Blog

  • নাটোরে পাঁচ দফা দাবিতে জামায়াতের মানববন্ধন

    নাটোরে পাঁচ দফা দাবিতে জামায়াতের মানববন্ধন

    পি.আর পদ্ধতিকে নির্বাচন, জুলাই জাতীয় সনদের অন্তর্ভুক্ত করে গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে নাটোর শহর শাখা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। বুধবার শহরের কানাইখালি কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জুলাই সনদের আলোকে সংবিধান প্রণয়ন না হলে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোনো বৈধতা থাকে না। তারা আরো বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা ও জনগণের অধিকার রক্ষায় এই পাঁচ দফা দাবিগুলো অনতিবিলম্বে মেনে নিতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নাটোর জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক ড. মীর নূরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক সাদিকুর রহমান, জেলা নায়েবে আমির ও নাটোর সদর আসনের এমপি পদপ্রার্থী অধ্যাপক ইউনুস আলী এবং জেলা সহকারী সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম রাসেল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শহর জামায়াতের আমির মাওলানা রাশিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শহর শাখার সেক্রেটারি প্রভাষক আলী আল মাসুদ মিলন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শহর জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক ফজলুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভেড়া পালন ॥ গ্রামীণ অর্থনীতির নীরব বিপ্লব!

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভেড়া পালন ॥ গ্রামীণ অর্থনীতির নীরব বিপ্লব!

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভেড়া পালন ॥ গ্রামীণ অর্থনীতির নীরব বিপ্লব!

    বাংলার গ্রাম আজ আর আগের মতো নেই। কৃষির পাশাপাশি গবাদিপশু পালন এখন গ্রামীণ অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক খাতে পরিণত হয়েছে। তারই একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ, ভেড়া পালন। একসময় পাহাড়ি কিংবা চরাঞ্চলেই সীমাবদ্ধ ছিল এই প্রাণী, আজ তা বিস্তৃত হয়েছে দেশের নানা অঞ্চলে। সবুজ ঘাসে ঢাকা মাঠে দেখা যায় দুধে-আলোয় ঝলমলে একটি ভেড়া নির্ভারভাবে ঘাস খাচ্ছে। দেখতে যতটা শান্ত, অর্থনীতিতে এর ভূমিকা ততটাই সম্ভাবনাময়। কারণ, ভেড়া পালন শুধু একটি পারিবারিক পেশাই নয়, এটি আজ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরির নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। গ্রামীণ আয়ের নতুন উৎস-ভেড়া পালন তুলনামূলক কম খরচে শুরু করা যায়। এক জোড়া ভেড়া কিনে যত্ন নিলে বছরে কয়েকটি বাচ্চা পাওয়া সম্ভব। ফলে অল্প সময়েই সংখ্যায় বাড়ে এবং তা বিক্রি করে কৃষক বাড়তি আয় করেন। স্থানীয় বাজারে একটি প্রাপ্তবয়স্ক ভেড়ার দাম ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়, যা একজন ক্ষুদ্র কৃষকের পরিবারের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। ভেড়ার চামড়া, পশম ও দুধ, সবই অর্থকরী।

    ভেড়ার পশম দিয়ে তৈরি হয় উষ্ণ পোশাক ও হস্তশিল্পজাত পণ্য, যা শহরে বাজারে ভালো চাহিদা তৈরি করছে। ভেড়ার চামড়া থেকে তৈরি পণ্য রপ্তানিযোগ্য। এমনকি ভেড়ার দুধও পুষ্টিগুণে ভরপুর, যা বিদেশে উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়। এছাড়াও নারী উদ্যোক্তাদের সম্ভাবনা হিসেবে গ্রামীণ নারীরা ঘরের আঙিনায় কয়েকটি ভেড়া পালন করে সংসারে অবদান রাখছেন। এতে একদিকে যেমন নারী ক্ষমতায়ন ঘটছে, অন্যদিকে পারিবারিক আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়ছে। উপজেলা পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ অফিসের সহায়তায় অনেকেই এখন সমবায় ভিত্তিতে ভেড়া পালন শুরু করেছেন। যদিও রোগব্যাধি, পর্যাপ্ত পশুচিকিৎসা ও প্রশিক্ষণের অভাব বড় চ্যালেঞ্জ, তবুও সরকারের প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ ভেড়া পালনকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে।

    ভেড়া পালন কেবল গ্রামীণ পেশা নয়, এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এই খাতের অবদান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। সবুজ ঘাসে যখন ভেড়াগুলো ধীরে ধীরে মাথা নামিয়ে খেতে থাকে, তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের এক কোমল কিন্তু দৃঢ় প্রতীক গ্রামীণ অর্থনীতির নীরব বিপ্লব।

  • চতুর্থ দিনের মতো কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আন্দোলন

    চতুর্থ দিনের মতো কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আন্দোলন

    চতুর্থ দিনের মতো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্দোলন হয়েছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অবস্থান করছেন তাঁরা। জানা গেছে, মূল বেতনের ওপর ২০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা দেড় হাজার টাকা এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশে উন্নীত করার তিন দফা দাবিতে টানা অবস্থান ও কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষকরা।
    দাবি পূরণ করে প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় মঙ্গলবার ‘মার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। তবে হাইকোর্ট মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেডে আটকা পড়েন তারা। এরপর সেখান থেকেই শিক্ষক নেতারা নতুন আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, বুধবার বেলা ১১টার মধ্যে দাবি না মানলে তারা শাহবাগে অবস্থান নেবেন। এরপরও প্রজ্ঞাপন না এলে আমরণ অনশনে বসবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

  • দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস

    দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস

    জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আয়োজিত ইতালির রোমে বার্ষিক ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (১৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রোমের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দর থেকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। গত রোববার (১২ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে রোমে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা। ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এটিএম রোকেবুল হক। সফরের প্রধান আকর্ষণ ছিল সোমবারের ওয়ার্ল্ড ফুড ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, যেখানে ড. ইউনূস প্রধান বক্তা হিসেবে ভাষণ দেন। তিনি বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণে ছয় দফা প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হয়।

  • ভোলাহাটে মেসার্স ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনের উদ্বোধন

    ভোলাহাটে মেসার্স ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনের উদ্বোধন

    ভোলাহাটে মেসার্স ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনের উদ্বোধন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে মেসার্স ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে গোহালবাড়ি ইউনিয়নের কলেজ মোড়স্থ ভোলাহাট-কানসাট সড়কে ভোলাহাটের একমাত্র ফিলিং স্টেশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেসার্স ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী মোঃ আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে এবং মোঃ শাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিলিং স্টেশনের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ সুলতান আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, শিক্ষকগণ সহ সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। ভোলাহাট উপজেলার একমাত্র ফিলিং স্টেশন হিসেবে আজ তার পথচলা শুরু হলো। যমুনা ওয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ডিজেল, পেট্রোল এবং অকটেন জ্বালানি তেল পাওয়া যাবে বলে জানান অত্র ফিলিং স্টেশনের পরিচালক। ভোলাহাটের একমাত্র ফিলিং স্টেশনটি যেন সুনামের সাথে পরিচালনা করতে পারে তার জন্য সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন পরিচালক মোঃ আব্দুল লতিফ। ভোলাহাট ফিলিং স্টেশনে এলপিজি গ্যাসের ব্যবস্থা করার জন্য বক্তারা দাবি জনান। পরিশেষে ফিলিং স্টেশনসহ দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

  • নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে স্বাস্থ্যসেবার মান

    ডাঃ মোঃ ফয়সল নাহিদ পবিত্র’র প্রচেষ্টা

    নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে স্বাস্থ্যসেবার মান

    নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে স্বাস্থ্যসেবার মান। ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইউএইচএফপিও হিসেবে যোগদান করেন ডাঃ মোঃ ফয়সল নাহিদ পবিত্র। যোগদানের পর থেকে কয়েক মাসেই তিনি নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীবান্ধব হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নেন নানা উদ্যোগ। দুই মাসের মধ্যে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ কয়েক বছর পর হাসপাতালের ওয়ার্ডে আধুনিক বেড সংযোজন, ইসিজি মেশিন সংযোজন, প্যাথলজি বিভাগে ডিজিটাল কলোরিমিটার সংযোজন। উক্ত পদক্ষেপসমূহ রোগীদের সেবা মান বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার সুদক্ষ পরিচালনা ও সুযোগ্য নেতৃত্বে এক সময় নওগাঁ জেলার সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে নওগাঁ জেলার শীর্ষ উপজেলাগুলোর একটি। ২০২০ সালে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সের সেবা তালিকায় যুক্ত হয়েছিল বেশ কিছু নতুন সেবা। সেগুলো হলো- অপারেশন থিয়েটার চালু : মেজর সার্জারি চালু, সিজারিয়ান অপারেশন চালু, ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, শ্বাসকষ্ট, ক্যানসারসহ নানাবিধ অসংক্রামক রোগের সেবা প্রদানের জন্য এনসিডিসি (অসংক্রামক ব্যাধি) কর্তার চালু, মাতৃ-স্বাস্থ্য নিশ্চিতে এবং অন্যান্য রোগ নির্ণয়ের জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম সেবা চালু, প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি বাড়াতে বিশেষ করে স্বাভাবিক প্রসবে উৎসাহিত করতে এবং মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু কমাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাভাবিক প্রসবে জন্ম নেওয়া নবজাতকদের উপহার প্রদান প্রথা চালু। ২০২৫ সালে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৪০০-৫০০ জন রোগী সেবা গ্রহণ করছেন। জরুরি বিভাগে গড়ে প্রতিদিন ৬০-৭০ জন রোগী চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের অন্তঃবিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৬৫-৮৫ জন রোগী ভর্তি থেকে সেবা গ্রহণ করছেন। বর্তমানে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৫ জন এমবিবিএস ডাক্তারের বিপরীতে মাত্র ৪ জন কর্মরত রয়েছেন। তার পরেও এই চারজন নিয়ে সতটা সম্ভব সততার সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অনতিবিলম্বে এই হাসপাতালের ডাক্তার সংকট দুর করা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সৌন্দর্যবর্ধনে ২টি ফুলের বাগান এবং একটি ভেষজ বাগান করা হয়। রাতে বাগানের সৌন্দর্য বাড়াতে নানা রঙের গার্ডেন লাইট লাগানো হয়।
    ২০২২ সালে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা তালিকায় যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু নতুন সেবা। যেমন-মহিলাদের জন্য আলাদা নামাজ কক্ষের ব্যবস্থা, বহির্বিভাগে সেবা নিতে আসা মায়েদের জন্য ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার, কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে এডোলসেন্ট হেলথ কর্তার, মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মেন্টাল হেলথ কাউন্সিলিং কর্নার, ২৫০০ গ্রামের চেয়ে স্বল্প ওজনের নবজাতকদের চিকিৎসার জন্য চালু করেছেন ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার ওয়ার্ড, ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার ওয়ার্ডে স্বল্প ওজনের নবজাতকদের শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য রয়েছে রেডিয়েন্ট ওয়ার্মার। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অতীতে প্রদত্ত সেবার সব রেকর্ড নতুন করে লিখিয়েছে। মাতৃ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডাঃ মোঃ ফয়সাল নাহিদ পবিত্র’র ইনোভেটিভ উদ্যোগ হলো ‘কানেক্টিং নিয়ামতপুর’। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে জুম লিংকের মাধ্যমে প্রত্যন্ত কমিউনিটি ক্লিনিকে মাতৃ স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা গর্ভবতী মায়েদের নানা পরামর্শ এবং স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকেন। ভবিষ্যতেও স্বাস্থ্যসেবায় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

  • নওগাঁয় মেয়াদ শেষ হওয়ার ২ বছর আগেই পুকুর ছেড়ে দেয়ার চাপ ॥ ক্ষতির মুখে লীজ গ্রহিতা

    নওগাঁয় মেয়াদ শেষ হওয়ার ২ বছর আগেই পুকুর ছেড়ে দেয়ার চাপ ॥ ক্ষতির মুখে লীজ গ্রহিতা

    অন্যত্র লীজ দেয়া ও অতিরিক্ত টাকা দাবীর অভিযোগ-

    নওগাঁয় মেয়াদ শেষ হওয়ার ২ বছর আগেই পুকুর ছেড়ে দেয়ার চাপ ॥ ক্ষতির মুখে লীজ গ্রহিতা

    নওগাঁয় মোট ৪৬. ৯০ বিঘা জলা বিশিষ্ট কয়েকটি পুকুর লীজ এর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মালিকপক্ষ সেগুলো জোরপূর্বক দখল করে অন্যত্র লীজ দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। উপরন্তু আরও ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করার অভিযোগ করেছেন লীজ গ্রহিতা। এতেই ক্ষান্ত হয়নি তারা। পুকুর দখলমুক্ত নেয়ার জন্য রানীনগর থানায় লীজ গ্রহিতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জানা গেছে, লীজ গ্রহিতা নওগাঁ শহরের দুবলহাটি রোড, হাট-নওগাঁ মহল্লার স্বনামধন্য মৎস্য চাষী মোঃ ছাইদুর রহমানের কন্যা রুবাইয়া প্রভা রানীনগর উপজেলার আতাইকুলা মৌজায় ১ নম্বর স্লুইচগেট সংলগ্ন জনৈক মৃত ছাবের আলী ফকিরের পুত্র মোঃ মেহেদুল ইসলামসহ ১৪ জনের মালিকানাধীন ৩৩টি দাগে ২৬.৭৫ বিঘা এবং মোট ১৪টি দাগে উক্ত মেহেদুল ইসলামসহ ৮ জনের মালিকানাধীন ২০.১৫ বিঘা মোট ৪৬.৯০ বিঘা জলা বিশিষ্ট কয়েকটি পুকুর পৃথক দুটি চুক্তিপত্র মোতাবেক লীজ গ্রহণ করেন। এছাড়াও অন্য চুক্তিপত্র মেতাবেক আরও প্রায় সমপরিমাণ পুকুর ০১-০৩-২০১৭ থেকে ০১-০৩-২০২৬ পর্যন্ত ১০ বছরের জন্য লীজ আদান-প্রদান হয়। এর মধ্যে প্রথম আট বছরের জন্য প্রতি বিঘা জমি ১৩ হাজার টাকা করে এবং শেষ দু’বছর প্রতি বিঘা জমি বিশ হাজার টাকা করে লিজ মানি হিসেবে চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয়। সে হিসেবে প্রতিবছর লিজদাতা জমির মালিকরা নিজ গ্রহীতার নিকট থেকে টাকা নেন। এবছর লীজ গ্রহিতার ৮ বছর পূর্ণ হয়েছে। লীজ গ্রহিতার ভাষ্যমতে মেয়াদ পূর্তির ২ বছর আগেই দুটি চুক্তিপত্রের যেসব ৪৬.৯০ বিঘা পুকুর তারা দখলে নেয়ার প্রচেষ্টা শুরু করে। এছাড়াও ১৫ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত দাবী করা হয় এবং বার্ষিক লীজ মানি নেয়া বন্ধ করে দেন। দখল না নেয়ার আগেই এসব পুকুর অন্যত্র লীজ দেয়া শুরু করেছেন তারা। এতে পূর্বের লীজ গ্রহিতা রুবাইয়া প্রভা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। কারণ পুকুর গুলোতে যেমন প্রচুর মাছ রয়েছে, তেমনই পুকুরগুলোর চারদিকে পাড় জুড়ে রয়েছে প্রচুর ফলন্ত আমগাছ। এদিকে, এ ব্যাপারে জমির অন্যতম মালিক মোঃ মেহেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিজ গ্রহীতার সাথে আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে সবকিছু নিষ্পত্তি হয়েছে। তার কথামতোই পুকুরগুলো অন্যত্র লিজ দেয়া হয়েছে। কারণ এখন পুকুর গুলোর লিজ মানি অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়াও পূর্বের লীজ গ্রহীতা রুবাইয়া প্রভা সেখানে একটি মৎস্য হ্যাচারি নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। কিন্তু করে দেয়নি। এছাড়া, পুকুরগুলোতে যে মাছ রয়েছে, তার মূল্য নির্ধারণ করে টাকাও দিতে চেয়েছি। তিনি আরও বলেন, পূর্বের সবকিছু মেনে নিলেও, পরবর্তীতে হঠাৎ রহস্যজনকভাবে পুকুরগুলো দখলমুক্ত করতে গড়িমসি করছে।

