Blog

  • ডাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা ॥ ভিপি সাদিক-জিএস ফরহাদ- এজিএস মহিউদ্দিন খান

    ডাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা ॥ ভিপি সাদিক-জিএস ফরহাদ- এজিএস মহিউদ্দিন খান

    ডাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা ॥ ভিপি সাদিক-জিএস ফরহাদ- এজিএস মহিউদ্দিন খান

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়েছে। ফলাললে ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) এবং জিএস পদে এস এম ফরহাদ ও এজিএস পদে মহিউদ্দিন খান জয় পেয়েছেন। বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন থেকে ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফলে এ তথ্য জানানো হয়। চূড়ান্ত ফল ঘোষণায় জানানো হয়েছে, ‘ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের সাদিক কায়েম ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে ভিপি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট পেয়েছেন। আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম হোসেন পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৮৪ ভোট পেয়েছেন। ‘জিএস পদে ছাত্রশিবিরের নেতা এস এম ফরহাদ ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল নেতা তানভীর বারী হামীম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

    এছাড়া প্রতিরোধ পর্ষদের মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৯ ভোট। এজিএস পদে ছাত্রশিবিরের নেতা মুহা. মহিউদ্দীন খান ১১ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ছাত্রদলের এজিএস প্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৪ ভোট। বষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদের এজিএস প্রার্থী আশরেফা খাতুন পেয়েছেন ৯০০ ভোট। ডাকসু নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় ঘোষণার পর শিবিরের সাদিক-ফরহাদ জয়ের খবরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে স্লোগান দেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের সমর্থকরা। ডাকসু নির্বাচনে কার্জন হল কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত অমর একুশে হল, ফজলুল হক হল ও শহীদুল্লাহ হল, ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্রে শামসুন্নাহার হল, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জগন্নাথ হল, সলিমুল্লাহ হল ও জহুরুল হক হল, টিএসসি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত রোকেয়া হল, সিনেট ভবন কেন্দ্রে বিজয় একাত্তর হল, মুহসিন হল ও স্যার এ এফ রহমান হল, উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল, কবি জসীমউদ্দীন হল, সূর্যসেন হল ও শেখ মুজিবুর রহমান হল, ভূতত্ত্ব বিভাগ কেন্দ্রের সুফিয়া কামাল হল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র: বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব হলের ঘোষিত ফলাফলে এই চিত্র উঠে আসে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দিনভর ভোটগ্রহণের পর রাত পৌনে ২টায় কার্জন হল কেন্দ্রে ফল ঘোষণা শুরু হয়। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ডাকসু ও হল সংসদের ভোট গ্রহণ করা হয়। এরপর ব্যালট এক জায়গায় করে গণনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ডাকসু নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণা শুরু হলে নিজেদের প্রার্থীদের এগিয়ে থাকার খবরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে স্লোগান দেন ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের সমর্থকরা। শিক্ষার্থীরা মোট ছয়টি ব্যালটে ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে একটি ব্যালটে ভিপি ও জিএস, একটি ব্যালটে এজিএস, সম্পাদক পদগুলো দুটি ব্যালটে এবং একটি ব্যালটে সদস্য পদগুলোতে ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল। ডাকসুতে ২৮টি পদের বিপরীতে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন মোট ৪৭১ জন প্রার্থী। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আটটি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে ভোটগ্রহণ হয়েছে। প্রায় চল্লিশ হাজার ভোটারের মধ্যে ৭০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • নাচোলে ভিন্ন ধর্মালম্বিদের নিয়ে জামায়াতের মতবিনিময় ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

    নাচোলে ভিন্ন ধর্মালম্বিদের নিয়ে জামায়াতের মতবিনিময় ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

