Blog

  • নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের পর্যায়ক্রমে অন্তর্বর্তী মেয়র হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করুন

    নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের পর্যায়ক্রমে অন্তর্বর্তী মেয়র হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করুন

    নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের পর্যায়ক্রমে অন্তর্বর্তী মেয়র হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করুন

    জুলাই আন্দোলন পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠার পরক্ষণেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) মেয়র পদ নিয়ে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিগত দু’নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মেয়র প্রার্থী বাংলাদেশ মেস সংঘের মহাসচিব মো. আকতারুজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লাহ। মেস সংঘের মহাসচিব মেয়র প্রার্থী আয়াতুল্লাহ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি ডিএসসিসি’র অন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী একাধিক মেয়র প্রার্থীর সাথে মতবিনিময় করেছি। প্রায় সকল প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মেয়র প্রার্থী সহমত প্রকাশ করেছেন যে, দেশের প্রশাসনিক প্রাণ কেন্দ্র ডিএসসিসি’র পরিস্থিতিতিতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আগামী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিগত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মেয়র প্রার্থীদেরঃ অন্তর্র্বতী মেয়র/অতিরিক্ত মেয়র/স্পেশাল মেয়র/বিশেষ মেয়র অথবা অটো মেয়র পদে ভূষিত করে ডিএসসিসি’র মেয়রের রুটিন ওয়ার্কের দায়িত্ব পালনের প্রয়োনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা একান্ত অপরিহার্য। কারণ গণতান্ত্রিক পদ মেয়র শূন্যতায় ডিএসসিসি’র নাগরিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে। নগরবাসী ডিএসসিসিতে গিয়ে কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত। ডিএসসিসি’র সেবায় নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও নাগরিক সেবা প্রদানে করতে গিয়ে মানসিকভাবে অজানা অসহনীয় অস্বস্তিকর ও পেরেসানিতে। ডিএসসিসি’র কার্যক্রম আরো সুদৃঢ় ও গতিশীল করা একান্ত পরিহার্য।
    কারণ ডিএসসিসি’র আওতায় রয়েছে : মহামান্য রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবন, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, প্রশাসনিক প্রাণ কেন্দ্র সচিবালয়, পুলিশ হেডকোয়াটার, জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, প্রথম সারির রাজনৈতিক দলগুলো প্রধান কার্যালয়, ব্যাংক, বীমা, হাসপাতালসহ অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপন। কাজেই এটা নিয়ে তুচ্ছ- তাচ্ছিল্য সূলভ কোনো কার্যকলাপ করার অবকাশ নেই। এ দাবিতে ১ জুন রবিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মেস সংঘ (বিএমওর) উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সংহতি প্রকাশ করেন নতুনধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, ঢাকা মহানগর সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ, শহীদুন্নবী ডাবলুসহ অন্যান্য মেয়র প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। অবস্থান কর্মসূচিতে মেস সংঘের সভাপতি হাবিবুর রহমান মনি সভাপতিত্ব করেন। এসময় ডিএসসিসি’র মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আয়াতুল্লাহ বলেন, ‘সংবিধান কোনো অপরিবর্তশীল দলিল নয়। সময়ের সাথে সামাঞ্জস্য রেখে সংবিধানের সংশোধনী আনায়ন অপরিহার্য। জুলাই বিপ্লবে দু’ হাজারের বেশি ছাত্র-জনতা রক্তের বিনিময় প্রতিষ্ঠিত অন্তর্র্বতীকালীন সরকার কার্যক্রম সাধারণ মানুষ গ্রহণ করেছেন। এখন আইন প্রণয়ের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংসদের কার্যক্রম অনুপস্থিত। রাষ্ট্রপতি জারিকৃত অধ্যাদেশই রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানে উপজীব্য বিষয়। মেয়র প্রার্থী আয়াতুল্লাহ আরো বলেন, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ইতোপূর্বে দায়িত্ব পালনকারী নগর পিতা বা মেয়র কোথায় গেছেন? কোথায় আছেন, হারিয়েছে গেছেন না পালিয়ে গেছেন, আয়নার ঘরে বন্দি অথবা অন্য কোথাও অবকাশ জীবন- যাপন করছেন তা নিয়ে দেশবাসী নানা ধরণের অভিব্যাক্তি জ্ঞাপন করছে। যার প্রেক্ষাপটে অন্যান্য মেয়র প্রার্থীরা জনগণের কাছে চরম বিভ্রান্তি ও বিভ্রতকর প্রশ্নের অবর্তীন হন। এহেন পরিস্থিতিতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করে শূন্য হওয়া মেয়র পদ বিগত নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে নগর পিতার বা মেয়রের দায়িত্ব প্রদান করা সমীচিন বলে অভিমত জ্ঞাপন করেছেন। তা হলে দেশবাসী নগর পিতা- মেয়র শূন্যতা থেকে পরিত্রাণ পাবেন। অবস্থান কর্মসূচিতে ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মেস সংঘ (বিএমওর) ঐতিহৃবাহী ১৩ দফা দাবির লিফলেটও বিতরণ করা হয়।

