Blog

  • গোবিন্দগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১১জন গ্রেপ্তার

    গোবিন্দগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১১জন গ্রেপ্তার

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে যৌথ বাহিনী ও থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজি মামলার আসামী, নারী মাদক ব্যবসায়ী, হ্যাকার এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ নেতাসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত এবং রোববার সারাদিন যৌথ বাহিনী ও পুলিশ গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিভিন্নস্থানে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ১১জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১শ’ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের দশলাল গ্রামের বাবু মিয়ার স্ত্রী নারী মাদক ব্যবসায়ী আশরাফী আক্তার ইতি (৩২), বিএনপি-জামায়াতের অফিস ভাংচুরের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগ নেতা দরবস্ত ইউনিয়নের বগুলাগাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল মোত্তালেবের ছেলে জাহাঙ্গীর কবির রঞ্জু (৬৪) ও মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের পুনতাইর গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে মমিনুল হক (৩৮), সাইবার অপরাধে জড়িত ৭টি মোবাইল ফোনসহ ৩ হ্যাকার উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রকি ইসলাম (২৭), চন্ডিপুর গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে একরামুল হক (২৮) ও দরবস্ত ইউনিয়নের সাবগাছি কালিকাপুর গ্রামের রজ্জব আলীর ছেলে মেনারুল ইসলাম (৩৮), নিয়মিত মামলার আসামী হরিরামপুর ইউনিয়নের পাখেরা গ্রামের মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে রাজু আহম্মেদ (৬০), মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আবুল কালাম (৫৭) ও খাজা মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৬) এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী রাখালবুরুজ ইউনিয়নের চাঁদপুর সিংগা গ্রামের সাফি সরকারের ছেলে পারভেজ সরকার (৪০) ও চাঁদপুর গ্রামের মৃত নায়েব উদ্দিনের ছেলে জহুরুল হক (৪৫)। বিভিন্ন মামলায় ১১জনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল ইসলাম আমার দেশকে জানান, অপরাধ দমনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে রোববার সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • নওগাঁস্থ ১৬ বিজিবির উদ্ধারকৃত কষ্টি পাথরের মূর্তি পাহাড়পুর প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরে হস্তান্তর

    নওগাঁস্থ ১৬ বিজিবির উদ্ধারকৃত কষ্টি পাথরের মূর্তি পাহাড়পুর প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরে হস্তান্তর

    নওগাঁস্থ ১৬ বিজিবির উদ্ধারকৃত কষ্টি পাথরের মূর্তিগুলো পাহাড়পুর প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরে হস্তান্তর করা হয়েছে। রবিবার (২৫ মে) ১০৮.২২৫ কেজি ওজনের ০৪টি কষ্টি পাথরের মূর্তি এবং ৫৪৬,৬৫০ কেজি ওজনের ১৪টি কষ্টি পাথর সাদৃশ্য বিভিন্ন প্রকার মূর্তি পাহাড়পুর, প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, বদলগাছী, নওগাঁ এর কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করেন।
    ১৬ বিজিবির এক প্রেসনোটে জানানো হয়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) শুধু একটি সীমান্তরক্ষী বাহিনী নয় বরং এটি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থ অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দেশের সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, অস্ত্র ও মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় গত ১৯ অক্টোবর ২০১৯ হতে ১৪ মে ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত চোরাচালান বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা হতে ও প্রশাসনিক দায়িত্বপূর্ণ এলাকা বগুড়া জেলার বিভিন্ন এলাকা হতে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) কর্তৃক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ১০৮.২২৫ কেজি ওজনের-০৪টি কষ্টি পাথরের মূর্তি এবং ৫৪৬.৬৫০ কেজি ওজনের ১৪টি কষ্টি পাথর সাদৃশ্য বিভিন্ন প্রকার মূর্তি অবৈধভাবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে পাচারের প্রাক্কালে জব্দ করা হয়। এই মূর্তিগুলো শুধু প্রাচীন শিল্পকলার নিদর্শনই নয়, বরং আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ও বহন করে। শত শত বছর আগের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য বহনকারী এই কষ্টিপাথরের মূর্তিগুলো আমাদের অতীত সভ্যতা, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং শিল্পবোধের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এদের সংরক্ষণ কেবল একটি প্রশাসনিক কর্তব্য নয়, এটি জাতির প্রতি একটি নৈতিক দায়বদ্ধতা।
    বিজিবি গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছে, জব্দকৃত এই কষ্টিপাথরের মূর্তিগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে ২৫ মে আড়াইটার দিকে পাহাড়পুর, প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, বদলগাছী, নওগাঁ এর কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা চাই, এসব ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে সংরক্ষিত হোক, যাতে সাধারণ দর্শক, গবেষক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এগুলো থেকে শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা নিতে পারে। মূর্তিগুলো জাদুঘরে সংরক্ষণের ফলে সাধারণ জনগন দেখার সুযোগ পাবে এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ইতিহাস ও সংস্কৃতির চেতনা জাগ্রত হবে।
    বিজিবি শুধুমাত্র সীমান্ত পাহারা নয় বরং দেশের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্য রক্ষায়ও সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছে। আজকের এই হস্তান্তর সেই দায়বদ্ধতার আরেকটি নিদর্শন। বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ যে, ভবিষ্যতেও দেশের সাংস্কৃতিক সম্পদ রক্ষায় সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণে সচেষ্ট থাকবে।

