Blog

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ আটক-২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ আটক-২

    চাঁপাইনবাবগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ আটক-২

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে ফেন্সিডিল ও গাঁজাসহ ২ জনকে আটক করেছে র‌্যাব ৫ এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। আটককৃতরা হচ্ছে, জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বাররশিয়া গ্রামের মোঃ তরিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ সোহেল রানা (২৬) এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়া ইউনিয়নের লক্ষীপুর বানঝাপাডার মোঃ রাকিব আলী (৪৩)। র‌্যাবের পৃথক প্রেসনোটে জানানো হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্প এর একটি অপারেশন দল ২৭ জুলাই বিকেল ৬টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় ৯৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সোহেল রানা কে গ্রেফতার করে। অন্যদিকে,

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন লক্ষীপুর কামারপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর হতে ৩৮০ গ্রাম গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রাকিব আলী কে গ্রেফতার করা হয়। ২৭ জুলাই সন্ধ্যা রাত সোয়া ৭টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৩৮০ গ্রাম গাঁজাসহ মোঃ রাকিব কে আটক করে র‌্যাব সদস্যরা। পৃথক ঘটনায় পৃথকভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর মাডেল থানা ও শিবগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়েছে।

  • চাঁপাইনবাবগঞ্জের মুসলিম স্থাপত্য কীর্তি সেই দারসবাড়ী মসজিদ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের মুসলিম স্থাপত্য কীর্তি সেই দারসবাড়ী মসজিদ

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের মুসলিম স্থাপত্য কীর্তি সেই দারসবাড়ী মসজিদ

    মুসলিম স্থাপত্যের কীর্তির একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন সেই দারসবাড়ী মসজিদ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহাসিক ছোট সোনামসজিদ ও কোতোয়ালী দরজার মধ্যবর্তী স্থানে ওমরপুরের সন্নিকটে দারসবাড়ী অবস্থিত। ঐতিহাসিক অনুসন্ধানের সময় মুনশী এলাহী বখশ কর্তৃক আবিষ্কৃত একটি আরবী শিলালিপি অনুযায়ী (লিপি-দৈর্ঘ্য ১১ ফুট ৩ ইঞ্চি, প্রস্থ ২ ফুট ১ ইঞ্চি) ১৪৭৯ খ্রিস্টাব্দে (হিজরী ৮৮৪) সুলতান শামসউদ্দীন ইউসুফ শাহের রাজত্বকালে তাঁরই আদেশক্রমে এই মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়। ইট নির্মিত এই মসজিদের অভ্যন্তরের আয়তক্ষেত্র দুই অংশে বিভক্ত। এর আয়তন ৯৯ ফুট ৫ ইঞ্চি, প্রন্থ ৩৪ ফুট ৯ ইঞ্চি। পূর্ব পার্শ্বে একটি বারান্দা, যা ১০ ফুট ৭ ইঞ্চি। বারান্দার খিলানে ৭টি প্রস্তুদের উপরের ৬টি ক্ষুদ্রাকৃতি গম্বুজ এবং মধ্যবর্তীটি অপেক্ষাকৃত বড় ছিল। গম্বুজের চিহ্নাবশেষ রয়েছে। উত্তর দক্ষিণে ৩টি করে জানালা ছিল। উত্তর পশ্চিম কোণে মহিলাদের নামাজের জন্য প্রস্তর স্তম্ভের উপর একটি ছাদ ছিল। এর পরিচয় স্বরূপ এখনও একটি মেহরাব রয়েছে। এতদ্ব্যতীত পশ্চিম দেয়ালে পাশাপাশি ৩টি করে ৯টি কারুকার্য খচিত মেহরাব বর্তমান রয়েছে। এই মসজিদের চারপার্শ্বে দেয়াল ও কয়েকটি প্রস্তম্বের মূলদেশ ব্যতীত আর নেই। এদিকে, জেনারেল ক্যানিংহাম তার নিজের ভাষ্যতে একে দারসবাড়ী বাকলেজ বলেছেন। এ ঐতিহাসিক কীর্তির মাত্র কয়েক গজ দূরে ভারতীয় সীমান্ত। দারসবাড়ী মসজিদের প্রস্তর লিপিঃ ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে এ স্থানে একটি জঞ্জাল রূপের নিচে মুন্সী এলাহী বখশ ১১ ফুট ৩ ইঞ্চি ও ২ ফুট ১ ইঞ্চি উঁচু একটি তোঘরা লিপি প্রাপ্ত হন। এটা এখন কলকাতা যাদুঘরে রক্ষিত আছে এর নম্বর-৩১৩৯ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। লিপিটির বিপুল দৈর্ঘ্যের কারণে একে দু’ভাগ করতে হয়েছে। অর্থ হচ্ছে-‘সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেন-নিশ্চয়ই সব মসজিদ আল্লাহর, সুতরাং আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করো না।’ কালের বিবর্তণে আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক সুসজ্জিত মসজিদ নির্মাণ হলেও ‘দারসবাড়ী মসজিদ’ দেখতে এখনো অনেক মানুষ ভীড় জমায়। দারসবাড়ী মসজিদ টি দর্শনার্থীদের জন্য রক্ষনাবেক্ষন প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশিষ্টজনেরা।

