Blog

  • নড়াইলে আদালতের রায় উপেক্ষা করে সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ

    নড়াইলে আদালতের রায় উপেক্ষা করে সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ

    নড়াইলে আদালতের রায় উপেক্ষা করে সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলার চাচুড়ী গ্রামে বিজ্ঞ আদালতের রায় উপেক্ষা করে সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী লতিফ মৃধার ছেলে ফয়েজ ও ইকবাল মৃধার বিরুদ্ধে। ৩১ চাচুড়ী মৌজার আর এস খতিয়ান ১৩১, আর এস ৩৩৩৮ নং দাগের ১১ শতক ও ৩৩৪০ নং দাগে পাঁকা রাস্তার উত্তর পাশে ৩২ শতক জমিসহ মোট ৪৩ শতক জমি দীর্ঘ ৩০ বছর আগে নেওয়া দলিলমূলে খরিদ করে ফলজ গাছ লাগিয়ে ভোগদখলে আছেন ভুক্তভোগী শেখ আবুল হোসেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত মুনছুর শেখের ছেলে। ১৪ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগী শেখ আবুল হোসেন বলেন, বসতভিটার এই জমি দলিল সূত্রে ক্রয় করে দীর্ঘ ৫০ বছর যাবত তিনি ভোগ দখলে আছেন। তার জমিসহ আরো অনেকের জমি থেকে মাটি কেটে জনগনের স্বার্থে রাস্তা করা হয়। অতঃপর ওই রাস্তার পাশে বনজ ও ফলজ গাছ লাগিয়ে ভোগ করে আসছেন তিনি। কিন্তু সম্প্রতি রাস্তার দক্ষিণ পাশে থাকা ইকবাল ও ফয়েজ মৃধা ওই জমি তাদের বলে দাবি করে এবং জোরপূর্বক গাছের নারিকেল নিয়ে যায়। এ বিষয়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি ও চেয়ারম্যানের নিকট অভিযোগ দিলেও তারা শোনেনি। অতঃপর বিজ্ঞ আদালতে মামলা করে তিনি রায় পান। অথচ আদালতের রায় তারা না মেনে তার স্ত্রীকে মারধরসহ বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। চাচুড়ী ইউনিয়ের চেয়ারম্যান মেলজার ভূঁইয়া, ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিয়াজ বিশ্বাস, অভিযুক্ত ইকবাল মৃধার আপন বড় ভাই সহিদ মৃধা, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ডহর চাচুড়ী গ্রামের নাজির মোল্যা ও অবঃ শিক্ষক মোঃ মোকসেদুল হক, এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ বিষয় নিয়ে পরিষদে বসা হলেও আবুল হোসেনের কোন জনবল না থাকায় সঠিক বিচার পাচ্ছেন না। প্রতিপক্ষরা শক্তিশালী হওয়ায় কোন রায় তারা মানছে না। আবুল হোসেন যাতে ন্যায্য বিচার পায়, সে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। এদিকে, অভিযুক্ত ইকবাল মৃধার ছেলে রিয়াজ মৃধা উপরোক্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

  • নাটোরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

    নাটোরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

    নাটোরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত

    নাটোরের লালপুরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, হাত ধোয়া প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা হয়েছে। ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ এই প্রতিপাদ্যে বুধবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আয়োজনে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মেহেদী হাসান, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আরাফাত হোসেন, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মেকানিক জামিল হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রিতম কুমার হোড়, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সাদ আহম্মেদ শিবলী, মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ্ আলম সেলিমসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসি’র উদ্যোগে মাদকবিরোধী মোরগ লড়াই খেলা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসি’র উদ্যোগে মাদকবিরোধী মোরগ লড়াই খেলা

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডিএনসি’র উদ্যোগে মাদকবিরোধী মোরগ লড়াই খেলা

    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের আয়োজনে ঐতিহ্যবাহী মাদকবিরোধী মোরগ লড়াই খেলা হয়েছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ঘটিকায় সদর উপজেলার মহারাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঐতিহ্যবাহী মাদকবিরোধী মোরগ লড়াই খেলা হয়।

    এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদকের কুফল ও মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে একটি গনসচেতনতা মূলক আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদকের ক্ষতিকর ও মাদকের কুফল সর্ম্পকে দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন ডিএনসি’র পরিদর্শক মো: রফিকুল ইসলাম। এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন মহারাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকবৃন্দ।

    শেষে মাদকবিরোধী মোরগ লড়াই খেলায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদকবিরোধী স্লোগান লেখা সম্বলিত খাতা, কলম, স্কেল, জ্যামিতি বক্স, লিফলেট ও ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়। বিষয়টি এক প্রেসনোটে নিশ্চিত করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান।

  • মিরপুরে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের মৃত্যু ॥ এখনো নিখোঁজ ১৩ জন

    মিরপুরে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের মৃত্যু ॥ এখনো নিখোঁজ ১৩ জন

    মিরপুরে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জনের মৃত্যু ॥ এখনো নিখোঁজ ১৩ জন

    মিরপুর রূপনগরে রাসায়নিকের গুদাম ও পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ১৬ জন পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১৩ জন। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও যেকোনো সময় আবার জ্বলে উঠতে পারে। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রূপনগরের একটি রাসায়নিকের গুদামে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই বিকট শব্দে ১০ থেকে ১৫টি বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের পোশাক কারখানায়। প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিইউবিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উদ্ধার কাজে অংশ নেন। এরপর ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দুপুর ১টার পর আরও ৯টি ইউনিট যুক্ত হয়। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও বিএনসিসির সহায়তায় প্রায় ৫ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, রাসায়নিকের গুদামে আগুন লাগার কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে গুদাম মালিক পলাতক রয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল সাংবাদিকদের বলেন, মিরপুরের এই আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সম্পূর্ণ নিভেছে বলা যাবে না। গুদামে থাকা রাসায়নিকের কারণে আবারও আগুন জ্বলে উঠতে পারে। তিনি আরও জানান, বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে বুয়েটের একটি বিশেষজ্ঞ দল রাসায়নিকের নমুনা পরীক্ষা করতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

  • কাকের রাজত্ব সেই তেঁতুল গাছে ॥ রহনপুর রেলস্টেশনের বিকেলের অদ্ভুত সঙ্গ

    কাকের রাজত্ব সেই তেঁতুল গাছে ॥ রহনপুর রেলস্টেশনের বিকেলের অদ্ভুত সঙ্গ

    কাকের রাজত্ব সেই তেঁতুল গাছে ॥ রহনপুর রেলস্টেশনের বিকেলের অদ্ভুত সঙ্গ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেলস্টেশন-একটা নাম, যেখানে সময় যেন থমকে থাকে বিকেলের ছায়ায়। স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ঠিক পাশে দাঁড়িয়ে আছে এক প্রাচীন তেঁতুল গাছ, বয়স হয়তো শত বছর ছুঁইছুঁই। পাতা ঘন, ডালপালা জটলার মতো ছড়িয়ে আছে চারদিকে, যেন ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে এখনো নীরবে দাঁড়িয়ে আছে গাছটি। কিন্তু বিকেল নামলেই বদলে যায় এই গাছের রূপ। যখন সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ে, তখন হঠাৎ করেই গাছটির উপর নেমে আসে এক ভিন্ন জগৎ, শত শত কাকের রাজত্ব। কালো ডানার ফড়ফড় শব্দে ভরে ওঠে রহনপুর স্টেশনের আকাশ। তাদের কা-কা ডাক যেন এক বিশেষ ছন্দে মিশে যায় বিকেলের নিস্তব্ধতায়। রেলস্টেশনের ব্যস্ততা, লোকজনের হাঁটাচলা, ট্রেনের হুইসেল—সবকিছুর মাঝেও কাকদের এই সমাবেশ এক ধরনের মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেয়। মনে হয়, এ যেন প্রকৃতির নিজস্ব কোনো বৈঠকখানা—যেখানে দিনের সব গল্প, ক্ষোভ, আনন্দ আর যন্ত্রণা তারা মিলে ভাগাভাগি করে নেয়। স্থানীয়রা বলেন, “এই গাছটা বহুদিনের পুরনো। যতদূর মনে পড়ে,