  • গোমস্তাপুরে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    গোমস্তাপুরে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    গোমস্তাপুরে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

    ‘স্থায়িত্বশীল তামাক নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি সংগঠন সমূহকে সম্পৃক্তকরণ জরুরী’ এই প্রতিপাদ্যে সোমবার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন, ডাব্লুিউবিবি ট্রাস্ট, বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট ও অগ্রদূত বাংলাদেশ এর যৌথ উদ্যোগে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প.কর্মকর্তা ডাক্তার আব্দুল হামিদ, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম, রহনপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মেসবা, রহনপুর বিজেপি ক্যাম্পের ইনচার্জ আব্দুল ওয়াদুদ, আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা ফরহাদ আলী চৌধুরী, অগ্রদূত বাংলাদেশ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ইয়াহিয়া খান রুবেল প্রমূখ। বক্তারা বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটিকে সক্রিয় করতে হবে। সরকারি দপ্তর সমূহ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান,

    এবং এলাকায় যে সকল তামাক এজেন্সি এবং দোকানদার রয়েছে তাদের তালিকা করে প্রচার প্রচারণা কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। এছাড়াও স্থানীয় এনজিও অগ্রদূত বাংলাদেশকে এ ব্যাপারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, উপজেলা টাক্সফোর্স এর মাধ্যমে কর্মরত স্থানীয় এনজিও অগ্রদূত বাংলাদেশকে সাথে নিয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে হবে। স্থায়িত্বশীল তামাক নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি সংগঠনকে সম্পৃক্ত করনের জন্য ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ রেখে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপস্থিত সকলকে অনুরোধ করেন। আলোচনা সভায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণ, উপজেলায় সকল দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মাদক বিরোধী অভিযানে ইউপি সদস্যসহ আটক ২

    চুয়াডাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মাদক বিরোধী অভিযানে ইউপি সদস্যসহ আটক ২

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনাবাহিনী মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে মনোহরপুর ইউপি সদস্য সহ দুইজনকে আটক করেছে। সোমবার (২৬ মে) ভোর ৪ টার দিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর (চুয়াডাঙ্গা ক্যাম্প) সদস্য এবং জীবননগর থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কালা ও মাধবখালি গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ২৩ বোতল ফেনসিডিলসহ দুই জনকে আটক করে। আটককৃতরা হচ্ছে-মনোহারপুর ইউনিয়নের কালা গ্রামের মাঝপাড়া মৃত নূর বক্সের ছেলে মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম দুধবারি (৪৫) এবং মাধবখালী গ্রামের সাত্তার খানের ছেলে শাহজাহান আলী খান (৪২)। জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন হোসেন বিশ্বাস জানান, আটকৃতদের বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা হয়েছে।

  • চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত দিয়ে ৫৪ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত দিয়ে ৫৪ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত দিয়ে ৫৪ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) দু’ দফায় ৫৪ জন বাংলাদেশিকে পুশইন করেছে। এদের মধ্যে পুরুষ ১১ জন, নারী ১৯ জন এবং শিশু রয়েছে ২৪ জন। রবিবার ভোর রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার নোনাগঞ্জ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদেরকে পুশইন করে। দেশে প্রবেশের পর তাদেরকে আটক করে ৫৮ বিজিবি। রবিবার রাত ১০ টায় বিজিবির মহেশপুর-৫৮ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যম কর্মীদেরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর সীমান্তের মেইন পিলার ৬১ নং এবং সাব পিলার ২ নং হতে ৪’শ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নবদুর্গাপুর মাঠের মধ্যে থেকে ভারত হতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে প্রথম দফায় ৪৫ জনকে আটক করে বিজিবি। আটককৃতদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ, ১৬ জন নারী এবং ২১ জন শিশু রয়েছে। আটককৃতরা হলেন-নড়াইল জেলার বেষ্টপুর গ্রামের মোশারফ হোসেনের মেয়ে রিয়া খাতুন (২২), রফিকুল ইসলামের ছেলে শাওন মল্লিক (১১), মৃত লাল মিয়ার মেয়ে ছকিনা খাতুন (৫৫), মিরাজুল ইসলামের ছেলে আহম্মেদ (১১ মাস), মোহাম্মদ (৫) ও রাব্বি গাজি (৮), মালেক হোসেনের ছেলে মনি (২৮), ইরাই গাজীর ছেলে শাহিন (১৩) ও কোরবান আলী (১৫), কেরামত শেখের মেয়ে শরিফা বেগম (৩২), আপন মল্লিকের ছেলে ইয়ামিন (৩), ইব্রাহীম মল্লিক (৪), গফফার শিকদারের মেয়ে নিকলা বেগম (৪৩), শরীফ হোসেনের ছেলে আপন মল্লিক (৫১), খুলনা জেলার কামারখোলা গ্রামের হাকিম শিকদারের ছেলে শাহজাহান শিকদার (২১), হাকিম শিকদারের মেয়ে মরিয়ম খাতুন (২০), আসমা খাতুন (১১), জামিলা শিকদার (৩), ছেলে সামির উল্লাহ (৬), শাহ পরান (৪) ও শাহিন আলম (১৭), স্ত্রী খুরশিদা বেগম (৪০), শামসুর রাহমানের ছেলে হাকিম শিকদার (৫৮), রফিকুল ইসলামের ছেলে রাকিব শেখ (৭), সিদ্দিকের মেয়ে পলি ইয়াসমিন (৩৪), কিশোরগঞ্জ জেলার সাতিরচর গ্রামের মুর্শিদ মিয়ার মেয়ে নুরনাহার (২২), ঝিনাইদহ জেলার দামদরপুর গ্রামের ইউনুস শেখের ছেলে আশরাফুল শেখ (১১), গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে আবু গুরায়রা (১৩), আবুল কালামের মেয়ে নার্গিস বেগম (২৮), কেরামত শেখের মেয়ে কাকুলি বেগম (৩৯) এবং আজহারীর মেয়ে রিজিয়া বেগম (৫৮)।
    আটককৃতরা বিজিবির কাছে জানিয়েছেন, তারা ভারতের গুজরাট থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ২৪ মে বিকেল ৪ টায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে আটক হয়। পরে বিএসএফ ২৫মে রাত আড়াইটার সময় সীমান্তের ৬২ নং মেইন পিলারের কাছে কাটাতারের গেট খুলে দিয়ে তাদেরকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন করে। এ সময় বিজিবির কুসুমপুর বিওপির হাবিলদার শিশির হালদারের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা তাদেরকে আটক করেন। অপরদিকে, রবিবার ভোর সাড়ে ৪ টার সময় পৃথক অভিযানে জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর সীমান্তের ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নবদুর্গাপুর মাঠের মধ্যে থেকে বেনীপুর ক্যাম্পের হাবিলদার রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা ভারত হতে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে ৯ জনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ, ৩ জন নারী এবং ৩ জন শিশু রয়েছে।

