Blog

  • সমাজসেবায় অধিদপ্তরের শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচী বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    সমাজসেবায় অধিদপ্তরের শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচী বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    সমাজসেবায় অধিদপ্তরের শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচী বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলায় সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী শিশুদের মূল্যস্রোত ধারায় অন্তর্ভুক্তিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচীর তাৎপর্য বিষয়ে বুধবার উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কাঞ্চন দাশ এর সঞ্চালনায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মারুফ আফজাল রাজন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোসা: উম্মে কুলসুম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ড. আব্দুল্লা আল ফিরোজ।
    বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধিতা কেবল একটি ব্যক্তির শারীরিক বা মানসিক সীমাবদ্ধতা নয়। এটি একটি সামাজিক ও কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ, যা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মোকাবেলা করতে হবে। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ একান্ত অপরিহার্য। সমাজসেবা অধিদপ্ততরের প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ জরিপের ২০ অক্টোবর/২৫ এর তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে ৩৬ লক্ষ ৭১ হাজার ৭৪৮ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো এর ‘বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস, ২০২৩’ অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি ১০০০ মানুষের বিপরীতে ২৮.২ জন কোনো না কোনোভাবে প্রতিবন্ধিতার শিকার। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন আরো বেগবান করতে হলে এই বিপুল সংখ্যক মানুষকে রাষ্ট্র ও সমাজের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে হবে। এসময় বক্তারা প্রতিবন্ধী শিশুদের মূলস্রোতধারায় অন্তর্ভুক্তিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচীর তাৎপর্য বিষয়ে দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন পেশাজীবিরা মতবিনিময় করেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সুকমল চন্দ্র দেবনাথ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মো. মোস্তাফিজুর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের সকল দপ্তরের কর্মকর্তাসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও প্রতিবন্ধী অভিভাবকগন।

  • গোবিন্দগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমীর ৭টি ইভেন্টে সেরা পুরস্কারে মনোনয়ন লাভ

    গোবিন্দগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমীর ৭টি ইভেন্টে সেরা পুরস্কারে মনোনয়ন লাভ

    ’একই বৃন্তের ফুল’ শীর্ষক অনুষ্ঠান

    গোবিন্দগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমীর ৭টি ইভেন্টে সেরা পুরস্কারে মনোনয়ন লাভ

    গাইবান্ধার জেলা শিল্পকলা আয়োজিত উপজেলা ভিত্তিক সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান ’একই বৃন্তের ফুল’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর পরিবেশনায় নাটক সহ ৭টি ইভেন্টে সেরা পুরস্কারে মনোনয়ন লাভ করেছে। বুধবার জেলা শিল্পকলা একাডেমী একটি ঘোষণা পত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আগামী শুক্রবার বিকেল ৪ টায় ঘাঘট পাড়ের মুক্তমঞ্চ মানববন্ধনে গ্রান্ড ফিনালের মধ্য দিয়ে একই বুন্তের ফুল শীর্ষক অনুষ্ঠানে মনোনয়ন প্রাপ্তদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হবে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা শিল্পকলা একাডেমীর শিল্পীরা এই অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করেছিল। মনোনয়ন প্রাপ্তরা হলেন, সেরা উপস্থাপক আজিজুল ইসলাম, সেরা কন্ঠশিল্পী (পুরুষ) আজাদুল ইসলাম, সেরা শিশু শিল্পী আরশি দাশ, সেরা দলীয় সঙ্গীত গোবিন্দগঞ্জ দল, সেরা দলীয় নৃত্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি নৃত্যদল, সেরা আবৃত্তি শিল্পী উম্মে রাফিয়া সুমি, সেরা বিশেষ পরিবেশনা নাটক মানিক জোড়।

  • জুলাই গণহত্যা মামলার রায় ঘিরে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় কড়া নিরাপত্তা

    জুলাই গণহত্যা মামলার রায় ঘিরে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় কড়া নিরাপত্তা

