জিয়া পরিবারের অবদান সবচেয়ে বেশি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্ব প্রথম শিক্ষকদের ৪০ভাগ বেতন দেয়া শুরু করে। তিনিই পরে ৫০ভাগ বেতন চালু করেন। ১৯৯১সালে বেগম খালেদা জিয়া আশি ভাগ এবং ২০০৬ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর শিক্ষক কর্মচারীদের শতভাগ বেতন চালু করেন। তিনিই নারী শিক্ষার উন্নয়নে মেয়েদের উপবৃত্তি চালু করেন। দুলু বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে সিপাহী বিপ্লব, ৯০এর সৈ¦রাচার বিরোধী আন্দোলনসহ দেশের পক্ষের সকল আন্দোলন সংগ্রামে জিয়া পরিবার গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখেছে। শেখ মুজিব ৭১সালের ২৫মার্চ পাকিস্তানীদের কাছে আত্মসমর্পন করলে জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি স্বাধীণ রাষ্ট্র উপহার দেন। পরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়। সিপাহী জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জিয়াউর রহমান আবার বহু দলীয় গনতন্ত্র চালু করেন। ৯০এর সৈ¦রাচার বিরোধী আন্দোলনে বেগম জিয়া নেতৃত্ব দেন। ২০২৪সালের বৈষ্যম বিরোধী ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর দেশের মানুষের মনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের যে আশা তৈরি হয়েছিল। একটি মহলের ষড়যন্ত্রে তা যখন হতাশায় পরিনত হয় তখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার সাথে বৈঠক করে সেই অনিশ্চতায় কাটিয়ে তুলে দেশের মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে নাটোর জেলা পরিষদ মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আয়োজিত শিক্ষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুলু এসব কথা বলেন। মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি নাটোর জেলা শাখার সভাপতি নাটোর চিনিকল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হয়বতপুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় শিক্ষক সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন নাটোর জেলা বিএনপির আহবায়ক রহিম নেওয়াজ, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম আহবায়ক জিল্লুর রহমান খান ওরফে বাবুল চৌধুরী, সাইফুল ইসলাম আফতাব, মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন, সাবেক আহবায়ক শহিদুল ইসলাম বাচ্চু, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম, এমদাদুল হক আল মামুন, নাটোর জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি আহমুদুল হক চৌধুরী স্বপন, শিক্ষক নেতা সংগঠনের নেতা ও প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস, রেজাউল করিম, আব্দুল মতিন, ইউসুফ আলী, শামসুন নাহার রেখা ও আব্দুল হাকিম, প্রমুখ। শিক্ষক সমাবেশে দুলু আরো বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার ঘোষিত ৩১দফায় পরিস্কার ভাবে বলেছেন, আগামী বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসলে শিক্ষকদের বেতন ভাতার বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে এবং প্রয়োজনে শিক্ষাখাত সরকারি করণ করা হবে।

  • গুরুদাসপুরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ৬ ডাকাত আটক

    গুরুদাসপুরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ৬ ডাকাত আটক

    গুরুদাসপুরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ৬ ডাকাত আটক

    নাটোরের গুরুদাসপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৬ ডাকাতকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার কালাকান্দর সুইচগেট এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে প্রথমে ৪ ডাকাতকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাজিরপুর থেকে ডাকাত দলের দুই প্রধানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের গুরুদাসপুর থানায় হস্তান্তর করেন সেনা সদস্যরা। গ্রেপ্তারকৃত হচ্ছে, উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের ডাকাত দলের প্রধান সিরাজুল হকের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক (৩৮) ও মৃত কামাল হোসেনের ছেলে কাওসার আহম্মেদ (২৫), আব্দুল আজিজের ছেলে বিপ্লব হোসেন (২৪), মোবারক আলীর পুত্র মবিদুল ইসলাম (২১), হরদমা গ্রামের রওশন আলীর ছেলে মনিরুল (২৪) ও কালিনগর পাধোয়া গ্রামের আব্দুল সালামের পুত্র সুরুজ আলী (২১)। তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র ও খেলনা পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতির কথা স্বীকার করেছেন তারা। তারা, নাজিরপুর, মামুদপুর, গুরুদাসপুর, কাছিকাটা, বিলসা ও বিলদহর এলাকায় ডাকাতি করতো। এ পর্যন্ত ১২টি অটোগাড়ী, ১৫টি ভ্যান ও ১০টি মোটরসাইকেল ডাকাতি করেছেন। তাছাড়া মাছের পুকুরে বিষ দেওয়ার হুমকি দিয়ে নানাভাবে পুকুর মালিকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে আসছিল তারা। স্থানীয় বিলসা এলাকায় ঘুরতে আসা পর্যটকরাও ছিল তাদের টার্গেট। স্থানীয়রা জানান, তারা বিভিন্ন সময় বিশেষ করে রাতের বেলা মানুষের মোটরসাইকেল, অটো ভ্যানগাড়ী, সিএনজি ইত্যাদি ছিনতাই ও ডাকাতি করতো। তাদের রিমান্ডে নিলে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন হবে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। গুরুদাসপুর থানার ওসি আসমাউল হক জানান, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • গোবিন্দগঞ্জে ডা. জোবাইদা রহমানের জন্মবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালিত

    গোবিন্দগঞ্জে ডা. জোবাইদা রহমানের জন্মবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালিত

    গোবিন্দগঞ্জে ডা. জোবাইদা রহমানের জন্মবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালিত

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা এবং পৌর বিএনপি ও সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালনসহ দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ-দিনাজপুর আঞ্চলিক সড়কের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামার সংলগ্ন কাটামোড় নামক স্থানে রাস্তার দু’পাশ্বে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও ওষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। রংপুর বিভাগীয় বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ফারুক আহম্মেদ, সদস্য সচিব রেজানুল হাবিব প্রধান রফিক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এস.এম আলতাব হোসেন পাতা, উপজেলা মহিলা দলের সভা নেত্রী মঞ্জুরী মোর্শেদা পৌর বিএনপি’র সভাপতি রবিউল কবির মনু, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর লেলিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহিদুর রহমান রানক ও আব্দুল মান্নান সিন্টু, বিএনপি নেতা ইউপি চেয়ারম্যান হাসানুর রহমান চৌধুরী ডিউক, সাজাদুর রহমান সাজু, ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হক জাহিদ, বিএনপি নেতা রুহুল আমিন লেবু, তরিকুল ইসলাম চঞ্চল, আজহারুল ইসলাম বাদশা, জাহাঙ্গীর আলম ডাবলু ও মোকাদ্দেম হোসেন সজল, যুবদল নেতা তহিদুল আলম জুয়েল, মইন উদ্দিন লিপন, আনোয়ার হোসেন গোলাপ, জাকিরুল ইসলাম ও কাজী এহছানুল কবির রিপন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শেখ শাহ আলম, কাজল চাকী, রানু মন্ডল বাবু, আব্দুল মতিন মিয়া, উপজেলা জাসাসের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী মুন্নাফ, ছাত্রদল নেতা শাহ নেওয়াজ পল্লব, সৈয়দ আল আমিন রনি, মনির হোসেন সরকার, গোবিন্দ কুমার, খাইরুল ইসলাম, আরিফ হাসানসহ বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

  • নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ নিহত ৪

    নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ নিহত ৪

    নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীসহ নিহত ৪

    রাজশাহী থেকে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীসহ চারজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে নাটোর সদর উপজেলার বনবেলঘরিয়া এলাকায় নাটোর-রাজশাহী মহাসড়কে বাস ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে তাঁদের মৃত্যু হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম সাগর হোসেন (২৪)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ঢাকার মিরপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। দুর্ঘটনাকবলিত অটোরিকশার চালক মো. বাবু (৪২)। তিনি নাটোর সদর উপজেলার হারিগাছা গ্রামের বাসিন্দা। ঝলমলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও রাজশাহীর রাজপাড়া থানার কর্তব্যরত এএসআই মো. লাবলু চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঝলমলিয়া হাইওয়ে থানা সূত্রে জানা যায়, সাগর হোসেনসহ তিনজন রাজশাহীর বানেশ্বরে আম কিনতে গিয়েছিলেন। তাঁরা বানেশ্বরে আম কিনে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে নাটোরে আসছিলেন ট্রেনযোগে ঢাকায় যাওয়ার জন্য। শুক্রবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে তাঁদের বহনকারী অটোরিকশা বনবেলঘরিয়া এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা রাব্বী পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই চালক মো. বাবুর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় সাগরসহ তিন জনকে নাটোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছার আগেই সাগরের মৃত্যু হয়। অন্য দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে রাত ১০টার কিছু পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। ঝলমলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে বাসের চালক ও সহযোগীরা পালিয়েছেন।

  • গোবিন্দগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৬ ডাকাত গ্রেপ্তার

    গোবিন্দগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৬ ডাকাত গ্রেপ্তার

    গোবিন্দগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৬ ডাকাত গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র, মোবাইল টাওয়ার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লক কাটারসহ তাদের ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়।
    জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ডাকাত দল ডাকাতির উদ্দেশ্য গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের চারমাথা এলাকায় অবস্থান করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র, মোবাইল টাওয়ার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লক কাটারসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সাদা রঙের একটি প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্রো গ-২৭-২২৩০)জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ডাকাতরা হলো গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের চন্দনপাট গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে জুয়েল মিয়া (৩৫), কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার নাওপি গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে সোহাগ মিয়া (৩২), একই গ্রামের শাহজান আলীর ছেলে জহুরুল ইসলাম (৩৫) ও একই গ্রামের মৃত আব্দুস ছাত্তারের ছেলে ফারুক হোসেন (৩০), ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার হালিম নগর গ্রামের মৃত হারেছ আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৪) এবং চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুর রাকিব (৩৩) গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ইকবাল পাশা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে আমার দেশকে জানান, তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে এবং তাদেরকে রাতেই নওগাঁ জেলা ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে নওগাঁ ডিবি পুলিশের ওসি মোস্তাফিজ হাসানের কাছে আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের গ্রেপ্তারকৃত ৬ সদস্যের ব্যাপারে জানতে চাইলে মুঠো ফোনে তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে নওগাঁর একাধিক থানায় জিডি রয়েছে এবং তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।