    নাচোলে ভিন্ন ধর্মালম্বিদের নিয়ে জামায়াতের মতবিনিময় ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর এমপি প্রার্থীর মতবিনিময় ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণী সভা হয়েছে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বেগম মহসীন ফাজিল মাদরাসা চত্বরে পৌর জামায়াতের আমীর মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী ও নির্বাচন পরিচালনা কমেটির পরিচালক অধ্যাপক ইয়াহ্ইয়া খালেদ, জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমির প্রভাষক ইয়াকুব আলী, পৌর নায়েবে আমির ডাঃ রফিকুল ইসলাম, পৌর সেক্রেটারি ও সহকারি অধ্যাপক অবসরপ্রাপ্ত খলিলুর রহমান ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. সিরাজুল ইসলাম। এসময় উপজেলা ও পৌর জামায়াতের নেতা-কর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন। শেষে অতিথিবৃন্দ দুই শতাধিক অস্বচ্ছল ভিন্ন ধর্মালম্বীদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

  • জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে গোমস্তাপুরে নারী সমাবেশ

    জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে গোমস্তাপুরে নারী সমাবেশ

    জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে গোমস্তাপুরে নারী সমাবেশ

     

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে তারুণ্যনির্ভর, উন্নত, সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও জবাবদিহিতামূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গোমস্তাপুরে নারী সমাবেশ হয়েছে। মঙ্গলবার (০৯ সেপ্টেম্বর) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের আলমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে এই নারী সমাবেশ হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সী। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান, গোমস্তাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: ইসাহাক আলী, রহনপুর ইউসুফ আলী সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. জিন্নুর রহমান, সহকারি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ.কে.এম ওলিউল ইসলাম এবং আলমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসা. জেসমিন নাহার।
    সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, ছেলে-মেয়ে কার সাথে ওঠাবসা করছে, তা আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ আমাদের দেশের অনেক ছেলে-মেয়ে সঙ্গদোষের কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ছেলেমেয়েদের ভালো পথে থাকার জন্য তাকে পরামর্শ ও নির্দেশনা দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে মাদকের যে ভয়াবহতা বিরাজ করছে, তা থেকে উত্তরণের জন্য সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা সকলে মিলে মাদককে না বলি এবং মাদক থেকে দূরে থাকি। মাদকমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তিনি সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষা প্রদানের পরামর্শ দেন। বাল্যবিবাহ প্রসঙ্গে প্রধান অতিথি বলেন, যে মেয়েটির বাল্যবিবাহ হয়েছে, সে যখন সন্তান জন্ম দিচ্ছে, সেই সন্তান পুষ্টিহীন হয়ে জন্মাচ্ছে এবং মাও পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক একজন মেয়ের যে পুষ্টি প্রয়োজন, তা সে পাচ্ছে না। ফলে মা ও শিশু প্রায়ই অসুস্থ থাকে এবং এক পর্যায়ে মেয়েটি কর্মহীন হয়ে পড়ে। সকলকে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বক্তারা বাল্যবিবাহ, মাদকের অপব্যবহার, যৌতুক, নারী নির্যাতন ও কন্যা শিশুর প্রতি বৈষম্য রোধ, সামাজিক মূল্যবোধ গঠন, সুষম খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেন। সমাবেশে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, নারী-পুরুষ এবং শিশুসহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক প্লট দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার

    সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক প্লট দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার

    সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক প্লট দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার

    হত্যা, রায় জালিয়াতি মামলার পর এবার প্লট দুর্নীতির মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত। দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইব্রাহিম মিয়া এ আদেশ দেন। এর আগে দুদকের পক্ষ থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। আদালত তার উপস্থিতিতে শুনানির জন্য এদিন ঠিক করে দেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে শুনানির জন্য সকালে আদালতে তোলা হয়। এরপর খায়রুল হকের পক্ষে তার আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহিন জামিন চেয়ে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর হাফিজুর রহমান জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাজউকের ১০ কাঠার প্লট নেওয়ার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন বিচারক। উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই সকালে ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ওইদিন রাতে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। এরপর ২৯ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে বেআইনি রায় দেওয়া ও জাল রায় তৈরির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ৩০ জুলাই বিচারক হিসেবে দুর্নীতি ও বিদ্বেষমূলকভাবে বেআইনি রায় দেওয়াসহ জাল রায় তৈরির অভিযোগে শাহবাগ থানার মামলায় তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়, আর রিমান্ড শেষে গেল ৭ অগাস্ট খায়রুল হককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৬ অগাস্ট বিধিবহির্ভূতভাবে রাজউকের প্লট গ্রহণের অভিযোগে খায়রুল হকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। দুদকের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুনের করা মামলায় খায়রুল হকসহ আটজনকে আসামি করা হয়েছে মামলায়। অন্য আসামি হলেন- রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নুরুল হুদা, সাবেক সদস্য (অর্থ) ও সদস্য (এস্টেট) আ ই ম গোলাম কিবরিয়া, সাবেক সদস্য (অর্থ) মো. আবু বক্কার সিকদার, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সিকদার, সাবেক সদস্য (এস্টেট) আখতার হোসেন ভুইয়া, সাবেক যুগ্মসচিব ও সদস্য (উন্নয়ন) এম মাহবুবুল আলম এবং সদস্য (প্রশাসন ও ভূমি) নাজমুল হাই। অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজধানীর নায়েম রোডে প্রায় ১৮ কাঠা জমির ওপর ছয়তলা বাড়ি থাকার পরও তিনি প্রধান বিচারপতি থাকাবস্থায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে মিথ্যা হলফনামা দাখিলের মাধ্যমে পূর্বাচল আবাসিক প্রকল্প থেকে ১০ কাঠা জমির একটি প্লট বরাদ্দ নেন।
    খায়রুল হক ২০১০ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেয়। তাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবৈধ হয়ে যায়। খায়রুল হক অবসরে যাওয়ার পর ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তাকে তিন বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই মেয়াদ শেষে কয়েক দফা পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয় তাকে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামীলীগ সরকারের পতন হলে ১৩ অগাস্ট আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন খায়রুল হক।

  • ডাকসুতে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ

    ডাকসুতে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ

    ডাকসুতে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন, তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। বুধবার জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ অভিনন্দন জানান। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ডাকসুতে যারা বিজয়ী হয়েছে, তাদের অভিনন্দন জানাই। এটা গণতন্ত্রের রীতি। গণতন্ত্রের রীতি হবে সবাইকে অভিনন্দন জানাতে হবে। কিছু ত্রুটিবিচ্যুতি হয়েছে। যেহেতু বহুদিন পর নির্বাচন হয়েছে।’
    তিনি বলেন, ‘আমার মতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ডাকসু ভোটে অংশগ্রহণ করেনি। ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটকে অভিনন্দন।’ তিনি আরও বলেন, ‘ডাকসু-চাকসু যা-ই হোক, এখানকার বিজয়ীদের কেউ কেউ বড় রাজনীতিবিদ হয়েছেন। কিন্তু অনেকেই এখনও সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। এটাই হচ্ছে শিক্ষাঙ্গনের রাজনীতির সঙ্গে জাতীয় রাজনীতির পোস্টমর্টেম।’ বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, বড় দল ছাড়া ডাকসু নির্বাচিতরা রাজনীতিতে ভালো করতে পারেনি। দেশের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় যে পরিবর্তন হয়েছে, সেগুলো ছাত্র আন্দোলন বা ছাত্র সংসদের মাধ্যমেই হয়েছে।

  • শেখ হাসিনার পূবালী ব্যাংকের লকার জব্দ

    শেখ হাসিনার পূবালী ব্যাংকের লকার জব্দ

    শেখ হাসিনার পূবালী ব্যাংকের লকার জব্দ

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি লকার জব্দ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে পূবালী ব্যাংক মতিঝিল শাখায় থাকা লকারটি জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে সিআইসির মহাপরিচালক আহসান হাবীব বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে পূবালী ব্যাংকের সেনা কল্যাণ ভবনে অবস্থিত একটি লকারের সন্ধান পাওয়া গেছে। লকারের দুটি চাবির মধ্যে একটি শেখ হাসিনার কাছে রয়েছে। সিআইসির একটি টিম লকারটি জব্দ করেছে। এনবিআর সূত্রে জানা যায়, লকারে স্বর্ণালংকারসহ গুরুত্বপূর্ণ নথি থাকতে পারে। তবে এখনই বলা যাবে না। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওই লকার জব্দ করা হয়েছে।

  • ৫ দফা দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটরদের স্মারকলিপি প্রদান