  • নাটোরে অতিরিক্ত খাজনার টাকা ফেরত পেলো পশু ক্রেতারা ॥ প্রশংসায় সেনাবাহিনী

    নাটোরে অতিরিক্ত খাজনার টাকা ফেরত পেলো পশু ক্রেতারা ॥ প্রশংসায় সেনাবাহিনী

    নাটোরে অতিরিক্ত খাজনার টাকা ফেরত পেলো পশু ক্রেতারা ॥ প্রশংসায় সেনাবাহিনী

    নাটোরের বড়াইগ্রামের জোনাইল পশু হাটে অতিরিক্ত খাজনা নেওয়ার অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালায় নাটোর সেনাবাহিনীর একটি দল। এতে অতিরিক্ত খাজনা নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পেলে তাৎক্ষনিক অতিরিক্ত খাজনা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ইজারাদাররা মাইকিং করে পশু ক্রেতাদের মাঝে আদায়কৃত অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেয়। শনিবার (৩১ মে) বিকেলে বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল পশু হাটে এই ঘটনা ঘটে। ৫ শতাধিক পশু ক্রেতা টাকা ফেরত পেয়ে উপস্থিত সকল ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা সেনাবাহিনীর এমন ভূমিকার প্রশংসা করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাপ্তাহের প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার উপজেলার জোনাইলে পশুর বড় হাট বসে। হাটের জন্য নির্ধারিত দিন হিসেবে শনিবার দুপুর থেকে হাট জমতে শুরু করে। হাটে প্রতি ছাগলের খাজনা বাবদ ক্রেতার কাছ থেকে ৪০০ টাকা ও বিক্রেতার কাছ থেকে ১০০ টাকা আদায় করে। অথচ এই খাজনা সরকারী তালিকা অনুযায়ী নেওয়ার কথা ছিলো ক্রেতার কাছ থেকে ছাগলের মূল্য অনুসারে ১১০ থেকে ২২০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ২২-৫৫ টাকা। অপরদিকে, ইজারাদাররা গরুর খাজনা বাবদ, ক্রেতার কাছ থেকে ৮০০ টাকা ও বিক্রেতার কাছ থেকে ২০০ টাকা আদায় করে। যা সরকারী তালিকা অনুযায়ী নেওয়ার কথা ক্রেতার কাছ থেকে গরুর মূল্য অনুসারে ৩৩০-৬০০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ৬০-১২০ টাকা। জোনাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ জানান, যারা ইজারা পেয়েছে তারাই খাজনা আদায় করছে। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত খাজনার বিষয়ে প্রশাসন খেয়াল রাখছে। অতিরিক্ত আদায় করলে সেনাবাহিনী এসে সেই টাকা ফেরত দিয়ে দিতে বলেন। অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার সময় ইজারাদাররা ভবিষ্যতে সরকার নির্ধারিত খাজনার বাইরে অতিরিক্ত খাজনা নিবে না বলে সেনাবাহিনীর কাছে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।

  • লালপুরে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে ভর্তি

    লালপুরে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে ভর্তি

    লালপুরে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অর্ধশতাধিক শ্রমিক হাসপাতালে ভর্তি