    আটককৃতরা হলেন-কুড়িগ্রাম জেলার তেলিপাড়া গ্রামের মজিবর আলীর ছেলে আইয়ুব আলী (৫০), মোফাজ উদ্দিনের মেয়ে মোরশেদা বেগম (৩৭), আইয়ুব আলীর মেয়ে আমেনা খাতুন (৭), ছেলে ইউসুপ আলী (২৬) ও জাকারিয়া হোসেন (২৮), মোস্তফা আলীর মেয়ে লাবনী আক্তার (২৬) ও কাজুলি খাতুন (২৪), ইউসুপ আলীর মেয়ে ইথি মনি (২) এবং জাকারিয়া হোসেনের মেয়ে জাহিদা (৩)। আটককৃতরা বিজিবির কাছে জানিয়েছেন, হরিয়ানা পুলিশ ২৪ মে রাতে জীবননগর উপজেলার সীমান্তবর্তী বিএসএফ ক্যাম্পের সামনে নিয়ে আসে। এর পর বিএসএফের উপস্থিতিতে সীমান্তের ৬২ নং পিলারের কাছের কাটাতারের গেট খুলে দিয়ে তাদেরকে বাংলাদেশে জোরপূর্বক পুশইন করে। অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে তাদেরকে বিজিবি সদস্যরা আটক করে। রবিবার রাতে আটককৃতদের জীবননগর পাইলট হাইস্কুলের হলরুমে পুলিশি প্রহরায় রাখা হয়। আটককৃতদের মধ্যে নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের সুব্রত মল্লিকের ছেলে বাবুল মল্লিক জানান, তিনি ভারতের গুজরাটের আহমেদাবাদ ও হরিয়ানা শহরে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। সেখানে তাদের বাড়ি-ঘর রয়েছে। কয়েক দিন পূর্বে তাদের বাড়ি-ঘর ভেঙ্গে দেওয়া হলে তারা গৃহহীন হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চলে আসেন এবং নোনাগঞ্জ বিএসএফ ক্যাম্পে আত্মসমার্পন করেন। বিএসএফ সদস্যরা রাত আড়াইটার দিকে গেট খুলে দিয়ে তাদেরকে বাংলাদেশে পুশইন করে। জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন হোসেন বিশ্বাস জানান, অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে ৫৪ জনকে জীবননগর থানায় সোপর্দ করেছে বিজিবি।

  • ফরিদপুরে থানা থেকে লুট হওয়া শটগান উদ্ধার

    ফরিদপুরে থানা থেকে লুট হওয়া শটগান উদ্ধার

    ফরিদপুরের সদরপুর থানায় ৫ আগস্ট হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের সময় লুট হওয়া শটগান ১০ মাস পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। সদরপুর থানার ওসি নাজমুল হাসান জানান, শনিবার রাতে সদর ইউনিয়নের কালিখোলা মোড় এলাকার প্রশিকা কার্যালয়ের গেইটের পাশ থেকে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, শনিবার রাতুল ও আনিস নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য মতে, শটগানটি পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আসামি রাতুল সর্দার সদরপুর উপজেলার পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের কাসেম সর্দারের ছেলে এবং আনিসুল হক একই গ্রামের ইউনুস মাতুব্বরের ছেলে। ওসি নাজমুল হাসান আরও বলেন, ৫ আগস্ট হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে থানা থেকে বেশকিছু আগ্নেয়াস্ত্র লুট করা হয়। এ ঘটনায় মামলা হয়। সেই মামলাতেই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও বলেন, থানা থেকে পুলিশের লুট হওয়া আরও কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি। এই অস্ত্র যদি কোথাও কেউ ফেলে রাখে, তাহলে আমাদের ফোনে বা জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন দিয়ে জানাতে পারবে। তাহলে তাকে পুরস্কৃত করা হবে।

  • সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও করিডোর বিষয়ে আপসহীন সেনাবাহিনী

    সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও করিডোর বিষয়ে আপসহীন সেনাবাহিনী

    সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও করিডোর বিষয়ে আপসহীন সেনাবাহিনী

    সম্প্রতি আলোচিত ‘মানবিক করিডোর’কে স্পর্শকাতর উল্লেখ করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুন্ন হয়, এমন যেকোনো বিষয় কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। সোমবার (২৬ মে) সেনা সদরে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এই দৃঢ় অবস্থানের কথা জানায় তারা। সেনাবাহিনী জানায়, সীমান্তে পুশইন কোনোভাবে কাম্য নয়, সেনাবাহিনী যুক্ত হওয়ার প্রয়োজন হলে সরকারের নির্দেশনায় যুক্ত হবে। তবে এখনো সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সেনাবাহিনী আরও জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে তাদের কোনো টানাপোড়েন নেই এবং দেশের স্বার্থ রক্ষায় সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ আপসহীন। ব্রিফিংয়ে কেএনএফ (কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট) এবং মাদক দমনের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হয়। সেনাবাহিনী জানায়, কেএনএফের ৩০ হাজার ইউনিফর্ম বানানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক মাসে কেএনএফের ১ হাজার ৯৭৯ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ১৪ হাজারের বেশি কেএনএফ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও, ৪ হাজারের বেশি মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও সেনাবাহিনী উল্লেখ করে। ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্ব সেনাবাহিনীর। সরকারের নির্দেশনা মেনেই কাজ করা হচ্ছে। সরকারের সঙ্গে মতপার্থক্য নেই। গত ৫ আগস্টের পর থেকে সেনাবাহিনী দেশের স্বার্থে সবার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এছাড়াও মব তৈরির বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ব্রিফিংয়ে বলা হয়, কেউ মব তৈরি করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে সেনাবাহিনী তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

  • জয়পুরহাটে বিএনপি-জামায়াতকর্মীদের সংঘর্ষে আহত-৭

    জয়পুরহাটে বিএনপি-জামায়াতকর্মীদের সংঘর্ষে আহত-৭

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ভিজিএফের কার্ড বিতরণ নিয়ে দ্বন্দ্বে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্র-শিবিরের উপজেলা সভাপতিসহ ৭ জন আহত হয়েছেন। রোববার উপজেলার আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার (২৬ মে) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ক্ষেতলাল থানার ওসি মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন। সংঘর্ষে ক্ষেতলাল উপজেলা শিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী (২৫) ও আলমপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জুয়েল ফকির (৪৫) আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত অন্যদের মধ্যে রয়েছেন রাজু (২৫), মাসুদ (৩৭), ছাব্বির হোসেন (১৮), শিহাব (১৮) ও আবু কাশেম (৪৭)। তবে তাদের দলীয় পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের এক হাজার ৫’শ ১২টি বিশেষ ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে বিতরণের জন্য বিএনপি, জামায়াত ও ছাত্রনেতাদের কিছু কার্ড দেওয়া হয়। বাকি কার্ড বিতরণের জন্য ইউপি সদস্যদের দেওয়া হয়। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল মতিন মারা যাওয়ায় ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আম্মাদ হোসেনকে ওই ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ৫০ জন সুবিধাভোগীর তালিকা করে ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেন। ভিজিএফের সুবিধাভোগীদের ওই তালিকা সঠিকভাবে করা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ বিষয়ে তারা রোববার সকালে ইউপি কার্যালয় এসে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোছা. হোসনে আরার সঙ্গে কথা বলেন। এ নিয়ে ইউপি কার্যালয়ের বাইরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উপজেলা শিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান মোছা. হোসনে আরা বলেন, ঈদুল আজহার জন্য এক হাজার ৫১২টি বিশেষ ভিজিএফের কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়। তারা স্থানীয় প্রশাসনের পরার্মশে কিছু কার্ড বিএনপি, জামায়াত ও ছাত্রনেতাদের নিয়ে সমন্বয় করেছেন। রোববার জামায়াতের লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এসে ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সঠিকভাবে কার্ড বিতরণ হয়নি বলে অভিযোগ করেন। তারা বিতরণের জন্য কার্ড দাবি করেন। এরপর ইউপি কার্যালয়ের বাইরে বিএনপি ও জামায়াতের লোকজনের মধ্য মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছি। এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ওসি মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন বলেন, আলমপুর ইউনিয়নে ভিজিএফের কার্ড বিতরণ নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পায়নি। এ ঘটনায় কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।