    জুলাই গণহত্যা মামলার রায় ঘিরে ট্রাইব্যুনাল এলাকায় কড়া নিরাপত্তা

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জুলাই গণহত্যা মামলায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের রায়ের দিন নির্ধারণ ঘিরে এই সতর্কতা নেয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনাল চত্বরে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনী এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন। একইসঙ্গে আশপাশে স্থাপন করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা বলয়। তল্লাশি ছাড়া জনসাধারণ ও সাংবাদিকদের ট্রাইব্যুনাল এলাকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। জানা গেছে, রায়ের তারিখ ঘিরে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ট্রাইব্যুনাল ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। রায়ের দিনকে কেন্দ্র করে কেউ যেন উসকানিমূলক কার্যকলাপ বা বিশৃঙ্খলা ঘটাতে না পারে, সেজন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে আদালতের কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। এদিন সকাল ১০টার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন-বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

  • আ’লীগের লকডাউন ঘোষণার বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ

    আ’লীগের লকডাউন ঘোষণার বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ

    আ’লীগের লকডাউন ঘোষণার বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ

    রূপগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগের ডাকা লকডাউন প্রতিহত, নাশকতা ও অরাজকতার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপুর নির্দেশে বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে উপজেলার পূর্বাচল উপশহরের ৩০০ ফিট সড়কে এ কর্মসূচি পালিত হয়। রূপগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সুজন আহাম্মেদের নেতৃত্বে মিছিলটি পূর্বাচল উপশহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূর্বাচল ক্রিকেট স্টেডিয়াম এলাকায় এসে পথসভায় রূপ নেয়। পথসভায় উপস্থিত ছিলেন রূপগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক কবির হোসেন, রূপগঞ্জ থানা শ্রমিক দলের নেতা শরিফুল ইসলাম, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি আল আমিন সরকার, ১নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি শামীম ভুঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক শিপন মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল মোল্লাসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। পথসভায় বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ এখন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে লকডাউন ও হরতালের নামে নাশকতা ও অরাজকতা সৃষ্টি করতে চাইছে। জনগণ এসব ষড়যন্ত্র কখনো মেনে নেবে না। তারা আরও বলেন, দেশে শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিএনপি জনগণের পাশে রয়েছে। অবৈধ আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র ধুলিসাৎ না হওয়া পর্যন্ত রূপগঞ্জের মাঠ ছেড়ে যাওয়া হবে না।

  • এখন স্মৃতি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্য কদবেল গাছ ॥ হারিয়ে যাচ্ছে দিনদিন

    এখন স্মৃতি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্য কদবেল গাছ ॥ হারিয়ে যাচ্ছে দিনদিন