    নাটোরের লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হঠাৎ করেই একের পর এক চিকিৎসা নিতে আসছেন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী। গত ৪৮ ঘণ্টায় সেখানে ভর্তি হয়েছেন অন্তত ১০০ জন রোগী। যাদের সবাই পাবনার ঈশ্বরদী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠানের (ইপিজেড) শ্রমিক। শনিবার (৩১ মে) বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে এমন তথ্য জানা গেছে। আক্রান্ত শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছে, ডেনিম ভিনটেজ (এ্যাবা), নাকানো ইন্টারন্যাশনাল বিডি এবং আরও কয়েকটি কারখানার কর্মীরা। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ইপিজেডে খাবার ও পানি গ্রহণের কয়েক ঘণ্টা পর থেকেই শ্রমিকদের মধ্যে বমি, পেট ব্যথা ও পাতলা পায়খানার উপসর্গ দেখা দিতে থাকে। প্রথমে কয়েকজন হালকা অসুস্থতা অনুভব করায় ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে যান। তবে রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ডায়রিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে গত ৪৮ ঘন্টায় এ পর্যন্ত ১০০ জন চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাদের মধ্যে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অনেকে বাড়ি ফিরে গেলেও গুরুতর অবস্থায় অন্তত ৪০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে এ্যাবা কারখানার শ্রমিক সিয়াম রেজা বলেন, আমি বাড়ি থেকে রান্না করা খাবার নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে কাজের ফাঁকে ইপিজেড এলাকার সরবরাহ করা পানীয় পানি (সাপ্লাই) খেয়েছিলাম। এরপর থেকেই পেট ব্যথা, বমি ও পাতলা পায়খানা শুরু হয়। এদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে গিয়ে চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন নার্স, চিকিৎসক ও কর্মচারীরা। লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাকিবা তাসনিম বলেন, শ্রমিকদের খাবার বা পানিতে ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খাদ্যজনিত বিষক্রিয়ার কারণেই তাদের ডায়রিয়া, বমি ও পেট ব্যাথা দেখা দিয়েছে।

  • রাজশাহীতে শহীদ জিয়ার শাহাদৎ বার্ষিকীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের খাবার বিতরণ

    রাজশাহীতে শহীদ জিয়ার শাহাদৎ বার্ষিকীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের খাবার বিতরণ

    রাজশাহীতে শহীদ জিয়ার শাহাদৎ বার্ষিকীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের খাবার বিতরণ

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে খাবার বিতরণ করেছে মতিহার থানা, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা কর্মীরা। শনিবার বিকেলে নগরীর মতিহার থানার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট সংলগ্ন কাজলার মোড়ে দুঃস্থ পথচারী ও শ্রমিকদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল রাজশাহী মহানগরের আহবায়ক মীর তারিক খালিদ ও সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান জনি। আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল মতিয়ার থানার বিপ্লবী আহবায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয়, সদস্য সচিব নাদিম ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আব্বাস আলী, যুগ্ন আহবায়ক বাবু, রানা, বিশাল, শহিদুল, তুহিন সহ মতিহার থানা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ।

  • সিলেটে টিলা ধ্বস ॥ একই পরিবারের চারজন নিহত

    সিলেটে টিলা ধ্বস ॥ একই পরিবারের চারজন নিহত

    সিলেটে টিলা ধ্বস ॥ একই পরিবারের চারজন নিহত

    টানা ভারী বর্ষণে সিলেটের গোলাপগঞ্জে টিলা ধ্বসে মাটিচাপা পড়ে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর এক নারী ও দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো মাটিচাপা অবস্থায় রয়েছেন আরেকজন। রোববার (০১ জুন) ভোররাত পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার ৭ নম্বর লক্ষনাবন্দ ইউনিয়নের বখতিয়ার ঘাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, বখতিয়ারঘাট গ্রামের বাসিন্দা মো. ইয়াজ উদ্দিন স্বপরিবারে আধাপাকা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাতে হঠাৎ টিলা ধসে ঘরের ওপর পড়লে তারা মাটিচাপা পড়েন। খবর পেয়ে এলাকার লোকজন ঘটনাস্থলে যান। কিন্তু তারা মাটিচাপা পড়া পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ইয়াজ উদ্দিন ছাড়াও মাটিচাপা পড়েছেন তার স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে তিনজনকে উদ্ধার করে। আরেকজনকে এখনো উদ্ধার করতে পারেনি। গোলাপগঞ্জ থানার ওসি মনিরুজ্জামান মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রাত ১টা থেকে ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। ঝড়ে রাস্তায়ঘাটে জলাবদ্ধতা ও গাছ পড়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। যে কারণে ঘটনাস্থলে বিকল্প রাস্তা হয়ে অনেক ঘুরে যেতে হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস সিলেট তালতলা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানা গেছে, খবর পেয়ে ভোর ৪টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট স্টেশন অফিসার টিটক শিকদারের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজে পৌঁছায় এবং উদ্ধার কাজ করে। একই রাতে উপজেলার চৌধুরীবাজার ও বিয়ানীবাজার এলাকায়ও টিলা ধসের খবর পাওয়া গেছে। তবে ওই দু’টি স্থানে কেউ হতাহত হননি।

  • চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশের পথে প্রধান উপদেষ্টা

    চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশের পথে প্রধান উপদেষ্টা

    চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশের পথে রওনা হয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ২০ মিনিটে তিনি ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী ফ্লাইট টোকিও থেকে রওনা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ২০ মিনিটে ফ্লাইটটি নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়েছে। বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ৪০ মিনিটে তার ঢাকায় পৌঁছার কথা। উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার জানান, সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা টোকিওতে প্রায় ২০টি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে একটি ছিল জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরুর সঙ্গে বৈঠক। এর আগে গত মঙ্গলবার গভীর রাতে ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধান উপদেষ্টা। সফরকালে তিনি ৩০তম নিক্কেই ফোরামে যোগ দেন এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শুক্রবার অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় এ বৈঠকে দুই নেতা চলতি বছরের মধ্যে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। জাপানি প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে বাজেট সহায়তা ও রেলপথ উন্নয়নের জন্য ১০৬ কোটি ডলারের ঋণের প্রতিশ্রুতি দেন। একই দিন প্রধান উপদেষ্টা ‘বাংলাদেশ বিজনেস সেমিনার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন, যেখানে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, বিনিয়োগ ও অন্যান্য সহযোগিতার ক্ষেত্রে ছয়টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ও জাপান দুটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে। বাংলাদেশের কর্মশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জাপানে তাদের কর্মসংস্থান সহজ করার উদ্দেশ্যে এ দুটি সমঝোতা হয়। ওই অনুষ্ঠানে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। একই দিন প্রধান উপদেষ্টা ‘৩০তম নিক্কেই ফোরাম: ফিউচার অব এশিয়া’তে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন। অধ্যাপক ইউনূস নিক্কেই ফোরামের পাশাপাশি মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বাংলাদেশকে আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থনের আহ্বান জানান। শুক্রবার সোকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ইউনূসকে সামাজিক উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেয়। প্রধান উপদেষ্টা গত মঙ্গলবার গভীর রাতে জাপানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন।

  • ২১ জুন রাজধানীতে জামায়াতের বড় সমাবেশের ঘোষণা

    ২১ জুন রাজধানীতে জামায়াতের বড় সমাবেশের ঘোষণা

    ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর ঢাকায় প্রথম বড় সমাবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আগামী ২১ জুন/২৫ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করতে চায় দলটি। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাছে আবেদন করেছে জামায়াত। শনিবার জামায়াতের কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আগামী ২১ জুন দুপুর ২টায় রাজধানীতে আমরা জনসভা করব। প্রাথমিকভাবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জন্য ডিএমপির কাছে আবেদন করা হয়েছে। সমাবেশে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি সমমনা রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বিজয় টিভি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বিজয় টিভি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বিজয় টিভি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    উৎসবমুখর পরিবেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জে পালিত হয়েছে জনপ্রিয় বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন বিজয় টিভির ১৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। শনিবার (৩১ মে) সকালে শহরের স্বরূপনগরস্থ সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) চত্বরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ দিবসটি উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি হয়। এরপর শিশু পরিবারে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা,  কেক কাটা এবং শুভেচ্ছা বিনিময় পর্ব হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজয় টিভির চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মোঃ নাদিম হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ।


    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, চ্যানেল আই-এর জেলা প্রতিনিধি, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও ‘দৈনিক চাঁপাই দর্পণ’ এর প্রকাশক ও সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল হক হায়দারী শহিদ মিয়া। দেশ টিভির জেলা প্রতিনিধি মো. তারেক রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন এসএ টিভির জেলা প্রতিনিধি আহসান হাবিব।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের পরিচালক বাহরাম আলী, ডিবিসি নিউজের জেলা প্রতিনিধি মো. জহরুল ইসলাম, গ্লোবাল টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি ফারুক আহমেদসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকর্মীরা।
    প্রধান অতিথি মো. আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে বিজয় টিভি যেন আরও বেশি করে সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সময়োপযোগী ও সত্যনিষ্ঠ প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিজয় টিভি ইতোমধ্যে দর্শকের আস্থা অর্জন করেছে। বক্তারা বিজয় টিভির উত্তরোত্তর উন্নতি ও সাফল্য কামনা করে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান।

    অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা শিশু পরিবারের কন্যাদের সাথে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন এবং আনন্দঘন পরিবেশে দিনটি উদযাপন করেন। এসময় শিশু পরিবারের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও শিশুরা অংশ নেয়।

  • ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচন দিতে হবে- সালাহউদ্দিন আহমদ

    ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচন দিতে হবে- সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচন দিতে হবে। এটা বাংলাদেশের মানুষের দাবি। একটিও কারণ নেই ডিসেম্বরের বাইরে নির্বাচন যাওয়ার। সংস্কার ও নির্বাচন চলমান প্রক্রিয়া। শনিবার (৩১ মে) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংস্কার হবে। সংস্কার আমাদের প্রধানতম এজেন্ডা। তার থেকে বেশি জরুরি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বিচার, যারা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিল। সবাইকে কাঠগড়ায় নিয়ে আসা হবে, এটা আমাদের সর্বোচ্চ এজেন্ডা। কিন্তু নির্বাচন বাংলাদেশের মানুষকে এই ডিসেম্বরের মধ্যে দেবেন বলে যে আশ্বস্ত করেছিলেন আমাদের সামনে, পরবর্তীতে সরে গেলেন। সেটা ঠিক করেননি। তিনি বলেন, নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ার একটিও কারণ নেই আপনার সামনে, যুক্তি নেই, কেন আপনি ডিসেম্বরের বাইরে গিয়ে নির্বাচন দেবেন। কিন্তু শুধু বলেন ডিসেম্বর থেকে জুন। কেন! আছর পড়েছে আপনার? যে ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে থাকতে হবে!

  • লালমনিরহাটে বিজিবির হাতে ৬ ভারতীয় নাগরিক আটক

    লালমনিরহাটে বিজিবির হাতে ৬ ভারতীয় নাগরিক আটক

    লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী রেলস্টেশন এলাকা থেকে ছয় ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি। বুড়িমারী রেলস্টেশন থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) বুড়িমারী স্থলবন্দরের বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করেন। এদের মধ্যে চারজন পুরুষ, দুজন নারী। তারা সকলেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইনের শিকার বলে জানা গেছে। তাদের বাড়ি ভারতের আসাম রাজ্যে। বিজিবির জানায়, গত ২৮ মে রাতে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতায় হাতীবান্ধা উপজেলার দইখাওয়া সীমান্তের ওপারে ভারতের ৭৮ বিএসএফের গীতলদহ বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ওই ছয় ব্যক্তিকে সীমান্ত পিলার ৯০৮/এস এর নিকটবর্তী এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে পুশইন করেছিল। পরে তারা ওই ছয় জন স্থানীয় এক ব্যক্তির অধীনে থাকার পর শুক্রবার দুপুরের দিকে উপজেলার বুড়িমারী রেলস্টেশন এলাকায় সন্দেহজনক ঘোরাফেরা করছিল। এ সময় বিজিবি গোপন সংবাদের মাধ্যমে ওই ছয় ভারতীয় নাগরিককে আটক করে। এ বিষয়ে ভারতীয় নাগরিক কিসমত আলী (৬৩) শুক্রবার বলেন, ‘আমার জন্মস্থান ভারতের আসামের নৌহাটি। ভারতীয় নাগরিক হিসেবে আমার আইডি কার্ড, প্যান কার্ড, আধার কার্ডসহ সকল কাগজ-পত্র আছে। বাড়ি-ঘর আছে। তবুও আমাকে জোর করে বাংলাদেশি বানানো হয়েছে। দুই বছর জেল খেটেছি। এ ঘটনায় ৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বুড়িমারী স্থলবন্দর ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার আবুল কাশেম বলেন, ‘বুড়িমারী স্থলবন্দরের শূন্যরেখায় কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক করা হয়েছে। আমরা আটক ভারতীয়দের সকল ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে বিএসএফকে দিয়েছি। যদি ভারতীয় হয় তাহলে তারা ফেরত নেবে।