    ৫ দফা দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটরদের স্মারকলিপি প্রদান

    ৫ দফা দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটরদের স্মারকলিপি প্রদান

    মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব অপারেটরদের পদবী পরিবর্তন ও বেতন বৈষম্য নিরসনসহ ৫ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর ফোরাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কমিটি। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপরে জেলা প্রশাসক চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কম্পিউটার ল্যাব অপারেটররা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুস সামাদ এর কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর জেলা কমিটির সভাপতি মিলন সাহা। সাধারণ সম্পাদক মোঃ মেহেরুজ্জামান টুটুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক উম্মেদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ মোঃ আনোয়ার হোসেন, সহ-কোষাধ্যক্ষ মোঃ রাকিবুল ইসলাম, তথ্য সম্প্রচার সম্পাদক মোঃ নূর নবী, মোঃ মেহেদী হাসান, আব্দুল কাদের জীলানিসহ অন্যরা।

    স্মারকলিপিতে বলা হয়, একই যোগ্যতায় কেউ কর্মকর্তা, আবার কেউ কর্মচারী হিসেবে চিহ্নিত হওয়া চরম বৈষম্যমূলক। যেমন-ডিপ্লোমা ইন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীরা বর্তমানে ল্যাব অপারেটর হিসেবে ১৬তম গ্রেডে কর্মরত থাকলেও, একই ডিগ্রিধারী আইসিটি শিক্ষক বা ট্রেড ইন্সট্রাক্টররা ১০ম গ্রেড পাচ্ছেন। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, পদবী কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর হলেও অনেক ক্ষেত্রে ল্যাব সম্পর্কিত কাজে সীমাবদ্ধ রাখা হয় না; বরং অন্যান্য কাজে ব্যবহারের কারণে ল্যাবের যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে। এতে সরকারের কোটি কোটি টাকার কম্পিউটার ও ল্যাপটপ অকেজো হয়ে পড়ছে। দাবিগুলো হচ্ছে, ১. সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণ। ২. এইচএসসি (বিজ্ঞান/আইসিটি) পাশদের প্রয়োজনে উচ্চ ডিগ্রি/প্রশিক্ষণের সুযোগ দিয়ে একই গ্রেডে পদায়ন। ৩. পদের নাম পরিবর্তন করে ‘কম্পিউটার ল্যাব ইন্সট্রাক্টর’ করা। ৪. ল্যাব পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।

    ৫. ভবিষ্যতে পদটি শুধুমাত্র ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য নির্ধারণ। স্মারকলিপিতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রজ্ঞাপন উদ্ধৃত করে বলা হয়, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের “উপসহকারী প্রকৌশলী” সমতুল্য মর্যাদা এবং ২য় শ্রেণীতে নিয়োগের বিধান আছে। তাই বিদ্যালয়ে কর্মরত কম্পিউটার ল্যাব অপারেটরদেরও সেই সুবিধা প্রদান জরুরি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কমিটি জানিয়েছে, প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার মানোন্নয়নে কম্পিউটার ল্যাবগুলোকে সচল ও কার্যকর রাখতে হলে পদবী পরিবর্তন, পদোন্নতি এবং বৈষম্য নিরসন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। উল্লেখ্য সারাদেশে সকল জেলায় এ কর্মসূচি পলিত হয়।

  • গাইবান্ধায় সরকারি চাল বিতরণে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ॥ তদন্ত শুরু

    গাইবান্ধায় সরকারি চাল বিতরণে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ॥ তদন্ত শুরু

    গাইবান্ধায় সরকারি চাল বিতরণে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ॥ তদন্ত শুরু

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কবীর হোসাইন জাহাঙ্গীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। সোমবার সন্ধায় ইউনিয়ন পরিষদে কার্যালয়ে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) আল-ইয়াসা রহমান তাপাদার তদন্ত করেন। এর আগে বিনা মূল্যে সরকারি চাল বিতরণে সুবিধাভোগিদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া ও বিতরণকৃত চাল ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠে। এনিয়ে কয়েকজন সুবিধাভোগি গত ২৩ জুন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন বরাবর অভিযোগ করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বেলা তিনটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত এই তদন্ত চলে। আগামি সাত কার্য দিবসের মধ্যে এ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া কথা রয়েছে। ওই লিখিত অভিযোগে সুবিধাভোগিরা তাদের নাম ও কার্ড নস্বর উল্লেখ করে সই করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ভিডব্লিউবি গত ডিসেম্বর মাসে চাল বিতরন শেষ হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার উপকার ভোগীদের মাঝে বিনামুল্যে একশ ৫০ কেজি করে আরো ছয় মাসের চাল উপহার হিসাবে দেন। কিন্তু চেয়ারম্যান ভিডব্লিউবির কার্ডধারী প্রত্যকের কাছ থেকে ১ হাজার করে টাকা নিয়ে চালের স্লিপ দেন। পরবর্তীতে সেই স্লিপে প্রত্যক্যে একশ ৫০ কেজি চালের পরিবর্তে প্রত্যেকে ১০ থেকে ১৫ কেজি পর্যন্ত কম দেয়। তাৎক্ষণিক ভাবে চাল কম দেওয়ার প্রতিবাদ করলে কার্ড বাতিল করবে বলে চেয়ারম্যানের লোকজন হুমকি দেয়। অভিযোগকারী মেনায়ারা বেগম বলেন, হরিনাথপুর ইউনিয়নে দুইশ ৪৪ জন ভিডব্লিউবির কার্ডধারি রয়েছে। তাদের প্রত্যেকের কাছ চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত স্লিপের মাধ্যমে ১ হাজার টাকা করে নেয়। সে হিসাবে দুই লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা আত্নসাৎ করেছে চেয়ারম্যান। এছাড়া সব সুবিধাভোগিকে ১৫ কেজি করে চাল কম দেওয়া হয়েছে। সে হিসাবে ৩ হাজার ৬৬০ কেজি চাল কম দেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যানের এসব অপকর্মের ভিডিও চিত্রও রয়েছে।

  • নবীগঞ্জে ‘কুটিশ্বর দাশ স্মৃতি সাহিত্য পরিষদ’র কমিটি গঠিত

    নবীগঞ্জে ‘কুটিশ্বর দাশ স্মৃতি সাহিত্য পরিষদ’র কমিটি গঠিত

    নবীগঞ্জে ‘কুটিশ্বর দাশ স্মৃতি সাহিত্য পরিষদ’র কমিটি গঠিত

    নবীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘কুটিশ্বর দাশ স্মৃতি সাহিত্য পরিষদ’-এর এক জরুরি সভায় নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নবীগঞ্জ থানা রোডের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি রত্নদীপ দাস রাজুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন-সহ-সভাপতি শংকর চন্দ্র পাল, প্রভাষ চন্দ্র দাশ টিটু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজেশ দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক লিকছন দাশ। সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শুভন দাশ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জগদীশ দাশ, শিক্ষা ও নারী বিষয়ক সম্পাদক রিমা চন্দ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সপ্তম দাশ প্রমুখ। সভায় বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। শংকর চন্দ্র পাল’কে সভাপতি, রাজেশ দাশ’কে সাধারণ সম্পাদক ও লিকছন দাশ’কে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করে দ্বিবার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়। সভায় আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং শারদীয় দুর্গা শারদীয় পূজা উপলক্ষে শারদ সংকলন ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ প্রকাশনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

  • ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা পেলেন ১২০ কর্মকর্তা

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা পেলেন ১২০ কর্মকর্তা

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা পেলেন ১২০ কর্মকর্তা

    আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় দায়িত্ব পালনের জন্য বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১২০ জন কর্মকর্তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষমতা দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ‘কোড অব ক্রিমিন্যাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’ অনুযায়ী এ কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকার ১১৩টি কেন্দ্রে এই বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতরে ও বাইরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের কন্ট্রোল রুমে দায়িত্ব পালনের জন্য সাতজন ম্যাজিস্ট্রেট অতিরিক্ত নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ দেওয়া নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় পিএসসিতে অনুষ্ঠিত ব্রিফিং সেমিনারে উপস্থিত হতে এবং ১৯ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টায় পিএসসি কার্যালয়ে রিপোর্ট করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।