Blog

  • বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থার নির্বাচনী তফশীল ঘোষণা-সম্মেলন ১৭ জানুয়ারী

    বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থার নির্বাচনী তফশীল ঘোষণা-সম্মেলন ১৭ জানুয়ারী

    দেশের বৃহৎ সাংবাদিক সংগঠন বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থা (বাসাস-গভঃ রেজি নং- সি-৪৩০৪৫ (২৪০৪)/২০০১ এর রাজশাহী বিভাগীয় সম্মেলন ও ত্রিবার্ষিক নির্বাচনী তফশীল ঘোষণা অনুষ্ঠান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সরকার শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে শনিবার রাজশাহী সিটি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী বিভাগীয় সম্মেলন আগামী ১৭ জানুয়ারী শনিবার রাজশাহীর ঐতিহাসিক ভুবন মোহন পার্কে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের দিনই রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলা শাখার উপস্থিতিতে ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ঠ নির্বাচন কমিশন গঠণ করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন রাজশাহী আইনজীবি সমিতির সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক পারভেজ তৌফিক জাহেদী। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন যথাক্রমে দ্বি-বাংলাদেশ পোষ্ট পত্রিকার সরকার শরিফুল ইসলাম ও রাজশাহী সিটি প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক পরিতোষ মোহন চৌধুরী আদিত্য। সভায় ঘোষিত নির্বাচনী তফশীল অনুযায়ী খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ ১/১/২৬ রবিবার বিকাল ৪টা, খসড়া ভোটার তালিকার উপর আপত্তি ২/১/২৬ সোমবার বিকাল ৪টা হতে ৬টা, খসড়া ভোটার তালিকার উপর আপত্তি নিষ্পত্তি ৩/১/২৬ মঙ্গলবার বিকাল ৪টা, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৪/১/২৬ বুধবার বিকাল ৪টা, মনোনয়ন পত্র উত্তোলন ৫/১/২৬ বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা হতে রাত্রী ৮টা, মনোনয়ন পত্র উত্তোলন ও জমা ৬/১/২৬ শুক্রবার বিকাল ৪টা হতে রাত্রী ৮টা, খসড়া প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ৭/১/২৬ শনিবার বিকাল ৪টা, প্রার্থী তালিকার উপর আপত্তি গ্রহণ ৮/১/২৫ রবিবার বিকাল ৪টা হতে সন্ধ্যা ৬টা, প্রার্থী তালিকার উপর আপত্তি নিষ্পত্তি ৮/১/২৬ রবিবার সন্ধ্যা ৬টা হতে রাত্রী ৮টা, মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার ৯/১/২৬ সোমবার বিকাল ৪টা হতে সন্ধ্যা ৬টা, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ১০/১/২৬ মঙ্গলবার বিকাল ৪টা, ভোট গ্রহণ বিরতীহীন ভাবে বেলা ১২টা হতে দুপুর ২টা পর্যন্ত, ভোট গননা বেলা ৩টা হতে ও ভোট গণনার পর ফলাফল ঘোষনা।

  • গোদাগাড়ীতে প্রি-পেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

    গোদাগাড়ীতে প্রি-পেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

    গোদাগাড়ীতে প্রি-পেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় ডাইংপাড়া স্বাধীন চত্তরে ডিজিটাল প্রি-পেইড মিটার স্থাপন বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি এ্যাড. সালাহ উদ্দীন বিশ^াসের সভাপতিত্তে ও তৌহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য পেশ করেন পালপুর ধরমপুর কলেজের অধ্যাপক ড. ওবাইদুল্লাহ, বরজাহান আলী পিন্টু, মো. মুজিবুর রহমান, সমাজ ও মানব কল্যাণ সংঘের মহাসচিব নুর আলম অহিদ, মশিউর রহমান প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নতুন করে গোদাগাড়ীতে কোন প্রি-পেইড মিটার লাগাতে দেওয়া হবে না। আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে জোর করে স্থাপনকৃত সকল প্রিপেইড মিটার অপসারণ করে আগের ডিজিটাল মিটার স্থাপন করতে হবে। যদি দাবি মানা না হয় তাহলে নেসেকা অফিস ঘেরাওসহ অফিসারদের অফিস করতে দেওয়া করা হবে। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুস সাদাত রত্ন এর মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

  • ভোলাহাটে ব্যানার-ফেস্টুন সরাতে ব্যস্ত উপজেলা প্রশাসন

    ভোলাহাটে ব্যানার-ফেস্টুন সরাতে ব্যস্ত উপজেলা প্রশাসন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে ব্যানার-ফেস্টুন সরাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন উপজেলা প্রশাসন। গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করেছে নির্বাচন কমিশন। এখানে বলা হয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সকল প্রার্থীসহ সকল প্রকার ব্যানার-ফেস্টুন সরানোর জন্য। উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসের পক্ষ থেকে মাইকিং সহ বিভিন্ন পন্থায় নির্দেশনা দিলেও অনেক ব্যানার-ফেস্টুন না সরানোয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেনের সার্বিক তদারকি এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসার রাকিব হাসানের সহযোগিতায় অবশিষ্টাংশ ব্যানার-ফেস্টুনগুলো সরানো হচ্ছে। ১৩ ডিসেম্বর শনিবার দিনব্যাপী এই কার্যক্রম চলছে। শনিবার রাতে ব্যানার-ফেস্টুন সরানোর জন্য কলেজ মোড় এলাকায় তাদেরকে কাজ করতে দেখা যায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেন জানান, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোলাহাট থানা পুলিশ, আনসার সদস্য সহ স্বেচ্ছাসেবিদের নিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন সরানোর কাজ চলমান রয়েছে। রবিবারের মধ্য উপজেলার সকল ব্যানার-ফেস্টুন সরানো সম্পন্ন হবে বলে আশা।

  • ১৪ ডিসেম্বর ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবস ও বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর

    ১৪ ডিসেম্বর ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবস ও বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর

    ১৪ ডিসেম্বর ॥ চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবস ও বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবস ১৪ ডিসেম্বর। বাঙলা মায়ের দামাল সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের এই দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের পার্শ্বে মহানন্দা নদীর তীরবর্তী গ্রাম রেহাইচর এলাকায় সংগঠিত হয় এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। পাকহানাদার বাহিনীর সাথে সুম্মুখযুদ্ধে ধ্বংস করে দেয় শত্রু বাহিনীর ১৮টি ট্রেঞ্চ ও ২০ থেকে ২২টি বাংকার। শত্রুমুক্ত হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ। তবে, ১৫ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবস বলছেন কিছু বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ। ১৯৭১ সালে তৎকালিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহকুমার অন্যান্য এলাকা মুক্ত হয়ে গেলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর ছিল পাক হানাদার বাহিনী ও এদেশীয় শত্রু সেনাদের দখলে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর শত্রুমুক্ত করার দায়িত্ব দেয়া হয় ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরকে। ১৩ ডিসেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর শহর মুক্ত করতে কয়েকটি নৌকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে রেহাইচর এলাকায় যুদ্ধের প্রস্তুতি নেন। সম্মুখ যুদ্ধে একের পর এক পরাস্ত করতে থাকেন শত্রু বাহিনীকে। ১৪ ডিসেম্বর রাতের আধার কেটে সকালে সূর্য ওঠার আগেই নির্ভিক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জাহাঙ্গীর সহযোদ্ধাদের নিয়ে বীরদর্পে এগিয়ে চলেন এবং ধ্বংস করে দেন শত্রু বাহিনী ১৮টি ট্রেঞ্চ ও ২০ থেকে ২২ টি বাংকার। জাহাঙ্গীরের দুঃসাহসিক ও দুরন্ত আক্রমণে শত্রু বাহিনী তাদের আস্তানা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। রেহাইচর ঘাটের কাছেই শত্রু বাহিনীর সর্বশেষ বাংকারটি দখল করতে অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে এগোতে থাকার সময় হটাৎ শত্রু বাহিনীর একটি গুলি এসে লাগে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের কপালে। লুটিয়ে পড়েন মাটিতে বাংলার এই বীর সন্তান এবং সেখানেই শাহাদাৎ বরণ করেন। পরের দিন শহীদ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরকে দাফন করা হয় হযরত শাহ নেয়ামাত উল্লাহ (রহঃ)-এর পুণ্যভূমি বাংলার পুরাতন রাজধানী গৌড়ের সোনামসজিদ চত্বরে।

    এরপর আর কোন যুদ্ধ হয়নি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। মুক্ত হয়ে যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ। তবে ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত হলেও বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করে মুক্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ১৫ই ডিসেম্বর সকালে। সেই হিসেবে ১৫ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবস বলছেন অনেক মুক্তিযোদ্ধা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত করতে গিয়ে শহীদ হওয়া এই বীর সন্তানের নামে পরবর্তীতে ৩টি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। এর মধ্যে জেলা শহরের স্বরুপনগরস্থ কলেজটি বীরশ্রেষ্ঠের সম্মানে সরকারীকরণ করা হয়েছে। মহানন্দা নদীর উপর নির্মিত ব্রীজটির নামকরণ করা হয় বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতু। ব্রীজ চত্বরে বারঘরিয়া নামক স্থানে শহীদদের স্মরণে একটি স্মৃতি স্তম্ভও তৈরী করা হয়। একটি পিস্তলের উপর ২টি শান্তির পায়রা খঁচিত স্তম্ভটি কালের সাক্ষি হয়ে রয়েছে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে। অনেক পরে হলেও ২০১১ সালে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের শহীদ স্থলে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম শেষে ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের ঠিক দু’দিন আগে, ১৪ ডিসেম্বর জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শত্রু মুক্ত করতে গিয়ে শাহাদাৎ বরণ করেন। প্রতি বছর এই দিনে মুক্তিযোদ্ধাগণ ও জেলা প্রশাসন বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি পালন করেন। ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর ১৯৪৯ সালে বরিশালের রহিমগঞ্জে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৫৯ সালে মুলাদী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবং ১৯৬২ সালে মুলাদী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্ট পুলে জুনিয়ার বৃত্তি লাভ করেন। একই বিদ্যালয় থেকে ১৯৬৪ সালে গণিতে লেটার মার্কসহ এসএসসি পাশ করেন। ১৯৬৬ সালে বরিশাল বিএম কলেজ থেকে আবারো গণিতে লেটার মার্কসহ এইচ এসসি পাশ করেন। এর পর তিনি ‘৬৭ সালের ৫ অক্টোবর কাকুল পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমীতে যোগদান করেন। নিষ্ঠার সঙ্গে প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৬৮ সালের ২ জুন কমিশন প্রাপ্ত হন। ৬ মাস চাকুরী করার পর তিনি রিসালপুরস্থ মিলিটারী কলেজ অভ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে যোগদান করেন এবং ১৩ মাসের ব্যাসিক কোর্সে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ন হন। এরপর সেখান হতে বোম্বে ডিস্পোজাল কোর্স করেন এবং কোর অব ইঞ্জিনিয়ারর্স এর একজন সুদক্ষ অফিসার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে সুনাম অর্জন করেন।

  • ইসির নির্দেশনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াতের প্রচার সামগ্রী অপসারণ শুরু করেছে

    ইসির নির্দেশনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াতের প্রচার সামগ্রী অপসারণ শুরু করেছে

    ইসির নির্দেশনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াতের প্রচার সামগ্রী অপসারণ শুরু করেছে

     

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সকল নির্বাচনী প্রচার উপকরণ অপসারণের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জেলা শাখার উদ্যোগে প্রচারসামগ্রী অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
    শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর ২০২৪) বাদ আসর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বড় ইন্দারা মোড় থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পোস্টার, ব্যানার, বিলবোর্ড ও অন্যান্য প্রচার উপকরণ অপসারণের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

    এ সময় জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবু জার গিফারী বলেন, “নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনাকে সম্মান জানিয়ে এবং আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের নির্দেশনায় আমরা এই অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সর্বত্র দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের যেসব পোস্টার, ব্যানার, বিলবোর্ড ও ফেস্টুন রয়েছে, সেগুলো দ্রুত অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি।”
    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা নায়েবে আমীর ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোখলেসুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু বকর, জেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যাপক আবুল হাসান, পৌর আমীর হাফেজ আব্দুল আলীম, সদর আমীর হাফেজ আব্দুল আলীমসহ জেলা জামায়াতের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    নেতারা বলেন, নির্বাচন কমিশনের আইন ও বিধি অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে জামায়াতে ইসলামী সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

  • দুই প্রার্থীর ওপর গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ

    দুই প্রার্থীর ওপর গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ

    দুই প্রার্থীর ওপর গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ

     

    ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ উসমান হাদী এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লার ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনসমূহ।
    শনিবার (১৩ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের পাঠান পাড়া দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত দুষ্কৃতকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এবং বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
    বক্তারা বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে, যা গণতন্ত্র ও অবাধ নির্বাচনী পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। তারা অভিযোগ করেন, ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে গণসংযোগকালে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লা এবং সম্প্রতি ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী শরিফ উসমান হাদীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা প্রমাণ করে যে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে।

    বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা অবিলম্বে হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।
    বিক্ষোভ কর্মসূচিতে কৃষক দলের আহবায়ক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ তসিকুল ইসলাম তসি, নবাবগঞ্জ পৌসভার সাবেক কাউন্সিলর বিএনপি নেতা এ্যাড, মোঃ ময়েজ উদ্দীন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নজরুল ইসলাম, জেলা যুব দলের আহবায়ক মোঃ তবিউল ইসলাম তারিফ, সাবেক ছাত্র নেতা মোঃ ফজলে আজিম মিমসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল টি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ ঘুরে শেষ হয়।

  • নওগাঁয় ওসমান হাদীর উপরে গুলি বর্ষণের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

    নওগাঁয় ওসমান হাদীর উপরে গুলি বর্ষণের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

    ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিনিধি এবং আগামী জাতীয় শোক সত নির্বাচনে ঢাকা ৮ আসনের সম্ভাব্যপ্রার্থী ওসমান হাদীর উপরে গুলি বর্ষণের ঘটনায় নওগাঁয় বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সভা এবং মানব বোধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
    শনিবার দুপুর সাড়ে বারোটায় জেলা বিএনপি দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় নওজোয়ান মাঠে সমবেত হয়ে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। জেলা বিএনপির সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক নান্নু এই সমাবেশে নেতৃত্ব দেন। ঘটনার প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে হাদীর উপরে গুলি বর্ষণকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে বক্তব্য রাখেন নওগাঁ-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ জাহিদুল ইসলাম ধলু এবং বিএনপি ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    এর আগে এনসিপি এবং এবি পার্টি যুগপৎভাবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মুক্তির মোড়ে এক মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। সভাপতিত্ব করেন এবি পার্টি নওগাঁ জেলা কমিটির সভাপতি এ্যাড. আতিকুর রহমান।
    বক্তব্য রাখেন এনসিপি নওগাঁ জেলা কমিটির সদস্য সচিব তারিকুল ইসলাম দীপু, যুগ্ম আহবায়ক দেওয়ান মাহবুব আল হাসান এবং নওগাঁ জলা যুব শক্তির সদস্য সচিব হাসিবুল হৃদয়। অনষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন যুব শক্তির মুখ্য সংগঠক শাকিব খান।

  • চুলার ধোঁয়া থেকে স্মৃতির ধুলো-চাঁপাইনবাবগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে তিল-পিঠার ঐতিহ্য

    চুলার ধোঁয়া থেকে স্মৃতির ধুলো-চাঁপাইনবাবগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে তিল-পিঠার ঐতিহ্য

     

    শীত এলেই যে তিলের ঘ্রাণে মুখর হতো গেরস্থ ঘর-আজ তা শুধুই স্মৃতি। বাংলার উত্তরাঞ্চলে শীত মানেই শুধু কনকনে ঠান্ডা নয়-এ এক উৎসবের ঋতু। ভোরের কুয়াশা ভেদ করে উঠা রোদ, উঠোনে বসানো চুলা, আগুনে ভাজা পিঠা-পুলির শব্দ আর রান্নাঘরের ধোঁয়ার ভেতর মিশে থাকা তিলের সোনালি সুবাস-সব মিলিয়ে শীত ছিল গ্রামীণ জীবনের এক অনন্য আনন্দঘন অধ্যায়।
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের গেরস্থ পরিবারগুলোতে পিঠা-পুলির স্বাদে যে উপাদানটি ছিল অবিচ্ছেদ্য, তা হলো তিল। তিল কুঁচি আর চিনি বা খেজুরের গুড় মিশিয়ে বানানো পিঠা ছিল ঘরে আসা অতিথির জন্য বিশেষ আপ্যায়ন-যার স্বাদে যেমন ছিল পুষ্টি, তেমনি ছিল ভালোবাসা ও আতিথেয়তার ঐতিহ্য। তিলের কৃষিকাজ-বারিন্দের মাটিতে গড়ে ওঠা এক সংস্কৃতি বাংলাদেশে তিল (ঝবংধসঁস রহফরপঁস) শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চাষ হয়ে আসা একটি প্রাচীন তেলবীজ ফসল। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের বারিন্দ এলাকায় তিলের চাষ ছিল সহজ ও লাভজনক। কম সেচ ও কম সারের প্রয়োজন, পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম, আমন ধান কাটার পর ফাঁকা জমির সর্বোত্তম ব্যবহার। এই অঞ্চলে তিল থেকে ঘরোয়া তেল উৎপাদন এবং তা পিঠা-পুলিতে ব্যবহারের রীতি শুধু খাদ্যাভ্যাস নয়—একটি সামাজিক সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছিল। শীতকালীন আড্ডা, আত্মীয়তার বন্ধন ও পারিবারিক মিলনমেলায় তিল-পিঠা ছিল অপরিহার্য। শীত এলেই গ্রামে গ্রামে বসত পিঠা উৎসব। স্কুল মাঠ, হাট কিংবা পাড়ার খোলা জায়গায় সাজত পিঠার পসরা-পুলি পিঠা, তেল পিঠা, পাটিসাপটা, মালপোয়া থেকে শুরু করে নানা স্বাদের ঐতিহ্যবাহী পিঠা। পিঠা-পুলি তখন শুধুই খাবার ছিল না; এটি ছিল মানুষের মিলনমেলা, আতিথেয়তা ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতীক। তিল-ব্যবহৃত পিঠাগুলো এই উৎসবে আলাদা মর্যাদা পেত-স্বাদে গভীরতা আর পুষ্টিতে ভরপুর হওয়ায়। যদিও কৃষি বিভাগ ও কিছু প্রকল্পের মাধ্যমে কম-সেচ-নির্ভর ফসল হিসেবে তিল চাষে উৎসাহ দেওয়ার চেষ্টা রয়েছে, বাস্তবে এটি ধান বা অন্যান্য বাণিজ্যিক ফসলের মতো গুরুত্ব পাচ্ছে না। তরুণ কৃষকরা দ্রুত নগদ আয়ের আশায় তিল চাষ থেকে সরে যাচ্ছেন। ফলে পিঠা-পুলির জন্য ঘরোয়া তিলের যোগান কমে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মের শহরমুখী জীবন, বাজারে সহজলভ্য প্রস্তুত খাবার আর ব্যস্ততার কারণে ঘরোয়া পিঠা-পুলির সংস্কৃতি দুর্বল হয়ে পড়ছে। শীতের উৎসবেও এখন ঐতিহ্যবাহী পিঠার জায়গা দখল করছে আধুনিক মিষ্টান্ন। কম খরচে চাষযোগ্য হলেও তিলের ন্যায্যমূল্য, সংরক্ষণ ও বিপণনের যথাযথ ব্যবস্থা নেই। কাঠামোগত সহায়তার অভাবে কৃষকরা তুলনামূলক বেশি লাভজনক ফসলের দিকে ঝুঁকছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চলের গ্রামীণ সমাজে তিল-পিঠা ছিল পারিবারিক উষ্ণতা, সামাজিক বন্ধন ও আতিথেয়তার এক অনন্য প্রতীক। আজ এই ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়া মানে শুধু একটি খাবারের বিলুপ্তি নয়-একটি জীবন্ত সংস্কৃতির ক্ষয়। তাই প্রয়োজন স্থানীয় উদ্যোগ, কৃষকদের প্রণোদনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শীতকালীন উৎসবগুলোতে তিল-পিঠার পুনরুজ্জীবন। স্মৃতির অ্যালবামে বন্দি না হয়ে তিল-পিঠা আবার ফিরে আসুক গ্রামীণ উঠোনে-এই প্রত্যাশাই আজ সময়ের দাবি।

  • গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে প্রস্তাবিত ইপিজেড দ্রুত বাস্তবায়নের দাবীতে মানববন্ধন

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে প্রস্তাবিত ইপিজেড দ্রুত বাস্তবায়নের দাবীতে মানববন্ধন

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে প্রস্তাবিত ইপিজেড দ্রুত বাস্তবায়নের দাবীতে শুক্রবার মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ‘আমরা এক পরিচয়ে এক কন্ঠে গোবিন্দগঞ্জবাসী’- এই লেখা সম্বলিত ব্যানারে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের থানা চৌরাস্তা মোড়ে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। বিকেল ৪টা থেকে ঘন্টাব্যাপি পালিত এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালনকালে বক্তব্য রাখেন গোবিন্দগঞ্জ নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল মতিন মোল্লা, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আবু রায়হান ও আব্দুর রাজ্জাক, যুব জামায়াত নেতা ওমর ফারুক, যুবদল নেতা মেহেদী হাসান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাকসুদ রহমান, অয়ন সুলতান, ইমরান আকন্দ, মোস্তাকিন আহম্মেদ, শরিফ শুভ, আবু তাহের, স্বাধীন, আরিফ ও আব্দুল আউয়াল প্রমুখ। বক্তারা অনতিবিলম্বে গোবিন্দগঞ্জে প্রস্তাবিত ইপিজেড বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান। ইপিজেড বাস্তবায়নে তালবাহানা করা হলে গোবিন্দগঞ্জের সর্বস্তরের জনতাকে সাথে নিয়ে ভবিষ্যতে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে বক্তারা হুশিয়ার উচ্চারণ করেন।

  • সেবারবাড়ী অর্গানাইজেশনের বর্ষপূর্তি ও শীতবস্ত্র প্রদান

    সেবারবাড়ী অর্গানাইজেশনের বর্ষপূর্তি ও শীতবস্ত্র প্রদান

    সেবারবাড়ী অর্গানাইজেশনের বর্ষপূর্তি ও শীতবস্ত্র প্রদান

    সেবারবাড়ী অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন, শীতবস্ত্র বিতরণ ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শুক্রবার বিকেলে উপজেলা অডিটরিয়ামে বর্ষপূর্তি ও শীতবস্ত্র প্রদানে সভাপতিত্ব করেন রায়হানুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অসহায় দারিদ্র শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র ও হাফেজিয়া মাদরাসার ছাত্রদের শীতের টুপি প্রদান করা হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে সকলেই খুশি ও আনন্দিত বলে জানিয়েছেন উপকারভোগীরা।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেবার বাড়ী অর্গানাইজেশনের সম্পাদক ফারুক হোসেন, শাহ সুলতান কামিল মাদরাসার শিক্ষক মাও. দুরুল হোদা, মেসবাহুল ইসলাম মাষ্টার, সমাজ ও মানব কল্যাণ সংস্থার মহাসচীব নূর আলম অহিদ, নূরানী কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক আব্দুল খালেক, ক্বারী মাও. আব্দুল মোমিন, সমাজ সেবা অফিসের মো. ইকবাল হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মো. তৌহিদুল ইসলাম।