    এখন স্মৃতি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্য কদবেল গাছ ॥ হারিয়ে যাচ্ছে দিনদিন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুরসহ আশেপাশের উপজেলাগুলোতে একসময় ছিল কদবেল গাছে ভরপুর। গ্রামের পর গ্রামজুড়ে রাস্তার ধারে, খেতের পাশে, বাড়ির উঠানে, এমনকি বিদ্যালয়ের আঙিনায়ও দেখা মিলত কদবেল গাছের সারি। কদবেলের মিষ্টি গন্ধ আর ঝাঁঝালো টক স্বাদ ছিল গ্রামের মানুষের রোজকার জীবনের অংশ। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই চেনা দৃশ্য আজ আর দেখা যায় না। আগের সেই কদবেল গাছগুলো কেটে ফেলা হয়েছে, নতুন করে তেমন রোপণও করা হয় না। ফলে এখন বাজারে দেশীয় কদবেলের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ কমে গেছে অনেক। অতীতের কদবেল সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলো হচ্ছে-গোমস্তাপুর, নাচোল, ভোলাহাট, শিবগঞ্জ-এই চারটি উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে ছিল কদবেল গাছের প্রাচুর্য। স্থানীয়ভাবে কেউ কেউ একে “কদমবেল-নামেও ডাকতেন। কৃষকেরা বাড়ির আঙিনায় বা জমির পাশে গাছ লাগাতেন। কোনো যত্ন ছাড়াই গাছগুলো টিকে থাকত বহু বছর। শীতের শেষে গাছে ফুল ফুটত, গ্রীষ্মের শুরুতে ফল ধরত। পাকা কদবেল থেকে তৈরি হতো আচার, মোরব্বা ও পানীয়। কদবেল ছিল স্থানীয় বাজারের জনপ্রিয় ফলগুলোর একটি। এখন কেন কদবেল হারিয়ে যাচ্ছে?
    স্থানীয় প্রবীণরা বলছেন, ফলন কম হওয়া, গাছের দীর্ঘস্থায়িত্ব কমে যাওয়া, এবং আধুনিক ফল চাষে কৃষকের ঝোঁক বৃদ্ধির কারণে কদবেল গাছ ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে। অনেকে জমিতে নতুন ফলের জাত-আম, পেয়ারা, ড্রাগন ফল-চাষ শুরু করায় কদবেলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। পরিবেশবিদদের মতে, কদবেল শুধু একটি ফল নয়, এটি পরিবেশের জন্যও উপকারী। পাখির খাদ্য সরবরাহ করে এবং গ্রামীণ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে। কিন্তু গাছ কমে যাওয়ায় পাখি ও ছোট প্রাণীর আবাসস্থলও হুমকিতে পড়েছে। গবেষকদের মতে, কদবেল গাছ পুনরায় লাগানো ও সংরক্ষণ করা এখন সময়ের দাবি। স্কুল, মসজিদ, রাস্তার ধারে ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের আঙিনায় কদবেল গাছ রোপণের উদ্যোগ নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আবারও এই ঐতিহ্যবাহী ফলের স্বাদ পেতে পারে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যদি স্থানীয় জনগণকে উৎসাহ দেয় এবং চারাগাছ সরবরাহ করে, তবে কদবেল চাষ আবারও ফিরে আসতে পারে আগের সেই ঐতিহ্যে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টা ॥ ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টা ॥ ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টা ॥ ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা আহত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টার খবর পেয়ে ডাকাত ধরতে ঘটনাস্থলে গিয়ে ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন সদর উপজেলার আমনুরা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এস.আই নুর ইসলাম (৪৭)। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের জুমারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এস.আই নুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত পুলিশ কর্মকর্তা এসআই নুর ইসলাম বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তিনি আশঙ্কামুক্ত আছেন বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ওয়াসিম ফিরোজ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতি হচ্ছে, স্থানীয়দের থেকে এমন একটি কল পায় জরুরি সেবা ৯৯৯। খবর পেয়ে আমনুরা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এস.আই নুরুল ইসলাম ও এস.আই সম্ভু মোটরসাইকেলযোগে ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেন। পথে পুলিশের চেকপোস্টে দায়িত্বে থাকা সদস্যদের ঘটনাটি অবহিত করে তিনি একাই ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরেই কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাতে ও পায়ে কোপ দেয় ডাকাতদল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, ‘এসআই নুর ইসলামকে ডাকাত দলের সদস্যরা এলোপাতাড়ি কোপ দেয়। পরে অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। আহত এসআই নুর ইসলামকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ১০ থেকে ১২জন ডাকাতদলের সদস্য অংশ নিয়েছিল। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • নওগাঁয় মহিলার নগ্ন ছবি ভাইরালের হুমকী-৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবী ॥ জীবন বিপন্নের আশংকা

    নওগাঁয় মহিলার নগ্ন ছবি ভাইরালের হুমকী-৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবী ॥ জীবন বিপন্নের আশংকা

    নওগাঁয় মহিলার নগ্ন ছবি ভাইরালের হুমকী-৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবী ॥ জীবন বিপন্নের আশংকা

    নওগাঁয় এক মানবাধিকার কর্মীর স্ত্রী’র ফেসবুক থেকে ছবি সংগ্রহ করে তা বিশেষ প্রক্রিয়ায় নগ্ন ভিডিও তৈরী করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেছে একটি চক্র। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করতে গেলে মামলা গ্রহণ না করে কোর্টে মামলা করার পরামর্ম দেয় পুলিশ। সে পরামর্শ অনুযায়ী নওগাঁ ১ নম্বর আমলী আদালতে মামলা দায়ের করার ১ বছর অতিবাহিত হলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি বরং আসামীদের নানা হুমকী’র ফলে ভীত সন্ত্রস্ত জীবন যাপন করছেন ওই পরিবার।
    মামলা সূত্রে জানা গেছে, সোসাইটি ফর ইষ্টাবলিশ এন্ড ইমপ্লিমেন্ট অব হিউম্যান রাইটস এর নওগাঁ জেলার সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রীর ফেসবুক থেকে একটি ছবি সংগ্রহ করে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে একটি চক্র তা নগ্ন ভিডিও তৈরী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকী দেখিয়ে ডেকে নেয়। অভিযোগ মোতাবেক জানা গেছে, সদর উপজেলার রজাকপুর গ্রামের মোঃ বকুল হোসেনের পুত্র মোঃ রবিউল আওয়াল জনি, চকমারপুর গ্রামের ফজলে আবু ফরহাদের পুত্র মোঃ সামিউল রহমান প্রিন্স এবং রানীনগর উপজেলার রানীনগর খট্টেশ^র গ্রামের লইমুদ্দিন খলিফার পুত্র মোঃ উজ্জল খলিফা নামের ৩ যুবক গৃহবধুর স্বামীকে ঐ ভিডিও দেখিয়ে তার নিকট থেকে ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। দাবীকৃত টাকা না দিলে সেই ছবি তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়ার হুমকীও দেয় ওই প্রতারণাকারীরা। স্বামী ঐ মানবাধিকার কর্মী চাঁদা দাবীকারী যুবকদের সাথে ভিডিও ডিলিট করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এ ব্যাপারে নওগাঁ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে ব্যবস্থা পুলিশ গ্রহণ করবে বলে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে টালবাহানা করতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর বিকাল ৩টায় ভিক্টিমের স্বামী নওগাঁ শহরে যাওয়ার সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে চকরামপুর তুলশীগঙ্গা ব্রীজের পশ্চিম পাশের্^ তার পথরোধ করে আবারো ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লঠি দিয়ে মাথায় প্রচন্ডভাবে আঘাত করা হয়। মাটিতে লুটিয়ে পড়লে শ^াসরোধ করে হত্যার প্রচেষ্টা চালানো হয়। এসময় তার নিকট থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা, সোনালী ব্যাংকের একটি এটিএম কার্ড, ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার রশিদ বই এবং ৩০২ মডেলের একটি মোবাইল ফোন ছিনতাই করে নেয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। পরে তাকে নওগাঁ ২৫০ শয্যবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। ১২ নভেম্বর ’২০২৪ তারিখে হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানায় মামলা করতে গেলে মামলা গ্রহণ না করে কোটে মামলা করার পরামর্শ দেয়া হয়। সেই মোতাবেক নওগাঁ ১ নম্বর আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন তিনি। মামলা নম্বর নম্বর ১৯৫৬ সি/২০২৪ ধারা দন্ডবিধি আইনের ১৪৩/১৪৭/৩২৩/৩২৪/৩০৭/৩৭৯/৩৮৫/৫০৬(২)/৩৪। প্রায় এক বছর অতিবাহিত হলেও মামলার কোন অগ্রগতি না হওয়ায় ভূক্তভোগী পরিবার প্রতিনিয়ত হুমকীর মুখে অনিশ্চিত জীবনযাপন করছেন।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা-স্বাভাবিকের আশায় ক্রেতারা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা-স্বাভাবিকের আশায় ক্রেতারা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা-স্বাভাবিকের আশায় ক্রেতারা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা কমার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি দাম ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার পরও বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরেনি। মঙ্গলবার সকালেও শহরের বিভিন্ন খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়, যা সাধারণ ক্রেতাদের নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, শহরের নতুন বাজার, পুরাতন কাঁচাবাজার ও শিবগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে পেঁয়াজের দামে ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দাম না কমলে খুচরা পর্যায়ে কোনোভাবেই স্বস্তি ফিরবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাইকারি ব্যবসায়ী মো. সেলিম রেজা বলেন, বর্তমানে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ বাজারে যথেষ্ট আছে। কিন্তু পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
    অন্যদিকে খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাজারে সরবরাহ কিছুটা কমে গেছে। এর প্রভাব পড়ছে পাইকারি বাজারে, যা সরাসরি খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। শিবগঞ্জের এক খুচরা বিক্রেতা শামীম উদ্দিন বলেন, পাইকারি বাজার থেকে পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৯৫-৯৮ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এত দামে কিনে আমরা ১০০-১১০ টাকার নিচে বিক্রি করতে পারছি না। ক্রেতারাও হতাশ, বিক্রিও কমে গেছে।
    অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, পেঁয়াজ এখন তাদের দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম অপরিহার্য উপকরণ। হঠাৎ দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছে। গৃহিণী রোজি আক্তার বলেন, সপ্তাহখানেক আগেও ৬০ টাকায় পেঁয়াজ কিনেছি, এখন ১১০ টাকা কেজি। বাজারে গেলে বাজেট মেলানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, দ্রুত যদি সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে সরবরাহ বাড়বে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে। অন্যথায় দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা। জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা (অতিঃ) শাহনাজ পারভিন জানিয়েছেন, বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাইকারি ও খুচরা বাজারে মনিটরিং জোরদার করা হলে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো সম্ভব হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাধারণ ক্রেতারা এখন একটাই প্রত্যাশা করছেন, দ্রুত বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসুক এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের দাম আবারও সাধ্যের মধ্যে আসুক।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে কর্মীসভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে কর্মীসভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে কর্মীসভা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর- ভোলাহাট) আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে নাচোলে এক কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা ও পৌর বিএনপির ব্যানারে নাচোল ডাকবাংলা মাঠে এ কর্মীসভা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে নাচোল উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম মজিদুল হকের সভাপতিত্বে কর্মীসভায় বক্তব্য রাখেন, মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক মাসউদা আফরোজ, প্রকৌশলী এমদাদুল হক, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুস সালাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকনসহ অন্যরা। বক্তারা বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমিনুল হক ২০১৮ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত হবার এলাকার মানুষ ও দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাঁর কোন যোগাযোগ রাখেননি। আন্দোলন-সংগ্রামেও তাঁকে কোনদিন দেখা যায়নি। প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, আমিনুল ইসলাম ছাড়া মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে যে কাউকে মানতে রাজি আছেন তারা। কারণ, (আমিনুল ইসলাম) বিগত সময়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন। কাজের প্রার্থী পুনঃমূল্যায়নের জোর দাবি জানান বক্তারা।

  • নওগাঁ-১ ও ৩ এবং ৪ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের জোরালো দাবিতে উত্তাল রাজপথ

    নওগাঁ-১ ও ৩ এবং ৪ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের জোরালো দাবিতে উত্তাল রাজপথ

    নওগাঁ-১ ও ৩ এবং ৪ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের জোরালো দাবিতে উত্তাল রাজপথ

    নওগাঁ-১, নওগাঁ-৩ ও নওগাঁ-৪ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের জোরালো দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্ব স্ব এলাকার রাজপথ। প্রতিবাদী নেতা কর্মীদের অভিযোগ, তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মতামত ও দাবি উপেক্ষা করে বির্তকিত ও অগ্রহণযোগ্য প্রার্থী ঘোষণা করার ফলশ্রুতিতে ক্রমেই উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এসব আসনভুক্ত এলাকায়। নওগাঁ-১ (সাপাহার-পোরশা-নিয়ামতপুর) আসনে তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. ছালেক চৌধুরীকে এবার মনোনয়ন দেয়া হয়নি। দেয়া হয়েছে নতুন প্রার্থী মেস্তাফিজুর রহমানকে। এ কারনে ডাক্তার ছালেক চৌধুরীর সমর্থক নেতা কর্মীরা তাঁকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন দেয়ার দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করছেন। গত মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার সরাইগাছী স্কুল মাঠে ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও পরে সরাইয়াছি আড্ডা মহাসড়কের সরাইগাছি চারমাথার মোড় এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে ডা. ছালেক চৌধুরীর পক্ষে সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলার বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহন করেন। গত ৩ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সারাদেশের ২৩৭ আসনে প্রাথমিকভাবে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এ হিসেবে নওগাঁ-১ আসনে নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমানকে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন দিয়ে নাম ঘোষণা করা হয়। ফলে এই আসনের তিনটি উপজেলায় ডা. ছালেক চৌধুরীর সমর্থক, কর্মী ও বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করছেন। অন্য ২ আসনেও প্রার্থী পরিবর্তনের জোরালো দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে নওগাঁর নির্বাচনী মাঠ। এর আগে গত ৫ নভেম্বর বিকেলে-নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনে সর্বপ্রথম মহাসড়ক অবরোধ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ করে এমএ মতিনের অনুসারী মান্দা উপজেলা বিএনপির হাজারো নেতাকর্মীরা। ডা. ইকরামূল বারী টিপুকে মনোনয়ন দেয়ার প্রতিবাদে নওগাঁ-রাজশাহী আঞ্চলিক মহাসড়কের মান্দা ফেরিঘাট এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ সমাবেশ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মান্দা উপজেলা বিএনপি সভাপতি এম এ মতিনের সমর্থকরা। তারা তৃণমূলের মতামত ও চাওয়াকে উপেক্ষা করে একজন জনপ্রিয় প্রার্থীকে বাদ দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগপন্থীকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে অভিযোগ করেছেন এবং তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এমএ মতিনকে পুনরায় প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার দাবি করেন। এছাড়া আরেক প্রার্থী দাবিদার নওগাঁ জেলা বিএনপি’র সদস্য প্রকৌশলী আক্কাস আলীর হাজারো কর্মী সর্মথকরা গত শুক্রবার (৭ নভেম্বর) মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

    এছাগা নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনে বিএনপির ঘোষিত ফজলে হুদা বাবুলের ধানের শীষের মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ প্রায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ডে প্রধান সড়কের দুধারে গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পীকার ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মরহুম আকতার হামিদ সিদ্দিকীর ছেলে পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী (জনি) এর সমর্থকেরা এ আয়োজন করে। স্মরণকালের দীর্ঘ এ মানববন্ধন স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডের উত্তরে লিচুবাগান ও দক্ষিণে শিবগঞ্জের মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। কর্মসূচি চলাকালে বক্তারা এই আসনে বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলে হুদা বাবুলের মনোনয়ন বাতিল ও পূনর্বিবেচনা করে জনিকে চুড়ান্ত মনোনয়ন দেয়ার জোর দাবি জানান। মানববন্ধন শেষে বিক্ষুব্ধ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বকের মোড়ে জনির বাসভবনের সামনে গিয়ে বিশাল সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিলে ‘বয়কট বয়কট-ফজলে হুদা বয়কট’ শ্লোগানে শ্লোগানে উত্তাল হয়ে উঠে মহাদেবপুরে রাজপথ। সমাবেশে পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনি নেতাকর্মীদের শান্তনা দিয়ে বলেন, এই মনোনয়নই চুড়ান্ত নয়। দলের মহাসচিব বলেছেন এটি পরিবর্তন হতে পারে। তিনি বলেন, রাজনীতি থেকে প্রয়াত আখাতার হামিদ সিদ্দিকীর পরিবারকে মাইনাসের ষড়যন্ত্র চলছিল। তাদের দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র এখনও সক্রিয়। তিনি সাধারণ ভোটারদের সাথে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারিদের রুখে দেয়ার আশ্বাস দেন। উল্লেখ্য, ১৯৯১ থেকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মরহুম আখতার হামিদ সিদ্দিকী নান্নু পর পর চার বার এই আসন থেকে বিজয়ী হন এবং ২০০১ টার্মে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকারের দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুর পর ২০১৮ সালের নির্বাচনে তার ছেলে পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী জনিকে ধানের শীষের মনোনয়ন দেয়া হলে শেখ হাসিনার মধ্যরাতের সাজানো নির্বাচনেও তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পান। এবার এই আসনে কর্পোরেট চাকরিজীবি উক্ত ফজলে হুদা বাবুল’কে মনোনয়ন দেয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলছেন, মহাদেবপুর উপজেলার ভোটার সংখ্যা বদলগাছীর চেয়ে প্রায় দ্বিগুন। এখানকার ভোটেই নির্ধারিত হবে জয় পরাজয়। এই আসনটি ধানের শীষের ঘাটি হলেও মনোনয়নের ভূলে এবার এটি জামায়াতের দখলে চলে যেতে পারে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা। তাই অবিলম্বে মনোনয়ন পরিবর্তন করে জনিকে মনোনয়ন দেয়ার দাবি তাদের।