  • গোমস্তাপুরে জুলাই পুনর্জাগরনে সমাজগঠনে লাখো কন্ঠে শপথ পাঠ

    গোমস্তাপুরে জুলাই পুনর্জাগরনে সমাজগঠনে লাখো কন্ঠে শপথ পাঠ

    গোমস্তাপুরে জুলাই পুনর্জাগরনে সমাজগঠনে লাখো কন্ঠে শপথ পাঠ

    গোমস্তাপুরে জুলাই পুনর্জাগরনে সমাজগঠনে লাখো কন্ঠে শপথ পাঠ (ভার্চুয়াল) সামাজিক নিরাপত্তা, নারী ও শিশুর সুরক্ষা এবং সাম্যতার মানবিক দর্শন বিষয়ক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ও উপজেলা মহিলাবিযয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহযোগিতায় শনিবার (২৬ জুলাই) উপজেলা সভা কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মহিলা বিযয়ক অফিসার পঙ্কজ কুমার দাস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির মুন্সি। বক্তব্য রাখেন, প্রসাদপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আঃ হাই সিদ্দিকী কামাল, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার রাইসুল ইসলাম,পার্বতীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, রাধানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজম, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সমন্বয়ক রাসেল আলী, জুলাই কন্যা উম্মে হাবিবা প্রমুখ। আলোচনা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

  • রংপুরে সড়ক সংস্কারে অনিয়ম ॥ ধরা পড়লো সেনা কর্মকর্তার কাছে-সদুত্তর নেই প্রকৌশলীর

    রংপুরে সড়ক সংস্কারে অনিয়ম ॥ ধরা পড়লো সেনা কর্মকর্তার কাছে-সদুত্তর নেই প্রকৌশলীর

    রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের সংস্কার কাজ ডিবিএসটি চলছে। রাস্তার কাজে অনিয়মের বিষয়টি ধরা পড়ে রংপুর সেনানিবাসের ৬৬ ডিভিশনের লেফট্যানেন্ট নাজমুলের চোখে। তিনি অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান। জানা গেছে, গত বুধবার দুপুরে রংপুর সেনানিবাসের ৬৬ ডিভিশনের একটি নিয়মিত টহল দল লেফট্যানেন্ট নাজমুলের নেতৃত্বে তারাগঞ্জ থেকে রংপুর সেনানিবাসে ফিরছিলেন। মন্থনা নামক স্থানে তারা হঠাৎ কৌতূহল বশত মহাসড়কের সংস্কার কাজ ডিবিএসটি পরিদর্শনে নেমে পড়েন। প্রকল্পের ডিপিপি অনুযায়ী নির্ধারিত পরিমাণ পাথর ব্যবহার না করে প্রতি স্কয়ার ফিটে ২৪ কেজির স্থানে ১৯ কেজি দেয়া হচ্ছে। ৫ কেজি পাথর কম দেয়া হচ্ছে, বিষয়টির সত্যতা পেয়ে যান সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত টহল দলটি। খবর পেয়ে ছুটে আসেন সাংবাদিকরাও। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান। রাস্তা সংস্কারে কেন এরকম অনিয়ম? সেনা কর্মকর্তার এমন প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর দিতে পারেননি তিনি। রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কের রংপুর চাকঘর থেকে তারাগঞ্জের চিকলী বাজার পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারে ডিবিএসটি ও পাগলাপীর বন্দরে রিজিড পেভমেন্ট করার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ পায় রাজশাহীর ঠিকাদার ডন এন্টারপ্রাইজ। বরাদ্দ ছিল ২৬ কোটি ৮৯ লাখ ৫৯ হাজার ৯৪৬ টাকা। ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি কাজটি পায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। পূর্বপরিচিত ডন এন্টারপ্রাইজ কাজটি পাওয়ায় জয়পুরহাট সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে রংপুরে বদলী হয়ে আসেন নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান। পূর্ব পরিচিত ডন এন্টারপ্রাইজের সাথে মিলেমিশে লুটপাটের উৎসবে মতে উঠেন তিনি। এরই মধ্যে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের ইশারায় অনিয়ম করেই ১০ কিলোমিটার সড়কে ডিবিএসটি শেষ করেছেন। সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল দলটি অনিয়ম ধরতে না পারলে অনিয়মের মধ্যেই শেষ হতো প্রকল্পটি এমনটি জানিয়েছে স্থানীয় জনগণ। এদিকে, পাগলাপীর বন্দরের রিজিড পেভমেন্ট করার কাজটি চলছে জোড়াতালি দিয়ে। সেখানে রড, সিমেন্ট ও বালু পরিমাপ মতো দেয়া হচ্ছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। বিষয়টি তদন্ত করার দাবিও জানান স্থানীয়রা। অন্যদিকে, ডন এন্টারপ্রাইজের প্রজেক্ট ম্যানেজার শাহিনুর রহমান সেনা কর্মকর্তা, নির্বাহী প্রকৌশলী ও জনগণের সামনে স্পষ্ট ভাষায় স্বীকার করে বলেছেন, প্রতি স্কয়ার ফিটে পাথর কম দেয়া হচ্ছে। বেশি জায়গা না, ৮০০ মিটারে ৫ কেজি করে পাথর কম দেয়া হয়েছে। আমরা এটা আবার রিপায়ার করে দিব। স্থানীয় জনগণের দাবি, সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ কামাল পাশা, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আবু হেনা উপস্থিতি থাকার পরও কী ভাবে সংস্কার কাজে অনিয়ম হয়? রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের প্রচ্ছন্ন নির্দেশনায় সড়ক সংস্কার কাজে অনিয়ম হচ্ছে। অনিয়ম করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ডন এন্টারপ্রাইজের কাছ থেকে মোটা অংকের সুবিধা নেয়ার কৌশল করেছেন রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান। তবে এব্যাপারে রংপুর সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ডিজাইনে ছিল ২৩ কেজি, সেখানে ১৮ কেজি পেয়েছে। আমাদের দেখভাল করার লোকজন রয়েছে। যেহেতু দীর্ঘ একটা এরিয়া, কমবেশি হতে পারে। সেটা অবশ্যই আমরা ঠিক করে দিব। দরপত্র মোতাবেক সঠিকভাবে কাজ বুঝে নেয়া হবে।

  • লালপুরে ‘অতি দরিদ্র মহিলা ভাতা’র তালিকায় আ’লীগ-ছাত্রলীগসহ বিত্তবানরা-ব্যাপক সমালোচনা

    লালপুরে ‘অতি দরিদ্র মহিলা ভাতা’র তালিকায় আ’লীগ-ছাত্রলীগসহ বিত্তবানরা-ব্যাপক সমালোচনা

