Blog

  • হাসিনাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে ‘গুমের’ অভিযোগ বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের

    হাসিনাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে ‘গুমের’ অভিযোগ বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের

    হাসিনাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে ‘গুমের’ অভিযোগ বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের

    স্বৈরাচার শেখ হাসিনাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে ‘গুমের’ অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন। এক দশক আগে ঢাকা থেকে উধাও হওয়ার পর বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের খোঁজ মিলেছিল ভারতের শিলংয়ে। সেই ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ‘গুমের’ অভিযোগ জমা দিয়েছেন তিনি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটরের দপ্তরে এই অভিযোগ জমা দেন। শেখ হাসিনা ছাড়াও বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, সাবেক আইজিপি শহীদুল হক, সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন সালাহউদ্দিন। তিনি বলছেন, তাকে ‘গুমের’ ঘটনার সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরো অনেকে জড়িত। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শেখ হাসিনাসহ গুম-খুনে জড়িত সবার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। গুমের ঘটনায় এখন পর্যন্ত যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাদের সাজা এবং যারা পালিয়ে গেছেন, তাদের খুঁজে বের করতে হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম তার কাছ থেকে অভিযোগটি গ্রহণ করেন। বিএনপি আইন সম্পাদক কায়সার কামাল, নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, রুহুল কুদ্দুস কাজল, বদরুদ্দোজা বাদলসহ ২৫-৩০ জন আইনজীবী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। আওয়ামীলীগ সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির আন্দোলনের মধ্যে ২০১৫ সালের ১০ মার্চ ঢাকার উত্তরা থেকে নিখোঁজ হন সালাহ উদ্দিন। তখন তিনি যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করছিলেন। নিখোঁজের ৬৩ দিন পর ওই বছরের ১১ মে মেঘালয়ের শিলংয়ের পুলিশ উদ্ভ্রান্ত অবস্থায় সালাহ উদ্দিনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। ভারতে প্রবেশ করলেও তার কোনো বৈধ কাগজপত্র সেসময় মেঘালয় পুলিশ না পাওয়ায় ফরেনার্স অ্যাক্টে মামলা দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার দেখায়। পরে সেই মামলায় খালাস পেলেও পাসপোর্ট না থাকায় বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে তাকে ভারতেই আটক থাকতে হয়। আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হলে গতবছরের ১১ অগাস্ট ট্র্যাভেল পাস (ট্রাভেল পারমিট) নিয়ে নয় বছর পর দেশে ফেরেন এই সাবেক এমপি বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন।

  • রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দিনের বৈঠকে ঐকমত্য কমিশন

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দিনের বৈঠকে ঐকমত্য কমিশন

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় দিনের বৈঠকে ঐকমত্য কমিশন

    সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, নিম্নকক্ষে নারী আসনসহ সংস্কার কমিশনগুলোর আরো কিছু সুপারিশ নিয়ে দেশের ৩০টি রাজনৈতিক দলের সাথে দ্বিতীয় দফার বৈঠক শুরু করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল মাল্টিপাস হলে রুদ্ধদ্বার এই বৈঠকটি হয়। কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে বিএনপির ইসমাইল জবিহউল্লাহ, জাতীয় গণফ্রন্টের টিপু বিশ্বাস, খেলাফত মজলিসের আহমেদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, এবি পার্টির মজিবুর রহমান মঞ্জু, ন্যাশনাল রিপাবলিক পার্টির সারবিস আলম, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, এলডিপির চৌধুরী হাসান সোহরাওয়ার্দী, বিএলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিমসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের নেতারা রয়েছেন। এছাড়া ঐকমত্যে কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, বদিউল আলম মজুমদার, আইয়ুর মিয়া, ইফতেখারুজ্জামান, সফর রাজ হোসেন ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার সেখানে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার জানিয়েছেন, বৈঠকে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, নিম্নকক্ষে নারী আসন, বিচার ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা হচ্ছে কমিশনের সদস্যদের। উল্লেখ্য, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে দ্বিতীয় দফার আলোচনা শুরু করেছে সোমবার। সেদিন আলোচনার উদ্বোধন করেন কমিশনের সভাপতি, প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। প্রথম দিন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এলডিপি, এনসিপিসহ দেশের ২৮টি রাজনৈতিক দল ও দুটি জোটের নেতারা অংশ নেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের পলাতক টিপু চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের পলাতক টিপু চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের পলাতক টিপু চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে মানববন্ধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ইউনিয়নবাসী। সোমবার ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এই কর্মসূচিতে চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেয়। মানববন্ধন কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আশরাফুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাবু, মইদুল ইসলাম, মাহবুর রহমান, আমিনুল ইসলাম, বশির আলী, আব্দর বারিসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ। মানববন্ধানে বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই এলাকায় অনুপস্থিত আছেন চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা শাহীদ রানা টিপু। এই জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে হত্যা সহ একাধিক মামলা থাকায় ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হন না। ফলে স্থানীয়রা নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত দীর্ঘদিন থেকেই। এমনকি সরকারি বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে না সময় মতো। এতে ব্যাপক ভোগান্তি ও হয়রানির কবলে পড়েছেন ইউনিয়নবাসী। তাদের অভিযোগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী এবং চারটি হত্যা মামলার আসামী ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা শাহীদ রানা টিপু।
    দফায় দফায় বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ ও আন্দোলনেও এর সুরাহা পায়নি স্থানীয়রা। তাদের দাবি, দ্রুত এবিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার। এদিকে, ওই চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদটির যাবতীয় কার্যক্রম স্থবির হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি উন্নয়ন কাজ আটকে রয়েছে। এসবের প্রতিবাদ জানিয়ে এই কর্মসূচি থেকে চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাসিন্দারা ওই চেয়ারম্যান কে অপসারণের দাবি জানান।

  • দিনাজপুরে দূর্ধর্ষ ডাকাত ও ছিনতাইকারী আবু মুসা গ্রেফতার

    দিনাজপুরে দূর্ধর্ষ ডাকাত ও ছিনতাইকারী আবু মুসা গ্রেফতার

    দিনাজপুরে দূর্ধর্ষ ডাকাত ও ছিনতাইকারী আবু মুসা গ্রেফতার

    দিনাজপুরে ২০ টি মামলার পলাতক আসামি দূর্ধর্ষ ডাকাত ও ছিনতাইকারী আবু মুসাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঈদ-উল-আজাহাকে সামনে রেখে বড় ধরনের ছিনতায়ের প্রস্তুতিকালে পুলিশ তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুরে দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপার মারুফাত হুসাইন গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গতকাল রাত থেকে অনেক প্রচেষ্টার পর মঙ্গলবার সকালে দেশীয় অস্ত্রসহ তাকে নিজ বাড়ি সদরের চেহেলগাজী ইউনিয়নেট গোসাইপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ইতিপূর্বে আরো ৭ বার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। কিন্তু জামিনে ছাড়া পেয়ে আবু মুসা ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত করে আসছিলো। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি ও ছিনতাইসহ ২০টি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।

  • রহনপুর পুনর্ভবা মহানন্দা আইডিয়াল কলেজে উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

    রহনপুর পুনর্ভবা মহানন্দা আইডিয়াল কলেজে উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

    রহনপুর পুনর্ভবা মহানন্দা আইডিয়াল কলেজে উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

    রহনপুর পুনর্ভবা মহানন্দা আইডিয়াল কলেজে অধ্যক্ষের অফিস, সীমানা প্রাচীর ও শিক্ষক মিলনায়তনের শুভ উদ্বোধন করেন গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র কলেজের সভাপতি জাকির মুন্সী। মঙ্গলবার (৩ জুন) এ উপলক্ষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা কলেজের নতুন ভবন শিক্ষক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

    আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে অধ্যক্ষ ইমতিয়াজ মাসরুর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ আছহাবুর রহমান। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, অত্র কলেজের আরবি বিষয়ের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক মোখলেসুর রহমান। বক্তব্য রাখেন, অত্র কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ডক্টর মিজানুর রহমান। এ সময় অত্র কলেজের সকল শিক্ষক কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • শিবগঞ্জে আমের মৌসুমে যানজট নিরসন ও সুষ্ঠু বাজারজাত নিশ্চিতকরণে সভা