  • নাচোল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অবসরজনিত বিদায়

    নাচোল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অবসরজনিত বিদায়

    নাচোল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অবসরজনিত বিদায়

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আনিকুল ইসলামের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ১৪ অক্টোবর বিদ্যালয় চত্বরে অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক মন্টু’র সভাপতিত্বে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন। এসময় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য দেন, নাচোল মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান, নাচোল সরকারি কলেজর অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান, নাচোল মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দুলাল উদ্দিন, হাকবাকইল উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খাইরুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক সাইদুর রহমান, বিদ্যালয় পরিচালনা এ্যাডহক কমিটির সভাপতি দুরুল হোদা, বিদায়ী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আনিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতে মৃত্যু নয়, ধ্বংস নয়, নহে বিচ্ছেদের ভয়, শুধু সমাপন-হউক সুন্দরতম বিদায়ের ক্ষণ। বাণীকে সামনে রেখে সভাপতি মোজাম্মেল হক স্বাগত বক্তব্যে বিদায়ী শিক্ষকের উদ্দেশ্যে স্মৃতিচারণ তুলে ধরেন। শেষে বিদায়ী শিক্ষকের হাতে সম্মানোনা ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়। প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেন বিদায়ী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আনিকুল ইসলামের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনার অবসরজীবন সুন্দর ও অনাবিল আনন্দ কাটুক, আমাদের এই প্রত্যাশা নিরন্তর। স্বল্প সময়ে আমার দৃষ্টিতে তিনি একজন আদর্শবান প্রিয় শিক্ষক। তিনি যে কোন দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে সময়ের মধ্যে পালন করার চেষ্টা করেন। তাঁর অবসরের শেষ দিকে স্বল্প সময়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নিয়ে বিদ্যালয়টির উন্নয়নের চাকা গড়াতে সক্ষম হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারা ধরে রাখতে আমার সর্বাত্মক চেষ্টা থাকবে। এ ছাড়া নতুন দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আবু বকর সিদ্দিককে সঠিক ভাবে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য উপস্থিত সকলের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানান। উপস্থিত বক্তারা নাচোল পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর সহ সকল শ্রেণী-পেশাজীবী মানুষের সর্বত্রক সহযোগিতা কামনা করেন।

  • নওগাঁয় বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠান

    নওগাঁয় বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠান

    নওগাঁয় আলোচনা সভা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ শেষ হয়েছে। এ উপলক্ষে পুরাতন কালেক্টরেট ভবন চত্বরের উন্মুক্ত মঞ্চে বাংলাদেশ শিশু এক নওগাঁ জেলা শাখা আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিশু একাডেমি নওগাঁর কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিন। এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাদিয়া আফরিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নূর মোহাম্মদ এবং বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ শরিফুর রহমান। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন নওগাঁ জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম। পরে এ উপলক্ষে আয়োজিত আবৃত্তি, চিত্রাংকন এবং সংগীত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে জেলা শিশু একাডেমীর শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

  • নাচোলে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

    নাচোলে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

    নাচোলে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও হাত ধোয়া দিবস পালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলের আয়োজনে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ দিবস পালিত হয়। বুধবার (১৫ই অক্টবর) উপজেলা পরিষদ চত্বরে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা পরিষদ মাঠে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃক অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত নিয়ন্ত্রণের উপর এক মহড়া প্রদর্শন হয়। শেষে শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়া পদ্ধতি শিখান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কর্মকর্তা মাহবুব আলম। হাত ধোয়া কার্যক্রম শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে উপজেলা মিনি কনফারেন্স রুমে হাত ধোয়ার শিক্ষনীয় বিষয়ের উপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, আগামী প্রজন্ম যারা জাতিকে পরিচালনা করবে, তারা সুস্থ হয়ে বেড়ে উঠুক এই প্রত্যাশা রাখি। আমরা আমাদের আগামী প্রজন্মকে এক একটা উজ্জল নক্ষত্র হিসেবে দেখতে চাই। এসময় বিআরডিবি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ, ডাঃ আতিক মাহমুদ, উপজেলা প্রাথমিক (ভারপ্রাপ্ত) শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা আল আমিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।