    নাটোরের লালপুরে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের ‘অতি দরিদ্র মহিলা ভাতা’ (ভিডব্লিউবি) কর্মসূচির ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উপকারভোগী তালিকায় শতকরা ৬০% এর অধিক বিত্তবান ব্যক্তিদের নাম উঠে আসায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তালিকায় দেখা গেছে, আওয়ামীলীগ নেতা, বিএনপি নেতা ও ছাত্রলীগের প্রভাবশালী নেতাদের স্বজনদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরেজমিনে জানা গেছে, লালপুর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে দরিদ্র মহিলাদের নাম বাদ দিয়ে বিএনপি আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের বিত্তবান আত্মীয় স্বজনদের নাম নির্বাচিত হয়েছে তালিকায়। তালিকা থেকে ব্যাপকভাবে বঞ্চিত হচ্ছে হতদরিদ্র অসহায় গরিব মানুষ। উপজেলা পরিষদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, আড়বাব ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা শাহিনুল ইসলামের স্ত্রী আয়েশা আক্তার, লালপুর সদর ইউনিয়নের ছাত্রলীগ নেতা রায়হান আলীর স্ত্রী মিম খাতুন, যাঁদের পরিবার আর্থিকভাবে সচ্ছল, তাঁদের নামও উপকারভোগীদের তালিকায় রয়েছে। রায়হান আলীর দুইতলা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও তাঁর স্ত্রীকে ‘অতি দরিদ্র মহিলা ভাতা’ প্রদানের ঘটনা স্থানীয়দের ক্ষোভের কারণ হয়েছে। একইভাবে বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রফিকুল মালিথার স্ত্রী ফাইমা খাতুন এবং লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও আড়বাব ইউনিয়নের ইউপি সদস্য এখলাসুজ্জামান জুম্মার স্ত্রী শ্যামলী বেগমের নামও তালিকায় রয়েছে। কদিমচিলান ইউনিয়ন ওয়ালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির প্রভাবশালী নেতা কর্মিদের নাম নির্বাচিত হয়েছে তালিকায়। এ বিষয়ে বিএনপি নেতা শাহিনুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা ইউনিয়নে মাত্র পাঁচটি কার্ড পেয়েছি। দরিদ্র অনেকে বাদ পড়েছে। আমি চালের কার্ডটা স্ত্রীর নামে করে নিয়েছি, যেন চাল এনে অন্য গরিবদের মধ্যে ভাগ করে দিতে পারি। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, সরকারি ভাতার ক্ষেত্রে যদি ব্যক্তিগত সদিচ্ছা চালু হয়, তবে উপকারভোগী বাছাইয়ের মানে অর্থহীন। লালপুর উপজেলা প্রশাসন ভিডব্লিউবি ভাতাভোগীদের তালিকা উন্মুক্ত করেছে। গত ১৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে তালিকাটি উপজেলা অফিস প্রাঙ্গণে টানানো ও সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, উপকারভোগীর যোগ্যতা নিয়ে আপত্তি থাকলে ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করতে হবে। উল্লেখ্য, ‘অতি দরিদ্র মহিলা ভাতা’ বা ভিডব্লিউবি কর্মসূচি মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের একটি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প। এর মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল, স্বামীহীন, প্রতিবন্ধী ও খাদ্যনিরাপত্তাহীন নারীদের নির্দিষ্ট সময় অন্তর খাদ্যশস্য বা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। তবে এবার তালিকায় বিত্তবান ও প্রভাবশালীদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, প্রকৃত দরিদ্ররা ভাতা থেকে বঞ্চিত হলেও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিত্তবানরা গরিবের হক আত্মসাৎ করছেন। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ নিয়ে কেউ আপত্তি জানাতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অথবা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভাতাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ‘অতি দরিদ্র’ মহিলাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তার চিত্র ভিন্ন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে হতাশা বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে এসব অনিয়ম তদন্ত করে প্রকৃত দরিদ্রদের ভাতার আওতায় আনা হোক। এ বিষয়ে লালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান প্রতিবেদককে বলেন, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, যদি তালিকার কোনভাবে বিত্তবানদের নাম এসে থাকে, তাদের নাম বাদ দিয়ে দেয়া হবে। প্রকৃত দরিদ্ররা ভাতা থেকে বঞ্চিত যেনো না হয় সেদিক থেকে কঠোর নজর রাখা হচ্ছে।

  • শিবগঞ্জের সত্রাজিতপুরে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প

    শিবগঞ্জের সত্রাজিতপুরে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প

    শিবগঞ্জের সত্রাজিতপুরে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সত্রাজিতপুর ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় দিনব্যাপী ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ চ্যারিটি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পে গায়নী, মেডিসিন ও চক্ষু চিকিৎসা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়।

    দিনব্যাপী চলে নানা চিকিৎসা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার রবিউল আউয়াল। প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন মাওলানা মোঃ বাবুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক শামসুল আলম। ক্যাম্পের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও সংগঠক আজমাল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বাদল ও মোঃ আকমাল হোসেনসহ অন্যরা। ক্যাম্পে কয়েক’শ রোগী চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ক্যাম্পটি সফলভাবে শেষ হয়।

  • ৩ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৭২ ॥ গণপিটুনিতে ১৯

    ৩ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৭২ ॥ গণপিটুনিতে ১৯

    চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সারা দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় কমপক্ষে ৭২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১ হাজার ৬৭৭ জন। এ সময় ১৯ জন গণপিটুনির শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ এর ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। সারা দেশ থেকে অধিকার এর মানবাধিকারকর্মীদের পাঠানো তথ্য এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতায় কমপক্ষে ৭২ জন নিহত এবং ১ হাজার ৬৭৭ জন আহত হন। এই তিন মাসে বিএনপির ১০৫টি আর আওয়ামীলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ৪টি অভ্যন্তরীণ সংঘাতের ঘটনা ঘটে। বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘাতে ১৯ জন নিহত ও ৯৭৩ জন আহত হয়েছেন। আর আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীণ সংঘাতে ২ জন নিহত ও ২৪ জন আহত হয়েছেন। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার যৌথ বাহিনী গঠন করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। কিন্তু এই সময়েও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে যুক্ত হওয়া এবং নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত আটজন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন পুলিশ, একজন র‌্যাব, একজন কোস্টগার্ড এবং একজন যৌথ বাহিনীর হাতে হত্যার শিকার হন। গণপিটুনি ও সহিংসতার বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত তিন মাসে উচ্ছৃঙ্খল জনতার মাধ্যমে দলবদ্ধভাবে বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতার সৃষ্টি করে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা গেছে। বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে পুলিশের সক্ষমতার অভাবে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে ১৯ জন গণপিটুনির শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন। কারাগার পরিস্থিতি ও বন্দীদের মানবাধিকারের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের সব কটি কারাগারের ধারণক্ষমতার বেশি বন্দী রয়েছে। এই সময়ে চট্টগ্রাম কারাগারে ধারণক্ষমতার তিন গুণ বেশি বন্দী ছিল। কারাগারগুলোতে চিকিৎসকের সংকট রয়েছে। বন্দীরা গুরুতর অসুস্থ হলে এবং তাঁদের উন্নত চিকিৎসা নিতে হলে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ফলে অনেক বন্দীর উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু হয়। গত তিন মাসে ২২ কয়েদি কারাগারে মারা যান। তাঁদের মধ্যে ২১ জন অসুস্থতার কারণে মারা গেছেন। নারীর প্রতি সহিংসতার বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই তিন মাসে ২০৮ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৭৮ জন নারী, ১০৯ জন কন্যাশিশু আর ২১ জনের বয়স জানা যায়নি। কন্যাশিশুর মধ্যে ১৩ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার আর তিনজনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। ১৪ জন নারী ও কন্যাশিশু যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ ছাড়া এই সময়ে ১১ জন নারী যৌতুকের কারণে হত্যার শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের নির্যাতনের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত তিন মাসে বিএসএফের গুলিতে ৯ বাংলাদেশি নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন। নিহত ৯ জনের মধ্যে ৭ জনকে গুলি করে এবং ২ জনকে নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩০ জুন পর্যন্ত নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ ১ হাজার ৭৮৩ জনকে জোর করে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়েছে। সাংবাদিক নিপীড়নের বিষয়ে অধিকারের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সময়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ৩০ জন আহত, ১৬ জন লাঞ্ছিত ও ১১ জন হুমকির শিকার হয়েছেন। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মী, প্রশাসন, মাদক ব্যবসায়ীদের দ্বারাও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

  • রংপুর সিটি করপোরেশনে ৮ বছর আগে চাকরিচ্যুত ২৫ জনকে গোপনে নিয়োগ

    রংপুর সিটি করপোরেশনে ৮ বছর আগে চাকরিচ্যুত ২৫ জনকে গোপনে নিয়োগ

    আদালতে মামলা চলমান-নগরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা

    রংপুর সিটি করপোরেশনে ৮ বছর আগে চাকরিচ্যুত ২৫ জনকে গোপনে নিয়োগ

    রংপুর সিটি করপোরেশনে বিগত আট বছর আগে চাকরিচ্যুত ২৫ জনকে কৌশলে গোপনে নিয়োগ দিয়েছেন সিটি করপোরেশনের বর্তমান প্রশাসক। এই ঘটনায় নগরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। দুটি স্মারকে এক বছরের জন্য তাদের নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হলেও, সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখায় কর্মকর্তা, অফিস সহকারী, আয়কর কর্মকর্তা হিসেবে মাসিক ৯ হাজার থেকে ১৭ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন নির্ধারণ করে দেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সাবেক মেয়রসহ সুধিজনরা। সিটি করপোরেশন সুত্রে জানা যায়, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত দুটি পত্রে ২৫ জনকে ‘অসাধারণ ছুটি’ দেখিয়ে গোপনে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। গত ফেব্রুয়ারিতে এই নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতিমাকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি তাদের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে, চাকরিচ্যুতদের নিয়োগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এরপরও প্রশাসক নিজের ক্ষমতাবলে কমিটির প্রতিবেদন উপেক্ষা করে তাদের নিয়োগ দেন। এর মধ্যে ৮৫৪ নম্বর স্মারকে গত ১১ মার্চ ১৭ জনকে সিটি করপোরেশনের কর আদায় শাখা, ট্রেড লাইসেন্স শাখা ও প্রকৌশল বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগ আদেশে বলা হয়, এই কর্মচারীদের চাকরিচ্যুতিকালীন সময় ‘অসাধারণ ছুটি’ হিসেবে গণ্য হবে এবং নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীরা তাদের দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করার শর্তে পৃথক পৃথকভাবে অঙ্গীকারনামা দিয়ে চাকরিতে যোগদান করবেন। অপর ৮৫৫ নম্বর স্মারকে গত ১১ মার্চ আট জনকে ট্যাক্সেশন কর্মকর্তা, অফিস সহকারী, মোটর মেকানিক, জনসংযোগ সহকারী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, পরিচ্ছন্নতা সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদের মাসিক বেতন সর্বনিম্ন আট হাজার থেকে ১৭ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এই আট জনের ক্ষেত্রেও চাকরিচ্যুতিকালীন সময় ‘অসাধারণ ছুটি’ এবং মামলা প্রত্যাহার করার শর্তে পৃথক পৃথকভাবে অঙ্গীকারনামা দিয়ে চাকরিতে যোগদানের কথা বলা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিটি করপোরেশনের ২ কর্মকর্তা জানান, আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের সদস্য ও সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু ২০১৬ সালে আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ৩১ জনকে এক বছরের জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছিলেন। পরের বছর তাদের নিয়োগের সময় বর্ধিত না করায় চাকরি চলে যায়। এরপর ওই ৩১ জন কর্মচারী চাকরি ফিরে পেতে হাইকোর্টে মামলা করেন, যা এখনও চলমান। পরবর্তীতে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি পাঁচ বছর মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০২৩ সালের ২৭ নভেম্বর মেয়র পদে পুননির্বাচিত হন। গত ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে ১৯ আগস্ট দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়। এরপর রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম। তিনি দায়িত্ব পেয়ে চাকরিচ্যুত ৩১ জনের মধ্যে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের পদধারী ছয় জনকে বাদ দিয়ে বাকি ২৫ জনকে গোপনে নিয়োগ দেন। বিষয়টি গোপন রাখার জন্য নিয়োগের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অফিস আদেশ কার্যালয় থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠে। এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান বলেন, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আইন বহির্ভূতভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আট বছর আগে চাকরিচ্যুত ২৫ জনকে গোপনে নিয়োগ দিয়েছেন। চাকরিচ্যুতির বিষয়ে তারা হাইকোর্টে মামলা করলেও আদালত কোনো আদেশ দেননি এবং মামলাও প্রত্যাহার করেননি। তাহলে কোন আইনে তাদের নিয়োগ দিলেন প্রশাসক? আবার বেতনও করলেন বেশি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের ছয় সহযোগীকে বাদ দিয়ে চাকরিচ্যুত বাকি ২৫ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ওই সময়ে তাদের অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। হাইকোর্টে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় নিয়োগ দেওয়া প্রশ্নের জবাবে শহিদুল ইসলাম বলেন, তৎকালীন মেয়রও তো আদালতে মামলা থাকার পরও নিয়োগ দিয়েছিলেন। গোপনে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। নিয়ম মেনেই নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

  • নওগাঁয় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১

    নওগাঁয় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১

    নওগাঁর মান্দা উপজেলায় দুটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক হেলপারের মৃত্যু হয়েছে। অন্তত আরও একজনের আহতের খবর পাওয়া গেছে। শনিবার সকাল ৮ টার দিকে উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের চৌদ্দমাইল নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে । তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কে সাবাইহাটের দক্ষিণাংশে দুটি ট্রাক বিপরীত দিক থেকে আসছিল। এই সময় নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের চৌদ্দমাইল মোড়ে পৌঁছালে মুখোমুখি এই সংঘর্ষ ঘটে। এসময় সড়কে উল্টে পড়ে একটি ট্রাক, অন্যটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য ওই সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ এসে সড়ক থেকে ট্রাক সরানোর কাজ শুরু করে। মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মনসুর সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে নিহত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাক দুটি সরানো হয়েছে। এঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

  • সাদুল্লাপুরে ধর্ষককে গ্রেফতারসহ মিথ্যা মামলা প্রতাহারের দাবীতে মানববন্ধন

    সাদুল্লাপুরে ধর্ষককে গ্রেফতারসহ মিথ্যা মামলা প্রতাহারের দাবীতে মানববন্ধন

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জয়েনপুর গ্রামের নাইম মিয়া নামের এক যুবক ভূমিহীন পরিবারের এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হওয়ায় আসামির পরিবার বাদিকে রাস্তা থেকে উঠিয়ে নিয়ে মারধর করে উল্টো মিথ্যা চুরির মামলা দিয়েছে। এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করাসহ অবিলম্বে ধর্ষক নাইমকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। শনিবার (২৬ জুলাই) সাদুল্লাপুর পাবলিক লাইব্রেরী এন্ড ক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ভূমিহীন নেতা কামরুল ইসলাম, স্থানীয় ব্যবসায়ী আজাহার আলী, মাছুদ মিয়া, খলিলুর রহমান, ভিকটিমের নানা, বাবা ও মা সহ অনেকে। বক্তারা বলেন, সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের জয়েনপুর গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে নাইম মিয়া একই গ্রামের এক কিশোরীকে জোরপুর্বক ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় অন্তঃস্বত্বা হয়ে পড়লে ধর্ষক নাইম ও তার পরিবার কৌশলে এই কিশোরীর গর্ভপাত ঘটায়। এ নিয়ে কিশোরীর মা জেলেখা বেগম বাদি হয়ে সাদুল্লাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। আর এই মামলা উঠিয়ে নেওয়ার জন্য ধর্ষকের বাবা শহিদ মিয়াসহ আরও অনেকে বাদি জেলেখা বেগম ও তার ভাগনি জামাইকে পরিকল্পিতভাবে রাস্তা থেকে উঠিয়ে বাড়িতে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করেছে শহিদ মিয়া তার লোকজন। তখন খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত জেলেখাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। এদিকে উল্টো থানার ওসির সঙ্গে আতাঁত করে জেলেখাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরি মামলা দিয়েছে শহিদের স্ত্রী শারমিন আক্তার। অথচ শারমিনের এই এজাহার তদন্ত ছাড়াই মামলা হিসেবে রুজু করেছেন ওসি। রহস্যজনকভাবে ধর্ষককে গ্রেফতার না করা এবং ধর্ষিতার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হওয়া চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে তারা। সেই সঙ্গে ধর্ষক নাইমের পরিবারের হুমকিতে বাড়িছাড়া ধর্ষিতার পরিবার। তাই অবিলম্বে ধর্ষক নাইমকে গ্রেফতারসহ বিবাদী শহিদ মিয়া গংদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ন্যায় বিচারের দাবিও জানান বক্তারা।