    শিবগঞ্জে আমের মৌসুমে যানজট নিরসন ও সুষ্ঠু বাজারজাত নিশ্চিতকরণে সভা

    শিবগঞ্জে আমের মৌসুমে যানজট নিরসন ও সুষ্ঠু বাজারজাত নিশ্চিতকরণে সভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কানসাট হাটে আমের মৌসুমে সৃষ্ট যানজট নিরসন ও আমের সুষ্ঠু বাজারজাত নিশ্চিত করতে একটি সমন্বয় সভা হয়েছে। সোমবার বিকেলে শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট মিলিক মোড়ে অবস্থিত আম আড়ৎদার সমিতির কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করে শিবগঞ্জ উপজেলা আম আড়ৎদার সমিতি। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আজাহার আলী। তিনি বলেন, আম চাঁপাইনবাবগঞ্জের অর্থনীতির প্রাণ। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে এই জেলার আমের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। এ সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হলে আমাদের সুষ্ঠু পরিবহন, বাজারজাত ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে। যানজট যেন কৃষক ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত না করে, সে জন্য প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতে আমরা সবসময় পাশে থাকব। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিবগঞ্জ উপজেলা আম আড়ৎদার সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মো. আবু তালেব। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন শিবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) শাকিল আহমেদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নয়ন মিয়া, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. শহিদুল হক হায়দারী (শহিদ মিঞা), কানসাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সেফাউল মূলক, মোবারকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মাহমুদুল হক হায়দারী (মাহমুদ মিঞা)। এসময় বাংলাদেশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ড্রাইভার্স ইউনিয়ন, কানসাট শাখার সভাপতি মো. সোহেল আহম্মেদ (ফিটু হাজী)সহ আম আড়ৎদার সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা ও আম চাষিরা উপস্থিত ছিলেন।
    সভায় আম পরিবহন, আড়তের সময়সূচি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ভেজালমুক্ত কারবার এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় বক্তারা বলেন, প্রশাসন, কৃষি বিভাগ, পরিবহন শ্রমিক ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে আমরা এ সমস্যা সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা রাখব। স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং সভার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান। শেষে শিবগঞ্জ আম আড়ৎদার সমিতির নতুন অফিস উদ্বোধন করা হয়।

  • কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের মাঝে হেলথ্ কার্ড ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ

    কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের মাঝে হেলথ্ কার্ড ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ

    কুষ্টিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের মাঝে হেলথ্ কার্ড ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ

    কুষ্টিয়ায় জেলায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের মাঝে হেলথ্ কার্ড ও ঈদ-উল-আযহার উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( প্রশাসন ও অর্থ) ফয়সাল মাহমুদ, কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন ডাঃ শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়া জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, কুষ্টিয়া জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত রফিকুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, নাজমুস সাকিব প্রমুখ। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ৪৩২ জনকে হেলথ কার্ড এবং ৫৮৪ জনকে ঈদ সামগ্রী প্রদান করা হয়। বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মূলত কোন দল ছিল না। সবাই কাধে কাধ মিলিয়ে আন্দোলন করেছে। কিন্তু আন্দোলন পরবর্তী সময়ে দেখা যাচ্ছে, অনেকগুলো ছোট ছোট দল হয়ে গেছে। এ আন্দোলনের কি উদ্দেশ্য ছিল এবং কিভাবে সকলে একত্রিত হয়েছিল সকলের জানা আছে। তখন প্রত্যেকেরই একটা উদ্দেশ্য ছিল। আর এখন প্রত্যেকটি ব্যক্তির একটি একটি উদ্দেশ্য পরিণত হচ্ছে। জুলাই আগস্টে আন্দোলনে যারা আহত হয়েছিল, সেখানে যদি কোন অপদ্রব্য ঢুকে, তাহলে আহতদের ছাড়া আমি কাউকে সম্মান করতে পারব না। আমি তাকে সম্মান করবো, যে আন্দোলনের সরাসরি যুক্ত ছিল এবং আন্দোলন করেছে। জুলাই-আগস্টের হতাহতদের তালিকায় যদি কোন অপদ্রব্য ঢুকে থাকেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • গোবিন্দগঞ্জে কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে পার্টনার কংগ্রেস- অনুষ্ঠিত

    গোবিন্দগঞ্জে কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে পার্টনার কংগ্রেস- অনুষ্ঠিত

    গোবিন্দগঞ্জে কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে পার্টনার কংগ্রেস- অনুষ্ঠিত

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে পার্টনার কংগ্রেস-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রোগ্রাম অন এন্ড এগ্রিকালচার রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশীপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রোগ্রামের আওতায় সোমবার উপজেলা অডিটরিয়ামে দিনব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিতে করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ খোরশেদ আলম। অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ সৈয়দা সিফাত জাহান,স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মেহেদী হাসান, প্রভাষক আবু তাহের প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ হাদিসুর রহমান। অনুষ্ঠানে গণমাধ্যম কর্মী ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা কৃষক-কৃষাণীরা অংশগ্রহণ করেন। কৃষদের উদ্বুদ্ধ করতে আধুনিক বা স্মার্ট কৃষি ফসল উৎপাদন, পুষ্টি শাক-সবজি উৎপাদনসহ বিভিন্ন ফসলের প্রদর্শনী দেখানো হয়।

  • গাইবান্ধার চরাঞ্চলে ১৮৬ বিদেশি বোতল মদ জব্দ ॥ ২ ভাই গ্রেফতার

    গাইবান্ধার চরাঞ্চলে ১৮৬ বিদেশি বোতল মদ জব্দ ॥ ২ ভাই গ্রেফতার

    গাইবান্ধার চরাঞ্চলে ১৮৬ বিদেশি বোতল মদ জব্দ ॥ ২ ভাই গ্রেফতার

     

    গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চল থেকে ১৮৬ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়েছে এবং এঘটনায় জড়িত সহোদর দুই ভাই মাদক কারবাড়িকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (২ জুন) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মালেক মিয়া (৩২) ও শয়কত আলী (৪০) ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের গুপ্তমনি (চর) গ্রামের হাবিজার রহমানের ছেলে। জব্দ করা মাদকের মধ্যে অফিসার চয়েস ব্র্যান্ডের ৭৫০ মিলিলিটার ২২ বোতল, ৩০০ মিলিলিটার ৯০ বোতল এবং ভারতীয় তৈরি ম্যাকডাওয়েলস ব্র্যান্ডের ৩৭৫ মিলিলিটার ৭৪ বোতলসহ মোট ১৮৬ বোতল মদ রয়েছে। সংবাদ সম্মেলন জানানো হয়, রোববার (১জুন) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুর ইউনিয়নের গুপ্তমনি চরে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই পরিমাণ মাদক জব্দসহ দুই সহোদরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধভাবে মদ সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করে আসছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, শরিফুল আলম, ফুলছড়ি থানার ওসি খন্দকার হাফিজুর রহমানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

  • চুয়াডাঙ্গায় বিজিবি ও বিএসএফ’র সহায়তায় মৃত মাকে দেখলো বাংলাদেশী দুই মেয়ে

    চুয়াডাঙ্গায় বিজিবি ও বিএসএফ’র সহায়তায় মৃত মাকে দেখলো বাংলাদেশী দুই মেয়ে

    চুয়াডাঙ্গায় বিজিবি ও বিএসএফ’র সহায়তায় মৃত মাকে দেখলো বাংলাদেশী দুই মেয়ে

    চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মানবিক সহায়তায় মায়ের সাথে শেষ দেখা পেয়েছেন বাংলাদেশে বসবাসরত দুই মেয়ে এবং তার পরিবার। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টায় চুয়াডাঙ্গা সীমান্তের মেইন পিলার ৯৬/৮-এস এর শুন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের উপস্থিতিতে এই আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। বিজিবি সূত্র জানায়, ভারতের নদিয়া জেলার চাপড়া থানার গোংরা গ্রামে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিক লোজিনা বেগম (৮০) গত ২ জুন রাতে নিজ বাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মৃতকালে তিনি ৪ ছেলে ও ৪ মেয়ে রেখে গেছেন। তার মধ্যে ২ মেয়ে বিবাহসূত্রে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার জয়পুর গ্রামে স্বামী-সন্তান নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
    লোজিনা বেগমের মৃত্যুর খবর পেয়ে বাংলাদেশে বসবাসরত দুই মেয়ে বিজিবির কাছে সীমান্তে দাঁড়িয়ে শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখার অনুমতি চান। এরপর দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও বিএসএফের সমন্বয়ে বিশেষ অনুমতির মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়নের (৬ বিজিবি) জগন্নাথপুর বিওপি এবং ভারতের ১৬১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোংরা ক্যাম্প যৌথভাবে লাশ দেখার ব্যবস্থা করে। এ সময় সীমান্ত এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিজিবির মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন উপস্থিত সাধারণ মানুষ। চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুর হাসান জানান, সীমান্তে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার পাশাপাশি মানবিক বিষয়েও বিজিবি সর্বদা আন্তরিক। এ ধরনের কার্যক্রম পারস্পরিক আস্থা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরণের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।