    বিকেলে কাকেরা সব সময়ই এখানে আসে। একদিনও বাদ দেয় না। মাগরিবের সময় যখন অন্ধকার নামে, তখন তারা একে একে মিলিয়ে যায় আকাশে।” গাছটির নিচে দাঁড়ালে যেন বোঝা যায়, এই গাছ শুধু কাকের আশ্রয় নয়—এটি রহনপুরের সময়, ইতিহাস ও প্রাকৃতিক সঙ্গীতের এক জীবন্ত প্রতীক। বিকেলের আলোয় যখন তেঁতুল পাতায় লেগে থাকা সূর্যরশ্মি কাকের কালো পালকে ঝিলিক তোলে, তখন মনে হয়—এ দৃশ্য যেন এক জীবন্ত কবিতা। গাছের নিচে বসে থাকে পথচলতি মানুষ, চায়ের দোকানের ধোঁয়া উড়ে যায় বাতাসে। কেউ ট্রেনের অপেক্ষায়, কেউ বা কেবল সময় কাটাতে এসেছে। কিন্তু গাছের ওপর চলতে থাকে কাকদের বিশাল সংসার—তাদের ডাক, উড়াল, ঝগড়া, মিলন—সব মিলিয়ে এটি হয়ে ওঠে এক স্বপ্নময় দৃশ্যপট। প্রতিদিন বিকেল থেকে মাগরিব পর্যন্ত এই তেঁতুল গাছের ডালে ডালে ভর করে রহনপুরের আকাশ যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে। কাকেরা ফিরে যায় যখন সন্ধ্যার অন্ধকারে, গাছটি তখন আবার নীরব হয়—তবু থেকে যায় এক অদ্ভুত প্রশান্তি, এক অচিন নস্টালজিয়া। রহনপুরের এই শতবর্ষী তেঁতুল গাছ তাই শুধু প্রকৃতির অংশ নয়—এটি এক নীরব মহাকাব্য, যেখানে প্রতিদিন লেখা হয় কাকের, আলো-ছায়ার আর সময়ের এক অনন্ত গল্প।

  • চাকসু নির্বাচন ॥ ক্যাম্পাস জুড়ে কড়া নিরাপত্তা

    চাকসু নির্বাচন ॥ ক্যাম্পাস জুড়ে কড়া নিরাপত্তা

    চাকসু নির্বাচন ॥ ক্যাম্পাস জুড়ে কড়া নিরাপত্তা

    তিন দশক পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু), হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচন বুধবার (১৫ অক্টোবর)। সোমবার চাকসু নির্বাচনে প্রচারের শেষদিন। শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করেন প্রার্থীরা। ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার চত্বর, বুদ্ধিজীবী চত্বর, লেডিস ঝুপড়ি, কলা ঝুপড়ি, সমাজবিজ্ঞান ঝুপড়ি, প্রতিটি অনুষদ প্রাঙ্গণ, আবাসিক হল প্রাঙ্গণ, জিরো পয়েন্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ছিল প্রার্থীদের প্রচারের ভিড়। প্রচারণার শেষ মুহূর্তে দেখা যায়, প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। নিতে শেষ মুহূর্তে নানা সমীকরণ মেলাচ্ছেন ভোটাররা। নানা ধর্ম, বর্ণ, জাতিসত্তার বৈচিত্রের এক অনন্য বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্লেষকদের মতে, বেশ কয়েকটি সমীকরণে নির্ধারণ হবে চূড়ান্ত ফলাফল। সে সাথে পূর্ণ প্যানেলে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনাও কম। চমক দেখাতে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও। চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী চাকসু নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৫১৮ জন। যেখানে নারী ভোটারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১১ হাজার। যা প্রায় ৪১ শতাংশ। অন্যদিকে, চবিতে আবাসন ব্যবস্থা আছে ৬ হাজার ৩২৮ জনের। ছেলেদের হলে আছে ৩ হাজার ৬৮৭টি আসন, মেয়েদের হলে আছে ২ হাজার ৬৪১টি আসন। সে হিসাবে মাত্র ২৩ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক। বাকি ৭৭ শতাংশ শিক্ষার্থীই অনাবাসিক। অনাবাসিক ও নারী ভোটারের এই বিশাল সংখ্যা পার্থক্য গড়বে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে পাহাড়ি ও সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি। পার্বত্য রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানের উপজাতি শিক্ষার্থীদের ভোটও নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে। এ ছাড়া সংখ্যালঘু, বৃহত্তর চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভোটও প্রভাবক হয়ে উঠবে। চাকসু নির্বাচন ঘিরে নানা প্রতিশ্রুতি ও ইশতেহার নিয়ে ভোটারদের মাঝে প্রচার করেছেন প্রার্থীরা। তবে অনেকেই দিচ্ছেন সাধ্যের বাইরের প্রতিশ্রুতি। শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, যারা বাস্তবভিত্তিক প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন এবং অতীতে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন তাদেরই বেছে নেবেন তারা। এরমধ্যে আবাসন ও পরিবহন সংকট, নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ভোট কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সোমবার নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বুধবার ভোটের দিন চাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীদের ভোট গ্রহণ করা হবে বলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনির উদ্দিন জানিয়েছেন। দুইজন নির্বাচন কমিশনারের তত্ত্বাবধানে দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে জানান তিনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পাঁচটি অনুষদের প্রতিটিতে একজন করে মোট পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া কেন্দ্রগুলোর বাইরে আরও চারজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে থাকবে মোবাইল কোর্ট। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র‌্যাব, এপিবিএন, বিজিবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা বাহিনী, রোভার স্কাউট ও বিএনসিসি মিলিয়ে প্রায় ১৭শ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন। নির্বাচন উপলক্ষে বুধবার ও বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। পাঁচটি অনুষদের ১৫টি কেন্দ্রে মোট ৬০টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩শ টি স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স এবং ৭শ টি গোপন বুথ। ব্যালট বাক্সগুলো বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

  • রাকসুর নির্বাচনী প্রচারণায় মুখরিত ক্যাম্পাস

    রাকসুর নির্বাচনী প্রচারণায় মুখরিত ক্যাম্পাস

    রাকসুর নির্বাচনী প্রচারণায় মুখরিত ক্যাম্পাস

    দ্বিতীয় দফায় দশম দিন এবং শেষ দিনের মতো চলছে রাকসুর প্রচারণা। সকাল থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা মিলছে প্রার্থীদের। হাতে লিফলেট নিয়ে ছুটছেন ভোটারদের কাছে। শেষবারের মতো দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতিও। প্রার্থীরা বলছেন, দেশের বৃহত্তম এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৯ হাজার। এতো বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে তাদের জন্য। তবুও চেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা। ‎এদিকে, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট-এ ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শিবির সমর্থিত প্যানেল ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’-এর ২০০ প্যাকেট নাস্তা বাজেয়াপ্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে, আচরণ বিধিতে নাস্তা বিতরণ বা খরচের সীমা বিষয়ে কিছু উল্লেখ নেই। সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বেগম খালেদা জিয়া হলের সামনে থেকে এসব খাবার বাজেয়াপ্ত করে কমিশন।
    নাস্তা বাজেয়াপ্ত করার পরপরই এর কারণ জানতে নির্বাচন কমিশন অফিসে যান রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদকসহ ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের পদপ্রার্থীরা। বর্তমান আচরণ বিধি অনুযায়ী খাবার প্রদানের মাধ্যমে কোনো বিধি লঙ্ঘন হয়নি বলে দাবি রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদ ফয়সালের। নির্বাচন কমিশনারদের সাথে আলোচনা রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদ ফয়সাল বলেন, আচরণ বিধিতে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ ব্যয় সীমা উল্লেখ নাই। তার মানে আমি আমার সক্ষমতার আলোকে সর্বোচ্চ খরচ করতে পারি। একজন নির্বাচন কমিশনার আমাদের প্রার্থীকে প্রশ্ন করেছেন, “তোমার টাকার উৎস কী?” আমরা মনে করি, নির্বাচন কমিশনার স্যার এমন প্রশ্ন করার এখতিয়ার রাখেন না। আর নাস্তা বিতরণতো শুধু আমরা না অনেক পদপ্রার্থীই নাস্তা বিতরণ করেছে। তাদের বেলায় নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা কামাল আকন্দ বলেন, তারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। হাতেনাতে ধরার পর আমরা তাদের সতর্ক করেছি। আমরা কোনো মোবাইল কোর্ট না যে শাস্তি দিব। তবে আমাদের দায়িত্বের অংশ হিসেবে খাবারগুলো বাজেয়াপ্ত করেছি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ. নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের ফি ১ হাজার থেকে ২০০ টাকা করেছিলাম কী জন্য? ছাত্রদের (পদপ্রার্থীদের) যাতে কম খরচ হয় এজন্য আমরা কমিয়েছিলাম। এখন এতো এতো খরচ করা হলেতো বিষয়টা পরস্পর বিরোধী হয়ে যাবে।
    তিনি আরও বলেন, আর প্রজেকশন মিটিং মানে পরিচিতি সভা। পরিচিতি সভা মানেতো এই না যে নাস্তা দিতে হবে। এখন কেউ এটা (খাবার বিতরণ) করতে পারবে না। নাস্তাতো নির্বাচনের অংশ না। আচরণ বিধিতে খাবার বিতরণের বিষয়ে কিছু লেখা নাই। কিন্তু কিছু ইমপ্লাইড (অন্তর্নিহিত) অর্থতো বুঝতে হয়। আচরণ বিধিতে টাকা বিতরণের বিষয়েও কোনো কিছু লেখা নাই। কিন্তু এটা কি করা যাবে? যাবে নাতো।

  • প্রতিবন্ধী আবু তালহা শিমুলের ওপর নির্মম নির্যাতন ॥ নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

    প্রতিবন্ধী আবু তালহা শিমুলের ওপর নির্মম নির্যাতন ॥ নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

    প্রতিবন্ধী আবু তালহা শিমুলের ওপর নির্মম নির্যাতন ॥ নাটোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

    নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার তমালতলা বাজার এলাকায় নির্মমভাবে মারধরের শিকার হয়েছেন আবু তালহা শিমুল (২২) নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবক। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শিমুল উপজেলার চক হরিরামপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং খোকন আলীর ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, মঙ্গলবার সকালে একই গ্রামের শফিকুল ইসলাম, পিতা: বেলায়েত হোসেন, তার নিজ বাড়ির সামনে রাস্তা অবরোধ করে শিমুলকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ও বেধড়ক মারধর করে। এই বর্বর হামলার ফলে শিমুলের একটি হাতের আঙুল ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম হয়। আহতের পরিবার জানায়, শিমুল একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং দীর্ঘদিন ধরেই নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করছেন। তিনি নাটোরের বাগাতিপাড়ায় অবস্থিত “শহীদ মুক্তিযোদ্ধা মমতাজ উদ্দিন স্মৃতি বাক শ্রবণ ও অটিস্টিক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়”, মাছিমপুর-এর একজন ছাত্র। এ অবস্থায় তার ওপর এই ধরনের নির্যাতন অমানবিক ও ন্যক্কারজনক। শিমুলের পরিবার এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীর দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এদিকে, স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন মহল এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হামলাকারীর দ্রুত বিচার দাবি করেছেন। তাদের মতে, একজন প্রতিবন্ধী যুবকের ওপর এমন বর্বরতা সমাজের জন্য লজ্জাজনক এবং বিচারহীনতা এই সহিংসতাকে আরও উৎসাহিত করবে।

  • রাজশাহীতে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    রাজশাহীতে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    রাজশাহীতে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় টি.এস.সি.সি মিলনায়তনে তাজবিদুল কোরআন ফাউন্ডেশন এর উদ্দ্যোগে রাজশাহীতে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতার ৪টি বিভাগে ১৬জন হাফেজকে স্বর্ণপদক, ক্রেস্ট ও সনদপত্র আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রদান করা হয়। এ প্রতিযোগিতার ৪টি বিভাগের ১৬টি পুরস্কারের মধ্যে ৮টি পুরস্কার অর্জন করে হরিয়ানে প্রতিষ্ঠিত ইংলিশ মিডিয়াম মাদ্রাসা ও স্কুল। অনুষ্ঠানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বিশ^জয়ী কোরআন হাফেজ বেলাল আল মাদানী ও হাফেজ মোঃ তরিকুল ইসলাম এবং উত্তর বঙ্গের শ্রেষ্ঠ হাফেজ ও ক্বারী মোঃ জুয়েল আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ী হাফেজদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ মাহফুজুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপ িস্ত ছিলেন যথাক্রমে রাজশাহী সিটি প্রেসক্লাব সভাপতি রফিকুল আলম ও অধ্যাপক মোঃ মাকসুদুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হযরত মাওলানা মোঃ ইসমাইল আলম আল মাদানী।

  • রাজশাহীতে শিক্ষকদের প্রতিবাদ সমাবেশ

    রাজশাহীতে শিক্ষকদের প্রতিবাদ সমাবেশ

    রাজশাহীতে শিক্ষকদের প্রতিবাদ সমাবেশ

    ঢাকায় প্রেসক্লাবের সামনের সমাবেশে শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে রাজশাহীতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে আঞ্চলিক শিক্ষা ভবনের সামনে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের ব্যানারে এ প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। সমাবেশে অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন রাজশাহী জেলা সভাপতি ড. ওবায়দুল্লাহ, বৈষম্য বিরোধী শিক্ষক পরিষদ রাজশাহী জেলার সভাপতি অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম। বক্তাগণ এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের মূল বেতনের ২০% বাড়িভাড়া ও ১৫০০টাকা চিকিৎসা ভাতা দাবি করেন।

    ঢাকায় শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় দোষীদের শাস্তি দাবীর পাশাপাশি কর্মচারীদের ৭৫% উৎসব ভাতার দাবি জানান। উল্লেখ্য এসব দাবিতে গত সোমবার থেকে বেসরকারি শিক্ষকগণ কর্মবিরতি পালন করছেন। বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক পরিষদ রাজশাহী জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আনোয়ারুল করীমের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, শহীদ নাদের আলী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রুহুল আমিন, পদ্মা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল্লাহেল শাফী, ডাঙেরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আসলাম আলী, ইসলামিয়া কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলাম সারওয়ার, বাউসা বিএম কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ রেজাউল করিম, মতিহার কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল মালেক, পুঠিয়া ইসলামিয়া মহিলা কলেজের ড. এস এম হেদায়েতুল ইসলাম, এম এ হাদী কলেজের নারগিস আকতার,

    ইসলামিয়া কলেজের আব্দুল হাই ও সাবরিনা সাবরিন, বসন্ত কেদার ডিগ্রি কলেজের ওবায়দুর রহমান, দর্শনপাড়া শহীদ কামারুজ্জামান কলেজের সাহিবুল ইসলাম, সুজাউদ্দৌলা ডিগ্রি কলেজের এ এফ এস লুৎফর রহমান অপু, আদর্শ ডিগ্রি কলেজের হোসনে আরা, কবি কাজী নজরুল ইসলাম কলেজের নারগিস পারভিন, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের আলমগির হোসেন, বিড়ালদহ কলেজের মোস্তাফিজুর রহমান। আরও বক্তব্য রাখেন সহকারী শিক্ষক শাহীন আলম, শাহজাহান হোসাইন, আরিফুল ইসলাম ও আব্দুল হালিম। সমাবেশ শেষে শিক্ষকদের র্যালি রাজশাহী শহর প্রদক্ষিণ করে এবং শিক্ষক নেতারা আঞ্চলিক পরিচালক প্রফেসর মোঃ আছাদুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।