  • গাইবান্ধায় বোরো’র জমিতে ক্লাস্টর আকারে উচ্চ ফলনশীল আউশ ধান চাষে আগ্রহী চাষীরা

    গাইবান্ধায় বোরো’র জমিতে ক্লাস্টর আকারে উচ্চ ফলনশীল আউশ ধান চাষে আগ্রহী চাষীরা

    গাইবান্ধায় বোরো’র জমিতে ক্লাস্টর আকারে উচ্চ ফলনশীল আউশ ধান চাষে আগ্রহী চাষীরা

    গাইবান্ধায় এবার ক্লাস্টর আকারে আউশ ধানের চাষ করছেন কৃষকরা। বোরো-ধান কর্তনের পর জমি পতিত ফেলে না রেখে আউশ ধান আবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। বন্যা প্রবল এমন নিচু পতিত জমিতেও আউশ চাষ করা হচ্ছে। বৃষ্টি নির্ভর তাই এ চাষে সল্প খরচ আর উচ্চ ফলনশীল জাত আশায় আউশ আবাদ চাষীদের কাছে এখন লাভজনক ফসল। সরকারি কৃষি প্রনোদনায় পাওয়ায় এ ধান চাষে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষক। জেলায় বোরো-আমন ধান আবাদের মাঝামাঝি সময়ে পতিত পড়ে থাকা অনেক জমি এখন আউশ ধান চাষের আওতায় এসেছে। এতে করে জেলার দুই ফসলী জমি গুলো তিন ফসলী জমিতে পরিনত হয়েছে। বিগত বছর আউশ চাষে লাভবান হওয়ায় চলতি মৌসুমে জেলার গোবিন্দগঞ্জ পৌর সভার খলসী চাঁদপুরে শতাধিক কৃষক ক্লাস্টর আকারে প্রায় ১শ’৫৫ বিঘা জমিতে আউশ চাষ করছেন। ইতিমধ্যে বীজতলায় চারা উৎপাদন সম্পন্ন করা হয়েছে। চলছে জমিতে চারা রোপনের প্রস্তুতি। এছাড়াও একই পদ্ধতি অনুসরন করে উপজেলার শিবপুরের খিরিবাড়ী, নুরুল্লার বিলে ১’শ ২০ বিঘা ও নাকাই ইউনিয়নের ৫০ থেকে ৬০ বিঘা জমিতে এবারি প্রথম আউশ ধান চাষ করছেন চাষীরা। খলসী চাঁদপুরের কৃষক অর্জন চন্দ্র জানান অপেক্ষাকৃত নিচু ও বন্যা প্রবল হওয়ায় এসব জমিতে বেশি ভাগ সময় আমন হয়না,একারণে বোরো ধান কাটার পর দির্ঘ সময় পতিত পরে থাকতো এখন সে সব জমিতে আউশ চাষ হচ্ছে বলে জানান কৃষকরা। বীজ তলায় চারা বপনসহ ১১০ থেকে ১১৫ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া বলে এ ধনের সমন্বিত আবাদে লাভবান হওয়ার আশা চাষীদের।
    সুমিতা রানী বলেন কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সরকারি প্রণোদনা সহয়তা পাওয়ায়সহ ব্রি ধান-৪২,৪৩,৪৮,৮৯ ও কুদরত মত নতুন নতুন উফশি জাত আশায় এ এলাকার কৃষদের মাঝে আউশ ধান চাষের আগ্রহ বেড়েছে। এতেকরে প্রতিবছর বৃদ্ধি পাচ্ছে আউশ ধান চাষের এলাকাও। গত বছর দুই বিঘা করেছিলাম এবার তিন বিঘা জমিতে আউশ চাষ করছি।এছাড়াও কৃষক আজিজুল ইসলাম এক ফসলি জমি দুই ফসলি আর দুই ফসলি জমি তিন ফসলি জমিতে পরিনত হচ্ছে।


    গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভা ব্লকের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা বিলাস কুমার ভট্টাটার্য বলেন বোরো চাষের পর জমি পতিত পরে থাকতো। এছাড়াও বন্যার ঝুকি থাকায় এসব জমিতে আমন চাষো হয়না। কৃষকদের কৃষি প্রণোদনাসহ প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষন ও পরামর্শ সহয়াতা দেওয়ায় গত বছর থেকে এসব জমি আউশ চাষে আওতায় এসেছে। সুধু খলসী চাঁদপুর এলাকায় এ বছর শতাধিক কৃষক ১৫৫ বিঘা জমিতে আউশ চাষ করছে। মাঠ পর্যায়ে এ চাষে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ধনেশ^র জানান আমন হয়না এমন নীচু জমিতে কৃষককের মাধ্যমে ক্লাস্টর আকারে আউশ চাষে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরমাধ্য দিয়ে পরে থাকা জমি আউশের আওতায় আসছে। এতে করে এ এলাকার খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, নতুন নতুন উফশি জাত আশায় আউশের ফলন বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের কাছে এ আবাদ এখন লাভজনক। এছাড়ায় সল্প জীবন কাল হওয়ায় বীজ তলায় চারা বপনসহ শুরু করে ১১০ থেকে ১১৫ দিনের মধ্যে ফলন উৎপাদন হয়। এর খর গো খাদ্যের চাহিদা পূরনে বড় ভূমিকা রাখছে। আউশ ধান কাটার পর আম বা সবজীসহ অন্য ফসল করা যায়। আগামীতে এ আবাদ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক খোরশেদ আলম জানান, আউশ চাষে কৃষকদের আগ্রহী করতে কৃষি প্রণোদনাসহ প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষন ও পরামর্শ সহয়াতা দেওয়া হচ্ছে। রোগ,পোকা মাকড় এবং পাখির উপদ্রপ থেকে রক্ষা পেতে ক্লাস্টর আকারে আউশ ধানের চাষে চাষীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। চলতি বছর কৃষি বিভাগ ১৪ হাজার ৮০হেক্টর জমিতে আউশ আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮০ হেক্টর জমিতে আউশ চারা রোপন সম্পন্ন হয়েছে। এতে করে কৃষকরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

  • শিবগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ সভাপতি আবু আহমেদ নাজমুল কবির মুক্তা গ্রেফতার

    শিবগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ সভাপতি আবু আহমেদ নাজমুল কবির মুক্তা গ্রেফতার

    শিবগঞ্জ উপজেলা আ’লীগ সভাপতি আবু আহমেদ নাজমুল কবির মুক্তা গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু আহমেদ নাজমুল কবির মুক্তা কে গ্রেফতার করেছে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আবু আহমেদ নাজমুল কবির মুক্তা শিবগঞ্জ উপজেলার দাদন চক গ্রামের মৃত মোবিন উদ্দিন আহমেদ  টুলু মিয়ার ছেলে। আবু আহমেদ নাজমুল কবির মুক্তা শিবগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলার (অপারেশন ঈগল হান্ট) এজাহার নামীয় আসামী। আবু আহমেদ নাজমুল কবির মুক্তা ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। শিবগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, শনিবার রাত ৮টার দিকে শিবগঞ্জ থানার একটি হত্যা মামলার (অপারেশন ঈগল হান্ট) এজাহার নামীয় আসামী শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু আহমেদ নাজমুল কবির মুক্তা কে গ্রেফতার করেছে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ।