Blog

  • রাজশাহী সাবেক জেলা রেজিস্টার আবুল কালাম আজাদ দুদকের মামলায় কারাগারে

    রাজশাহী সাবেক জেলা রেজিস্টার আবুল কালাম আজাদ দুদকের মামলায় কারাগারে

    রাজশাহী সাবেক জেলা রেজিস্টার আবুল কালাম আজাদ দুদকের মামলায় কারাগারে

    রাজশাহীর সাবেক জেলা রেজিস্ট্রার আবুল কালাম আজাদ কে দুদকের মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ২০২৩ সালে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ১ কোটি ২৮ লাখ ১২ হাজার ১৪৮ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলের অভিযোগ রয়েছে। আসামি আবুল কালাম আজাদের বাড়ি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার মিরপুর গ্রামে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার আসাদ অ্যাভিনিউয়ের ক্রিস্টাল ক্যাসেল নামের এক ভবনের নিজের ফ্লাটে বসবাস করেন। সম্পদ আত্মগোপনের দায়ে তার নামে মামলা দায়ের করেছিল দুদক। ওই মামলায় মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করে তার আইনজীবী। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুদকের রাজশাহীর পিপি অ্যাডভোকেট বজলে তৌহিদ আল হাসান বাদশা জানান, ২০২৩ সালের একুশে ডিসেম্বর জেলা রেজিস্টার এর বিরুদ্ধে ১৩ নম্বর মামলা হয়। মামলার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। আজ আদালতে আত্মসমর্পণ বা হাজিরা দিতে এলে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

  • প্রকৃতদের বাদ দিয়ে একজন ব্যক্তিকে গত ৫৪ বছর ধরে পূজা করা হয়েছে-নাহিদ ইসলাম

    প্রকৃতদের বাদ দিয়ে একজন ব্যক্তিকে গত ৫৪ বছর ধরে পূজা করা হয়েছে-নাহিদ ইসলাম

    টাঙ্গাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শেরে বাংলা ফজলুল হক, মাওলানা ভাসানীর মতো মহান রাজনৈতিক পুরুষ, যারা বাংলাদেশের স্থপতি। তাদেরকে বাদ দিয়ে জাতির পিতা শুধু একজনকে ঘোষণা করা হয়েছে। একজন ব্যক্তিকে গত ৫৪ বছর ধরে পূজা করা হয়েছে। কিন্তু মাওলানা ভাসানী না থাকলে শেখ মুজিব কখনই মুজিব হতে পারতো না। যে ৬৯ এর গনঅভূথানে আওয়ামীলীগ নের্তৃত্ব দিয়েছে। সেই গণঅভূথানের নেপথ্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন ভাসানী। তিনি দায়িত্বের রাজনীতির কথা বলেছিলেন। আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের প্রাণ-প্রকৃতির এবং আশেপাশের মানুষের দায়িত্ব নিতে হবে। সেই দায়িত্বের ভিত্তিতেই নতুন সমাজ ও নতুন দেশ গড়তে হবে। সেই নতুন বাংলাদেশের কথাই জাতীয় নাগরিক পার্টি বলে যাচ্ছে। আমরা কোন একজন জাতির পিতা নন, দেশে কয়েকজন জাতির পিতা রয়েছেন। তারমধ্যে অন্যতম ভাসানী। তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশে কৃষকরা ন্যায্য অধিকার পায় না। বীজ ও সারের দাম বেড়েছে। সরকার থেকে ভতুকি পাওয়া যায় না। আমরা কৃষকদের ন্যায্য অধিকার আদায় করবো। রংপুরে যারা সাম্প্রাদায়িকতা ছড়াচ্ছে, তাদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ও লুটপাট করার। এটা শুরু করেছিল আওয়ামীলীগ। তারা সংখ্যালুগুদের জমি দখলসহ নানা লুটপাট কাজ করেছে। তাই রংপুরে যারা সাম্প্রাদায়িকতা ছড়াচ্ছে, তাদের বিচার করতে হবে এবং যে ধর্ম অবমাননা করেছে, তারও বিচার করতে হবে। টাঙ্গাইলে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা শেষে মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় শহীদ মিনারে এক পথ সভায় প্রধান হিসেবে তিনি এ কথা বলেন। অন্যদিকে, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, আমরা স্পষ্ট করে পুলিশ ও প্রশাসনকে বলতে চাই যে, ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে প্রশাসন ও পুলিশকে, অন্যান্য বাহিনীকে বাংলাদেশের জন্য দেখতে চাই। বাংলাদেশের মানুষের জন্য দেখতে চাই। আমরা অন্য দল, ব্যক্তির জন্য, গোষ্টির জন্য প্রশাসনকে আর ব্যবহার হতে দেখতে চাই না। আমরা স্পষ্ট করে আর একটা কথা বলি যে, আগামীর বাংলাদেশেও কোন মিডিয়াকে কোন ব্যক্তি, গোষ্টি, দলের দালাল হিসেবে দেখতে চাই না। এই মিডিয়া যেন কোন ব্যক্তি বা দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য চাপিয়ে দেয়া না হয়। তিনি বলেন, একজন ব্যক্তির ব্যক্তি পূজা করে ইতিহাসের অন্যান্য সকল গুরুত্বপূর্ণ অংশকে বিলুপ্ত করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশে পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা হবে বাংলাদেশের। বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি হচ্ছে। চাঁদাবাজদের একটাই পরিচয় তারা চাঁদাবাজ। সমাবেশে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্নসদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, সিনিয়র সদস্যসচিব সারোয়ার নিভা, ডা. তাজনুভা জাবিন পদযাত্রায় অংশ নেয়। টাঙ্গাইলে জুলাই পদযাত্রার ২৯তম দিনে আজ দুপুরে শহরের জেলা সদর শামছুল হক তোরণ থেকে পদযাত্রা শেষে নিরালা মোড়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পথসভায় বক্তব্যে এ সব কথা বলেন। পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন দলের মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের সংগঠক আজাদ খান ভাসানীসহ অনেকে। জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা পুনর্জাগরণ, বিচার ও সংস্কারের লক্ষ্যে গণমানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে টাঙ্গাইলে আজ জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরে অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতারণা মামলায় আ’লীগ নেতা হাম্মাদ গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতারণা মামলায় আ’লীগ নেতা হাম্মাদ গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রতারণা মামলায় আ’লীগ নেতা হাম্মাদ গ্রেফতার

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান হাম্মাদ আলীকে একটি চেক প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত হাম্মাদ আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরএলাকার বড়ইন্দারা মহল্লার মৃত রাজ্জাক আলীর ছেলে ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব রুহুল আমীনের লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান হিসেবে খ্যাত। সোমবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে একটি প্রতারণার মামলায় তাকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রতারণার মামলাটি দায়ের করেন জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মতিউর রহমান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিএনপি নেতা মোঃ রফিকুল ইসলামের দায়ের করা একটি প্রতারণার মামলায় হাম্মাদ আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এব্যাপারে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, আওয়ামীলীগ সরকারের সময় ৫৮লাখ টাকা মূল্যের জমিজমা কেনাকে কেন্দ্র করে তাকে বায়না হিসেবে চেক দেয়া হয়। পরে তাকে নগদ টাকা পরিশোধ করা হলেও তিনি আজ কাল করে কালক্ষেপন করে আজও চেকগুলো ফেরত দেননি। একপর্যায়ে তিনি আমাকে আওয়ামীলীগের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতিও দেখান। তিনি আরও বলেন, গত ৫ আগষ্ট স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর পট পরিবর্তন হলে তাকে বিভিন্নভাবে চেকগুলো ফেরত দিতে বলা হলেও তিনি চেক না দিয়ে টালবাহান করতে থাকেন। পরিপ্রেক্ষিতে তিনি থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য, গত ৮ মে রাতে হাম্মাদ আলীকে একটি লুটপাটের মামলায় গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে তিনি আদালত থেকে জামিন পান।

  • দিনাজপুরে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার সমাপনী

    দিনাজপুরে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার সমাপনী

    ‘পরিকল্পিত ববনায়ন করি-সবুজ বাংলাদেশ গড়ি’-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে দিনাজপুরে আয়োজিত ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষ মেলার সমাপ্তি ঘটেছে। দিনাজপুর ঐতিহাসিক গোড়-এ-শহীদ বড় ময়দানে জেলা প্রশাসন ও সামাজিক বন বিভাগ দিনাজপুরের আয়োজনে দশ দিনব্যাপী দিনাজপুর জেলা বৃক্ষরোপন অভিযান এবং বৃক্ষমেলা-২০২৫ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্টিত হয়েছে। বৃক্ষ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এস এম হাবিবুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার হোসেন, বীরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ডক্টর মাসুদুল হক, বিএডিসি দিনাজপুরের উপ-পরিচালক ডক্টর মোঃ সুলতানুল আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোখলেছুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সামাজিক বন বিভাগ দিনাজপুরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও বৃক্ষরোপণ অভিযান এবং বৃক্ষমেলা-২০২৫ এর সদস্য সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন বন বিভাগের সহকারী সংরক্ষক বেগম নুরুন্নাহার। এরপর মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন স্টল সমূহের মধ্যে সনদপত্র প্রদান করা হয় এবং তিনটি স্টলকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার করায় তিনজনকে ক্রেস্ট দেওয়া হয়। শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

  • নাটোরের বাগাতিপাড়ায় কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান

    নাটোরের বাগাতিপাড়ায় কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান

    নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২৮ জুলাই) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারী ইন্সটিটিউশন স্কিম এর আওতায় জেলা শিক্ষা অফিস ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ আয়োজনে বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২২ ও ২০২৩ সালের এসএসসি ও এইচএসসির ৩৯ জনকে কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের উপ-পরিচালক (কলেজ) প্রফেসর উমর ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের সহকারী পরিচালক (কলেজ) মোঃ আলমাছ উদ্দিন, জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রোস্তম আলী হেলালী, সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার সুভাষ কুমার মন্ডল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অঃ দাঃ) মোঃ ওয়াজেদ আলী মৃধা ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি প্রভাষক আরিফুল ইসলাম তপু। এছাড়াও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ সালাহ্ উদ্দিন ডলারের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন অভিভাবক খন্দকার মখলেসুর রহমান এবং শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান লিমা।

  • পোরশায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা

    পোরশায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা

    নওগাঁর পোরশা উপজেলায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাকিবুল ইসলাম। সভায় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ, থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহমুদুল হক টিটু,নিতপুর বিওপি ক্যাম কমান্ডার মাহ্ফুজ রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও একই স্থানে ইউএনও মো. রাকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ, নারী ও শিশু নির্যাতন ও পাচার রোধ, চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবং সর্বজনীন জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত বিষয়ক পৃথক সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

  • লন্ডনে স্মারকগ্রন্থ ‘কালের অভিজ্ঞান’-এর মোড়ক উন্মোচন

    লন্ডনে স্মারকগ্রন্থ ‘কালের অভিজ্ঞান’-এর মোড়ক উন্মোচন

    সার্কেল পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ও সরপঞ্চ বিষয়ক

    লন্ডনে স্মারকগ্রন্থ ‘কালের অভিজ্ঞান’-এর মোড়ক উন্মোচন

    ব্রিটিশ শাসনামলের বৃহত্তর শ্রীহট্ট/সিলেট জেলার (বর্তমান সিলেট বিভাগ) স্থানীয় সরকারের সার্কেল পঞ্চায়েত ব্যবস্থা ও সরপঞ্চ পদ্ধতি এবং নবীগঞ্জ থানার ৩৯নং সার্কেল পঞ্চায়েতের সহোদর সরপঞ্চ, ব্রিটিশ বিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের স্থানীয় সংগঠক এবং এককালের সামাজিক-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শ্রীমান সনাতন দাস ও শ্রীমান দীননাথ দাস স্মারকগ্রন্থ কালের অভিজ্ঞান-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান হয়েছে। সোমবার (২৮ জুলাই) লন্ডন সময় সন্ধ্যা ৬.০০ ঘটিকায় পূর্বলন্ডনের ভ্যালেন্সরোডের বাংলার স্বাদ রেষ্টেুরেন্টে সাংবাদিক-গবেষক মতিয়ার চৌধুরী প্রমুখ সম্পাদিত কালের অভিজ্ঞান গ্রন্থের সম্পাদনা পর্ষদের সদস্য লেখক-গবেষক শাহ আতিকুল হক কামলীর সভাপতিত্বে মোড়ক উম্মোচন অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ল এ্যালমনাই এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লেখক-গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান গৌস সুলতান। মূল আলোচক হিসেবে ছিলেন গবেষক ও বহুগ্রন্থ প্রণেতা ফারুক আহমদ, লেখক ও ইতিহাস বিষয়ক গবেষক ডা. গিয়াস উদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ থেকে আগত কবি হাসিবা মুন। ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি ড. আনসার আহমেদ উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্টানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্রন্থের সম্পাদক সাংবাদিক-গবেষক মতিয়ার চৌধুরী।

    গ্রন্থ থেকে সরপঞ্চ অধ্যায়ের উপর পাঠ করেন-বাচিক শিল্পী ও সংবাদ পাঠিকা মুনিরা পারভিন, ঢাকা বিভাগের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সীর শ্রীহট্টের রাজস্ব জিলা ও পরগনা অধ্যায় থেকে পাঠ করেন কবি ও সাংস্কৃতিক কর্মি স্মৃতি আজাদ, গ্রন্থের সম্পাদকীয় অধ্যায় থেকে আলোকপাত করেন সম্পাদনা পর্ষদের সদস্য সাংবাদিক ও কবি মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া। গ্রন্থের উপর অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন-টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সাবেক মেয়র আকিকুর রহমান, রাজনীতিবিদ শাহ জাহান আহমদ, ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সেক্রেটারী ও টিভি উপস্থাপক মিজানুর রহমান মিরু, স্বদেশ বিদেশ সম্পাদক সাংবাদিক বাতিরুল হক সরদার, তরুন গবেষক দেলওয়ার রহমান চৌধুরী, কবি এ্যাডভোকেট মুজিবুল হক মনি, লন্ডনে রাধারমণ উৎসবের প্রবর্তক সাবেক ফুটবলার জোবায়ের আহমদ হামজা, লন্ডনে দীগলবাক ইউনিয়ন ডেভল্যাপমেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা এম. এ. মতিন, ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির ফাউন্ডার সভাপতি অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সাহেদ রহমান, সাংবাদিক কবি আজিজুল আম্বিয়া, সাংবাদিক কামরুল আই রাসেল, সাংবাদিক সেজু মিয়া, নারী নেত্রী আনজুমান আরা আঞ্জু, এডভোকেট সফিক উদ্দিন আহমদ, কবি নোমান আহমদ, হামজা রহমান,

    মাজিদুর চৌধুরী প্রমুখ। গবেষণা মূলক গ্রন্থটি মোগল আমল থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমলের ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত সিলেট বিভাগের স্থানীয় সরকারের সার্কেল পদ্ধতির উপর রচিত। এতে সিলেট বিভাগের মোট ১২০জন সরপঞ্চ ও সহকারী সরপঞ্চের সংক্ষিপ্ত বিবরন তুলে ধরা হয়েছে। এতে আরো উঠে এসেছে প্রাচীন আমলে সিলেট অঞ্চলের পরগনা সমূহের বিবরণ ও মোগল আমলের সিলেটের দশটি রাজস্ব জেলার বিবরণ ও সীমানা। আলোচকরা বলেন-গ্রন্থে বৃহত্তর সিলেটের স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সার্কেল পদ্ধতি ও সরপঞ্চ বিষয়ক ইতিহাস এবং মোগল, ব্রিটিশ শাসনামলের অনেক অজানা অধ্যায় উঠে এসেছে। গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন-প্রবীণ সাংবাদিক ও গবেষক মতিয়ার চৌধুরী, সম্পদনা পর্ষদের সদস্যরা হলেন-লেখক সাংবাদিক শাহ আতিকুল হক কামালী, কবি সাংবাদিক মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, লেখক গবেষক সামসুল আমিন, সংগঠক জার্নেল চৌধুরী, সাংবাদিক গীতিকার মুজিবুর রহমান মুজিব, লেখক গবেষক রত্নদীপ দাস রাজু।

    এতে লিখেছেন-সিলেটের প্রবীণ সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক সিলেট জেলা প্রেসক্লাব ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট এ্যাসোসিয়েশন ইমজা‘র সাবেক সভাপতি আল আজাদ, প্রকৌশলী ও বহুগ্রন্থ প্রণেতা শ্রীচৈতন্য গবেষণা কেন্দ্রের সম্পাদক মনোজ বিকাশ দেবরায়, সিলেটের শতবর্ষী ব্যক্তিত্ব মুকুন্দ্র চন্দ্র দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র চন্দ্র দাস, কবি গল্পকার ও শিশু সাহিত্যিক পৃথৃীশ চক্রবর্তি। গ্রন্থের ভূমিকা লিখেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ড. শরদিন্দু ভট্টাচার্য। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে সিলেটের স্বনাম খ্যাত প্রকাশনী গাঁঙুড় প্রকাশন, প্রকাশক অসীম সরকার।

  • ভালুকায় এসইডিপি’র পুরস্কার বিতরণ

    ভালুকায় এসইডিপি’র পুরস্কার বিতরণ

    ময়মনসিংহের ভালুকায় এসইডিপি’র পুরস্কার বিতরন। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস (এসইডিপি) পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে সোমবার বিকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম সোহাগের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার মোহছিনা খাতুন। সোমবার (২৮ জুলাই) অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সংযুক্ত কর্মকর্তা (মহাপরিচালকের দপ্তর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, সহকারী অধ্যাপক ড. হারিছ উদ্দিন, জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরির্দশক লাভলী আক্তার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তফা কামাল, এ্যপোলো ইনস্টিটিউট এর অধ্যক্ষ এর আর এম শামছুর রহমান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি নাজমুল হক প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের ২০২২-২০২৩ সনের ৩১ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানের অতিথিগণ কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে ক্রেষ্ট ও সনদপত্র তুলে দেন।

  • পত্নীতলায় এস.এস.সি কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ

    পত্নীতলায় এস.এস.সি কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ

    নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইন্সটিটিউশনস স্কিম (এসইডিপি) এর আওতায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগে ৪০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন নওগাঁ জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোরশেদুল আলম সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আলীমুজ্জামান মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচি (এইচ এস পি) সহকারী পরিচালক তৌফিক এরফান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, নজিপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মতিউর রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রকৌশলী সন্তজ কুমার, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আশীশ কুমার দেবনাথ, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রল্লাদ কুমার কুন্ডু, উপজেলা কৃষি অফিসার সোহারাব হোসেন, উপজেলা ইউআইটিআরসিই সহকারী প্রোগ্রামার শামছ-ই-তাবরিজ ও বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা ও কলেজ থেকে আগত প্রায় শতাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ১০ হাজার টাকা এবং এইচএসসি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ২৫ হাজার টাকা করে মোট ৪০ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে তাদের শিক্ষাজীবনে উত্তম ফলাফল ও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে। যারা আজ পুরস্কার পেয়েছে, তারা শুধু নিজেদের নয় বরং পরিবার, প্রতিষ্ঠান ও সমাজের গর্ব। সরকারের এই ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে, পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে সহায়তা করে। আমরা আশা করি এই পুরস্কার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফলের জন্য অনুপ্রেরণা জোগাবে।

  • বৃত্তি পরীক্ষায় সুযোগ বঞ্চিত! কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে উত্তাল আন্দোলন

    বৃত্তি পরীক্ষায় সুযোগ বঞ্চিত! কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে উত্তাল আন্দোলন

    শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

    বৃত্তি পরীক্ষায় সুযোগ বঞ্চিত! কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে উত্তাল আন্দোলন

    প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দাবিতে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষক-অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সোমবার সকাল ১০টায় এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে দেখা গেছে বিভিন্ন স্লোগানের প্লেকার্ড এবং শিক্ষার্থীরা ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত হওয়া আবু সাঈদ মুগ্ধ কে স্মরণ করে তাদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য স্লোগান দেয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন,

    “আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যৎ। কিন্ডারগার্টেন স্কুলে অধ্যয়নরত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়ে সরকার শিশুদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে।” তারা উল্লেখ করেন, দেশে প্রায় ৬০ হাজার কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ১ কোটি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে এবং শহরাঞ্চলের ৬০-৭০ শতাংশ শিশুই এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছে। বক্তারা আরও জানান, ১৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি পরিপত্রে পুনরায় চালু হওয়া বৃত্তি পরীক্ষায় শুধুমাত্র সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে,

    যা কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের প্রতি স্পষ্ট বৈষম্যের বহিঃপ্রকাশ। অথচ ২০০৯ সাল থেকে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীরাও সমাপনী পরীক্ষার মাধ্যমে বৃত্তির জন্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সাফল্যের নজির রেখেছে।মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, শিক্ষা কোনো শ্রেণি বিভাজনের বিষয় নয়, এটি সকল শিশুর মৌলিক অধিকার। তারা বলেন, “বৈষম্য বিরোধী সরকার ক্ষমতায় থেকেও যদি শিশুদের এমন বৈষম্যের মধ্যে ফেলেন, তবে তা সরকারের নীতির সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। “পরিশেষে তারা স্মারকলিপির মাধ্যমে চলতি বছর থেকেই বৃত্তি পরীক্ষাসহ প্রাথমিক শিক্ষার সকল কার্যক্রমে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান এবং সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষেও হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

    প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দাবি জানিয়ে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের ইম্পেরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থীর অভিভাবক প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম, শিক্ষার্থী মোসাঃ ফাতেমা জামান ও মোসাঃ হাসিবা খাতুন, অভিভাবক মোসাঃ উম্মে রায়হান। প্যারামাউন্ট স্টান্ডার্ড স্কুলের শিক্ষার্থী মোঃ আব্দুর রহমান। প্রায় ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধন চলে এবং শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মরক লিপি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা।